TONGSA

TONGSA TONGSA, a traditional and cultural initiative, formed in 2019. It will represent the extinct traditions & cultures of hill tracts people of Bangladesh.

We are trying to explore on culture & tradition of indigenous communities in Chittagong hill tracts.

'আমি দেখলাম তাঁর অন্তর্ভেদী দৃষ্টি'৯ই অক্টোবর ১৯৬৭ সাল।বলিভিয়ার জেনারেলদের সম্মিলিত আক্রোশের শিকার চে গুয়েভারা প্রাণহীন ...
09/10/2025

'আমি দেখলাম তাঁর অন্তর্ভেদী দৃষ্টি'

৯ই অক্টোবর ১৯৬৭ সাল।

বলিভিয়ার জেনারেলদের সম্মিলিত আক্রোশের শিকার চে গুয়েভারা প্রাণহীন পড়ে আছেন লা ইগেরার এক স্কুল-প্রাঙ্গণে। সেদিন ভোরের আলোতে কৃষাণ এক নারী তাঁকে দেখেছিলেন নিষ্প্রাণ-নিথর কিন্তু উজ্জ্বল দীপ্তিতে ভাস্বর।

সেই অম্লান স্মৃতিকাতরতার খোঁয়ারি এই নারী কোনোদিন কাটিয়ে উঠতে পারেননি। তাঁর কথায়, 'আমরা ধীরপায়ে স্বপ্নাবিষ্টের মতো হাঁটছিলাম তাঁর চারদিকে; কিন্তু কী আশ্চর্য! যেদিকেই যাই মনে হচ্ছিল তিনি তাকিয়ে আছেন আমাদের দিকেই! আর এমন দৃষ্টি আমি কারও কখনোই দেখিনি। কী জীবন্ত, কী মর্মভেদী সেই চাহনি!'

- এদুয়ার্দো গ্যালিয়ানো
কালের সন্ততি।

অনুবাদ - মুহম্মদ রফিকুল ইসলাম

শান্তিতে ঘুমাও তুমি সকল বিপ্লবীদের হৃদয়ে।

সকলকে মহা প্রবারণা পূর্নিমার শুভেচ্ছা। 💐প্রবারণা পূর্ণিমা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এটি আশ্বিন মাস...
06/10/2025

সকলকে মহা প্রবারণা পূর্নিমার শুভেচ্ছা। 💐

প্রবারণা পূর্ণিমা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এটি আশ্বিন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে পালিত হয়। এই দিনে ভিক্ষুগণ তিন মাসের বর্ষাবাস শেষে আত্মশুদ্ধি ও পরস্পরের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। ‘প্রবারণা’ শব্দের অর্থ হলো ভুল সংশোধনের আহ্বান বা আত্মসমালোচনা।

বাংলাদেশে বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রামের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মধ্যে এ উৎসব অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে পালিত হয়। মানুষ এই দিনে বৌদ্ধ বিহারে দান করে, ধর্মদেশনা শোনে এবং রাতে আকাশে প্রদীপ উড়িয়ে আলোকউৎসব করে। এই প্রদীপ অন্ধকার দূর করে সত্য ও জ্ঞানের আলোকের প্রতীক হিসেবে প্রতীয়মান ঘটে ।

এই দিনটি পালনের মাধ্যমে আমরা নিজেকে শুদ্ধ করি, কোনো ধর্ম -বর্ণ নয় বরং মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে চেষ্টা করি। কারণ মানুষ পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাণী, আমাদের রয়েছে জ্ঞান, বিবেক ও চিন্তাশক্তি। কিন্তু এই জ্ঞান যদি আত্মশুদ্ধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত না হয়, তবে তা মানবকল্যাণের বদলে ধ্বংসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই জ্ঞান ও আত্মশুদ্ধির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাই প্রকৃত মানবতার পথ।

আত্মশুদ্ধি মানে নিজের ভেতরের অন্ধকার, লোভ, হিংসা, ক্রোধ ও অহংকারকে পরিত্যাগ করে সত্য, শান্তি ও প্রেমের পথে চলা। বুদ্ধের বাণী আমাদের শেখায় — “নিজেকে জয় করাই সর্বশ্রেষ্ঠ জয়।” এই আত্মজয়ের মাধ্যমে মানুষ প্রকৃত শান্তি ও মুক্তি লাভ করতে পারে।

যদি প্রতিটি মানুষ নিজের মনকে আলোকিত করে, অন্যের দুঃখে সহমর্মী হয়, তবে পৃথিবীতে যুদ্ধ, ঘৃণা ও অন্যায়ের স্থান থাকবে না। জ্ঞান মানুষের চিন্তাকে প্রসারিত করে, আর আত্মশুদ্ধি তাকে নৈতিক পথে পরিচালিত করে।

এই দুই শক্তির সম্মিলনে গড়ে ওঠে সত্যিকারের মানবতা ও বিশ্বশান্তি। তাই আমাদের সবার উচিত জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হয়ে আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে পৃথিবীর প্রতিটি জীবের মঙ্গল ও শান্তি কামনা করা।

প্রবারণা পূর্ণিমা মানুষকে ক্ষমা, সত্যনিষ্ঠা, শান্তি ও মৈত্রীর শিক্ষা দেয়। এটি আত্মশুদ্ধি ও মানবকল্যাণের এক পবিত্র বার্তা বহন করে।

জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক।

অক্টোবরহেমন্তের হাওয়া হেসে খেলে আসে ধীরে ধীরে,শিশির ভেজা মাঠ আর ক্ষেতের শস্য ঝলমলে হাসে ।পাতারা হলদে, লাল, সোনালি ছায়া...
01/10/2025

অক্টোবর

হেমন্তের হাওয়া হেসে খেলে আসে ধীরে ধীরে,
শিশির ভেজা মাঠ আর ক্ষেতের শস্য ঝলমলে হাসে ।
পাতারা হলদে, লাল, সোনালি ছায়ায় মিশে,
আর রংধনু রাঙিয়েছে প্রকৃতির ক্যানভাসে ।

পাখিরা দূর দিগন্তে গান গায়,
শীতল বাতাসে দুলছে আকাশের শুভ্র মেঘের ছায়া।
সকালের রূপ ঝলমল করে অক্টোবরের মিষ্টি সুরে,
নদীর প্রবাহ বয়ে চলে স্রোত-ধ্বনির সুরে।

কাননে লতাগৃহ সিদ্ধ হয়েছে নরম কুয়াশায়,
কুসুম প্রস্ফুটিত হয়েছে প্রকৃতির স্নিগ্ধতায়।
অক্টোবর যেমন তুমি নীরব তেমনই প্রাণবন্ত,
তোমার আগমনে সকল মনন, পবন, উপবন হয়েছে জীবন্ত।

29/09/2025

"পাহাড় হতে ভেসে ভেসে আসে
শোন কতশত পূর্ণাদের আত্মচিৎকার,
ধর্ষক-খুনি উল্লাসে মেতে রয়
কিছু যায় আসেনা এ নষ্ট রাষ্টটার।"

শান্ত পাহাড়ে শান্তিপ্রিয় মানুষের জীবনবোধ যেন গানের এই লাইনেগুলোর মত। বারবার নিপীড়নে শিকার নেমে আসে আমাদের মা-বোনদের উপর । শত নির্যাতিতদের বেদনার সুর ভেসে আসে বারবার।
এই হায়েনা কোনো বনজন্তু নয় বরং রাষ্ট্রের নষ্ট আইন দ্বারা মদদপুষ্ট জন্তু। পঙ্গু রাষ্ট্রের আইন-বিচার কোথায়? সেই চিরচেনা মিছিল, প্রতিবাদের স্লোগান, প্রতিবাদ করতে গিয়ে আরো ২-৪টা লাশের উপহার আর প্রতিবাদকারীদের সন্ত্রাসী তকমা লাগানো, অতঃপর ??

তারপরও বলতে হবে গাইতে হবে স্লোগানে-স্লোগানে জানান দিতে হবে আমরা দমে যায়নি দেখো, ”
ঐ পাহাড়ে নূতনে কেতন উড়েছে
হুশিয়ারী হাঁক ডাকে-
সাবধান শত্রু- শকুনিরা,
জেগেছে তরুণ অরুন রূপে।

বিপ্লবীর চেতনায় ছেয়ে গেছে পাহাড়
কাধে কাধ মিলিয়ে নেমেছে পথে
পুড়েছে হৃদয় মুক্তির নেশায়
জ্বালাবো এবার মুক্তির মশাল

আমাদের রক্তের স্রোতধারায়
ভেসে দিব সকল অন্যায়- অবিচার
মুছে দিব ঘাতকের নির্মমতার চিহ্ন
ভেঙে দেব সকল শিকল-জঞ্জাল।

Original song: Madol
Cover by Kyaw Kyaw Sing Marma Ching Mong
Guitar : U Sing mong
Recitation :Amy chan

Brothers and sisters,today our hearts are shattered.A young girl, brave enough to raise her voice against ra**sts,stood ...
28/09/2025

Brothers and sisters,
today our hearts are shattered.

A young girl, brave enough to raise her voice against ra**sts,
stood unarmed, stood with nothing but truth.
And for that, the military shot her down and is in critical condition.

Her father now carries her injured body in his arms.
Her blood flows on his hands,
but it is not just his grief —
it is our grief, our shame, our wound as a nation.

What kind of justice is this?
When a ra**st walks free,
but a girl demanding justice is silenced by bullets?
What kind of power is this?
When father carries her injured daughter
because they chose to stand for what is right?

But let me say this clearly:
They can kill her body,
but they cannot kill her truth.
Her blood has written a question across the sky:
“Will we stay silent, or will we rise?”

We owe it to her,
we owe it to her father,
we owe it to every victim —
to stand, to shout, to fight until justice is done.

Her cry is now our cry.
Her father’s tears are now our strength.
And her blood will not be forgotten —
it will light the fire of justice in every hear

ভাই ও বোনেরা,
আজ আমাদের হৃদয় ভেঙে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গেছে।

এক কিশোরী, যে সাহস করে ধর্ষকদের বিরুদ্ধে কণ্ঠ তুলেছিল,
যে দাঁড়িয়েছিল নিরস্ত্র, কেবল সত্যকে আঁকড়ে ধরে—
তার জন্য সেনারা গুলি চালিয়েছে,
আজ সে মৃত্যুর সাথে লড়াই করছে।

বাবা এখন মেয়ের রক্তাক্ত দেহ বুকে নিয়ে আছেন।
তার হাত ভিজে আছে মেয়ের রক্তে,
কিন্তু এটা কেবল একজন বাবার বেদনা নয়—
এটা আমাদের সবার বেদনা, আমাদের লজ্জা, আমাদের জাতির ক্ষত।

এ কেমন বিচার?
যেখানে ধর্ষক ঘুরে বেড়ায় স্বাধীনভাবে,
আর যে মেয়ে ন্যায়বিচারের দাবি করে, তাকে চুপ করানো হয় গুলির মাধ্যমে?
এ কেমন ক্ষমতা?
যেখানে বাবাকে তার আহত মেয়েকে বুকে নিয়ে হাঁটতে হয়,
কারণ সে ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়াতে সাহস করেছিল?

কিন্তু আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই:
তারা তার শরীরকে আঘাত করতে পারে,
কিন্তু তারা তার সত্যকে কখনো হত্যা করতে পারবে না।
তার রক্ত আকাশজুড়ে এক প্রশ্ন লিখে দিয়েছে:
“আমরা কি চুপ থাকব, না কি উঠে দাঁড়াব?”

আমাদের তার কাছে ঋণী হতে হবে,
আমাদের তার বাবার কাছে ঋণী হতে হবে,
আমাদের প্রতিটি ভুক্তভোগীর কাছে ঋণী হতে হবে—
ন্যায়ের জন্য দাঁড়াতে, চিৎকার করতে, লড়তে হবে
যতক্ষণ না ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হয়।

তার আর্তনাদ আজ আমাদের আর্তনাদ।
তার বাবার অশ্রু আজ আমাদের শক্তি।
আর তার রক্ত কোনোদিন ভোলা যাবে না—
এটাই জ্বালিয়ে দেবে প্রতিটি হৃদয়ে ন্যায়ের আগুন।

ধর্ষণ শুধু একজন নারীর মর্যাদা নয়, গোটা মানবতার উপর এক ভয়ংকর আঘাত। অথচ, আমাদের সমাজে যখন এই নির্মম অপরাধের বিরুদ্ধে প্রতি...
28/09/2025

ধর্ষণ শুধু একজন নারীর মর্যাদা নয়, গোটা মানবতার উপর এক ভয়ংকর আঘাত। অথচ, আমাদের সমাজে যখন এই নির্মম অপরাধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ওঠে, তখন সত্য ও ন্যায়কে পাশে দাঁড় করানোর পরিবর্তে ভিকটিম ও প্রতিবাদকারীদের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়। অনেক সময় যারা ন্যায়বিচারের দাবিতে রাস্তায় নামে, তাদের “অশান্তিকারী” বা “সন্ত্রাসী” তকমা দেওয়া হয়। আরও দুঃখজনক হলো, রাষ্ট্রের যে শক্তি দুর্বলকে রক্ষা করার জন্য গড়ে উঠেছে, সেই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর একাংশ কখনো কখনো অপরাধীদের পক্ষেই অবস্থান নেয়।

ন্যায়বিচারের পথে এটি এক ভয়াবহ বাঁধা। একটি সভ্য সমাজে পুলিশের, সেনাবাহিনীর কিংবা প্রশাসনের ভূমিকা হওয়া উচিত অপরাধীর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা, ভিকটিমের পাশে দাঁড়ানো এবং জনগণকে আশ্বাস দেওয়া যে ন্যায়বিচার অবশ্যম্ভাবী। কিন্তু যখন উল্টো ঘটে, তখন অপরাধীরা আরও সাহসী হয়ে ওঠে, আর ভিকটিমরা দ্বিগুণভাবে ভেঙে পড়ে—প্রথমে অপরাধের শিকার হয়ে, পরে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়ে।

কয়েকদিন আগে খাগড়াছড়িতে তিন অমানুষের দ্বারা একজন আদিবাসী বোন ধর্ষণের শিকার হল, যে কিনা ৮ম শ্রেণিতে পড়ুয়া শিশু। তার ন্যায় বিচারের জন্য প্রতিবাদ, মানববন্ধন করবো না? দোষী- অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি নিয়ে মিছিল করা যাবেনা?
সে পাহাড়ি আদিবাসী মেয়ে বলে এদেশের আইনে তার কোনো মূল্য নেই?

ঘটনার পর পরই কী করা উচিত ছিল প্রশাসনে?
ধর্ষণের খবর প্রকাশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্তব্য হলো অপরাধীকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা এবং আইনি প্রক্রিয়ায় আনা।
প্রশাসনের দায়িত্ব হলো জনগণের কাছে পরিষ্কার বক্তব্য দেওয়া যে অপরাধীকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। এমন এক বিবৃতি কি দিয়েছিল? না দেয়নি।
ভিকটিমের পাশে মানবিকভাবে দাঁড়ানো, তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মানসিক সহায়তা দেওয়া। দিয়েছিল? উত্তর - না।
প্রতিবাদকারীদের দমন নয়, বরং তাদের কণ্ঠস্বর শোনা। শুনেছিল? না বরং কন্ঠস্বররোধ করতে চেষ্টা করেছে।

আর প্রশাসন কোনো আদিবাসী ভিক্টিমের পক্ষে এমন দ্রুত পদক্ষেপ কখনোই নিবেনা, নেইনি অতীতেও। বরং মদদপুষ্ট জন্তু রা সেটিকে সাম্প্রদায়িক ইস্যু তৈরি করে দাঙ্গা বাঁধাবে। সামান্য বিচার দাবিতে আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনের পরিনত করবে। এটাই মেজরিটি'স প্রশাসনের মূল উদ্দেশ্য, এতে কার লাভ? সেনাশাসন আরো মজবুত করা যাবে, বিউখোর মিডিয়া আদিবাসীদের খারাপ ভাবে উপস্থাপন করবে।

এমন তো হওয়ার কথা ছিল না, ন্যায়বিচারের দাবিতে আন্দোলন- মানববন্ধন করলে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীরা কেন বাধা দিবে? তাদের উপর কেন জুলুম হয়রান করা হবে? দোষী ব্যক্তিদের না খোজে প্রতিবাদকারীদের কেন গ্রেপ্তার করবে ?

প্রশাসনের দুর্বলতা নয় বরং স্বইচ্ছা ও উদ্দেশ্যপ্রনোদিত কারণে আজ খাগড়াছড়িতে এমন পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

ধিক্কার জানানোর ভাষা নেই। অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি আর আমার বোনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, চিকিৎসা ব্যবস্থাসহ যথাযথ ক্ষতিপূরণও নিশ্চিত করা হোক।

**st

09/09/2025

The story is about a hilly girl who just completed her primary school & willing to continue her studies!
Story: Ukya Thowaing
Casts: Nu Ma Ching
Mong Hla Ching
Nu Yoi Ching
Cinematography & Edit: Sing Mong Prue
Produced & Presented by: TONGSA | 2021

For Watching better quality: https://youtu.be/FJwjImetU4k

Please share the video with others so they can watch too!
Subscribe our channel for more updates!
Thanks for being with us!
Cheers!

ভোর এখনও ঠিক পুরোপুরি ফুটে ওঠেনি। কুয়াশা বা বৃষ্টি  ভেজা বান্দরবানের পাহাড়ি পথ বেয়ে নেমে আসে নানান  এলাকার নারী ও পুরুষ,...
08/09/2025

ভোর এখনও ঠিক পুরোপুরি ফুটে ওঠেনি। কুয়াশা বা বৃষ্টি ভেজা বান্দরবানের পাহাড়ি পথ বেয়ে নেমে আসে নানান এলাকার নারী ও পুরুষ, নারী সংখ্যাই বেশি। কারও হাতে বাঁশের ঝুড়ি, কারও মাথায় বোঝা, কারও কাঁধে পাহাড়ি শাক-সবজির বোঝাই। অন্ধকার কাটতেই তাদের পথ চলা শুরু হয় বাজারের দিকে। এটাই তাদের প্রতিদিনের গল্প। জীবনের গল্প। সংগ্রামের গল্প।

বান্দরবানের বাজারে ভোরবেলা দেখা যায় এক অনন্য দৃশ্য। পাহাড়ের নানান প্রান্ত থেকে আসা নারীরা সারি সারি বসে পড়েন মাটিতে। তাদের ঝুড়িতে থাকে পাহাড়ি লাউ, কচু, কলমি, বুনো শাক, মরিচ কিংবা বিভিন্ন সবজি। তাদের হাতে নেই ব্যবসায়ীর মতো পুঁজির শক্তি, নেই বড় দোকান কিংবা ছাউনি। মাটির ওপর বিছানো একটা বস্তা বা ছালা পাটের ছেঁড়া টুকরোই তাদের দোকান। সেখানেই সাজিয়ে রাখেন জীবিকার আশায় তোলা এই ফসলগুলো।

কেউ আসে ভোরে, আবার কেউ বাজারে জায়গা পেতে রাত ফুরাবার আগেই চলে আসে। ভোরের ঠান্ডা বাতাস, দুপুরের রোদ, কিংবা হঠাৎ নামা পাহাড়ি বৃষ্টি— কিছুই তাদের থামিয়ে রাখতে পারে না। কারণ তাদের পেছনে আছে পরিবারের দায়িত্ব। সন্তানদের মুখে ভাত তুলে দেওয়ার দায়। বৃদ্ধ বাবা-মাকে ওষুধ কেনার দায়। সংসার টিকিয়ে রাখার দায়।

তবুও বাজারে বসে যে কষ্ট করে আনা শাক-সবজি বিক্রি করেন, তার ন্যায্য দাম মেলে না। মধ্যস্বত্বভোগীরা সুযোগ নেয়, ক্রেতারা দরদাম করে অর্ধেক দামে কিনতে চায়। অথচ এই নারীদের হাতে বিকল্প কিছু নেই। দুপুরে ঘরে ফিরতে হবে, রান্না করতে হবে, আবার হয়তো খেতের কাজে যেতে হবে। তাই তাড়াহুড়া করে তারা কম দামে সব বিক্রি করে দেন। অনেক সময় পুরো দিনের আয় দিয়ে গাড়ি ভাড়াও ওঠে না।

ভাবা যায়? ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত পাহাড় বেয়ে নেমে আসা, বাজারে বসে থাকা, গরমে ঘাম ঝরানো— সব কিছুর পরেও হাতে যা থাকে, তা দিয়ে সংসারের খরচ মেটানোই দায় হয়ে পড়ে।

এই নারীরা শুধু বাজারের বিক্রেতা নন। তারা পরিবার চালান, সন্তানদের স্কুলে পাঠান, ঘরে রান্না করেন, আবার জমিতেও কাজ করেন। একদিকে সংসার, অন্যদিকে বাজার— দুই দিকেই তারা সমান পরিশ্রম করেন। অথচ তাদের এই শ্রমের সঠিক স্বীকৃতি কোথায়? তাদের জন্য নেই আলাদা টয়লেট, নেই বসার ব্যবস্থা, নেই বিশ্রামের জায়গা। অনেক সময় বাজারে বসা অবস্থায় তাদের বিব্রত হতে হয় প্রাকৃতিক প্রয়োজনের কারণে। তবুও তারা থেমে থাকেন না। দিনের পর দিন, বছরের পর বছর ধরে তারা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।

কখনও দুপুরের তাড়া, কখনও পরিবারের ডাক— সবকিছু মিলিয়েই তারা হুড়মুড় করে কম দামে সব বিক্রি করে দেন। যেন সময়ের সঙ্গে এক প্রতিযোগিতা। কারণ যদি বাড়ি ফেরা দেরি হয়, তবে সংসারের চুলা জ্বলে না। সন্তানদের দুপুরের খাবার জোটে না। তাদের এই লড়াই তাই শুধু অর্থের জন্য নয়, বরং প্রতিটি পরিবারের বেঁচে থাকার জন্য।

এই পাহাড়ি নারীদের গল্প আমাদের শিখিয়ে দেয়— সংগ্রাম মানে কী, বেঁচে থাকা মানে কী। সমাজ হয়তো তাদের দিকে তেমন নজর দেয় না, কেউ হয়তো ভাবে এ শুধু সবজি বিক্রেতার গল্প। কিন্তু সত্যি বলতে, তাদের প্রতিটি শাকপাতা, প্রতিটি সবজির ঝুড়ির ভেতর লুকিয়ে আছে অগণিত ঘামের ফোঁটা, অগণিত অশ্রু, আর অবহেলার দীর্ঘ ইতিহাস।

তাদের চোখে হয়তো বড় স্বপ্ন নেই, বিলাসিতা নেই। কিন্তু আছে অদম্য সাহস। আছে প্রতিদিনের শ্রম দিয়ে সংসারের হাসি ফোটানোর দৃঢ়তা। এরা হলো পাহাড়ি জীবনের প্রকৃত নায়ক। যাদের ত্যাগের কথা আমরা অনেক সময় ভুলে যাই, অবহেলা করি, কিন্তু যাদের ছাড়া পরিবার, সমাজ, অর্থনীতি— কিছুই সম্পূর্ণ নয়।

তাদের সংগ্রামী জীবন আমাদের মনে করিয়ে দেয়— প্রতিটি ভাতের দানার পেছনে লুকিয়ে আছে একজন নারীর অদম্য শ্রম, ভালোবাসা আর বেঁচে থাকার গল্প। আর সেই গল্পই আমাদের শেখায়, সত্যিকারের শক্তি আসলে পাহাড়ি এই নারীদের হাতেই নিহিত।"

, .

সবাইকে জানাই মধু পূর্নিমার শুভেচ্ছা। 🌸🐒মধু পূর্ণিমার গল্প 🐘🐒🍯অনেক অনেক বছর আগে, গৌতম বুদ্ধ যখন কোশাম্বী নগরে ছিলেন, তখন ...
06/09/2025

সবাইকে জানাই মধু পূর্নিমার শুভেচ্ছা। 🌸🐒

মধু পূর্ণিমার গল্প 🐘🐒🍯

অনেক অনেক বছর আগে, গৌতম বুদ্ধ যখন কোশাম্বী নগরে ছিলেন, তখন ভিক্ষুদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। শান্তির প্রতীক বুদ্ধ ঝগড়া-বিবাদ ছেড়ে নির্জন বনে চলে গেলেন এবং সেখানেই বর্ষা কাটাতে লাগলেন।

সেই গভীর বনে একটি দয়ালু হাতি প্রতিদিন বন থেকে নানা ফল সংগ্রহ করে বুদ্ধকে দান করত। হাতিটির আন্তরিক ভক্তি দেখে বনেই থাকা এক বানরের মনে হলো— “আমিও বুদ্ধকে কিছু দান করব।”

বানরটি অনেক খোঁজাখুঁজি করে অবশেষে একটি মৌচাক পেল। আনন্দে ভরে সে মৌচাকটি বুদ্ধকে দান করল। কিন্তু তাতে ছোট ছোট মৌমাছি ছিল, তাই বুদ্ধ প্রথমে মধু গ্রহণ করলেন না।

বানরটি তা বুঝতে পেরে মৌচাকটি পরিষ্কার করে আবার বুদ্ধকে দিল। এবার বুদ্ধ হাসিমুখে সেই মধু পান করলেন। বুদ্ধের হাতে নিজের দান গ্রহণ হতে দেখে বানরটি এতটাই খুশি হলো যে, আনন্দে নেচে নেচে এক গাছ থেকে অন্য গাছে লাফাতে লাগল।

হঠাৎ অসাবধানতাবশত একটি ডাল ভেঙে গেল, আর বানরটি মাটিতে পড়ে গুরুতর আঘাত পেয়ে মারা গেল। কিন্তু তার সেই নিঃস্বার্থ ভক্তি ও মধুদানের কারণে পরজন্মে সে স্বর্গলোকে জন্ম লাভ করল।

---

কেন এ দিন স্মরণীয়!

সে-সময়ে বুদ্ধের সাথে ঘটে যাওয়ার ঘটনাকে স্মরণ করেই ভাদ্র মাসের পূর্ণিমাকে বলা হয় মধু পূর্ণিমা।
আজও বৌদ্ধ ভক্তরা এদিন বুদ্ধকে মধু, ফলমূল ও ভেষজ দান করেন এবং শান্তি, ভক্তি ও করুণার শিক্ষা মনে রাখেন।

প্রতীক ও তাৎপর্য-

1. বানরের মধু দান → প্রাণীদের মধ্যেও হৃদয়, মমতা, সহানুভূতি ও দান- প্রতিদানের মানসিকতা থাকে।
2. গ্রামবাসীর ফল দান → মানবিক ভক্তি ও সহানুভূতির নিদর্শন।
3. বুদ্ধের নির্জনবাস → অহংকার ও বিবাদ এড়িয়ে শান্তি ও ধ্যানের পথে থাকার শিক্ষা।

Address

Bandarban
4600

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when TONGSA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to TONGSA:

Share