প্রকল্পের স্লোগান ( আদর্শ, অন্তর্নিহিত তাৎপর্য ও দর্শন ) :
‘নিজেকে চিনি, নিজেকে গড়ি…/ গড়ি আলোকিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গড়ি আলোকিত বাংলাদেশ…’
# লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য :
সংস্কৃতি, ইতিহাস-ঐতিহ্যকে সংরক্ষণের লক্ষ্যে এবং কৃতী, আলোকিত, গুণিজনসহ সকল বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মান জানানোর উদ্দেশ্যে ১৮০১-২০০০ খ্রিস্টাব্দ (দু’শো বছর) পর্যন্ত বিভিন্ন অবদান ও অর্জনের প্রেক্ষাপটে স্ব-স্ব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত এবং সরকারি-বেসরকা
রি পর্যায়ের উল্লেখযোগ্য পদমর্যাদাধারী বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সংক্ষিপ্ত জীবনী সংগ্রহ এবং গ্রন্থাকারে প্রকাশ করে মোড়ক উন্মোচনের মাধ্যমে সর্ব সাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে ‘আলোকিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ' ২০১৩ সালে যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে বাংলাদেশের প্রথম প্রকাশনা প্রকল্প www.alokito-chapainawabganj.com হিসেবে ২০১৪ সালে আত্মপ্রকাশ করে এবং প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ২০১৮ সালে ‘আলোকিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফাউন্ডেশনে www.alokitochapainawabganjfoundation.com রুপান্তরিত হয়।
# আলোকিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফাউন্ডেশনের চলমান কর্ম-পরিকল্পনা :
১. প্রকাশনা প্রকল্প-১ # দু’শো বছর ইতিহাসের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সংক্ষিপ্ত জীবনী গ্রন্থ প্রকাশ (প্রিন্ট এবং অনলাইন সংস্করণ)।
# ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে আলোকিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফাউন্ডেশনের শুভ উদ্বোধন। # আলোকিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন (কৃতী-গুণিজন সমাবেশ ও প্রকাশনা উৎসব)
# কৃতী-গুণিজন সমাবেশ ও প্রকাশনা উৎসব উপলক্ষে ‘স্মরণিকা’ প্রকাশ।
২. প্রকাশনা প্রকল্প-২ # আলোকিত বৃহত্তর রাজশাহী (চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নওগাঁ ও নাটোর) www.alokitobrihottorrajshahi.com দু’শো বছর ইতিহাসের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সংক্ষিপ্ত জীবনী গ্রন্থ প্রকাশ (প্রিন্ট এবং অনলাইন সংস্করণ)
৩. সহযোগী প্রতিষ্ঠান: # বৃহত্তর রাজশাহীভিত্তিক নতুন ধারার গণমাধ্যম ‘দৈনিক আলোকিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ’ www.dailyalokito-chapainawabganj.com বর্তমানে অনলাইনে চলমান।
# ভবিষৎ পরিকল্পনা: দুটি গ্রন্থ প্রকাশ পরবর্তী পরিকল্পনা সমূহ- (১) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা (বৃহত্তর রাজশাহী) ভিত্তিক ব্র্যান্ডিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আম, কাঁসা, লাক্ষা, রেশম, কালাইরুটি, গম্ভীরা, আলকাপ-কবিগানসহ বিভিন্ন লোকজসংস্কৃতি নিয়ে বিভিন্ন সৃজনশীল উদ্যোগ গ্রহণ। (২) গুণি মানুষদের জন্ম ও মৃত্যুদিবস পালন। (৩) প্রতিবছর ২০ জনকে আলোকিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফাউন্ডেশন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘আলোকিত ব্যক্তিত্ব সম্মাননা পদক’ প্রদান। (৩) সকল সদস্যদের নাম,ছবিসহ তথ্য সম্বলিত ডাইরেক্টরী প্রকাশ (বিভিন্ন বিষয়ে নতুন/পুরাতন লেখকের লেখাসহ) (৫) গুণি ব্যক্তিদের নামে বিভিন্ন রাস্তা, স্থাপনার নামকরণের উদ্যোগ গ্রহণ। (৬) গুণি ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয় পদক (একুশে পদক, স্বাধীনতা পুরস্কার ও বাংলা একাডেমী) পাবার ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ। (৮) চাঁপাইনবাবগঞ্জ (বৃহত্তর রাজশাহী) জেলায় যাদুঘর, কারীগরী বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিক্যাল কলেজ, নার্সিং কলেজ, গম্ভীরা একাডেমী, চারুকলা মহাবিদ্যালয়, সংগীত মহাবিদ্যালয় প্রভৃতি যেসমস্ত কাজ হয়নি, অথচ জরুরি, বৃহত্তর স্বার্থে সেইসব প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী (প্রত্যক্ষ/পরোক্ষভাবে) হবে ‘আলোকিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফাউন্ডেশন’। (৭) বৃহত্তর রাজশাহীভিত্তিক ইতিহাস-ঐতিহ্য-সংস্কৃতি সংরক্ষণ এবং বিকাশের লক্ষ্যে জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্ম-পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করবে। (৯) বৃহত্তর স্বার্থে, সরাসরি জনকল্যাণে ভূমিকা রাখবে এই প্রতিষ্ঠান। মূলত ৭০% চ্যারিটি/সেবামূলক কাজ করবে, ৩০% আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে কাজ করবে ‘আলোকিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ ফাউন্ডেশন’।