17/06/2026
A letter to- প্রিয় বাবা-মা, প্রিয় শ্বশুরবাড়ি, প্রিয় মেয়ে এবং প্রিয় স্বামী--
প্রিয় বাবা-মা ,
একটা ডিভোর্সড মেয়ে, একটা মৃত মেয়ের চেয়ে হাজার গুণ ভালো।শুধু সমাজ কি বলবে, মানুষ কি ভাববে—এই ভয় থেকে মেয়েকে এমন একটা সম্পর্কে থাকতে বাধ্য করবেন না, যেখানে সে প্রতিদিন একটু একটু করে ভিতর থেকে মরে যাচ্ছে। সব সংসার টিকিয়ে রাখতেই হয় না। কিছু সম্পর্ক ছেড়ে আসাও বেঁচে থাকার সাহস।
আপনার মেয়ের জীবন, মানসিক শান্তি আর নিরাপত্তা—মানুষের কথার চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান।
প্রিয় শ্বশুরবাড়ি,
দয়া করে সেই মেয়েটাকে একটু শুনুন! একটু support করেন! আপনারাও তো কারো মেয়ে ছিলেন… হয়তো এখন কারো মা।একবার শুধু নিজের মেয়ের জায়গায় কল্পনা করে দেখুন—সে তার পরিবার, নিজের ঘর, পরিচিত পৃথিবী ছেড়ে আপনাদের পরিবারকে নিজের করে নিতে এসেছে। কখনো কখনো একটা সুন্দর ব্যবহার, একটা “তুমি ঠিক আছো?” কিংবা ছেলের র বিপরীত a একবার তার ও হাত tটা ধরে দেখেন .. এইটুকুও একটা মেয়েকে ভেঙে পড়া থেকে বাঁচিয়ে দিতে পারে। কখনো কখনো শুধু তাকে ছেলের বউ না ভেবে মানুষ ভাবেন , তাকে এই পরিবারেরই একজন মনে করতে পারেন আপনারা। তার কি দায় যে সে একটা ছেলের জন্য পুরো পরিবার কে ভালবাসতে হবে ? কিন্ত সে তা পারে না কারন আপনারা তাকে ফীল করান না সে ও আপ্নাদের একজন
প্রিয় স্বামী,
যে নারী নিজের শরীর, ঘুম, মানসিক শান্তি—সবকিছু ত্যাগ করে তোমার সন্তান, তোমার সংসার, তোমার পৃথিবী গড়ে… তাকে সম্মান করো।
তোমার পরিবার তোমার রক্তের সম্পর্ক—কিন্তু সে নিজের আত্মা দিয়ে তোমার পাশে একটা পৃথিবী গড়ে তোলে। ভালোবাসা শুধু দায়িত্ব না… সম্মানও।
একজন সত্যিকারের পুরুষ হওয়া একজন সত্যিকারের পুরুষ হওয়ার প্রমাণ ক্ষমতায় না—প্রমাণ হয় সে একজন নারীকে কতটা শ্রদ্ধা, নিরাপত্তা আর সম্মান দিতে পারে।
প্রিয় মেয়ে,
যদি আজ তোমার মনে হয় তুমি ক্লান্ত…যদি মনে হয় কেউ তোমাকে বোঝে না…যদি মনে হয় জীবনটা খুব ভারী হয়ে গেছে…
তাহলে একটা কথা মনে রেখো—
একটা খারাপ অধ্যায় কখনো পুরো বইয়ের গল্প নয়।
যে মানুষ আজ তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে, সে তোমার পুরো ভবিষ্যৎ নয়!
যে ব্যর্থতা আজ তোমাকে ভেঙে দিচ্ছে, সেটাই তোমার পরিচয় নয়।
কাঁদো, বিশ্রাম নাও, সাহায্য চাও—�কিন্তু নিজের গল্পটা শেষ করে দিও না।
নিজের পায়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করো।�শিখো ! উপার্জন করো।�নিজেকে গড়ে তোলো।
Four people have been accused of causing the death of Nafisa Tabassum Dhipra through negligence and destroying evidence related to the incident in Dhaka’s Dhanmondi.