Only Quran Deen Al-Haq

Only Quran Deen Al-Haq إِنَّ الدِّينَ عِندَ اللَّهِ الْإِسْلَامُ
“নিশ্চয়ই মহান প্রভুর নিকট একমাত্র গ্রহণযোগ্য দ্বীন (জীবন ব্যবস্থা) হচ্ছে ইসলাম"।
আলে ইমরান ৩:১৮

হালুয়া টাইট !! জান্নাত 3 !!রোমান্টিক ম্যুভি !!  একযোগে চলিতেছে সারাদেশের প্রেক্ষাগৃহে!!
22/07/2026

হালুয়া টাইট !! জান্নাত 3 !!রোমান্টিক ম্যুভি !!
একযোগে চলিতেছে সারাদেশের প্রেক্ষাগৃহে!!


পেজটিতে কুরআন ভিত্তিক লেখালেখি সরাসরি পোস্ট করতে পারবেন এখন থেকে ইনশা আল্লাহ।যারা লাহুয়াল হাদিসের অনুসারী, তাদের পোস্ট ...
21/07/2026

পেজটিতে কুরআন ভিত্তিক লেখালেখি সরাসরি পোস্ট করতে পারবেন এখন থেকে ইনশা আল্লাহ।

যারা লাহুয়াল হাদিসের অনুসারী, তাদের পোস্ট করতে বারণ করা হচ্ছে। পোস্ট ডিলেট করে দেওয়া হবে।
অযথা আজেবাজে পোস্ট করলে সাথে সাথেই পোস্ট ডিলেট ও পেজ থেকে ব্যান করে দেওয়া হবে।

ধন্যবাদ সবাইকে।
সালামুন আলাইকুম।

#কুরআন #ইসলাম #মুসলিম

একটা জরিপের ফলাফল।গত দু'দিন আগে একটি পোস্ট করা হয়েছিল পেজে এই বলে যে, মাসজিদ মাদ্রাসায় দান করার পক্ষে কারা? এবং কেন? আ...
20/07/2026

একটা জরিপের ফলাফল।

গত দু'দিন আগে একটি পোস্ট করা হয়েছিল পেজে এই বলে যে, মাসজিদ মাদ্রাসায় দান করার পক্ষে কারা? এবং কেন?
আরেকটি অপশন ছিলো এই দানের বিপক্ষে কারা এবং কেন?
ফলাফল আধিকাংশ-মত দিয়েছেন মাসজিদ মাদ্রাসায় দান করার পক্ষে।
তাদের যুক্তি মাসজিদ মাদ্রাসায় দান না করলে এসব চলবে কিভাবে?
এগুলো ইসলামের অংশ মাদ্রাসায় ইসলাম শিখতে হবে, আর মাসজিদে ইবাদত করতে হবে। মাসজিদ আবাদ করার আয়াতটি অনেকেই তুলে ধরে মাসজিদে দানের পক্ষে মত দিয়েছেন। অনেকেই হাদিসের সূত্রে বলেছেন, মাসজিদ গড়লে আল্লাহ তাকে জান্নাতে অনুরূপ মহল বানিয়ে দেবেন।
অনেকেই রাগে ক্ষোভে কষ্ট পেয়ে চমৎকার চমৎকার বাক্যে পোস্টকারীকে গালিগালাজ করে মনের রাগ ক্ষোভ মেটাতে চেষ্টা করেছে।

এটা অত্যন্ত স্বাভাবিক যে, এদের অধিকাংশই কুরআন বুঝে পড়ে না, শুধু মৌ-লোভীদের নানা রকমের সোয়াবের বয়ান শুনে এই দানের পক্ষে উদ্বুদ্ধ হয়েছে। আবার অনেকেই বাপদাদাদের দেখা দেখি এবং সমাজের অধিকাংশ মানুষের দেখা দেখি এটার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
কুরআনে আল্লাহ আসলেই কি বলেছেন এ ব্যাপারে তা নিজে পরখ বা যাচাই করা ব্যাতিরেকেই এর পক্ষ নিয়েছে।

অনেকেই আল্লাহর নির্দেশের তোয়াক্কা-ই করেনি। তাদের যুক্তি, এটা ভালো কাজ, মাসজিদে আল্লাহর ইবাদত হবে, মাদ্রাসায় ইলেম চর্চা হবে।
ইত্যাদি ইত্যাদি।

আবার আরেকটা পক্ষ যারা নগণ্য সামাণ্য তারা মত দিয়েছে এর বিপক্ষে। তারা কুরআন চর্চা করে, চিন্তা ভাবনা ও কুরআন নিয়ে গবেষণা করে। তাদের যুক্তি কুরআনে তো মাসজিদ মাদ্রাসা তৈরির-ই আদেশ নেই আল্লাহর পক্ষ থেকে। স্বাভাবিক ভাবেই দানের আদেশও নাই।
যেহেতু আদেশ নাই, বিধান নাই কেন মাসজিদ মাদ্রাসায় দান করবো? তারা জোর দিয়েছেন কুরআনে যে যে দানের খাত গুলো স্পষ্ট করে আল্লাহ তুলে ধরেছেন তার পক্ষে। সাদাকাত এর আদেশ সম্বলিত আয়াত গুলোর আলোকে। আর একটি খাত হলো, আনফাক বা ইউনফিকুন এদুটি আদেশ বিবেচনায় নিয়ে। কুরআনে এ দুটি খাত ই মূলত আল্লাহর বিধান ও নির্দেশনা। তারা আল্লাহর আদেশের বাইরে যেতে রাজী না। এরা সামান্যই আসলে।

ফিজিক্যাল ডেটায় আসা যাক:
পোস্টে মোট রিয়্যাক্ট দুদিনে ৪৪৪টি, মোট কমেন্টস বা মন্তব্য ১২০০ টি। (পক্ষে/বিপক্ষে মিলিয়ে)
মোট শেয়ার ৯০ টি।
৪১০ টি লাইক, ১৯ টি লাভ, ৮ টি হা হা হা (উপহাস মূলক)
২ টি কেয়ার, ২ টি বিষ্ময়কর, ২ টি রাগ বা ক্ষোভ আর ১ টি দুঃখিত।
৯০ টি শেয়ার তারা বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ভেবে অন্যদের জানাতে উদ্বুদ্ধ হয়েছে।

৪১০ মোট রিয়্যাক্টে আসলে সব মিলিয়ে।
এর মধ্যে ১৯টি লাভ অত্যন্ত ইতিবাচক। এরা বোঝাই যায় কুরআনের পক্ষে।
৮ টি হা হা যারা দিয়েছেন এটাকে হাস্যকর, অবান্তর, এবং ফালতু মনে করেছে,
২ টা কেয়ার মানে এরা বিষয়টি নিয়ে খুবই কনসার্ণ! এদের আন্তরিক ধন্যবাদ না জানালে অন্যায় হবে। এ দু'জনকে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে ধন্যবাদ জানাই। ❤️❤️❤️
২ টি বিষ্ময়কর রিয়্যাক্ট দাতা এরা হয় এর বিরোধিতা করেছে নয় তো এটা যে আলোচনায় আনা হয়েছে তাতেই বিস্মিত হয়েছে।
২ টি ক্ষুব্ধ রিয়্যেক্ট এরা কষ্ট পেয়ে রাগান্বিত হয়েছে। আর শেষের ১ জন খুব কষ্ট পেয়ে বেদনাবোধ করেছে।

ফলাফল : অধিকাংশের ব্যাপারে আল্লাহ কুরআনে আগেই বলে দিয়েছেন:

আল-আন‘আম ৬:১১৬
আর যদি তুমি যারা যমীনে আছে তাদের অধিকাংশের আনুগত্য কর, তবে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করবে। তারা শুধু ধারণারই অনুসরণ করে এবং তারা শুধু অনুমানই করে।

ইউসুফ ১২:১০৩
তুমি কামনা করলেও অধিকাংশ মানুষ ঈমানদার হবে না।

ইউসুফ ১২:১০৬
তাদের অধিকাংশ শির্‌ক করা ব্যতীত আল্লাহকে বিশ্বাস করে না।

আল-আ‘রাফ ৭:৩
তোমাদের প্রতি তোমাদের রবের পক্ষ থেকে যা নাযিল করা হয়েছে, তা অনুসরণ কর এবং তাকে ছাড়া অন্য অভিভাবকের অনুসরণ করো না। তোমরা সামান্যই উপদেশ গ্রহণ কর।

মুমিনরা বরাবর সামান্যই ছিলো, সামান্যই থাকবে সব সময়। কারণ, এরা স্রোতের অনুকূলে গা ভাসিয়ে দেয় না। বরাবরই এরা স্রোতের বিপরীতে চলা আল্লাহর প্রিয় আব্দ।❤️❤️❤️
কিছু কি বুঝলেন?
বুঝলে বুঝ পাতা, না বুঝলে তেজপাতা🤣🤣🤣

সবার জন্য শান্তি কামনা করছি।

#ইসলাম #আল্লাহ #কুরআন
#ফলোয়ার #মুসলিম

আপনি কোন দলে/গ্রুপে/ফিরকায় আছেন?পৃথিবীতে বর্তমানে কতো দল উপদল আছে? শয়তান আজ একক দ্বীন ইসলাম-কে বিভক্ত করে ফেলেছে? আমরা...
20/07/2026

আপনি কোন দলে/গ্রুপে/ফিরকায় আছেন?
পৃথিবীতে বর্তমানে কতো দল উপদল আছে? শয়তান আজ একক দ্বীন ইসলাম-কে বিভক্ত করে ফেলেছে?

আমরা জানি,
আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআহ -হানাফি, মালিকি, শাফেয়ি, হাম্বলি
শিয়া ইসলাম- ইসনা আশারিয়া (বারো ইমামি), ইসমাইলি, যায়দি, খারিজি (ঐতিহাসিক ধারা), বর্তমানে প্রধানত ইবাদি শাখা টিকে আছে। মু'তাযিলা (ঐতিহাসিক কালামি মতবাদ)
আশআরি (আকীদাগত ধারা)
মাতুরিদি (আকীদাগত ধারা)
সালাফি - আহলে হাদিস
সুফিবাদ (এরও বহু তরিকা রয়েছে, যেমন কাদেরিয়া, চিশতিয়া, নকশবন্দিয়া ইত্যাদি।)
আরো যে কতো ধারার দলে বিভক্ত হয়েছে গুনে দেখাও মুশকিল! এর একটিও কি সঠিক দ্বীন ইসলামের মূল ধারায় আছে?

কুরআনে আল্লাহ তাআলা মুসলিমদের ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন এবং দলাদলি, বিভক্তি ও বিচ্ছিন্ন হওয়া থেকে কঠোরভাবে সতর্ক করেছেন।

এ বিষয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আয়াত হলো:
সূরা আলে ইমরান ৩:১০৩
"তোমরা সবাই আল্লাহর রজ্জু কে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরো এবং পরস্পর বিভক্ত হয়ো না..."
এই রজ্জুটাই হলো আল্লাহর কিতাব কুরআন। আর এখন দ্বীন ইসলাম চলছে পুরোপুরি মনগড়া আজগুবি শরীফের হাদিসের ভিত্তিতে।
সূরা আলে ইমরান ৩:১০৫
"তোমরা তাদের মতো হয়ো না, যারা তাদের কাছে সুস্পষ্ট নিদর্শন আসার পরও বিভক্ত হয়েছে এবং মতভেদে লিপ্ত হয়েছে। তাদের জন্য রয়েছে মহাশাস্তি।"

এই মতভেদ কিসের? মনগড়া মতবাদের, ফতোয়ার, আকিদার, মাজহাব ও মানহাজের।
কুরআন পরিপূর্ণ নাজিল হওয়ার কিছু কালের মধ্যেই তথাকথিত সুন্নী ও সিয়া দলের সৃষ্টি হয়। অথচ, কুরআনের নির্দেশ ছিলো বিভক্ত হয়ো না।
সূরা আল-আনআম ৬:১৫৯
"নিশ্চয়ই যারা তাদের দ্বীনকে খণ্ড-বিখণ্ড করেছে এবং বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়েছে, তাদের সঙ্গে আপনার কোনো সম্পর্ক নেই। তাদের বিষয় আল্লাহর নিকট; অতঃপর তিনি তাদেরকে জানিয়ে দেবেন তারা কী করত।"
যারা দলে দলে বিভক্ত হয়ে তাদের সাথে রাসূলের কোনো সম্পর্ক নেই। আল্লাহ পরিষ্কার বলে দিয়েছেন।
সূরা আর-রূম ৩০:৩১–৩২
"...তোমরা মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না— যারা তাদের দ্বীনকে খণ্ড-বিখণ্ড করেছে এবং বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়েছে; প্রত্যেক দলই নিজেদের কাছে যা আছে তা নিয়ে আনন্দিত।"
সূরা আশ-শূরা ৪২:১৩
"...তোমরা দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত কর এবং এতে বিভক্ত হয়ো না..."
ডাইরেক্ট আল্লাহ আদেশ করেছেন বিভক্ত হয়ো না।
যারা এর লঙ্ঘন করেছে, সবাই আল্লাহর আদেশ অমান্যকারী। আর যারা আল্লাহর আদেশ অমান্য করে বা বিধান মানে না, তারাই কাফির!!
সূরা আল-বাকারা ২:২১৩
"...মানুষের কাছে স্পষ্ট প্রমাণ আসার পরও তারা পরস্পরের হিংসাবশত মতভেদে লিপ্ত হয়েছিল..."
সূরা আল-বাইয়্যিনাহ ৯৮:৪
"যাদেরকে কিতাব দেওয়া হয়েছিল তারা তাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পরই বিভক্ত হয়েছিল।"

এসব আয়াতে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছেন যে,
আল্লাহর দ্বীনকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করতে হবে।
দলাদলি ও বিভক্তি থেকে বিরত থাকতে হবে।
পরস্পরের বিবাদ ও মতভেদে লিপ্ত হওয়া উম্মাহকে দুর্বল করে।
পূর্ববর্তী জাতিদের বিভক্তির পরিণতি থেকে শিক্ষা নিতে হবে আমাদের সকলের।
আল্লাহ আমাদের কুরআন বুঝার মানার তাওফীক দান করুন।

#কুরআন #আল্লাহ #ইসলাম #মুসলিম #ফলোয়ার

নাবী ঈব্রাহীম ও নাবী ইসমাইল কি আসলেই মক্কায় কাবাঘর প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন?لِتُنْذِرَ قَوْمًا مَّاۤ اُنْذِرَ اٰبَآؤُهُمْ ف...
18/07/2026

নাবী ঈব্রাহীম ও নাবী ইসমাইল কি আসলেই মক্কায় কাবাঘর প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন?

لِتُنْذِرَ قَوْمًا مَّاۤ اُنْذِرَ اٰبَآؤُهُمْ فَهُمْ غٰفِلُوْنَ

"যাতে তুমি এমন এক কওমকে সতর্ক কর, যাদের পিতৃপুরুষদেরকে সতর্ক করা হয়নি, কাজেই তারা উদাসীন"।
(ইয়াসীন ৩৬:৬)

আয়াতটা ভালো ভাবে লক্ষ্য করুন। নাবী মুহাম্মাদ কে উদ্দেশ্য করে আল্লাহ এ আয়াতটিতে কি বলছেন?
তাকে এমন এক কওম বা জাতিকে সতর্ক করতে আদেশ করছেন মহান রব আল্লাহ যাদের পিতৃপুরুষদের ইতিপূর্বে সতর্ক করা হয়নি। অর্থাৎ, নাবী মুহাম্মদের পূর্বে সেখানে আর কোনো সতর্ককারী বা বার্তাবাহক বা রাসূল পাঠানো হয়নি। আলোচ্য আয়াতে বিষয়টি একদম পরিষ্কার।

তাহলে, বর্তমান কুরআনের তর্জমায় যে তর্জমাকারীরা অবলীলায় অনুবাদ করে রেখেছে, নাবী ঈব্রাহীম মক্কায় কাবা ঘর প্রতিষ্ঠিত করেছেন নাবী ইসমাইল কে সাথে নিয়ে। আমরা জানি, নাবী ইব্রাহিম ও ইসমাইল বাবা ছেলে উভয়েই নাবী ও রাসূল ছিলেন।
আয়াত ৩৬:৬ যদি সঠিক ধরে নেন, তাহলে নাবী ইব্রাহিম ও নাবী ইসমাইল এর মক্কায় আগমন ও কাবা প্রতিষ্ঠিত করার আয়াত গুলো সাংঘর্ষিক হয়ে যায়। তারা কি মক্কায় অবস্থান করেননি? নাবী ইব্রাহিম এর কথা স্পষ্ট উল্লেখ না থাকলেও নাবী ইসমাইল যে আরব ভূমিতে বসবাস করেছেন, ও তার বংশধরগণ আরব বাসী ছিলেন তা কিন্তু আমরা সবাই জানি। কারণ, নাবী ইসমাইলের বংশধারা থেকেই নাবী মুহাম্মদের জন্ম বলে জানা যায়। যদিও কুরআন এ ব্যাপারে পরিষ্কার কিছুই বলে না। তাহলে নাবী ইসমাইল কি নাবী মুহাম্মাদের পূর্বে আরবে ইসলাম প্রচার করেননি? তিনি কি সেই কওম বা নিজ জাতিকে সতর্ক করেননি? নাবীর কাজ ই হলো জাতিকে সঠিক দ্বীনের পথে পরিচালিত করা, সতর্ক করা। তাহলে, আমরা যদি আয়াত ৩৬:৬ কে সঠিক ধরি, তাহলে ধরে নিতে হয় নাবী ইব্রাহিম মক্কায় আসেননি এবং নাবী ইসমাইলও মক্কায় আসেননি বা, বসবাস করেননি।

তাহলে বর্তমান তর্জমায় বলা আছে, নাবী ইব্রাহিম ও নাবী ইসমাইল কাবা প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন ও নাবী ইসমাইল আরবে বসবাস করেছিলেন, তা বাদ দিতে হবে। অথবা, তর্জমায় সংশোধন করতে হবে।
আমরা ইতিহাস ও বনি ইসরাইলের, বাইবেলের সূত্রে জানি নাবী ইব্রাহিম ও নাবী ইসমাইল উভয়েই বর্তমান ফিলিস্তিন বা জেরুজালেম অঞ্চলের অধিবাসী ছিলেন।
শুধু তার এক স্ত্রী হাজেরা-কে নির্বাসনের জন্য এতো দূর ভ্রমণ করা কি তৎকালীন সময়ে সম্ভব ছিলো?
আসলে নাবী ইব্রাহিম ও নাবী ইসমাইল কখনোই আরবে যাননি, সেখানে বসতিও করেননি। কুরআন এ তথ্যই দেয়। কুরআন বলে না, নাবী ইসমাইল আরবে বসতি করেছিলেন। আজও নাবী ইব্রাহিম এর কবর জেরুজালেমেই রয়েছে।

নাবী মুহাম্মাদ কে যদি আরবের নাবী রাখতেই হয়, তাহলে নাবী ইব্রাহিম ও নাবী ইসমাইল এর সাথে সংশ্লিষ্ট আয়াত গুলোর তর্জমা সংশোধন করতেই হবে।
কুরআনের এক আয়াত আরেক আয়াতের সাথে সাংঘর্ষিক হতে পারবে না। এটি আল্লাহর এক বিষ্ময়কর কালাম ও কিতাব। এখন সময় হয়েছে কুরআনের অনুবাদ গুলো সংশোধন নিয়ে ভাবার।
আপনার কি জানা আছে এ বিষয়ে মন্তব্য করতে পারেন।
যারা, হাল্কা পাতলা জ্ঞান রাখেন, অযথা গালাগালি করতে আসবেন না দয়া করে। যদি সমাধান থাকে, তাহলে বিশদ বলুন।
সবাইকে সালাম ও শুভকামনা।

#কুরআন #ইসলাম

দ্বীন ইসলামে কোনো 'ফিরকা' বা দলাদলি করার কোনো সুযোগই নেই।যারা করবে, তাদের সাথে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই। রাসূলের ও কোনো ...
18/07/2026

দ্বীন ইসলামে কোনো 'ফিরকা' বা দলাদলি করার কোনো সুযোগই নেই।
যারা করবে, তাদের সাথে ইসলামের কোনো
সম্পর্ক নেই। রাসূলের ও কোনো সম্পর্ক নেই।
(সূরা আন'আম ৬:১৫৯)

আমাদের শুধু মুসলিম হবার আদেশ দিয়েছেন মহান রব আল্লাহ।
(সূরা আল বাকারা ২:১৩২)
(আলে ইমরান ৩:১০২)
(আল আরাফ ৭:১২৬)
(সূরা ইউসুফ ১২:১০১)

আর আমরা কেউ শিয়া, কেউ সুন্নী, কেউ আহলে হাদিস, কেউ পীরবাদী, কেউ সুফী বাদী এরা সব আল্লাহর বিধানে বাতিল ফেরকার, ইবলিশের অনুসারী। এরা কেউই মুসলিম নয় কুরআন অনুযায়ী।

বুঝতে হবে, জানতে হবে। জেনে বুঝেই ইসলাম পালন করতে হবে। কারো অন্ধ অনুসরণ ও আনুগত্যের নাম ইসলাম নয়।

#ইসলাম #কুরআন #আল্লাহ

"চালাইয়া দাও রাসূলের হাদিস"নামের প্রত্যেকটি হাদিস কুরআনের সাথে মিলিয়ে চেক করে দেখুন।কুরআন হলো 'উত্তম হাদিস'(সূরা যুমার...
18/07/2026

"চালাইয়া দাও রাসূলের হাদিস"
নামের প্রত্যেকটি হাদিস কুরআনের সাথে মিলিয়ে
চেক করে দেখুন।
কুরআন হলো 'উত্তম হাদিস'
(সূরা যুমার- ৩৯:২৩)

কুরআন হলো 'ফুরকান' সত্যমিথ্যার পার্থক্যকারী।
(আনফাল ৮:২৯)

যা এর মানদন্ডে টিকবে,
সেটাই সঠিক।
বাকি গুলো মনড়া আজগুবি শরীফের লাহুয়াল হাদিস।

#হাদিস #কুরআন #ফুরকান #ফলোয়ার

আপনার মতে এটা কি সমর্থনযোগ্য? আল্লাহর নির্দেশ না থাকা সত্ত্বেও আপনি কি এটা করতে ইচ্ছুক? যদি 'হ্যাঁ' হয়, বলুন কি কারণে আ...
17/07/2026

আপনার মতে এটা কি সমর্থনযোগ্য? আল্লাহর নির্দেশ না থাকা সত্ত্বেও আপনি কি এটা করতে ইচ্ছুক?
যদি 'হ্যাঁ' হয়, বলুন কি কারণে আপনি আল্লাহর আদেশ উপেক্ষা করবেন?
যদি না হয়, বলুন কেন মাসজিদ মাদ্রাসায় দান করবেন না।
আপনার এই মতামত একটা বিষয় পরিষ্কার হয়ে যাবে।
যা পরে প্রকাশ করা হবে ইনশা আল্লাহ।
একটু ভেবে চিন্তে বলুন দয়া করে। ধন্যবাদ সবাইকে।

#মাসজিদ #মাদ্রাসা

আয়াত না বেঁচলে ওরা খাবে কী? তাই, ফতোয়া বানিয়ে জায়েজ করে নিয়েছে। কোনো সমস্যা নেই।"আমার আয়াতসমূহের বিনিময়ে সামান্য মূ...
16/07/2026

আয়াত না বেঁচলে ওরা খাবে কী? তাই, ফতোয়া বানিয়ে জায়েজ করে নিয়েছে। কোনো সমস্যা নেই।

"আমার আয়াতসমূহের বিনিময়ে সামান্য মূল্য ক্রয় করো না"। (৫:৪৪)
কুরআনে বার বার মহান স্রষ্টা আল্লাহ এই কথা টা বলেছেন।
অথচ, এতো সহজ ও পরিষ্কার একটা কথা যা বুঝতে তেমন কুরআন গবেষণা করা লাগে না। ১২/১৪ বছর মাদ্রাসা নামক ধর্ম শিক্ষার খোয়াড়ে পড়ে থাকতে হয় না। এটা মৌ-লোভীদের বুঝে আসে না!!
আশ্চর্যের বিষয় না? তারা বুঝে। তারপরও এতো ধৃষ্টতা ওদের আল্লাহর এই কথা অমান্য করে তারা ইসলাম ধর্মের নামে, কুরআন শিখানোর নামে, নামাজ পড়ানোর নামে আয়াত বিক্রি করেই চলেছে। ধিক্কার ওদের প্রতি যারা আল্লাহর আদেশ সরাসরি লঙ্ঘন করে চলেছে। যারা আল্লাহর আয়াত অমান্য করে তারাই কাফির। এরাই মুশরিক!!😡

"আর যারা আল্লাহ যা নাযিল করেছেন, তার মাধ্যমে ফয়সালা করে না, তারাই কাফির"। (৫:৪৪)

যারা কুরআনের বিধান মাফিক ফায়সালা করে না,তারাই কাফির। কতো পরিষ্কার কথা আল্লাহর!! দ্বীনের সকল বিষয় শুধু মাত্র আল্লাহর বিধান মেনে সমাধান করতে হবে। তথাকথিত শয়তানের হাদিস দিয়ে নয়। যা কিছুতেই আল্লাহর বিধান বা ওহী নয়। একদম পরিষ্কার কথা! বুঝতে কোনো কষ্ট হচ্ছে? অথচ, তারা বলে, কুরআন দিয়ে কিছুই হয় না। আসলে কুরআন দিয়েই দ্বীন ইসলামের সব কিছু হয়। হয় না শুধু ধান্দা!😡 এটাই কুরআন না মানার আসল কারণ।😡😡😡 কুরআন মানলে, ওরা যা যা শয়তান মারফত ইসলামে ঢুকিয়েছে তার কিছুই বহাল রাখতে পারবে না। তাই, তাদের চাট্টিপাট্টি গোল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।
এর মধ্যে কথিত নামাজ, রোজা, হজ্জ্ব, যাকাতের মতো বিষয় রয়েছে। আরো রয়েছে মাদ্রাসা, মসজিদ ইত্যাদি। যার বিন্দু মাত্র কুরআনে আদেশ নেই গড়ার। আরো কতো মনগড়া ইবাদত, আমল যে আছে, সব বাতিল হয়ে যায় কুরআন মানলে। ওরা কি জানে না? জানে, খুব ভালো করেই জানে। তাই তো মৌ-লোভীদের দল শুধু কুরআন মানতে কিছুতেই রাজি নয়। ওদের শয়তানের মনগড়া হাদিস লাগবেই। অথচ এই হাদিসের কোনো স্বীকৃতি নেই আল্লাহর থেকে বা রাসূলের থেকে।

"নিশ্চয় আমি তাওরাত নাযিল করেছি, তাতে ছিল হিদায়াত ও আলো, এর মাধ্যমে ইয়াহূদীদের জন্য ফয়সালা প্রদান করত অনুগত নবীগণ এবং রববানী ও ধর্মবিদগণ। কারণ তাদেরকে আল্লাহর কিতাবের রক্ষক করা হয়েছিল এবং তারা ছিল এর উপর সাক্ষী। সুতরাং তোমরা মানুষকে ভয় করো না, আমাকে ভয় কর এবং আমার আয়াতসমূহের বিনিময়ে সামান্য মূল্য ক্রয় করো না। আর যারা আল্লাহ যা নাযিল করেছেন, তার মাধ্যমে ফয়সালা করে না, তারাই কাফির"।
(আল-মা’ইদাহ ৫:৪৪)

আল্লাহর কুরআন নিজ মাতৃভাষায় বুঝে বুঝে পাঠ করুন। সঠিক ভাবে আল্লাহর যাবতীয় বিধিবিধান মেনে দ্বীন ইসলাম পালন করুন।

সালামুন আলাইকুম।

#ইসলাম

আল্লাহর আয়াত বিক্রি যারা করে, তারা তাদের উদরে আগুন🔥 পুরে!কি ভয়ংকর কথা! অথচ এতো সহজ কথাটা কথিত মৌ-লোভীরা বুঝেই না। বুঝল...
15/07/2026

আল্লাহর আয়াত বিক্রি যারা করে, তারা তাদের উদরে আগুন🔥 পুরে!
কি ভয়ংকর কথা! অথচ এতো সহজ কথাটা কথিত মৌ-লোভীরা বুঝেই না। বুঝলে কি তারা আয়াত বেঁচে ধান্দা করতো?

"নিশ্চয় যারা গোপন করে যে কিতাব আল্লাহ নাযিল করেছেন এবং এর বিনিময়ে সামান্য মূল্য গ্রহণ করে, তারা শুধু আগুনই তাদের উদরে পুরে। আর আল্লাহ কিয়ামতের দিনে তাদের সাথে কথা বলবেন না, তাদেরকে পরিশুদ্ধ করবেন না। আর তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব"।
(Al-Baqarah ২:১৭৪)

তাদের জাহান্নামের ব্যাপারে কারো কি কোনো সন্দেহ আছে? আল্লাহ তাদের পরিশুদ্ধ করবেন না। যে বা যারা পরিশুদ্ধ নয়, তারা কি জাহান্নামের উপযুক্ত নয়?

#জাহান্নাম #আল্লাহ

Address

Malaysia
Dhaka

Telephone

+8801845481977

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Only Quran Deen Al-Haq posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share