Ali Hossain Foundation

Call Contact the organization

Ali Hossain Foundation বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম। আলহামদুলিল্লাহ।
ওয়াস সলা'তু ওয়াস সালা'মু আলা রসু'লিল্লাহ।

10/14/2026

“আল্লাহর কাছে সবচেয়ে ঘৃণিত ব্যক্তি হলো সেই ব্যক্তি, যে অত্যন্ত ঝগড়াটে।” (সহিহ বুখারি, ২৪৫৭)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। 🟤 রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যাক্তি তার ভাই এর ওপর যুলুম করেছে সে যেন তা থেকে মাফ নিয়...
10/10/2026

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত।
🟤 রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,
যে ব্যাক্তি তার ভাই এর ওপর যুলুম করেছে সে যেন তা থেকে মাফ নিয়ে নেয়, তার ভাই এর জন্য তার কাছ থেকে নেকী কেটে নেওয়ার পূর্বে।
কেননা সেখানে (হাশরের ময়দানে) কোন দীনার বা দিরহাম পাওয়া যাবে না। তার কাছে যদি নেকী না থাকে তবে তার (মাজলুম) ভাই এর গোনাহ এনে তার উপর ছুঁড়ে মারা হবে।

সহীহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন), হাদিস নং ৬০৯০
হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস
সোর্সঃ বাংলা হাদিস।

10/08/2026

জুমুআহ রিমাইন্ডার:—

• কিয়ামুল লাইল।
• ইস্তিগফার।
• দু'আ।
• সকাল-সন্ধ্যার যিকর।
• সূরা কাহাফ।
• দরূদে ইবরাহিম।

صلى الله عليه وسلم
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

আসল ভয় মৃত্যুকে নয়… মৃত্যু তো একদিন আসবেই!ভয় হওয়া উচিত—মৃত্যুর পর কী হবে, তা নিয়ে…ভয় কবরের অন্ধকারকে,ভয় পুলসিরাতের কঠিন ...
09/28/2026

আসল ভয় মৃত্যুকে নয়…

মৃত্যু তো একদিন আসবেই!
ভয় হওয়া উচিত—মৃত্যুর পর কী হবে, তা নিয়ে…

ভয় কবরের অন্ধকারকে,
ভয় পুলসিরাতের কঠিন পথকে,
ভয় মিজানের পাল্লা হালকা হয়ে যাওয়াকে,
ভয় হিসাবের কঠিন মুহূর্তকে,
আর সবচেয়ে বেশি ভয়—
জাহান্নামের আগুনকে!

হে আল্লাহ,
আমাদের দুনিয়ার জিন্দেগী সহজ করে দিন,
আমাদের কবরকে নূরে ভরে দিন,
হিসাব সহজ করে দিন,
হাউজে কাওসারের পানি নসিব করুন,
নবীজীর (সাঃ) এর শাফায়াত নসিব করুন,
পুলসিরাত পার হওয়ার তাওফিক দিন,
জাহান্নামের আগুন থেকে আমাদের হেফাজত করুন, এবং জান্নাতুল ফিরদাউস দান করুন
আমীন।

09/27/2026

“যে ব্যক্তি মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না, সে মহান আল্লাহর প্রতিও কৃতজ্ঞতা আদায় করে না।” [মুসনাদে আহমাদ, ৭৯৩৯]

09/26/2026
দুনিয়ার সবচেয়ে বিপজ্জনক দিকটা কী জানেন?এটা সবসময় আপনাকে কোনো বড় গুনাহ দিয়ে আল্লাহ থেকে দূরে সরায় না। অনেক সময় শুধু ব্যস্...
09/24/2026

দুনিয়ার সবচেয়ে বিপজ্জনক দিকটা কী জানেন?

এটা সবসময় আপনাকে কোনো বড় গুনাহ দিয়ে আল্লাহ থেকে দূরে সরায় না। অনেক সময় শুধু ব্যস্ত রাখে। আপনি ভাবলেন, একটা চাকরি হলে জীবনটা একটু গুছিয়ে যাবে। চাকরি হলো, তারপর মনে হলো বেতনটা আরেকটু বাড়লে ভালো হতো। বেতন বাড়ল, এবার গাড়ি দরকার। গাড়ি হলো, নিজের একটা বাসার চিন্তা শুরু হলো। বাসা হলে আরও একটু বড়, আরও একটু সুন্দর, আরও একটু স্বচ্ছন্দ… একটা চাওয়া পূরণ হতে না হতেই আরেকটা সামনে এসে দাঁড়ায়।

সমস্যা এসব চাওয়ায় নয়। ভালো চাকরি, সুন্দর ঘর, স্বচ্ছলতা, পরিবারকে ভালো রাখা—এসব হারাম নয়। সমস্যাটা তখন, যখন যে জিনিসটা একসময় দু‘আ করে চেয়েছিলেন সেটা হাতে পাওয়ার পরও মনটা শান্ত হয় না; “আলহামদুলিল্লাহ” বলার আগেই মাথায় পরের চাওয়াটা ঢুকে পড়ে।

আল্লাহ বলেন, “প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে গাফিল করে রেখেছে, যতক্ষণ না তোমরা কবরস্থানে পৌঁছেছ।” — সূরা আত-তাকাসুর, ১০২:১–২

আয়াতটা পড়লে নিজের দিনের কথাই মনে হয় না? সকালে উঠে ফোন, তারপর কাজ, message, call, বাজার, রান্না, deadline, সন্তান, bill, shopping, social media—দিন শেষ হয়ে যায়। আপনি হয়তো কোনো বড় হারামে ডুবে নেই। কিন্তু যোহরটা “এই কাজটা শেষ করে পড়ব” বলতে বলতে দেরি হয়ে গেল। মা ফোন করেছিলেন, ভাবলেন একটু পরে call করবেন—আর করা হলো না। সন্তান পাশে দাঁড়িয়ে কিছু বলছিল, আপনি “হুম, বলো” বললেও চোখ ছিল screen-এ। কয়েকদিন ধরে কুরআনটা যেখানে রেখে দিয়েছিলেন, সেখানেই পড়ে আছে।

কিছুই নাটকীয়ভাবে নষ্ট হয়নি, তবু কোথাও একটা দূরত্ব তৈরি হচ্ছে। মানুষ সাধারণত একদিনে আল্লাহকে ভুলে যায় না। ছোট ছোট postponement দিয়েই শুরু হয়—“কাল থেকে ঠিক করব”, “আজ খুব ক্লান্ত”, “এই projectটা শেষ হোক”, “সময় পেলেই কুরআন পড়ব।” কিন্তু “সময় পেলে” সেই সময়টা অনেক সময় আর আসে না। কারণ দুনিয়ার কাজ কখনো শেষ হয় না; একটা শেষ হলে আরেকটা অপেক্ষা করে থাকে।

আল্লাহ বলেন, “হে মুমিনগণ! তোমাদের সম্পদ ও সন্তান যেন তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফিল না করে।” — সূরা আল-মুনাফিকুন, ৬৩:৯

খেয়াল করুন, সম্পদ বা সন্তানকে খারাপ বলা হয়নি। এগুলো আল্লাহর নিয়ামত। সতর্ক করা হয়েছে এমন জায়গায় পৌঁছানো থেকে, যেখানে নিয়ামতই আপনাকে নিয়ামতদাতাকে ভুলিয়ে দেয়।

এখানে আবার উল্টো একটা ভুলও করা যাবে না। ইসলাম আমাদের দুনিয়া ছেড়ে দিতে বলেনি। আল্লাহ বলেন, “আল্লাহ তোমাকে যা দিয়েছেন, তা দিয়ে আখিরাতের আবাস অনুসন্ধান করো এবং দুনিয়া থেকে তোমার অংশ ভুলে যেও না।” — সূরা আল-কাসাস, ২৮:৭৭

অর্থাৎ কাজ করবেন, আয় করবেন, পরিবার গড়বেন, ঘর বানাবেন, ব্যবসা করবেন, ভ্রমণ করবেন, ভালো জিনিস ব্যবহার করবেন। কিন্তু এগুলোর ভিড়ে আল্লাহ যেন আপনার জীবনের “ফাঁকা সময়ের” অংশ হয়ে না যান।

একটা প্রশ্ন খুব অস্বস্তিকর হতে পারে—আমি কোন জিনিস হারানোর ভয় সবচেয়ে বেশি পাই? চাকরি? টাকা? ব্যবসা? সম্পর্ক? মানুষের চোখে নিজের অবস্থান? নাকি আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্কটা দুর্বল হয়ে যাওয়ার ভয়? সমস্যা দুনিয়ার জিনিস থাকা নয়। সমস্যা হলো, এগুলো হারানোর ভয় যদি আল্লাহকে হারিয়ে ফেলার ভয়কে ছাড়িয়ে যায়।

রাসূলুল্লাহ ﷺ দুনিয়া ও আখিরাতের তুলনা বোঝাতে বলেছেন, আখিরাতের তুলনায় এই দুনিয়া এমন, যেন কেউ সমুদ্রে একটি আঙুল ডুবিয়ে তুলে দেখে—আঙুলে কতটুকু পানি লেগে আছে। — সহিহ মুসলিম, ২৮৫৮

একটু ভাবুন। একদিকে সমুদ্র, আরেকদিকে আঙুলে লেগে থাকা কয়েক ফোঁটা পানি। অথচ আমাদের জীবনের কত চিন্তা সেই কয়েক ফোঁটাকে নিয়েই! কার বাড়ি বড়, কে কত আয় করছে, কে কোথায় ঘুরতে গেল, আমার career কোথায় গেল, আরেকটু হলে আমি কত সুখী হতাম… অথচ যে জীবনটা শেষ হবে না, তার জন্য আজ কী পাঠালাম—এই প্রশ্নটা খুব সহজেই দিনের শেষে বাদ পড়ে যায়।

আল্লাহ সূরা আল-হাদীদে দুনিয়ার জীবনকে খেলাধুলা, বিনোদন, সাজসজ্জা, পারস্পরিক গর্ব এবং সম্পদ-সন্তান বৃদ্ধির প্রতিযোগিতার সঙ্গে তুলনা করে এর ক্ষণস্থায়ী স্বভাব স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। — সূরা আল-হাদীদ, ৫৭:২০

এর মানে এই নয় যে হাসা বন্ধ করতে হবে, ambition ছেড়ে দিতে হবে কিংবা সুন্দর জীবন চাওয়া যাবে না। বরং এমনভাবে বাঁচতে হবে, যেন দুনিয়ার জিনিসগুলো আখিরাতের জন্য কাজে লাগে। আপনার টাকা সদকাহ ও পরিবারের হক আদায়ে কাজে লাগুক। আপনার কাজ হালাল রিযকের মাধ্যম হোক। সন্তান শুধু আপনাকে ব্যস্ত না রাখুক, আপনার জন্য সদকায়ে জারিয়াও হোক। ঘর শুধু সাজানো না হোক, সেখানে সালাত, কুরআন, ভালোবাসা ও আল্লাহর স্মরণও থাকুক।

আজ নিজের জীবনটা একটু চুপচাপ দেখুন। সালাত কি প্রতিদিন অন্য কাজের সঙ্গে জায়গার জন্য লড়ছে? কুরআন কি “সময় পেলে” খোলা হয়? মা-বাবার সঙ্গে কথা বলার জন্য কি সত্যিই সময় নেই, নাকি অন্য জিনিসগুলো সবসময় আগে চলে আসে? সন্তান আপনার কাছ থেকে শুধু জিনিস পাচ্ছে, নাকি আপনাকেও পাচ্ছে? আর দিনের এত ব্যস্ততার মধ্যে আল্লাহর সঙ্গে আপনার একান্ত সময়টা কোথায়?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর perfect হওয়া দরকার নেই। শুধু সত্য হওয়া দরকার। কারণ একদিন কাজ থামবে, ফোন আর বাজবে না, যে target নিয়ে এত চিন্তা করেছিলেন সেটাও অন্য কারও হাতে চলে যাবে। যে জিনিসগুলো নিয়ে আজ “এরপর কী?” ভাবছেন, সেগুলোর অনেক কিছুই তখন কোনো অর্থ রাখবে না। কিন্তু আল্লাহর কাছে আগে যা পাঠিয়েছেন, সেটা থেকে যাবে।

তাই দুনিয়াকে ছেড়ে দেওয়ার দরকার নেই। দুনিয়াকে তার জায়গাতেই রাখুন। হালালভাবে উপভোগ করুন, নিয়ামতের শুকরিয়া করুন, ভবিষ্যতের জন্য চেষ্টা করুন। শুধু এমন যেন না হয়—দুনিয়ার সবকিছুর জন্য সময় হলো, রবের জন্যই সময় হলো না।

আল্লাহ আমাদের এমন হৃদয় দিন, যা নিয়ামত পেয়ে তাঁকে ভুলে যায় না; বরং আরও বেশি তাঁর দিকে ফিরে আসে। আমিন।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📌 পোস্টটি সদকায়ে জারিয়া ও দ্বীনের উপকারী বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার নিয়তে শেয়ার করতে পারেন। আল্লাহ তা‘আলা এটিকে আমাদের ও আপনাদের জন্য আখিরাতে নাজাতের ওসিলা হিসেবে কবুল করুন। আমিন। 🤲

🌿 NahWa Ad-Deen
কুরআন-সুন্নাহর আলোকে দৈনন্দিন জীবন, আত্মশুদ্ধি, দ্বীনি জিজ্ঞাসা ও বাস্তব জীবনের বিভিন্ন বিষয়ে উপকারী কনটেন্ট পেতে আমাদের সঙ্গে থাকুন।

🧸 Nahwa Ad-Deen Kids
শিশুদের দ্বীনি শিক্ষা ও সচেতন Parenting বিষয়ক কনটেন্ট পেতে Follow করুন।

📚 ইলমযাত্রা | Free Islamic Books
একদম বিনা মূল্যে ইসলামিক বই পেতে এই গ্রুপে যুক্ত হোন।

🎓 রিহলাতুল ইলম । Free Islamic Classes
সম্পুর্ন ফ্রি দ্বীনি ইলম শেখার বিভিন্ন ক্লাসে যুক্ত হতে রিহলাতুল ইলম।

09/24/2026

ইবলিশ পাগল ছিল না, সে আলেম ছিল।
ইবলিশ কাফের ছিল না, সে আল্লাহকে চিনতো।
তাহলে সে ধ্বংস হলো কেন?
এই একটা প্রশ্ন বুঝলে
তুমি তোমার পুরো জীবন বুঝে যাবে।
ইবলিশ জানতো আল্লাহ এক।
সে আল্লাহর সাথে কথা বলেছে।
সে জান্নাত দেখেছে, জাহান্নাম দেখেছে।
ফেরেশতাদের ওস্তাদ ছিল সে।
তার ইবাদতের কোনো কমতি ছিল না।
তাহলে তার অভাব কিসের ছিল?
তার অভাব ছিল একটা জিনিসের - সে নিজেকে চিনতে পারেনি।
আল্লাহ তাকে জিজ্ঞেস করেননি - "তুই সিজদা করলি না কেন?"
আল্লাহ জিজ্ঞেস করেছেন - *"মা মানা'আকা?"
তোকে কিসে বাধা দিল?*
মানে তোর ভিতরে এমন কি ঢুকলো যে - তুই আমাকে মানতে পারলি না?
সেই বাধাটা ছিল - "আনা খাইরুম মিনহু - আমি তার চেয়ে উত্তম।"
ইবলিশ আগুনের তৈরি, আদম (আ) মাটির তৈরি - এটা ছিল তার যুক্তি।
কিন্তু তার ভিতরের রোগ ছিল -
সে নিজের একটা ইমেজ বানিয়ে ফেলেছিল।
"আমি অনেক ইবাদত করেছি,
আমি ফেরেশতাদের সাথে থাকি,
আমি ভিআইপি।
আমি কেন মাটির আদমের (আ) সামনে মাথা নত করবো?"
আল্লাহর দরবারে ভিআইপি বলে কিছু নাই।
আল্লাহর দরবারে যে নিজেকে ছোট মনে করে, আল্লাহ তাকে বড় করেন।
যে নিজেকে বড় মনে করে, আল্লাহ তাকে ধ্বংস করে দেন।
আর তারপর ইবলিশ কি করলো জানো?
সে তওবা করলো না।
সে বললো না - "আল্লাহ ভুল হয়ে গেছে।"
সে উল্টা দোষ দিল।
প্রথমে আদমকে (আ) দোষ দিল,
তারপর আল্লাহকে বললো - "আপনি আমাকে গোমরাহ করেছেন।"
নাউযুবিল্লাহ।
এইখানেই আদম (আ) আর ইবলিশের পার্থক্য।

আদম (আঃ) ভুল করে বলেছিলেন - "রব্বানা জলামনা আনফুসানা -
হে আল্লাহ আমরা নিজের উপর জুলুম করেছি।"

আর ইবলিশ ভুল করে বলেছিল - "আপনি আমাকে দিয়ে ভুল করিয়েছেন।"
একজন নিজের দিকে আঙুল তুললো, সে নবী হয়ে গেল।
আরেকজন অন্যের দিকে আঙুল তুললো, সে শয়তান হয়ে গেল।
"ইবলিশ মরেনি, ইবলিশ তোমার ভিতরেই থাকে।"*
যখন তুমি বলো -
"আমি ঠিক, ও ভুল।"
"আমি এটা করেছি ওর জন্য।"
"আমার কোনো দোষ নাই, পরিস্থিতি খারাপ ছিল।"
"আমি ওর চেয়ে ভালো।"
তখন বুঝবে তোমার ভিতরে ইবলিশ কথা বলছে।
শয়তান চায় তুমি কখনো নিজের ভুলটা স্বীকার না করো।
কারণ যে নিজের ভুল স্বীকার করে না, সে কখনো তওবা করে না। আর যে তওবা করে না, সে কখনো আল্লাহর কাছে ফিরতে পারে না।

তাই আজই নিজেকে জিজ্ঞেস করো - আমার ভিতরে "আনা খাইরুম মিনহু" টা কোথায় লুকিয়ে আছে?
ওইটাকে মারতে পারলেই তুমি মানুষ।
ওইটাকে পুষে রাখলেই তুমি ইবলিশ।
সংগৃহীত

Address

New York, NY

Telephone

+13476054171

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ali Hossain Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Ali Hossain Foundation:

Shortcuts

Share