Mizan Democracy Page

Mizan Democracy Page Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mizan Democracy Page, Nonprofit Organization, New York, NY.

পেশায় একজন বিজ্ঞানী এবং শিক্ষক। বীরোত্তম ছাত্র-জনতার উত্থানে পালিয়েছে রাক্ষসমাতা সাঙ্গপাঙ্গ সহ। তবুও জানিনা আর কত দূর গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং ন্যায়বিচারের মঞ্জিলে মাকসুদ। পৌঁছাতে হবে, একটিই লক্ষ্য।

04/12/2026

।।ওরা নিজেদেরকে কিই মনে করে???।।

ইসলামাবাদে আয়োজিত ই*run-আমেরিকা শান্তি আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়ে গেছে। আমেরিকা তার প্রধান আপত্তিতে বলেছে - ই* run অবশ্যই পারমানবিক বোমা বানানোর চেষ্টা করবে না; এবং অবশ্যই এমন কোনো কিছু অর্জনের চেষ্টা করবে যা থেকে দ্রুত পারমানবিক বোমা বানানো যায় – এই শর্তে রাজি হয় নি। আমেরিকার এমন দাবির বিষয়ে বহু আপত্তি আছে। এখানে আমি শুধু একটি বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করব – পৃথিবীর এইসব মোড়লরা নিজেরা কতগুলো কোরে পারমানবিক বোমা বানিয়েছে:

যুক্তরাষ্ট্র ~ ৫,৪০০
রাশিয়া ~ ৬,০০০
ফ্রান্স ~ ২৯০
চীন ~ ৫০০+
ভারত ~ ১৭২
পাকিস্তান ~ ১৭০
Is*রায়েল ~ ৯০

এরা শত-শত, হাজার-হাজার পারমানবিক বোমা বানিয়ে যেকোনো সময়ে যেকারো ওপরে আঘাত হানার জন্য প্রস্ত্তুত রাখতে পারে, আর কোন অধিকারে, কোন নৈতিকতা, কোন শ্রেষ্ঠত্বের দাবিতে তারা অপর কোনো দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে ???

তার ওপরে পালের গোদা, স্বঘোষিত বিশ্বমোড়লটি নিজে অপর দেশের ওপর দু-দুটি পারমানবিক বোমা ফাটিয়ে লক্ষ-লক্ষ মানুষকে হত্যা করার ইতিহাসে কলঙ্কিত। তারপরেও সে কিভাবে অপর দেশের ওপর খবরদারি করতে পারে? সেই ঐতিহাসিক হত্যাকাণ্ডের পরেও তাদের পাঁচ হাজারের ওপর পারমানবিক বোমা থাকতে পারবে, আর অন্যদের একটিও না। এমনকি কোনো গবেষণাও করতে পারবে না। করলেই তাদের ওপর অবরোধ থেকে শুরু কোরে যেকোনো সময়ে ইচ্ছা মতো বোমা বর্ষণ, তাদের বিজ্ঞানী এবং রাষ্ট্রীয় নেতাদেরকে সপরিবারে বোমা মেরে হত্যা এবং সমগ্র দেশটি ধ্বংস কোরে দেবার হুমকি !!!

মানুষের দ্বারা এর চেয়ে বড় অনাচার আর কিছু কি কল্পনা করা যায়? ওরা নিজেরদেরকে কিই মনে করে???

কেউ কি এ দেশটির কানে ধোরে, গালে কোষে দুটো চড় মেরে মারনাস্ত্রগুলো হাত থেকে কেড়ে নিতে পারে?

না, আমি ‘বিধাতার’ কাছে প্রার্থনার কথা বলছি না। ‘বিধাতাকে’ পৃথিবীর নিকৃষ্টতম জুলুমের বিরুদ্ধেও মজলুমের পাশে কখনও দেখা যায় নি (পৌরানিক গল্পে ছাড়া)। যা করার মানুষকেই করতে হবে।

-শেখ মিজান
১২ এপ্রিল ২০২৬

04/11/2026

।। কেন তারেক নামে, আর সালাহউদ্দিন ভাবে প্রধানমন্ত্রী?।।

কথাটা এখন সারা বাংলাদেশে জনগণের মুখে মুখে ঘুরছে। এই দৃষ্টিকটু ঘটনার কারনটা কি?

বাংলা প্রবাদে একটি কথা আছে – ছাগল নাচে খোঁটার জোরে। তারেক রহমান ১৭ বছর বিদেশে থেকেও কোনো বিদেশি খোঁটা তৈরী করতে পারে নি। কিন্তু সালাহউদ্দিন ১০ বছর শিলং-এ থেকে খোঁটা পাকা-পোক্ত কোরে ঠিক সময় মতো বাংলাদেশে ফিরে এলো; অতঃপর ভারত-লীগ-ওয়াকার গং-এর জোরে চ্যালেঞ্জ দিয়ে জুলাই বিপ্লবের সরকারকে মাথা নোয়াতে বাধ্য করলো। তারেক রহমান দলের একনায়ক হিসেবে তার “প্ল্যান মতো” সব অনুমোদন দিয়ে গেল, দ্রুততম সময়ে মসনদ দখলের জন্য। তবে, খোঁটার সাথে যোগ তো সালাহউদ্দিনেরই বেশি। অতএব জোর তো তারই বেশি থাকার কথা। ভারতের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদটা সবচেয়ে বেশি দরকারি ছিল। সেটা তারা প্রথম দখল করেছ তারপর তাদের ছাগলটি বাংলাদেশের সংসদ থেকে মন্ত্রনালয় পর্যন্ত মাথায় চেপে বহুরূপি নাচ দেখাতে থাকবে সেটাই তো স্বাভাবিক। খোঁটার জোর। বর্তমান বাংলাদেশে এর চেয়ে বিপদজনক আর কিছু হতে পারে না।

সারা বাংলাদেশের আপামর জনগণ সালাহউদ্দিনের অতিরিক্ত লম্ফঝম্প, বাগাড়ম্বর, সংবিধান বিশেষজ্ঞ হয়ে যাওয়া, সবাই খেয়াল করেছেন। তবে, জনগণকে শুধু বিষয়টা খেয়াল করলে এবং বুঝলেই হবে না। কিছু একটা করতে হবে।

-শেখ মিজান
১১ এপ্রিল ২০২৬

04/06/2026

।। মধ্যপ্রাচ্য শান্তির নতুন প্রবক্তা – সিনেটর লিন্ডসি গ্রাহাম!

মনে আছে নিশ্চয়ই আল জাজিরার সূত্রে প্রথম আলোর একটি খবর , “আমরা বিপুল অর্থ আয় করতে যাচ্ছি: ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন সিনেটর গ্রাহাম” (৯ মার্চ)। সে বলেছিল, ‘ভেনেজুয়েলা ও ইরানে বিশ্বের মোট তেলের ৩১ শতাংশ মজুত রয়েছে। আমরা এই ৩১ শতাংশ তেলের মালিকানায় অংশীদারত্ব পেতে যাচ্ছি। এটি চীনের জন্য দুঃস্বপ্ন। এটি একটি ভালো বিনিয়োগ।’ (“We are going to make a tonne of money” …Aljazeera, 9 March 2026)

একটা ’মানুষ’ কতখানি অর্থলোভী শকুন, নির্বিবেক, নিষ্ঠুর, এবং সর্বোপরী নির্লজ্জ হলে এমন কথা প্রকাশ্যে বলতে পারে তা চিন্তা করা যায় না। মনে রাখতে হবে যে এই মনুষ্য সন্তানটি পৃথিবীর উচ্চতম সভ্যতার দাবীদার একটি দেশের সুট-কোট পরা শিক্ষিত একজন নাগরিক। শুধু নাগরিকই নয় লোকটি দেশটির সম্মানিত একজন সিনেটর এবং ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান পার্টির প্রবীনতম এবং উচ্চতম সারির একজন নেতা। অভিজ্ঞ নেতা, অবশ্যই বোঝে অমন বাণীর বদৌলতে তার জনপ্রিয়তা বাড়বে, পরের বারে সিনেটে আসন নিশ্চিততর হবে। অর্থাৎ, এমন কথাই ওর দেশে জনপ্রিয়,ওদের নাগরিক চেতনা, জাতীয় সংস্কৃতি। সেটিই আজ মানব সভ্যতার সবচেয়ে বড় সমস্যা। মার্কিন বা পাশ্চাত্য চরিত্রের নিকৃষ্টতা নিয়ে বিশাল সন্দর্ভ লেখা যায়। আপাতত যাক সে কথা।

নতুন চমক হলো যে সপ্তাহ তিনেক পর, সেই লিন্ডসি গ্রাহাম ইরান যুদ্ধ গুটিয়ে শান্তি স্থাপনের জন্য তার প্রেসিডেন্টকে পরামর্শ দিচ্ছে – “এগিয়ে যান জনাব প্রেসিডেন্ট। যুদ্ধটা গুটিয়ে ফেলুন, এবং ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তির জন্য উদ্যোগ নিন।” ( "Keep it up Mr President. Wind down the war and wind up efforts for an historic peace deal." গত ৩০ মার্চ বিভিন্ন মার্কিন দৈনিকে প্রকাশিত খবর।)

তাহলে কি হঠাৎ নেকড়ে বাঘে ঘাস খাওয়া শুরু করলো? হ্যাঁ বিষয়টা তেমনই, সেটি নিঃসন্দেহে বলা যায়। ‘ঠেলার নাম বাবাজি।’ ইরানের যুদ্ধক্ষেত্রে ঠিক কি ঘটছে তার সঠিক খবরাখবর পাওয়া খুবই কঠিন। তবে গ্রাহামের এই শান্তির বাণী থেকে নিশ্চিতভাবেই বলা যায় যে যুদ্ধে তারা সুবিধা করতে পারছে না, ভালই মার খাচ্ছে। তাই ইরানের তেল চাটার স্বপ্ন আপাতত তারা পরিত্যাগ করেছে।

লিন্ডসির ডিগবাজিকে নিছক হাসির খোরাক হিসেবে নিয়েই যেন ভুলে না যাই। এটিই আজ ‘মানব সভ্যতার’ নিষ্ঠুরতম সত্য। মানুষ হিসেবে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে আধপেটা খেয়েও ইরানের মতো ক্ষেপনাস্ত্র বানাতে হবে।
আরও কথা আছে – শুধু পাশ্চাত্য সভ্যতার জন্যই নয়। কথাটি আমাদের দেশে তাদের পোষ্য দালালদের ব্যাপারেও শতভাগ সত্য। লাঠি ছাড়া ওরা কখনও শান্তি বা গণতন্ত্রের পথে হাঁটবে না; ওদের লুঠপাট, চাঁদাবাজি, চালবাজি, কোনোটাই থামবে না । ওদেরকে তাড়াতে লাঠি এবং ক্ষেপনাস্ত্র লাগবে।

-শেখ মিজান
৬ এপ্রিল ২০২৬

04/05/2026

।। ট্রাম্পের গালে কোষে এক চড় পড়লো।।

গলায় আটকে গেছে কই মাছ। না পারে গিলতে নাপারে ফেলতে। ইরানকে সর্বপ্রকার হুমকি-ধমকি দিয়েও যখন কাজ হয় না, তখন ‘মহাসম্রাট’ ট্রাম্প রাগে লাল হয়ে যান। তিনি গত ৩১ মার্চ তার “ট্রুথ সোশ্যাল”-এ লেখেন:

“যে যেসব দেশ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার কারনে যুক্তরাজ্যের মতো তেল পাচ্ছে না, আবার ইরানের মুণ্ডুচ্ছেদেও যোগ দিচ্ছে না, তাদের প্রতি আমার একটা পরামর্শ আছে – (১) তেল কেনো যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে, আমাদের প্রচুর আছে। (২) দেরিতে হলেও কিছুটা সাহস জড়ো করে হরমুজ দখল করো।”

পরামর্শ অন্যদের মর্মে সেঁধিয়ে দেবার জন্য সে আরও যোগ করে, “নিজের জন্য কিভাবে সংগ্রাম করতে হয় সেটি তোমাদেরকে শেখা শুরু করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র আর কখনও তোমাদেরকে সাহায্য করতে যাবে না। ঠিক যেমনি তোমরা যুক্তরাষ্ট্রের পাশে এসে দাঁড়াও নি।” বোধকরি বড় মাস্তান হিসেবে বিশাল কৃতিত্ব নেওয়া এবং অন্যদের কাজকে সামান্য প্রতিপন্ন কোরে তাদেরকে উষ্কে দেওয়ার জন্য ট্রাম্প আরও লেখে, “ইরান কার্যত ধ্বংস হয়েছে। কঠিন কাজটা হয়ে গিয়েছে। যাও এখন গিয়ে নিজেদের তেল নিজেরা নিয়ে এসো।”

ট্রাম্প গত এপ্রিলের ১ তারিখে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণেও একই কথা বলে। - কত্তোবড়ো মোড়ল! দম্ভে মাটিতে পা পড়ে না। নিচতা, হিংস্রতারও শেষ নেই। শেখ হাসিনার চেয়েও কয়েক ডিগ্রি সরেস বটে।

এরপর বুঝি ইউরোপীয় দেশগুলোর আত্মসম্মানে কিছুটা লাগে। তাছাড়া তারা বিপদটাও বোঝে। আমার ধারনা তারা ট্রাম্পের মতো অতোটা নির্বোধ নয়। তারা এখন প্রায় একজোটে ট্রাম্পের পরামর্শের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।

এর মধ্যে স্পেন, সুইজারল্যান্ড, ইটালি, অস্ট্রিয়ার পর ফ্রান্সও ঘোষণা দিয়েছে যে তাদের দেশের ওপর দিয়ে মার্কিন যুদ্ধবিমান ওড়া নিষিদ্ধ। হরমুজ সমস্যা সমাধানে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে বাহরাইনের যুদ্ধ প্রস্তাবের বিরুদ্ধেও ফ্রান্স বাধা দেয়। ইতিমধ্যেই ফ্রান্সগামী একটি তেলবাহী জাহাজ সমঝোতার মাধ্যমে হরমুজ অতিক্রম করেছে। সামরিক ব্যবস্থা এড়িয়ে দক্ষিণ কোরিয়া, ইউরোপীয় দেশগুলো, ক্যানাডা, জাপান, ভারত, ব্রাজিল এবং অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে নতুন বন্দোবস্ত চালু করার লক্ষ্যে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোন বিশ্ব সফরে বেরিয়েছেন। রোববার সকাল পর্যন্ত জানা যায় যে তিনি জাপান সফরের পর, দক্ষিণ কোরিয়ায়। ওদিকে যুক্তরাজ্যও এখন হরমুজ সমস্যার কুটনৈতিক সমাধান খোঁজার জন্য প্রায় ৪০টির মতো দেশকে নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। এমনকি গালফ কাউন্সিলের সাধারন সম্পাদকও ইরানের সাথে স্বাভাবিক সম্পর্ক স্থপনের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ কোরে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন।

ট্রাম্পের গালে যে কষে একটা চড় পড়েছে সে কারনে বোধ হয় কিছুটা খুশি হওয়া যায়।

তবে, বেশি খুশি হবার কিছু নেই। ইরান যদি রুখে দাঁড়াতে না পারতো; আমেরিকার বাহিনী যদি ভেনেজুয়েলার মতো দেশটা দখল কোরে ফেলতে পারতো, তাহলে ইউরোপীয় মোড়লারা ঠিকই কিছু লোকদেখানো মানবতার কথা উচ্চারণ কোরে, ইরানী তেলের উচ্ছিষ্ট চেটে, হেঁসে-খেলে-নেচে-গেয়ে সুন্দর জীবন উপভোগে ব্যাস্ত হয়ে যেত। যেমনটা তারা বিগত ৮০ বছর ধোরে প্যালেস্টাইন-গাজার ব্যাপারে দেখিয়ে আসছে, বা সম্প্রতি ভেনেজুয়েলা-কিউবার বেলাতেও (যদিও প্যালেস্টাইনের সাথে তুলনীয় নয়) দেখিয়েছে।

সমগ্র মধ্যপ্রাচ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে তাড়াতে না পারলে পৃথিবীতে শান্তি আসবে না। তার পরেও যে আসবে তারও নিশ্চয়তা নেই। তবে, ওটি শান্তির প্রথম শর্ত। দেখা যাক কি হয়। আমরা তো দেশের মাটি থেকে ভারতীয় কুকুরগুলোকেই তাড়াতে পারছি না। পেছনের মর্কিন-ইউরোপীয় হায়েনাগুলোর কথা বাদ দিলাম।

সারা বিশ্বের মঙ্গল হোক।

-শেখ মিজান
৫ এপ্রিল ২০২৬

03/02/2026

।। “আল্লাহু আকবর” নাকি বিজ্ঞান? ।।

আকাশ থেকে ইরা*নের ক্ষেপনাস্ত্র ছুটে আসছে আক্রমনকারী মা*র্কিন-Is*রায়েল ঘাঁটির দিকে। আমাদের প্রবাসী বাংলাদেশীগণ ভিডিও তুলছেন, দোয়া-দরুদ পড়েছেন, আর ক্ষেপনাস্ত্র আঘাত হানলেই চিৎকার করে উঠছেন “আল্লাহু আকবর”। আমার প্রশ্নটি, পাঠক নিশ্চয়ই আন্দাজ করতে পেরেছেন, আজ ই*রান যে সম্পূর্ণ নীতি-নৈতিকতাহীন, পাশবিক, খুনি, বিশ্ব-সাম্রাজ্যবাদী, আক্রমনকারীর উপর আঘাত হানার সক্ষমতা পেল, সেটি কোথা থেকে?

আল্লাহ তায়ালার রহমতে নাকি চিন-রাশিয়ার সহায়তায় এবং নিজেদের মেধা-অধ্যাবসায়ের মাধ্যমে বিজ্ঞানের নিয়ম নীতিকে কাজে লাগিয়ে?

Fili*স্তিন-গা*জ্জার হাজার হাজার নিষ্পাপ নিরীহ শিশু-নারী-বৃদ্ধের দশকের পর দশক ধোরে নৃশংসভাবে খুন-পঙ্গু হওয়ার ইতিহাস দেখে আমরা কি বলব – “আল্লাহু আকবর”; বা “আলহামদুলিল্লাহ” – সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য?

নাকি আমরা ধর্মবিশ্বাস পরকালের জন্য রেখে, জাগতিক সমস্যা সমাধান, আয়-উন্নতি এবং সর্বোপরী নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য জ্ঞান-বিজ্ঞানের সাধনায় মনোনিবেশ করব?

আমার প্রশ্ন অনেকের কাছে খুব অপ্রীতিকর মনে হতে পারে। কিন্তু এতো বড় বড় হোঁচট খাওয়া এবং জ্বলন্ত দৃষ্টান্তের পরেও সঠিক সিদ্ধান্তটি না নিতে পারলে; পুরানো ধ্যান-ধরনায় চললে আমাদের অবস্থা কম-বেশি Fili*স্তিন-গা*জ্জার অধিবাসীদের মতোই হবে। নিশ্চিত।

-শেখ মিজান
১ মার্চ ২০২৬

03/01/2026

।। পৃথিবীব্যাপী এতো ধ্বংস-খুন-খারাপির পরও কি আমাদের ঘুম ভাঙছে?।।

কোন্ নৈতিকতার বলে একটি দেশ হাজার হাজার পা*রমানবিক বোমা মজুদ কোরে রেখে অপর দেশকে পা*রমানবিক বোমা বানানোর চেষ্টার অভিযোগে আক্রমন করতে পারে? তাও, দেশটি যে অমন কোনো চেষ্টা করছে তার কোনো প্রমান হাজির না কোরে! আমরা একই অন্যায় দেখেছি ই*রাকের বেলাতে, সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ তুলে আক্রমন এবং দেশটা ধ্বংস কোরে দেওয়া। যখন সত্য প্রকাশিত হয় তখনও ওদেরকে কোনো ক্ষতিপুরন দিতে হয় না্! এরাই পৃথিবীর মোড়ল মাতব্বর সভ্যতার কাণ্ডারী হতে চায়! গলাবাজির শেষ নেই, কারন ওদের কাছে পা*রমানবিক বোমা আছে। আছে আধুনিকতম গণবিধ্বংসী সকল মারনাস্ত্র। এটাই একমাত্র এবং চূড়ান্ত সত্য কথা। সন্দেহ আছে কারো?

ওরা দেখিয়ে দিয়েছি বারবার ইচ্ছা করলেই যেকোনো দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে ষড়যন্ত্র কোরে উৎখাত করতে পারে, বোমা মেরে সপরিবারে খুন করতে পারে, অথবা ছত্রীসেনা পাঠিয়ে তুলে নিয়ে নিজের দেশের কারাগারে নিক্ষেপ কোরে, ওদের ‘ন্যায় বিচারিক‘ আদালতে তুলে, ওদের ইচ্ছামতো বিচারের প্রহসনও সাজাতে পারে। অতঃপর দেশটির তেল-খনিজ সম্পদ দখল এবং লুট করার জন্য প্রকাশ্যে দখলদারিত্ব শুরু করতে পারে! কোনো প্রকার কৈফিয়ৎ বা ক্ষতিপুরন দিতে হয় না। সন্দেহ আছে কারো?

দেশের সর্ব সাধারনকে দৃঢ়ভাবে বলছি যে পরমমঙ্গলময় পরমশক্তিমানের কাছে কাঁদাকাটা কোরে কোনো লাভ হবে না। অন্ধবিশ্বাস অন্ধআশাবাদ ত্যাগ কোরে চোখ মেলে বাস্তবতাকে দেখুন, চরিদিকে দেখুন। উঠে দাঁড়ান। বিজ্ঞান-প্রযুক্তির সাধনা শুরু করুন। এই পৃথিবীতে আপন অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সেটিই একমাত্র উপায়। হাত জোড় কোরে বলছি, আমাদের অনাগত প্রজন্মের দোহাই দিয়ে বলছি, চোখ মেলে সত্য দেখুন এবং বুঝতে চেষ্টা করুন। বিজ্ঞানের সাধনা এবং আত্মরক্ষার জন্য যথেষ্ট অস্ত্রশস্ত্র সজ্জিত হওয়া ছাড়া টিকে থাকার কোনো উপায় নেই।

আর সবার আগে বিদেশের দালাল যেসব অপশক্তি ক্ষমতা দখল করেছিল, করেছে, বা করার পাঁয়তারা করছে তাদেরকে জনমের মতো নিশ্চিহ্ন করুন। সকলে চোখ মেলুন। উঠে দাঁড়ান।

-শেখ মিজান
১ মার্চ ২০২৬

02/24/2026

কেউ কেউ বিতর্ক করছেন শরীফ ওসমান হাদিকে কে হত্যা করেছে, মির্জা আব্বাস, বিএনপি, রঅ, নাকি ওয়াকার বাহিনী? এই বিতর্ক অর্থহীন। ওরা তো সব একটাই পক্ষ।

02/23/2026

যাঁরা শব্দের মধ্যে হিন্দু-মুসলিম বিভেদ আনতে চাচ্ছেন, যেমন ধরা যাক ‘ইনকিলাব’ শব্দটি নিয়ে। যাঁরা এটিকে বাংলা শব্দ বলে জবরদস্তি করতে চাচ্ছেন, এবং এটির মধ্যে মুসলমানি পরিচয় খুঁজছেন; তাঁদেরকে বলছি আপনারা নিচের শব্দগুলি ‘ইনকিলাব’ শব্দটির ওপর ভিত্তি কোরে তৈরী করুন, তারপর বলুন যে আপনারা বাংলা ভাষার “বিপ্লব” শব্দটাকে ইনকিলাব দিয়ে প্রতিস্থাপন করবেন কিনা।

অবিপ্লবী, বৈপ্লবিক, প্রতিবিপ্লবী, বিপ্লবাত্মক, বিপ্লবোন্মুখ, বিপ্লবোত্তর, বিপ্লবপূর্ব, বিপ্লবোচ্ছ্বাস , বিপ্লবায়ন, বিপ্লবায়িত, বিপ্লববাদ, বিপ্লবতত্ত্ব, বিপ্লবোন্মাদনা।

ভাইরে আপনি যে ধর্মে খুশি বিশ্বাস করুন, যে ভাষায় খুশি ধর্মের দোয়া-দরুদ-মন্ত্র পাঠ করুন। কিন্তু সর্বসাধারনের ভাষার যেসকল শব্দ ধর্মনিরপেক্ষ সেখানে ধর্মীয় রঙ দেবার চেষ্টা না করাই ভাল।

02/22/2026

।। আমরি বাংলা ভাষা - ২ : বাংলাকে সংস্কৃতের দাসত্ব থেকে মুক্ত করা জরুরী ।।

ভাষাবীদগণ বলে থাকেন সংস্কৃত বাংলার নানা বা নানার ভাই। ওখানে আমার কোনো বিতর্ক নেই। বাংলা ভাষার উৎপত্তিতে সংস্কৃতের অবিচ্ছেদ্য অবদান আছে সেটি অস্বীকার করার উপায় নেই। এখন সংস্কৃতকে নানা-নানি, দাদা-দাদি যাই বলা হোক না কেন আপত্তির কিছু নেই।

কিন্তু সমস্যা হলো যে উৎপত্তি সম্পর্কের দোহাই দিয়ে বাংলা ভাষার মধ্যে এমন কিছু সংস্কৃত নিয়মের শেকল পরানো হয়েছে যার কোনো ভাষিক যৌক্তিকতা নেই। সর্বোপরি ওই নিয়মগুলি সমগ্র বাঙালির জন্য গলার কাঁটা হয়ে অপরিমেয় যন্ত্রণার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেগুলি ঝেড়ে ফেলতেও পারব না, অনুমোদন নেই। সেজন্যই বলছি দাসত্ব। আমার পিতা আমার জন্মদাতা, তাই বলে তিনি কি আমাকে তাঁর আজ্ঞাবহ দাস বানাতে পারেন?

দাসত্বের চরম দৃষ্টান্ত বাংলার বানানের কিছু নিয়ম। বাংলা ভাষায় কিছু শব্দ আছে যাদেরকে বলা হয় “তৎসম”, মানে ‘তাঁহার সম’। এখানে “তিনি” বলতে বুঝে নিতে হবে যে মহামহিম সংস্কৃতকে বোঝানো হচ্ছে। যেমন আমাদের নানি-দাদিরা অনেকে স্বামীর নাম মুখে উচ্চারণ করাকে তাঁর অবমাননা মনে করেন, তাই “তিনি” বোলে থাকেন। “তিনি” বললেই বুঝে নিতে হবে স্বামীকে বোঝাচ্ছেন। তেমনি আর কি।

তা যাইহোক, তৎসম শব্দগুলি বাংলা লেখায় এক মহা বিড়ম্বনা। উদাহরণ স্বরূপ এই তৎসম শব্দগুলি লক্ষ্য করুন: রশ্মি, গ্রীষ্ম, অশ্ব, ব্যক্তি, স্মৃতি, ইত্যাদি শব্দ সংস্কৃতের মূল উচ্চারণ রশমি, গ্রীষমো, অশ্ওয়া, বিয়াক্তি, স্‌মৃতি, ইত্যাদি থেকে বহু দূরে সরে এসেছে। বাঙলায় সহজ ভাবে উচ্চারণ করে রোশ্‌শি, গ্রিশ্‌শো, অশ্‌শো, বেক্তি, সৃতি, ইত্যাদি। কিন্তু বানান আমরা সেভাবে লিখতে পারবো না। কারন, বাংলার কিছু পণ্ডিত নিয়ম করেছেন বানানগুলি “তাঁহার সম” হতে হবে। কেন? বাংলা শব্দে কেন সংস্কৃতি বানান রীতি মেনে চলতে হবে? এর কোনো যুক্তি নেই। সারা পৃথিবীর তাবৎ ভাষায় এর কোনো দৃষ্টান্ত নেই। তবুও আমাদেরকে তা মেনে চলতে হবে।

তেমনি গীতি, নীতি, ঊর্ধ্ব, ভূত, বর্ণ, গণনা, বাণী, রাণী, তরুণী, দোষ, ষাট, - এমনতর শব্দগুলির ক্ষেত্রে ঈ, ঊ, ণ, ষ, ইত্যাদির সংস্কৃত মূলের কোনো উচ্চারণ বাংলায় নেই। এগুলি বাঙালি জিভের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্যের কারনে ই, উ, ন, শ, ইত্যাদি হিসেবে উচ্চারিত হয়। কিন্তু আমরা বানানে তা লিখতে পারব না। ওই একই মহানিয়মের কারনে।

ফল হয়েছে এই যে উচ্চারণের সাথে বানানের কঠিন সব অমিল। এবং বানানগুলি আলাদা ভাবে মুখস্থ করতে হয়। যার যন্ত্রণা বাঙালি মাত্রই জানেন। এর সবচেয়ে ভয়াবহ পরিণতি হচ্ছে ব্যাপক সংখ্যাগুরু বাঙালি বাংলা লিখতে ভয় পান। বানান ভুল হবে, আর পণ্ডিতগণ ধরতে পারলেই লজ্জা দেবেন। ফলে বাঙালি তরুণ-যুবারা পারতপক্ষে বাঙলা লেখেন না। তাতে সমগ্র জাতি বিশাল সংখ্যক বাঙালির চিন্তাধারা জানতে পারে না। তাতে যে জাতির কতটা ক্ষতি, সে চিন্তা আমাদের পণ্ডিতগণ করেন না, করার দরকার তাঁদের নেই। বাঙালি সহজে বানান লিখে ফেললে বোধ করি তাঁদের পণ্ডিতী আর ফলানো যাবে না, রুটি-রুজিতে টান পড়বে।

আমি এখানে সমস্ত বাঙালির কাছে গণ বিদ্রোহের ডাক দেব, ওই বিকৃতবুদ্ধির পণ্ডিত সমাজের বিরুদ্ধে, সংস্কৃতবাদী আধিপত্যের বিরুদ্ধে, মাতৃভাষার দাসত্ব মুক্তির জন্য।

তবে, এই বিদ্রোহ বা সংস্কারের মধ্যে যেন এইবাংলা-ওইবাংলা, হিন্দু-মুসলিম, -এই সব বিভেদাত্মক রাজনীতি না ঢোকে। সংস্কৃতের শেকল ভেঙে মুক্তি ধর্ম-বর্ণ-অঞ্চল নির্বিশেষে সকল বাঙালির জন্য, মাতৃভাষার বিকাশের জন্য অতি আবশ্যক।

-শেখ মিজান
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

02/22/2026

বিএনপির নেতৃবৃন্দ, কোনটা ন্যায়, কোনটা দেশের জন্য মঙ্গল সেই প্রশ্নটির কোনো স্থানই যখন আপনাদের মাথায় নেই, তখন আপনাদের খাওয়া-দাওয়া, স্বার্থ এবং অস্তিত্বের জন্যই বলছি - আপনাদের অতিচালাকি, প্রতারণা, ষড়যন্ত্র, লুঠপাট, সন্ত্রাস, খুন-খারাপির পদ্ধতি কিন্তু অতি বিপদজনক। শেষে দেখবেন আমও গেছে, ছালাও গেছে। জানটা নিয়ে দৌড় দিতে পারেন কিনা সেটাতেও সন্দেহ। আপনাদের মাতৃভাষাতেও একটা প্রবাদ আছে ‘অতি চালাকের গলায় দড়ি।’ জানি আপনাদের ক্ষুধা এতই তীব্র যে দেখেও শিখতে পারেন না। তবুও “সতর্ক করি দিচ্ছি। পরে বলবেন না যে সতর্ক করিনি।”

02/21/2026

।। আমরি বাংলা ভাষা : ‘মজলুম’-এর চেয়ে ‘নির্যাতিত’ বলা কেন শ্রেয়তর ।।

আমার ধারনা যে মুসলমান-হিন্দু নির্বিশেষে বাংলার আপামর গ্রামের মানুষের কাছে ‘মজলুম’ শব্দটিই অধিকতর পরিচিত। শব্দটিকে বাংলা শব্দ হিসেবেই গ্রহন করি এবং ব্যবহারও করি। তবুও কেন আমি ‘নির্যাতিত’ শব্দটিই শ্রেয়তর মনে করি?

কারন ‘নির্যাতিত’ শব্দটি এসেছে ‘নির্যাতন’ থেকে (আমি শব্দমূলের আরও গভীরে গেলাম না)। এবং নির্যাতন থেকে নির্যাতিত, নির্যাতক, নির্যাতনকারী, নির্যাতনের, ইত্যাদি শব্দ অতি সহজেই আন্দাজ করতে পারি। কিন্তু মজলুম থেকে পারি না। অবশ্যই আরবি ভাষায় তুলনীয় শব্দ থাকবে। কিন্তু সেগুলি আমাদের মনে ঝট কোরে আসে না, কারন িআরবিআমাদের মাতৃভাষা নয়।

এই যুক্তি থেকেই আমি বলব যে ইদানিং, বিশেষভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাথে সম্পর্কিত কোরে কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ‘আযাদি’ (ফার্সি), ‘ইনকিলাব’ (আরবি), ‘ইনসাফ’ (আরবি), ইত্যাদি আরবী-ফার্সি শব্দের মধ্যে “বাঙালি মুসলমানের আত্মপরিচয়” খোঁজার চেষ্টা করছেন। বলব যে তাঁরা বিভ্রান্তির মধ্যে আছেন; মাতৃভাষা এবং জুলাই জনঅভ্যুত্থান উভয়ের জন্য সমস্যা তৈরী করছেন।

বাঙালির জন্য, হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান-আস্তিক-নাস্তিক নির্বিশেষে সবার জন্য, ব্যুৎপত্তিগত বাংলা শব্দই শ্রেয়তর।

-শেখ মিজান
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

02/18/2026

স্যার ইউনূস আপনি কি এখন জনগনের পাশে এসে দাঁড়িয়ে, তাদের সাথে কন্ঠ মিলিয়ে, আর একবার ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে আপনার সমর্থন জানাতে পারেন?
- এখন একটি ঐতিহাসিক মহেন্দ্রক্ষণ, এই ক্ষণ ছুটে গেলে আর পাবেন না।

Address

New York, NY

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mizan Democracy Page posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Mizan Democracy Page:

Share