Mizan Democracy Page

Call Website Contact the organization

Mizan Democracy Page Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mizan Democracy Page, Nonprofit Organization, New York, NY.

পেশায় একজন বিজ্ঞানী এবং শিক্ষক। বীরোত্তম ছাত্র-জনতার উত্থানে পালিয়েছে রাক্ষসমাতা সাঙ্গপাঙ্গ সহ। তবুও জানিনা আর কত দূর গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং ন্যায়বিচারের মঞ্জিলে মাকসুদ। পৌঁছাতে হবে, একটিই লক্ষ্য।

।।= এই রবীন্দ্রবিদ্বেষী ‘মুসলমানদরদি’ গোষ্ঠিটি কতটা মিথ্যাবাদি অপপ্রচারক চিন্তা করুন =।।এই গোষ্ঠিটি শুরু থেকেই সকল মিডিয়...
10/14/2026

।।= এই রবীন্দ্রবিদ্বেষী ‘মুসলমানদরদি’ গোষ্ঠিটি কতটা মিথ্যাবাদি অপপ্রচারক চিন্তা করুন =।।

এই গোষ্ঠিটি শুরু থেকেই সকল মিডিয়া জুড়ে প্রচার করে যে রবীন্দ্রনাথের দেয়ালচিত্রে কলি লাগানোর অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেপ্তার কোরে দেশদ্রোহের মামলা দেওয়া হয়েছে। কথাটি সামাজিক মাধ্যমের লেখকগন থেকে শুরু কোরে অনেক সাংবাদিক পর্যন্ত সরল বিশ্বাসে গ্রহন করেন। এবং পুলিশের এমন অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু করেন। আর তাদের দলবল আরও কুৎসিত ভাষায় প্রচারনা শুরু করে।

কিন্তু আদালতের নথির বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে মামলার ধারাগুলো হচ্ছে:
• ১২০খ: অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র।
• ১৫৩ক: বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি।
• ২৯৫ক: ইচ্ছাকৃতভাবে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত।
এখানে রাষ্ট্রদ্রোহের নির্দিষ্ট ধারা ১২৪ক উল্লিখিত হয়নি।

তারা কতটা সংগঠিতভাবে মিথ্যা অপপ্রচার করতে পারে তা দেখে অবাক হতে হয় বৈকি!

তারা রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধেও যে একই তরিকায় অপপ্রচারে নামবে সেটি নির্ঘাত ধোরে নেওয়া যায়। ওরা মিথ্যা সূত্র উল্লেখ করবে, মিথ্যা বিশেষজ্ঞের উদ্ধৃতি দিতে থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। তাদের অপপ্রচারনা এমন পর্যায়ে যায় যে তারা গত ১১ অক্টোবর থেকে ফেসবুকে পোস্ট দিতে থাকে, বুদ্ধিজীবী সলিমুল্লাহ খান নাকি বলেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পাকিস্তানি শাসকদের চিঠি দিয়েছিলেন ৭১-এ বাঙালিদের উপরে গনহত্যা চালাতে। যেখানে রবীন্দ্রনাথ মারা গেছেন ১৯৪১ সালে। [দেখুন: ‘৭১-এ গণহত্যা চালাতে রবীন্দ্রনাথ পাকিস্তানিদের চিঠি দিয়েছিলেন’- শীর্ষক বক্তব্য সলিমুল্লাহ খান দেননি’ দৈনিক কালবেলা অনলাইন, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০০ পিএম, আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৯ পিএম https://www.kalbela.com/fact-check/338059 ]

ধর্ম ব্যবসায়ী ধান্দাবাজরা কি করতে পারে চিন্তা করুন একবার।

-শেখ মিজান
১৩ অক্টোবর ২০২৬

সম্প্রতি, লেখক ও অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পাকিস্তানি শাসকদের চিঠি দিয়েছিলেন ৭১-এ বাঙালিদের উপ.....

রবীন্দ্রনাথের অবমাননার  জবাব আমরা অনেকেই অনেক ভাবে দিয়েছি। কিন্তু এটিই সর্বশ্রেষ্ঠ – পরম ভালবাসায় কালি ধুয়ে-মুছে পরিষ্কা...
10/13/2026

রবীন্দ্রনাথের অবমাননার জবাব আমরা অনেকেই অনেক ভাবে দিয়েছি। কিন্তু এটিই সর্বশ্রেষ্ঠ – পরম ভালবাসায় কালি ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করে দিলেন এক রিকশাওয়ালা ভাই, বাাঙালির সন্তান বাঙালি ।

10/12/2026

।।= যাঁরা রবীন্দ্রনাথকে মুসলিম বিদ্বেষী বলছেন এবং ‘রঠা’ বোলে সম্বোধন করছেন =।।

টার্গেট রবীন্দ্রনাথকে টেনে নামানো। যদিও জাতীয় জীবনে জরুরী নয়, দেশ হাবুডুবু খাচ্ছে রাজনৈতিক অনাচার অনিশ্চয়তায়, তবুও একটি গোষ্ঠি বারবার অজরুরী বিষয়কে সামনে টেনে এনে যেন দেশের রাজনৈতিক সংকটের মাঝে সাংস্কৃতিক বিপ্লব ঘটিয়ে ফেলতে চাইছে। এরা কয়দিন আগে পাকিস্তানের জাতির পিতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহকে প্রতিষ্ঠা করতে নেমেছিল, এখনও নেমেছে রবীন্দ্রনাথকে নামাতে।
এগুলি জাতির জন্য বর্তমানে জরুরী ইসু ছিলনা তবুও কিছু উত্তর না দিয়ে পারা যায় না, কারন মনে হয় তারা যখন ঘটনা ঘটাচ্ছে, তখন উত্তর না দিলে ক্ষতিটা বেশি হবে।

রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে বেশ কিছুদিন ধরেই অভিযোগ তোলা হচ্ছে যে তিনি মুসলিম বিদ্বেষী সাহিত্যের অগ্রদূত ইত্যাদি। বিভিন্ন আকর্ষনীয় নামে যথা ‘আলোর পরশ’, ‘মরুচারী মুসাফির’ ইত্যাদি। এখানে মুসলমানদেরকে নিয়ে রবীন্দ্রনাথের একটি নমুনা ছোট গল্পের বর্ননা করি। পাঠক বিচার করুন এমন একটি গল্প যিনি লিখতে পারেন তাঁকে কোন বিচারে, কিভাবে, মুসলিম বিদ্বেষী বলা যায়।

গল্পটিতে রবীন্দ্রনাথ দেখাচ্ছেন একটি ব্রাহ্মন হিন্দু পরিবারে মা-বাবাহীন এক রুপসী মেয়ে কমলা, কাকা-কাকিমার কাছে বড় হযে ওঠে। কিন্তু সে রুপসী তাই তার কাকীমা সব সময় অজানা বিপদের ভয়ে শঙ্কিত থাকেন, এবং তাকে এক আপদ মনে করেন। কিন্তু কাকা তাকে অন্তর দিয়ে ভালবাসেন। তাঁরা সত্বর তার বিয়ের ব্যবস্থা করেন। কন্যা বিদায় দেন। কিন্তু রাতে গ্রামের যাত্রাপথে ঘটে ডাকাতের আক্রমন। যেন ঐশী আশীর্বাদ হিসেবে সেখানে আবির্ভূত হন এক শক্ত মুসলিম পিতা, নাম হবির খাঁ। তিনি মেয়েটিকে উদ্ধার করেন, এবং পরম সহানভূতির সাথে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। মেয়েটি ব্রাহ্মনকন্যা তাই হবির খাঁ তাকে আপন আটমহলা বাড়ির এক দিকে শিবের মন্দির আর হিন্দুয়ানি ব্যবস্থার মাঝে এক ব্রাহ্মনের তত্ত্বাবধানে নিরাপদে থাকার ব্যবস্থা কোরে দেন। তবে, এখানেই ওই মুসলমানের উদারতার শেষ নয়।

মেয়েটি তার কাকা-কাকিমার কাছে ফেরত যেতে চায়। হবির খাঁ তাকে সাহস দেন না, বরং বলেন, ‘বাছা, ভুল করছ, আজ তোমার বাড়িতে কেউ তোমাকে ফিরে নেবে না, তোমাকে পথের মধ্যে ফেলে দিয়ে যাবে। না হয় একবার পরীক্ষা করে দেখো।’ তবুও কমলা যেতে চায়। হবির খাঁ নিয়ে যান। মেয়েটিকে কাকার খিড়কির দরজা পর্যন্ত পৌঁছে দিয়ে বলেন ‘আমি এখানেই অপেক্ষা করে রইলুম।’ মেয়েটি সত্যিই প্রত্যাখ্যাত হয়ে ফিরে আসে। – এখন পাঠককে অনুরোধ করছি একটু ভেবে দেখতে যে এখানে কোন ধর্মের মানুষ দিয়ে কোন ধর্মের মানুষের গালে চড় মারা হলো? তবে, এখনও শেষ নয়।

অগত্যা কমলা হবির খাঁর বাড়িতেই ফিরে আসে। রবীন্দ্রনাথ লেখেন, কমলা তাদের কাছে যা পেল তা সে নিজের বাড়িতে কোনোদিন পেত না।

কমলা হবির খাঁকে একদিন বললো, ‘বাবা, আমার ধর্ম নেই, আমি যাকে ভালোবাসি সেই ভাগ্যবানই আমার ধর্ম। যে ধর্ম চিরদিন আমাকে জীবনের সব ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত করেছে, অবজ্ঞার আস্তাকুড়ের পাশে আমাকে ফেলে রেখে দিয়েছে, সে ধর্মের মধ্যে আমি তো দেবতার প্রসন্নতা কোনোদিন দেখতে পেলুম না। সেখানকার দেবতা আমাকে প্রতিদিন অপমানিত করেছে সে কথা আজও আমি ভুলতে পারি নে। আমি প্রথম ভালোবাসা পেলুম, বাপজান, তোমার ঘরে। জানতে পারলুম হতভাগিনী মেয়েরও জীবনের মূল্য আছে।’ – আবারও প্রশ্ন, কোন ধর্মের অনুসারীকে ছোট করা হলো? না এখনও শেষ নয়।

তারপর দেখা যায়, কমলা এবং হবির খাঁর মেজ ছেলের মধ্যে প্রেম হয়। কমলা হবির খাঁকে অনুরোধ করে তাকে মুসলমান কোরে নিতে। তার নাম হয় মেহেরজান। কোনো ধর্ম ত্যাগ করার মধ্যে ঘটে চূড়ান্ত প্রত্যখ্যান। এখানে সটি কোন ধর্মের পক্ষে এবং কোনটির বিপক্ষে ঘটলো?

শেষাংশে দেখা যায়, মেহেরজানের (কমলার) কাকাতো বোন সরলার বিয়ে হয়। তাদের বরযাত্রী বাহিনীও ঠিক একই ভাবে, একই জায়গায় ডাকাত দিয়ে আক্রান্ত হয়। এবার তাদের মাঝে দেখা দেয় হবির খাঁর অর্ধচন্দ্র পতাকা বাঁধা বর্শার ফলক হতে মেহেরজান। সরলাকে উদ্ধার কোরে সে তার বাবা-মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিয়ে আসে। আর বোলে আসে, ‘আমার বোন যদি কখন দুঃখে পড়ে তবে মনে থাকে যেন তার মুসলমান দিদি আছে, তাকে রক্ষা করবার জন্যে।’

আমি পাঠককে অবশ্যই গল্পটা পড়ে নিতে অনুরোধ করবো। ‘মুসলমানীর গল্প’ নিচে লিংক দিলাম।

পাঠক, এবার একটু থেমে চিন্তা করুন, যদি রবীন্দ্রনাথ এমন ধরনের কথা এবং ঘটনাগুলো উল্টো কোরে ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে ঘটাতেন তাহলে আমাদের মুসলমানদের মর্যাদা রক্ষার পাট্টাদারগন কি বলতেন, কি করতেন?

রবীন্দ্রনাথের লেখা থেকে, তাঁর সমস্ত জীবন থেকে, এমন অনেক উদাহরন দিতে পারি। কিন্তু দিচ্ছি না, এই ভেবে যে, যিনি বোঝার তিনি এই একটি গল্প থেকেই বুঝে নিতে পারবেন। আর যিনি বোঝার নন তিনি শত গল্পেও বুঝবেন না, যতক্ষন তার রক্তপিপাসা না মেটে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় বিরোধিতা করার জন্যও রবীন্দ্রনাথকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে। পূর্বাবাংলার বিরুদ্ধে, মুসলমান প্রজাদের ওপর অত্যাচারের অভিযোগেও অভিযুক্ত করা হচ্ছে। এমনকি আমাদের জাতীয় সঙ্গীতটিরও বিরোধিতা করা হচ্ছে এই ‘মুসলিম বিদ্বেষী, পূর্ববাংলা বিদ্বেষী, বিজাতীয় রঠার’ লেখা তাই। (রবীন্দ্রনাথ যদি বিজাতীয় হন, তবে নজরুলকে কোন যুক্তিতে আমরা জাতীয় দাবি করতে পারি সেটিও পাঠক চিন্তা কোরে দেখবেন।) পাঠক খেয়াল করবেন এরা সব সেই একই দল বা উপদলের লোকজন। এদের জ্ঞান এবং সংস্কৃতির মাপ সম্পর্কে নিশ্চয়ই ইতিমধ্যে আপনার ধারনা হয়েছে। তাই আপাতত ওইসব অপপ্রচারের উত্তর দিচ্ছিনা।

শেখ মিজান
-১১ অক্টোবর ২০২৬

।।= জিন্নাহ বর্তমান বাংলাদেশের জন্য কোনো জরুরী ইসু ছিলেন না; কিন্তু তাঁর ব্যাপারে শিবির এবং মিত্রদের জরুরী আগ্রহ গুরুত্ব...
09/27/2026

।।= জিন্নাহ বর্তমান বাংলাদেশের জন্য কোনো জরুরী ইসু ছিলেন না; কিন্তু তাঁর ব্যাপারে শিবির এবং মিত্রদের জরুরী আগ্রহ গুরুত্বপূর্ণ =।।

কায়েদে আজম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ অবশ্যই বৃটিশ বিরোধী সংগ্রামে এবং উপমহাদেশের মুসলিম জনগনকে সংখ্যাগুরুর স্বেচ্ছাচারিতা (tyranny of majority) থেকে রক্ষার জন্য বলিষ্ঠ এবং আংশিক সফল নেতৃত্ব দিয়েছেন। সেই বিবেচনায় আমরা পূর্ববাংলার মুসলিমরা তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ অবশ্যই। (তবে, আংশিক বলছি এই কারনে যে পাকিস্তান সৃষ্টির মাধ্যমে উপমহাদেশের বাকি অর্ধেক মুসলমানদের জন্য কিছুই করা যায় নি। তাঁরা বরং উত্তরোত্তর অধিকতর নির্যাতনের শিকার হয়ে চলেছেন।)

কিন্তু, জিন্নাহ বর্তমানে আমাদের কোনো জাতীয় আলোচ্য ইসু ছিলেন না। যেখানে সারা জাতির প্রাণ ওষ্ঠাগত চাঁদাবাজি, দখল, দুর্নীতি, ঘুষ, বিদ্যুৎ বিভ্রাট, দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধি, সর্বোপরী জুলাই সনদ বাস্তবায়নে টালবাহানা, এবং সমগ্র জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা নিয়ে। সেখানে ছাত্র-শিবিরের কেন এতো আবেগ উঠলো এর মাঝে জিন্নাহকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠার জন্য?

তাঁরা যুক্তি দেখাচ্ছেন জিন্নাহ আমাদের ইতিহাসের অংশ, তিনি না থাকলে পাকিস্তান সৃষ্টি হতো না; পাকিস্তান না হলে বাংলাদেশ হতো না; বাংলাদেশ শূন্য থেকে সৃষ্টি হয় নাই; ইত্যাদি। কিন্তু এগুলি আসলে কোনো যুক্তির কথা নয়। মীর জাফর, লর্ড ক্লাইভরাও ইতিহাসের অংশ। তাদের ছবি তাহলে কেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকবে না? আর তিনি ছাড়াও মুসলমানদের মধ্যে যোগ্যতা সম্পন্ন আরও কিছু নেতা ছিলেন। যেমন চৌধুরী রহমত আলী (যিনি সর্বপ্রথম পাকিস্তান’ নামটি প্রস্তাব করেন), ফজলুল হক, লিয়াকত আলী খান, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী প্রমুখ। জিন্নাহ ছাড়া আর কেউ উপমহাদেশের মুসলমানদের জন্য কোনো পৃথক রাষ্ট্রের দাবি এগিয়ে নিতে পারতেন না -এমন অনুমানের কোনো যুক্তি নেই।

প্রয়োজনে জনগণ নেতৃত্ব সৃষ্টি কোরে নেয়। জূলাই বিপ্লব এবং একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধ তার প্রকৃষ্ট দৃষ্টান্ত। এ প্রসঙ্গে স্বৈরাচারী আওয়ামী বুদ্ধিজীবীদের দাবিও স্মরন করা যেতে পারে যে, শেখ মুজিব নাকি বাংলাদেশটা আমাদেরকে উপহার দিয়েছেন। তিনি না থাকলে বাংলাদেশ সৃষ্টি হতো না, ইত্যাদি। জিন্নাহর নামে শিবির এবং তাদের মিত্রগোষ্ঠীর একই ধরনের অতিকথন তাঁদের বুদ্ধিবৃত্তিকে লীগারদের স্তরেই নামিয়ে আনে।

জিন্নাহর ব্যাপারে বাংলাদেশের জন্য একটি পীড়াদায়ক বিষয়ও রয়েছে। যেটি শিবির এবং তাঁদের মিত্ররা এড়িয়ে যাচ্ছেন। ১৯৪০ সালে সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের লাহোর প্রস্তাবে ছিল ভারতবর্ষের মুসলিম সংখ্যাগুরু অঞ্চলগুলো স্বাধীন বা স্বায়ত্ত্বশাসিত হবে। কিন্তু জিন্নাহ সেটি উপেক্ষা কোরে পূর্বপকিস্তানকে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় শাসনের অধীনেই রাখেন। যদি তিনি স্বায়ত্ত্বশাসন দিতেন বা দেওয়ার কথা বলে যেতেন তাহলে পূর্ব-পাকিস্তান পশ্চিম পাকিস্তানের শোষণ, বৈষম্য এবং একাত্তরের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ এড়াতে পারতো। সেই হিসেবে তাঁর অদূরদর্শিতা একাত্তরের অসীম দুর্ভোগ এবং পাকিস্তান ভাঙার জন্যও অংশত দায়ী।

আমার দিক থেকে এই বিতর্ক আর বাড়াতে চাই না; কারন এগুলি বর্তমানে আমাদের কোনো জাতীয় ইসু নয়, সুস্পষ্ট। বর্তমানে শিবির-জামায়াতের পক্ষ থেকে জিন্নাহ ইসু উষ্কানোর কোনো দরকার ছিল না। বরং তাঁদের এই উদ্যোগ আওয়ামী জঙ্গি এবং জুলাই বিশ্বাসঘাতকদেরকে আগ্রাসী রাজনীতির সুযোগ কোরে দিয়েছে। তাঁদের অতি উৎসাহ আমাদের মনে আবারও প্রশ্ন উঠিয়ে দেয় যে তাঁরা সত্যিই বাংলাদেশের স্বাধীনতা, রাষ্ট্র নির্মান, মানবাধিকার, এবং উন্নয়নের অগ্রাধিকারে বিশ্বাস করেন কিনা। জিন্নাহ ইসুকে গুরুত্ব দেওয়ার কার্যক্রম গনমানুষের মনে সন্দেহের উদ্রেক করায় যে তাঁরা কি এখনও মনেমনে পাকিস্তানের সাথে একাত্ম এবং একিভূত হওয়ার স্বপ্ন দ্যাখেন? তাঁরা কি ১৯৭১-কে অস্বীকার করেন? নাকি মুখে স্বীকার কোরে মনে অস্বীকার করেন? – এই প্রশ্নগুলির উত্তর পরিষ্কার বিশ্বাসযোগ্য ভাবে দেওয়ার দায় এখন তাঁদের ওপর বর্তেছে।

-শেখ মিজান
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

09/27/2026

দেখি না কি করে?

বিএনপির নেতারা বলেছিল ইউনূসের সরকার নাকি ছিল নিছক “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার”। দেশের সংস্কার এবং উন্নয়ন কর্মসূচি নেওয়ার অধিকার নাকি একমাত্র “রাজনৈতিক” সরকারের। তারা কি ধরনের উন্নয়ন এখন করছে তা সমগ্র দেশবাসী হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে।

সম্প্রতি তারা মিরপুরে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র দখল করতে গেছে, যেটি বিগত ৫০ বছর ধোরে দরিদ্র ও নিম্ন-আয়ের মা ও শিশুদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, মাতৃসেবা, পরিবার পরিকল্পনা, শিশুদের টিকাদানসহ বিভিন্ন সেবা দিয়ে আসছে। সেটিও এদের লালসার হাত থেকে রেহাই পেল না।

আর কতদিন, কতদিন আমরা ভাবতে থাকবো – দেখি না কি করে?

09/13/2026

।।= জুলাই মহাঘটনার মাঝে একাত্তর বিরোধী প্রচার =।।

আওয়ামী কর্তৃত্ববাদী শাসন এবং জুলাই গনআন্দোলনের সুযোগে কিছু ‘জনপ্রিয়’ ইউটিউবার প্রচার কোরে চলেছেন যে পাকিস্তান আমলে নাকি পূর্ববাংলার ওপর কোনো বৈষম্য হয় নি, সবই নাকি বিচ্ছিন্নতাবাদী রাজনীতিকদের বানানো গল্প। এভাবে তাঁরা বারবার একাত্তর এবং চব্বিশকে মুখোমুখি দাঁড় করাচ্ছেন। তাঁরা পছন্দমতো বিভিন্ন সূত্র থেকে উদ্ধৃতি দেখিয়ে চলেছেন, যেগুলি যাচাই করা পাঠকদের জন্য কষ্টসাধ্য। এখানে আমি কয়েকটি সহজ প্রশ্ন রাখছি, যেগুলোর উত্তর খুঁজতে কোনো কঠিন পরিসংখ্যান লাগবে না, বরং উত্তরগুলো প্রায় সকলেরই জানা। শুধু বিষয়গুলো একসাথে মিলিয়ে নিলেই চলবে।

১। পূর্ব-বাংলার অধিবাসীরা পাকিস্তানি জনসংখ্যার ৫৫% হওয়া সত্ত্বেও কেন পাক সেনাবাহিনীতে তাদের সংখ্যা ছিল মাত্র ৫% (নৌবাহিনী ৯% এবং বিমানবাহিনীতে ১১%)? বাঙালিরা কি দেশ প্রতিরক্ষায় অক্ষম কোনো জাতি? নাকি সামরিকবাহিনীর চাকুরিতে তাদেরকে ঢুকতেই দেওয়া হয়নি?

২। কেন সমগ্র পাকিস্তান আমলে পূর্ব-বাংলা থেকে একজন মানুষও পাকিস্তানের জাতীয় ক্রিকেট দলে খেলার সুযোগ পায় নি। আমার যদ্দুর মনে পড়ে, একমাত্র রকিবুল হাসান পাকিস্তান টিমের দ্বাদশ খেলোয়ার হিসেবে স্থান পেয়েছিলেন। কারনটা কি জাতি হিসেবে বাঙালিদের খেলোয়াড়ি বৈশিষ্ট্য নেই, নাকি তাদের প্রশিক্ষণেরই সুযোগ দেওয়া হয়নি?

৩। কেন পাকিস্তানের ধনী ২২ পরিবারের সকলেই ছিল পশ্চিম পকিস্তানি?

৪। কেন সমগ্র পাকিস্তান আমলে বাঙালিরা আয়-উন্নতি, চাকরি-বাকরি, শিক্ষা-স্বাস্থ্যসূচক প্রায় সবকিছুতে পশ্চিম পাকিস্তানিদের পেছনে পড়ে থাকলো? কেন সকল প্রকার রাজনৈতিক অস্থীরতা, দুর্নীতি-লুঠপাট সত্ত্বেও একুশ শতকে এসে (সামরিক শক্তি ছাড়া) প্রায় সবকিছুতে পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে গ্যালো?

৫। সমগ্র পাকিস্তান আমলে কতজন বাঙালি কত সময় ধোরে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি অথবা প্রধানমন্ত্রী ছিলেন?

৬। শেষ পর্যন্ত বাঙালিরা নির্বাচনে জেতার পরেও ভুট্টো-ইয়াহিয়া কেন ক্ষমতা হস্তান্তর অস্বীকার কোরে, শুধু আওয়ামী লীগের ওপর নয়, বরং সমগ্র দেশটার দমনমূলক সামরিক অভিযান চালায়? কেন ৯০ লক্ষ মানুষকে দেশ ত্যাগ করতে হলো?

যাঁরা একটু বিশদভাবে পূর্ব এবং পশ্চিম পাকিস্তানের বৈষম্য নিয়ে জনতে চান, তাঁদের জন্য বর্তমানে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো চ্যাটজিপিটি-কে প্রশ্ন করা।

অ্যাতো সব গভীর বৈষম্য ও প্রশাসনিক অবিচারের পরেও ওই পাকিস্তানপন্থীগন সেই ইতিহাস অস্বীকার করেন, গুরুত্বপূর্ণ কোনো বৈষম্যই দেখতে পান না। তাঁদের সম্পর্কে একথা বলা যায় যে তাঁরা ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা প্রভাবিত, কিংবা সচেতন ভাবে ধর্মীয় আবেগ-অনুভূতির ওপর নির্ভর কোরে রাজনীতি করছেন।

আমাদের সকলের মনে রাখা আবশ্যক যে ধর্ম শাসনের বিষয় নয়, বরং স্বাধীনতার বিষয়। আমরা চাই বাংলাদেশের সকল নাগরিকদের জন্য যার যার মতো ধর্ম পালনের স্বাধীনতা থাকুক। ধর্ম নিয়ে রাজনীতি না করি।

বর্তমান সময়ে, চারিদিকে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক নানা চ্যালেঞ্জের মাঝে দেশপ্রেমিক জনগণের ভেতর অনর্থক বিভেদ নয, বরং পারস্পরিক সহনশীলতা এবং ঐক্য অতি জরুরী।

-শেখ মিজান
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

।।= ‘ইউনূসের বিরুদ্ধে’ যেভাবে কর ফাঁকি দেওয়ার সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে তা জাতি হিসেবে আমাদের জন্য লজ্জাজনক =।।আমি বিষয়টা এ...
09/11/2026

।।= ‘ইউনূসের বিরুদ্ধে’ যেভাবে কর ফাঁকি দেওয়ার সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে তা জাতি হিসেবে আমাদের জন্য লজ্জাজনক =।।

আমি বিষয়টা এখানে অত্যন্ত সংক্ষেপে পয়েন্ট দিয়ে উপস্থাপন করছি:

১। করটি ইউনূসের ব্যক্তিগত কর নয়। এনবিআর কর দাবি করেছে ‘গ্রামীন কল্যান’ নামক প্রতিষ্ঠানটির ওপর, ইউনূসের ওপর নয়। যদি এই করারোপটি ন্যায্যও হয়ে থাকে তাহলে অর্থ পরিশোধ করতে হবে, প্রতিষ্ঠানটিকে, ইউনূসকে নয়। কিন্তু, অধিকাংশ পত্র-পত্রিকা করটা ইউনূসের ওপর চাপিয়ে প্রচার করছে, এবং তাদের প্রচারনায় মনে হচ্ছে ইউনূসই যেন কর ফাঁকি দিয়েছেন। তাঁরা বোধ করি নিজেদেরকে মানুষের কাছে জনদরদী দায়িত্বশীল সাংবাদিক প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে এই বিকৃত প্রচারে নেমেছেন। সেটি জতির শিক্ষিত এবং সংস্কৃতিবান অংশের, বিশেষভাবে সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠানের নিচতা প্রমান করে।

২। যদি গ্রামীন কল্যানের ওপর এমন কর আদায়ের ফলে প্রতিষ্ঠানটি দেউলিয়া হয়ে যায়, তাহলে ইউনূস মনে ব্যাথা পেতে পারেন কিন্তু তাঁর আয় উপার্জনের কোনো ক্ষতিবৃদ্ধি হবে না। কারন, তিনি প্রতিষ্ঠানটির কোনো শেয়ার ধারন করেন না, বা এটির কাছ থেকে কোনো বেতন-ভাতা কিংবা বিশেষ সুযোগ-সুবিধা গ্রহন করেন নি বা করেন না। তা সত্ত্বেও এমন ইউনূস বিরোধী প্রচারনা আমাদের কেমন মানসিকতার পরিচয় দেয়?

৩। গ্রামীন কল্যান নিজে প্রধানত জনহিতকর কার্যক্রমের সাথে জাড়িত থাকতে চায়, তবুও খরচ চালানোর জন্য অর্থ সংস্থান করতে হয়। সেই উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানটি ২০০৪ সালে প্রায় ৫৩ কোটি টাকা ‘গ্রামীন টেলিকমকে’ দেয় এই চুক্তিতে যে টেলিকম এই পুঁজি ‘গ্রামীন ফোনে’ বিনিয়োগ করবে। সেখান থেকে যা আয় হবে তার ৪২.৫% গ্রামীন কল্যানকে দেবে। এখানে শেখ হাসিনার শাসনামলের এনবিআর-এর বদমায়েশিটা ছিল এই যে তারা গ্রামীন টেলিকমের মোট লাভের ওপর থেকে ১৫% হারে আগেই উৎসে কর আদায় করে। আবার কর পরিশোধের পর টেলিকম যখন গ্রামীন কল্যানকে ৪২.৫% দেয়, তখন গ্রামীন কল্যানের ওপর ৩৫% হারে কর আদায়ের নির্দেশ দেয়। বিষয়টা এক গরু দুইবার জবাইয়ের মতো। এবং দ্বিতীয় বারে দ্বিগুনের বেশি হারে।

৪। এখানে আরও উল্লেখ্য, করটি ধার্য করা হয়েছে গ্রামীন কল্যানের পাঁচ বছরের আয়ের ওপর (২০১২-২০১৬)। এখন ৩৫% হারে কর যদি ৬৬৬.৯১৫ কোটি টাকা হয়, তাহলে আয় হতে হবে ১৯০৫ কোটি টাকা। ২০০৪ সালের ৫৩ কোটি টাকা থেকে মাত্র পাঁচ বছরের আয় ১৯০৫ কোটি হওয়াটা অবিশ্বাস্য একটি ব্যাপার। তবে, এ বিষয়ে আমি অনুসন্ধান করতে পারিনি, কারন বিষয়টি অনুসন্ধান করতে আয়-ব্যায়ের যেসব দলিলপত্র লাগবে, সেগুলি পাওয়ার কোনো সুযোগ আমার কাছে নেই।

৫। পুঁজিবাদী দেশগুলিতে প্রয়াশঃই জনকল্যানমূলক প্রতিষ্ঠানকে করমুক্ত স্ট্যাটাস দেওয়া হয়। যেমন আমাদের প্রতিষ্ঠান ‘প্যাট্রিয়টস অব বাংলাদেশ’ সম্পূর্ন করমুক্ত একটি প্রতিষ্ঠান। আমরা কোনো লাভজনক ব্যবসা কোরে লাভের টাকা যদি আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক উদ্দেশ্যে ব্যয় করি তাহলে আমাদেরকে কোনো কর দিতে হবে না। এমনকি যাঁরা আমাদেরকে দান করবেন তাঁদেরকেও ওই অর্থের ওপর কোনো কর দিতে হবে না। বাংলাদেশ সরকার ইউনূসের মতো একজন মানুষের জনহিতকর প্রতিষ্ঠানকে করমুক্ত সুবিধা দেয় না, উল্টো দ্বিগুন হারে কর বসায় – এতো অত্যন্ত লজ্জাজনক কথা। বেচারা দুর্ভাগা ইউনূস।

উপরোক্ত বিভিন্ন বিষয় এবং হাসিনা আমলের বিচারিক অনিয়ম বিবেচনা কোরে ইউনূস শাসনামলে ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, হাইকোর্ট হাসিনা আমলের রায়টি খারিজ কোরে দেয়। এখন সেই রায়টি আবার উল্টে গেল তারেক রহমানের শাসনামলের শুরুতেই।। প্রশ্ন জাগে তারেক রহমানও কি হাসিনার মতো পরশ্রীকাতর এবং প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে উঠছেন? নাকি তাঁর ক্ষমতায় আরোহনের মিত্রদের, যথা আওয়ামী লীগ, ওয়াকার গং এবং ভারতকে তুষ্ট করার জন্য তাদের মহাশত্রু ইউনূসের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছেন। যেটিই হোক তা জাতির জন্য লজ্জাষ্কর।

-শেখ মিজান
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

09/06/2026
04/12/2026

।।ওরা নিজেদেরকে কিই মনে করে???।।

ইসলামাবাদে আয়োজিত ই*run-আমেরিকা শান্তি আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়ে গেছে। আমেরিকা তার প্রধান আপত্তিতে বলেছে - ই* run অবশ্যই পারমানবিক বোমা বানানোর চেষ্টা করবে না; এবং অবশ্যই এমন কোনো কিছু অর্জনের চেষ্টা করবে যা থেকে দ্রুত পারমানবিক বোমা বানানো যায় – এই শর্তে রাজি হয় নি। আমেরিকার এমন দাবির বিষয়ে বহু আপত্তি আছে। এখানে আমি শুধু একটি বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করব – পৃথিবীর এইসব মোড়লরা নিজেরা কতগুলো কোরে পারমানবিক বোমা বানিয়েছে:

যুক্তরাষ্ট্র ~ ৫,৪০০
রাশিয়া ~ ৬,০০০
ফ্রান্স ~ ২৯০
চীন ~ ৫০০+
ভারত ~ ১৭২
পাকিস্তান ~ ১৭০
Is*রায়েল ~ ৯০

এরা শত-শত, হাজার-হাজার পারমানবিক বোমা বানিয়ে যেকোনো সময়ে যেকারো ওপরে আঘাত হানার জন্য প্রস্ত্তুত রাখতে পারে, আর কোন অধিকারে, কোন নৈতিকতা, কোন শ্রেষ্ঠত্বের দাবিতে তারা অপর কোনো দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে ???

তার ওপরে পালের গোদা, স্বঘোষিত বিশ্বমোড়লটি নিজে অপর দেশের ওপর দু-দুটি পারমানবিক বোমা ফাটিয়ে লক্ষ-লক্ষ মানুষকে হত্যা করার ইতিহাসে কলঙ্কিত। তারপরেও সে কিভাবে অপর দেশের ওপর খবরদারি করতে পারে? সেই ঐতিহাসিক হত্যাকাণ্ডের পরেও তাদের পাঁচ হাজারের ওপর পারমানবিক বোমা থাকতে পারবে, আর অন্যদের একটিও না। এমনকি কোনো গবেষণাও করতে পারবে না। করলেই তাদের ওপর অবরোধ থেকে শুরু কোরে যেকোনো সময়ে ইচ্ছা মতো বোমা বর্ষণ, তাদের বিজ্ঞানী এবং রাষ্ট্রীয় নেতাদেরকে সপরিবারে বোমা মেরে হত্যা এবং সমগ্র দেশটি ধ্বংস কোরে দেবার হুমকি !!!

মানুষের দ্বারা এর চেয়ে বড় অনাচার আর কিছু কি কল্পনা করা যায়? ওরা নিজেরদেরকে কিই মনে করে???

কেউ কি এ দেশটির কানে ধোরে, গালে কোষে দুটো চড় মেরে মারনাস্ত্রগুলো হাত থেকে কেড়ে নিতে পারে?

না, আমি ‘বিধাতার’ কাছে প্রার্থনার কথা বলছি না। ‘বিধাতাকে’ পৃথিবীর নিকৃষ্টতম জুলুমের বিরুদ্ধেও মজলুমের পাশে কখনও দেখা যায় নি (পৌরানিক গল্পে ছাড়া)। যা করার মানুষকেই করতে হবে।

-শেখ মিজান
১২ এপ্রিল ২০২৬

04/11/2026

।। কেন তারেক নামে, আর সালাহউদ্দিন ভাবে প্রধানমন্ত্রী?।।

কথাটা এখন সারা বাংলাদেশে জনগণের মুখে মুখে ঘুরছে। এই দৃষ্টিকটু ঘটনার কারনটা কি?

বাংলা প্রবাদে একটি কথা আছে – ছাগল নাচে খোঁটার জোরে। তারেক রহমান ১৭ বছর বিদেশে থেকেও কোনো বিদেশি খোঁটা তৈরী করতে পারে নি। কিন্তু সালাহউদ্দিন ১০ বছর শিলং-এ থেকে খোঁটা পাকা-পোক্ত কোরে ঠিক সময় মতো বাংলাদেশে ফিরে এলো; অতঃপর ভারত-লীগ-ওয়াকার গং-এর জোরে চ্যালেঞ্জ দিয়ে জুলাই বিপ্লবের সরকারকে মাথা নোয়াতে বাধ্য করলো। তারেক রহমান দলের একনায়ক হিসেবে তার “প্ল্যান মতো” সব অনুমোদন দিয়ে গেল, দ্রুততম সময়ে মসনদ দখলের জন্য। তবে, খোঁটার সাথে যোগ তো সালাহউদ্দিনেরই বেশি। অতএব জোর তো তারই বেশি থাকার কথা। ভারতের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদটা সবচেয়ে বেশি দরকারি ছিল। সেটা তারা প্রথম দখল করেছ তারপর তাদের ছাগলটি বাংলাদেশের সংসদ থেকে মন্ত্রনালয় পর্যন্ত মাথায় চেপে বহুরূপি নাচ দেখাতে থাকবে সেটাই তো স্বাভাবিক। খোঁটার জোর। বর্তমান বাংলাদেশে এর চেয়ে বিপদজনক আর কিছু হতে পারে না।

সারা বাংলাদেশের আপামর জনগণ সালাহউদ্দিনের অতিরিক্ত লম্ফঝম্প, বাগাড়ম্বর, সংবিধান বিশেষজ্ঞ হয়ে যাওয়া, সবাই খেয়াল করেছেন। তবে, জনগণকে শুধু বিষয়টা খেয়াল করলে এবং বুঝলেই হবে না। কিছু একটা করতে হবে।

-শেখ মিজান
১১ এপ্রিল ২০২৬

Address

New York, NY

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mizan Democracy Page posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Mizan Democracy Page:

Shortcuts

Share