বৈষম্যবিরোধী সচেতন সমাজ

বৈষম্যবিরোধী সচেতন সমাজ বাংলাদেশের অবহেলিত জনগণের প্রতি সকল বৈষম্য ও অনাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী প্ল্যাটফর্ম।

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের বিচারক।
09/05/2025

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের বিচারক।

10/29/2024

আজকে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করা হচ্ছে, কাল যে ছাত্রদল ও বিএনপিকে নিষিদ্ধ করা হবে না, সেই গ্যারান্টি কী?
প্রশ্ন রুমিন ফারহানার।

আমাদেরও তো একই প্রশ্ন। আজ হাম্বালীগ-ছাত্রলীগ সন্ত্রাসী সংগঠনে পরিণত হয়েছে, কাল যে বিম্পি-ছাত্রদল সন্ত্রাসী সংগঠনে পরিণত হবে না, সেই গ্যারান্টি কী?

ছাত্রদল-বিম্পি যদি ছাত্রলীগ-আওয়ামী লীগের মতো সন্ত্রাসী সংগঠনে পরিণত হয়, তাহলে তো দেশবাসীর নিরাপত্তার জন্য ছাত্রদল-বিম্পিকে নিষিদ্ধ করতেই হবে। এটাই তো ইনসাফের দাবী।

মুসলমানরা লড়ে কাফেরদের বিরুদ্ধে, আর মডারেট, মাজারপূজারী, মাদখালিরা লড়ে নিজ ধর্মের; মুসলমানদের বিরুদ্ধে। আদতে ঐ কাফেরদের ...
10/26/2024

মুসলমানরা লড়ে কাফেরদের বিরুদ্ধে, আর মডারেট, মাজারপূজারী, মাদখালিরা লড়ে নিজ ধর্মের; মুসলমানদের বিরুদ্ধে।

আদতে ঐ কাফেরদের আদর্শ থাকলেও মাদখালি, মাজারপূজারী, মডারেটকদের কোনো আদর্শ নেই। এদের রগরেষায় গোলামির ভাইরাস মিশে আছে। কাফেরদের আদর্শ যতোই নষ্ট হোক, তারা তাতে সঙ্ঘবদ্ধ। আর এই মূর্খ গোলামের জাত আদর্শবাদী চেঁচালেও এরা মূলত আদর্শহীন। এদের না আছে ভিশন না আছে মিশন। এদের যোগ্যতা একটাই; নিজ ধর্মের ভাইদের পিঠে ছুরি মারা।

এজন্যই আদর্শহীন, মগজবিহীন গোলামের জাত কালেমার পতাকা দেখলে ভয়ে থর থর করে কাঁপে; এই বুঝি আব্বুরা আক্রমণ করে বসলো! পালাবো কোথায় হায় হায়, আব্বু আম্রিকা তো দেখতিয়াছে। এই বুঝি এটোম মেরে দিল...

আলহামদুলিল্লাহ্‌
10/23/2024

আলহামদুলিল্লাহ্‌

বাংলার স্ট্যালিনগ্রাদ হয়ে ওঠা যাত্রাবাড়ীর শহীদদের নামফলক। আরও যুক্ত হবে। ৫৮ শহীদ বলা হচ্ছে। সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।এক জায়...
10/20/2024

বাংলার স্ট্যালিনগ্রাদ হয়ে ওঠা যাত্রাবাড়ীর শহীদদের নামফলক। আরও যুক্ত হবে। ৫৮ শহীদ বলা হচ্ছে। সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

এক জায়গায়ই এত শহীদ! শুধু যাত্রাবাড়ীর দিকে তাকালেই বোঝা যায় কত রক্তের সমুদ্র পেরিয়ে এসেছে দ্বিতীয় স্বাধীনতা।

10/06/2024

শিক্ষাব্যবস্থায় সমকামিতা ঢোকানো হবে, রাষ্ট্রীয়ভাবে বৈধতা দেওয়া হবে। ইসলামকে আরও বেশি সংকুচিত করা হবে। কিচ্ছু বলা যাবে না।

ইসলামকে ঢোকানো হবে চার দেওয়ালের ভেতর। বাইরে গেলেই কাফেরদের আগে প্রথম আঘাতটা আসবে মুনাফিকদের থেকে। এরাই আপনাকে কাফেরদের কাছে উগ্রবাদী গঙ্গি বলে প্রচার করে আপনার নিরাপত্তা নষ্ট করবে। আর বলবে ইসলাম এত কঠিন না।

ইসলামকে পশ্চিমের চেয়েও এখানে কঠিন করে ফেলা হবে। প্রতিবাদ করবেন তো এই মুনাফি ও মুরতাদরা বলবে-
আপনাদের ঈমান এমন ঠুনকো কেন? পশ্চিমা মুসলমান নাই? ইসলাম সেখানে নাই? আপনারা কেন এমন প্রতিক্রিয়াশীল। অতি আবেগ ভালো না। আপনারা ইসলামের নামে উগ্রতা ছড়াচ্ছেন। ইসলামে এমন কিছু নাই। এত কঠোরতা করলে বিধর্মীরা কী বার্তা নেবে?

আর সবশেষে মুনাফিকদের নিউজপোর্টা‌ল 'দ্য মিরর এশিয়া' বলবে 'আওয়ামীলীগকে ফিরিয়ে আনতে মুসলমানদের উগ্র প্রমাণ করতে কাজ করছে দেশী বিদেশী গোয়েন্দারা'। কোনো প্রমাণ না দিয়ে বলবে 'গোয়েন্দা সুত্র বলছে' বা 'নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক গোয়েন্দাকর্মকর্তা এমনটাই জানিয়েছে' কিংবা 'গোপন সূত্রে জানা গেছে'!
এসব আবার শেয়ার দিবে আল জাজিরার জুলকার নাইন সায়ের, নেত্র নিউজের তাসনিম খলিল, আর দেশীয় কিছু হোমরাচোমরা মুনাফিক ও মুরতাদ সেলিব্রেটিরা।

ব্যস! অশিক্ষিত মুনাফিক-সমাজ এসব কন্সপিরেসি থিউরি গিলে যেখানে সেখানে বমি (পোস্ট) করবে আর বলবে, এখন ইসলাম নিয়ে কথা বলার সময় নয়। আবেগের ঠেলায় কিছু নিষ্ক্রিয় মস্তিষ্কের অধিকারী পোলাপান এসব শেয়ার করে লিখবে অতি আবেগ ভালো নয়!

এই পতাকা নিয়েই হাসিনার পতন ঘটাইছে মুসলমানরা। তখন যারা ফেসবুকে বইসা সুশীলগিরি দেখাইছিল তারা আজ কইতাছে এই পতাকা সন্ত্রাসীদ...
10/04/2024

এই পতাকা নিয়েই হাসিনার পতন ঘটাইছে মুসলমানরা।
তখন যারা ফেসবুকে বইসা সুশীলগিরি দেখাইছিল তারা আজ কইতাছে এই পতাকা সন্ত্রাসীদের।

আবারও বলতেছি এখন সময় নিজেদের অধিকার বুঝে নেওয়ার। এখন না পারলে আর কখনোই পারবেন না। এখন হেফাজত ও ইসলামি দলগুলোকে প্রকাশ্যে বলতে হবে মুসলমানের দেশে মুসলমানদের এই পতাকা স্বাভাবিক ব্যাপার। এটা মুসলমানদের অধিকার।
সেই সঙ্গে এখন থেকে মাদরাসাগুলোতে এই পতাকা ওড়ানো হোক। যতক্ষণ না এটাকে নরমালাইজ করা হবে ততক্ষণ পর্যন্ত ফ্যাসিস্টরা আপনার অধিকার কেড়ে নিতে থাকবে।

নিজের অধিকার গায়ের জোরেই নিতে হয়। বিড়ালের মত মিউ মিউ করলে কেই আপনার অধিকার ফিরিয়ে দেবে না। আজ যারা এই পতাকা ওড়ানোকে সন্ত্রাসবাদ বলছে এদের ব্যাপারে সুস্পষ্ট ফতোয়া আসা উচিত। ইমান কুফরের শিবির আরও সুস্পষ্টভাবে আলাদা হয়ে যাক। মুসলমানরা চিনুক তাঁদের অনুসরণীয় কথিত সেলিব্রেটিরা কীভাবে তাঁদের নিরাপত্তাসঙ্কট তৈরি করছে।

৫ আগস্টের পরেও যদি রাষ্ট্রীয় জংগিগোষ্ঠী পুলিশের মাথায় ঘিলু না থাকে তাহলে এই অথর্ব পশুখামারটি বিলুপ্ত করে দেওয়া উচিত। আবা...
10/04/2024

৫ আগস্টের পরেও যদি রাষ্ট্রীয় জংগিগোষ্ঠী পুলিশের মাথায় ঘিলু না থাকে তাহলে এই অথর্ব পশুখামারটি বিলুপ্ত করে দেওয়া উচিত।

আবারও বলছি এই দেশের মালিক মুসলমানরা। মুসলমানদের জনগণের টাকায় খেয়েপরে পরগাছার মতো বেড়ে ওঠা জঙ্গিগোষ্ঠী পুলিশের স্পর্ধা বেড়েই চলেছে। ৫ আগস্টের রামধোলাই খাওয়ার পরেও যদি এদের শিক্ষা না হয়, তাহলে সচেতন মনিব হিসেবে জনগণের উচিত এই বিদ্রোহী গোলামদের প্রতি আরও কঠোর হওয়া।

এ দেশে সমকামিতার পতাকা ওড়াতে সমস্যা নাই, হিন্দুত্ববাদী গেরুয়া পতাকা ওড়াতে সমস্যা নাই, বরং মুসলমানের দেশে জঙ্গিবাহিনী পুলিশ নিজেরাই গেরুয়া পতাকা পরে মিছিল করে, সেই দেশের মালিক মুসলমানরা নিজেদের আত্মপরিচয়ের নিদর্শন কালিমার পতাকা ওড়ানোতে বিদ্রোহী গোলাম পুলিশ চরম-মাত্রার স্পর্ধা দেখিয়ে মনিবদের গ্রেপ্তার করছে।

এই জঙ্গিগোষ্ঠীকে বিলুপ্ত করে দিলেই বরং ভালো হয়। আমাদের রক্ত পানি করা ট্যাক্সের টাকায় পুলিশ ডিপার্টমেন্ট নামক অথর্ব পশুখামার রাখার কোনো মানে হয় না।

বাংলাদেশের বিচ্ছিন্নতাবাদী উগ্রবাদী গোষ্ঠীর সেক্যুলারদের ইচ্ছানুযায়ী বিশাল জনগোষ্ঠীকে নিপীড়ন চালানোর জন্য রাষ্ট্রের সংবি...
10/03/2024

বাংলাদেশের বিচ্ছিন্নতাবাদী উগ্রবাদী গোষ্ঠীর সেক্যুলারদের ইচ্ছানুযায়ী বিশাল জনগোষ্ঠীকে নিপীড়ন চালানোর জন্য রাষ্ট্রের সংবিধানের পিলার বানানো হয়েছে মারাত্মক পক্ষপাতী সেকুলারিজম, ডেমোক্রেসিকে।

যখন শাসন ক্ষমতার কথা আসে, তখন বলা হয় অধিকাংশের ভোটে নির্বাচিত সরকার জনগণকে শাসন করবে। সেই অধিকাংশ জনগণ বলছে 'আমরা দেশে সমকামিতার বৈধতা চাই না', 'আমরা
ইসলামবিদ্বেষী সেক্যুলার শিক্ষাব্যবস্থা চাই না', তখন আর অধিকাংশের কথাকে নূন্যতম মুল্যায়ন করছে না জনবিচ্ছিন্ন সরকার।

দেশের মালিক মুসলমানরা হয়েও তাদেরকে গুটিকয়েক সেক্যুলার উগ্রবাদী সমাজের গোলাম হতে বাধ্য করছে জনবিচ্ছিন্ন সরকার। কেন এই দেশে ৯০ ভাগ জনগণের ইচ্ছার মূল্য নেই? কেন তাঁদের অধিকার দিনের পর দিন সংকুচিত হচ্ছে? এই দেশে একটা বিড়ালের যে পরিমাণ স্বাধীনতা আছে, একজন মুসলমানেরও কেন তার সিকিভাগ স্বাধীনতা নাই?

সেক্যুলারিজম বলছে সব ধর্মকে সমান অধিকার দেওয়া হবে। অথচ ইসলাম ধর্মের নির্দেশ সমকামিতাকে নির্মূল করার। এটা অত্যন্ত আবশ্যকীয় ধর্মীয় দায়িত্ব। তাহলে এই ধর্মীয় অধিকার কেন কেড়ে নেওয়া হচ্ছে? এই দেশ কি গুটি কয়েক উগ্রবাদী সমকামীদের?

৯০ ভাগ জনগণের সন্তান কী পড়বে তা কি ০০.০১ ভাগ উগ্রবাদী সেক্যুলাররা নির্ধারণ করবে? এরা কি মুসলমানদের মনিব যে এদের ইচ্ছেমতো মুসলমানদের চলতে হবে? গত হাজার বছর ধরে এই দেশের মালিক মুসলমানরা। কেন তাদেরকে সরকারীভাবে গুটিকয়েক সেক্যুলার সন্ত্রাসীর গোলাম বানানো হচ্ছে? বিশাল জনগোষ্ঠীর ওপর কেন মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে? তাদেরকে কেন বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর বন্ধী বানিয়ে রাখা হচ্ছে? এমন জঘন্য কারাগার পৃথিবীর আর কোথায় আছে?

09/29/2024

বৃটিশরা আমেরিকার আদি বাসিন্দা রেড ইন্ডিয়ানদের নির্বিচারে হত্যা করে তাদেরকেই বানিয়ে ফেলেছে রাষ্ট্রের অগুরুত্বপূর্ণ জনগোষ্ঠী।
একই বৃটিশরা উপমহাদেশ সহ যেখানেই উপনিবেশ কায়েম করেছিল, সেখানেই ন্যাটিভদের চরম নিপীড়ন চালিয়ে সবচেয়ে নিগৃহীত প্রজা বানিয়ে নিজেরা রাজার আসন দখল করে আইনকানুন প্রণয়ন করেছে। কারা করেছে? যারা উড়ে এসে জুড়ে বসেছে। কাদের ওপর এসব আইন করেছে? যারা ভূমির প্রকৃতি মালিক।

একই কাজ ইসরাইল ফিলিস্তিনিদের ওপর করেছে। চীন পূর্ব তুর্কিস্তানের জনগণের ওপর করেছে। মিয়ানমার আরাকানিদের ওপর করেছে। ভারত কাশ্মীরের ওপর করেছে। পাকিস্তান ওয়াজিরিস্তানের ওপর করেছে। পশ্চিমারা আফ্রিকায় করেছে।

এই বৃটিশরা কিন্তু বলেছিল আমরা একদিন এই দেশে থাকবো না। কিন্তু যাওয়ার আগে আমরা এমন এক প্রজন্ম গড়ে তুলে যাবো, যারা রক্তেমাংসে এই উপমহাদেশীয় হলেও চিন্তাচেতনায় হবে বৃটিশ তথা পশ্চিমা।

আজ দেখুন বাংলাদেশে শাসনব্যবস্থায় কারা? আইনপ্রণয়ন করছে কারা? শিক্ষাব্যবস্থা প্রণয়ন করছে কারা? এরা কি এই ভূমির মালিক মুসলমানদের প্রতিনিধিত্ব করে? মুসলমানরা কি নিজেদের সন্তানদের শিক্ষাদীক্ষার জন্য এদের হাতে তুলে দিয়েছে?

মুসলমানরা কী পড়বে কী পড়বে না, ধর্মপালন করবে কি করবে না, কতটুকু পালন করবে, মুসলামনদের কীসের জন্য শাস্তি দেবে, সবকিন্তু নির্ধারণ করছে এমন লোকেরা যারা কোনোদিনই এই ভূমির মালিক মুসলমানদের প্রতিনিধিত্ব করছে না। এরা কারা? এরা তারাই যাদের প্রসব করেছিল সেই বৃটিশরা যারা বলে গিয়েছিল রক্তেমাংসে এ দেশের হলেও চিন্তাচেতনায় হবে পশ্চিমা।
এই পশ্চিমা বীজগুলোই আজ আমাদের শোষণ করছে বছরের পর বছর; যেভাবে এদের পূর্বসূরীরা সারা দুনিয়ায় ন্যাটিভদের দমন করে প্রজা বানিয়ে নিজেরা রাজার আসনে বসেছিল। ঠিক এরাও এখন এই অঞ্চলের ন্যাটিভদের নিপীড়ন করে নিজেরা রাজার আসন দখল করে আছে।

এদেরকে নির্মূল করুন, যেভাবে আপনার পূর্বসূরীরা করেছিল। এসব আগাছাকে সমূলে উপড়ে ফেলুন, নয়তো এসব আগাছা আপনি ও আপনার বংশকে শেষ করে দেবে। এসব পরগাছাকে সমূলে উপড়ে ফেলে নিজের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটা সুস্থ দেশ গড়ে তুলুন, যেভাবে আপনার পূর্বসূরীরা করেছিল।

সমকামিতার মতো নিকৃষ্ট কাজকে নির্মূল করা মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার। এটাকে বৈধতা দেওয়ার অর্থ মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার কেড়ে ...
09/29/2024

সমকামিতার মতো নিকৃষ্ট কাজকে নির্মূল করা মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার। এটাকে বৈধতা দেওয়ার অর্থ মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার কেড়ে নেওয়া।
মুসলমানের ভুখণ্ডে বসে আপনি ইসলাম বিরোধী আইন করবেন আর মুসলমানরা আঙ্গুল চুষবে এমনটা ভুলেও আশা করবেন না।

প্রবাসী ভাইয়েরা এক্ষেত্রে এগিয়ে আসুন। সরকারকে সাফ জানিয়ে দিন এমন নিকৃষ্ট কর্মের বৈধতা দেওয়ার জন্য আপনারা এই দেশে রেমিট্যান্স পাঠান না। এ ধরণের ভাইরাসকে মুসলমানদের মধ্য যদি পুশ করা হয় তাহলে আপনারা রেমিট্যান্স পাঠানো বন্ধ করে দেবেন। সাফ জানিয়ে দিন।

এই বাংলা আমাদের। শুধুই আমাদের। কোনো পরগাছা এসে আমাদের ওপর ছড়ি ঘুরালে অস্তিত্ব থাকবে না।

Address

Brickell
Miami, FL

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বৈষম্যবিরোধী সচেতন সমাজ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share