Paradigm Shift Education Inc

Paradigm Shift Education Inc Paradigm Shift Educations Inc. is organized exclusively for education purposes, to support marginali

ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হোক প্রতিটি হৃদয়। সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক! ❤️🌙সুস্থ থাকুন, নিরাপদে থাকুন এব...
05/27/2026

ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হোক প্রতিটি হৃদয়। সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক! ❤️🌙
সুস্থ থাকুন, নিরাপদে থাকুন এবং প্রিয়জনদের সাথে আনন্দের মুহূর্তগুলো ভাগ করে নিন।

যে স্বপ্ন ঘুমাতে দেয় না বরং জাগিয়ে রাখে, তেমন ই স্বপ্নের গল্প .....জবার গল্প.... শিক্ষিকা হওয়ার স্বপ্ন...স্বপ্ন কে নি...
05/16/2026

যে স্বপ্ন ঘুমাতে দেয় না বরং জাগিয়ে রাখে, তেমন ই স্বপ্নের গল্প .....জবার গল্প.... শিক্ষিকা হওয়ার স্বপ্ন...স্বপ্ন কে নিয়ে চলার গল্প....

নাম জবা । ঠাকুরগাঁও জেলার মেয়ে । বয়স ২৩। বিয়ে হয়েছে ২ বছর হলো। স্বামী চাকরি করে ।
জবার স্বপ্ন ছিল শিক্ষিকা হবে। তাই বিয়ের পরেও পড়া ছাড়েনি।

সমস্যা হলো, বাড়িতে বাচ্চা রাখার কেউ নেই।
পরীক্ষার ডেট পড়লো। জবা বললো, "মা, আমি পরীক্ষা দিতে যাবো।"
শাশুড়ি বললো, "বাচ্চা নিয়ে কে ঢুকতে দেবে রে?"

জবা চুপ করে ছিল। পরদিন সকালে ছেলেকে কোলে নিয়ে সেন্টারে চলে গেল।
গেটে গার্ড বললো, "বাচ্চা নিয়ে ভেতরে ঢোকা যাবে না।"
জবা বললো, "দাদা, আমার কাছে রাখার কেউ নেই। আমি না দিলে এই বছরটাও যাবে।"

গার্ড কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলো। তারপর বললো, "যাও। কিন্তু বাচ্চা যেন কাঁদে না।"

পরীক্ষা হলে ঢুকে জবা দেখলো, সবাই ওর দিকে তাকিয়ে আছে। লজ্জা লাগছিল খুব।
কিন্তু ছেলেটা চুপ। মায়ের কোলে মাথা রেখে চোখ বড় বড় করে চারপাশ দেখছে।

প্রশ্নপত্র হাতে পেয়ে জবা মনে বললো, "বাবু, তুই চুপ করে থাক। আমি ২ ঘণ্টায় তোর আর আমার ভবিষ্যৎ লিখবো।"

ছেলে কাঁদলে ও এক হাতে দোল দেয়, অন্য হাতে গোল ভরায়।
পাশের ছেলেটা ফিসফিস করে বললো, "দিদি, পানি লাগবে?"
জবা মাথা নাড়লো। "না ভাই, লাগবে না।"

২ ঘণ্টা পর যখন ঘণ্টা পড়লো, জবা খাতা জমা দিয়ে বাইরে এলো।
ছেলেকে বুকে জড়িয়ে বললো, "হয়ে গেছে বাবু। এবার তুই ঘুমা।"

জবা জানে, ও পাশ করবে কিনা ঠিক নেই।
কিন্তু ও জানে, আজ ও হেরে যায়নি। কারণ ও চেষ্টা করেছে।

*গ্রামের হাজারো মায়ের গল্প এটাই। স্বপ্ন বড়, কিন্তু দায়িত্ব আরও বড়। তাই স্বপ্নকে কোলে নিয়েই হাঁটতে হয়* 👶
"পরীক্ষার হলে সবাই একা আসে।
আমি এসেছি দুজন হয়ে।
কারণ মা হলে একা হওয়া যায় না।"
#মা_আর_ছাত্রী #সুনীতার_লড়াই #বাস্তব_গল্প

05/11/2026

ভাগ্য কোনো জাদুকরী ম্যাজিক নয়; এটি একটি গাণিতিক সম্ভাবনা বা 'Probability'। যত বেশি পরিশ্রম, যত বেশি লেগে থাকা, তত বেশি সফল হওয়ার সম্ভাবনা।

কিছু সাফল্য হয়ে ওঠে মাইলফলক এবং এক নীরব বিপ্লবের প্রতিচ্ছবি। প্যারাডাইম শিফট এডুকেশন এর ট্যালেন্ট সাপোর্ট প্রোগ্রামের এ...
05/08/2026

কিছু সাফল্য হয়ে ওঠে মাইলফলক এবং এক নীরব বিপ্লবের প্রতিচ্ছবি। প্যারাডাইম শিফট এডুকেশন এর ট্যালেন্ট সাপোর্ট প্রোগ্রামের এক অদম্য মেধাবী, মেডিকেল স্টুডেন্ট সায়মা ইসলাম পাপড়ির 3rd Prof Exam পাশ তেমনি একটি মাইলফলক সাফল্য।

নরসিংদী জেলার রায়পুরার মেয়ে পাপড়ি মানিকগঞ্জের কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজের ছাত্রী।

পরিবারের প্রথম সদস্য হিসেবে সাদা অ্যাপ্রন গায়ে জড়ানোর সংকল্পে বাধা ছিল নানান অনিশ্চয়তা আর সামাজিক প্রথার অদৃশ্য দেয়াল। এই দেয়াল টপকিয়ে চিকিৎসক হওয়ার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল আমাদের পাপড়ি!

লড়াকু মেধাবীদের জন্য সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে জীবন যুদ্ধের সমীকরণ বদলানোই প্যারাডাইম শিফট এডুকেশনের মিশন।

অনেক কৃতজ্ঞতা এবং আন্তরিক ধন্যবাদ আমাদের ডোনার, সাপোর্টার ও ভলান্টিয়ারদের।

পাপড়ির জন্য অনেক শুভ কামনা এবং আন্তরিক অভিনন্দন। এই হবু চিকিৎসকের আগামীর পথচলা হোক আরও দীপ্তিময়!

05/06/2026

বিজ্ঞানের ইতিহাসে সবচেয়ে ইমপ্যাকটফুল অথচ কাকতালীয় এক ঘটনার নাম আলেকজান্ডার ফ্লেমিংয়ের পেনিসিলিন আবিষ্কার।

এই আবিষ্কারের নেপথ্যে কোনো সুশৃঙ্খল পরিকল্পনা ছিল না, ছিল একগুচ্ছ ‘লাকি অ্যাক্সিডেন্ট’।

১৯২৮ সালে ফ্লেমিং যখন স্ট্যাফিলোকক্কাস ব্যাকটেরিয়া নিয়ে কাজ করছিলেন, তখন কিছু সাধারণ ভুল করেছিলেন।

ফ্লেমিং ভুল করে ল্যাবের জানালা খোলা রেখে, ব্যাকটেরিয়া কালচার ডিশগুলো যথাযথ সংরক্ষণ না করেই চলে গিয়েছিলেন। আর সেই সময় লন্ডনের আবহাওয়া ছিল ছত্রাক জন্মানোর অনুকূল।

ছুটি কাটিয়ে এসে দেখলেন, ছত্রাক জন্মে তাঁর ব্যাকটেরিয়ার কালচার নষ্ট করে দিয়েছে। আর এর থেকেই আবিষ্কার হল পেনিসিলিন।

লুই পাস্তুরের একটি বিখ্যাত উক্তি— "Chance favors only the prepared mind" অর্থাৎ সুযোগ কেবল প্রস্তুত মস্তিষ্ককেই ধরা দেয়।

ফ্লেমিংয়ের জায়গায় অন্য কেউ থাকলে একে ‘দুর্ঘটনা’ বা ল্যাবের আবর্জনা’ হিসেবে বিরক্ত হয়ে ডিশগুলো ধুয়ে ফেলতেন। ।

আসলে ভাগ্য কোনো জাদুকরী ম্যাজিক নয়; এটি একটি গাণিতিক সম্ভাবনা বা 'Probability'।

আপনি যত বেশি পরিশ্রম করবেন, আপনার সফল হওয়ার সম্ভাবনাও তত বাড়বে।

দিনশেষে পরিশ্রমী মানুষের ‘প্রস্তুত মস্তিষ্কই’ সুযোগকে সাফল্যে রূপান্তর করতে পারে।

"স্বপ্ন দেখার অধিকার সবার থাকলেও, সেই স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখার লড়াইটা সবার জন্য সমান নয়।"প্যারাডাইম শিফট এডুকেশন (Paradigm...
05/04/2026

"স্বপ্ন দেখার অধিকার সবার থাকলেও, সেই স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখার লড়াইটা সবার জন্য সমান নয়।"

প্যারাডাইম শিফট এডুকেশন (Paradigm Shift Education Inc)-এ আমরা এমন সব মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াই, যাদের প্রতিদিনের জীবন একেকটি যুদ্ধের মহাকাব্য।

আজ আমরা শুরু করছি আমাদের শিক্ষার্থীদের হাসি-কান্না আর অদম্য লড়াইয়ের এক ধারাবাহিক সিরিজ।

আজকের গল্প: শিক্ষার্থী-০২৯
এই ট্যালেন্ট সাপোর্ট শিক্ষার্থী বর্তমানে দেশের একটি সরকারি মেডিকেল কলেজের চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী। একজন হবু ডাক্তার হয়ে যে কিনা মানুষের জীবন বাঁচানোর স্বপ্ন দেখে; অথচ তার নিজের মায়ের জীবন বাঁচানোর লড়াইটাই সবচেয়ে কঠিন।

তীব্র আর্থিক সংকট আর মায়ের অসুস্থতাকে সঙ্গী করে একজন তরুণী কীভাবে বিরামহীন লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন, চলুন তাঁর নিজের কলমেই সেই জীবনের গল্পটি শোনা যাক...
*********

------একদম ছোটবেলা থেকেই মায়ের অসুস্থতা দেখে আসছি । আমার মা হৃদরোগে আক্রান্ত । বাতজ্বর থেকে তার হৃৎপিণ্ডের ভাল্ভ সংকুচিত হয়ে যায় এবং ২০১৮ সালে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করে । তখন জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে তার এনজিওপ্লাস্টি করানো হয় । মায়ের চিকিৎসা করাতে আমাদের বসতভিটার ও আবাদি কিছু জমি বিক্রি করতে হয় ।

এই পরিস্থিতি আমাকে মানসিকভাবে খুব কষ্ট দিয়েছে । যদিও আমার মা এখনো পুরোপুরি সুস্থ নন । তাকে নিয়মিত বিভিন্ন টেস্ট করাতে হয় এবং প্রতিদিন ঔষধ চালিয়ে যেতে হয় । কিন্তু অর্থের অভাবে তিনি বেশিরভাগ দিনই ঔষধ খান না । এখনো মাঝে মাঝে তিনি শ্বাসকষ্টে ভোগেন । কিন্তু টাকার অভাবে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে পারি না । বিশ্বাস করবেন কি না জানি না, তবে আমি মায়ের কথা লিখছি আর চোখ দিয়ে অনর্গল পানি পড়ছে ।

কিন্তু নিজেকে শক্ত রেখে দিনগুলো পার করছি । জানি না, কবে আমার বাবা-মাকে একটা সুন্দর জীবন উপহার দিতে পারব । আমি চেষ্টা করছি । ইনশাআল্লাহ! আমি পারব ।

আমার বাবা একজন দিনমজুর । প্রত্যন্ত গ্রাম হওয়ায়, বছরে ৫/৬ মাস তাকে কাজহীন থাকতে হয় । ধান কাটার কাজের সময় যদিও একটু ভালো মজুরি পান, কিন্তু তাতে মায়ের চিকিৎসা, আমাদের পড়াশোনা, বাড়ির খরচ চালানো কষ্টকর ।

আমার শিক্ষাজীবনের বেশিরভাগ ব্যয়ে আমার শিক্ষকরা এগিয়ে এসেছিল। কিন্তু বর্তমানে আমার ভাইয়ের পড়াশোনার ব্যয়ভার চালাতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে ।

আমার জীবনের প্রত্যেকটা ধাপে সংগ্রাম করতে হয়েছে এবং এই সংগ্রাম এখনো চলছে । আমার নিকটাত্মীয় ও শিক্ষকদের সহায়তায়, মহান আল্লাহর রহমতে আমি এতদূর আসতে পেরেছি । এই সংগ্রাম/সংকটকে সাথে নিয়েই জীবনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি ।

05/03/2026

সাফল্য কোনো হঠাৎ ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনা নয়। সাফল্য হলো স্বপ্ন, পরিকল্পনা, প্রস্তুতি, সুযোগ এবং পরিশ্রমের অনন্য সমন্বয়।

আমাদের সবারই অনেক বড় বড় স্বপ্ন থাকে, অনেক পরিকল্পনা থাকে। কিন্তু আমরা প্রায়ই ভুলে যাই যে, শুধু পরিকল্পনা বা ইচ্ছাশক্তি দিয়ে লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়। পরিকল্পনা বা স্বপ্ন যতই চমৎকার হোক না কেন, যতক্ষণ না আমরা নিজেরা পরিশ্রম করছি, ততক্ষণ কোনো কিছুই বাস্তবে রূপ নেবে না।

এক্ষেত্রে আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সাফল্য প্রাসঙ্গিক। ইন্দোনেশিয়ায় প্রাইমারী স্কুলে পড়াকালীন জীবনের স্বপ্ন বা লক্ষ্য সম্পর্কে শিক্ষকের প্রশ্নের উত্তরে লিখেছিলেন— 'আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়া'।

পরবর্তীতে এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে, নিজেকে যোগ্য করে তোলার কাজে তাঁর লেগে থাকার দীর্ঘ যাত্রায় কালো মানুষ হিসেবে প্রায় অনেক ক্ষেত্রে "প্রথম" ছিলেন। অর্থাৎ তাঁর আগে কোন কালো মানুষ সেইসব পদে বা জায়গায় ছিলেন না। সেই যাত্রা কলম্বিয়া এবং হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি হয়ে শিকাগোর কমিউনিটি ওয়ার্ক ও ইলিনয় স্টেট সিনেটর পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।

ওবামার এই দীর্ঘ প্রস্তুতির পর সঠিক সুযোগের মাহেন্দ্রক্ষণটি এসেছিল ২০০৪ সালে - ডেমোক্র্যাটিক ন্যাশনাল কনভেনশনে ‘কি-নোট স্পিচ’ (Keynote Speech) দেওয়ার আমন্ত্রণ এর মাধ্যমে।

দীর্ঘদিনের পাঠ, চিন্তা এবং জনমানুষের সাথে কাজ করার মাধ্যমে নেওয়া প্রস্তুতির এক চূড়ান্ত বহি প্রকাশ হয়েছিল তাঁর সেই জাদুকরী ভাষণে। The Audacity of Hope নামে পরিচিত (এই নামে তাঁর বইও আছে) ভাষণটি এখনো শুনলে (ইউ টিউবে পাওয়া যায়) এক অজেয় শক্তি, সাহস ও ইনস্পিরেশন পাওয়া যায়।

আসলে ঐ রাতেই পুরো পৃথিবীর রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কাছে নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল ওবামা আমেরিকার আগামীর প্রথম কালো প্রেসিডেন্ট। আর ২০০৮ এ ইতিহাস সৃষ্টি করেই ওবামা প্রথম কালো প্রেসিডেন্ট হলেন, যিনি এখনো আমেরিকা এবং আমেরিকার বাইরে তুমুল জনপ্রিয়।

আসলে পৃথিবী কেবল তাদেরই প্রতিদান দেয়, যারা স্বপ্ন দেখার পর সেই স্বপ্নকে তাড়া করার সাহস, সুযোগের সদ্ব্যবহার ও কঠোর পরিশ্রম দেখায়।

স্বপ্ন আর বাস্তবতার ব্যবধান ঘুচিয়ে দিতে প্রয়োজন কেবল অদম্য ইচ্ছাশক্তি, একটু সুযোগ এবং পরিশ্রম। Paradigm Shift Education ...
04/29/2026

স্বপ্ন আর বাস্তবতার ব্যবধান ঘুচিয়ে দিতে প্রয়োজন কেবল অদম্য ইচ্ছাশক্তি, একটু সুযোগ এবং পরিশ্রম। Paradigm Shift Education এর ট্যালেন্ট সাপোর্ট শিক্ষার্থী প্রত্যাশা পড়শি লিমা এম আব্দুর রহিম (দিনাজপুর) মেডিকেল কলেজ থেকে তার ৩য় প্রফেশনাল পরীক্ষায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছে। পড়শি আমাদের সেই সকল অকুতোভয় প্রথম প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি, যারা প্রতিকূলতাকে জয় করে আগামীর বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখে।
পড়শির এই দীর্ঘ যাত্রায় সারথী হিসেবে থাকতে পারা আমাদের জন্য এক বিশেষ পাওয়া।আমাদের মূল লক্ষ্যই হলো ধর্ম, বর্ণ, আর্থসামাজিক অবস্থান নির্বিশেষে সকল শিক্ষার্থীর মেধা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করা।
পড়শির জন্য অনেক দোয়া, অভিনন্দন এবং শুভ কামনা।
https://paradigmshifteducation.org/

04/27/2026

AI ঝড়ের যুগে টিকে থাকা ও ক্যারিয়ার গঠনে AI বা মেশিনের অক্ষমতা অর্থাৎ মানবিক গুণাবলী ও মূল্যবোধের চর্চার কথা বলছিলাম। অংক, ইংরেজি বা অন্য যেকোন স্কিল শেখার মত করেই মায়া/ মমতা ও সহমর্মিতা ( Empathy), গভীর বিশ্লেষণী ক্ষমতা ( critical thinking) এবং সৃজনশীলতা (creativity) শিখতে হয়।

আর এই গুণাবলী মূলত ছোট ছোট কিন্তু পরিকল্পিত অভ্যাসের অনুশীলনের মাধ্যমে। তাই এই গুণাবলী আয়ত্ব করা অনেক সময় অংক/ইংরেজি বা অন্য কোন স্কিল শেখার চেয়ে বেশি ডেডিকেশন এবং লেগে থাকতে হয়। কারণ মহত্ত্ব বা মহান হওয়া কোন একক কাজ নয়, বরং দীর্ঘ দিনের পরিকল্পিত অভ্যাসের সহজাত ফলাফল।

ব্যাপার টা একটি উদাহরণ দিলে স্পস্ট হবে। যেমন
পাকিস্থানের ইধি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা, বিশ্বের "সবচেয়ে ধনী গরীব" আবদুল সাত্তার ইধির জীবন।

ছোট্ট বেলা ইধির মা ইধি কে প্রতিদিন দুই পয়সা দিতেন—এক পয়সা নিজের জন্য, আর অন্যটি কোনো অভাবী মানুষের জন্য। যদি কোনোদিন ইধি সেই এক পয়সা দান না করে ফিরে আসতেন, মা তাকে ভীষণ বকা দিতেন। মমতার এই শিক্ষাটিই তার হৃদয়ে গেঁথে গিয়েছিল, যা পরবর্তীতে বিশ্বের বৃহত্তম স্বেচ্ছাসেবী অ্যাম্বুলেন্স নেটওয়ার্কের জন্ম দিয়েছে।

ইধির বয়স যখন মাত্র ১১ বছর, তখন তার মা paralyzed হন এবং পরে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। ইধি স্কুল ছেড়ে দিয়ে দিনরাত মায়ের সেবা করতে শুরু করেন। তাকে খাওয়ানো, গোসল করানো, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা থেকে শুরু করে সব কাজ তিনি একাই করতেন। ১৯ বছর বয়সে মা মারা যাওয়ার পর ইধি বুঝতে পারেন, পৃথিবীতে এমন হাজারো মানুষ আছে যাদের সেবা করার মতো কেউ নেই।

এটিই তাঁকে উদ্বুদ্ধ করে একটি ছোট ওষুধের দোকানে কাজ করার পাশাপাশি মানুষের কাছে হাত পাতেন মানবতার সেবায় কাজ করার জন্য, রোগীদের দেখা শুনার জন্য। পরবর্তীতে একটি পুরনো ভ্যান কে অ্যাম্বুলেন্সে রূপান্তরিত করে রোগী, বেওয়ারিশ লাশের দাফন এবং অন্যান্য সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেন। এইভাবেই বিশ্বের বৃহত্তম স্বেচ্ছাসেবী অ্যাম্বুলেন্স নেটওয়ার্কের শুরু।

ইধি কে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী গরীব বলা হয় কারণ ইধি ফাউন্ডেশন কোটি কোটি টাকার ফান্ড পরিচালনা করলেও তিনি নিজে অত্যন্ত সাধারণ জীবন যাপন করতেন।

কথিত আছে তার ব্যবহারের কাপড় ছিল মাত্র দুই সেট। তিনি তার অফিসের পাশে একটি এক রুমের ছোট্ট ঘরে থাকতেন।

ফাউন্ডেশন থেকে তিনি কোনো বেতন নিতেন না। এমনকি বিদেশের বড় বড় পুরস্কার নিতে যাওয়ার সময়ও তিনি সেই সাধারণ ধূসর কাপড় পরে যেতেন।

এইসবের মূলে ছিল মায়ের দেয়া মমতা এবং সহমর্মিতার পাঠ। বর্তমান AI এবং মেশিন লার্নিং এর যুগে এই পাঠ এখন আরো বেশি প্রয়োজনীয়ই শুধু নয়, বরং আমাদের টিকে থাকার উপায়।

04/25/2026

জীবন মানে বাতাসের সাথে যুদ্ধ করা নয়, বরং বাতাসের মেজাজ বুঝে নিজের পালের দড়িটি ঠিকমতো টেনে ধরা। আমরা হয়তো ঝড়ের তীব্রতা কমাতে পারব না, কিন্তু ঝড়ের ধাক্কাকে কাজে লাগিয়েই আমরা আমাদের নৌকার গতি বাড়িয়ে দিতে পারি।

AI হচ্ছে সেই ঝড় যা মানুষ কে রিপ্লেস করবে না, বরং যে মানুষটি AI ব্যবহার করতে পারবে, সে এগিয়ে যাবে। ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, গ্রাফিক ডিজাইনার বা অ্যাকাউনটেন্ট যা-ই হতে চাই না কেন, নিজের সাবজেক্টের সাথে AI-কে কীভাবে ইন্টিগ্রেট করা যায়, তা শিখতে পারলে AI ঝড়কে নিজের কাজে লাগানো যাবে।

AI এর খেলা তথ্য (Data) এর ভিত্তিতে কিন্তু AI এর মানুষের মতো সৃজনশীল ক্ষমতা নেই। তাই অংক আর ইংলিশ কিংবা অন্য যেকোন স্কিল শেখার মত করেই আমাদের শিক্ষার্থীদের কে Empathy (সহমর্মিতা), Critical Thinking (গভীর বিশ্লেষণী ক্ষমতা) এবং Ethics (নৈতিকতা) কে শিখতে হবে একেবারে ছোট্ট বেলা হতে। এইসব গুণাবলীকে ব্যক্তিগত ও ব্যবহরিক জীবনের অংশে পরিণত করতে হবে।

04/24/2026

সব পরিশ্রমই কি পুরস্কার যোগ্য? উত্তর হচ্ছে, না।

যেমন সারাদিন গর্ত খুঁড়ে আবার তা ভরাট করা অনেক পরিশ্রমের কাজ, কিন্তু তা অর্থহীন।

অর্থাৎ পরিশ্রম করার পূর্বে কাজ এবং এর লক্ষ্য , আরো বড় পরিসরে বলতে গেলে জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ খুব ইম্পর্ট্যান্ট।

এই লক্ষ্য নির্ধারণে তিনটি বিষয় গুরুত্বপুর্ন:

১। এমন কাজ বা লক্ষ্য যা নিজের ভেতরের গুণাবলী এবং প্রতিভাকে বিকশিত করে।

২। অন্য মানুষের জীবনে বা সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

৩। নিজের কাছে একটি মহৎ উদ্দেশ্য (Purpose) তৈরি করে অর্থাৎ জীবন কে মহৎ ও অর্থবহ মনে হয়।

অর্থাৎ জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া কোনো বিলাসী, আরামদায়ক জীবন বা খ্যাতি/সুনাম নয়। বরং এমন একটি কাজ বা লক্ষ্য খুঁজে পাওয়া যার একটি মহৎ উদ্দেশ্য থাকে, সমাজের জন্য কল্যাণকর এবং আমাদের নিজের ভেতরের মনুষ্যত্বকে বিকশিত এবং সত্তাকে তৃপ্ত করে।

Address

1804 Old English Road
Edmond, OK
73003

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Paradigm Shift Education Inc posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Paradigm Shift Education Inc:

Share