06/09/2025
বিএনপি: একটি সন্ত্রাসী সংগঠনের পুনর্জাগরণ
বাংলাদেশে বিএনপি আবারও তাদের পুরনো চেহারায় ফিরে যাচ্ছে। প্রতিদিনই চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, রাহাজানি চালিয়ে যাচ্ছে তারা। আসলে এটি তাদের চিরাচরিত চরিত্র, যা আজ আবারও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি বাংলাদেশকে সন্ত্রাসের অগ্নিকুণ্ডে পরিণত করেছিল। তারা দেশের প্রতিষ্ঠিত ছাত্র সংগঠনগুলোকে ধ্বংস করে সন্ত্রাসী সংগঠনে রূপান্তর করেছিল। দেশের স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়—সব জায়গাতেই ছাত্র সংগঠনের নামে সন্ত্রাস কায়েম করেছিল।
বিএনপি দুর্নীতিতে বারবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে। দেশকে লুটতরাজে পরিণত করেছে। দেশের মানুষকে দুর্ভরযোগ্য রাষ্ট্রব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন করে তুলেছিল।
২০০১-২০০৬ সালে ক্ষমতায় ফিরে বিএনপি আবার শুরু করেছিল হত্যা, গুম, রাহাজানি, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি—যে কাজগুলো ছাড়া বিএনপি কখনোই টিকে থাকতে পারে না। তাদের আমলে গোটা দেশ পরিণত হয়েছিল আতঙ্কের রাজ্যে।
আজও মানুষ বলছে—
বিএনপি মানেই সন্ত্রাসী সংগঠন, বিএনপি মানেই দুর্নীতিবাজদের আড্ডাখানা।
এটি কোনো রাজনৈতিক দল নয়, বরং একটি দুর্বৃত্ত চক্র। বিএনপি কখনোই তাদের চরিত্র পরিবর্তন করতে পারবে না। তারা প্রতিদিন সন্ত্রাস করছে, আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালাচ্ছে, ব্যবসায়ীদের হত্যা করছে। একের পর এক হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে।
এখন বিএনপি নামটি উচ্চারণ করলেই মানুষের মনে আতঙ্ক তৈরি হয়। জনগণ ভাবছে—
যদি বিএনপি ক্ষমতায় না থেকেও এত কিছু করতে পারে, তবে ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গেলে তারা বাংলাদেশকে কোথায় নিয়ে যাবে?
আসলে বিএনপি কোনোদিনই বাংলাদেশের জন্য কল্যাণকর শক্তি হতে পারবে না।
তারা ছিল, আছে এবং থাকবে—একটি সন্ত্রাসী ও দুর্নীতিবাজ সংগঠন।