09/03/2023
ATOMY Global সম্পর্কে ধারনা নিন, চোখ কপালে উঠে যাবে !
এটমী গ্লোবাল একটি দক্ষিণ কোরিয়ান ডাইরেক্ট সেলিং কোম্পানি। এটমী গ্লোবাল কোরিয়া কার্যক্রম শুরু করে ২০০৯ সালে। এটমী গ্লোবাল মূলত: মার্কেটিং ও ডিস্টিবিউশন হাব হিসেবে কাজ করে, যার পণ্যগুলি দুটি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় প্রস্তুত করা হয়, কেয়ারী (KAERI) ও কোলমার (KOLMAR)। এই দুটি প্রতিষ্ঠান একত্রে ইনস্টিটিউশনাল ভেঞ্চার সান বায়ো-টেক (Sun Bio-Tech) নিয়ে ২০০৬ সালে যাত্রা করে, যা কোরিয়ার এডুকেশন, সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি মিনিষ্ট্রি কর্তৃক অনুমোদিত হয়।
KAERI :
Korean Atomic Energy Research Institute (KAERI) তাদের নিউক্লিয়ার ফিউশন (Nuclear Fusion) ও রেডিয়েশন ফিউশন (Radiation Fusion) টেকনোলজি চালু করে। KAERI সান বায়ো-টেক এর রিসার্চ ও ডেভেলপমেন্ট এর দায়িত্ব পালন করে। ১৯৫৯ সালের ৩রা ফেব্রুয়ারী কোরিয়ান সাইন্স এন্ড টেকনোলজি রিসার্চ ইনস্টিটিউট KAERI গঠিত হয়। বিগত ৫০ বছর ধরে KAERI হলো কোরিয়ান জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও নিউক্লিয়ার এনার্জির অন্যতম ধারক–বাহক।
Kolmar :
১৯৯০ সালে কোলমার কোরিয়া প্রতিষ্ঠিত হয়। Korea Kolmar Co. Ltd. একটি OEM (Original Equipment Manufacturer) এবং ODM (Original Design Manufacturer) প্রতিষ্ঠান, যে প্রতিষ্ঠানটি সারাবিশ্বে কসমেটিকস ও ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্য সরবরাহ করে বিভিন্ন খ্যাতনামা কোম্পানীর কাছে, যেমন: জনসন এন্ড জনসন হলো একটি, যা এদেশেও পরিচিত।
এটমীর প্রডাক্ট :
কসমেটিকস এন্ড পার্সোনাল কেয়ার, তৈরী পোষাক, ফুড এন্ড বেভারেজ, হোম ডেকর, কিচেন এপ্লাইয়েন্স, ওয়েলনেস প্রডাক্ট।
মাইলস্টোনঃ
* ২০০৯ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রতিষ্ঠিত হয় এটমী, বাইনারী এমএলএম পদ্ধতি সংযুক্ত হয়।
* ২০১০ সালে এটমী যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসা আরম্ভ করে।
• ২০১৩ সালে ওয়াশিংটন ও নিউ জাসির্তে ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টার চালু করে।
• যুক্তরাষ্ট্রের পর জাপান, কানাডা, তাইওয়ান, সিঙ্গাপুর, কম্বোডিয়া, ফিলিপিনস, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, থাইল্যান্ড এ যাত্রা শুরু করে।
· ২০১৮ সালে অট্রেলিয়া, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়ায় কার্য্যক্রম শুরু করে।
· ২০১৯ ভারত, চীন ও যুক্তরাজ্যে কার্য্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা করেছিল, যা এখন বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে । একই সাথে বাংলাদেশের এর কার্যক্রম আরম্ভ হওয়ার পরিকল্পনা ছিল। আর এদেশে এখন যথারীতি কার্য্যক্রম চলছে।
২০১৭ সালে ৫০ মিলিয়ন ডলারে এক্সপোর্ট এওয়ার্ড অর্জন করে।
একই সালে সারাবিশ্বে ১ বিলিয়ন ইউএস ডলার গ্লোবাল সেলস এ পৌঁছায়।
২০১৮ সালে ১.১৫ বিলিয়ন ইউএস ডলার সেল নিয়ে ডিরেক্ট সেলিং র্যাঙ্কিং এ ২০তম অবস্থান নেয়।
২০১৯ সালে $100M Export Tower Award এওয়ার্ড গ্রহন করে, নাম্বার #1 ডাইরেক্ট সেলিং কোম্পানী হিসাবে।
২০২০ সালে ১.৭৩ বিলিয়ন ইউএস ডলারে পৌঁছায় সেলস রেভিনিউ, যা বাংলাদেশী টাকায় ৳.১৫০০০ কোটি।
২০২০ সালে জাপানে ডাইরেক্ট সেলিং কোম্পানী প্রথম ১০টির মধ্যে ১ম স্থান অর্জন করে এবং সারা বিশ্বে ১১তম।
২০২৩ সালের টার্গেট $.3.00 billion, যা বাংলাদেশী টাকায় দাঁড়াবে ৳.২৫,০০০ কোটি।
ফ্রিতে মেম্বার হওয়ার জন্য whatsapp গ্রুপে জয়েন হন https://chat.whatsapp.com/FhLVjERrFH0FFjh6vTK4y6
হোয়াটস এপ +৮৫৫৯৬৭১৪০৪৭৪
এ যুদ্ধে আপনি, আমি, আমরা সবাই অংশীদার হবো, ইনশাআল্লাহ্।
সূত্রঃ Atomy Global