সজাগ সোনারপুর দক্ষিণ

সজাগ সোনারপুর দক্ষিণ এটি সোনারপুর দক্ষিণবাসীর নিজস্ব মঞ্চ। এলাকার সমস্যার কথা বলতে এবং বিজেপি-র হাত ধরে পরিবর্তনের পথে হাঁটতে আমাদের সাথে যোগ দিন।

16/06/2026

কাজের তৎপরতা মাঠে-ময়দানে: শুরু হলো 'জনকল্যাণ শিবির' - আপনারাই দেখে নিন, কত চমৎকারভাবে এই ক্যাম্পটি সাজানো হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের সহায়তায় সবাই এগিয়ে এসেছেন!

গতকাল (সোমবার, ১৫ই জুন) থেকে বাংলায় শুরু হয়েছে 'জনকল্যাণ শিবির'। সোমবারের এক মনোরম সকালে সোনারপুর দক্ষিণের বিধায়িকা রূপা গাঙ্গুলী নিজে এই ক্যাম্প পরিদর্শনে যান এবং সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে শিবিরের কাজের তদারকি করেন।

সেখানে উপস্থিত উচ্চপদস্থ আধিকারিক—জেলা শাসক (DM) শ্রী অভিষেক কুমার তিওয়ারি, প্রধান সচিব শ্রী সুরেন্দ্র গুপ্ত এবং বিডিও (BDO) অর্ঘ্য মুখোপাধ্যায়-এর সাথে তিনি কথা বলেন। এলাকার মানুষের জন্য ঠিক কোন কোন বিষয়গুলোকে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত, তা নিয়ে তাদের মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।

খুব কম সময়ের নোটিশে যেভাবে এই ক্যাম্পটি অত্যন্ত সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে গুছিয়ে তৈরি করা হয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এই ধরনের তৎপরতা ও দক্ষতা প্রমাণ করে যে, নতুন সরকার কেবল মিডিয়ায় বড় বড় ঘোষণা করতেই বিশ্বাসী নয়, বরং কাজ বাস্তবে রূপায়িত করতে অত্যন্ত সিরিয়াস।

13/06/2026

রাজপুর-সোনারপুরের ২২ নম্বর ওয়ার্ডে 'অ্যাকশন মোডে' বিধায়ক রূপা গাঙ্গুলি! 👣

রাজপুর সোনারপুর পৌরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের দীর্ঘদিনের জল জমা ও নিকাশি সমস্যার স্থায়ী সমাধানে এবার কোমর বেঁধে মাঠে নামলেন সোনারপুর দক্ষিণের বিধায়ক রূপা গাঙ্গুলি। প্রবল বৃষ্টি আর চারদিকের জল-কাদা উপেক্ষা করে ছাতা মাথায় দিয়ে নিজে দাঁড়িয়ে থেকে প্রতিটি গলির পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন তিনি। সাথে ছিল তাঁর পুরো টিম— স্থানীয় কাউন্সিলর, ঠিকাদার এবং মিউনিসিপালিটির ইঞ্জিনিয়ারিং স্টাফ।

পাঁক ও সিল্ট পরিষ্কারের কড়া নির্দেশ: ড্রেন কাটার পর জমা মাটি ও পাঁক (Silt) যাতে নর্দমার পাশে ফেলে না রেখে দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয়, সেই নির্দেশ দেন বিধায়ক। তাঁর সাফ কথা— কাজ যে সততার সাথে হচ্ছে, সেটা যেন সাধারণ মানুষ পরিষ্কার দেখতে পায়। এলাকায় কাজের গতি বাড়াতে সাকশন মেশিন (Suction Machine) এবং দৈনিক লেবার (Daily labor) যেন পর্যাপ্ত থাকে, তা নিশ্চিত করতে বলেন।

ইঞ্জিনিয়ারদের সাথে নিয়ে ড্রেনের নকশা (Alignment) এবং ৩টি ক্রসিং পয়েন্ট নিয়ে সরজমিনে আলোচনা করেন তিনি। রেল লাইনের তলা দিয়ে জল পাসের যে কালভার্ট বা চ্যানেলটি দীর্ঘদিন পরিষ্কার না করায় নিকাশি ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে মানুষের ঘরে জল ঢুকছিল, তা কীভাবে দ্রুত মেরামত করা যায় সেই পথ খোঁজা হচ্ছে।

রাস্তাটি নিচু থাকায় জলের টানে বারবার খানাখন্দ তৈরি হচ্ছিল। তাই কারিগরি দল নিয়ে রাস্তাটি কতটা উঁচু করা যায় এবং নিকাশির জন্য অন্তত ৪ থেকে ৭ ফুট জায়গা বের করা যায়— সেই নিয়ে চলে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

বিগত বহু বছরের অবহেলা রাতারাতি ম্যাজিকের মতো দূর করা সম্ভব নয়, কিন্তু রূপা গাঙ্গুলির এই রণকৌশল এবং ইঞ্জিনিয়ারিং টিমের সাথে একদম মাটিতে নেমে এই কাজ বুঝিয়ে নেওয়ার তাগিদ প্রমাণ করে— ২২ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের কষ্টের দিন এবার শেষ হতে চলেছে! ✊

#সজাগসোনারপুর

13/06/2026

দুর্নীতিমুক্ত ও উন্নত সোনারপুরের লক্ষ্যে: মাঠে নেমে কাজ করছেন রূপা গাঙ্গুলি! গত ১১ই জুন, বৃহস্পতিবার, প্রবল বৃষ্টির মধ্যেও তাঁকে এলাকার সাধারণ মানুষের জন্য মাঠে নেমে কাজ করতে দেখা গেলো। এই ভিডিওটিতে তাঁর কাজের কিছু প্রশংসনীয় দিক উঠে এসেছে।

'বিধায়ক অন-ক্যামেরা ঠিকাদারদের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনো রকম অবৈধ লেনদেন বা আন্ডার-দ্য-টেবিল ডোনেশন চলবে না। তাঁর সাফ কথা— "আমার টিমের কেউ আপনাদের বিরক্ত করবে না, আপনারা শুধু সততার সাথে কাজ শেষ করার দিকে নজর দিন।" এমন সাহসী পদক্ষেপ সত্যিই বিরল।

প্রবল বৃষ্টির মাঝেই তিনি ২২ নম্বর ওয়ার্ড এর কাজ পরিদর্শন করেন এবং ১৪ ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কর্মীদের সাথে কথা বলেন। আমরা শুনেছি কারিগরি ছাড়পত্র (Technical Clearance) মিললে এলাকাটি হয়ত একটি ১৬ ফুট চওড়া রাস্তা পেতে চলেছে।

বিগত ১৫ বছরের যে অব্যবস্থা ও খামতি রয়েছে, তা রাতারাতি দূর করা সম্ভব নয়। সব সমস্যা একসাথে ম্যাজিকের মতো ঠিক করা যায় না, তাই সজাগ সোনারপুর দক্ষিণ এর পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে কিছুটা ধৈর্য ধরার অনুরোধ জানাচ্ছি আমরা।

সঠিক নেতৃত্ব সঠিক জায়গাতেই রয়েছে। নিজের টিম, স্থানীয় কাউন্সিলর ও ঠিকাদারদের তাগিদ দিয়ে যেভাবে রুপা ম্যাডাম নিজে দাঁড়িয়ে থেকে কাজ বুঝিয়ে নিচ্ছেন, তা সত্যিই এক নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে।

#সজাগসোনারপুর

13/06/2026

জাতীয় প্রাকৃতিক কৃষি মিশনের (National Mission on Natural Farming) উদ্যোগে বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গজুড়ে চলছে 'প্রাকৃতিক কৃষি কর্মশালা'।

এই দূরদর্শী মিশনের মূল লক্ষ্য ও এর উৎস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আপনারা এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট https://naturalfarming.dac.gov.in/ দেখতে পারেন।

সম্প্রতি বারুইপুরের রবীন্দ্র ভবনে এই অভিযানেরই একটি বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়ে গেল, যেখানে অন্যতম বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমাদের বিধায়ক রূপা গাঙ্গুলী। প্রাকৃতিক চাষবাসের আলোচনার পাশাপাশি তিনি সেখানে একটি অত্যন্ত সুন্দর ও গভীর কথা তুলে ধরেন। তিনি মনে করিয়ে দেন, ব্যক্তিগত অভ্যাসে জল বাঁচানোই হলো দেশ ও দশের প্রতি আমাদের ভালোবাসার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

এই ভাবনার সাথে প্রাকৃতিক কৃষির মূল দর্শনের একটি গভীর সংযোগ রয়েছে। প্রাকৃতিক চাষ মানে শুধু রাসায়নিক সার বর্জন করা নয়, বরং প্রকৃতির উপাদানগুলোকে—বিশেষ করে মাটি আর জলকে—তার নিজস্ব নিয়মে বাঁচিয়ে রাখা। আমরা যখন নিজেদের ঘরে জল অপচয় বন্ধ করি, তখন আমরা মূলত প্রাকৃতিক কৃষির সেই মূল দর্শনকেই আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে রূপ দিই।

পরিবেশবান্ধব এই জীবনযাত্রাকে (Sustainability) আমরা বাইরের কাউকে দেখানোর জন্য বা কোনো ফলাফলের আশায় নয়, বরং সম্পূর্ণ নিজেদের মনের শান্তির জন্য আপন করে নিই। প্রকৃতির যত্ন নেওয়াটা হোক আমাদের প্রতিদিনের একটা সহজ অভ্যাস!

#সজাগসোনারপুর

11/06/2026

ভাইরাল হোক আমাদের এলাকার বিধায়কের আজকের এই মিষ্টি মুহূর্তটি।

কোনো জাঁকজমক নেই, কোনো ভিআইপি তকমা নেই—দুপুরে গাড়িতে বসেই সামান্য একটু ভাত, সেদ্ধ ডিম, আর পাড়ার দোকান থেকে চেয়ে নেওয়া সামান্য নুন, সর্ষের তেল আর কাঁচা লঙ্কা!

এটাই ওনার রোজকার আনন্দ, জীবনের সহজ রসদ। সহকর্মী ও দোকানদারের সাথে একটু হাসি, একটু খুনসুটি, আর তারপরেই নিজের মনে গাড়ি ছুটিয়ে চলে যাওয়া 🚗।

ক্ষমতার অলিন্দে থেকেও জীবনকে এতটা মাটির কাছাকাছি রাখা সত্যিই এক অনন্য আর্ট। বড়ই সুন্দর এই মুহূর্ত, বড়ই খাঁটি এই সরলতা! ❤️

#সোনারপুর #সজাগসোনারপুর

10/06/2026

সোনারপুর দক্ষিণের মানুষের জন্য একটি আন্তরিক মুহূর্ত: মায়ের দরবারে রূপা গাঙ্গুলি

আজকের দিনটি আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীজির জীবনে এক অত্যন্ত গৌরবময় ও ঐতিহাসিক দিন। স্বাধীনতা-পরবর্তী ভারতে তিনি দীর্ঘতম সময় ধরে (৪৩৯৯ দিন) দেশসেবা করা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গৌরব অর্জন করেছেন।

এই বিশেষ ও ঐতিহাসিক দিনে সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভার অন্তর্গত উত্তর বারুলি হরিসভার কাছে অবস্থিত মা বিশালাক্ষী মন্দিরে পুজো দিলেন রূপা গাঙ্গুলি মহাশয়া। ৩ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি শুভাশিস ব্যানার্জী মহাশয়ের আমন্ত্রণে তিনি আজ মায়ের দরবারে উপস্থিত হন। এর আগে নির্বাচনের প্রচারের সময়ও তিনি এখানে এসে মায়ের কাছে একটি মানত করেছিলেন।

আজ তিনি এখানে শুধু তাঁর সেই পুরোনো মানত পূরণ করতেই ফিরে আসেননি, বরং একই সাথে আমাদের ‘কর্মযোগী’ প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে মায়ের চরণে বিশেষ প্রার্থনাও নিবেদন করেছেন।

রূপাদি সোনারপুরের সমস্ত স্তরের মানুষকে মোদীজির দীর্ঘ জীবন কামনায় তাঁর সাথে শামিল হওয়ার জন্য আন্তরিক আহ্বান জানিয়েছেন।

আসুন, আমরা সবাই মিলে মায়ের কাছে প্রার্থনা করি, আমাদের প্রধানমন্ত্রী যেন এভাবেই সুস্থ শরীরে আগামী দিনেও দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার শক্তি পান।

জয় মা বিশালাক্ষী!



Narendra Modi

10/06/2026

অফিসে নয়, মানুষের মাঝে কাটছে, আমাদের বিধায়কের প্রথম মাস

১৩ই জুন, সোনারপুর দক্ষিণের বিধায়ক হিসেবে রূপা গাঙ্গুলীর শপথ নেওয়ার ঠিক এক মাস পূর্ণ হতে চলেছে। 'সজাগ সোনারপুর'-এর তরফ থেকে আমরা তাঁর প্রতিদিনের কাজের দিকে নজর রাখছি।

একটা বিষয় পরিষ্কার—অফিসের চার দেওয়ালে বসে থাকা তাঁর স্বভাব নয়; প্রতিদিন তিনি মাঠে-ময়দানে ঘুরে মানুষের প্রকৃত অবস্থা নিজের চোখে দেখছেন।

গতকাল তিনি বেরিয়েছিলেন রামপুর এলাকার একটি 'কাঠ পোল' (কাঠের ব্রিজ) পরিদর্শনে। সেখানে পৌঁছানোর ভাঙাচোরা আর বিপজ্জনক রাস্তাটি পার হতে গিয়ে তিনি নিজেই মর্মে মর্মে উপলব্ধি করেন স্থানীয় মানুষের রোজকার যন্ত্রণার কথা।

শুধু পরিস্থিতি দেখেই তিনি থেমে থাকেননি। সেখানেই দাঁড়িয়ে কন্ট্রাক্টরকে ধরে অবিলম্বে কাজ শুরুর নির্দেশ দেন। তাঁর চাপে পড়ে কন্ট্রাক্টরও কথা দিয়েছেন যে কাঠের পোল মেরামতির কাজ তিনি শুরু করছেন।

সিস্টেমের নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও মানুষের কষ্ট মেটাতে আমাদের বিধায়কের এই নিরলস ছুটোছুটি আমাদের আশা জোগাচ্ছে।

'সজাগ সোনারপুর' এভাবেই তাঁর প্রতিদিনের লড়াইয়ের আপডেট আপনাদের কাছে পৌঁছে দেবে।

#সজাগসোনারপুর

09/06/2026

আমাদের রাজপুর-সোনারপুর এলাকার রাস্তার জরুরি মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে। এই কঠিন পরিস্থিতিতেও কাজটা কীভাবে সম্ভব হলো, তা আপনাদের জানানো দরকার:

১) আগের সরকারের আমলে কাজের জন্য কন্ট্রাক্টরদের প্রচুর টাকা এখনো বাকি পড়ে আছে। তা সত্ত্বেও, শুধুমাত্র বিধায়ক রুপা গাঙ্গুলির মুখের কথার ওপর ভরসা রেখে, ও মানুষের কষ্টের কথা ভেবে তাঁরা কাজ শুরু করেছেন।

এনাদের সকলকে উনি আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

২) পুরসভার নিয়ম অনুযায়ী—ফান্ড রিলিজ, পুরোনো কাজের রিভিউ ও অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস খতিয়ে দেখার পুরো প্রসেসটি অনেক দীর্ঘ এবং সময়সাপেক্ষ। কিন্তু এলাকার সংকটের কথা মাথায় রেখে, উনি সাধারণ দীর্ঘ প্রক্রিয়াকে কিছুটা বাইপাস করে যাতে দ্রুত কাজ শেষ করা যায়, তার জন্য সরকারের ঘরে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। একই সাথে, কন্ট্রাক্টর'রা যাতে দ্রুত টাকা পান, সেই চেষ্টাও করছেন।

৩) এলাকায় কাজ শুরু হওয়ার কিছু ছবি দেখতে পাচ্ছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেরাই মিলিয়ে নিতে পারবেন। প্রতিটি ছবিতে জিপিএস ট্যাগ (GPS Tag) এবং ওয়ার্ড নম্বর দেওয়া আছে, যা কাজের সত্যতা প্রমাণ করে।

আপনাদের ভোগান্তি কমাতে উনি প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আশা করি, আপনারা পাশে থাকবেন।

#সজাগসোনারপুর

07/06/2026

আমাদের ‘মা আহার’ এখন সাধারণ মানুষের জন্য হবে আরও উন্নত ও স্বাস্থ্যকর। 🍲

কাল, সোনারপুর দক্ষিণের নবনির্বাচিত বিধায়িকা রূপা গাঙ্গুলী (Roopa Ganguly), আকস্মিক পরিদর্শনে হাজির হলেন আমাদের এলাকার একটি 'মা আহার' কেন্দ্রে। সাধারণ মানুষের পাত পেড়ে খাওয়ার ৫ টাকার সেই আহারে কোনো আপস করা হচ্ছে কি না, তা নিজেই খতিয়ে দেখলেন তিনি। রান্নাঘরের পরিচ্ছন্নতা থেকে শুরু করে খাবারের গুণমান—সবকিছু নিজে দাঁড়িয়ে তদারকি করলেন।

তাঁর সহজাত আন্তরিকতায় সেখানে উপস্থিত সাধারণ খেটে-খাওয়া মানুষ ও দিদিদের সাথে যেভাবে গল্পে মেতে উঠলেন, মনের কথা শুনলেন, তা সত্যিই অনবদ্য! মাঠ-ঘাটের মানুষের সাথে তাঁর এই নিবিড় সংযোগ প্রমাণ করে দেয়—তিনি শুধু একজন নেত্রী নন, তিনি একজন প্রকৃত 'জননেত্রী'।

রাজপুর-সোনারপুরবাসী, আপনাদের ঘরের মানুষ হিসেবে আপনাদের জন্য রূপা গাঙ্গুলীর এই সক্রিয় ভূমিকা ও আন্তরিক উদ্যোগকে আপনারা কীভাবে দেখছেন? আপনাদের মতামত নিচে কমেন্টে জানান!

06/06/2026

রূপা গাঙ্গুলীর ‘কমন সেন্স’ নেতৃত্ব

শুধু কথায় নয়, কাজেও আসল পরিবর্তন! কথায় বলে, "সবাই রাজা হতে পারে, কিন্তু প্রজাদের আসল কষ্ট ক’জন বোঝে?" আমাদের দেশের সাধারণ সরকারি কাজ মানেই তো দীর্ঘ লাইন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা আর চরম অব্যবস্থা।

একটুখানি সাধারণ বুদ্ধি বা ‘কমন সেন্স’ ব্যবহার করলেই যে মানুষের কত বড় উপকার হতে পারে, আজ সেটাই প্রমাণ করে দিলেন সোনারপুর দক্ষিণের নতুন বিধায়ক (MLA) রূপা গাঙ্গুলী।

মানুষের কষ্ট দূর করতে খোদ মাঠে ‘ম্যাডাম’ - আজ ছবিটা ছিল একেবারে আলাদা! সোনারপুর দক্ষিণের নতুন বিধায়ক রূপা গাঙ্গুলী নিজেই চলে গেলেন ফর্ম ফিলআপ সেন্টারে। "অন্নপূর্ণা যোজনা ফর্ম ফিলআপ কেমন চলছে, মানুষ আর যেন কোনো কষ্ট না পায় ফর্ম সাবমিশন করতে"—এই ছিল তাঁর একমাত্র লক্ষ্য।কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী এই নেতৃত্ব।

আপনার কি মনে হয়? সব জনপ্রতিনিধিদের কি এভাবেই মাঠে নেমে কাজ করা উচিত? আপনার মতামত নিচে কমেন্ট করে জানান!

Address

Rajpur
Sonarpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সজাগ সোনারপুর দক্ষিণ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share