পরমশিব মহাপীঠ ParamaShiva Mahapeeth

  • Home
  • India
  • Silchar
  • পরমশিব মহাপীঠ ParamaShiva Mahapeeth

পরমশিব মহাপীঠ
ParamaShiva Mahapeeth ॐ नमः शिवाय
YT 👉 ParamaShiva Mahapeeth https://www.youtube.com/

বাঙালি দুর্গাপূজায় নিরামিষ খাবে নাকি আমিষ খাবে, সেটা নিয়ে তোর এত সমস্যা কী? এটা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়।বাংলা...
09/09/2026

বাঙালি দুর্গাপূজায় নিরামিষ খাবে নাকি আমিষ খাবে, সেটা নিয়ে তোর এত সমস্যা কী? এটা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়।

বাংলা শক্তির সাধনার স্থান। এখানে বিভিন্ন পূজা-পার্বণ ও আচার-অনুষ্ঠানে দেবীকে মাছ-মাংস ভোগ দেওয়ার প্রথা রয়েছে। আমাদের ভক্তি মনের, পেটের নয়।

তাই তোর ফতোয়া তোর কাছেই রাখ। বাঙালির নিজস্ব ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য নিয়ে অযথা জ্ঞান দিতে আসবি না।

আর আমরা কোনো ধীরেন্দ্রকে চিনি না, আমরা বীরেন্দ্রকে চিনি।

সর্বভূতে ঈশ্বরকে দেখা থেকে যেকোনো প্রাণীকে কৃষ্ণ বানিয়ে পূজা করতে হবে ?
06/09/2026

সর্বভূতে ঈশ্বরকে দেখা থেকে যেকোনো প্রাণীকে কৃষ্ণ বানিয়ে পূজা করতে হবে ?

সর্বভূতে ঈশ্বর দর্শন বনাম লৌকিক জীবকে ঈশ্বর বানিয়ে পূজা: একটি তাত্ত্বিক ও দার্শনিক বিশ্লেষণ। জন্মাষ্টমীতে কুক.....

সর্বভূতে ঈশ্বর দর্শন বনাম লৌকিক জীবকে ঈশ্বর বানিয়ে পূজা: একটি তাত্ত্বিক ও দার্শনিক বিশ্লেষণ। জন্মাষ্টমীতে কুকুরকে কৃষ্ণ...
06/09/2026

সর্বভূতে ঈশ্বর দর্শন বনাম লৌকিক জীবকে ঈশ্বর বানিয়ে পূজা: একটি তাত্ত্বিক ও দার্শনিক বিশ্লেষণ।

জন্মাষ্টমীতে কুকুরকে কৃষ্ণের সাজে সাজিয়ে পূজা করা আর প্রতিটি প্রাণীর মধ্যে ঈশ্বরের সর্বব্যাপী উপস্থিতি সর্বভূতে ঈশ্বর দর্শন অনুভব করা এক জিনিস নয়। তাত্ত্বিক ও দার্শনিক বিশ্লেষণে এই দুটির মধ্যে একটি অনতিক্রম্য যৌক্তিক ব্যবধান রয়েছে, যা কোনোভাবেই অতিক্রম করা সম্ভব নয়।

১. উপাধি বনাম স্বরূপ এবং নির্দিষ্ট লীলাবিগ্রহের অনন্যতা Immanence vs. Specific Manifestation

উপনিষদের অদ্বৈত তত্ত্ব অনুযায়ী, পরমেশ্বর সর্বভূতে বিরাজমান। কিন্তু সবকিছুর অন্তরে ঈশ্বরের চেতনা আছে আর যেকোনো সসীম বস্তু বা প্রাণীই সরাসরি সেই বিশেষ ঈশ্বর এই দুইয়ের মাঝে আকাশ-পাতাল তফাত। কুকুরের অন্তরে পরমেশ্বরের প্রাণশক্তি বা চেতনার উপস্থিতি থাকার অর্থ এই নয় যে সেই কুকুরটিই স্বয়ং পার্বতীপতি পরমেশ্বর শিব কিংবা রুক্মিণীপতি শ্রীকৃষ্ণ। পার্বতীপতি বা রুক্মিণীপতি বিশেষণগুলো কোনো সাধারণ গুণবাচক শব্দ নয়; এগুলো ঈশ্বরের পরম দিব্য, লীলাময় ও ঐতিহাসিক বিগ্রহকে Personal Deity নির্দেশ করে, যা সুনির্দিষ্ট দিব্য গুণাবলী, শাস্ত্রীয় অনুশাসন এবং সম্পর্কের ওপর প্রতিষ্ঠিত। কুকুরের ভৌত ও মানসিক উপাধি Limiting adjunct কখনোই সেই পরম দিব্য লীলাবিগ্রহের আক্ষরিক সত্তা হতে পারে না।

আর যদি বলা হয়, সব জীবের অন্তরে ঈশ্বর বিরাজমান এবং জগতের প্রতিটি ঘটনাই ঈশ্বরের লীলা, তাহলে একটি গুরুতর নৈতিক প্রশ্ন সামনে আসে। কোনো মানুষের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তার সঙ্গে জোরপূর্বক যৌনসম্পর্ক স্থাপন করা কিংবা কোনো নিরপরাধ মানুষকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করাও কি তাহলে ঈশ্বরের লীলা বলে গণ্য হবে? যদি অপরাধী ও ভুক্তভোগী উভয়ের অন্তরেই ঈশ্বর বিরাজমান থাকেন, তাহলে কি সেই যুক্তিতে অপরাধীর শাস্তিরও প্রয়োজন নেই? অবশ্যই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ কোনো মানুষের অন্তরে ঈশ্বরের উপস্থিতি স্বীকার করা কোনো অপরাধকে ন্যায্যতা দেওয়ার বা অপরাধীর দায় ও শাস্তি অস্বীকার করার অনুমতি দেয় না।

ঠিক তেমনই, প্রতিটি প্রাণীর মধ্যে ঈশ্বরের উপস্থিতি অনুভব করার অর্থ হলো প্রাণীদের ভালোবাসা, যত্ন করা, সম্মান করা এবং তাদের প্রতি সহমর্মী হওয়া। কিন্তু সেই কারণ দেখিয়ে কোনো লৌকিক প্রাণীকে নির্দিষ্ট দেবতার রূপে সাজিয়ে তাকে দেবতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে পূজা করতেই হবে এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যুক্তিসঙ্গত নয়।

২. প্রতিবিম্ববাদের অখণ্ডনীয় উপমা The Analogy of Reflection

এই সূক্ষ্ম পার্থক্যটি বোঝার জন্য সনাতন দর্শনের প্রতিবিম্ববাদ এর উপমাটি উল্লেখযোগ্য। আকাশে একটিমাত্র সূর্য দীপ্যমান। সেই সূর্যের আলো ও প্রতিবিম্ব একটি সুপেয় জলের দীঘিতেও পড়ে, আবার একটি নর্দমার নোংরা জলের ওপরও পড়ে। সর্বত্র সূর্যের আলো ও উত্তাপ চেতনা সঞ্চারিত হওয়া সত্ত্বেও, সেই নর্দমার জল যেমন নিজে স্বয়ং অনন্ত সূর্যমণ্ডল বা সূর্যলোক হয়ে যায় না, ঠিক তেমনই সৃষ্টির প্রতিটি জীবের অন্তরে ঈশ্বরের চেতনা প্রতিফলিত হওয়া সত্ত্বেও সেই জীবটি সরাসরি পার্বতীপতি শিব বা রুক্মিণীপতি শ্রীকৃষ্ণ হয়ে যায় না। জীব ঈশ্বরের প্রকাশের মাধ্যম হতে পারে, কিন্তু সে নিজেই সরাসরি ঈশ্বরের সেই পরম লীলাময় পূর্ণাঙ্গ রূপ নয়। কাদার ওপর সূর্যের আলো পড়লে যেমন কাদাকে সূর্য বলে পূজা করা যায় না, কুকুরের ভেতরের ঐশ্বরিক চৈতন্যকে সম্মান করার অর্থ তাকে কৃষ্ণের সাজে সজ্জিত করে দেবপূজা করা নয়।

৩. শব্দার্থতত্ত্বের শ্রেণীগত বিভ্রম Category Error in Semantics

গরুকে গোমাতা বলা শব্দশাস্ত্রের নিয়মে একটি লক্ষণার্থ Metaphorical meaning বা গুণবাচক প্রকাশ মাত্র; এটি কোনো বাচ্যার্থ Literal meaning বা জৈবিক মাতৃত্বের দাবি নয়। গরুর মাতৃসুলভ উপকারিতা, সামাজিক নির্ভরতা ও কৃতজ্ঞতা থেকে এই রূপক সম্মান গড়ে উঠেছে। রূপক শব্দকে আক্ষরিক পরিচয় হিসেবে ধরে নিয়ে বিতর্ক করা চরম অবুঝপনা এবং দর্শনের ভাষায় এটি একটি স্পষ্ট ক্যাটাগরি এরর Category Error।

৪. পারমার্থিক ও ব্যবহারিক সত্যের যৌক্তিক ভারসাম্য Epistemological Distinction

সনাতন অদ্বৈত দর্শনের মূল ভিত্তি হলো পারমার্থিক স্তরে Absolute Reality সমস্ত সৃষ্টি এক ও অভেদ হতে পারে, কিন্তু ব্যবহারিক স্তরে Transactional Reality আমাদের সমাজ, নিয়ম, স্বাস্থ্যবিধি ও শাস্ত্রীয় অনুশাসনের বিধি মেনে চলতে হয়। ঈশ্বর সর্বত্র আছেন এই পারমার্থিক যুক্তিতে কেউ কখনো শৌচাগারে পূজার বেদি স্থাপন করে না। কিংবা শ্রীবিষ্ণুর বরাহ অবতারের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে কেউ বাজার থেকে সাধারণ একটা শূকর কিনে এনে ঠাকুরঘরের মূল বেদিতে প্রধান দেবতা হিসেবে পূজা করে না। যদি তা না করা হয়, তবে জন্মাষ্টমীতে কুকুরকে কৃষ্ণের সাজে সজ্জিত করে পূজা করার এই অদ্ভুত যুক্তি কীভাবে খাটতে পারে?
প্রতিটি স্থান, কাল ও প্রতীকের নিজস্ব ন্যূনতম ব্যবহারিক মর্যাদা ও শুদ্ধতা, যথাযথ শাস্ত্রীয় অনুশাসন, নিয়ম, প্রোটোকল এবং বিধি-বিধান রয়েছে।

৫. জীবসেবা ভূতযজ্ঞ বনাম দেবপূজা দেবযজ্ঞ

শাস্ত্রীয় অনুশাসন অনুযায়ী, সৃষ্টির প্রতিটি প্রাণীকে অন্ন দেওয়া, যত্ন করা ও ভালোবাসাকে বলা হয় ভূতযজ্ঞ বা জীবসেবা, যা মানুষের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ধর্মীয় কর্তব্য। আর নির্দিষ্ট নিয়ম, পবিত্রতা ও দিব্য প্রতীকের মাধ্যমে পরমেশ্বরের উপাসনাকে বলা হয় দেবযজ্ঞ বা দেবপূজা। জীবসেবার পরম করুণাকে দেবপূজার আচারের সাথে গুলিয়ে ফেলা তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক উভয় দিক থেকেই একটি মারাত্মক যৌক্তিক অসংগতি Non-sequitur Fallacy।

অতএব, সর্বভূতে ঈশ্বরকে দেখা থেকে যেকোনো প্রাণীকে কৃষ্ণ বানিয়ে পূজা করতে হবে এই সিদ্ধান্ত কোনো যুক্তি, দর্শন বা শাস্ত্রীয় প্রোটোকল দিয়েই টিকে না। রূপক আর আক্ষরিক সত্তাকে গুলিয়ে ফেললে তা কোনো যুক্তিপূর্ণ আলোচনা হয় না, শুধুই শব্দের অর্থ নিয়ে এক অবান্তর বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়।

সৌজন্যে : 👉 পরমশিব মহাপীঠ
ParamaShiva Mahapeeth
এর পক্ষ থেকে :👉 পরমশৈব শ্রী সজলনাথ গোস্বামী

🚨১৭ কোটি ৫০ লাখ বছরের গল্প নয় ভাইরাল শালিগ্রামের আসল সত্য জানুন।সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রোল করলেই ইদানীং একটি ছবি ভাইরাল ...
05/09/2026

🚨১৭ কোটি ৫০ লাখ বছরের গল্প নয় ভাইরাল শালিগ্রামের আসল সত্য জানুন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রোল করলেই ইদানীং একটি ছবি ভাইরাল হতে দেখা যাচ্ছে "নদীর মাঝখানে বিশাল এক গোলাকার পাথর, চারপাশে ত্রিশূল গোঁজা। আর সেটি শেয়ার করে কিছু স্বঘোষিত ইতিহাসবিদ দাবি করছেন, বন্যার জলের স্রোতে ১৭ কোটি ৫০ লাখ বছরের পুরনো অলৌকিক আসল শালিগ্রাম শিলা ভেসে উঠেছে।

ভাইরে ভাই, লাইক আর ভিউয়ের চক্করে সাধারণ মানুষকে এত বোকা ভাবেন কীভাবে? সত্যের মুখোশ খুলে দেওয়ার সময় এসেছে।

১) এটি কোনো অলৌকিক ঘটনা নয়, মানুষের হাতের অসাধারণ ভাস্কর্য।

বাস্তব ঘটনা: নেপালের মুস্তাং জেলার জোমসোমে কালী গণ্ডকী নদীর তীরে ‘নেপাল একাডেমি অব ফাইন আর্টস’ (NAFA)-এর ৩৬ জনের বেশি ভাস্কর ২০ এপ্রিল থেকে ৪ মে ২০২৬ পর্যন্ত নদীগর্ভের একটি বিশাল প্রাকৃতিক পাথর খোদাই করেছেন।

শিল্পকর্মের মাত্রা: দীর্ঘ মাসের পর মাস খোদাই করে তাঁরা ২২ ফুট দৈর্ঘ্য ও বিস্তৃত আকারের একটি চমৎকার 'শালিগ্রাম ভাস্কর্য' (Sculpture) তৈরি করেন। মানুষের তৈরি সেই কঠোর পরিশ্রমের অসাধারণ শিল্পকর্মকে ইন্টারনেটে "অলৌকিক দৈব ঘটনা" বলে চালিয়ে দেওয়া শিল্পী ও শিল্পের প্রতি চরম অপমান।

২) আসল শালিগ্রাম শিলা কী এবং কেন এটি অলৌকিক নয়? আসল পাথরের গায়ে যে চাকার মতো গোল প্যাঁচানো দাগ বা চক্র দেখা যায়, বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘অ্যামোনাইট’ (Ammonite)।

প্রাক ঐতিহাসিক সত্য: আজ থেকে প্রায় কোটি কোটি বছর আগে বর্তমান হিমালয় অঞ্চলটি টেথিস সাগরের (Tethys Sea) অংশ ছিল। সেই সময় এই সাগরে অ্যামোনাইট নামে এক ধরনের সামুদ্রিক শামুকের মতো প্রাণী বাস করত।

ফসিল গঠন প্রক্রিয়া: প্রাণীগুলো মারা যাওয়ার পর এদের শক্ত খোলস সমুদ্রের পলির নিচে চাপা পড়ে লাখ লাখ বছরে জীবাশ্ম বা ফসিলে (Fossil) রূপান্তরিত হয়। পরবর্তীতে টেকটোনিক প্লেটের ঘর্ষণে যখন হিমালয় পর্বতমালা গঠিত হয়, তখন সেই প্রাচীন সমুদ্রের তলদেশ থেকে ফসিলগুলো উপরে উঠে আসে এবং কালী গণ্ডকী নদীর প্রবাহে ছড়িয়ে পড়ে।

বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্ত: শালিগ্রাম শিলা বৈজ্ঞানিকভাবে অত্যন্ত নিখুঁত এক প্রাকৃতিক ফসিল কোনো অলৌকিক বা দৈব উপায়ে সৃষ্ট বস্তু নয়। আর প্রকৃতিতে এমন কোনো নিয়ম নেই যেখানে আস্ত একটি ২২ ফুটের অলৌকিক নিখুঁত ভাস্কর্য একা একা নদীর মাঝখানে তৈরি হয়ে ভেসে উঠবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো ঝলমলে ছবি, চমকপ্রদ ক্যাপশন বা তথাকথিত অলৌকিক গল্প দেখলেই সত্যতা যাচাই না করে শেয়ার করা চরম অন্ধবিশ্বাসের লক্ষণ।

সৌজন্যে :👉 পরমশিব মহাপীঠ
ParamaShiva Mahapeeth
এর পক্ষ থেকে :👉 পরমশৈব শ্রী সজলনাথ গোস্বামী

ধর্ম আর রাজনীতিকে একসঙ্গে গুলিয়ে দিয়ে যারা ঘোলা জলে মাছ ধরার চেষ্টা করছে তারা প্রত্যেকে রাষ্ট্রদ্রোহী সেটা সমিতিই হোক,...
05/09/2026

ধর্ম আর রাজনীতিকে একসঙ্গে গুলিয়ে দিয়ে যারা ঘোলা জলে মাছ ধরার চেষ্টা করছে তারা প্রত্যেকে রাষ্ট্রদ্রোহী সেটা সমিতিই হোক, পরিষদই হোক, রাজনৈতিক নেতাই হোক।
কোন পরিষদ, কোন সমিতি, কোন সংগঠন, কোন রাজনৈতিক দল তারা হিন্দুর এই উৎসব, বাঙালির এই আনন্দ এবং পরম্পরাগত এই ঐতিহ্যের ঠিকা নিতে পারে না।

প্রথম কথা, দুর্গাপূজায় আমিষ ব্যবহারের কোন নিষেধাজ্ঞা নেই। একদম শাস্ত্রীয় বচন কালিকাপুরান, দেবী ভাগবত, দেবী পুরাণ এই সমস্ত থেকে শ্লোক উদ্ধার করে দেখানো যায় যে দুর্গাপূজায় আমিষ ব্যবহার করা যায়।
বাঙালির শারদীয়া দুর্গোৎসব এবং সর্বভারতীয় নবরাত্রি সম্পূর্ণ আলাদা। বাঙালি তার ঘরের মেয়েকে ভালো ভালো মাছ-মাংসের ভোগ দেয়, যা শত শত বছর ধরে শাস্ত্রীয় পরম্পরা অনুযায়ী চলে আসছে।

দুর্গাপূজায় যেটা বলা উচিত ছিল সেটা হলো দুর্গাপূজায় বলি ব্যবস্থা প্রচলন করতে হবে। বলি ছাড়া দুর্গাপূজা হয় না।
যদি বলিদান না হয়, তাহলে ওটা দুর্গাপূজাই নয়, ওটা দুর্গা থিয়েটার। দুর্গাকে বসিয়ে একটা থিয়েটার করা মাত্র।

💐 পরমাত্মানন্দজী মহারাজ।

যেকোনো পূজা উৎসবে কিছু ক্লাবের লোকজন নোংরামি করলে, তার জন্য সব ক্লাবের লোকজন বা সাধারণ দর্শনার্থীদের দোষী করা ঠিক নয়।আর...
02/09/2026

যেকোনো পূজা উৎসবে কিছু ক্লাবের লোকজন নোংরামি করলে, তার জন্য সব ক্লাবের লোকজন বা সাধারণ দর্শনার্থীদের দোষী করা ঠিক নয়।

আর একটা বিষয় পরিষ্কারভাবে বোঝা দরকার গর্ভগৃহ এক জায়গা, আর সাধারণ দর্শনার্থীদের দর্শন করার স্থান বা প্যান্ডেল আরেক জায়গা। দুটোকে এক করে দেখা ঠিক নয়। সাধারণত দর্শনার্থীদের জন্য নির্দিষ্ট দর্শনস্থল থাকে এবং মূল পূজাস্থল/গর্ভগৃহে সবার প্রবেশাধিকারও থাকে না।

দুর্গাপূজার মণ্ডপে ঢুকে গর্ভগৃহে বা পূজার মূল স্থানে স্বাভাবিকভাবে কেউ খাবার খায় না, কিছু কমিটির লোকজন ছাড়া। সেখানে খাওয়া-দাওয়া করা অবশ্যই অনুচিত।

কিন্তু গর্ভগৃহ এক জিনিস, দর্শনার্থীদের চলাচলের জায়গা আর মণ্ডপের বাইরের অংশ সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। তাই কোনো প্যান্ডেলের বাইরে কোনো গরিব দোকানদার যদি ছোট করে এগ রোলের দোকান দেন, সেটাকে সরাসরি পূজাস্থলের ভিতরে বসে খাওয়া বা পূজার গর্ভগৃহে খাবার খাওয়ার সঙ্গে তুলনা করা যুক্তিসঙ্গত নয়।

মণ্ডপের বাইরে তো বিভিন্ন খাবারের স্টল থাকে, সেখানে দর্শনার্থীরা খেতেই পারেন। আশপাশে বসে বা নির্দিষ্ট খাবারের জায়গায় খেলে তাতে সমস্যা কোথায়? এমন কোনো নিয়ম কি আছে যে, দুর্গাপূজার মণ্ডপের আশপাশে বাইরে মানুষ খেতে পারবে না?

গর্ভগৃহের পবিত্রতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা অবশ্যই জরুরি। কিন্তু সেই বিষয়কে কেন্দ্র করে মণ্ডপের বাইরের খাবারের স্টল বা দর্শনার্থীদের স্বাভাবিক খাওয়া দাওয়াকেও নোংরামি বলা এটা অযথা বিষয়কে জটিল করা ছাড়া আর কিছু নয়।
আর পূজার নামে মদ্যপান, অশ্লীল গান, অশালীনতা বা যেকোনো ধরনের নোংরামি অবশ্যই বন্ধ হওয়া উচিত। 🙏

02/09/2026

কি রাগ করলা ? 🙄

বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের দুর্গাপূজাকে এখন ওরা হিন্দি-গুজরাটি নবরাত্রি বানাতে চাইছে।কিছুদিন আগে সাধারণ স্কুলের ...
02/09/2026

বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের দুর্গাপূজাকে এখন ওরা হিন্দি-গুজরাটি নবরাত্রি বানাতে চাইছে।

কিছুদিন আগে সাধারণ স্কুলের বাচ্চাদের থালা থেকে মাছ ডিম সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, আর এখন বলা হচ্ছে আমিষ খেয়ে পূজামণ্ডপে ঢোকা যাবে না। তাহলে মণ্ডপের আশেপাশে আমিষের স্টল বসবে কীভাবে? সেখানে মানুষ খাবে, তারপর মণ্ডপে ঢুকবে এটাই তো স্বাভাবিক। তার মানে গরিব বাঙালির চার দিনের খাবারের স্টল লাগিয়ে যে আয়ের রাস্তাটা হয়, সেটাও কি বন্ধ করে দিতে হবে?

আজ যদি শক্তিপূজার রীতিনীতিও ওরাই ঠিক করতে শুরু করে মা কীভাবে পূজিত হবেন, কী ভোগ দেওয়া যাবে আর কী যাবে না, কে আমিষ খেয়ে প্যান্ডেলে ঢুকতে পারবে আর কে পারবে না তাহলে কি ওরা নিজেদের আমিষ নিরামিষের মানদণ্ডে বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকেও বেঁধে দিতে চাইছে?

এই যুক্তি যদি সব শক্তিপীঠে প্রয়োগ করা হয়, তাহলে আগামী দিনে তারাপীঠসহ বিভিন্ন শক্তিপীঠে প্রচলিত বলি ও আমিষ ভোগও কি বন্ধ করে দিতে হবে? কারণ, ওদের মতে মন্দির পবিত্র স্থান যেখানে আমিষ খেয়ে প্রবেশই করা যাবে না, সেখানে আমিষ ভোগ দেওয়া বা বলি কীভাবে চলবে?

এখন পবিত্র অপবিত্রের মাপকাঠি কি শুধু বাঙালির আমিষ আর নিরামিষ খাওয়া দিয়ে ঠিক করতে হবে? বাংলায় যদি ওরা এমন সাহস দেখায়, তবে একবার ভাবুন, গুজরাট, দিল্লির মতো জায়গায় ওরা বাঙ্গালীদের সাথে কিরকম ব্যবহার করতে পারে।

আর এর শাস্ত্রীয় ভিত্তি কী, যেখানে স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ গোবর্ধন পূজায় সেই একই স্থানে প্রসাদ হিসেবে নিজে আমিষ গ্রহণ করছেন?

01/09/2026

স্বয়ং ভগবান বিষ্ণু বলছেন, একমাত্র বিশ্বেশ্বর শিবই সম্পূর্ণ ব্রহ্মাণ্ডের পরমেশ্বর শিব ছাড়া দ্বিতীয় কেউ নেই।

আমার জীবনে কোনো পূজা প্যান্ডেলে পূজা চলাকালীন কাউকে দেখিনি পূজার স্থানে বা গর্ভগৃহে বসে এগ রোল খেতে। আপনারা দেখে থাকলে ব...
01/09/2026

আমার জীবনে কোনো পূজা প্যান্ডেলে পূজা চলাকালীন কাউকে দেখিনি পূজার স্থানে বা গর্ভগৃহে বসে এগ রোল খেতে। আপনারা দেখে থাকলে বলবেন।

প্রমাণ থাকলে অবশ্যই দিন ভিডিও ছবি অডিও নিউজপেপারের কাটিং নিউজ ভিডিও ফেসবুক পোস্ট যেকোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণই গ্রহণযোগ্য।

Address

Silchar

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পরমশিব মহাপীঠ ParamaShiva Mahapeeth posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to পরমশিব মহাপীঠ ParamaShiva Mahapeeth:

Shortcuts

Share