BND News Network

BND News Network Expert advertising services for the modern era. We handle Digital Ads, TV News features, and Newspaper advertisements to grow your business effectively.

15/04/2026

বিধানসভা নির্বাচনের হাই-ভোল্টেজ প্রচার: ডাক্তার আজিজের হাত শক্ত করতে এবার লালগোলার পথে দেব

লালগোলা: আসন্ন ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক পারদ তুঙ্গে উঠেছে মুর্শিদাবাদের লালগোলা বিধানসভা কেন্দ্রে। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী, বিশিষ্ট চিকিৎসক আব্দুল আজিজের সমর্থনে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত হতে চলেছেন বাংলার সুপারস্টার তথা তৃণমূল সাংসদ দেব।

আগামী ১৭ এপ্রিল লালগোলার ছাগলহাট ময়দানে এই মেগা জনসভাটি অনুষ্ঠিত হবে। স্থানীয় নেতৃত্ব মনে করছেন, ডাক্তার আব্দুল আজিজের মতো একজন পরোপকারী ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির মানুষের হয়ে দেবের এই প্রচার সাধারণ মানুষের মধ্যে এক নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি করবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের ভোটারদের কাছে এই সভা অত্যন্ত গুরুত্ব পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এই হাই-ভোল্টেজ প্রচারকে সফল করতে ইতিমধ্যেই কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছে তৃণমূল কর্মীরা। প্রিয় নায়ককে একঝলক দেখতে এবং তাঁর বক্তব্য শুনতে লালগোলা সহ পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকেও কয়েক লক্ষ মানুষের সমাগম হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রার্থী ডাক্তার আব্দুল আজিজ এই প্রসঙ্গে বলেন, "মানুষের সেবা করাই আমার ব্রত। আর আমাদের প্রিয় নেতা দেবের এই উপস্থিতি দলের কর্মীদের মনোবল কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা আশাবাদী যে, এই প্রচার আমাদের জয়ের পথকে আরও সুগম করবে।"
জনসভাকে ঘিরে এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। সব মিলিয়ে, মেগাস্টার দেবের হাত ধরে লালগোলার বিধানসভা প্রচার এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাতে চলেছে।

12/04/2026

জঙ্গিপুরে কংগ্রেসের মেগা চমক: প্রার্থী ইমরান আলীর সমর্থনে প্রচারে আসছেন সুপারস্টার খেসারি লাল যাদব!

জঙ্গিপুর: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছে কংগ্রেস। জঙ্গিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী, বিশিষ্ট সমাজসেবী ইমরান আলীর সমর্থনে এবার প্রচারের ময়দান কাঁপাতে আসছেন ভারতের জনপ্রিয় ভোজপুরি সঙ্গীত শিল্পী ও অভিনেতা খেসারি লাল যাদব।
এক নজরে প্রচারের মূল আকর্ষণ:
ভোজপুরি সুপারস্টার খেসারি লাল যাদব।
কংগ্রেস প্রার্থী ইমরান আলীর সমর্থনে জনসভা ও প্রচার।
ইমরান আলী এলাকায় একজন বিশিষ্ট সমাজসেবী হিসেবে পরিচিত, যাঁর জনপ্রিয়তা তরুণ প্রজন্মের মধ্যে চোখে পড়ার মতো।

জঙ্গিপুর এলাকায় ভোজপুরি ও হিন্দিভাষী ভোটারদের একটি বড় অংশ রয়েছে। খেসারি লাল যাদবের মতো একজন তারকাকে প্রচারে নামিয়ে সেই ভোটব্যাঙ্ক নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রচারের জৌলুস বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে চাইছে কংগ্রেস নেতৃত্ব। প্রিয় তারকাকে চোখের সামনে দেখার উত্তেজনায় এই জনসভা এক বিশাল সমাবেশে পরিণত হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় কংগ্রেস কর্মীরা।
ইমরান আলীর জনহিতকর কাজের ভাবমূর্তি এবং খেসারি লালের স্টার পাওয়ার— এই জোড়া ফলায় জঙ্গিপুরের মাটিতে কংগ্রেস কতটা জমি দখল করতে পারে, এখন সেটাই দেখার।

11/04/2026
09/04/2026

মমতাকে সরাতে বিজেপির সঙ্গে ১০০০ কোটির 'ডিল', লক্ষ্য মুসলিমদের বোকা বানানো! হুমায়ুনের বিস্ফোরক ভিডিও ফাঁসে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি

নিজস্ব প্রতিনিধি: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে বাংলা দখলে মরিয়া বিজেপি। আর সেই লক্ষ্যপূরণে দাবার ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীরকে? সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও ঘিরে এই প্রশ্নই এখন তুঙ্গে। ভিডিওটিতে হুমায়ুন কবীরকে সরাসরি স্বীকার করতে শোনা যাচ্ছে যে, মুসলিম ভোট ভাগ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ক্ষমতাচ্যুত করতে তিনি বিজেপির সঙ্গে এক বিশাল অঙ্কের গোপন চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছেন।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে জনৈক এক বিজেপি নেতার সঙ্গে কথোপকথনে হুমায়ুন কবীরকে বলতে শোনা যাচ্ছে, “আমি মুসলিমদের বোকা বানানোর পরিকল্পনা ছকে ফেলেছি। বাবরি ইস্যুটা তোলার পর যেভাবে মানুষের আবেগ আমার দিকে ঝুঁকেছে, তাতে আমি নিশ্চিত ৭০-৮০টি আসন আমি পাবই।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হুমায়ুন কবীরের এই স্বীকারোক্তি প্রমাণ করে যে, ধর্মীয় আবেগকে তিনি স্রেফ রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছেন।

২০২৬-এর বিধানসভা ভোটে প্রতিটি আসনে বিপুল টাকা ঢালার পরিকল্পনা রয়েছে হুমায়ুনের। ভিডিওতে তাঁর দাবি:
প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে খরচ করতে হবে ৩-৪ কোটি টাকা।
বিজেপির কাছ থেকে সব মিলিয়ে ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছেন তিনি।
বিজেপি তাঁকে জয়ের পর উপমুখ্যমন্ত্রী করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

হুমায়ুন কবীর ভিডিওতে দাবি করেছেন, তাঁর এই পরিকল্পনার কথা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর (PMO) জানে। শুধু তাই নয়, শুভেন্দু অধিকারীর মাধ্যমে তিনি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। তাঁর বিস্ফোরক দাবি:
“শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আমার নিয়মিত কথা হচ্ছে। আমাকে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের সঙ্গে কথা বলতে বলা হয়েছে এবং তাঁর সঙ্গে আমার নিয়মিত যোগাযোগ। হিমন্ত বিশ্বশর্মার সঙ্গেও কথা হয়েছে।”

ভিডিওতে হুমায়ুন কবীর স্পষ্ট করেছেন যে, হিন্দু ভোটারদের আস্থা জিততেই তিনি মুসলিম ভোট কাটার দায়িত্ব নিয়েছেন। তাঁর মতে, মুসলিমরা যদি মমতার দিক থেকে সরে যায়, তবে হিন্দুরাও তৃণমূলকে ছেড়ে বিজেপির দিকে ঝুঁকবে। এমনকি পরিস্থিতি ত্রিশঙ্কু হলে তিনি যে বিজেপিকেই সমর্থন দেবেন, সেই ইঙ্গিতও দিয়ে রেখেছেন।
তৃণমূল কংগ্রেসের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল যে, হুমায়ুন কবীর আদতে বিজেপির হয়েই কাজ করছেন। এই ভিডিও যদি সত্যি হয়, তবে বাংলার রাজনীতিতে তা এক বড়সড় ‘সেটিং’-এর প্রমাণ হিসেবে থেকে যাবে।


08/04/2026

কলকাতা বন্দরে দ্বিমুখী লড়াই: ফিরাদ হাকিমের বিপরীতে সদ্য জেলমুক্ত বিজেপি প্রার্থী রাকেশ সিং

কলকাতা: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে কলকাতা বন্দর কেন্দ্রে বড়সড় চমক দিল ভারতীয় জনতা পার্টি। এই হেভিওয়েট কেন্দ্রে তৃণমূলের ফিরাদ হাকিমকে টেক্কা দিতে বিজেপি প্রার্থী করেছে সদ্য জেলমুক্ত নেতা রাকেশ সিং-কে।
টানটান উত্তেজনার অবসান ঘটিয়ে কলকাতা বন্দর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের হেভিওয়েট প্রার্থী তথা মেয়র ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে রাকেশ সিংয়ের নাম চূড়ান্ত করল বিজেপি। বুধবার প্রকাশিত দলের ষষ্ঠ তথা শেষ দফার তালিকায় রাকেশের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এর সঙ্গেই রাজ্যের ২৯৪টি আসনের জন্য নিজেদের সব প্রার্থীর নাম প্রকাশ করা সম্পন্ন করল গেরুয়া শিবির। সোমবার কলকাতা হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তী জামিন পাওয়ার পর মঙ্গলবারই প্রেসিডেন্সি জেল থেকে মুক্তি পান রাকেশ। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার স্বার্থেই আদালত তাঁর এই আর্জি মঞ্জুর করেছে।
দীর্ঘদিনের বিধায়ক ও বর্তমান মেয়র ফিরাদ হাকিম এই কেন্দ্রে অত্যন্ত শক্তিশালী প্রার্থী। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এলাকায় তাঁর ব্যক্তিগত সংযোগ এবং উন্নয়নমূলক কাজ তাঁকে লড়াইয়ে অনেকটাই এগিয়ে রাখছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, ফিরাদ হাকিমের পাল্লা যথেষ্ট ভারী হলেও, রাকেশ সিং-এর লড়াকু ভাবমূর্তি এবং বিজেপির বুথ স্তরের সংগঠন এবারের লড়াইকে কঠিন করে তুলতে পারে।

08/04/2026

শোক সংবাদ: প্রয়াত প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আবু হাশেম খান চৌধুরী (ডালু)

কলকাতা ও মালদা: গভীর শোকের ছায়া রাজনৈতিক মহলে। মালদার রূপকার গনি খান চৌধুরীর ভাই তথা মালদা দক্ষিণ লোকসভা কেন্দ্রের দীর্ঘদিনের সাংসদ ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আবু হাসেম খান চৌধুরী (ডালু) আর নেই। আজ রাত ৯টা ৫০ মিনিট নাগাদ কলকাতার একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
দীর্ঘদিন ধরেই তিনি বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। তাঁর প্রয়াণে মালদা তথা সমগ্র দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হলো।

এক নজরে তাঁর বর্ণময় রাজনৈতিক জীবন:

তিনি ছিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী। মালদা দক্ষিণ লোকসভা কেন্দ্রের দীর্ঘদিনের সাংসদ হিসেবে মানুষের সেবা করেছেন। এছাড়াও তিনি বিধায়ক হিসেবেও সাফল্যের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।প্রবাদপ্রতিম নেতা গনি খান চৌধুরীর ভাই হওয়ার পাশাপাশি নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে তুলেছিলেন তাঁর অকৃত্রিম জনসেবা এবং সরল জীবনযাপনের মাধ্যমে।

তাঁর প্রয়াণে শোক প্রকাশ করে বলা হয়েছে, মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা এবং জনসেবার প্রতি নিষ্ঠা তাঁকে চিরকাল অমর করে রাখবে। তাঁর বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করার পাশাপাশি শোকসন্তপ্ত পরিবার ও অসংখ্য অনুগামীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে।"তাঁর প্রয়াণ মালদা ও রাজ্যের রাজনীতিতে এক অপূরণীয় ক্ষতি।"

07/04/2026

ডাক্তারবাবুর হাসিমুখেই ভরসা খুঁজছে লালগোলা; জনসংযোগে কোনো খামতি রাখছেন না ডা: অবদুল আজিজ

ওয়াহিদ রেজা,লালগোলা: ভোট প্রচার মানেই সচরাচর দেখা যায় মিছিল, স্লোগান আর জনসভা। কিন্তু লালগোলা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ডাক্তার আব্দুল আজিজের প্রচারের ধরণ কিছুটা আলাদা। গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে জনসংযোগের পাশাপাশি তিনি সমানভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁর পেশাগত সেবা— অর্থাৎ আর্তের চিকিৎসা।
তৃণমূল প্রার্থী ডাক্তার আব্দুল আজিজ প্রতিদিন লালগোলার প্রতিটি অঞ্চলে অঞ্চলে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে তাঁর বিরামহীন প্রচার। প্রতিটি গ্রামে পৌঁছাতেই তাঁকে ঘিরে দেখা যাচ্ছে সাধারণ মানুষের উপচে পড়া ভিড় এবং বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস। এলাকাবাসীরা তাঁকে সাদরে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন।

প্রচারের মঞ্চে যখন স্টেথোস্কোপ:
প্রচারের মাঝে যখনই কোনো অসুস্থ মানুষের খবর পাচ্ছেন বা কেউ চিকিৎসার জন্য এগিয়ে আসছেন, ডাক্তার আজিজ দেরি করছেন না। প্রচারের ব্যস্ততা সরিয়ে রেখেই তিনি বসে পড়ছেন রোগীর নাড়ি টিপে দেখতে। জনসংযোগের মাঝেই চলছে প্রেসক্রিপশন লেখা আর চিকিৎসার পরামর্শ। প্রার্থীর এই মানবিক রূপে মুগ্ধ এলাকাবাসী।

এলাকাবাসীদের মতে, এমন প্রার্থী পাওয়ায় তাঁরা অত্যন্ত খুশি। স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, "আমরা শুধু একজন নেতাকে চাই না, বিপদের সময় পাশে দাঁড়ানোর মতো একজন মানুষকে চাই। ডাক্তার বাবু প্রচারের ফাঁকেও যেভাবে আমাদের শরীরের খোঁজ নিচ্ছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।"
রাজনৈতিক মহলের মতে, ডাক্তার আব্দুল আজিজের এই 'চিকিৎসা ও প্রচার' নীতি ভোটারদের মনে গভীর প্রভাব ফেলছে। জনসংযোগে কোনো খামতি না রেখে এবং মানুষের পাশে থেকে তিনি যেভাবে এগিয়ে চলেছেন, তাতে লালগোলার নির্বাচনী লড়াই এক অন্য মাত্রা পেয়েছে।

06/04/2026

জঙ্গিপুরে ঐতিহাসিক শক্তি প্রদর্শন: ২৫ হাজার কর্মী-সমর্থক নিয়ে মনোনয়ন জমা দিলেন তরুণ তুর্কী ইমরান আলী

জঙ্গিপুর: ভোটের দামামা বাজতেই মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে কার্যত রাজনৈতিক সুনামি দেখা গেল। হাজার হাজার মানুষের জনজোয়ারে পা রেখে নিজের মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন কংগ্রেসের তরুণ প্রার্থী ইমরান আলী। সোমবার তাঁর এই মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে জঙ্গিপুর শহরের পথঘাট কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে।
এদিন সকাল থেকেই জঙ্গিপুরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্লক কংগ্রেসের কর্মী ও সাধারণ সমর্থকরা মিছিল করে জমা হতে থাকেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই ভিড় বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়। দলীয় সূত্রে দাবি, এদিন মিছিলে প্রায় ২৫ হাজারের বেশি মানুষ সামিল হয়েছিলেন। রং-বেরঙের পতাকা, স্লোগান আর বাজনার শব্দে এক উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়।
এবারের নির্বাচনে কংগ্রেস হাইকম্যান্ডের চমক তরুণ প্রার্থী ইমরান আলী। এই প্রথমবার তিনি বিধানসভা ভোটের ময়দানে পা রাখছেন।
রাজনৈতিক মহলের মতে, স্বচ্ছ ভাবমূর্তি এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি সংযোগই ইমরানের প্রধান হাতিয়ার। মিছিলে যুব সমাজের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো, যা বিরোধীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
সাধারণত মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় সব দলই শক্তি প্রদর্শন করে, কিন্তু এদিনের ভিড় গত কয়েক বছরের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে,
বিরোধী কোনো দলই এখন পর্যন্ত জঙ্গিপুরে এই পরিমাণ লোক জমায়েত করতে পারেনি।
শহর জুড়ে কংগ্রেসের এই উন্মাদনা বুঝিয়ে দিচ্ছে যে, জঙ্গিপুরের লড়াই এবার হাড্ডাহাড্ডি হতে চলেছে।
কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই এত বিশাল মিছিল সম্পন্ন হওয়া ছিল এক বড় চ্যালেঞ্জ।

মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর আত্মবিশ্বাসী ইমরান আলী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, "এই লড়াই আমার একা নয়, এই লড়াই জঙ্গিপুরের সাধারণ মানুষের। আজ যে জনসমুদ্র আপনারা দেখছেন, তা পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। মানুষ তরুণ প্রজন্মের ওপর আস্থা রাখতে শুরু করেছে।"
জঙ্গিপুরের এই "মেগা শো"-এর পর মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে যে নতুন করে অক্সিজেন ফিরল, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এখন দেখার, এই বিশালাকার মিছিল ভোটের বাক্সে কতটা প্রভাব ফেলে।

06/04/2026

লালগোলায় ‘যুগলবন্দি’র লড়াই: মুখোমুখি দুই তরুণ তুর্কি আজিজ ও সুমন!

লালগোলা, মুর্শিদাবাদ: বিধানসভা ভোটের দামামা বাজতেই মুর্শিদাবাদের লালগোলা এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। তবে এবারের লড়াই কেবল রাজনৈতিক মতাদর্শের নয়, বরং দুই ‘জনপ্রিয়’ এবং ‘তরুণ’ প্রতিভার শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের লড়াই। একদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের বাজি ডাঃ আব্দুল আজিজ, আর অন্যদিকে কংগ্রেসের তুরুপের তাস তৌহিদুর রহমান সুমন।
রাজনৈতিক মহলের মতে, লালগোলার মাটিতে এবার কোনো 'একতরফা' খেলা হবে না, বরং হতে চলেছে সেয়ানে-সেয়ানে টক্কর।
সাধারণত নির্বাচনে অভিজ্ঞ বনাম নবীনের লড়াই দেখা যায়, কিন্তু লালগোলায় ছবিটা আলাদা। এখানে লড়াই হচ্ছে দুই জনদরদী তরুণ নেতার মধ্যে।
তৃণমূল প্রার্থী ডাঃ আব্দুল আজিজ পেশায় চিকিৎসক হওয়ার সুবাদে মানুষের নাড়ির স্পন্দন বোঝেন। বিপদে-আপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ইমেজ তাকে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আলাদা গ্রহণযোগ্যতা দিয়েছে।
পিছিয়ে নেই কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী তৌহিদুর রহমান সুমনও। দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক কাজে লিপ্ত থেকে তিনি নিজের একটি শক্তিশালী অনুগামী বলয় তৈরি করেছেন। যুব সমাজের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা শাসক শিবিরের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলার জন্য যথেষ্ট।
ভোটের দিনক্ষণ যত এগিয়ে আসছে, লালগোলার অলিতে-গলিতে ততই বাড়ছে উত্তাপ। দুই প্রার্থীই এখন নাওয়া-খাওয়া ভুলে কোমর বেঁধে নেমেছেন ময়দানে।
চড়া রোদ উপেক্ষা করে ভোটারদের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছেন আজিজ ও সুমন।একদিকে যেমন ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপে চলছে ডিজিটাল প্রচার, অন্যদিকে চলছে একের পর এক ঝোড়ো পথসভা।
তৃণমূল যেখানে সরকারের উন্নয়নমূলক কাজকে ঢাল করছে, কংগ্রেস সেখানে মানুষের আবেগ ও দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে হাতিয়ার করে লড়াই দিচ্ছে।
লালগোলার মানুষের কথা: > "দুজনেই ভালো ছেলে, দুজনেই আমাদের ঘরের লোক। কাকে ছেড়ে কাকে দেব, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।" — নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক স্থানীয় বাসিন্দা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, লালগোলায় এবারের লড়াই হবে 'ব্যক্তিত্ব বনাম ব্যক্তিত্বের'। একদিকে ডাক্তার বাবুর সেবামূলক ভাবমূর্তি, অন্যদিকে সুমনের লড়াকু মানসিকতা। কোনো পক্ষই প্রচারে খামতি রাখছে না, ফলে জয়-পরাজয়ের ব্যবধান খুব সামান্য হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
লালগোলার মসনদ কার দখলে যাবে? ঘাসফুল না কি হাতের জাদু— তা সময়ই বলবে। তবে এই মুহূর্তে লালগোলার লড়াই যে বাংলার অন্যতম ‘হটসিট’ হতে চলেছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

04/04/2026

উচ্ছ্বাসে মাতল লালগোলা: ব্যান্ড বাজিয়ে হাজারো কর্মী-সমর্থক নিয়ে মনোনয়ন জমা দিলেন তৌহিদুর রহমান সুমন

লালগোলা: নির্বাচনের দামামা বাজতেই লালগোলা বিধানসভা কেন্দ্রে রাজনৈতিক পারদ এখন তুঙ্গে। আজ এক বিশাল বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে জাতীয় কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে নিজের মনোনয়নপত্র জমা দিলেন তৌহিদুর রহমান সুমন।
সকাল থেকেই লালগোলার রাস্তায় ছিল সাধারণ মানুষ এবং কংগ্রেস কর্মীদের উপচে পড়া ভিড়। হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা কার্যত 'হাত' চিহ্নের পতাকায় ঢেকে যায়। দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে চারপাশ।
মনোনয়ন দাখিলকে কেন্দ্র করে আজ লালগোলায় এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শুধুমাত্র মিছিল নয়, সাথে ছিল ব্যান্ডের তালি আর বাদ্যযন্ত্রের গর্জন। কর্মীদের এই স্বতঃস্ফূর্ত উচ্ছ্বাস প্রমাণ করে দিচ্ছে যে, লালগোলা দুর্গ রক্ষায় বা পুনরুদ্ধারে কংগ্রেস কোনো খামতি রাখছে না।
মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর তৌহিদুর রহমান সুমন সংবাদমাধ্যমকে জানান:
"মানুষের এই ভালোবাসা আর আশীর্বাদই আমার প্রধান শক্তি। লালগোলার উন্নয়নের স্বার্থে এবং সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় কংগ্রেস সব সময় পাশে ছিল এবং থাকবে। আজকের এই জনজোয়ার পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।"
লালগোলার এই হাই-ভোল্টেজ লড়াইয়ে তৌহিদুর রহমান সুমনের এই "মেগা শো" রাজনৈতিক মহলে বেশ চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন দেখার বিষয়, ব্যালট বক্সে এই উচ্ছ্বাস কতটা প্রতিফলিত হয়।

04/04/2026

ভোটাধিকার রক্ষায় ‘ঢাল’ হয়ে দাঁড়ালেন ডাঃ আব্দুল আজিজ: আইনজীবীদের নিয়ে নামলেন ময়দানে।

ওয়াহিদ রেজা,লালগোলা-;
নির্বাচনী লড়াইয়ের ময়দানে এবার সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দিতে কোমর বেঁধে নামলেন লালগোলা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ডাঃ আব্দুল আজিজ। ভোটার তালিকা থেকে বহু সাধারণ মানুষের নাম বাদ যাওয়া বা ‘ডিলিট’ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে, আইনি লড়াইয়ের পথ প্রশস্ত করলেন তিনি।
শনিবার নির্বাচনী কার্যালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ সাংবাদিক সম্মেলনে একদল অভিজ্ঞ আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন তিনি। সেখানে মূল আলোচনার বিষয় ছিল— S.I.R সংক্রান্ত জটিলতা এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কীভাবে বাদ পড়া ভোটারদের নাম পুনরায় তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা যায়।
সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে ডাঃ আব্দুল আজিজ একদল নিবেদিতপ্রাণ আইনজীবী নিয়োগ করেছেন। যারা ভোটার তালিকা সংক্রান্ত যে কোনো আইনি সমস্যায় সরাসরি সহযোগিতা করবেন।
• যারা দীর্ঘদিন এলাকায় থাকা সত্ত্বেও ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন, তাদের নাম ফেরানোর জন্য নির্দিষ্ট আইনি পদ্ধতি অনুসরণ করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
• তৃণমূল প্রার্থীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাধারণ মানুষকে যাতে হয়রানির শিকার হতে না হয়, তাই এই আইনজীবীরা সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবেন।
ভোটাধিকার প্রত্যেকটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। ষড়যন্ত্র করে বা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে যাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, আমরা তাদের পাশে আছি। সাধারণ মানুষের এই লড়াইয়ে আইনজীবীদের একটি বিশেষ টিম কাজ করবে যাতে আইনি পথে সবাই ভোটাধিকার ফিরে পান।

ডাঃ আব্দুল আজিজ স্পষ্ট জানান, ভোটার তালিকায় নাম তোলা বা সংশোধনের ক্ষেত্রে কোনো সাধারণ মানুষ যেন পিছিয়ে না থাকেন। নির্বাচনী কার্যালয় থেকে এই পরিষেবা সরাসরি পাওয়া যাবে। আইনজীবীদের এই উপস্থিতি সাধারণ ভোটারদের মধ্যে নতুন করে আশার আলো জাগিয়েছে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটার তালিকা নিয়ে এই আইনি তৎপরতা লালগোলায় ডাঃ আব্দুল আজিজকে সাধারণ মানুষের আরও কাছে পৌঁছে দেবে।

Address

Vip Nagar, Anandapur, West Chowbaga
Raghunathganj
700105

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BND News Network posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share