PAPA : Project Affected People's Association

PAPA : Project Affected People's Association We are an environmental organization working against the climate crisis and fighting for the people, affected by the projects.

সম্প্রতি  জনৈক্য এক ব্যক্তি নবান্নে ইমেলে একটি অভিযোগ পাঠান। দাবি করা হয়, পাচামিতে অন্তত ৯টি পাথর খাদান সম্পূর্ণ বেআইনিভ...
05/07/2026

সম্প্রতি জনৈক্য এক ব্যক্তি নবান্নে ইমেলে একটি অভিযোগ পাঠান। দাবি করা হয়, পাচামিতে অন্তত ৯টি পাথর খাদান সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে বুক ফুলিয়ে চলছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পরিদর্শনে আসেন নবান্নের কর্তারা। তদন্তের পর খাদানগুলিকে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয় দপ্তরের তরফে। যদিও পাথর ব্যবসায়ী টুলু মন্ডলের দাদা তথা ‘পাচামি মাইন্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন’-এর কার্যকরী সভাপতি মহম্মদ মসিরউদ্দিন সাহেব, তিনি বলেন‘ আমি এমন কোনো ইমেল পাঠাইনি। তবুও আমাকে সামাজিকভাবে কালিমালিপ্ত করতে এবং আমাদের বদনাম করতেই আমার নাম ও ঠিকানা ব্যবহার করে এই জাল ইমেল পাঠানো হয়েছে।’ ইতিমধ্যেই তিনি এ নিয়ে অতিরিক্ত জেলা শাসকের (ভূমি ও ভূমি সংস্কার) কাছে পাল্টা লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন বলে জানা।
তবে যাই হোক project affected people's Association এর পক্ষ থেকে এই তদন্তকারী সংস্থাকে শুভেচ্ছা জানানো হচ্ছে। তাদের এই সাধু পদক্ষেপ কেও অসংখ্য ধন্যবাদ। পাথর, বালি, কয়লা, লোহা,টপ সয়েল, ডালোমাইট সমস্ত খনিজ পদার্থ সহ রাজ্যের জঙ্গলগুলিকে প্রটেক্ট করতে হবে রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা মেনে সমস্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

03/07/2026

আপনারা সকলেই জানেন, 2000 সালে PAPA প্রতিষ্ঠার পর থেকে PAPA অসংখ্য ঘাত-প্রতিঘাত, চক্রান্ত, দমন-পীড়ন ও বাধা অতিক্রম করে আজকের এই অবস্থানে পৌঁছেছে। দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত অভিজ্ঞতাই আমাদের 2011 সালের মতন 2026 সালে আমাদের ছোট্ট সাংগঠনিক ক্ষেত্রে ছোট্ট শক্তির মধ্যে দাঁড়িয়ে সরকার পাল্টানোর খেলা খেলেছে টু-টোয়েন্টির মেজাজ।।

সংগঠন আজ যে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে পৌঁছেছে, তার পেছনে রয়েছে বহু ত্যাগ, ধৈর্য ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা।
এই দীর্ঘ পথচলায় এমন একটি ঘটনা ঘটেছিল, যা সংগঠনের স্বার্থে এতদিন এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আনা হয়নি।
চরণপুর OCP , সাগর নুনিয়া প্রসঙ্গ
2023/2024 সালে SC/ST Atrocities Act-এর অধীনে বারাবনির কাশিডাঙ্গার বাসিন্দা সাগর নুনিয়ার একটি মামলায় সংগঠনের পক্ষ থেকে আইনি সহায়তা করা হয়েছিল। সেই সূত্রে চরণপুর OCP এলাকার বিভিন্ন স্থানে তদন্তে যাওয়া হয় বেশ কয়েকবার। সাগর নুনিয়ার জমি সংশ্লিষ্ট সাইডিং এলাকার মধ্যেই পড়ে, এবং সেই জমিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিধায়কের আত্মীয় মহলের সঙ্গে তাঁর বিরোধ সৃষ্টি হয়। বিধায়কের আত্মীয় উচ্চ বংশের অত্যন্ত আর্থিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতাশালী ব্যক্তি। তার সঙ্গে দলিত সাগর নুনিয়ার জমির অধিকার নিয়ে লড়াই।
স্থানীয় প্রশাসনের কাছে পরিষ্কার হয়ে যায় যে PAPA সাগর নুনিয়ার পাশে দাঁড়িয়েছে। এরপর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই গোটা বিষয়টি বারাবনি থানার আধিকারিক #মনোরঞ্জনমন্ডল এবং তৎকালীন #পঞ্চায়েতসমিতিরসভাপতি #অসিতসিংহের কাছে পৌঁছে যায় এই খবর।

গভীর রাতে PAPA অফিসে চাপ সৃষ্টি করতে:-

এক শীতের গভীর রাতে বোগড়ায় PAPA-র অফিসে কয়েকজন পুলিশকর্মী সহ বড়বাবু মনোরঞ্জন মন্ডল এবং অসিত সিংহ উপস্থিত হন। দরজায় কড়া নেড়ে নিজেদের থানার লোক পরিচয় দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করেন। তারপর শুরু হয় একের পর এক প্রশ্ন—
কেন আমি চরণপুরে যাতায়াত করছি?
কেন আমি সাগর নুনিয়াকে আইনি ও সাংগঠনিক সহযোগিতা করছি?
কথোপকথনের এক পর্যায়ে আমাকে বিভিন্নভাবে ভয় দেখানো হয়। অসিত সিংহ বলেন, "তোমাকে সিপিএম বারাবনি থেকে তাড়িয়েছে, আমরা দুনিয়া থেকে তাড়িয়ে দেব।" অপরদিকে থানার বড়বাবু মনোরঞ্জন মণ্ডল আমাকে হুমকি দিয়ে বলেন যে গোয়েঙ্কা খাদানে নিয়ে গিয়ে ফেলে দেওয়া হবে।

( ঠিক এই একই কায়দায় সিপিআইএম 2002-2003 সালে বড়বাবু অতুল চ্যাটার্জি কে দিয়ে একই রকম হুমকি দেওয়া হয়েছিল আমাদের জেনারেল সেক্রেটারি স্বরাজ দাস কে )

আমাদের উপলব্ধি ছিল—সেদিন তারা স্বরাজ দাস কে তুলে নিয়ে যেতে নয়, ভয় দেখিয়ে পিছিয়ে দিতে এসেছিল।

কীভাবে এত তাড়া-তাড়ি অফিসের অবস্থান জানল ?:-

সকালে আমরা চরণপুরে তদন্তে গিয়েছিলাম, আর সেই রাতেই প্রশাসন সরাসরি PAPAর অফিসে পৌঁছে যায়। বিষয়টি আমাদের কাছে সন্দেহজনক মনে হয়। প্রশাসন ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেই, পিছনের গলি দিয়ে বেরিয়ে বড় রাস্তায় গিয়ে স্বরাজ দাস দেখে একটি পুলিশের স্করপিও দাঁড়িয়ে আছে। সেখানে জমিহারা শ্রমিক চুরুলিয়া কাজী সাহেব সে PAPAর তৎকালীন সেন্ট্রাল কমিটির সদস্য দাঁড়িয়ে আছেন। তখনই আমাদের কাছে পরিষ্কার হয়ে যায় যে আমাদের গতিবিধি নজরদারির মধ্যেই ছিল! সংগঠনের ভেতরে মীরজাফর ছিল।

আমরা বিশ্বাস করতাম:—সংগঠন বেঁচে থাকলে আন্দোলন আবার করা যাবে; কিন্তু সংগঠনটাই যদি ভেঙে যায়, তাহলে কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।
এই কারণেই আমরা চরণপুর OCP-র বিষয় থেকে সাময়িকভাবে সরে আসি।
রাজনীতি একটি দাবা খেলার মতো। সামনে স্থায়ীভাবে এক ধাপ এগোতে হলে অনেক সময় সাময়িকভাবে দুই ধাপ পিছিয়ে আসতে হয়। সেটাই কৌশল, সেটাই দূরদর্শিতা।
আমরা আন্দোলনের গতি কমিয়েছিলাম, কিন্তু সংগ্রাম বন্ধ করিনি।
ডেউচা-পাঁচামির আন্দোলনকে দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তিতে ধরে রাখার কাজ PAPA চালিয়ে গেছে। পাশাপাশি পশ্চিম বর্ধমান জেলাজুড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, সাংগঠনিক সম্মেলন, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং জনসংযোগের মাধ্যমে সংগঠনকে শক্তিশালী করা হয়েছে।
একইসঙ্গে, পুলিশ অফিসার মনোরঞ্জন মণ্ডল ও অসিত সিংহের বিরুদ্ধে তথ্য সংগ্রহের কাজও চলতে থাকে। বিভিন্ন তথ্য যথাযথ মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় সংস্থার বিভিন্ন এজেন্সির কাছেও পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

2026 সালের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত :-

2026 সালের নির্বাচনের সময় আমরা একটি সুস্পষ্ট সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারি—

(1) তৃণমূল সরকার যেকোনো প্রকারে ফেলতে হবে। (2) যারা হারাতে পারবে আমরা তাদের পেছনে থাকবো।
(3) তৃণমূল সরকার ফেলার জন্য কোন আদর্শ বা নীতির কচ-কচানির করা হবে না, শুনা হবে না।
(4) গোটা প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত গোপনভাবে underground policyতে চুপি চুপি অত্যন্ত গোপন ভাবে প্রচার করা হবে। প্রতিটি রাতকে মহেন্দ্র ক্ষন হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
আমরা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, তার ফল আমাদের প্রত্যাশার চেয়েও অনেক বেশি ইতিবাচক হয়েছে।

আজ মনোরঞ্জন মণ্ডল গ্রেপ্তার হয়েছেন, অসিত সিংহও গ্রেপ্তার হয়েছেন। সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত বহির্ভূত আমরা ওই জনগণের আনন্দ উৎসবে উপস্থিত থাকতে না পারলেও, ন্যায়বিচারের এই প্রক্রিয়াকে আমরা সাংগঠনিকভাবে স্বাগত জানাই।
নিচের ভিডিওটি মনসংযোগ দিয়ে দেখতে অনুরোধ রাখা হচ্ছে।

অভিন্ন দেওয়ানি বিধিতে আদিবাসী সমাজকে সাংবিধানিক সুরক্ষার বাইরে না রাখার সিদ্ধান্তকে স্বাগত।প্রজেক্ট এফেক্টেড পিপলস অ্যা...
29/06/2026

অভিন্ন দেওয়ানি বিধিতে আদিবাসী সমাজকে সাংবিধানিক সুরক্ষার বাইরে না রাখার সিদ্ধান্তকে স্বাগত।

প্রজেক্ট এফেক্টেড পিপলস অ্যাসোসিয়েশন (PAPA) দীর্ঘদিন ধরেই দাবি জানিয়ে এসেছে যে, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC) সমগ্র দেশের জন্য কার্যকর হোক, তবে সংবিধান স্বীকৃত আদিবাসী সমাজের Customary Law, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সাংবিধানিক অধিকার সম্পূর্ণভাবে অক্ষুণ্ণ রেখে।

আমরা আনন্দের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP) আমাদের এই গুরুত্বপূর্ণ দাবির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ অবস্থান গ্রহণ করেছে এবং আদিবাসী সমাজকে UCC-এর আওতার বাইরে রেখে তাঁদের সাংবিধানিক অধিকার ও প্রথাগত আইনকে সম্মান জানানোর কথা ঘোষণা করেছে।

এই ঐতিহাসিক ও ইতিবাচক সিদ্ধান্তের জন্য প্রজেক্ট এফেক্টেড পিপলস অ্যাসোসিয়েশন (PAPA)-এর পক্ষ থেকে ভারতীয় জনতা পার্টির নেতৃত্বকে আন্তরিক অভিনন্দন ও দু'হাত উঁচু করে শুভেচ্ছা জানাই।

আদিবাসীর অধিকার অটুট থাকুক, দেশের জন্য অভিন্ন দেওয়ানি বিধি প্রতিষ্ঠিত হোক।

27/06/2026

এই খনি অঞ্চলের বালি চুরি, কয়লা চুরি, পাথর চুরির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুগ যুগান্তকাল থেকে গাছ চুরি হয়ে আসছে। আর এই চুরি, সরকারি মদদ ছাড়া সম্ভব না। চুরুলিয়া পুলিশকে দায়িত্ব নিতে হবে। চুরুলিয়া পুলিশ পয়সা খাবে আর সরকার বদনাম হবে এটা তো হতে পারে।

এটা কি তৃণমূলের জামানা চলছে নাকি ⁉️

মোহাম্মদ বাজার নয়, চাই সিধু-কানু বাজারবীরভূমের মাটিতে সাঁওতাল বিদ্রোহের মহানায়ক বীর সিধু ও কানুর আত্মত্যাগের ইতিহাস জড...
25/06/2026

মোহাম্মদ বাজার নয়, চাই সিধু-কানু বাজার

বীরভূমের মাটিতে সাঁওতাল বিদ্রোহের মহানায়ক বীর সিধু ও কানুর আত্মত্যাগের ইতিহাস জড়িয়ে আছে। ইতিহাস অনুসারে সিধু মুর্মুকে গ্রেফতার করে সিউড়ি পুলিশ লাইনে এনে ব্রিটিশ শাসকরা হত্যা করেছিল।

অন্যদিকে, "মোহাম্মদ বাজার" নামের সঙ্গে এই অঞ্চলের ঐতিহাসিক সংগ্রাম বা আদিবাসী আত্মত্যাগের কোনও প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই।

তাই বীরভূমের ইতিহাস, আদিবাসী সমাজের গৌরব এবং হুল বিদ্রোহের স্মৃতিকে যথাযোগ্য মর্যাদা দিতে আমরা দাবি জানাই—

"মোহাম্মদ বাজার ব্লক"-এর নাম পরিবর্তন করে "সিধু-কানু বাজার ব্লক" করা হোক।

এটি শুধু একটি নাম পরিবর্তনের দাবি নয়, বরং আদিবাসী ইতিহাস, আত্মত্যাগ এবং বীরত্বের স্বীকৃতির দাবি।

দাবিদার:

Project Affected People's Association (PAPA)

স্লোগান:
"হুলের বীরদের সম্মান চাই — সিধু-কানুর নামে বাজার চাই"
"আদিবাসী ইতিহাসের মর্যাদা রক্ষা করো — মোহাম্মদ বাজারের নাম বদল করো"

মেট্রোরেল তৈরীর ঘোষণা শিল্প বিকাশের পথ উন্মুক্ত করছে। মাননীয়া অগ্নিমিত্রা পলকে অসংখ্য শুভেচ্ছা।
23/06/2026

মেট্রোরেল তৈরীর ঘোষণা শিল্প বিকাশের পথ উন্মুক্ত করছে। মাননীয়া অগ্নিমিত্রা পলকে অসংখ্য শুভেচ্ছা।

11/06/2026

প্রভুজি, Haldiram-এর মতো সংস্থাগুলি রেলের নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায...

Hindi  translation is given below 👇২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করে PAPA-এর...
08/06/2026

Hindi translation is given below 👇
২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করে PAPA-এর প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয় ৭ জুন।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নিম্নলিখিত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলি গৃহীত হয়—

১) যে সকল ইউনিটে সাংগঠনিক কার্যক্রম এখনও অসম্পূর্ণ বা স্থগিত রয়েছে, সেগুলি আগামী দুই মাসের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

২) আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, বিশেষত পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতের ফলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ ও মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার স্বার্থে PAPA আপাতত ‘No More Coal’ স্লোগান থেকে সরে এসে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশের স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে সরকারের পাশে থাকার অঙ্গীকারও সভায় ব্যক্ত করা হয়।

PAPA পরিবেশ রক্ষা, দলিত, আদিবাসী, ওবিসি এবং শরণার্থী সমাজের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও নিরলস সংগ্রাম চালিয়ে যাবে।

একই সঙ্গে সংগঠন ধর্মীয় মৌলবাদ, উগ্রবাদ ও দেশবিরোধী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক পদ্ধতিতে তার আন্দোলন ও সচেতনতা কর্মসূচি আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

দেশ, সমাজ ও সংবিধানের স্বার্থে PAPA সর্বদা সতর্ক ও দায়িত্বশীল প্রহরীর ভূমিকা পালন করবে— এই প্রত্যয় নিয়েই সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

पश्चिम बंगाल में वर्ष 2026 में नई सरकार के गठन के अवसर पर शुभकामनाएँ व्यक्त करते हुए PAPA की पहली बैठक आयोजित की गई।

बैठक में सर्वसम्मति से निम्नलिखित महत्वपूर्ण निर्णय लिए गए—

जिन इकाइयों में संगठनात्मक कार्य अभी तक अधूरे या लंबित हैं, उन्हें आगामी दो महीनों के भीतर पूर्ण करने का लक्ष्य निर्धारित किया गया।

पश्चिम एशिया में जारी संघर्ष के कारण विश्वभर में ऊर्जा आपूर्ति एवं मूल्य वृद्धि की आशंका उत्पन्न हुई है। इस परिस्थिति को ध्यान में रखते हुए देश की ऊर्जा सुरक्षा के हित में PAPA ने फिलहाल “No More Coal” नारे से पीछे हटते हुए विद्युत उत्पादन बढ़ाने की आवश्यकता पर गंभीरता से विचार करने का निर्णय लिया है। देशहित में आवश्यक कदमों के समर्थन में सरकार के साथ खड़े रहने की प्रतिबद्धता भी बैठक में व्यक्त की गई।

PAPA पर्यावरण संरक्षण तथा दलित, आदिवासी, ओबीसी और शरणार्थी समुदायों के अधिकारों की रक्षा के लिए पूर्व की भाँति भविष्य में भी निरंतर संघर्ष करता रहेगा।

साथ ही संगठन ने धार्मिक कट्टरवाद, उग्रवाद तथा राष्ट्र-विरोधी गतिविधियों के विरुद्ध लोकतांत्रिक एवं संवैधानिक तरीकों से अपने आंदोलन और जन-जागरूकता अभियान को और अधिक सशक्त बनाने का संकल्प दोहराया।

राष्ट्र, समाज और संविधान के हित में PAPA सदैव एक सतर्क और जिम्मेदार प्रहरी की भूमिका निभाता रहेगा— इसी दृढ़ संकल्प के साथ बैठक का समापन किया गया।

(English translation is given below 👇বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ পালন করল PAPA--------------------------------------------৫ই ...
06/06/2026

(English translation is given below 👇

বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ পালন করল PAPA
--------------------------------------------
৫ই জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে পরিবেশ ও সামাজিক সংগঠন Project Affected People's Association (PAPA) পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন ইউনিটে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে।

কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়—

- রেলগেট, স্টেশনপাড়া, বারাবনি
- বোগড়া রিফিউজি গভর্নমেন্ট কলোনি, জামুরিয়া
- সাগরবন্দী গ্রাম, বীরভূম
- শিকারিপাড়া ব্লকের হীরাপুর গ্রাম, ঝাড়খণ্ড

বিগত কয়েক বছরে দেউচা-পাচামি কয়লাখনি প্রকল্পের প্রস্তুতির নামে বীরভূম জেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় বহু প্রাচীন মহুয়া ও শাল গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। জনগণকে আশ্বস্ত করতে কিছু গাছ স্থানান্তরের উদ্যোগকে “Mahua Tree Transfer Project” নামে প্রচার করা হলেও অধিকাংশ গাছই নতুন স্থানে টিকে থাকতে পারেনি।

সাগরবন্দী গ্রামের ফুটবল মাঠ সংলগ্ন যে মহুয়া বন একসময় এলাকার পরিচয় বহন করত, সেই অঞ্চলেই PAPA বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ করে। হারিয়ে যাওয়া সবুজকে ফিরিয়ে আনার প্রত্যয়ে সংগঠনের সদস্যরা সেখানে নতুন চারা রোপণ করেন।

অন্যদিকে ঝাড়খণ্ডের সান্থাল পরগনার শিকারিপাড়া ব্লকের হীরাপুর গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পাহাড় ও বনভূমি পুনরুদ্ধারের কাজ চলছে। মঙ্গল মুর্মু ও তাঁর সহযোগীরা যে উদ্যোগ নিয়েছেন, বিশ্ব পরিবেশ দিবসেও তারই ধারাবাহিকতায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণ করা হয়।

জামুরিয়া ও বারাবনি ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কয়লাখনি অঞ্চল। দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে এই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সেই দুই ইউনিটের সদস্যরাও বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণের বার্তা তুলে ধরেন।

প্রতিবছরের মতো এ বছরও PAPA পরিবেশ রক্ষা ও সবুজায়নের অঙ্গীকার নিয়ে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করেছে।

PAPA Observes World Environment Day 2026
-------------------------------------------

On June 5, World Environment Day, the environmental and social organization Project Affected People's Association (PAPA) organized tree plantation drives across several units in West Bengal and Jharkhand.

The programmes were conducted at:

- Railgate, Station Para, Barabani
- Bogra Refugee Government Colony, Jamuria
- Sagarbandi Village, Birbhum
- Hirapur Village, Shikaripara Block, Jharkhand

Over the past few years, a large number of traditional Mahua and Sal trees have been felled in the Deucha-Pachami region of Birbhum in the name of preparations for the proposed coal mining project. To reassure local residents, some trees were reportedly relocated under what was termed the "Mahua Tree Transfer Project." However, most of these transplanted trees failed to survive in their new locations.

The Mahua forest near the football ground of Sagarbandi Village was once a significant part of the area's natural heritage. On World Environment Day, PAPA undertook a tree plantation programme in the same area with the aim of restoring the lost greenery and protecting the local environment for future generations.

Meanwhile, in Hirapur Village under Shikaripara Block of the Santhal Pargana region in Jharkhand, efforts to restore hills and forests through continuous plantation activities have been underway for years. Led by Mangal Murmu and his associates, the Hirapur Unit carried out extensive tree plantation activities on World Environment Day as part of their ongoing commitment to ecological restoration.

Jamuria and Barabani are among India's important coal-mining regions and play a significant role in the country's energy and power generation sector. Members of the PAPA units in both areas also observed World Environment Day by planting trees and spreading awareness about environmental conservation.

As in previous years, PAPA marked World Environment Day 2026 with a renewed commitment to environmental protection, afforestation, and the preservation of ecological balance.

Stop the Conspiracy to Disconnect Electricity for Mining-Affected People.________________________________ECL is attempti...
04/06/2026

Stop the Conspiracy to Disconnect Electricity for Mining-Affected People.
________________________________
ECL is attempting to disconnect electricity services, putting mining-affected communities in serious struggle.
ECL carries out mining operations for its own profit. However, for decades, local residents have had to endure environmental pollution, dust, smoke, land subsidence, underground fires, and numerous other hardships caused by these mining activities. In response to these problems, renowned Shramik Neta Former MP late. Haradhan Roy led a long and determined struggle on behalf of the affected people. As a result of that movement, ECL was compelled to provide drinking water and electricity to mining-affected areas.
It was through the achievements of this struggle that ECL began providing free electricity and drinking water to villages directly affected by mining operations. For many years, ECL has continued to supply electricity to these villages, and consequently, the State Government did not develop a separate power infrastructure in these areas.
If ECL now wishes to withdraw this service, should it not first be ensured that a regular government electricity supply is fully established in these villages? Disconnecting electricity without providing an alternative arrangement for the affected people cannot be justified under any circumstances.
Secondly, why is the district administration remaining silent on this issue? Do the District Magistrate (DM), Additional District Magistrate (ADM), and Sub-Divisional Officer (SDO) have no responsibility in addressing this crisis? A new government has recently come to power in the state and has not even completed one month in office. Therefore, we do not wish to place the blame on the new government. However, the officials responsible for administering the district must take this matter seriously.
How can ECL justify disconnecting electricity and placing thousands of people at risk during the peak of the summer season? Appropriate legal action should be taken against those ECL officials responsible for this decision. At the same time, the administration under the Government of West Bengal must intervene immediately to protect the interests of the affected communities.
We demand that the District Magistrate urgently convene a meeting with the authorities of Eastern Coalfields Limited (ECL) and take immediate steps to resolve this issue permanently, ensuring the continued access of mining-affected people to electricity and safe drinking water.

Address

66, Garfa Main Road, Safuipara. Kolkata 78
Main Road

Telephone

+919088236858

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when PAPA : Project Affected People's Association posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to PAPA : Project Affected People's Association:

Shortcuts

Share