Vivekbharati Society

Call Website Contact the organization

Vivekbharati Society Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Vivekbharati Society, Non-Governmental Organization (NGO), Santanu sen , (President), Vill/Ashari-Bandh, P. O./Math Bishnupur, Dist/Paschim Medinipur. Pin. WB., Lowada.

Activity:- Charitable Homoe Clinic, Weekly Mobile Hypertension Screening Camp & Vision Care & Cataract Screening, Yearly Health & Camp, Winter Clothes, Blanket Donation to Pores,Per & Primary School (VBA), Toothbrush-Pest, Khata Pen, Book etc Donetion.

06/09/2026
01/09/2026

🌼🌼🌼 রাখী বন্ধন উৎসবের 🌼🌼🌼 পেছনে একাধিক পৌরাণিক ও ঐতিহাসিক কাহিনী রয়েছে, যা এর গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

🌹* পৌরাণিক কাহিনী:🌹 পৃথিবীর প্রথম রাখি কাকে পরিয়েছিলেন দেবী লক্ষ্মী? জানলে অবাক হবেন! 🙏🏵️

আমরা অনেকেই হয়তো জানি না, এই রাখী বন্ধনের সূচনা হয়েছিল কীভাবে ? এর পেছনে রয়েছে ভগবান শ্রীবিষ্ণু, দেবী লক্ষ্মী আরট এক মহান রাজার এক অপূর্ব ও আবেগময় ইতিহাস। 🙏✨

একবার রাজা বলি অশ্বমেধ যজ্ঞ করেছিলেন। তাঁর দানের খ্যাতি ছিল সর্বত্র। সেই সময় ভগবান বিষ্ণু বামন অবতারে তাঁর কাছে এসে মাত্র তিন পা জমি চেয়েছিলেন। 🕉️🙏

রাজা বলি হাসিমুখে সেই দান মেনে নিয়েছিলেন। ❤️

কিন্তু তারপরই ঘটল বিস্ময়কর ঘটনা…

বামনরূপী ভগবান বিষ্ণু যখন প্রথম পা রাখলেন, তখন সেই এক পায়েই পুরো পৃথিবী মেপে ফেললেন। দ্বিতীয় পা রাখলেন আকাশের দিকে। কিন্তু এরপর তাঁর তৃতীয় পা রাখার মতো আর কোনো জায়গাই বাকি রইল না।

তখন রাজা বলি নিজের মাথা নত করে বললেন—
“প্রভু, আপনার তৃতীয় পদ আমার মাথায় রাখুন।” 🙏

ভগবান বিষ্ণু তাঁর ভক্তি ও দানে সন্তুষ্ট হলেন। এরপর রাজা বলি বর চাইলেন—ভগবান যেন তাঁর সঙ্গে থাকেন এবং তিনি যেন সর্বদা তাঁর দর্শন লাভ করতে পারেন।

ভক্তের ডাকে সাড়া দিয়ে নারায়ণ পাতালেই রয়ে গেলেন। 🌼

কিন্তু বৈকুণ্ঠে তখন দেবী লক্ষ্মীর হৃদয়ে নেমে এলো গভীর বিষাদের ছায়া। তখন দেবী লক্ষ্মীর দুঃখের কথা শুনে দেবর্ষি নারদ তাঁকে একটি উপায়ের কথা জানালেন। তিনি বললেন—
“যাও লক্ষ্মী, বলির স্নেহের আশ্রয়ে গিয়ে তাঁকেই বানাও তোমার ভাই।” 🙏

দেবী লক্ষ্মী সাধারণ নারীর বেশে পৌঁছালেন বলির দরবারে। চোখে জল, মনে ব্যাকুলতা। মহানুভব বলি অচেনা নারীর চোখের জল সহ্য করতে না পেরে স্নেহের সুরে বললেন, “আপনি কেন কাঁদছেন? আমাকে বলুন, আমি আপনাকে সাহায্য করতে পারি!” 🙏

দেবী লক্ষ্মী আর দ্বিধা করলেন না। তখন দেবী লক্ষ্মী রাজা বলির হাতে রক্ষাসূত্র বেঁধে তাঁকে ভাই হিসেবে গ্রহণ করলেন—যে সুতোয় মিশে ছিল নিখাদ আন্তরিকতা আর অনন্ত সুরক্ষার অঙ্গীকার। ভাইয়ের কর্তব্যে আপ্লুত বলি যখন উপহার দিতে চাইলেন, লক্ষ্মী চাইলেন তাঁর সবচেয়ে বড় সম্বল—নারায়ণকে বৈকুণ্ঠে ফেরার অনুমতি।

কথা দিয়েছিলেন বলি, ভাইয়ের দায়িত্ব পালন করতে এক মুহূর্তও ভাবেননি। হাসিমুখে নারায়ণকে বিদায় জানিয়ে ভগিনী লক্ষ্মীর মান রেখেছিলেন। ❤️🙏

🍀* কৃষ্ণ ও দ্রৌপদী: মহাভারতের একটি গল্প অনুসারে, একবার যুদ্ধ চলাকালীন কৃষ্ণের আঙুলে আঘাত লেগে রক্তপাত শুরু হয়। তখন দ্রৌপদী নিজের শাড়ির আঁচল ছিঁড়ে কৃষ্ণের হাতে বেঁধে দেন। এতে কৃষ্ণ এতটাই মুগ্ধ হন যে তিনি দ্রৌপদীকে নিজের বোন হিসেবে গ্রহণ করেন এবং তাকে রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দেন। কুরুসভার ভরা মজলিশে যখন দ্রৌপদীর বস্ত্রহরণ হচ্ছিল, তখন কৃষ্ণ তার সেই প্রতিজ্ঞা রক্ষা করেন।
🍀* দেবরাজ ইন্দ্র ও শচী: আরেক পৌরাণিক কাহিনীতে আছে, দেবরাজ ইন্দ্র অসুরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পরাজিত হতে চলেছিলেন। তখন তার স্ত্রী শচীদেবী গুরু বৃহস্পতির পরামর্শে শ্রাবণ পূর্ণিমার দিন ইন্দ্রের হাতে একটি মন্ত্রপূত সুতো বেঁধে দেন। এই সুতোর প্রভাবে ইন্দ্র যুদ্ধে জয়লাভ করেন।
🌷 * ঐতিহাসিক গুরুত্ব:🌷
🍀* রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের সময় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রাখি বন্ধন উৎসবকে একটি নতুন রূপ দেন। তিনি হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে সম্প্রীতি ও ঐক্যের প্রতীক হিসেবে এই উৎসব পালনের ডাক দিয়েছিলেন। তার উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশদের "ভাগ করো ও শাসন করো" নীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলা।
🍀* রানী কর্ণাবতী ও সম্রাট হুমায়ুন: ১৫৩৫ সালে চিতোরের রানী কর্ণাবতী যখন গুজরাটের সুলতান বাহাদুর শাহের আক্রমণের শিকার হন, তখন তিনি মুঘল সম্রাট হুমায়ুনের কাছে সাহায্য চেয়ে একটি রাখি পাঠান। যদিও হুমায়ুন সময়মতো পৌঁছাতে পারেননি, কিন্তু তিনি রানীর রাখি গ্রহণ করে তাকে রক্ষা করার জন্য সেনা পাঠিয়েছিলেন। এই ঘটনাটি ভাই-বোনের সম্পর্ক যে শুধুমাত্র রক্তের সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, তার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।

30/08/2026

ধর্মকে বাদ দিয়ে ভারতে সাম্যবাদ সম্ভব নয়।

আজ আমাদের সোসাইটির ব্যবস্থাপনায় গোলপার্ক রামকৃষ্ণ মিশনের নির্দেশক্রমে স্বামী বিবেকানন্দ যুব সম্মেলন ও কুইজ প্রতিযোগিতা ...
30/08/2026

আজ আমাদের সোসাইটির ব্যবস্থাপনায় গোলপার্ক রামকৃষ্ণ মিশনের নির্দেশক্রমে স্বামী বিবেকানন্দ যুব সম্মেলন ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন স্বামী শিবদানন্দ।

বিগত পনের বছর ধরে বিভিন্ন মঠ, মিশন ও আশ্রমে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমরা গীতি আলেখ্য পরিবেশন করে আসছি। যোগাযোগ 7001259122 /wha...
08/08/2026

বিগত পনের বছর ধরে বিভিন্ন মঠ, মিশন ও আশ্রমে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমরা গীতি আলেখ্য পরিবেশন করে আসছি। যোগাযোগ 7001259122 /what's app 094343 70068

https://www.facebook.com/share/p/1Cb6hCy9GS/
08/08/2026

https://www.facebook.com/share/p/1Cb6hCy9GS/

আমরা সকলেই বর্তমান সময়ে কলকাতায় অবস্থিত পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সি. আই. ডি. ডিপার্টমেন্টের অন্যতম হেডকোয়ার্টার ভবানী ভবনের নাম জানি। কিন্তু কার নামে নামাঙ্কিত হয়েছে এই হেডকোয়ার্টার.. জানেন..? কি ছিল স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁর অবদান..? আজ সেই মহান বিপ্লবীর কথাই বলবো..🔴🌻

🇮🇳 #স্বাধীনতার_গল্প পর্ব ~ ৫ 🇮🇳

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে সুভাষচন্দ্র বসু কর্তৃক গঠিত বি. ডি. বা বেঙ্গল ভলেন্টিয়ার্সের কথা বলে শেষ করা যায় না। ১৯২৮ সালে কলকাতা কংগ্রেস অধিবেশনকে সামনে রেখে তৎকালীন কংগ্রেস নেতৃত্ব সুভাষচন্দ্র বসুকে জি. ও. সি. ঘোষনা করে যে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তৈরি করে, পরবর্তীকালে সেই সংগঠনই হয়ে ওঠে দুর্ধর্ষ বিপ্লবী সংগঠন বেঙ্গল। ভলেন্টিয়ার্স। তাবড় তাবড় বিপ্লবী নেতাদের নেতৃত্বে এবং ক্ষুরধার পরিকল্পনায় ব্রিটিশ সরকারের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছিলো বি.ভি.-র বিপ্লবীরা। বিনয়-বাদল-দীনেশ, যতীন দাস, উপেন্দ্রকিশোর রক্ষিত রায়, হেমচন্দ্র ঘোষ থেকে শুরু করে বি.ভি.-র বিপ্লবীদের কথা বলে শেষ করা যায় না। এই বি. ভি-র ই একজন অকুতোভয়, তরুণ বিপ্লবী ছিলেন শহীদ ভবানী প্রসাদ ভট্টাচার্য (ডাকনাম টুনা); যাঁর নামে আজকের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সি. আই. ডি. বিভাগের হেডকোয়ার্টারের নাম নামাঙ্কিত হয়েছে ❝ ভবানী ভবন ❞..🩷🇮🇳

ভবানীপ্রসাদের জন্ম হয় ১৯১৪ সালের ১০ই জুন, বরিশাল জেলার বাঁদরি গ্রামে। পিতার নাম বসন্ত ভট্টাচার্য। মাতা দময়ন্তী দেবী। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন সাহসী, প্রতিবাদী, অথচ ভদ্র ও শান্ত স্বভাবের। রীতিমতো শরীর চর্চা করতেন। গ্রামের কারো কোনো বিপদ হলেই এগিয়ে আসতেন ভবানী। প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য তাঁর পিসতুতো ভাই ছিলেন। ভাওয়ালের রাজা রমেন্দ্রনারায়ণ রায় (সন্ন্যাসী রাজা)। তরুণ বয়সে সুভাষচন্দ্র বসুর অনুপ্রেরণায় অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি বেঙ্গল ভলেন্টিয়ার্সে যোগদান করেন। ভারতে তখন ব্রিটিশ অত্যাচার চরমে উঠেছে। তবে বিপ্লবীরাও চুপ করে বসে ছিলেন না ❝মারের বদলা পাল্টা মার❞ নীতি নিয়ে তাঁরাও ব্রিটিশ শাসনের ভীত কাঁপিয়ে দিতে লাগলেন।

মাস্টারদার নেতৃত্বে চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন ছিল ব্রিটিশদের উপর এক চরম আঘাত। মাস্টারদা এবং তারকেশ্বর দস্তিদারের ফাঁসি হয় ১২ই জানুয়ারি ১৯৩৪ সালে। ব্রিটিশ ভেবেছিল পীড়ন চালিয়ে আর বিপ্লবীদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে বাংলার বিপ্লবীদের দমন করা যাবে। কিন্তু তাদের এই নীতিকে অগ্রাহ্য করে বাংলার বিপ্লবীরা একের পর এক আঘাত হেনে যেতে লাগলেন। ফাঁসির মঞ্চ ও দড়ি চুম্বন করে দেশমাতৃকার জন্য হাসিমুখে শহীদ হয়ে এই দামালরাই ব্রিটিশ শাসনকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল। বিভিন্ন সরকারি নথি থেকে জানা যায় কেবলমাত্র বাংলাতেই ৪১ জনকে ফাঁসিতে ঝুলানো হয়। তবে ব্রিটিশ বুঝতে পেরেছিল বাংলার বিপ্লবীদের রক্তে সর্বনাশের নেশা লেগেছে। ❝তোমায় মেরে আমি মরব ❞। এদের দমন করা সহজ নয়..🔥

ব্রিটিশ অফিসার জন এন্ডারসন অ্যায়ারল্যান্ডে থাকাকালীন সেখানকার বিপ্লবীদের উপর অকথা দমন-পীড়ন চালানোর জন্য কুখ্যাত হয়েছিল। বাংলায় বাড়তে থাকা বৈপ্লবিক কার্যকলাপে ভীত এবং সন্ত্রস্ত ব্রিটিশ সরকার বাধ্য হয়ে বাংলার দায়িত্ব তুলে দেয় এই এন্ডারসনেরই হাতে। অ্যায়ারল্যান্ডের মতো বাংলাদেশে এসেও এন্ডারসন একই রকম দমন-পীড়ন নীতি চালু করে। এই একই সময় বি. ভি.-র অন্যতম নেতা যতীশ গুহ ব্রিটিশ কারাগার থেকে মুক্তি পান। মুক্তি পাওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই অত্যাচারী অ্যান্ডারসনকে চিরকালের মতো পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য চার জন তরুণ বিপ্লবী সাথে তিনি একটি গোপন বৈঠক করেন । এই চারজন বিপ্লবীরা হলেন ভবানী প্রসাদ ভট্টাচার্য, রবিরঞ্জন ব্যানার্জি, মনোরঞ্জন ব্যানার্জি এবং উজ্জ্বল মজুমদার। এই চারজনকে একটাই নির্দেশ দেওয়া হয় — ❝ অত্যাচারী অ্যান্ডারসনকে উপযুক্ত শিক্ষা দিতে হবে তোমাদের..।❞🔴

পরিকল্পনা মতো চারজন এসে উপস্থিত হলেন দার্জিলিং-এ এন্ডারসনের তখন দার্জিলিং-এর লেবং-এর রেসকোর্সের এক অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা ছিল। দিনটা ছিল ৮ই মে ১৯৩৪। পূর্ব পরিকল্পনা মতো ওই চারজন বিপ্লবী সাহেবী পোষাকে সজ্জিত। হয়ে, দুটি দলে বিভক্ত হয়। টিকিট কেটে সাধারণ দর্শকের আসনে বসলেন তাঁরা। সাথে নিলেন একটা হারমোনিয়াম। কারণ ওই হারমোনিয়ামের মধ্যেই ছিল পিস্তল। এন্ডারসনকে ঘিরে রেখেছে পুলিশ ও মিলিটারি; একটা মাছি গলবারও জো নেই। ভবানীপ্রসাদ, রবিরঞ্জনকে বললেন — ❝যে ভাবে অ্যান্ডারসনকে পুলিশ, মিলিটারি ঘিরে রেখেছে একবারই গুলি করার সুযোগ পাবো। প্রথমে আমি গুলি চালাচ্ছি, তুই অন্য দিক থেকে গুলি কর।❞

ভবানীর গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হল। এন্ডারসন তার মহিলা স্টেনোগ্রাফারের পেছনে লুকিয়ে পরলো। ফলস্বরূপ গুলিবিদ্ধ হলেন সেই মহিলা স্টোনোগ্রাফার। এদিকে এন্ডারসনের দেহরক্ষী বাহিনীর গুলির আঘাতে আহত হলেন ভবানীপ্রসাদ। আহত ভবানীপ্রসাদ এবং রবিরঞ্জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। সেই সাথে ধরা পড়লেন অন্য দু'জন বিপ্লবী মনোরঞ্জন ব্যানার্জি এবং উজ্জ্বল মজুমদারও। বিচারের দুটি ধারায় ভবানীপ্রসাদ এবং রবিরঞ্জনকে মৃত্যুদণ্ড দিল আদালত। মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হল মনোরঞ্জনকেও। তবে উজ্জলকে যাবজ্জীবন দেওয়া হয়। পরে আদালত রবিরঞ্জন এবং মনোরঞ্জনের মৃত্যুদণ্ড তুলে নিয়ে তাঁদেরও যাবজ্জীবন দেয় । ভবানীপ্রসাদকে ব্রিটিশ সরকার বলেছিল — ❝ তুমি যদি ভুল স্বীকার করো, তবে তোমার মৃত্যুদণ্ড না হয়ে কম শাস্তি হবে।❞

উত্তরে এই অকুতোভয়, তরুণ বিপ্লবী বলেন — ❝সুযোগ পেলে ভারতমাতার সম্মান লুন্ঠনকারী, অত্যাচারী এন্ডারসনকে গুলি করে মারব।❞💥🔴

এরপর ১৯৩৫ সালের ৩রা ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশের রাজশাহী জেলার কেন্দ্রীয় কারাগারে 'বন্দেমাতরম্' ধ্বনী দিয়ে হাসিমুখে ফাঁসির মঞ্চে জীবনের জয়গান গেয়ে শহীদ হলেন ভারত মাতার এই বীর সন্তান। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর পরিবারের হাতে তাঁর দেহ জেল কর্তৃপক্ষ তুলে দিতে চাইলে ভবানীপ্রসাদের মা দময়ন্তী দেবী ব্রিটিশকে বলেছিলেন — ❝ ভবানী প্রসাদ শুধু আমারই সন্তান নয়, ভারত মাতার সন্তান। কাজেই ভবানী প্রসাদকে আমার হাতে ফেরত দিতে হবে না। ভারতবাসীই তাঁর সৎকার করবে...।❞🇮🇳

শহীদ ভবানী প্রসাদ ভট্টাচার্যের আগে অত্যাচারী এন্ডারসনের নামে ভবানী ভবনের নাম ছিল ❝এন্ডারসন হাউস❞। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর শহীদের পরিবারের আবেদনে ১৯৬৯ সালে এর নাম পরিবর্তন করে ❝ভবানী ভবন❞ রাখা হয়। ভাবতে সত্যিই অবাক লাগে যাঁর নাম ভগৎ সিং, ক্ষুদিরাম বসু, মঙ্গল পান্ডের সাথে একসাথে উচ্চারিত হওয়ার কথা আজ তিনি স্মৃতির অন্তরালে। অনেকেই জানেনা ইতিহাস থেকে হারিয়ে যাওয়া এই শহীদের ইতিহাস..💛🌿

সংকলনে ✒️ অর্নব বন্দোপাধ্যায়

♦️তথ্যসূত্রঃ আমি সুভাষ বলছি (শ্রী শৈলেশ দে), শ্রী ভবানী প্রসাদ ভট্টাচার্যের আত্মীয় শ্রী ফাল্গুনী ঘোষাল মহাশয়ের প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী

🇮🇳 জয়হিন্দ 🇮🇳
✊ বন্দেমাতরম ✊

© এক যে ছিলো নেতা

| ে_ছিলো_নেতা |

#স্বাধীনতা_আন্দোলনের_অচেনা_নায়ক #স্বাধীনতা #বাংলা #বিপ্লবী

📌 ৮০তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দাঁড়িয়ে ে_ছিলো_নেতা পেজে আসতে চলেছে স্বাধীনতার নেপথ্য নায়কদের ৩০টি নির্বাচিত সত্য গল্প যা হয়তো আপনাদের কাছে আজও অজানা। এমন আরো গল্প জানতে Like ও follow করতে ভুলবেন না..😊

Address

Santanu Sen , (President), Vill/Ashari-Bandh, P. O./Math Bishnupur, Dist/Paschim Medinipur. Pin. WB.
Lowada
721136

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Vivekbharati Society posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Vivekbharati Society:

Shortcuts

Share