Vivekbharati Society

Vivekbharati Society Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Vivekbharati Society, Non-Governmental Organization (NGO), Santanu sen , (President), Vill/Ashari-Bandh, P. O./Math Bishnupur, Dist/Paschim Medinipur. Pin. WB., Lowada.

Activity:- Charitable Homoe Clinic, Weekly Mobile Hypertension Screening Camp & Vision Care & Cataract Screening, Yearly Health & Camp, Winter Clothes, Blanket Donation to Pores,Per & Primary School (VBA), Toothbrush-Pest, Khata Pen, Book etc Donetion.

কাশীর ব্রিটিশ ম্যাজিস্ট্রেটকে তাঁর অলৌকিক ক্ষমতা দিয়ে নাস্তানাবুদ করে দিয়েছিলেন! ইংরেজ সরকারের পুলিশ এসে ব্রহ্মজ্ঞানী এক...
17/05/2026

কাশীর ব্রিটিশ ম্যাজিস্ট্রেটকে তাঁর অলৌকিক ক্ষমতা দিয়ে নাস্তানাবুদ করে দিয়েছিলেন!
ইংরেজ সরকারের পুলিশ এসে ব্রহ্মজ্ঞানী এক মহাপুরুষকে গ্ৰেফতার করল। মর্ণিকাঘাটে কখনও কখনও ভক্তমণ্ডলীর সাথে ত্রৈলঙ্গস্বামী ঈশ্বরীয় আলোচনায় মগ্ন থাকতেন। এইরকম একদিন তিনি গ্ৰেফতার হলেন। অভিযোগ তিনি কেন বস্ত্র পরিধান করেন না। আদালতে তোলা হল মহাযোগীকে। ইংরেজ ম্যাজিস্ট্রেট জিজ্ঞেস করলেন কেন তিনি বিবস্ত্র হয়ে রাস্তাঘাটে চলাচল করেন। কিন্তু কোনও উত্তর পেলেন না। ম্যাজিস্ট্রেট ত্রৈলঙ্গস্বামীকে জেলে নিয়ে যাওয়ার আদেশ দিলেন। কিন্তু কোথায় সন্ন্যাসী! কাঠগড়ায় কেউ নেই।আবারও তাকিয়ে দেখলেন সাধুবাবা। ম্যাজিস্ট্রেট নিঃসন্দেহ এই সাধু সাধারণ কেউ নন। এই মহাপুরুষকে
শ্রীরামকৃষ্ণ নিজের হাতে পায়েস খাওয়ান। শ্রীরামকৃষ্ণ ভাগ্নে হৃদয়কে, ত্রৈলঙ্গস্বামীকে দেখিয়ে বলেছিলেন একে ঠিক পরমহংস অবস্থা বলে। শ্রীরামকৃষ্ণ পরে বলতেন কাশীতে গিয়ে সচল বিশ্বনাথ দেখেছিলুম।
© ধ্রুবতারাদের খোঁজে

শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস কাশীতে এসেছেন,সঙ্গে মথুরামোহন বিশ্বাস ও আরও অনেকে। মণিকর্ণিকাসহ পঞ্চতীর্থ দর্শনের জন্য ঠাকুর ব্যাকুল ‌। গঙ্গায় নৌ- ভ্রমণের ব্যবস্থা হল। মণিকর্ণিকাঘাটে সামনে নৌকা এলে শ্মশানের ধোঁয়ায় পরিব্যপ্ত। একের পর এক শবদেহ দাহ হচ্ছে। শিবপুরীতে সাধুসঙ্গে সময় অতিবাহিত হয় শ্রীরামকৃষ্ণের। কাশী বিশ্বনাথের দর্শন - পূজন করেছেন। এবার তিনি ত্রৈলঙ্গস্বামীর সঙ্গে মিলিত হওয়ার জন্য কাতর হয়ে পড়লেন। একদিন ভাগ্নে হৃদয়কে নিয়ে মণিকর্ণিকা ঘাটে এসে উপস্থিত হলেন ঠাকুর। ত্রৈলঙ্গস্বামী তখন মৌনব্রত অবলম্বন করছেন। অসীম যোগবলের অধিকারী মহাসাধক জানতেন তাঁর সাক্ষাৎলাভে আজ এমন এক মহাপুরুষ আসবেন যিনি মানুষকে লোকশিক্ষার আধারে প্রকৃত ধর্মের সঠিক দিশা দেখানোর জন্য অবতাররূপে এই ধরণীতে অবতীর্ণ হয়েছেন।

তপ্ত বালিতে চিত হয়ে শুয়ে ছিলেন ত্রৈলঙ্গস্বামী রোদের তেজ ভয়াবহ, অথচ এই মহাযোগীর মুখে কষ্টের লেশমাত্র নেই। শ্রীরামকৃষ্ণকে দেখে উঠে বসলেন। ইশারায় তাঁকে বসতে বললেন।দুই অবতার মুখোমুখি।সে এক মাহেন্দ্রক্ষণ। দুজনের কথা হল ইশারায়। শ্রীরামকৃষ্ণ ত্রৈলঙ্গস্বামীর কাছে জানতে চাইলেন ঈশ্বর এক না অনেক। ত্রৈলঙ্গস্বামী ইশারায় তাঁকে বললেন ' এক'।
© ধ্রুবতারাদের খোঁজে

শ্রীরামকৃষ্ণের ইচ্ছে হল তিনি মণিকার্ণিকা ঘাটে ত্রৈলঙ্গস্বামীকে নিজের হাতে পায়েস খাওয়াবেন। মথুরকে বলা হল মথুরবাবু ভেবেছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণ বোধহয় নিজে খেতে চান। ঠাকুর বলেছিলেন না গো মথুরবাবু আমার নিজের জন্য নয় মণিকর্ণিকা ঘাটে একজন মহাপুরুষ বাস করেন তাঁকে খাওয়ানো।মথুর পায়েসের ব্যবস্থা করেন শ্রীরামকৃষ্ণ নিজের হাতে ত্রৈলঙ্গস্বামীকে পায়েস খাওয়ান। শ্রীরামকৃষ্ণ হৃদয়কে ত্রৈলঙ্গস্বামীকে দেখিয়ে বলেছিলেন একে ঠিক পরমহংস অবস্থা বলে। শ্রীরামকৃষ্ণ পরে বলতেন কাশীতে গিয়ে সচল বিশ্বনাথ দেখেছিলুম।

বলাবাহুল্য দেবাদিদেবের জ্যোতিলির্ঙ্গগুলোর মধ্যে কাশী বিশ্বনাথের স্থান সর্বাগ্ৰে। তাই এই অনাদিলিঙ্গের উপস্থিতি বারাণসীর আধ্যাত্মিক মাত্রাকে বহুগুণ বাড়িয়েছে। অনাদিকাল থেকে কাশীক্ষেত্র শৈবতীর্থ। বারানসীকে কেন্দ্র করে জনমানসে বরাবর গভীর শ্রদ্ধার আসন। যুগ যুগ ধরে বারাণসী হিন্দুদের প্রধান ও পবিত্র তীর্থস্থান।অভিনব গুপ্তর তন্ত্রালোকে ব্রহ্মা,বিষ্ণু ,রুদ্র এবং সদাশিবের উপরে পরমশিবের স্থান ‌। এই পরমশিবই হলেন অবিমুক্তেশ্বর। তিনি বিশ্বেস্বর। কাশী বিশ্বেশ্বর। তাঁর মত শ্রেষ্ঠ শিবলিঙ্গ আর কোথাও নেই। যার উল্লেখ আছে কাশীখণ্ডে।
বিশ্বেশ্বরের নগরী বারাণসীতে গঙ্গার মাহাত্ম্য সর্বাধিক। আর পূণ্যসলিলা গঙ্গার পশ্চিম তীরে সারিবদ্ধভাবে ঘাটগুলো যেন এক বিশেষ বার্তা দেয়। বারাণসী যেন ভারতের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরম্পরা বহন করে। অসি থেকে আদিকেশব ঘাট পর্যন্ত প্রায় চার কিমি দৈর্ঘ্য গঙ্গাতীরের এক নয়নাভিরাম অর্ধচন্দ্রাকার ভূমি। এর মধ্যে ৭৯টি ঘাট নিজ নিজ বৈভবে আর বৈচিত্র্যে অনিন্দ্যসুন্দর।কাশীখণ্ডে অসি থেকে আদিকেশব ঘাট পর্যন্ত ৯৮টি ঘাটের উল্লেখ আছে।
© ধ্রুবতারাদের খোঁজে







পুস্তক ঋণ ও কৃতজ্ঞতা স্বীকার বারাণসীর ঘাট, মাহাত্ম্যের মহাভূমি, সুমন গুপ্ত, শারদীয়া বর্তমান ১৪৩১

🙏​মথুরবাবু ছিলেন রানী রাসমণির জামাতা এবং শ্রীরামকৃষ্ণের পরম ভক্ত। তবে শুরুর দিকে তিনি ঠাকুরকে পুরোপুরি বুঝতে পারেননি। তি...
02/05/2026

🙏​মথুরবাবু ছিলেন রানী রাসমণির জামাতা এবং শ্রীরামকৃষ্ণের পরম ভক্ত। তবে শুরুর দিকে তিনি ঠাকুরকে পুরোপুরি বুঝতে পারেননি। তিনি মনে করতেন, কঠোর ব্রহ্মচর্য পালন করা একজন মানুষের পক্ষে কতটা সম্ভব তা একবার পরীক্ষা করে দেখা দরকার।
​এক সন্ধ্যায় মথুরবাবু শ্রীরামকৃষ্ণের ঘরে দুজন সুন্দরী বাইজিকে পাঠিয়ে দেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল দেখা যে, কামিনী-কাঞ্চনত্যাগী এই মহাপুরুষ প্রলোভনের মুখে কেমন আচরণ করেন।
বাইজিরা ঘরে ঢুকে যখন তাদের রূপের ডালি সাজিয়ে ঠাকুরকে প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করছিল, তখন শ্রীরামকৃষ্ণ সাধারণ মানুষের মতো বিচলিত বা ক্রুদ্ধ হননি।
তিনি সেই নারীদের মধ্যে জগৎজননী জগদম্বার রূপ দেখতে পান।
তিনি ছোট শিশুর মতো "মা, মা" বলে চিৎকার করে ওঠেন এবং গভীর সমাধিতে মগ্ন হয়ে যান।
​মথুরবাবু বাইরে থেকে সব লক্ষ্য করছিলেন। তিনি বুঝতে পারেন যে শ্রীরামকৃষ্ণ কেবল কামবিজয়ী নন, তিনি কামের ঊর্ধ্বে এক দিব্য অবস্থায় বিরাজ করছেন। 🙏
🌷🌷🌷🌷 জয়তু শ্রীরামকৃষ্ণ 🌷🌷🌷🌷

02/05/2026
শ্রীক্ষেত্র পুরীধামে মহাদেবী বিমলা এবং তাঁরাপুত্র বামদেব বাবার অপূর্ব লীলা কাহিনী :-সাধক বামাক্ষ্যাপা যখন পুরী ধামে পৌঁছ...
02/05/2026

শ্রীক্ষেত্র পুরীধামে মহাদেবী বিমলা এবং তাঁরাপুত্র বামদেব বাবার অপূর্ব লীলা কাহিনী :-

সাধক বামাক্ষ্যাপা যখন পুরী ধামে পৌঁছালেন, তখন তাঁর হৃদয়ে ছিল কেবলই মায়ের টান। জগন্নাথ দেবের মূর্তির মধ্যে তিনি তাঁর আরাধ্যা মা তারারই রূপ দেখতে পেয়েছিলেন। দর্শন সেরে তিনি যখন মন্দিরের উত্তর-পশ্চিম দিকে অবস্থিত শক্তিপীঠ বিমলা দেবীর মন্দিরের সামনে গেলেন, তখন ছিল দেবীর বিশ্রামের সময়। মন্দিরের নিয়ম অনুযায়ী গর্ভগৃহের দরজা তখন তালাবন্ধ ছিল। বামাক্ষ্যাপা ব্যাকুল হয়ে মায়ের সামনে যেতে চাইলেন, কিন্তু মন্দিরের পাণ্ডারা তাঁকে ভেতরে যেতে বাধা দিলেন। তাঁরা এই অবিন্যস্ত বেশের সাধককে সাধারণ এক পাগল ভেবে অবজ্ঞা করে সরিয়ে দিতে চেয়েছিলেন।

পাণ্ডাদের এই কঠোর আচরণ আর মায়ের দর্শন না পাওয়ার বেদনায় বামাক্ষ্যাপা এক অদ্ভুত আধ্যাত্মিক উন্মাদনায় ফেটে পড়লেন। তিনি মন্দিরের সেই বন্ধ দরজার সামনে দাঁড়িয়েই গম্ভীর ও বজ্র নির্ঘোষ স্বরে 'জয় তারা' এবং 'মা বিমলা' বলে চিৎকার করে ডাক দিতে শুরু করলেন। তাঁর সেই আর্তনাদ আর ভক্তিমাখা ডাক যেন আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে দিল। ঠিক সেই মুহূর্তেই এক অবিশ্বাস্য অলৌকিক ঘটনা প্রত্যক্ষ করলেন উপস্থিত সবাই। দেখা গেল, মন্দিরের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ থাকলেও ভেতর থেকে ঘণ্টার ধ্বনি শোনা যাচ্ছে এবং ধূপ-ধুনোর সুগন্ধ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। মনে হচ্ছিল যেন কেউ ভেতরে বসে স্বয়ং মায়ের আরতি সম্পন্ন করছেন।

বিস্মিত ও ভীত পাণ্ডারা তড়িঘড়ি করে যখন মন্দিরের তালা খুলে দরজা উন্মুক্ত করলেন, তখন তাঁরা স্তম্ভিত হয়ে দেখলেন যে অন্ধকার গর্ভগৃহের ভেতরে দেবীর মূর্তির সামনে প্রদীপ জ্বলছে এবং মায়ের চরণে সদ্য তোলা উজ্জ্বল রক্তজবা ও বেলপাতা সাজানো রয়েছে। অথচ একটু আগেও সেখানে কোনো মানুষ ছিল না এবং মন্দিরে প্রবেশের কোনো পথও খোলা ছিল না। এই দৃশ্য দেখে পাণ্ডারা বুঝতে পারলেন যে সাধক বামাক্ষ্যাপার ভক্তির টানে মা বিমলা নিজেই তাঁর রুদ্ধদ্বারে ভক্তের পূজা গ্রহণ করেছেন। যে পাণ্ডারা তাঁকে তাড়িয়ে দিতে চেয়েছিলেন, তাঁরাই তখন ভয়ে ও শ্রদ্ধায় তাঁর পায়ে লুটিয়ে পড়ে ক্ষমা চাইলেন। এই ঘটনার মাধ্যমেই পুরীর সেবাইত ও স্থানীয় মানুষের কাছে প্রমাণিত হয়েছিল যে বাংলার এই পাগল সাধক আসলে এক সিদ্ধ মহাপুরুষ, যাঁর কাছে তারাপীঠের তারা আর পুরীর বিমলা অভিন্ন এক মহাশক্তি।

🔸 তথ্যঋণ :- 'মহাপীঠ তারাপীঠ' গ্রন্থ।

🔸 কপিরাইট ©® :- দশমহাবিদ্যা ফেসবুক পেজ। [ভাল লাগলে শেয়ার করুন। অনুলিপিকরণ কঠোরভাবে বর্জনীয়]

#দশমহাবিদ্যা

01/05/2026

🌼✨ এই সংসারে সুখী হতে বড় কিছু লাগে না, লাগে ঠিক মানসিকতা…
হাসি দিয়ে শুরু, ধৈর্য দিয়ে পথ চলা, আর বিশ্বাস দিয়ে শেষ।
সময়ই আসল সম্পদ,
মনোবলই আসল শক্তি,
আর ভগবানের উপর বিশ্বাসই আসল নিরাপত্তা।
যার জীবনে সেবা আছে, তার জীবন কখনো বৃথা যায় না… 🙏💛

#ভক্তি #কৃষ্ণ #জীবনদর্শন #সত্যকথা #ধৈর্য #বিশ্বাস #সেবা

Address

Santanu Sen , (President), Vill/Ashari-Bandh, P. O./Math Bishnupur, Dist/Paschim Medinipur. Pin. WB.
Lowada
721136

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Vivekbharati Society posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Vivekbharati Society:

Share