RudraShikha Peeth

RudraShikha Peeth "Aradhana Ta**ra Mandir, established in 2008, is currently managed under the Aradhana Ta**ra Foundation."
(1)

Registration number : IV-190201171/2025 ( non-profitable organisation ) , DARPAN ID - WB/2025/0803005

এক বিশেষ জ্যোতিষীয় সুযোগ — সরাসরি ফোনে জন্মছক বিচার!"আপনার একটি ক্ষুদ্র অবদান, নিয়ে আসতে পারে অন্য কারও মুখে হাসি।"রুদ্...
12/06/2026

এক বিশেষ জ্যোতিষীয় সুযোগ — সরাসরি ফোনে জন্মছক বিচার!

"আপনার একটি ক্ষুদ্র অবদান, নিয়ে আসতে পারে অন্য কারও মুখে হাসি।"

রুদ্রশিখা পীঠের পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য নিয়ে আসা হয়েছে এক অনন্য সুযোগ। অভিজ্ঞ জ্যোতিষবিদ তত্ত্বাবধানে সরাসরি ফোনের মাধ্যমে আপনার জন্মছক ও ভাগ্য বিচার করিয়ে নিন অত্যন্ত স্বল্প মূল্যে।
এই আয়োজন থেকে প্রাপ্ত সমস্ত অর্থ 'আরাধনা ফাউন্ডেশন'-এর সমাজসেবামূলক ও জনকল্যাণকর কাজে ব্যয় করা হবে। নিজের ভবিষ্যৎ জানুন, পাশাপাশি দাঁড়িয়ে পড়ুন আর্ত মানুষের পাশে!
💸 অফার ফি (দক্ষিণা):
সাধারণ ফি: ৫০০ টাকা
বিশেষ অফার মূল্য: মাত্র ১৫১ টাকা!
📅 সময়সীমা:
১২ই জুন থেকে ২০শে জুন, ২০২৬ পর্যন্ত।
🌟 এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য:
এই বিশেষ ক্যাম্পেইন থেকে সংগৃহীত সম্পূর্ণ অর্থ আরাধনা ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের বিভিন্ন সামাজিক কাজ, যেমন— দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়া (বিদ্যা বন্ধু প্রকল্প) এবং অসহায় মানুষের অন্নসংস্থানের কাজে ব্যবহার করা হবে।

স্বেচ্ছাসেবক প্রয়োজনআপনার কি সমাজসেবা এবং আধ্যাত্মিক ভাবধারায় আগ্রহ আছে? অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং আত্মিক শান্তির...
09/06/2026

স্বেচ্ছাসেবক প্রয়োজন
আপনার কি সমাজসেবা এবং আধ্যাত্মিক ভাবধারায় আগ্রহ আছে? অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং আত্মিক শান্তির খোঁজে নিজেকে নিয়োজিত করতে চান?
আমাদের টিম-এ যোগ দিন!
📍 কার্যক্ষেত্র (নদিয়া ও মেদিনীপুর জেলা)
আমরা প্রধানত নদিয়া এবং মেদিনীপুর জেলায় আমাদের সামাজিক ও আধ্যাত্মিক কার্যক্রম পরিচালনা করছি।
📌 বিশেষ ঘোষণা ও শর্তাবলী:
এটি একটি সম্পূর্ণ নিস্বার্থ ও অলাভজনক সামাজিক প্রয়াস। এই কর্মে নিয়োজিত থাকার জন্য কোনো প্রকার আর্থিক পারিশ্রমিক বা অর্থ প্রদান করা হবে না। যারা প্রকৃত অর্থেই নিঃস্বার্থভাবে সমাজের কল্যাণে কাজ করতে চান, কেবল তারাই যোগাযোগ করুন।

মোবাইল: 096474 89983

07/06/2026

আরাধনা তন্ত্র ফাউন্ডেশন উদ্যোগে- বিদ্যবন্ধু প্রজেক্ট- পুস্তক বিতরণ অনুষ্ঠান- নন্দকুমার ব্লকে - উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন । নন্দকুমার বিধানসভার বিধায়ক শ্রী নির্মল খাঁড়া মহাশয় - উপস্থিত ছিল আরাধনা তন্ত্র ফাউন্ডেশন সভাপতি কুশল চক্রবর্তী ( যোগেন্দ্র ভৈরব)- উপস্থিত ছিল আরাধনা তন্ত্র সম্পাদক- প্রবাল চৌধুরি ( গুরুজি অগ্নি) - অনুষ্ঠান আহ্বায়ক ছিল- স্বপন পাঠক ।

07/06/2026

আরাধনা তন্ত্র ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে - পুস্তক বিতরণী অনুষ্ঠান নন্দকুমার ব্লক - উপস্থিত নন্দকুমার বিধায়ক নির্মল খাঁরা মহাশয় ।

রুদ্রশিখা পীঠের স্বনামধন্য তন্ত্র গুরু যোগেন্দ্র ভৈরব (কুশল চক্রবর্তী) আধ্যাত্মিক ও সাধন জগতে এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। যোগ, ...
01/06/2026

রুদ্রশিখা পীঠের স্বনামধন্য তন্ত্র গুরু যোগেন্দ্র ভৈরব (কুশল চক্রবর্তী) আধ্যাত্মিক ও সাধন জগতে এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। যোগ, তন্ত্র এবং যুক্তিবাদী দর্শনের অপূর্ব সমন্বয়ে তিনি বহু মানুষের আধ্যাত্মিক যাত্রার একনিষ্ঠ পথপ্রদর্শক।
সাধন মার্গ ও আধ্যাত্মিক উত্তরণ
তাঁর আধ্যাত্মিক যাত্রা অত্যন্ত গভীর এবং বৈচিত্র্যময়। কঠোর ব্রহ্মচর্য সাধনার মাধ্যমে তিনি তাঁর সাধন জীবনের কঠিন ভিত স্থাপন করেন। ব্রহ্মচর্যের এই শৃঙ্খলার পর তিনি তন্ত্রের অত্যন্ত গূঢ় পথ, কৌল মার্গের সাধনায় অবতীর্ণ হন। কৌল মার্গে তাঁর সাধনলব্ধ জ্ঞান অত্যন্ত সুগভীর ও অপরিহার্য বলে বিবেচিত হয়, যা তাঁকে আধ্যাত্মিক জগতের এক উচ্চ ও সম্মানজনক স্তরে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
শিক্ষাদান ও দর্শন
বর্তমানে তিনি অসংখ্য শিষ্যকে আধ্যাত্মিক পথের সন্ধান দিচ্ছেন এবং তাঁদের জীবনকে সঠিক দিশা দেখাচ্ছেন। গুরুর আসনে অধিষ্ঠিত থাকলেও, তাঁর শিক্ষার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো অন্ধবিশ্বাসের বদলে যুক্তির প্রয়োগ। তাঁর অপরিসীম আধ্যাত্মিক ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও, তিনি সর্বদা শিষ্যদের সাথে অত্যন্ত যুক্তিনির্ভর আলোচনার মাধ্যমে তত্ত্বকথা বুঝিয়ে থাকেন।
আধুনিকতা ও আধ্যাত্মিকতার বাস্তব প্রয়োগ
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, আধ্যাত্মিকতাকে তিনি কখনোই তাঁর উপার্জন বা জীবনধারণের (নির্ভরতার) মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করেননি। প্রথাগত গণ্ডির বাইরে গিয়ে তিনি আধুনিকতার সাথে সম্পূর্ণ মিশে কাজ করেন। তাঁর সুস্পষ্ট মত হলো, আধ্যাত্মিকতা কোনো বাহ্যিক আড়ম্বর নয়; এটি সর্বদা মানুষের ভেতরেই লুকিয়ে থাকে। একজন সাধক কী ধরনের বস্ত্র পরিধান করলেন বা কী ধরনের খাদ্য গ্রহণ করলেন, তার ওপর প্রকৃত আধ্যাত্মিকতা একেবারেই নির্ভর করে না।
মায়া ও মোক্ষ জয়ের মূলমন্ত্র
তিনি তাঁর শিষ্যদের এক অত্যন্ত গভীর ও যুগোপযোগী দর্শন শিক্ষা দেন। তিনি সর্বদা বলেন, জীবনের মূল চাবিকাঠি হলো মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা। তাঁর ভাষায়— "যেখানে যেমন, সেখানে সেইরূপ" ধারণ করতে হবে। অর্থাৎ, পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি অনুযায়ী নিজেকে মানিয়ে নিয়ে সঠিক রূপ ধারণ করতে পারলেই একজন মানুষ মায়া এবং মোক্ষ—এই উভয়কেই সম্পূর্ণভাবে জয় করতে সক্ষম হন।
যোগশাস্ত্রে পাণ্ডিত্য
তন্ত্র সাধনায় পারদর্শিতার পাশাপাশি তিনি যোগশাস্ত্রেও একজন দিকপাল ব্যক্তিত্ব। যোগের শারীরিক ও মানসিক শৃঙ্খলা এবং তন্ত্রের অন্তর্নিহিত শক্তির মেলবন্ধন ঘটিয়ে তিনি সাধনার এক পূর্ণাঙ্গ রূপ শিষ্যদের সামনে তুলে ধরেন।
তাঁর এই যৌক্তিক দৃষ্টিভঙ্গি, গভীর পাণ্ডিত্য, আধুনিক মনস্কতা এবং সুদীর্ঘ সাধন জীবনের অভিজ্ঞতা তাঁকে শুধুমাত্র একজন প্রথাগত তন্ত্র গুরু নয়, বরং আধুনিক সময়ের একজন প্রকৃত ও বাস্তববাদী আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শকে পরিণত করেছে।

তন্ত্রের ভাষায় 'কুল' মানে কোনো বংশ নয়, বরং এটি হলো মহাশক্তি বা কুণ্ডলিনী শক্তি। আর 'অকুল' হলেন পরমশিব। শিব ও শক্তির এই অ...
01/06/2026

তন্ত্রের ভাষায় 'কুল' মানে কোনো বংশ নয়, বরং এটি হলো মহাশক্তি বা কুণ্ডলিনী শক্তি। আর 'অকুল' হলেন পরমশিব। শিব ও শক্তির এই অদ্বৈত মিলন বা একাত্ম হওয়াই হলো কৌল সাধনার মূল লক্ষ্য।

কৌল তন্ত্র সম্পূর্ণভাবে অদ্বৈতবাদে বিশ্বাসী। এই দর্শন অনুযায়ী— শিব এবং জীব, সৃষ্টি এবং স্রষ্টা আলাদা কিছু নয়। জগতের সবকিছুই সেই পরমশক্তির প্রকাশ। তাই এই সাধনায় কোনো কিছুকেই 'অপবিত্র' বা 'হীন' বলে অবজ্ঞা করা হয় না।

সাধারণত অনেক ধর্মে বলা হয় মোক্ষ বা মুক্তির জন্য সংসার বা ভোগ ত্যাগ করতে হবে। কিন্তু কৌল তন্ত্রের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এটি সংসার ত্যাগ না করেই 'ভুক্তি' (পার্থিব ভোগ) এবং 'মুক্তি' (মোক্ষ)— এই দুইয়েরই পথ দেখায়।

কৌল সাধনার বামাচার মার্গে 'পঞ্চমকার' (মদ্য, মাংস, মৎস্য, মুদ্রা ও মৈথুন)-এর উল্লেখ পাওয়া যায়। সাধারণ মানুষ একে স্থূল অর্থে গ্রহণ করলেও, উচ্চকোটির সাধকদের কাছে এর ব্যবহার সম্পূর্ণ রূপক এবং প্রতীকী। এর মূল উদ্দেশ্য হলো পঞ্চ ইন্দ্রিয়কে অবদমন না করে, তাকে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ঈশ্বরমুখী করা।

পরিশেষে বলা যায়, কৌল তন্ত্র কোনো জাদুবিদ্যা নয়, বরং এটি মানুষের ভেতরের সুপ্ত শক্তিকে (কুণ্ডলিনী) জাগ্রত করে পরম সত্যের সাথে লীন হওয়ার এক অত্যন্ত উচ্চমার্গের দার্শনিক ও আধ্যাত্মিক বিজ্ঞান।

ধন্যবাদ
রুদ্রশিখা পীঠ

#কৌলতন্ত্র #তন্ত্রসাধনা #তন্ত্রবিদ্যা #সনাতনধর্ম #সনাতনী #কুণ্ডলিনী #শিবশক্তি #আধ্যাত্মিকতা #অদ্বৈতবাদ #হিন্দুধর্ম #তান্ত্রিক #ধর্মওদর্শন

12/05/2026
ভারতের সমরবিদ্যার ইতিহাসে এক স্বর্ণালী অধ্যায়ের সূচনা করে অগ্নি-৬ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এই অভাবনীয় অ...
10/05/2026

ভারতের সমরবিদ্যার ইতিহাসে এক স্বর্ণালী অধ্যায়ের সূচনা করে অগ্নি-৬ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এই অভাবনীয় অর্জন ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে কেবল শক্তিশালীই করেনি, বরং বিশ্বমঞ্চে আমাদের আত্মনির্ভরতার এক বলিষ্ঠ উদাহরণ তৈরি করেছে। এই অসামান্য কৃতিত্বের নেপথ্যে থাকা ডিআরডিও-র (DRDO) অদম্য সাহসী ও মেধাবী বিজ্ঞানীদের জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও আন্তরিক অভিনন্দন। আপনাদের নিরলস পরিশ্রম ও দেশপ্রেমের ফলেই ভারত আজ এক দুর্ভেদ্য শক্তিতে পরিণত হয়েছে। সমগ্র দেশ আপনাদের এই সাফল্যে গর্বিত।

অগ্নি-৬ কেবল একটি ক্ষেপণাস্ত্র নয়, এটি ভারতের সার্বভৌমত্ব রক্ষার এক আধুনিক কবচ। এটি মূলত একটি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল, যা কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। এই ক্ষেপণাস্ত্রের অন্যতম প্রধান বিশেষত্ব হলো এর আধুনিক প্রযুক্তি, যা একই সাথে একাধিক লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে। ভারতের পূর্ববর্তী মিসাইলগুলোর তুলনায় অগ্নি-৬ অনেক বেশি শক্তিশালী এবং এর পাল্লা এতটাই বিস্তৃত যে এটি দূরবর্তী মহাদেশীয় অঞ্চলের নিরাপত্তাকেও নিশ্চিত করতে পারে। ভারতের সামরিক ইতিহাসে এই সংযোজন দেশের প্রতিরক্ষা কৌশলকে এক নতুন মাত্রায় উন্নীত করেছে, যা বিশ্বজুড়ে ভারতের শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করবে।

Address

55 Health Institute Road, Dum Dum Cantonment
Kolkata
700065

Opening Hours

Monday 8pm - 10pm
Tuesday 8pm - 10:01pm
Wednesday 8pm - 10pm
Thursday 8pm - 10pm
Friday 8pm - 11pm
Saturday 10am - 9pm
Sunday 10am - 9pm

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when RudraShikha Peeth posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share