26/07/2026
🇮🇳 কার্গিল বিজয় দিবস 🇮🇳
"যাঁরা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন, তাঁদের আত্মত্যাগের ভিত্তিতেই আজ আমরা স্বাধীন, নিরাপদ ও সার্বভৌম ভারতবর্ষে বসবাস করছি।"
১৯৯৯ সালের কার্গিল যুদ্ধে ভারতের বীর সেনারা প্রতিকূল পাহাড়ি পরিবেশ, হিমশীতল আবহাওয়া এবং শত্রুর অবিরাম গুলিবর্ষণকে উপেক্ষা করে অসীম সাহস, অদম্য মনোবল ও সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের মাধ্যমে 'অপারেশন বিজয়'-কে সফল করেছিলেন। ২৬শে জুলাই, ১৯৯৯ ভারত ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা ও জাতীয় মর্যাদাকে অক্ষুণ্ণ রাখে।
এই যুদ্ধে ৫২৭ জন ভারতীয় বীর সেনা মাতৃভূমির জন্য সর্বোচ্চ আত্মবলিদান দেন এবং ১,৩০০-রও বেশি সেনা আহত হন। তাঁদের বীরত্ব, দেশপ্রেম, কর্তব্যনিষ্ঠা ও আত্মত্যাগ ভারতবাসীর হৃদয়ে চিরকাল অম্লান হয়ে থাকবে এবং আগামী প্রজন্মকে দেশসেবার অনুপ্রেরণা জোগাবে।
আজকের এই পবিত্র দিনে আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি ক্যাপ্টেন বিক্রম বাত্রা (PVC), ক্যাপ্টেন মনোজ কুমার পান্ডে (PVC), গ্রেনেডিয়ার যোগেন্দ্র সিং যাদব (PVC), রাইফেলম্যান সঞ্জয় কুমার (PVC)-সহ কার্গিল যুদ্ধের সকল বীর শহীদ ও সাহসী যোদ্ধাদের। তাঁদের অদম্য সাহস, অপরিসীম দেশপ্রেম এবং আত্মবলিদানের কারণেই আজ আমরা একটি স্বাধীন, নিরাপদ ও গর্বিত ভারতবর্ষে বসবাস করছি। জাতি তাঁদের এই ঋণ কোনোদিন শোধ করতে পারবে না।
অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP), যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়-এর পক্ষ থেকে কার্গিল যুদ্ধের সকল অমর শহীদ ও বীর সেনানীর প্রতি জানাই আন্তরিক শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা ও বিনম্র প্রণাম।
"শহীদদের রক্তে রঞ্জিত তেরঙ্গা শুধু আমাদের জাতীয় পতাকা নয়—এটি আমাদের গৌরব, আমাদের পরিচয়, আমাদের আত্মমর্যাদা এবং আমাদের দায়িত্বের প্রতীক।"
🇮🇳 ভারত মাতা কি জয়!
🇮🇳 বন্দে মাতরম!
🇮🇳 জয় হিন্দ!