সহকার ভারতী সমবায় ক্ষেত্রে বিগত ৩৭-৩৮ বছর কার্যরত এক জন সংগঠন। সমবায় ক্ষেত্রে সংখ্যাত্মক ও গুণাত্মক বিকাশের সাথে সাথে সমবায়ী কার্য্যকর্তা নির্মাণের দ্বারা ভারতীয় জনসমাজের আর্থিক উন্নতি সাধনের মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে ১১ ই জানুয়ারি ১৯৭৯ সালে মুম্বাই শহরে সহকার ভারতী স্থাপিত হয়।
#ভূমিকা :- আর্থিক ও সামাজিক পরিবর্তনের মজবুত মাধ্যম হল সমবায়, এটি বিকল্প অর্থব্যবস্থার স্বচ্ছ স্বরূপ। সমবায় ভারতের নব উত্থানের
পথ অনুভব করে 'বিনা সংস্কার নাহি সহকার, বিনা সহকার নাহি উদ্ধার' মন্ত্র আত্মসাৎ করে - একে সমাজের প্রত্যেকের কাছে পৌঁছানোর উদ্দেশ্য নিয়ে, সমবায় ক্ষেত্রে বনধু তত্বচিন্তক এবং মার্গদর্শনের ভূমিকাতে সম্পর্ক, সেবা এবং সমর্পন এই তিন মহত্বপূর্ণ সূত্র অবলম্বনে সহকার ভারতীর কার্য্য শুরু।
#লক্ষ্য :- সহকার ভারতীর রাজনৈতিক প্রলোভন এবং শাসনতন্ত্রের উর্দ্ধে উঠে বিশুদ্ধ স্বেচ্চিক সমবায় সংগঠন রূপে সমবায় জগতে সমর্পিত, একনিষ্ট, সততা, প্রামাণিকতা এবং সেবাভাবী কার্য্যকর্তাদের জীবন্ত সংগঠন। ভারতকে সর্বাঙ্গীন বিকাশের মাধ্যমে বিশ্বে বিকশিত ও সামর্থশালী রাষ্ট্ররূপে প্রতিষ্ঠিত করতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
#সহকার_ভারতীর_বিশেষতা :-
(১) সহকার ভারতী সমবায় জগতে 'বিনা সংস্কার নাহি সহকার, বিনা সহকারে নাহি উদ্ধার' - এই ভারতীয় জীবনধারাকে পাথেয় করে দরিদ্র ভারতবাসীর সমৃদ্ধির জন্য কটিবদ্ধ একমাত্র জনসংগঠন।
(২) সহকার ভারতী সমবায় জগতের একমাত্র বেসরকারি সংগঠন যারা প্রতিনিয়ত সমবায়ী ব্যক্তি ও সংস্থাগুলির সঙ্গে একসাথে মিলে কাজ করে চলেছে।
(৩)সহকার ভারতীর লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং কার্যক্রম - এর ওপর বিশ্বাস করে এমন ব্যক্তি বা সংস্থা সংগঠনের সরাসরি সদস্য হতে পারে।
#সহকার_ভারতীর_কাজ :-
(১) সমবায়ের প্রচার ও প্রসার করা।
(২) সমবায়ের প্রশিক্ষণ দেওয়া।
(৩) আদর্শ সমবায় সংস্থা গঠন করা।
(৪) সমবায় সংস্থাগুলিকে সুপরামর্শ ও সমস্যা সমাধানের সহযোগিতা করা।
(৫)সমবায় সম্বন্ধে সাহিত্য , পত্রিকা প্রকাশ করে সমাজের কাছে এর গ্রহণযোগ্যতা পৌঁছানো।
(৬)সমবায় সংস্থাতে সম্পর্ক ও সহযোগিতার মাধ্যমে স্বশক্ত সংগঠন তৈরী করা।
(৭) সমবায়ের পারদর্শী, সৎ ব্যক্তিত্ব নির্মাণ এবং সমবায় সংস্থাগুলির মধ্যে নেতৃত্বের বিকাশ ঘটানো।
(৮) সমবায় ক্ষেত্রে সমৃদ্ধি সরকারি সিদ্ধান্ত ও যোজনাগুলিকে ক্রিয়ান্বয়-এর প্রয়াস করা।
(৯)সমবায় ক্ষেত্রের পর্যবেক্ষন ও পরীক্ষণ (Research) ইত্যাদি কাজ করা।
(১০)উন্নত আধুনিক প্রযুক্তি শিখে সমবায় সংস্থাকে বর্তমান আর্থিক প্রতিযোগিতার জন্য সক্ষম করা।
(১১)কেন্দ্র ও রাজ্যে স্বায়ত্ব আইন এবং সমবায়ী আইন সমানতা আনার জন্য চেষ্টা করা।
(১২)সহকার ভারতীর উদ্দেশ্য সমবায় ক্ষেত্রে সংস্কার, সমবায়ের বিকাশের মাধ্যমে রাষ্ট্রপুনঃনির্মাণের জন্য রাষ্ট্রব্যাপী কাজের প্রসার।
(১৩)সমবায়ের বিভিন্ন ক্ষেত্রের মাধ্যমে দেশের আর্থিক সমৃদ্ধি সুনিশ্চিত করে আর্থিক এবং সামাজিক পরিবর্তন ত্বরান্বিত করা।