Bhumiputra Unnayan Morcha of India - ভূমি

Bhumiputra Unnayan Morcha of India - ভূমি Intellectual organisation based on Indian Bengali Nationalism.

বঙ্গ, গৌড়, রাঢ়, সমতট, হরিকেল প্রভৃতি নামে বিভক্ত ছিল প্রাচীন বাংলা। সুলতানি আমলেই সর্বপ্রথম বাংলা তার ঐক্যবদ্ধ রূপ পায়।...
20/06/2026

বঙ্গ, গৌড়, রাঢ়, সমতট, হরিকেল প্রভৃতি নামে বিভক্ত ছিল প্রাচীন বাংলা। সুলতানি আমলেই সর্বপ্রথম বাংলা তার ঐক্যবদ্ধ রূপ পায়। বাংলা বঙ্গাব্দ ইসলামী ও হিন্দু রীতির মিশ্রণ। এই বাংলায় ধর্মীয় মৌলবাদীদের কোন স্থান নেই। শস্যশ্যামলা সবুজ বাংলার বৌদ্ধিক ও সহজিয়া ইতিহাস সে কথাই তুলে ধরে।

এখানে নজরুল মুসলিম হয়েও শ্যামাসঙ্গীত লিখে গেছেন। বাংলার আদর্শ অতীশ দীপঙ্কর, লালন, রামমোহন, দেশবন্ধু, শেরে বাংলা, রবীন্দ্রনাথ, রোকেয়া, আচার্য্য প্রফুল্লচন্দ্র, সুভাষচন্দ্র, নজরুল।

এখানে উত্তরভারতীয় কট্টরবাদী সংস্কৃতির আমদানি চলে না। যারা আমদানির চেষ্টা করেছে, ইতিহাসে তারা জাস্ট মুছে গেছে !!!

এরকম ব্রিটিশচাটা লোককে এত হাওয়া দেওয়ার কারণ কি?
20/06/2026

এরকম ব্রিটিশচাটা লোককে এত হাওয়া দেওয়ার কারণ কি?

ভারত ভাগের দায় নাকি শুধুমাত্র মুসলমানদের!শ্যামাপ্রসাদ নাকি পশ্চিমবঙ্গের জনক!২০শে জুন নাকি পশ্চিমবঙ্গ দিবস!আচ্ছা তাহলে (...
19/06/2026

ভারত ভাগের দায় নাকি শুধুমাত্র মুসলমানদের!

শ্যামাপ্রসাদ নাকি পশ্চিমবঙ্গের জনক!

২০শে জুন নাকি পশ্চিমবঙ্গ দিবস!

আচ্ছা তাহলে

(১) উত্তর পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে কংগ্রেসের আব্দুল জব্বর খান মন্ত্রিসভা পদত্যাগ করলে মুসলিম লিগের প্রধানমন্ত্রী সর্দার আওরঙ্গজেব খানের অর্থমন্ত্রী কেন হয়েছিলেন শ্যামাপ্রসাদের হিন্দু মহাসভার মেহরচাঁদ খন্না?

(২) আবার ১৯৪৩ সালের ৩ মার্চ সিন্ধু প্রদেশের আইনসভায় পাকিস্তান প্রস্তাব পাশ হওয়ার পরেও মুসলিম লীগের স্যার গুলাম হুসেন হিদায়েতুল্লার নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করার প্রয়োজন বোধ করেন নি কেন হিন্দু মহাসভার তিন মন্ত্রী?

(৩) জিন্নাহর মুসলিম লীগ ও শ্যামাপ্রসাদের হিন্দু মহাসভা দুটো দলই ভারত ছাড়ো আন্দোলনের বিরোধিতা করে ব্রিটিশদের পাশে দাঁড়িয়েছিল কেন?

দেশবন্ধুর বেঙ্গল প্যাক্ট সম্পূর্ণরূপে কার্যকর হলে বাঙালি জাতি পঙ্গু হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা পেতে পারত।
18/06/2026

দেশবন্ধুর বেঙ্গল প্যাক্ট সম্পূর্ণরূপে কার্যকর হলে বাঙালি জাতি পঙ্গু হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা পেতে পারত।

দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের আলো।ঘরে ঘরে জ্বালো।
18/06/2026

দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের আলো।
ঘরে ঘরে জ্বালো।

"এটা জাতীয়তাবোধ, তবে পজিটিভ অর্থাৎ সদর্থক জাতীয়তাবোধ। এবং সেই জাতীয়তাবোধ মানুষে মানুষে ভেদাভেদ সৃষ্টি করবে না। ফরাসিক...
17/06/2026

"এটা জাতীয়তাবোধ, তবে পজিটিভ অর্থাৎ সদর্থক জাতীয়তাবোধ। এবং সেই জাতীয়তাবোধ মানুষে মানুষে ভেদাভেদ সৃষ্টি করবে না। ফরাসিকে জার্মানির মানুষের সঙ্গে লড়াই করতে উসকে দেবে না। বা হিন্দুকে মুসলমানের বিরুদ্ধে কি খ্রিষ্টানকে মুসলমানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রবৃত্ত করবে না। স্বরাজ হচ্ছে সেই উপলব্ধি যা মানুষকে মানুষের কাছে টেনে আনবে, মানুষেরই মূল্যে।.... ন্যাশনালিজমের মানে জাতীয়তাবাদ না, মানুষের জাতীয়তাবোধ। ন্যাশনালিজম কথাটা ইউরোপ থেকে আমদানী। আর ইউরোপের ন্যাশনালিজম বিভেদের ইতিহাস। মানুষকে মানুষের থেকে বিচ্ছিন্ন করার ইতিহাস। রাষ্ট্রের নামে, ধর্মের নামে, বর্ণের নামে।"

- দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ

***** দেশবন্ধু কেন আজকেও প্রাসঙ্গিক *****দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের (১৮৭০-১৯২৫) পরিচয় প্রধানত একজন ত্যাগী, নিবেদিতপ্রাণ ও...
17/06/2026

***** দেশবন্ধু কেন আজকেও প্রাসঙ্গিক *****

দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের (১৮৭০-১৯২৫) পরিচয় প্রধানত একজন ত্যাগী, নিবেদিতপ্রাণ ও সর্বজন শ্রদ্ধেয় দেশনেতা হিসেবে। দেশবাসী ভালোবেসে তাঁকে ‘দেশবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন (১৯২০)। ভারতীয় উপমহাদেশ বিশেষ করে অবিভক্ত বাংলায় হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে মানুষের এতখানি শ্রদ্ধা ও সম্মান তাঁর আগে বা পরে বোধ করি আর কোনো রাজনৈতিক নেতার ভাগ্যে জোটেনি।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর মৃত্যুতে লিখেছিলেন সেই বিখ্যাত পংক্তি দুটি:

"এনেছিলে সাথে করে মৃত্যুহীন প্রাণ,
মরণে তাহাই তুমি করে গেলে দান।"

আর বিদ্রোহী কবি নজরুল তাঁর মৃত্যুকে তুলনা করেছিলেন ইন্দ্রপতনের সঙ্গে। লিখেছিলেন:

"পয়গাম্বর ও অবতার-যুগে জন্মিনি মোরা কেহ,
দেখিনি ক মোরা তাঁদের, দেখিনি দেবের জ্যোতির্দেহ।
কিন্তু যখনি বসিতে পেয়েছি তোমার চরণ-তলে,
না জানিতে কিছু না বুঝিতে কিছু নয়ন ভরেছে জলে।
…বুদ্ধের ত্যাগ শুনেছি মহান, দেখিনি কো চোখে তাহে
নাহি আফসোস, দেখেছি আমরা ত্যাগের শাহানশাহে।…" ইত্যাদি।

উল্লেখ্য, নজরুলের 'চিত্তনামা' (১৩৩২) কাব্যগ্রন্থের সবকটি কবিতা ও গানই চিত্তরঞ্জন দাশের অকালমৃত্যুর শোক থেকে লেখা। নজরুল বইটি উৎসর্গও করেন চিত্তরঞ্জন পত্নী শ্রীমতী বাসন্তী দেবীকে। এর ‘ইন্দ্রপতন’ নামক দীর্ঘ কবিতাটি যখন প্রথম আত্মশক্তি পত্রিকায় ছাপা হয় (১২ আষাঢ় ১৩৩২) তখন এতে এমন কয়েকটি পংক্তি ছিল যাতে চিত্তরঞ্জন দাশকে পয়গম্বরদের সঙ্গে তুলনা করা হয়। পরে কারো কারো আপত্তি-সমালোচনার মুখে গ্রন্থভুক্ত করার সময় নজরুল কবিতাটি থেকে উক্ত পংক্তি কটি বাদ দেন।

আবুল কালাম আজাদ মন্তব্য করেছিলেন যে, ‘তিনি (দেশবন্ধু) অকালে মারা না গেলে দেশে নতুন অবস্থা সৃষ্টি করতেন’। তিনি আরও বলেছিলেন,‘পরিতাপের বিষয় এ যে, তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর কিছুসংখ্যক অনুসারী তাঁর অবস্থানকে জর্জরিত করে এবং তাঁর ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করে। এর ফলে বাংলার মুসলমানরা কংগ্রেস থেকে দূরে সরে যায় এবং (ভারত) বিভক্তির প্রথম বীজ বপন করা হয়’।

দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের প্রয়াণ বার্ষিকীতে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।
16/06/2026

দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের প্রয়াণ বার্ষিকীতে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।

বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে এসে শরণার্থী হয়ে প্রথমে নবদ্বীপ সিনেমা হলে টিকিট বিক্রি, তারপরে নবদ্বীপ পৌরসভার চেয়ারম্যান হয়ে,...
16/06/2026

বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে এসে শরণার্থী হয়ে প্রথমে নবদ্বীপ সিনেমা হলে টিকিট বিক্রি, তারপরে নবদ্বীপ পৌরসভার চেয়ারম্যান হয়ে, গরিব অসহায় মানুষের জমি দখল করে বিক্রি করে কয়েকশো কোটি টাকার সম্পত্তি বানিয়েছিলেন বিমান কৃষ্ণ সাহা।

তাই বাংলাদেশি শরণার্থীদের থেকে সাবধান হয়ে যাও ভারতীয়রা।

মানবিক ও সাংস্কৃতিক দৃষ্টিকোণ থেকে অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন যে বাংলা ভাগের ফলে বাঙালিরা বিপুল ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে—উদ্ব...
15/06/2026

মানবিক ও সাংস্কৃতিক দৃষ্টিকোণ থেকে অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন যে বাংলা ভাগের ফলে বাঙালিরা বিপুল ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে—উদ্বাস্তু সমস্যা, পরিবার বিচ্ছিন্নতা, অর্থনৈতিক বিভাজন এবং ভাষাভিত্তিক ঐক্যের দুর্বলতা তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য।

বাংলা ভাগ না হলে কি কি সুবিধা হতে পারত:

1. **উদ্বাস্তু সংকট অনেক কম হতে পারত**

* ১৯৪৭-এর পর পূর্ববঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে যে ব্যাপক জনবিনিময়, উদ্বাস্তু সমস্যা ও সম্পত্তি হারানোর ঘটনা ঘটেছিল, তার বড় অংশ এড়ানো যেত।

2. **অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী বাংলা**

* পাট উৎপাদন প্রধানত পূর্ববঙ্গে, আর পাটকল ছিল পশ্চিমবঙ্গে।
* একত্রে থাকলে কৃষি, বন্দর, শিল্প ও বাণিজ্যের মধ্যে সমন্বয় বজায় থাকত।

3. **বাঙালি পরিচয়ের শক্তি বৃদ্ধি**

* ধর্মের পরিবর্তে ভাষাভিত্তিক জাতীয় পরিচয় আরও শক্তিশালী হতে পারত।
* "পূর্ববঙ্গের বাঙালি" ও "পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি" এই বিভাজন কম থাকত।

4. **পরিবার ও সামাজিক সম্পর্ক অটুট থাকত**

* লক্ষ লক্ষ পরিবার সীমান্তের দুই পাশে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সেই মানবিক ক্ষতি অনেকটাই এড়ানো যেত।

5. **জনসংখ্যা মোটামুটি 50-50 ছিল। ফলে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যালেন্স বজায় থাকত।**

সাম্প্রদায়িক সমস্যা ও বঞ্চনা কম হতো।

Address

Kolkata

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bhumiputra Unnayan Morcha of India - ভূমি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Bhumiputra Unnayan Morcha of India - ভূমি:

Share