19/05/2026
এই অনুমতিটুকুই আগে দেওয়া হয়নি৷ এর নামই খাতা খোলা। এই লোকটিকে বাঁচানোর জন্য একজন মূ**র্খমন্ত্রী
কলকাঠি নেড়েছিলেন এবং তাঁকে বাঁচানোর জন্য কলকাঠি নেড়েছিল আন্দোলনকারী চালাকগুলো৷ কলকাঠি নেড়েছিল তার প্রমাণ এত বড়ো ঘটনার পরেও তারা স্বাস্থ্য কাম মুখ্য মন্ত্রীর অপসারণের দাবি তোলেনি৷ কায়দা করে বরং জলবাতাসা জুগিয়ে গেছে৷
আন্দোলনের নামে পলিটিক্স করা চালাকগুলোর স্বরূপ দেখা গেছে নির্বাচনের সময় যখন অভয়ার মা রত্না দেবনাথ বিজেপির হয়ে ভোটে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন৷ সেই থেকে তারা সীমাহীন স্পর্ধায় অভয়ার মাকে দিনের পর দিন hackle করেছে,ফেক ছবি আর ভিডিয়ো বানিয়ে অপমান করেছে৷ শেষ পর্যন্ত সমস্ত সীমা ছাড়িয়ে তাঁকে
নিয়ে নোংরা গান বানিয়ে উল্লাস করেছে। আকাটের মতো প্রশ্ন করেছে,বিজেপি কি মেয়ের বিচার দেবে?
আপদগুলোর এটুকুও বোধ নেই যে বিচার কেউ দিক না দিক, অত্যাচারিত নিহত সন্তানের মায়ের কাছে বিচারের আশাটুকু করা ছাড়া দ্বিতীয় কোনও অপশন থাকে না। তাঁকে কোনও প্রশ্ন করার অধিকার যে কারো থাকে না,আহাম্মকগুলো সেটুকুও জানে না। কতখানি অ*সভ্যতা
রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে থাকলে কারো গানের লিরিক্স হয়,কেন করলে কাকিমা বেইমানি! কাকিমাকে কিনে রেখেছে তাঁর মেয়ের জন্য আন্দোলন করে,এমনই ভেবেছিল এই ছো / ট লো /কের দল।
কেন বিজেপি জয়েন করেছেন এবার তা জলের মতো পরিষ্কার। ৷ না করলে যে চো র নি মূ র্খ ম ন্ত্রী জীবনেও কখনো ফাইল খুলতে দিত না,জীবনে কখনো সন্দীপ ঘোষকে দোষী সাব্যস্ত করার অনুমতি পর্যন্ত দিত না,সেটা অভয়ার মায়ের পাশাপাশি এই অতি ধূর্ত ছেলেমেয়েগুলোও জানত। কিন্তু জেনেশুনে ন্যা কা সেজেছিল শুধু নিজেদের স্বার্থে।
অভয়ার জন্য আন্দোলন শুধুমাত্র ছিল তাদের রাজনৈতিক অ্যাজেন্ডা৷ তারা একেবারেই চায়নি নাটের গুরু ধরা পড়ুক।
ফাইল না খোলা হলে,তদন্তকে বারবার আটকে দিলে যে
কখনোই তদন্ত হবে না,এ কথা সবাই বুঝেছিল৷ কিন্তু সব কিছু জানার আর বোঝার পরেও নিজেদেরই কলিগের,নিজেদেরই সতীর্থর হ ত্যার তদন্তে বারংবার বাধার পর বাধা দিয়েছে ,পৃথিবীতে এমন ঘটনা নজিরবিহীন।
এবার তদন্ত হবে৷ এটুকু ন্যূনতম চাওয়া থাকে নিহতর পরিবারের৷ এটুকুর জন্যই একজন মায়ের লড়াই। বাকিটুকু পরের কথা৷ হাজার চেষ্টা করেও আপদগুলো যে লড়াই আটকাতে পারেনি সে লড়াইয়ে তিনি জয়ী হোন৷ আর কিছু চাওয়ার নেই৷