পশ্চিমবঙ্গ NIOS D.El.Ed সংগ্রাম মঞ্চ

  • Home
  • পশ্চিমবঙ্গ NIOS D.El.Ed সংগ্রাম মঞ্চ

পশ্চিমবঙ্গ NIOS D.El.Ed সংগ্রাম মঞ্চ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from পশ্চিমবঙ্গ NIOS D.El.Ed সংগ্রাম মঞ্চ, Community Organization, .

একতা * সংগ্রাম * বিজয়

বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে নিজের পাওনা বুঝে নেওয়ার লড়াই। লড়াই বৈষম্যের বিরুদ্ধে ঐক্যের, লড়াই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের।

পেজটি সম্পূর্ণরূপে পশ্চিমবঙ্গ NIOS D.El.Ed সংগ্রাম মঞ্চ দ্বারা অফিসিয়াল ভাবে পরিচালিত।

17/07/2026

2022টেট উত্তীর্ণ রেগুলার ক্যান্ডিডেট তোমরা nios দের পেছনে লাগা ছেড়ে দাও।nios দের বাদ দিয়ে নিয়োগ পর্ষদ করতে পারবে না। আর obc 17% ধরে যেন নিয়োগ টা হয় সেটা নিয়ে টিম nios সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছে। তোমরা ভালো করে জানো সুপ্রিমকোর্টে কেস জিতিয়ে আনার ক্ষমতা কাদের আছে।

ধন্যবাদ। 🙏

২০১১ থেকে ২০২৬ (মে মাস পর্যন্ত ) রাজ্যের সমস্ত বিভাগীয় দুর্নীতির তদন্তের জন্য কমিশিন গঠিত করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। অত্যন্ত...
15/07/2026

২০১১ থেকে ২০২৬ (মে মাস পর্যন্ত ) রাজ্যের সমস্ত বিভাগীয় দুর্নীতির তদন্তের জন্য কমিশিন গঠিত করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। অত্যন্ত ভালো পদক্ষেপ, আমরা চাকরিপ্রার্থী সমাজ সবথেকে বেশি ভুক্তভোগী বিগত সরকারের লাগামহীন দুর্নীতির। আমাদের জীবন যৌবন শেষ হয়ে গেছে।

আমরা অত্যন্ত আশাবাদী এরই সাথে ২০২২ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক রিক্রুটমেন্ট রুল ২০১৬ কে যেভাবে গলাটিপে হত্যা করেছে পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের কিছু আমলা ও তৎকালীন সভাপতি , তার সুষ্ঠ তদন্ত হবে।

কাকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার স্বার্থে যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে মেধা তালিকা তৈরি করে নিম্ন মেধার প্রার্থীদের চাকরি দিয়ে বেশি নাম্বার পাওয়া প্রার্থীদের বসিয়ে রাখা হল তার বিচার হবেই, প্রয়োজনে আমরা মাঠে নামব।

Suvendu Adhikari

গতকাল ১৩/৭/২০২৬ তারিখে মাননীয় স্কুল শিক্ষামন্ত্রী শ্রী দীপক বর্মন মহাশয়ের সাথে দেখা করে আমরা NIOS DELEED প্রার্থীদের ব...
13/07/2026

গতকাল ১৩/৭/২০২৬ তারিখে মাননীয় স্কুল শিক্ষামন্ত্রী শ্রী দীপক বর্মন মহাশয়ের সাথে দেখা করে আমরা NIOS DELEED প্রার্থীদের বিষয়টি তুলে ধরেছিলাম। মাননীয় মন্ত্রী মহাশয় প্রায় ১০ মিনিটের অধিক সময় নিয়ে আমাদের বিষয়টি শুনেছেন এবং তার গুরুত্ত্বপূর্ন মতামত দিয়েছেন এবং সাথে সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন। আমাদের দেখাকরার সময়টি অত্যন্ত গুরুত্ত্বপূর্ন কারণ আমাদের সাথে কথা বলার পরেই মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী , উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী , কেন্দ্রীয় শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী সকলের সাথে বিকাশভবনে ওনার বৈঠক ছিল। আমরা ওনারকাছে কৃতজ্ঞ। 🙏

বিগত ২ তারিখে বিকাশভবন এবং প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের আধিকারিকদের সাথে NIOS D.el.ed দের ২০২২এর নিয়োগপ্রক্রিয়া ও চলমান নিয...
04/07/2026

বিগত ২ তারিখে বিকাশভবন এবং প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের আধিকারিকদের সাথে NIOS D.el.ed দের ২০২২এর নিয়োগপ্রক্রিয়া ও চলমান নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে সদর্থক আলোচনা হয়।

আমরা রাজ্যের সমস্ত NIOS D.el.ed প্রার্থীদের আশ্বস্ত করে জানাচ্ছি যে শুধু ১২৩৩ নয় ২০২২ এর নিয়োগপ্রক্রিয়া অংশগ্রহণকারী এবং ২০২৫শের নিয়োগপ্রক্রিয়া কল লেটার প্রাপ্ত সকল প্রার্থীদের জন্যেই আমরা আলোচনা করেছি এবং সদর্থক আলোচনা হয়েছে।

আমরা সকলকে অনুরোধ করব এই বিষয়টি এখন সরকার পজিটিভ ভাবে যেন দেখে তার জন্য আমরা চেষ্টা করছি। অতীতে অনেক ভুল মামলা এবং ভুল তথ্য আলাদা আলাদা গ্রুপ করে ওনাদের দেওয়ার ফলে এই জটিলতা বেড়েছে।

এরমধ্যেও কোনো এক গ্রুপ পর্ষদের গিয়ে আসামের একটি নোটিশ জমা দিয়ে এসেছে যা না আমাদের মামলার রায়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ না আমাদের জন্য পজিটিভ। আমাদের রায় স্পষ্ট, ২০২২ শের নোটিশ অনুসারে নিয়োগ করতে হবে। এই মুহূর্তে এইরূপ হঠকারী কাজ আমাদের প্রচেষ্টাকে পিছিয়ে দেয়।

আপনারা ঐক্যবদ্ধ থাকুন, সংযত থাকুন। অতি উৎসাহ এবং ভুল পদক্ষেপ আমাদের ভালো নয় ক্ষতি করবে।সকার নতুন এসেছে তাকে সময় দিতে হবে।

যারা আমাদের সাথে আছেন তাদের সকলকে ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আমরা খুব শীঘ্রই লাইভে এসে আগামীর কর্মসূচির রূপরেখা তুলে ধরব।

02/07/2026

"এখন আমরা ক্ষমতায় এসেছি , আগের দিন আর নেই।" আজকে যাকে শুনি সেই এই একটা কথাই বলেযাচ্ছে। আজকে সবাই ক্ষমতায় এসেছে, কিন্তু তৃণমূল সরকারকে যদি সবথেকে বেশি কেউ ধাক্কা দিয়ে থাকে সেটা বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থী সমাজ এবং টেট আন্দোলন।

সেই ২০১৬-১৭ থেকে ২০২১এ ভোটপরবর্তী সন্ত্রাসে যখন সবাই ঘরের ভেতরে তখন রাজপথে একমাত্র গলার আওয়াজ মোটা করে "চোর চোর চোর" স্লোগান দিয়ে গেছে। কিন্তু তারা নিজের অধিকার আজও বুঝে পায়নি, আজকে আপনারা ক্ষমতায় এসেছেন।

পার্থ চ্যাটার্জি, মানিক দিয়ে যে তৃণমূলের জেলযাত্রা শুরু সেটা আজকে "সবাই ক্ষমতায় এসেছে" তাদের ভূমিকায় হয়নি, হয়েছিল চাকরিপ্রার্থীদের করা মামলায়। সেইযে ইডি সিবিআই লাগার সূত্রপাত হল সেই সূত্রেই আজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চাপে রাখা যাচ্ছে। কিন্তু আজকে আপনারা ক্ষমতায় এসেছেন।

চাকরিপ্রার্থীদের ওপর পুলিশের আক্রমণ নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মুখপাত্র জ্বালাময়ী বক্তব্য দিয়েছেন, তৃণমূলকে ধুয়ে দিয়ে দারুণ দারুণ রিল বানিয়েছেন। কিন্তু ধস্তাধস্তিতে হাতভেঙে যে হাসপাতালে গ্যাছে তার খোঁজ কেউ নিতে আসেননি। আমরা চাঁদা তুলে তার চিকিৎসা করেছি। আজকে আপনারা ক্ষমতায় এসেছেন।

চাকরিপ্রার্থীদের ওপর কিধরনের লাঠিচার্জ হয়েছে, কিধরনের মামলা চলেছে সেটার খোঁজ আজকে কেউ রাখেনি। আজকে শুধু চাকরিপ্রার্থীরা চাকরিপ্রার্থী থেকে যাচ্ছে বাকি সবাই কিন্তু "ক্ষমতায় এসেছে"।

অনেকেই বিদ্রুপের শুরে বলেছেন "চাকরি পায়নি বলে কেউ আন্দোলন করে? পড়াশুনা না করে লাফাচ্ছে"। দাদারা জানেনা বিগত ১৫ বছরে প্রাথমিক নিয়োগের পরীক্ষা হয়েছে ২ টা, যে লাখ টাকা খরচ করে deled করেছে , দুটোতেই পাশ করেছে, নিজের সামনে দেখেছে কম নাম্বার পেয়ে পাশ করে চাকরি করতে নিজের বাড়িতে বৃদ্ধ বাবা মা কে দেখেছে, আজকে তার আর বয়স নেই, সে কি করবে? সে কি করবে?

আজকেও কিন্তু সে ভাবছে কি করবে। আজকে আপনারা ক্ষমতায় এসেছেন। সে কিন্তু ভেবে চলেছে সে কি করবে... তার ধৈর্য্যের বাঁধ কিন্তু ভাঙছে... আজকে আপনারা ক্ষমতায় এসেছেন,তার ধৈর্য্যের বাঁধ কিন্তু ভাঙছে...

মমতার দালাল, দুর্নীতিগ্রস্ত  ও তীব্র মোদী বিরোধী পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পালকে এখনো পদত্যাগ পত্র ...
28/06/2026

মমতার দালাল, দুর্নীতিগ্রস্ত ও তীব্র মোদী বিরোধী পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পালকে এখনো পদত্যাগ পত্র ধরানো হল না কেন।
কে এই গৌতম পাল এক নজরে দেখে নিন

১) তৃণমূলের অধ্যাপক সংগঠনের সংগঠন ওয়েব কুপার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুযোগ লাগিয়ে কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ে রিডার হিসেবে নিয়োগ করা হয়ে থাকলেও পরে তাকে ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে নিয়োগ করা হয়। রিডার হিসেবে ও ভাইস চ্যান্সেলর হিসাবে দুটো নীয়োগ গৌতম পালের বিরুদ্ধে সজন-পোষণ ও যোগ্যতা না থাকার অভিযোগ ওঠে, এর ফলে কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মী প্রলয় চক্রবর্তী কোলকাতা হাইকোর্টে কেস করে, বিচারপতি কৌশিক চন্দ্রের এজলাসের সেটি গৃহীত হয়।
কিন্তু রাজ্য সরকারের হাত মাথায় থাকার জন্য সেই কেসের অগ্রগতি বিশেষ কিছু হয়নি আজও।
(সূত্র:- আনন্দবাজার পত্রিকা, ২৬ শে আগস্ট ২০২২)

২) ২০১৮ সাল থেকে তৃণমূলের দাক্ষিণ্যে অবৈধভাবে সহ উপচার্য হিসাবে নীয়োগ হওয়ার পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে তৃণমূলের সাহায্যে সামন্তরাল প্রশাসন চালাতে শুরু করে। বিশ্ববিদ্যালয় সকল ক্ষমতা নিজের কুক্ষিগত করার নেশায় ঝাপিয়ে পড়ে। শুরু করে লুম্পেন সংস্কৃতি।
বহিরাগত তৃণমূলী গুন্ডাদের নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টারের অপসারণের দাবিতে উপচার্যের সেক্রেটারিয়েট এর ঘর দখল করতে যায়। সেখানে নিরাপত্তা রক্ষীদের দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হয়ে উপাচার্য শংকর কুমার ঘোষের সামনে গিয়ে চরম অপশব্দ ব্যবহার করতে থাকে ও উপচার্যের ঘরের সামনে ওয়েবকুপার সদস্য ও বহিরাগত গুন্ডাদের নিয়ে ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে। কল্যানি ইউনিভার্সিটি ওয়েবকুপা ইউনিটের সম্পাদক সুজয় মণ্ডলকে সাথে নিয়ে এই অপকর্মগুলো চালাতে থাকে।
(সূত্র:- সংবাদ প্রতিদিন, ২৪ শে জানুয়ারি ২০২০)
৩) ২০২২ সালে কলকাতা হাইকোর্টে বিরুদ্ধে নিজের নীয়োগ সংক্রান্ত মামলা হওয়ার পরে নিজের ভবিষ্যৎ সংকটের কথা ভেবে আরো বৃহত্তর পরিকল্পনা করতে থাকে। কল্যাণী ইউনিভার্সিটি সহ-উপাচার্যের পদ যেকোনো মুহূর্তে খারিজ হয়ে যাওয়ার ভয়ে তড়িঘড়ি করে তৃনমূলের তরফ থেকে পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতির পদ দেওয়া হয়। অর্থাৎ কল্যাণী বিশ্বটির ভাইস চ্যান্সেলর ও পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পরিষদের সভাপতি একসাথে দুটো পদের দায়িত্বে দেওয়া হয়।
৪)২০১৪ সালে প্রাথমিক টেট পরীক্ষায় OMR এর মিরর ইমেজ বা স্ক্যান কপি নষ্ট করার ফলে কোলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গুলী সিবিআই তদন্তি নির্দেশ দেয়। তার সাথে এটাও নির্দেশ দেওয়া হয় প্রয়োজনে নিজেদের হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে সিবিআই। এই গৌতম পাল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই দূর্নীতি চাপা দিতে নেমে পড়ে। Cbi কে অরিজিনাল OMR বা তার স্ক্যান কপি না দিয়ে ট্যালি মার্কের ফরম্যাটে এডিটেবল ডেটা চার্ট দিয়ে দূর্নীতি চাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। এখানে একটা মজার ঘটনা দেখুন, সিবিআইকে এরকম ভাবে এডিটেবল ডেটা চার্ট দিয়ে নিজেই বুঝতে পারে সে ভুল কাজ করছে তাই গ্রেফতারি ভয়ে নিজেই সুপ্রিম কোর্টে ছুটেছে আগাম জামিন করানোর জন্য। সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দুই বিচারক অনিরুদ্ধ বসু ও বেলা.এম.ত্রিবেদীর বেঞ্চে গিয়ে জামিন করিয়ে আসে।
(সূত্র:-আনন্দবাজার পত্রিকা, ৩ ই নভেম্বর ২০২৩)

৫) এতকিছুর পরেও কোলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চে ২০১৪ এর প্যানেলে ৩২ হাজার চাকরি চলে যায়। সেই রায় ডিভিশন বেঞ্চে চ্যালেঞ্জ করা হয়, পর্ষদ সভাপতি গৌতম পালের পক্ষ থেকে খুব চালাকি করে কেসের গ্রাউন্ড তৈরি করে সুপার সিনিয়র অ্যাডভকেট নামিয়ে দীর্ঘ হেয়ারিং এর পর হিউম্যানিটেরিয়ান গ্রাউন্ডে ৩২ হাজার চাকরি বাঁচিয়ে নেয় ৩ রা ডিসেম্বর ২০২৫ জাস্টিস তপোব্রত চক্রবর্তী ও জাস্টিস ঋতব্রত কুমার মিত্রের ডিভিশন বেঞ্চে। ফলে তৃণমূল সরকারের প্রায় ৩০০ কোটির শিক্ষা দূর্নীতি চাপা দেওয়া ও কমপক্ষে ২০-৩০ জন নেতা মন্ত্রীর সুপারিশে চাকরি বিক্রির অপকর্ম ধামাচাপা দিতে সক্ষম হয় এই গৌতম পালের প্রচেষ্টায়। ফলে মমতার তরফ থেকে গৌতম পালের সারপ্রাইজ গিফট দেওয়া হয় ২৩ শে ফেব্রুয়ারী ২০২৬ এ তাকে রাজ্যের জয়েন ইন্টার্নস বোর্ডের সভাপতি করা হয়। অর্থাৎ একসাথে তিনটি পদে বহাল করা হয়, পদগুলো হলো কল্যাণী ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর, পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যান, পশ্চিমবঙ্গ জয়েন এন্টান্স বোর্ডের চেয়ারম্যান। ভাবুন শুধু একবার একটা মানুষ মুখমন্ত্রীর কত কাছের হলে একসঙ্গে তিনটে পদ পেতে পারে।

🔴 কেন্দ্র সরকার ও মোদি বিরুদ্ধে তীব্র বিরোধিতা, মোদির নামে কুৎসা ও অপপ্রচার চালানো।

👉RT Act 2009 অনুযায়ী কেন্দ্রীয় মোদী সরকার 2017 সালে সকল প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য একটি D.el.ed প্রোগ্রাম চালু করা হয়। সমগ্র ভারত থেকে মোট 14 লক্ষ শিক্ষকরা এই প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করে। পশ্চিমবঙ্গ থেকেও প্রায় ১ লক্ষ পঞ্চাশ হাজার শিক্ষক নিয়ে অংশগ্রহণ করে, দীর্ঘ ২ বছর পড়াশোনা করার পরে ২০১৯ সালে এই কোর্সটি শেষ করে তারা সার্টিফিকেট পায়। ভারতের সকল রাজ্য এই কোর্সটা মেনে নিলেও কিন্তু আমাদের রাজ্য সরকার ২০২৫ সালে এসে এই কোর্সটা মানতে অস্বীকার করে শুধুমাত্র মোদি সরকারের একটা ড্রিম প্রোজেক্ট বলে, Nios d.el.ed দের গায়ে মোদির ট্যাগ থাকার জন্য মমতার পশ্চিম বঙ্গ সরকারের প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ এই কোর্সটা মেনে নেয়নি। পরিশেষে পশ্চিমবঙ্গ থেকে 1233 জন সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়, সেখানে তারা জয় লাভ করে। ৩ মাসের মধ্যে নিয়োগ দিতে বলেছিল। কিন্তু অসভ্য বেহায়া পশ্চিমবঙ্গ সরকার ছলেবলে কুট কৌশলে, সময় চুরি করে নেওয়ার জন্য অন্যান্য হাস্যকর পয়েন্ট বের করে আজও নিয়োগ দেয়নি।

👉গৌতম পাল চেয়ারে বসেই বিভিন্ন পত্রপত্রিকাতে মোদি ও কেন্দ্রীয় সরকারের নামে তীব্র কুৎসা ও অপপ্রচার করে প্রবন্ধ লিখতে শুরু করে। নীচে তার একটা তালিকা দেওয়া হল।

১)কেন্দ্রীয় সরকার তেলের অনিয়ন্ত্রিত মূল্যবৃদ্ধি এড়াতে পারে না। (পুবের কলম পত্রিকা, 09.07.2021)
2) ত্রুটিপূর্ণ জাতীয় শিক্ষানীতি (জাগো বাংলা পত্রিকা,
25.08.2021)
3)নয়া জাতীয় শিক্ষানীতির সংশোধন প্রয়োজন (পুবের কলম পত্রিকা, 29.08.2021)
4)জলবায়ু পরিবর্তনে বিপদ উদ্বেগ নেয়নি এনডিএ সরকার -(দৈনিক স্টেটসম্যান, 30.03.2020)
5) মোদি সরকার জলবায়ু প্রশমনে উদাসীন -বিপন্ন কৃষি
(দৈনিক স্টেটসম্যান, 23.03.2019)
6)দেশের প্রাদেশিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ধ্বংসের চেষ্টা করছে মোদি সরকার (দৈনিক স্টেটসম্যান, 09.02.2019)
7)রাজ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আর্থিক বরাদ্দ ছাটা এর অপকৌশল নিয়েছে কেন্দ্র (দৈনিক স্টেটসম্যান, 29.04.2018)
8) রাজ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বৈষম্য মূলক আচরণ করছে কেন্দ্র (দৈনিক স্টেটসম্যান,07.03.2018)
9)রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে মুসলিম বিদ্বেষী নীতি পরিচয় দিচ্ছে মোদি সরকার (দৈনিক স্টেটসম্যান, 20.10.2017)
10)ইউজিসির মুক্ত ও দূর শিক্ষা বিধিটি রাজ্যের বিষয় রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর স্বাধিকার খর্ব করছে ( বর্তমান পত্রিকা, 05.10.17)
11)কেন্দ্রের দায়িত্ব জ্ঞানহীন আচরণই মেডিকেল ভর্তিতে রাজ্যের ছাত্র-ছাত্রীদের বন্ধনা শিকার (বর্তমান পত্রিকা,
17.08.2017)
12)রাজ্যের প্রতি ইউজিসির আচরণ পক্ষপাত মূলক (বার্তমান পত্রিকা, 29.06.2017)
13)উচ্চমূল্যের কাগজি মুদ্রা বাতিল করে মৌলিক অধিকার খর্ব করছে মোদি সরকার (দৈনিক স্টেটসম্যান, 18.12.2017)
14)মোদি সরকার রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উৎকর্ষ খর্ব করছে (বর্তমান পত্রিকা, 03.12.2016)

27/06/2026

মাননীয় বিধায়ক Nawsad Siddque MLA মহাশয় পশ্চিমবঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষার বিষয়ে একটি বক্তব্য দিয়েছেন যেখানে শিক্ষার বর্তমান পরিস্থিতি ফুটে উঠেছে।

পশ্চিমবঙ্গে ক্লাস ফোরের শিশুরা ১-৯ পর্যন্ত গুনতে পারছে না। এর কারন জানেন? কারন হচ্ছে শিক্ষক নিয়োগে লাগামহীন দুর্নীতি। ২০১৪, ২০২০ শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির খবর পশ্চিমবঙ্গের মানুষ কম বেশি জানে, ২০২২ নিয়োগ প্রক্রিয়ার দুর্নীতি সকলে জানে না।

পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষাপর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি হিসাবে গৌতম পাল বাবুর আঁকা দুর্নীতির নীল নকশা খুব সূক্ষ্ম, সেগুলি ধাপে ধাপে বর্ণনা করা হল -

১. NCTE টেট গাইডলাইন অনুসারে বছরে দুবার টেট নেওয়া উচিৎ, ন্যূনতম একবার নিতেই হবে। তিনি ওনার টার্মে ২০২১ থেকে ২৬ অবধি শুধু মাত্র একটা টেট নিতে পেরেছেন যারা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বসার সুযোগ পেয়েছে। টেট না হলে নতুনরা নিয়োগের জন্য যোগ্য হবেনা এবং পুরোনোদের সাথে টিউশন ফিস নিয়ে দর কষা কষি করতে সুবিধা হবে।

২. উনি ওনার সময়কালে একটি নিয়োগ প্রক্রিয়াও সফল ভাবে সম্পূর্ণ করতে পারেন নি, একটি প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন ২০২২ নিয়োগ, সেটি তে একাধিক মামলায় প্রায় ৬০০০ বঞ্চিত চাকরি প্রার্থী আদালতে জিতেছেন যাদের উনি নিয়োগ করতে পারেননি। নিয়োগপ্রক্রিয়া ঝুলিয়ে রেখে সুপ্রিমকোর্টে যোগ্য প্রমাণিত হওয়ার পরেও তাদের কাছে বিশাল টিউশন ফিস দাবি করা হয়, পূরণ না হলে ঝুলিয়ে রাখা হয়।

৩. পশ্চিম প্রাথমিক শিক্ষক রিক্রুটমেন্ট রুল 2016 অনুসারে সমস্ত যোগ্য প্রার্থীদের নিয়ে একটি মেধা তালিকা প্রকাশ করার কথা, কিন্তু সুপ্রিমকোর্ট থেকে যোগ্য প্রমাণিত হওয়ায় 2020-22 deled ব্যাচ ও Nios DELEED প্রার্থীদের মেধা তালিকা থেকে বাদ দিয়ে উনি মেধা তালিকা বানিয়েছেন। নিয়ম অনুযায়ী একটি মেরিইলিস্ট হওয়ার কথা, অথচ উনি ভিন্ন ভিন্ন লিস্ট তৈরি করেছেন যার টেট পরীক্ষায় অনেক বেশি ১০০+ নাম্বার পেয়েও অনেকে বসে আছে আর ৮৩ পেয়ে হাজার হাজার প্রার্থী চাকরি করছে। ভাবুন অযোগ্যদের কীভাবে চাকরি দেওয়া হয়েছে।

৪. ওনার যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে তৈরি করা মেরিটলিস্ট ঘাটলে হাজার হাজার এরকম প্রার্থী খুঁজে পাওয়া যায় যারা মাধ্যমিকে কেউ ৩৫% কেউ ৪০% পেয়ে টেনে টুনে পাশ করেছে কিন্তু ইন্টার্ভিউতে পেয়েছে ১০/১০। ***যোগ্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে মেধা তালিকা বানানোর উদ্যেশ্য ছিল যাতে এই টেনে টুনে পাশকরা দের চাকরি দেওয়া যায়*** । এই বিষয়েও আমরা সমস্ত প্রামন জোগাড় করেছি, আদালতে ওনাকে এর জবাব দিতেই হবে। কোনো ছাড় হবেনা। এই ব্যাপক দুর্নীতিতে ওনার সাগরেদ ছিলেন বোর্ড সেক্রেটারি রঞ্জন কুমার ঝা এবং ল অফিসার সুলতান শাহ আলম।

যতই উনি সেটিং করে জার্সি বদল করুন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০২২ এর দুর্নীতি নিয়ে আমরা মামলা করবই। যারা গৌতম পাল কে শেল্টার দিতে চাইছেন তারা ভেবে দেখবেন অসৎ সঙ্গে আপনার তরীটিও ডুবতে পারে।

মাধ্যমিকে ৪০% পাওয়া একটি ক্যান্ডিডেট এর ইন্টারভিউতে ১০০% পাওয়ার প্রমাণ কমেন্টে দেওয়া হবে। যার ড্রেন পরিষ্কার করার যোগ্যতা নেই সে শিশুদের পড়ায়, কাজেই শিশুরা ১-৯ পর্যন্ত গুনতে পারেনা।

কোনো সেটিং মানিনা, বিচার হবে কোর্টে, লড়াই হবে রাজপথে।✍️

27/06/2026

আশাকরি নতুন সরকার আমাদের ভুলে যাবেনা। আর ভুলে গেলে আমরা মনেকরিয়ে দিতেও জানি। কি তাইতো?

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পশ্চিমবঙ্গ NIOS D.El.Ed সংগ্রাম মঞ্চ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Want your organization to be the top-listed Non Profit Organization?

Share