18/08/2026
আমাদের আবার রাজপথে নেমে আসতে বাধ্য করবেন না !
গতকাল ১৭/০৮/২০২৬ তারিখে আমরা পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষাপর্ষদে গিয়েছিলাম পর্ষদ সচিব মাননীয় রঞ্জন কুমার ঝাঁ স্যারের সাথে দেখা করার উদ্যেশে।
ইতিমধ্যেই আমরা নতুন সরকার গঠন হওয়ার পর মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী, মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী এবং শিক্ষা দপ্তরের স্পেশাল সেক্রেটারি সহ এলিমেন্ট্রি বিভাগের বিভিন্ন অফিসারদের সাথে দেখা করে আমাদের বিষয়টি তুলে ধরেছি। সেই সুবাদে বিকাশ ভবন থেকে বিগত ৩০/০৫/২০২৫ শের অবৈধ নোটিশ টি যেন পুনর্মূল্যায়ন করে যথোপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হয় সেই বিষয়ে একটি নির্দেশও পর্ষদ সেক্রেটারিকে দেওয়া হয়েছে।
এমতাবস্থায় আমরা অলরেডি বারংবার পর্ষদ সেক্রেটারির সাথে দেখা করার জন্য ইমেল মারফৎ এপয়েন্টমেন্ট চেয়ে আবেদন করেও কোনো সদুত্তর না পেয়ে গতকাল গিয়েছিলাম দেখা করার উদ্যেশে। আশ্চর্যজনক ভাবে উনি উপস্থিত থাকলেও উনি দেখা করলেন না, উনি আমাদের পাঠিয়ে দিলেন ল অফিসার সুলতান স্যারের কাছে। সেখানে স্যার বলেন তোমাদের যে আবেদন গুলি লিখিত এনেছ সেগুলো রিসিভ সেকশনে রিসিভ করিয়ে নাও, উনি নিজের চোখে সেগুলি দেখেন এবং জমা করতে বলেন।
রিসিভ সেকশনে যারা কর্মরত ছিলেন, তাদের কাছে যাওয়ার পরেই তারা বলেন ," অমরা সেক্রেটারির পারমিশন ছাড়া রিসিভ করতে পারব না"। তারপর এপ্লিকেশন গুলো তারা নিয়ে যায় সেক্রেটারিকে দেখানোর জন্য, সেক্রেটারি নাকি রিসিভ করতে মানা করে দেয়।
বিষয় এখানে বোঝার এটাই, পশ্চিমবঙ্গের একজন সরকারি কর্মচারী, তার কাজ মানুষের অভাব অভিযোগ শোনা, তিনি দেখা করার সময় পাচ্ছেননা , মানা যায়, কিন্তু একটা আবেদনপত্র তার অফিসে রিসিভ করানো যায় না, এটা কি ধরনের অফিস চলছে? একটা এপ্লিকেশন নিয়ে রিসিভ কপি দেওয়া একটা অফিসের আইনি দায়বদ্ধতার মধ্যে পরে, ওই অফিস টা কি সমস্ত নিয়ম কানুনের ঊর্ধ্বে নাকি , আইন আদালতের ঊর্ধ্বে নাকি?
মাননীয় রঞ্জন ঝাঁ স্যার,আপনি মনে রাখবেন, this doesn't end here। আমরা মাননীয় মুখযমন্ত্রী ও মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি অতি দ্রুত এই বিষয়ে পদক্ষেপ করুন Suvendu Adhikari Samik Bhattacharya Dilip Ghosh Nawsad Siddque MLA । আমরা কখনোই চাই না সদ্য ক্ষমতায় আসা একটি সরকারকে বিব্রত বিরক্ত করতে। একটা যৌক্তিক সময় আমরা অবশ্যই দিতে চাই। কিন্তু এইরকম ভাবে যদি একটা সরকারি দপ্তর চলে তাহলে শুধু চাকরিপ্রার্থী হিসাবে নয়, সাধারণ মানুষ হিসেবেও আমাদের দায়িত্ব রয়েছে এর প্রতিবাদ করার। আর আমরা লাঠি গুলি ভয় করিনা। আমাদের বাধ্য করবেন না, সেই পর্যায় নেমে আসতে।
আইনি লড়াই কীভাবে করতে হয়, কীভাবে নিজের অধিকার আদায় করতে হয় আমরা জানি, কিন্তু একটা অফিসে একটা চিঠি দিলে রিসিভ কপি পাওয়া যাচ্ছেনা , এইসব কি আদালতে নিয়ে যাওয়ার বিষয়? অফিস গুলো সঠিক নিয়মে কাজ করবে এইটুকু নাগরিক পরিষেবা কি একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় মানুষ আশা করতে পারে না? আমরা পুনশ্চ স্পষ্ট করে বলতে চাই ওই অফিস টা যেন সঠিক ভাবে চলে সেটা এই সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে, নাহলে আমরা আবার রাজপথে নামতে বাধ্য হব।