Agnibaan

Website

Agnibaan जय श्री राम🚩🚩...भारत माता की जय..वन्दे मातरम् 🇮🇳 🇮🇳
https://agnibaan2026wbbjp.netlify.app/

নন্দীগ্রাম, রেজিনগরে বিপুল ভোটে জয়ী বিজেপি
09/10/2026

নন্দীগ্রাম, রেজিনগরে বিপুল ভোটে জয়ী বিজেপি

নয়াদিল্লি থেকে রতন টাটা: একটি ধুঁকতে থাকা ব্রিটিশ গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে অধিগ্রহণ ও তার অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটানো ...
09/10/2026

নয়াদিল্লি থেকে রতন টাটা: একটি ধুঁকতে থাকা ব্রিটিশ গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে অধিগ্রহণ ও তার অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটানো থেকে শুরু করে সবচেয়ে সাশ্রয়ী যাত্রীবাহী গাড়ি 'ন্যানো' (Nano) বাজারে আনা—নেতৃত্বের দায়িত্বে থাকাকালীন রতন টাটা টাটা গ্রুপকে একটি বৈশ্বিক শক্তিকেন্দ্রে (global powerhouse) পরিণত করেন। বর্তমানে এই গ্রুপটি ইস্পাত, অটোমোবাইল, তথ্যপ্রযুক্তি (IT) ও যোগাযোগ খাতের মতো নানা বৈচিত্র্যময় ক্ষেত্রে তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারিত করছে।
রতন টাটার নেতৃত্বে টাটা মোটরস ২০০৮ সালের জুন মাসে ২.৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে ফোর্ড মোটর কোম্পানির কাছ থেকে বিখ্যাত ব্রিটিশ বিলাসবহুল গাড়ি নির্মাতা ব্র্যান্ড 'জাগুয়ার' ও 'ল্যান্ড রোভার' (JLR) অধিগ্রহণ করে। অর্থনৈতিক মন্দার সময় ফোর্ড যখন আর্থিক সংকটের মুখে পড়ে, তখন টাটা তাদের কাছ থেকে এই ব্র্যান্ড দুটি কিনে নেয় এবং ধুঁকতে থাকা ব্রিটিশ ব্র্যান্ডগুলোকে অত্যন্ত লাভজনক বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানে সফলভাবে রূপান্তরিত করে।
ভারতের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের কাছে চার চাকার বাহনের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে টাটা মোটরস ২০০৯ সালে 'টাটা ন্যানো' বাজারে আনে; এটি ছিল অত্যন্ত সাশ্রয়ী ও ছোট আকারের একটি 'সিটি কার' (শহরের রাস্তায় চলাচলের উপযোগী গাড়ি)। টাটা গ্রুপ বর্তমানে টাটা স্টিল, অটোমোবাইল, টিসিএস (TCS) এবং টাটা কমিউনিকেশনস-এর মতো প্রধান ব্যবসায়িক শাখাগুলোর মাধ্যমে একটি বৈশ্বিক শক্তিকেন্দ্র হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

02/10/2026
লিখি না। পড়ি না। অদ্ভুত একটা ফেজ চলছে আমার। মাঝেমাঝেই চলে। কিছুই মাথায় রেজিস্টার করে না বেশিরভাগ সময়। কাল অন্তত পাঁচবার ...
01/10/2026

লিখি না। পড়ি না। অদ্ভুত একটা ফেজ চলছে আমার। মাঝেমাঝেই চলে। কিছুই মাথায় রেজিস্টার করে না বেশিরভাগ সময়। কাল অন্তত পাঁচবার এশিয়ান গেমসে মেয়েদের ৪x৪০০ মিটার সোনা জেতার ভিডিওটা দেখলাম। ভাবলাম লিখি, বিদ্যা রামরাজ, যে মেয়েটি লাস্ট ল্যাপে অসাধারণ দৌড়ল, সে কোয়েম্বাটোরের এক ট্রাক চালকের মেয়ে। পরিবারের তিন মেয়ের একজন। ইরোড, যে ছোট্ট টাউনের একমাত্র পরিচয় যে সে দক্ষিণ ভারতের বিশেষ ধরণের হলুদের সাপ্লাই দেয় ভারতে, সেখানের স্কুলের পিটির শিক্ষক তাঁকে তৈরি করেছেন। তারপর ভাবলাম, থাক, কী হবে লিখে!

কিন্তু এইটা টাইমলাইনে থাক। এইটা থাকা জরুরি। এই গল্পটা। ধরুন, আপনি চাকরিতে গেছেন অন্যান্য দিনের মত। আপনার চাকরিটা খানিকটা অন্যরকম বটে। আকাশে, তিরিশ হাজার ফুট ওপরে একশো চুয়াত্তর জন মানুষের জানমালের দায়িত্ব আপনার কাঁধে তিন ঘন্টার জন্য। সেইটাই চাকরি। আপনি ছাপোষা মানুষ, ঘরে বৃদ্ধ বাবা-মা, বউ বাচ্চা আছে। আপনি আর্মির কেউ নন, আপনি জীবনে কোন কমব্যাট ট্রেনিং নেন নি। আকাশে তিরিশ হাজার ফুট ওপরে কিভাবে একটা বিশাল মেশিন চালাতে হয় জটিল প্যানেলে সুইচ টিপে, সেইটুকুই জানেন আপনি। হঠাৎ আপনার সহকর্মী আপনার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পরপর সাতবার আপনাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করল। প্রবল রক্তক্ষরণ আর চেতনা হারানোর মধ্যেও আপনি বুঝতে পারছেন যে এয়ারপ্লেন তিরিশ হাজার থেকে চোদ্দ হাজার ফিটে নেমে এসেছে নিমেষে, কারণ এই কাজটা আপনি জানেন। আপনি শিখেছেন। আপনি জানেন, এর অর্থ প্লেন ক্র‍্যাশ হতে চলেছে। আপনি তো বটেই, আপনার হাতে যাদের জানমালের দায়িত্ব, সেই একশো চুয়াত্তর জনও কয়েক মিনিটের মধ্যে ছাই হয়ে যাবে মাটিতে আছড়ে পড়ে।

আপনি কী করবেন?

ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মুচ্ছার চূড়ান্ত আহত অবস্থাতেও তাঁর ডিউটি ভোলেন নি। তিনি খালি হাতে তাঁর ওমানি ইসলামিক টেররিস্ট সহকর্মীর মোকাবিলা করে ককপিটের দরজা খুলে দেন এবং জ্ঞান হারানোর আগে হাইজ্যাকিং সিগন্যাল পাঠাতে সক্ষম হন।

ইসরায়েল এমন একটি দেশ, যারা সম্ভবত সবচেয়ে বেশি ইসলামিক টেরর রেডি থাকে সর্বদা। তাদের প্রত্যেক নাগরিক মিলিটারি সার্ভিস ও বেসিক ফিজিক্যাল ট্রেনিং পায় আঠেরো বছর বয়স হলেই। ফলে ককপিটের খোলা দরজা দিয়ে ভেতরে এসে ওমানের টেররিস্ট কো-পাইলটকে কাবু করতে তাদের বেশি বেগ পেতে হয় নি। সৌভাগ্যক্রমে, প্লেনে অন্তত দু'জন পাইলট ছিলেন, যারা অফ-ডিউটি বেসে ফিরছিলেন। প্লেনটি সুররক্ষিতভাবে সৌদিতে ল্যান্ড করানো হয়, এবং পরে সব যাত্রীকে ইসরায়েলে নিয়ে যাওয়া হয় বিশেষ বিমানে।

স্মিত মুচ্ছার এখনো সৌদির হাসপাতালে চিকিৎসারত। তাঁর সার্জারি সফল হয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। ভারতীয় এমব্যাসি তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং তাঁকে যথাশীঘ্র কিভাবে দেশে ফেরত আনা যায়, তার ব্যবস্থা করছে।

আমরা যে সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি, তা হল সভ্যতার লড়াইয়ের যুগ। প্রত্যেক মানুষের ইসলামিক টেরর রেডি থাকা প্রয়োজন এই যুগে। কে কখন কোন দিক দিয়ে আক্রমণ করতে পারে, কেউ জানে না। আমাদের কাজ টিঁকে থাকা। অসভ্য বর্বর আগ্রাসক এই মতের বিরুদ্ধে যত বেশি সংখ্যক মানুষকে পারা যায়, বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করে যাওয়া। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তৈরি করে যাওয়া। হ্যাঁ, এর জন্য কোন মেডেল অপেক্ষা করে নেই। এ আমাদের, মনুষ্যপ্রজাতির, সভ্যতা বাঁচানোর লড়াই। জিতলে সভ্যতা টিঁকবে। হারলে, সমগ্র পৃথিবী পঞ্চাশ বছরের বৃদ্ধের সঙ্গে ছয় বছরের শিশুর বিয়ে দেওয়ার লাইসেন্স পাবে। কয়েক হাজার বছরের সভ্যতার ফসল, সব গান, স্থাপত্য, ভাস্কর্য, সৌন্দর্য ধ্বংস হয়ে যাবে বামিয়ানের বুদ্ধের মত। নারী অসূর্যস্পর্শা হবে।

পৃথিবীর আপনাকে প্রয়োজন। আপনার পূর্বমানবদের জ্ঞান, বোধ আর সভ্যতার উত্তরাধিকার রক্ষার জন্য। ক্যাপ্টেন স্মিত মুচ্ছারের মত। FZ1073 ফ্লাইদুবাই প্লেনের সাধারণ ইসরায়েলি নাগরিকদের মত। পৃথিবী আপনাকে হাইজ্যাকিং এর এস ও এস মেসেজ পাঠাচ্ছে। আপনিই পারেন পৃথিবীকে অসভ্য, বর্বরদের দ্বারা হাইজ্যাক হওয়া থেকে আটকাতে।

পক্ষ নিন। তৈরি থাকুন।

(ছবিতে আমাদের ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মুচ্ছার। অ্যাট দ্য কস্ট অফ সাউন্ডিং কাস্টিস্ট, লেট মি টেল ইউ, মুচ্ছার আসলেই বর্ণে ক্ষত্রিয়। 😎 এন্ড হি ডিড নট পুট হিজ ফোরফাদারস টু শেইম। কুডোজ টু হিম। যথাশীঘ্র সুস্থ হোন, ক্যাপ্টেন। দ্য ওয়ার্ল্ড নিডস ইউ।)

পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের জন্ম দিবস (Deendayal Upadhyaya Jayanti) প্রতি বছর ২৫ সেপ্টেম্বর পালন করা হয়। এই দিনটিকে ভার...
25/09/2026

পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের জন্ম দিবস (Deendayal Upadhyaya Jayanti) প্রতি বছর ২৫ সেপ্টেম্বর পালন করা হয়। এই দিনটিকে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে 'অন্ত্যোদয় দিবস' (Antyodaya Diwas) হিসেবেও ঘোষণা করা হয়েছে।দীনদয়াল উপাধ্যায় সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচে দেওয়া হলো:জন্ম: তিনি ১৯১৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর উত্তর প্রদেশের মথুরার নাগলা চন্দ্রভান গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।রাজনৈতিক পরিচয়: তিনি ভারতের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) অগ্রদূত এবং ভারতীয় জনসংঘের (যা পরবর্তীকালে ভারতীয় জনতা পার্টি বা BJP-তে রূপান্তরিত হয়) অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি ছিলেন।মূল দর্শন: তিনি 'একাত্ম মানববাদ' (Integral Humanism) দর্শনের প্রবক্তা ছিলেন। তার মূল লক্ষ্য ছিল 'অন্ত্যোদয়', যার অর্থ সমাজের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া বা প্রান্তিক মানুষের উন্নয়ন নিশ্চিত করা।🙏🙏

আমেরিকার প্রেশার ট্যাকটিক্স আজকের ভারত জাস্ট পাত্তাই দিচ্ছে না!​যারা ভাবছে বিদেশি চাপে ভারত কোণঠাসা হবে, তাদের জন্য রিয়...
23/09/2026

আমেরিকার প্রেশার ট্যাকটিক্স আজকের ভারত জাস্ট পাত্তাই দিচ্ছে না!

​যারা ভাবছে বিদেশি চাপে ভারত কোণঠাসা হবে, তাদের জন্য রিয়্যালিটি চেক, টেবিল কিন্তু অলরেডি উল্টে গেছে! ভারতকে ব্লক করার অর্থ সস্তা আর হাই-কোয়ালিটি প্রডাক্টের সাপ্লাই চেন নষ্ট হওয়া। লসটা কর্পোরেট দুনিয়ারই, ভারতের নয়।

​ ইন্দো-প্যাসিফিকে চীনকে ব্যালেন্স করতে আমেরিকার ভারতকে যতটা ব্যাকআপ হিসেবে দরকার, ভারতের কিন্তু অতটা দায় নেই। ভারতকে ঘাটালে এশিয়ায় নিজেদের সবচেয়ে স্ট্রং পার্টনার হারাবে স্বয়ং আমেরিকা।

​ ভারত এখন আর কারও ইশারায় চলা কোনো দুর্বল ব্যাকবেঞ্চার দেশ নয়। সাউথ ব্লকের সোজা মেম্বো—আমাদের ডিপ্লোম্যাসি চলে ভারতীয়দের স্বার্থে, কোনো সুপারপাওয়ারের হুমকিতে নয়।

​ঘরে বসে যারা বিদেশি চাপের জুজু দেখাচ্ছে, তারা বুঝে নিক—আজকের নিউ ইন্ডিয়া মাথা নোয়াতে জানে না, নিজের রাইটস আদায় করে সামনে এগোতে জানে। দ্যাটস দ্য নিউ নরমাল!

আপনাদের কি মনে হয় ? কমেন্টে জানান।

বিশ্বের জনপ্রিয় নেতা ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী জি কে শুভ জন্মদিন এর হৃদয় থেকে শুভেচ্ছা ❤️🎂বিশ্বের জনপ্রি...
17/09/2026

বিশ্বের জনপ্রিয় নেতা ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী জি কে শুভ জন্মদিন এর হৃদয় থেকে শুভেচ্ছা ❤️🎂
বিশ্বের জনপ্রিয় নেতা ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী জি কে শুভ জন্মদিন এর হৃদয় থেকে শুভেচ্ছা ❤️🎂

আজ সেই স্মরণীয় ১১ই সেপ্টেম্বর। প্রতিবারের মতো আমাদের মনে করিয়ে দেয় সেই ১৮৯৩ সালের তরুণ ভারতীয় সন্ন্যাসীর মুখ থেকে নির্গত...
11/09/2026

আজ সেই স্মরণীয় ১১ই সেপ্টেম্বর। প্রতিবারের মতো আমাদের মনে করিয়ে দেয় সেই ১৮৯৩ সালের তরুণ ভারতীয় সন্ন্যাসীর মুখ থেকে নির্গত জ্বালাময়ী বক্তৃতা আমেরিকার চিকাগো শহরে " Sisters & brothers of America" যা নাড়িয়ে দিয়েছিলো সারা বিশ্বকে।

কে এই তরুণ অজ্ঞাত সন্ন্যাসী? আজকে আর তিনি অজ্ঞাত নেই। আমরা আজ সকলেই জানি তিনি স্বামী বিবেকানন্দ।

দক্ষিনেশ্বরের ভবতারিণীর মন্দিরের নিরালায়, নিভৃতে তিলে তিলে তাকে গড়ে তুলেছিলেন যেমন কোনো অনুষ্ঠানের আগে আমরা প্রদীপ জ্বালাবার সলতেটি পাকাই সেই রকম তার গুরু শ্রী রামকৃষ্ণ জানতেন তার মধ্যে এমন শক্তি আছে যে সে দু হাতের মুঠোয় ধরে সারা বিশ্বকে তোলপাড় করে দিতে পারে। করেও ছিলেন তাই।

যে পাশ্চাত্যবাসী মনে করতো ভারতের কোনো শিক্ষা, সংস্কৃতি বলে কিছু নেই। তাদের আছে শুধু কুসংস্কার শুধুই কুসংস্কার সেই পাশ্চাত্যের বুকে দাড়িয়ে স্বামীজী বললেন "তোমরা নিজেদেরকে সভ্য বলো? তোমাদের এই যে বড় বড় অট্টালিকা সেই অট্টালিকার প্রতিটি ইটের ফাঁকে ফাঁকে রয়েচ্ছে আমার দেশের মানুষের রক্ত বিন্দু। "

স্বামীজী যেন সিংহের গুহায় ঢুকে সিংহের কেশর ধরে টেনে বের করে আনলেন এবং প্রমান করে দিলেন তোমরা কি আমাদের শিক্ষার আলো দেবে? আমাদের উচিৎ তোমাদের দেশে শিক্ষার আলো দেওয়া।

স্বামীজী ছিলেন সারা বিশ্বের আলোক বর্তিকা। পরাধীন ভারতবর্ষে স্বামীজীকে যতটা প্রয়োজন ছিল আজও স্বামীজীকে ততটাই কিংবা বলতে পারি আরো বেশী প্রয়োজন।

তাই আজকের দিনে স্বামীজীর কাছে আমাদের একটাই প্রার্থনা স্বামীজী তুমি আমাদের পথ দেখাও, জাগাও চেতনার আলো।

মনে পড়ে আজ সেই স্বামীজীর গান

" চাবুকের ঘা মেরে জাগালো চেতনা সে যে
বলে গেল ওঠো, জাগো, ঘুমাও না আর।
অবিরাম সংগ্রামে মুক্তির পথে চলো উঁচু করে শীর উঠিয়ে দাঁড়াও আবার।

Address

Domjur 3 No. Mondol
Domjur
711227

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Agnibaan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share