All Bengal Electricity Consumers' Association - ABECA

  • Home
  • All Bengal Electricity Consumers' Association - ABECA

All Bengal Electricity Consumers' Association  - ABECA Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from All Bengal Electricity Consumers' Association - ABECA, Nonprofit Organization, .

12/03/2026

ABECA এর আহ্বানে প্রবল গ্রাহক বিক্ষোভে উত্তাল হল মেদিনীপুর শহর
RM(Regional Manager) এর নিকট বিদ্যুৎ গ্রাহকদের বিক্ষোভ ডেপুটেশন, শহরে বিক্ষোভ মিছিল, DM গেটে প্রতিকি অবরোধ, প্রতিলিপিতে অগ্নিসংযোগ
১২ ই মার্চ, মেদিনীপুরঃ
জনবিরোধী কর্পোরেট পন্থী বিদ্যুৎ আইন (সংশোধনী) বিল-২০২৫ বাতিল, স্মার্টলি টাকা লুটের যন্ত্র স্মার্ট মিটার বসানোর RDSS প্রকল্প সম্পূর্ণ বাতিল, বসিয়ে দেওয়া স্মার্ট মিটার খুলে নেওয়া, ক্ষুদ্রশিল্পে ফিক্সড চার্জের বোঝা বাতিল, লোড বৃদ্ধির অজুহাতে অতিরিক্ত সিকিউরিটি চার্জ সহ বিভিন্ন ধরণের বিপুল চার্জ আদায়ের প্রক্রিয়া বন্ধ করা, গ্রাহককে না জানিয়ে মিটার খুলে নেওয়া, মিথ্যা মামলা দেওয়া সহ দপ্তরের অন্যায় কার্যকলাপ বন্ধ করা, গৃহস্থের ২০০ ইউনিট পর্যন্ত এবং কৃষিতে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ, বাঁশের খুঁটির পরিবর্তে ইলেকট্রিক পুল দেওয়া সহ গ্রাহক স্বার্থের অন্যান্য দাবিতে ABECA পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সহস্রাধিক বিদ্যুৎ গ্রাহকদের এই বিক্ষোভে শহর উত্তাল হয়। ঘাঁটাল- গড়বেতা- মোহনপুর- শালবনি সহ সমগ্র জেলার বিভিন্ন কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের গ্রাহকরা আজ এই বিক্ষোভের সামিল হয়েছিলেন।
জনবিরোধী বিদ্যুৎ আইন (সংশোধনী) বিল- ২০২৫ লোকসভায় পেশ করতে চেয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। দেশব্যাপী গ্রাহক প্রতিরোধে তা পেশ করতে পারেনি। পক্ষ কালব্যাপী এই ড্রাকোনিয়ান বিলের প্রতিবাদে প্রতিবাদপক্ষ চলছে। আজ মেদিনীপুরেও বিশাল গ্রাহক বিক্ষোভ সংগটিত হয়।
মেদিনীপুর স্টেশন থেকে গ্রাহকদের সুসজ্জিত মিছিল শহর পরিক্রমা করে DM দপ্তরের সামনে ক্ষুদিরাম মোড়ে পৌঁছালে গ্রাহকরা প্রবল বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। ক্ষুদিরাম মোড়ে হয় প্রতিকী অবরোধ। বিদ্যুৎ বিল-২০২৫ এর প্রতিলিপিত অগ্নিসংযোগ করেন ABECA পশ্চিম মেদিনীপুর (দক্ষিণ) জেলা সভাপতি পূর্ণচন্দ্র পাত্র ও উত্তর জেলার সহ সভাপতি সেখ মানোয়ার আলি। প্রায় আধঘন্টা অবরোধ চলে। এরপর বিক্ষোভ মিছিল আরএম দপ্তরে পৌঁছালে পুলিশ বাহিনী গ্রাহকদের গতিরোধ করে। গ্রাহকরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন, বিশাল গ্রাহকদের জমায়েত ফকিরকুয়াঁ সংলগ্ন রাস্তায় বসে পড়েন। প্রায় দু'ঘণ্টা ধরে বিক্ষোভ চলে। বিক্ষোভ সভা থেকে গ্রাহক আন্দোলনের প্রবীণ নেতৃত্ব ABECA রাজ্য সহ-সভাপতি পশ্চিম মেদনীপুর (উত্তর) জেলার সভাপতি মধুসূদন মান্নার নেতৃত্বে ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল আর এমের নিকট ডেপুটেশন দিতে যান। নেতৃবৃন্দ আর এম এর কাছে জানতে চান গত ১৯ শে ফেব্রুয়ারি রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ABECA রাজ্য নেতৃত্বের কাছে যে ঘোষণা গুলি করেছিলেন- তা দ্রুততার সঙ্গে এ জেলায় কার্যকর করতে হবে। মন্ত্রীর ঘোষণা মত- আর কোন স্মার্ট মিটার না বসানো, বসিয়ে দেওয়া স্মার্ট মিটার গ্রাহকের আবেদনের ভিত্তিতে খুলে নেওয়া, ক্ষুদ্র শিল্পে ফিক্সড চার্জ ২০০ টাকা থেকে কমিয়ে ৫০ টাকা করে ক্ষুদ্র শিল্প বাঁচানো, প্রান্তিক কৃষিবিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ, বাঁশের খুঁটি পাল্টে কংক্রিটের পুল দেওয়া, লোড বৃদ্ধির অজুহাতে অতিরিক্ত চার্জ নেওয়া বন্ধ করা এই বিষয়গুলি কার্যকর না হলে আগামী দিনে আরও তীব্র গ্রাহক প্রতিরোধের হুঁশিয়ারি দেন নেতৃবৃন্দ। গ্রাহক বিক্ষোভে বক্তব্য রাখেন রাজ্য সম্পাদক মন্ডলী সদস্য বিদ্যাভূষণ দে, জেলা সম্পাদক অশোক ঘোষ, দীপক পাত্র, সুশান্ত সাহু প্রমুখ.

১০ মার্চ সারা ভারত প্রতিবাদ দিবস   জনবিরোধী কর্পোরেট পন্থী বিদ্যুৎ আইন (সংশোধনী) বিল- ২০২৫ লোকসভায় পেশ করা থেকে আপাত পি...
11/03/2026

১০ মার্চ সারা ভারত প্রতিবাদ দিবস
জনবিরোধী কর্পোরেট পন্থী বিদ্যুৎ আইন (সংশোধনী) বিল- ২০২৫ লোকসভায় পেশ করা থেকে আপাত পিছু উঠল সরকার।
কেন্দ্রের বিজেপি সরকার জনবিরোধী কর্পোরেট পন্থী বিদ্যুৎ আইন (সংশোধনী) বিল- ২০২৫, লোকসভায় ১০ ই মার্চ পেশ করতে চেয়েছিল।
লাগাতার গ্রাহক আন্দোলনের ধারা পথে ঐদিন দেশজুড়ে প্রতিবাদ দিবসের ডাক দেয় অল ইন্ডিয়া ইলেকট্রিসিটি কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন (AIECA)। এরাজ্যে কলকাতা সহ সমস্ত জেলার জেলা সদরে, বিভিন্ন ব্লকে এবং কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে এই কালা বিলের প্রতিলিপি পুড়িয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। মিছিল অবরোধ সংঘটিত হয়। এই কালা বিদ্যুৎ আইন সংশোধনীর প্রতিবাদে সমস্ত রাজ্যেই গ্রাহকদের বিক্ষোভ- প্রতিবাদ পত্র প্রদান- বিদ্যুৎ বিলের প্রতিলিপিতে অগ্নিসংযোগ করে প্রতিবাদ জানানো হয়।
কলকাতায় সুবোধ মল্লিক স্কয়ারে জমায়েত করে মিছিল মৌলালি মোড়ে পৌঁছালে সেখানে হয় গ্রাহক বিক্ষোভ অবরোধ। এই ড্রাকোনিয়ান বিদ্যুৎ আইন (সংশোধনী) বিল-২০২৫ এর প্রতিলিপিতে অগ্নিসংযোগ করেন অল ইন্ডিয়া ইলেকট্রিসিটি কনজিউমার্স অ্যাসোসিয়েশন(AIECA) এর সর্বভারতীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ শ্রী অজয় চ্যাটার্জী। বিক্ষোভ সভায় বক্তব্য রাখেন অল বেঙ্গল ইলেকট্রিসিটি কনজিউমার্স অ্যাসোসিয়েশন(ABECA) এর সাধারণ সম্পাদক শ্রী সুব্রত বিশ্বাস। তিনি বলেন এই বিদ্যুৎ বিলে বলা হয়েছে- একটা এলাকায় একাধিক কোম্পানি বিদ্যুৎ বন্টন এর ব্যবসা করবে, এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুতের বেসরকারিকরণ করা হবে। এর ফলে স্মার্ট প্রিপেড মিটার লাগানো বাধ্যতামূলক করা হবে। তথাকথিত ক্রস সাবসিডি তুলে দিয়ে বৃহৎ শিল্পপতিদের দাম কমিয়ে, গৃহস্থ- কৃষি- ক্ষুদ্র শিল্প- ক্ষুদ্র বাণিজ্যিক গ্রাহকদের দাম বাড়ানো হবে। আমেরিকা, ফ্রান্স সহ বিদেশে বাধাপ্রাপ্ত এবং অব্যবহৃত পারমাণবিক চুল্লি কিনে নিয়ে এসে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন করার কথা বলা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে দেশের নাগরিকদের ভয়ংকর বিপদের মধ্যে ফেলে দেবে। এমন ভয়ংকর আক্রমণের বিরুদ্ধে ১০ ই মার্চ দেশজুড়ে প্রতিবাদ প্রতিরোধ সংঘটিত হয়। লকডাউন পরিস্থিতিতে ২০২০ সাল থেকে এই বিল আনার ধারাবাহিক প্রচেষ্টা জারি রেখেছে সরকার। লাগাতার গ্রাহক প্রতিরোধ আন্দোলনে আজও তা আইনে রূপান্তরিত করতে পারেনি। এবারেও আন্দোলনের সামনে আপাতত লোকসভায় বিলটি পেশ করা থেকে পিছু হটেছে কেন্দ্রীয় সরকার। আগামী পক্ষকালব্যাপী দেশব্যাপী গ্রাহক প্রতিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলন চলবে। সর্বস্তরের গ্রাহক সমাজ এই ভয়ংকর আক্রমণ প্রতিরোধে দিকে দিকে গ্রাহক প্রতিরোধ গড়ে তুলুন।

বিদ্যুৎ শিল্পের বেসরকারিকরণ করা এবং স্মার্ট মিটার লাগিয়ে সাধারণ গ্রাহকদের লুট করার জনবিরোধী 'বিদ্যুৎ সংশোধনী বিল ২০২৫' ...
08/03/2026

বিদ্যুৎ শিল্পের বেসরকারিকরণ করা এবং স্মার্ট মিটার লাগিয়ে সাধারণ গ্রাহকদের লুট করার জনবিরোধী 'বিদ্যুৎ সংশোধনী বিল ২০২৫'
আগামী ১০ মার্চ ২০২৬, পার্লামেন্টে পেশ করার প্রতিবাদে
অল ইন্ডিয়া ইলেকট্রিসিটি কনজিউমার্স অ্যাসোসিয়েশন (AIECA) এর ডাকে-
ঐদিন সারা ভারত প্রতিবাদ দিবস পালন করুন।
ABECA

26/02/2026

ABECA নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠকে বিদ্যুৎ মন্ত্রী গ্রাহকদের কিছু দাবি মেনে নিলেন।
প্রতিশ্রুতি কার্যকর করতে জোট বাঁধুন, গ্রাহক আন্দোলন তীব্রতর করুন।।
👉 গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রীর আহবানে অ্যাবেকার পাঁচ জন সদস্য বিদ্যুৎ মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং লিখিত স্মারকলিপি প্রদান করে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
যে দাবিগুলো জানানো হয় সেগুলি নিম্নরূপ।--
১) বর্ধিত ফিক্সড চার্জ ও মিনিমাম চার্জ প্রত্যাহার করতে হবে।
২) বিদ্যুতের মাসুল পঞ্চাশ শতাংশ কমাতে হবে।
৩) কৃষিতে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দিতে হবে।
৪) স্মার্ট প্রিপেড মিটারের প্রকল্প বাতিল করতে হবে। লাগিয়ে দেওয়া স্মার্ট মিটারগুলো খুলে নিতে হবে।
৫) বিদ্যুৎ বন্টন ব্যবস্থায় বাঁশের খুঁটি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
৬) সমস্ত খারাপ ও বন্ধ মিটার পরিবর্তন করে দিতে হবে। খারাপ ও বন্ধ মিটারের সমস্ত বিল সংশোধন করে দিতে হবে।
৭) লো ভোল্টেজ ও লোডশেডিং বন্ধ করা সহ পরিষেবাক্ষেত্রে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৮) রেগুলেশন অনুযায়ী সিকিউরিটি ডিপোজিটের উপর সুদের টাকা হিসাব করে গ্রাহকদের ফেরত দিতে হবে। লোড বৃদ্ধির অজুহাতে বেআইনি কোটেশনের টাকা আদায় করা বন্ধ করতে হবে।
৯) কেন্দ্রীয় সরকারের প্রস্তাবিত জন বিরোধী 'বিদ্যুৎ সংশোধনী বিল ২০২৫' এর বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারকে লিখিত প্রতিবাদ জানাতে হবে।
১০) বন্টন কোম্পানির দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে।
১১) অ্যাবেকার নেতৃত্বের সঙ্গে কমিশনের চেয়ারম্যান কে আলোচনায় বসার ব্যবস্থা করার জন্য আপনার হস্তক্ষেপ আশা করি।

এই সমস্ত দাবিগুলো নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। যে যে বিষয়টি মাননীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রী মেনে নিয়েছেন এবং কার্যকরী করা হবে সেগুলো এই রকম।
১) স্মার্ট মিটার লাগানো হবে না। ব্যাক্তি গ্রাহকের আবেদনের ভিত্তিতে লাগিয়ে দেওয়া স্মার্ট মিটার খুলে নেওয়ার ব্যবস্থা করবে কোম্পানি। যদি কোথাও গ্রাহকের আবেদনের পরেও স্মার্ট মিটার না খোলা হয়, তবে আবেদন পত্রের রিসিভ কপির জেরক্স কপি খুব দ্রুত কলকাতায় অ্যাবেকা অফিসে পাঠানো হলে রাজ্য পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
২) ক্ষুদ্র শিল্পের মিনিমাম চার্জ প্রতি কেভিএ প্রতি মাসে ২০০ টাকা থেকে কমিয়ে ৫০ টাকা করার আমাদের প্রস্তাব বিদ্যুৎমন্ত্রী ন্যায্য বলে স্বীকার করেছেন। আমাদের সামনেই রাজ্যের বিদ্যুৎ বন্টন কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউশন ডাইরেক্টর কে এ বিষয়ে লিখিত নোট দিয়েছেন।
৩) বাঁশের খুটিতে বিদ্যুৎ সংযোগ যেখানে যা আছে, যেগুলো বৈধ কানেকশন, তার ছবিসহ দ্রুত রাজ্য অফিসে পাঠালে রাজ্য অফিস থেকে সেখানে উপযুক্ত পোল লাগানোর ব্যবস্থা করা হবে। এ বিষয়েও ডিস্ট্রিবিউশন
ডাইরেক্টর কে নির্দিষ্ট নোট দিয়েছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী।
৪) সি সি সি স্তরে দুর্নীতি প্রসঙ্গে আমাদের লিখিত অভিযোগগুলি তিনি গ্রহন করে তখনই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। পরবর্তিতেও নির্দিষ্ট অভিযোগ তিনি জানাতে বলেছেন।
৫) বন্টন কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউশন ডাইরেক্টর স্বীকার করেছেন, সিকিউরিটি ডিপোজিট এর পরিমাণ বিদ্যুৎ কনজাম্পশনের ভিত্তিতে হবে, লোডের ভিত্তিতে নয়। যেখানে যেখানে লোড বৃদ্ধির অজুহাতে সিকিউরিটি ডিপোজিটের অ্যামাউন্ট বাড়িয়ে বিল দিয়েছে, সেই অভিযোগগুলোর প্রমাণপত্র সহ ডিস্ট্রিবিউশন ডাইরেক্টর এর কাছে জমা দিতে হবে। প্রয়োজনে সেগুলো বিদ্যুৎ মন্ত্রীও দেখবেন। তবে যাদের সত্য সত্যই লোড বৃদ্ধি হয়েছে তাদের লোড বাড়িয়ে নেওয়ার আবেদন করতে হবে।
৬) কৃষিতে বিনামূল্যে বিদ্যুতের দাবির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন প্রান্তিক কৃষি বিদ্যুৎ গ্রাহকদের ক্ষেত্রে সরকার বিনামূল্যে বিদ্যুৎ এর বিষয় টি শীঘ্রই ঘোষণা করবেন। নির্বাচনের আগেই সরকারি অর্ডার হলে অ্যাবেকা অফিসে পাঠাবেন বলে জানালেন।
৭) জনবিরোধী বিদ্যুৎ আইন সংশোধনী বিল ২০২৫ কেন্দ্র পাশ করলেও পশ্চিমবঙ্গে লাগু হবেনা।
৮) বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের সঙ্গে আবেকার আলোচনায় বসার বিষয়টা ব্যক্তিগতভাবে মন্ত্রী দেখবেন বলে জানিয়েছেন।

সকল স্তরের বিদ্যুৎ গ্রাহকদের জেনে রাখা অবশ্যই প্রয়োজন ক) বিদ্যুৎ সম্পর্কিত যেকোনো ঘটনা ঘটলে ---যেমন অত্যধিক বিল এসেছে, ...
13/02/2026

সকল স্তরের বিদ্যুৎ গ্রাহকদের জেনে রাখা অবশ্যই প্রয়োজন
ক) বিদ্যুৎ সম্পর্কিত যেকোনো ঘটনা ঘটলে ---যেমন অত্যধিক বিল এসেছে, মিটার খারাপ, মিটারে আলো জ্বলছে না বা রিডিং দেখা যাচ্ছে না, লাইন আসছে না বা বন্ধ হয়ে গেছে, নতুন কানেকশন নেওয়ার কোটেশনের টাকা জমা দেওয়ার পর ৩০ দিন পার হয়ে গেছে কিন্তু বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়নি, বিদ্যুৎ অফিস থেকে যথাসময়ে বিল দিচ্ছে না, মিটার রিডার মিটার রিডিং দেখতে আসছেন না, গড় বিল পাঠাচ্ছে, অ্যাকুমুলেটেড বিল পাঠাচ্ছে, মিটার বন্ধ ডিসকানেকশন হয়ে আছে তবুও বিল আসছে, ডিসকানেকশন-রিকানেকশন চার্জসহ বকেয়া বিলের টাকা মিটিয়ে দেওয়ার পর ২৪ ঘন্টার মধ্যে লাইন দিচ্ছে না, ট্রান্সফরমার পুড়ে গিয়ে বা খারাপ হয়ে লাইন বন্ধ, লো ভোল্টেজ বা লোডশেডিং হচ্ছে, গ্রাহকের অনুমতি না নিয়ে তার বাড়ি বা জমির উপর দিয়ে বিদ্যুতের খুঁটি বা লাইন টানা হচ্ছে, পার্মানেন্টলি ডিসকানেকশন করে দেবার পর ফাইনাল বিলের টাকা মিটিয়ে দিয়েছেন কিন্তু সিকিউরিটি ডিপোজিটের টাকা ফেরত দিচ্ছে না,----এরকম যে কোন ঘটনা ঘটলে সাথে সাথে স্টেশন ম্যানেজারের অফিসে আবেদন পত্র জমা দিন। সমাধান না হলে যেদিন ঘটনা ঘটেছিল সেই দিন থেকে ৯০ দিনের মধ্যে আর জি আর ও ‌(রিজিওনাল গ্রিভান্স রিড্রেসাল অফিসার) মহাশয়ের নিকট অভিযোগ পত্র জমা দিতে হবে। এটা না করতে পারলে আপনার সমস্যার সমাধানের জন্য আর কোন অফিসেই আপনার অভিযোগপত্র গ্রাহ্য হবে না।
খ) রিজিওনাল গ্রিভান্স রিড্রেসাল অফিসারের কাছে অভিযোগ দায়ের করার ৬০ দিনের মধ্যে অথবা অর্ডার পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে ওমবুডসম্যানের কাছে আবেদন করতে হবে। আর যেখানে রিজিওনাল গ্রিভান্স রিড্রেসাল অফিসারের কাছ থেকে সময়মতো কোন অর্ডার পাওয়া যায়নি সেক্ষেত্রে ৪৫ দিনের মধ্যে ওমবুডসম্যানের কাছে আবেদন করতে হবে।
গ) ব্যক্তি বিদ্যুৎ গ্রাহক তার নিজের সমস্যার সমাধানে অসহায় বোধ করেন, তাই সংগঠিত আন্দোলন গড়ে তোলার প্রয়োজন।
ঘ) বিদ্যুৎ গ্রাহকদের একমাত্র সংগঠন "অল বেঙ্গল ইলেক্ট্রিসিটি কনজিউমার্স অ্যাসোসিয়েশন (অ্যাবেকা)-র সদস্য হোন। বার্ষিক সদস্য চাঁদা মাত্র কুড়ি টাকা।
ঙ) যে কোন স্তরে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের সমস্যা হলে অ্যাবেকা-র সাথে যোগাযোগ করুন।

ঘাটালে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের কর্মশালা       অল বেঙ্গল ইলেকট্রিসিটি কনজিউমার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ABECA) এর উদ্যোগে কর্মশালা হল...
09/01/2026

ঘাটালে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের কর্মশালা
অল বেঙ্গল ইলেকট্রিসিটি কনজিউমার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ABECA) এর উদ্যোগে কর্মশালা হল ঘাটালের গৌরা শহীদ স্মৃতি সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতির সভাগৃহে। ৮ ই জানুয়ারি।
দুই শতাধিক গ্রাহক এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালা পরিচালনা করেন গ্রাহক আন্দোলনের বিশিষ্ট নেতা ABECAএর রাজ্য সহ-সভাপতি শ্রী অমল মাইতি ও রাজ্য সম্পাদক শ্রী সুব্রত বিশ্বাস। বর্তমানে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার এবং বিদ্যুৎ দপ্তর পরিষেবা নীতি ত্যাগ করে বিদ্যুৎ ক্ষেত্রকে পণ্যে পরিণত করেছে। গ্রাহক স্বার্থ বিরোধী নানান জন বিরোধী নীতি প্রয়োগ করে চলেছে। লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়াচ্ছে। ফিক্সড চার্জ ও মিনিমাম চার্জের বোঝা চাপিয়েছে। ক্ষুদ্র শিল্পে লাল বাতি জ্বালিয়েছে। প্রচলিত আইনের তোয়াক্কা না করে অতিরিক্ত লোডের অজুহাতে অতিরিক্ত সিকিউরিটি লুট চলছে। খারাপ মিটার পরিবর্তন না করে এভারেজ বিলের নামে গ্রাহকদের পকেট কাটা চলছে। বর্তমানের ডিজিটাল মিটার সঠিক রিডিং দিলেও স্মার্টলি টাকা লুটের মতলবে স্মার্ট মিটার জোরপূর্বক বসানোর প্রচেষ্টা জারি রেখেছে। জন বিরোধী সংশোধনী বিদ্যুৎ বিল ২০২৫ আনা হয়েছে।
এই সকল গ্রাহক স্বার্থ বিরোধী এবং প্রচলিত বিদ্যুত আইন পরিপন্থী আক্রমণের বিরুদ্ধে গ্রাহক সচেতনতা এবং তীব্র গ্রাহক আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই কর্মশালা পরিচালিত হয়। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সভ্যতার চালিকাশক্তি বিদ্যুৎকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গী, গ্রাহকদের অধিকার এবং বর্তমান আক্রমণকে ঠেকানোর পরিপূরক তীব্র গ্রাহক আন্দোলন সংক্রান্ত নানান বিষয়ে আলোচনা করেন শ্রী অমল মাইতি ও শ্রী সুব্রত বিশ্বাস। এছাড়াও আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন রাজ্য সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য শ্রী শংকর মালাকার, চণ্ডীচরণ হাজরা, জেলা সম্পাদক শ্রী অশোক ঘোষ প্রমুখ।
কর্মশালাটির সভাপতিত্ব করেন গ্রাহক আন্দোলনের প্রবীণ নেতৃত্ব ABECA রাজ্য সহ-সভাপতি তথা জেলা সভাপতি শ্রী মধুসূদন মান্না। সমগ্র কর্মশালা সঞ্চালনা করেন ABECA ঘাটাল ডিভিশনাল সম্পাদক শ্রী অসিত সরকার।
কর্মশালার শুরুতে গৌরা বাজারে গ্রাহকদের মিছিল পরিক্রমা করে।

31/12/2025

আজ বিদ্যুৎ ভবনে ABECA-র রাজ্য সম্পাদক সুব্রত বিশ্বাসের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করেন।
বিশেষ করে মিনিমাম চার্জ ও ফিক্সচার্জ যেভাবে গ্রামীণ ক্ষুদ্র শিল্পকে ধ্বংস করছে তার সুরাহা কিভাবে হতে পারে এই মর্মে বিদ্যুৎ দপ্তরের আধিকারিক জানান- যে সময়টা কাজের চাপ কম থাকবে ক্ষুদ্র শিল্পের মালিকরা লাইন ডিসকানেক্ট করতে পারেন আবার মরশুমের শুরুতে ছয় মাসের মধ্যে লাইন রিকানেকশন করলে অত্যন্ত অল্প পয়সায় খানিকটা সুরাহা হতে পারে। এছাড়া আরো কিছু অন্য বিষয়ে উনার সঙ্গে প্রতিনিধি দলের কথাবার্তা/ তর্ক বিতর্ক হয়।

বিদ্যুৎ গ্রাহকদের পশ্চিম মেদিনীপুর (দক্ষিণ) জেলা  সম্মেলন। বিদ্যুৎ গ্রাহকদের ১৯ তম জেলা সম্মেলন হল বেলদা শহরের বাজার বেল...
16/11/2025

বিদ্যুৎ গ্রাহকদের পশ্চিম মেদিনীপুর (দক্ষিণ) জেলা সম্মেলন।
বিদ্যুৎ গ্রাহকদের ১৯ তম জেলা সম্মেলন হল বেলদা শহরের বাজার বেলদায়। বেলদা ডিভিশনের বেলদা, নারায়ণগড়, খাকুড়দা, দাঁতন, কেশিয়াড়ি ও মোহনপুর এই ছটি কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের প্রায় তিন শতাধিক প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এই সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ABECA এর রাজ্য সাধারণ সম্পাদক শ্রী সুব্রত বিশ্বাস।
শুরুতে কেশিয়াড়ি মোড় থেকে একটি সুসজ্জিত মিছিল বেলদা শহর পরিক্রমা করে সম্মেলন স্থলে পৌঁছে শহীদ বেদীতে মাল্য দানের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের কাজ শুরু হয়। প্রাক্তন শিক্ষক শ্রী পূর্ণচন্দ্র পাত্রের সভাপতিত্বে মূল প্রস্তাব পাঠ ও সমর্থনে গ্রাহকরা অংশ গ্রহণ করেন। ৬টি কাস্টমার কেয়ার সেন্টার থেকে নেতৃবৃন্দ ও গ্রাহকরা মূল প্রস্তাবের উপর আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া বক্তব্য রাখেন শিক্ষক শ্রী তপনেশ দে, চিকিৎসক ডাঃ অংশুমান মিশ্র, বাস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের জেলা সম্পাদক শ্রী জ্ঞানেন্দ্রনাথ পাত্র, প্রাক্তন শিক্ষক শ্রী প্রদীপ দাস, প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক শ্রী ধীরেন্দ্রনাথ জানা, প্রাক্তন শিক্ষক শ্রী সুধাংশু শাহু, খাকুড়দা ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক গৌতম পট্টনায়ক, এস বি টি এ এর সম্পাদক রাজু চণ্ডক, বিএফটিও'র সম্পাদক রঞ্জন মান্না প্রমুখ।
সুব্রত বাবু সম্মিলিত গ্রাহকদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন- "গ্রাহক আন্দোলনের চাপেই স্মার্ট মিটার বসানো থেকে রাজ্য সরকারকে পিছু হটতে বাধ্য করা গেছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় RDSS প্রকল্প এখনো বাতিল হয়নি। স্মার্টলির টাকা লুটের যন্ত্র বসাতে না পেরে, ঘুরপথে গ্রাহকদের পকেট কাটতে মরিয়া রাজ্য সরকার। বেআইনিভাবে লোড বৃদ্ধির অজুহাতে সিকিউরিটি বোঝা চাপানো হচ্ছে। আউটস্ট্যান্ডিং বিলের নামে বিলে হাজার হাজার টাকা বর্ধিত চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অথচ বিদ্যুৎ আইন মোতাবেক বিদ্যুৎ দপ্তরে জমা রাখা গ্রাহকদের সিকিউরিটি ডিপোজিটের ফেরত দেওয়া বিষয়টি সরকার চেপে গেছে। উৎপাদন খরচ ইউনিট প্রতি ১ টাকা ৩২ পয়সা হলেও তা বর্তমানে বিক্রি করা হচ্ছে গড়ে ৭ টাকা ১২ করে। এভাবে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা লুট চলছে। অ্যাবেকা এর বিরুদ্ধে রাজ্য ব্যাপী তীব্র প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলছে। আপনারা এই জেলায় প্রত্যেকটি কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। সিকিউরিটির সুদ সহ ফেরত এর দাবিতে এবং লোড বৃদ্ধির অজুহাতে অতিরিক্ত সিকিউরিটি চাপিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে আমাদের ছাপানো ফরম ফিলাপ করে দলে দলে জমা দিন।অ্যাবেকার ব্যাপক সদস্য সংগ্রহের আহ্বান জানান তিনি। জনবিরোধী কর্পোরেট পন্থী বিদ্যুৎ বিল -২০২৫ প্রতিরোধে প্রতিরোধ আন্দোলনের ডাক দেন তিনি। সেই সঙ্গে তিনি এ রাজ্যে বসিয়ে দেওয়া স্মার্ট মিটার খুলে নিয়ে ডিজিটাল মিটার ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে সোচ্চার হন।
সম্মেলন থেকে শ্রী পূর্ণচন্দ্র পাত্রকে সভাপতি এবং শ্রী বিদ্যা ভূষণ দেকে সম্পাদক করে ৫০ জনের জেলা কমিটি গঠিত হয়। নবনির্বাচিত জেলা সম্পাদক বিদ্যাভূষণ দে সপ্তাহ ব্যাপী সদস্য সংগ্রহ এবং গ্রাম স্তরে কমিটি গঠনের কথা ঘোষণা করেন।

গ্রাহক বিক্ষোভে উত্তাল কোলকাতা কর্পোরেশন।রক্ষণাবেক্ষণহীন বেআব্রু তারে বিদ্যুৎপিষ্ট করে হত্যা করা আটজন নাগরিকদের পরিবারকে...
14/11/2025

গ্রাহক বিক্ষোভে উত্তাল কোলকাতা কর্পোরেশন।
রক্ষণাবেক্ষণহীন বেআব্রু তারে বিদ্যুৎপিষ্ট করে হত্যা করা আটজন নাগরিকদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দাও। মরণফাঁদ পেতে বিদ্যুৎ পিষ্ঠ করে ভবিষ্যতে নাগরিক নিধন বন্ধ কর।
এই দাবিতে কোলকাতা কর্পোরেশনে বিক্ষোভ ডেপুটেশন হয় অল বেঙ্গল ইলেকট্রিসিটি কনজিউমার্স অ্যাসোসিয়েশন (ABECA) কোলকাতা জেলা কমিটির পক্ষ থেকে। বিক্ষোভ মিছিল করে গ্রাহকরা কর্পোরেশনের মূল প্রবেশদ্বারে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। চলে বিক্ষোভ সভা। বক্তব্য রাখেন ABECA কোলকাতা জেলা সম্পাদক নীরেন কর্মকার, আশীষ দন্ড, প্রবীর শীল প্রমূখ।
গত ২২-২৩ সেপ্টেম্বর কলকাতায় অতি বৃষ্টিতে জমা জলে বিদ্যুৎপিষ্ট হয়ে মর্মান্তিকভাবে বেঘোরে প্রাণ হারিয়েছিলেন ৮ জন সহ নাগরিক। কোলকাতা সহ শহরতলিতে বিদ্যুৎকে বেসরকারি সংস্থা গোয়েঙ্কা কোম্পানির হাতে অবাধ লুটের জন্য তুলে দিয়েছিল পূর্বতন সরকার। বর্তমান সরকারও সিইএসসি'র বেপরোয়া লুণ্ঠনকেই মদত দিয়ে চলেছে। ন্যূনতম গ্রাহক স্বার্থ- সেফটি সিকিউরিটির কোন বালাই নেই। রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদ থেকে নামমাত্র মূল্যে বিদ্যুৎ নিয়ে গ্রাহকদের কাছে বিপুল হারে বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা মুনাফা করলেও রক্ষণাবেক্ষণ ন্যূনতম কোন প্রচেষ্টা নেই গোয়েঙ্কা কোম্পানির। সর্বত্রই ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বিপদজনক ভাবে খোলা তার। সেফটি সিকিউরিটির আধুনিক ব্যবস্থার কোন চিহ্ন মাত্রই নেই। লাগানো হচ্ছে না আধুনিক সেন্সিং সার্কিট ব্রেকার। ফলে জমা জলে বিদ্যুৎপিষ্টের মত ঘটনা ঘটলো। যা কার্যত হত্যার সামিল। কোলকাতা কর্পোরেশন ও রাজ্য সরকার এর দায় এড়াতে পারেনা।
বিক্ষোভ সভা থেকে নীরেন কর্মকারের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দল কলকাতা কর্পোরেশনের বিদ্যুৎ ও আলো বিভাগের মেয়র পারিষদ সন্দীপ রঞ্জন বকসির হাতে স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয়। দাবি পূরণ না হলে আরও তীব্র গ্রাহক আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন নেতৃবৃন্দ। অপরদিকে একই দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টেও এক জনস্বার্থ মামলায় সামিল হলো গ্রাহক সংগঠন ABECA।

গ্রাহক আন্দোলন তীব্রতর করতে দিকে দিকে চলছে গ্রাহক কনভেনশন ও গ্রাহক সভা। আন্দোলনের চাপে রাজ্য সরকার বাধ্য হয়েছে স্মার্ট ...
06/11/2025

গ্রাহক আন্দোলন তীব্রতর করতে দিকে দিকে চলছে গ্রাহক কনভেনশন ও গ্রাহক সভা।
আন্দোলনের চাপে রাজ্য সরকার বাধ্য হয়েছে স্মার্ট মিটার বসানো বন্ধ রাখতে। কিন্তু কেন্দ্রীয় RDSS প্রকল্প এখনো বাতিল হয়নি শুধু নয়, রাজ্য সরকার ও বিদ্যুৎ দপ্তর ঘুরপথে গ্রাহকদের পকেট কাটতে মরিয়া। সকল গ্রাহকদের লোড বৃদ্ধির কাল্পনিক হিসেব করে বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে আউটস্ট্যান্ডিং বিল ও অন্যান্য বিল হিসেব ধরে বিপুল পরিমাণে বর্ধিত মাশুল পাঠাচ্ছে। প্রত্যেক গ্রাহকদের কাছ থেকে হাজার হাজার টাকার বর্ধিত মাশুল লুট চালাচ্ছে বিদ্যুৎ দপ্তর। এভাবে এক ধাক্কায় কোটি কোটি টাকা বাড়তি আদায় করছে বিদ্যুৎ দপ্তর।
অথচ বিদ্যুৎ আইন মোতাবেক বিদ্যুৎ দপ্তরে গ্রাহকদের জমা রাখা সিকিউরিটি ডিপোজিটের উপর সুদ সহ গ্রাহকদের বিলের সঙ্গে অ্যাডজাস্ট করার কোন বালাই নেই। গ্রাহকদের প্রাপ্য হাজার হাজার টাকা কার্যত গায়েব করে দিচ্ছে, উল্টে আরো বর্ধিত অযৌক্তিক বিপুল সিকিউরিটি ও মাশুল চাপিয়ে দিচ্ছে!!!!
এই অযৌক্তিক টাকা লুট প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে, বসিয়ে দেওয়া স্মার্ট মিটার খুলে নেওয়া, স্মার্ট মিটার বসানোর কেন্দ্রীয় RDSS প্রকল্প সম্পূর্ণ বাতিল এবং জনবিরোধী সংশোধনী বিদ্যুৎ বিল- ২০২৫ বাতিলের দাবিতে তীব্র গ্রাহক আন্দোলন গড়ে তুলতে দিকে দিকে গ্রাহক কনভেনশন, সভা ও গ্রাহক বিক্ষোভ সংগঠিত করছে অ্যাবেকা।
অ্যাবেকার সদস্য হোন, গ্রাহক প্রতিরোধ কমিটি গড়ে তুলুন।

যথাযোগ্য মর্যাদায় ৫ই নভেম্বর দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের জন্ম দিবস পালন করল গ্রাহক সংগঠন অ্যাবেকা    আজ ৫ ই নভেম্বর, মহান...
05/11/2025

যথাযোগ্য মর্যাদায় ৫ই নভেম্বর দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের জন্ম দিবস পালন করল গ্রাহক সংগঠন অ্যাবেকা
আজ ৫ ই নভেম্বর, মহান দেশপ্রেমিক স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম দিক দ্রষ্টা দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ এর জন্মদিন। এ বছরটি দেশবন্ধুর প্রয়াণ শতবর্ষ। ১৯২৫ সালের ১৫ ই জুন এই মহান স্বদেশপ্রেমিকের প্রয়াণ হয়েছিল। প্রয়াণ শতবর্ষে তাঁর জন্ম দিবস আজকের দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করলো বিদ্যুৎগ্রাহক সংগঠন- অল বেঙ্গল ইলেকট্রিসিটি কনজিউমার্স অ্যাসোসিয়েশন(ABECA)।
রাজ্য ব্যাপী যথাযোগ্য মর্যাদায় আজকের দিনটি পালিত হয়। মধ্য কলকাতার মোতি সীল স্ট্রিটে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ABECA এর রাজ্য কমিটির সদস্য প্রবীর সীল সহ বিশিষ্ট জন। মেদিনীপুর শহরের মেদিনীপুর স্টেশনে মহান এই দেশপ্রেমিকের প্রতিকৃতি রেখে মাল্যদান ও স্মৃতিচারণ হয়। মাল্যদান করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ABECA মেদনীপুর শহর সভাপতি তথা বিশিষ্ট সমাজসেবী শ্রী দীপক বসু, শহর সম্পাদক শ্রী সুশান্ত সাহু, রাজ্য কমিটির সদস্য ভবানী চক্রবর্তী প্রমুখ। সংগঠনের পশ্চিম মেদিনীপুর দক্ষিণ শাখার উদ্যোগে বেলদা শহরে শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠান হয়। মাল্য দান করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য শ্রী বিদ্যাভূষণ দে, রাজ্য কমিটির সদস্য শ্রী দীপক পাত্র প্রমুখ। বাঁকুড়াতে দেশবন্ধুর মূর্তিতে মাল্য করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য তথা বাঁকুড়া জেলা সম্পাদক স্বপন নাগ সহ গ্রাহকবৃন্দ।
স্মৃতি চারণ করে নেতৃবৃন্দ বলেন ব্রিটিশ শাসিত ভারতবর্ষে স্বাধীনতা আন্দোলনে নিবেদিত প্রাণ বিপ্লবীদের কারামুক্তি ঘটাতে কোটে লড়তে গিয়ে বিপ্লবীদের ত্যাগ তিতিক্ষা সংগ্রাম, দেশমাত্রিকার শৃংখল মোচনে জীবন উৎসর্গ করার অসামান্য চরিত্রগুলি দেখে বিখ্যাত ব্যারিস্টার চিত্তরঞ্জন দাস সেদিন দেশের কাজে নিজেকে উৎসর্গ করতে শুরু করেন। জীবন সায়াহ্নে সারা জীবনের উপার্জিত সমস্ত দেশমাত্রিকার বেদিমূলে সমর্পণ করে দেশবাসীকে আপন করে নিয়েছিলেন এমন ভাবে, দেশবাসী তাকে বরণ করেছিলেন 'দেশবন্ধু' হিসেবে। যার অসামান্য চরিত্র- জীবন বোধ সেদিন নেতাজি প্রমুখ বিপ্লবীদের স্বাধীনতা আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে পথ দেখিয়েছিল।
মহান এই স্বাধীনতা সংগ্রামী দেশপ্রেমিক দেশবন্ধুর মৃত্যু শতবর্ষ যথাযোগ্য মর্যাদায় বিদ্যুৎ গ্রাহক আন্দোলনের গ্রাহকগণ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করছেন।
ব্রিটিশ পরবর্তী ভারতবর্ষে কর্পোরেটদের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বিদ্যুতের মত পরিষেবা ক্ষেত্রে কে সাধারণ কাছ থেকে কেড়ে নেওয়ার সরকারের ভয়ংকর আক্রমণ ঠেকাতে দেশবন্ধুর চরিত্র সাধনা আজকে গ্রাহক আন্দোলনের সামনে এক অন্যতম পাথেয় হিসেবেই গ্রহণ করছে ABECA।

স্মার্ট মিটার প্রতিরোধ আন্দোলনের বিজয়, আরও তিব্রতর গ্রাহক আন্দোলন ও ২ লক্ষ সদস্য সংগ্রের  পরিকল্পনা গৃহীত হলো ABECA এর ...
30/10/2025

স্মার্ট মিটার প্রতিরোধ আন্দোলনের বিজয়, আরও তিব্রতর গ্রাহক আন্দোলন ও ২ লক্ষ সদস্য সংগ্রের পরিকল্পনা গৃহীত হলো ABECA এর রাজ্য কমিটির সভায়।
আজ ৩০ অক্টোবর কলকাতার তারাপদ মেমোরিয়াল হলে রাজ্য কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। রাজ্য সভাপতি অনুকূল ভদ্রের সভাপতিত্বে রাজ্য কমিটির সকল সদস্য বর্তমান গ্রাহক আন্দোলন গড়ে তোলা এবং সংগঠনকে মজবুত করার নানান বিষয় নিয়ে চর্চা করেন। বক্তব্য রাখেন রাজ্য সাধারণ সম্পাদক শ্রী সুব্রত বিশ্বাস, সহ-সভাপতি শ্রী প্রদ্যোৎ চৌধুরি, মধুসূদন মান্না। বক্তব্য রাখেন অল ইন্ডিয়া ইলেকট্রিসিটি কনজুমার্স এসোসিয়েশনের (AIECA) এর সর্বভারতীয় কোষাধ্যক্ষ অজয় চ্যাটার্জী।
ABECA এর সাধারণ সম্পাদক শ্রী সুব্রত বিশ্বাস জানানঃ-
"পশ্চিমবাংলায় একের পর এক বিদ্যুৎ গ্রাহক আন্দোলনের জয় হচ্ছে। অতি সম্প্রতি স্মার্ট মিটার বসানো হবে না বলে রাজ্যের মাননীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রী বিধানসভায় ঘোষণা করেছেন। এটাও বিদ্যুৎ গ্রাহক আন্দোলনের এক ঐতিহাসিক জয়। এই জয়ের সঙ্গে আরও ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তোলার প্রয়োজনে আমাদের সংগঠনের ব্যাপক সদস্য সংগ্রহ করা দরকার। সদস্য সংগ্রহের সংখ্যা রাজ্যগতভাবে টার্গেট ঠিক করা দরকার এবং সেটা অতি অবশ্যই অন্ততপক্ষে দু'লক্ষর কম হওয়া উচিত নয়। সাধারণ মানুষের যা সমর্থন বিদ্যুৎ গ্রাহকদের যা সমর্থন যে সমর্থনকে ভিত্তি করে আন্দোলনের একের পর এক জয় হচ্ছে। যারা সমর্থন করেছেন যারা এগিয়ে এসেছেন এলাকার সমস্ত স্তরের বিদ্যুৎ গ্রাহক। কৃষি বিদ্যুৎ গ্রাহক গৃহস্থ্য বিদ্যুৎ গ্রাহক কমার্শিয়াল বাণিজ্য বিদ্যুৎ গ্রাহক এবং ক্ষুদ্র শিল্প বিদ্যুৎ গ্রাহক সকলকেই বছরে মাত্র কুড়ি টাকার বিনিময়ে সদস্য হওয়ার জন্য একান্ত আবেদন জানাচ্ছি। আগামী দিনে এই আন্দোলনকে আরও তীব্র করার প্রয়োজনে সংগঠনের মধ্যে এই সদস্য সংগ্রহ করার নির্দিষ্ট টার্গেট নিয়ে সকলকে কাজে নেমে পড়ার জন্য আবেদন জানাচ্ছি।"
সেই সঙ্গে লাগিয়ে দেওয়া স্মার্ট মিটার খুলে নেওয়া, স্মার্ট মিটার বসানোর কেন্দ্রীয় RDSS প্রকল্প বাতিল করা, জনবিরোধী কর্পোরেট পন্থী বিদ্যুৎ বিল- ২০২৫ বাতিল করা, লোড বৃদ্ধির অজুহাতে সিকিউরিটি ডিপোজিটের বোঝা সহ নানান অন্যায় সাকচার্জ আদায় বন্ধ করার চলমান আন্দোলনকে সংহত করার লক্ষ্যে সর্বত্র ব্যাপক কনভেনশন করে তীব্র গ্রাহক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

Address


Telephone

+918621983687

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when All Bengal Electricity Consumers' Association - ABECA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to All Bengal Electricity Consumers' Association - ABECA:

  • Want your organization to be the top-listed Non Profit Organization?

Share