Ramharipur Ramakrishna Mission High School

Ramharipur Ramakrishna Mission High School This is not official page. This page is maintain by former students. 1. Three hostels with 150 boys.

4.

A high school and a junior basic school with 992 and 145
students respectively.

2. A night school with 58 scheduled caste boys, four non-formal
education centres with 185 students, a free coaching centre
with 107 students, and nine adult education centres for women
with 268 students.

3. A library with 7435 books, and 7 newspapers and periodicals.

5. An allopathi

c-cum-homoeopathic dispensary, which treated
11,002 cases this year.

6. Self-employment programmes, distribution of clothes, milk,
medicines, and so on, providing pecuniary and other types of help
to the poor for house-repairing, etc, digging of bore-wells and
construction of community toilets in rural areas.

7. Religious activities: Daily worship, celebration of the birth
anniversaries of Sri Ramakrishna, Holy Mother Sri Sarada Devi
and Swami Vivekananda.

সময় টা লড়াই এ পাশে থাকার, লড়াই টা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে আমাদের এক প্রাক্তনী অনুপম-এর  (অনুপম ঘোষাল- মাধ্যমিক ২০২৪) সদ্...
08/04/2026

সময় টা লড়াই এ পাশে থাকার, লড়াই টা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে আমাদের এক প্রাক্তনী অনুপম-এর (অনুপম ঘোষাল- মাধ্যমিক ২০২৪) সদ্য ১৮ ঘরে পা দেওয়া ছেলেটা আজ মারণ ব্যাধি তে আক্রান্ত।
তার পরিবারের আর্থিক অবস্থা এই লড়াইয়ে কিছুটা হলেও মানসিক দুর্বলতার সৃষ্টি করেছে। আমাদের সমবেত চেষ্টার মাধ্যমে আমরা পারি লড়াইয়ে তার জয়ের সঙ্গী হতে।
শ্রীশ্রী ঠাকুর -মা -স্বামীজির আশীর্বাদে আমরা পারবো এই লড়াইতে জিততে। এই পেজের সকল ফলোয়ার বন্ধুদের কাছে অনুরোধ অনুগ্রহ করে আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী ভাইটির পাশে দাঁড়ান।

06/04/2026

শোক সংবাদ:- গভীর দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে আমাদের বিদ্যালয়ের প্রাক্তনী (মাধ্যমিক ১৯৯৮ সাল) ৺সৌমেন ঘোষ শারীরিক অসুস্থতার কারণে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন গতকাল (05-04-2026) দুপুর নাগাদ শ্রীরামকৃষ্ণ লোকে গমন করেছেন। তাঁর এই অকাল প্রয়াণে আমরা গভীর শোকাহত ও মর্মাহত। তাঁর বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করি ও পরিবারে প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই। শ্রী শ্রী ঠাকুর - মা - স্বামীজী পরিবারকে মানসিক শক্তি প্রদান করুন এই প্রার্থনা করি।🙏 হরি ওঁ রামকৃষ্ণ 🙏।

নানা ভাষা, নানা মত, নানা পরিধান... তবুও আমরা সবাই ভারতীয়—এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয়। 🇮🇳গণতন্ত্রের এই উৎসবে আসুন ভেদাভেদ...
26/01/2026

নানা ভাষা, নানা মত, নানা পরিধান... তবুও আমরা সবাই ভারতীয়—এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয়। 🇮🇳
গণতন্ত্রের এই উৎসবে আসুন ভেদাভেদ ভুলে এক হয়ে থাকি। গর্বের সাথে উড়াই তেরঙা।
​সবাইকে সাধারণতন্ত্র দিবসের অনেক ভালোবাসা ও অভিনন্দন।
জয় হিন্দ! বন্দেমাতরম!

আজ শ্রী রামকৃষ্ণ দেবের প্রধান ১৬ জন ত্যাগী বা সন্ন্যাসী শিষ্যের তৃতীয় পর্বে পূজনীয় স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজ কে নিয়ে।...
24/01/2026

আজ শ্রী রামকৃষ্ণ দেবের প্রধান ১৬ জন ত্যাগী বা সন্ন্যাসী শিষ্যের তৃতীয় পর্বে পূজনীয় স্বামী ব্রহ্মানন্দ মহারাজ কে নিয়ে।

শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের ‘মানসপুত্র’ এবং রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রথম অধ্যক্ষ স্বামী ব্রহ্মানন্দ ছিলেন আধ্যাত্মিক জগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। পূর্বাশ্রমে রাখালচন্দ্র ঘোষ নামে পরিচিত এই মহান সাধককে স্বামী বিবেকানন্দ তাঁর উচ্চ আধ্যাত্মিক শক্তি ও রাজকীয় গাম্ভীর্যের জন্য ‘রাজা মহারাজ’ আখ্যা দিয়েছিলেন। একাধারে তিনি ছিলেন মহাযোগী এবং দক্ষ প্রশাসক, যিনি রামকৃষ্ণ সংঘকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করেন। তাঁর জীবন ও বাণী আজও অসংখ্য মানুষের কাছে আধ্যাত্মিক চেতনার আলোকবর্তিকা।

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি (Introduction)

​পূর্বাশ্রমের নাম: রাখালচন্দ্র ঘোষ।

​জন্ম: ২১ জানুয়ারি, ১৮৬৩।

​জন্মস্থান: শিকরা-কুলীনগ্রাম (বসিরহাট, চব্বিশ পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ)।

​পিতা: আনন্দমোহন ঘোষ (জমিদার)।

​গুরু: শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব।

​বিশেষ উপাধি: শ্রীরামকৃষ্ণের 'মানসপুত্র' বা আধ্যাত্মিক সন্তান।



প্রাথমিক জীবন (Early Life)

​রাখালচন্দ্র ঘোষ এক ধনী জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন অত্যন্ত শান্ত, ধীরস্থির এবং ভক্তিপ্রবণ। বাল্যকাল থেকেই ঈশ্বরের প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ ছিল। পড়াশোনার জন্য তিনি কলকাতায় আসেন এবং সেখানেই নরেন্দ্রনাথ দত্তের (পরবর্তীতে স্বামী বিবেকানন্দ) সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব হয়। এই বন্ধুত্বই তাঁকে পরবর্তীতে দক্ষিণেশ্বরে শ্রীরামকৃষ্ণের সান্নিধ্যে নিয়ে আসে।



শ্রীরামকৃষ্ণের সান্নিধ্য ও দীক্ষা (Meeting Sri Ramakrishna)

​রাখালচন্দ্র যখন দক্ষিণেশ্বরে প্রথম আসেন, শ্রীরামকৃষ্ণ তাঁকে দেখেই চিনতে পারেন এবং বলেন যে রাখাল তাঁর 'ব্রজধামের গোপাল'।

​শ্রীরামকৃষ্ণ তাঁকে নিজের পুত্রের মতো স্নেহ করতেন এবং তাঁর আধ্যাত্মিক বিকাশের জন্য বিশেষ যত্ন নিতেন।

​ঠাকুরের নির্দেশে তিনি কঠোর সাধনভজন করতেন।

​ঠাকুর বলতেন, "রাখালের স্বভাবটি ঠিক যেন বাচ্ছার মতো—সদা ইষ্টতে মগ্ন।"



সন্ন্যাস ও কর্মজীবন (Monastic Life & Leadership)

​১৮৮৬ সালে শ্রীরামকৃষ্ণের মহাপ্রয়াণের পর, বরাহনগর মঠে তিনি সন্ন্যাস গ্রহণ করেন এবং তাঁর নাম হয় 'স্বামী ব্রহ্মানন্দ'।

​প্রথম অধ্যক্ষ: স্বামী বিবেকানন্দ যখন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন প্রতিষ্ঠা করেন, তখন তিনি স্বামী ব্রহ্মানন্দকে এই সংঘের প্রথম প্রেসিডেন্ট বা অধ্যক্ষ নির্বাচিত করেন। স্বামীজি তাঁকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করতেন এবং বলতেন, "আমি হলাম চালিকাশক্তি, কিন্তু রাজা (ব্রহ্মানন্দ) হলো সংঘের ধারক ও পালক।"

​সংগঠক: তাঁর সুদক্ষ পরিচালনায় রামকৃষ্ণ মিশন একটি শক্তিশালী আধ্যাত্মিক ও সেবা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। পুরী, ভুবনেশ্বর এবং ভারতের বিভিন্ন স্থানে মঠ ও আশ্রম প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য।



উপদেশ ও শিক্ষা (Teachings)

​স্বামী ব্রহ্মানন্দের উপদেশগুলো অত্যন্ত সহজ-সরল কিন্তু গভীর তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁর প্রধান শিক্ষার বিষয় ছিল 'ধ্যান' এবং 'মনঃসংযম'।

​তিনি বলতেন, "কাজের ফাঁকে ফাঁকে মনকে ঈশ্বরের দিকে ফেরাতে হবে। তা না হলে কাজের ভিড়ে ঈশ্বরকে ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।"

​তিনি জপ ও ধ্যানের ওপর খুব জোর দিতেন। তাঁর মতে, আধ্যাত্মিক জীবনের ভিত্তি হলো নিয়মিত অভ্যাস।

​তাঁর উপদেশাবলী "ধর্মপ্রসঙ্গে স্বামী ব্রহ্মানন্দ" নামক বইটিতে সংকলিত হয়েছে, যা সাধক ও ভক্তদের জন্য এক অমূল্য সম্পদ।



গ্রন্থাবলী (Works)

​স্বামী ব্রহ্মানন্দ নিজে খুব বেশি বই লেখেননি, তবে তাঁর বলা কথা এবং উপদেশগুলি ভক্তরা লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন।

​ধর্মপ্রসঙ্গে স্বামী ব্রহ্মানন্দ (Dharma Prasange Swami Brahmananda): এটি তাঁর উপদেশের সর্বশ্রেষ্ঠ সংকলন। এতে সাধন-ভজন, মনঃসংযম এবং ঈশ্বরের প্রতি ভক্তি লাভের উপায় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

​এছাড়াও তাঁর লেখা কিছু চিঠিপত্র ও কথোপকথন বিভিন্ন সময়ে 'উদ্বোধন' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।



তিরোধান (Passing Away)

​স্বামী ব্রহ্মানন্দ ১৯২২ সালের ১০ এপ্রিল মহাস সমাধি লাভ করেন। তাঁর জীবন ও বাণী আজও অসংখ্য মানুষকে আধ্যাত্মিক পথের সন্ধান দিয়ে চলেছে।

বাঙালির আবেগ, ভারতের গর্ব।এক এবং অদ্বিতীয় দেশনায়ক নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মবার্ষিকীতে জানাই শতকোটি প্রণাম। ​তোমার আদর...
23/01/2026

বাঙালির আবেগ, ভারতের গর্ব।
এক এবং অদ্বিতীয় দেশনায়ক নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মবার্ষিকীতে জানাই শতকোটি প্রণাম।
​তোমার আদর্শ আজও আমাদের শিরায় শিরায় রক্তস্রোত হয়ে বয়ে চলেছে।
"তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব।"
​জয় হিন্দ! 🇮🇳

আজ শ্রী রামকৃষ্ণ দেবের প্রধান ১৬ জন ত্যাগী বা সন্ন্যাসী শিষ্যের দ্বিতীয় পর্ব স্বামী বিবেকানন্দ কে নিয়েস্বামী বিবেকানন্দ ...
12/01/2026

আজ শ্রী রামকৃষ্ণ দেবের প্রধান ১৬ জন ত্যাগী বা সন্ন্যাসী শিষ্যের দ্বিতীয় পর্ব স্বামী বিবেকানন্দ কে নিয়ে
স্বামী বিবেকানন্দ (১৮৬৩–১৯০২) ছিলেন আধুনিক ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আধ্যাত্মিক নেতা, দার্শনিক এবং দেশপ্রেমিক সন্ন্যাসী। তিনি ছিলেন শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের প্রধান শিষ্য এবং রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর প্রকৃত নাম ছিল নরেন্দ্রনাথ দত্ত।

​নিচে তাঁর জীবন ও কর্মের প্রধান দিকগুলো তুলে ধরা হলো:

​১. জন্ম ও বাল্যকাল

​জন্ম: ১৮৬৩ সালের ১২ই জানুয়ারি উত্তর কলকাতার শিমুলিয়া পল্লীতে এক অভিজাত কায়স্থ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম বিশ্বনাথ দত্ত এবং মা ভুবনেশ্বরী দেবী।

​শৈশব: ছোটবেলায় তাঁর নাম ছিল ‘বিলে’। তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী, সাহসী এবং আধ্যাত্মিক চেতনার অধিকারী। পাশাপাশি খেলাধুলা ও সঙ্গীতেও তাঁর বিশেষ দক্ষতা ছিল।

​২. শ্রীরামকৃষ্ণের সাথে সাক্ষাৎ ও দীক্ষা

​তরুণ বয়সে নরেন্দ্রনাথ যুক্তিবাদী ছিলেন এবং ব্রাহ্মসমাজের প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন। তিনি সত্যের সন্ধানে ব্যাকুল হয়ে বহু সাধু-সন্তের কাছে যেতেন এবং প্রশ্ন করতেন, “আপনারা কি ঈশ্বর দেখেছেন?”

​দক্ষিণেশ্বরে শ্রীরামকৃষ্ণের সাথে সাক্ষাতের পর তাঁর জীবনের মোড় ঘুরে যায়। শ্রীরামকৃষ্ণ তাঁকে নিজের উত্তরসূরি হিসেবে গড়ে তোলেন। গুরুর মহাপ্রয়াণের পর তিনি সন্ন্যাস গ্রহণ করেন এবং ‘স্বামী বিবেকানন্দ’ নাম ধারণ করেন।

​৩. ভারত পরিভ্রমণ ও শিকাগো ধর্মসভা

​পরিব্রাজক জীবন: সন্ন্যাস নেওয়ার পর তিনি দীর্ঘ সময় পায়ে হেঁটে সারা ভারত ভ্রমণ করেন। এ সময় তিনি ভারতের সাধারণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশা ও দারিদ্র্য স্বচক্ষে দেখেন, যা তাঁকে গভীরভাবে ব্যথিত করে।

​শিকাগো বক্তৃতা (১৮৯৩): ১৮৯৩ সালে আমেরিকার শিকাগো শহরে অনুষ্ঠিত ‘বিশ্বধর্ম মহাসম্মেলনে’ তিনি হিন্দুধর্মের প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেন। সেখানে তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণ, যা শুরু হয়েছিল “আমেরিকার ভাই ও বোনেরা” সম্বোধন দিয়ে, তা তাঁকে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি এনে দেয়। তিনি পাশ্চাত্যের কাছে বেদান্ত ও ভারতীয় দর্শনের মাহাত্ম্য তুলে ধরেন।

​৪. রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন প্রতিষ্ঠা

​বিদেশ থেকে ফিরে তিনি ১৮৯৭ সালে রামকৃষ্ণ মিশন এবং পরে রামকৃষ্ণ মঠ (বেলুড় মঠ) প্রতিষ্ঠা করেন।

​তাঁর উদ্দেশ্য ছিল— একদিকে সন্ন্যাসীদের আধ্যাত্মিক মুক্তি এবং অন্যদিকে জগিতের হিত সাধন ("আত্মনো মোক্ষার্থং জগদ্ধিতায় চ")। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আর্ত ও পীড়িতের সেবা করাই ছিল এই মিশনের মূল লক্ষ্য।

​৫. বাণী ও আদর্শ

​স্বামীজীর শিক্ষার মূল কথাই ছিল ‘মানুষ তৈরি’ (Man-making education)। তাঁর কিছু প্রধান উপদেশ তুলে ধরা হলো এখানে।

​তিনি বলতেন, “শক্তিই জীবন, দুর্বলতাই মৃত্যু।” তিনি যুবসমাজকে লোহার মতো পেশি ও ইস্পাতের মতো স্নায়ু গঠন করতে বলতেন।
তাঁর বিখ্যাত উক্তি, “জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।” তিনি দরিদ্র ও অবহেলিত মানুষের সেবাকেই ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠ পূজা বলে মনে করতেন।
নিজের ওপর বিশ্বাস রাখাই ছিল তাঁর দর্শনের অন্যতম ভিত্তি। তিনি বলতেন, “ওঠো, জাগো এবং লক্ষ্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত থেমো না।”

১৯০২ সালের ৪ঠা জুলাই, মাত্র ৩৯ বছর বয়সে তিনি বেলুড় মঠে মহাসমাধিতে লীন হন। তাঁর জন্মদিবসটি ভারতে ‘জাতীয় যুব দিবস’ হিসেবে পালিত হয়।

উৎসব 2026 এর অনুষ্ঠান সূচী
10/01/2026

উৎসব 2026 এর অনুষ্ঠান সূচী

আজ স্বামী তুরীয়ানন্দজীর (হরি মহারাজ) শুভ জন্মদিন। এই দিনে আমরা শুরু করছি  শ্রী রামকৃষ্ণ দেবের প্রধান ১৬ জন ত্যাগী বা সন...
03/01/2026

আজ স্বামী তুরীয়ানন্দজীর (হরি মহারাজ) শুভ জন্মদিন। এই দিনে আমরা শুরু করছি শ্রী রামকৃষ্ণ দেবের প্রধান ১৬ জন ত্যাগী বা সন্ন্যাসী শিষ্য (যাঁরা পরবর্তীকালে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের ধারক ও বাহক হন) দের নিয়ে কিছু কথা।

​ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণদেব বলতেন, তাঁর ত্যাগী সন্তানরা এক-একটি ফুলের মতো, যা দেবসেবায় লাগে। আজ থেকে আমরা ধারাবাহিকভাবে এই ১৬ জন মহাজীবনের সংক্ষিপ্ত পরিচয় ও অমৃতবাণী আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করব।

​আজকের পর্বে থাকছে স্বামী তুরীয়ানন্দজীর কথা।

শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের অন্যতম অন্তরঙ্গ পার্ষদ ও সাক্ষাৎশিষ্য ছিলেন স্বামী তুরীয়ানন্দ (১৮৬৩–১৯২২)। রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সন্ন্যাসী ও ভক্তদের কাছে তিনি ‘হরি মহারাজ’ নামেই বেশি পরিচিত। তাঁর জীবন ছিল কঠোর তপস্যা, বৈরাগ্য এবং গভীর ধ্যানের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
​তাঁর পূর্বাশ্রমের নাম ছিল হরিনাথ চট্টোপাধ্যায়। নিচে তাঁর জীবনের প্রধান দিকগুলো আলোচনা করা হলো:

১. বাল্যকাল ও কঠোর ব্রহ্মচর্য

​জন্ম: ১৮৬৩ সালের ৩রা জানুয়ারি উত্তর কলকাতার এক রক্ষণশীল ব্রাহ্মণ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

​বাল্য-স্বভাব: ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন অত্যন্ত নিষ্ঠাবান ও তপস্বী স্বভাবের। তিনি খুব ভোরে উঠে গঙ্গাস্নান করতেন এবং গীতা ও উপনিষদ পাঠ করতেন। তাঁর জীবনাদর্শ ছিল কঠোর এবং সর্বদা নিজেকে অত্যন্ত পবিত্র রাখার চেষ্টা করতেন।

২. শ্রীরামকৃষ্ণের শিক্ষা ও রূপান্তর

শ্রীরামকৃষ্ণের সান্নিধ্যে আসার পর হরিনাথের জীবনে আমূল পরিবর্তন আসে। সর্বত্র ব্রহ্ম দর্শন করাই প্রকৃত জ্ঞানীর লক্ষণ। গুরুর এই উপদেশে হরিনাথ এক উদার ও সর্বব্যাপী আধ্যাত্মিক চেতনার অধিকারী হন।

​৩. স্বামী বিবেকানন্দের সাথে সম্পর্ক ও আমেরিকা যাত্রা

​স্বামী বিবেকানন্দ হরি মহারাজকে অগাধ শ্রদ্ধা করতেন। স্বামীজী বলতেন, “হরি ভাই হচ্ছে ‘মূর্ত বেদান্ত’ (Living Vedanta)।” অর্থাৎ বেদান্তের শিক্ষা যার জীবনের প্রতি মুহূর্তে প্রতিফলিত হয়।

​১৮৯৯ সালে স্বামীজী যখন দ্বিতীয়বার পাশ্চাত্যে যান, তখন তিনি স্বামী তুরীয়ানন্দকে জোর করে সঙ্গে নিয়ে যান। স্বামীজী বলেছিলেন, “আমি বক্তৃতার মাধ্যমে বেদান্ত প্রচার করেছি, কিন্তু আমি চাই তুমি সেখানে গিয়ে তোমার জীবন দিয়ে বেদান্ত কী তা ওদের দেখাও।”

​৪. শান্তি আশ্রম (Shanti Ashrama) প্রতিষ্ঠা

​আমেরিকায় স্বামী তুরীয়ানন্দের শ্রেষ্ঠ অবদান হলো ক্যালিফোর্নিয়ার স্যান এন্টোনিও ভ্যালিতে ‘শান্তি আশ্রম’ প্রতিষ্ঠা।

​এটি কোনো সাধারণ মঠ ছিল না। এটি ছিল জনবসতিহীন এক দুর্গম স্থানে অবস্থিত তপোবন। সেখানে তিনি আমেরিকান শিষ্যদের নিয়ে আদিম ঋষিদের মতো কঠোর তপস্যা করতেন। তিনি সেখানে কোনো পুঁথিগত বিদ্যা শেখাতেন না, বরং ধ্যানের মাধ্যমে কীভাবে আত্মিক উন্নতি করা যায়, তা হাতে-কলমে শেখাতেন।

​৫. শেষ জীবন ও মহাপ্রয়াণ

আমেরিকা থেকে ফেরার পর তিনি আর কর্মজগতে বেশিদিন থাকেননি। জীবনের শেষ দিনগুলো তিনি বৃন্দাবন, হৃষীকেশ, আলমোড়া ও বারাণসীতে কঠোর তপস্যায় অতিবাহিত করেন।

​১৯২২ সালের ২১শে জুলাই বারাণসীতে তিনি মহাসমাধিতে লীন হন। দেহত্যাগের ঠিক আগে তিনি স্পষ্ট স্বরে উপনিষদের সেই মহাবাক্য উচ্চারণ করেছিলেন— “সত্যং জ্ঞানমনন্তং ব্রহ্ম” (ব্রহ্ম সত্য, জ্ঞানস্বরূপ ও অনন্ত)।

১৮৮৬ সালের ১লা জানুয়ারি কাশীপুর উদ্যানবাটিতে শ্রীরামকৃষ্ণদেব ভাবস্থ হয়ে ভক্তদের আশীর্বাদ করে বলেছিলেন, "তোমাদের চৈতন্য হ...
01/01/2026

১৮৮৬ সালের ১লা জানুয়ারি কাশীপুর উদ্যানবাটিতে শ্রীরামকৃষ্ণদেব ভাবস্থ হয়ে ভক্তদের আশীর্বাদ করে বলেছিলেন, "তোমাদের চৈতন্য হোক"। ভক্তদের বিশ্বাস, এদিন তিনি 'কল্পতরু' হয়ে সকলের আধ্যাত্মিক মনস্কামনা পূর্ণ করেছিলেন এবং স্বমহিমায় আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। এই পবিত্র দিনটি তাই শ্রীরামকৃষ্ণের করুণা ও ভক্তের আধ্যাত্মিক জাগরণের প্রতীক হিসেবে পালিত হয়।

শুভ কল্পতরু দিবসের শুভেচ্ছা, শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা। নতুন বছর 2026 সবার জীবন সুখ শান্তি নিয়ে আসুক, সব প্রত্যাশা পূরণ হোক।

14/12/2025

শোক সংবাদ:- গভীর দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে আমাদের বিদ্যালয়ের মাধ্যমিক ২০১১ সালের প্রাক্তনী মানস শূর ভারতীয় সেনায় কর্তব্যরত অবস্থায় কমান্ড হাসপাতাল কলকাতায় চিকিৎসাধীন থাকা কালীন আজ(14-12-2025) আনুমানিক সকাল ১১. ৩০ নাগাদ শ্রী রামকৃষ্ণ লোকে গমন করেছেন। তাঁর বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করি ও পরিবারে প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই। ঠাকুর মা স্বামীজী পরিবারকে মানসিক শক্তি প্রদান করুন এই প্রার্থনা করি। হরি ওঁ রামকৃষ্ণ 🙏

🌸 শুভ মা সারদা জন্মতিথি 🌸আজ মহামায়া, সর্বমঙ্গলা মা সারদা দেবীর পবিত্র জন্মতিথি।তাঁর সহজ-সরল জীবন, নিঃস্বার্থ প্রেম, করু...
11/12/2025

🌸 শুভ মা সারদা জন্মতিথি 🌸

আজ মহামায়া, সর্বমঙ্গলা মা সারদা দেবীর পবিত্র জন্মতিথি।
তাঁর সহজ-সরল জীবন, নিঃস্বার্থ প্রেম, করুণা ও সহনশীলতার বাণী আজও আমাদের পথ দেখায়।

🙏 "আমি সতেরও মা, অসতেরও মা। কোনও ভয় পেয়ো না। যখনই কষ্ট পাবে, মনে মনে জানবে যে তোমাদের একজন মা আছে।" — মা সারদা

আজকের এই পবিত্র দিনে মা যেন আমাদের জীবনে শান্তি, শুদ্ধতা ও সঠিক পথের আলো বর্ষণ করেন।
সবাইকে জানাই শুভাশীষ ও ভালোবাসা।

জয় মা সারদা 🙏

রামহরিপুর রামকৃষ্ণ মিশন অ্যালামনি অ্যাসোসিয়েশন এর উদ্যোগে আগামী ২১শে ডিসেম্বর ২০২৫, রবিবার, বিদ্যালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠ...
12/11/2025

রামহরিপুর রামকৃষ্ণ মিশন অ্যালামনি অ্যাসোসিয়েশন এর উদ্যোগে আগামী ২১শে ডিসেম্বর ২০২৫, রবিবার, বিদ্যালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে প্রাক্তন ছাত্র সম্মেলন - পুনর্মিলন উৎসব ২০২৫। সকল প্রক্তনীবৃন্দ কে জানাই সাদর আমন্ত্রণ।
গত ১-১১-২০২৫
রামহরিপুর রামকৃষ্ণ মিশন অ্যালামনি অ্যাসোসিয়েশন এর সাধারণ সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রাক্তন ছাত্র সম্মেলন এর প্রতিনিধি ফি জন প্রতি ₹.১৫০/- টাকা এবং নতুন সদস্য পদ/ সদস্য পুনঃনবীকরণ ফি জন প্রতি ₹.১০০/- টাকা ধার্য করা হয়েছে।
প্রাক্তন ছাত্র সম্মেলন এ অংশ গ্রহনকারীদের কাছে একান্ত অনুরোধ প্রতিনিধি ফি/ সদস্য পদ ফি অনলাইনে পেমেন্ট করার পর স্ক্রীন শর্ট টি অতি অবশ্যই নিচে দেওয়া WhatsApp number গুলির যে কোনো একটিতে আপনার নাম ও ব্যাচ উল্লেখ করে share করবেন।
ওঙ্কার নাথ কর্মকার -9800181981
রণজিৎ চ্যাটার্জ্জী 9002141875

Address

Ramakrishna Mission Ashrama Ramharipur, Dt. Bankura
Bankura
722203

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ramharipur Ramakrishna Mission High School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Ramharipur Ramakrishna Mission High School:

Share