Bangladesh Youth for Policy and Development

Bangladesh Youth for Policy and Development A community of people who dream for a sustainable development, good governance & rule of law in .

23/04/2026

আপনার শিশুকে সময়মতো টিকা দিন।

ঢাকা-১২ নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেয়া নিয়মনীতি কোন প্রার্থী মানছে না। আম  #তারেক অসংখ্য ব্যানার টাঙ্গি...
28/01/2026

ঢাকা-১২ নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেয়া নিয়মনীতি কোন প্রার্থী মানছে না। আম #তারেক অসংখ্য ব্যানার টাঙ্গিয়েছে!

কুকুর পালন করা কি ইসলামে হারাম ? কুকুর ঘরে থাকলে নাকি সেই ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করেনা ? কুকুর কোন খাবারে মুখ দিলে না...
11/07/2025

কুকুর পালন করা কি ইসলামে হারাম ? কুকুর ঘরে থাকলে নাকি সেই ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করেনা ? কুকুর কোন খাবারে মুখ দিলে নাকি সেটা অপবিত্র হয়ে যায় ? তেমনি কুকুর গায়ে লাগলে সেই জামা নাকি অপবিত্র হয় ? এব্যাপারে সঠিক উত্তর জানতে চাই ...
কুকুর পালন করাকে ইসলামে নিষেধ করা হয়নি। মানুষ কুরআন মাজিদ একদমই বুঝে পড়েনা তাই এব্যাপারে জানে না। সূরা মায়েদায় (৫ঃ৪) আল্লাহ্‌ বলেছেন তোমরা যে কুকুরদের শিকারের প্রশিক্ষণ দাও সেই জ্ঞান আমি তোমাদের দিয়েছি। আর তোমরা শিকারি কুকুরদেরকে আল্লাহ্‌র নাম নিয়ে শিকারে পাঠালে তারা কোন প্রাণী শিকার করে আনলে সেটা জবেহ করা ছাড়াই তোমাদের জন্য হালাল হবে।
তারমানে ''বিসমিল্লাহ'' বলে যদি কেউ তার কুকুরকে শিকারে পাঠায় আর সেই কুকুর যদি কামড়ে একটা প্রাণী শিকার করে আনে সেটা জবেহ করা ছাড়াই আমাদের জন্য খাওয়া হালাল হবে। এবার বলুন কুকুর প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য তো তাকে পালতে হবে, তানাহলে কি আকাশ থেকে আপনাকে কেউ প্রশিক্ষণ দেওয়া কুকুর পাঠাবে ? আর শিকারই কুকুর কিন্তু মুখ দিয়েই শিকার কামড়ে নিয়ে আসবে। তাই যেমনটা বলা হয় অপবিত্রতার ব্যাপারে সেটাও ঠিক নয়।
কুরআনে অনেক প্রসিদ্ধ একটি অলৌকিক একটি ঘটনা আল্লাহ্‌ আমাদের জানিয়েছেন আসহাবে কাহফ এর ব্যাপারে। আপনারা জানেন আল্লাহ্‌ কিভাবে সেটা উল্লেখ করেছেন ? আল্লাহ্‌ বলেন, ''তুমি মনে করবে যে তারা সজাগ, অথচ তারা ছিল ঘুমন্ত, আমি তাদের ডানে বামে পার্শ্ব পরিবর্তন করাতাম। আর তাদের কুকুরটি ছিল গুহাদ্বারের সম্মুখে তার সামনের পা দু’টি প্রসারিত করে।'' (কাহফ ১৮) ... সুতরাং কুকুরের ব্যাপারে দয়া করে খারাপ ধারনা পোষণ করা বন্ধ করুন। আল্লাহ্‌ বরং কুকুরের প্রশংসা করেছেন। কুকুরের আরবি হচ্ছে كلاب (কালব) , কিন্তু আল্লাহ্ সূরা মায়েদার আয়াতে مُکَلِّبِیۡنَ (মুকাল্লেবিন) শব্দ ব্যাবহার করেছেন।
অনেকে শিকারি কুকুর পালন বৈধ বলে আর বাসা বাড়িতে কুকুর পালনকে হারাম বলে। এটা আরেকটি ভুল ধারনা। তাদেরকে সন্তুষ্ট করতে আপনার কুকুরকে একটু পাহাড়া দিতে বইলেন তাহলেই হবে। যাতে যায়েজ হয়ে যায়। :D দ্বীনের ব্যাপারে কোন হুকুম দিতে হলে সেটার ভিত্তি শক্তিশালি হতে হবে। কুরআন মাজিদ কুকুরের ব্যাপারে কত সুন্দরভাবে প্রশংসা করে আয়াত নাজিল করেছেন।
এমনকি আরবে প্রায় সবাই কুকুর পালন করতো। ছাগল ভেড়ার রক্ষণাবেক্ষণ যারা করতো তাদের জন্য কুকুর ছাড়া প্রায় অসম্ভব হয়ে যেতো। আর যেই কুকুর আপনি কাজে লাগাবেন সেটা স্বাভাবিকভাবেই আপনাকে লালন পালন করতে হবে । সেই পালিত কুকুরকে আপনি আদর করবেন, ভালবাসবেন, গোসল করাবেন, খাবার খাওয়াবেন এটাই স্বাভাবিক। তাই কুকুর নাপাক বা গেয়ে লাগলে অজু চলে যাবে এমন কিছু ভাবাটা ভুল।
একটি হাদিস ভুলভাবে বুঝার কারনে ভুল বুঝাবুঝির তৈরি হয়েছে। হাদিসের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে বর্ণনাকারী ঐ হাদিসের প্রেক্ষাপট, সময়, কারন, আর কাকে কি উদ্দেশ্যে কথাটি বলা হয়েছিলো এগুলা সহ বর্ণনা করেনা। আর একারনে আলেমরাও শুধু হাদিসের মূল কথাটি শুনে ফতোয়া দিয়ে ফেলে।
ইসলাম ধর্মে একটি 'জীবন'কে অনেক বড় প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। সেটা মানুষের হোক বা প্রাণীর হোক। তাই আল্লাহ্‌ বলেছেন নিরপরাধ একজন মানুষ হত্যা করা মানে পুরো মানবজাতিকে হত্যা করার মত অপরাধ। ঠিক তেমনি বিনা প্রয়োজনে কোন প্রানিকে হত্যা করা বা বেঁধে রাখাও হারাম করা হয়েছে। রাসুল (সঃ) বলেছেন এক মহিলা বিড়ালকে বেঁধে রেখেছিলো তারপর বিড়ালটি মারা যায় তাই সে জাহান্নামে যাবে।
আপনার প্রয়োজনে আপনি যদি কোন প্রাণীর গোশত খেতে চান তাহলে সৃষ্টিকর্তা কিছু শর্ত দিয়েছেন সেটা মেনে তাকে হত্যা করা যাবে। তা হচ্ছে আল্লাহ্‌র নাম নিয়ে পশুটি জবেহ করতে হবে এবং তার রক্ত প্রবাহিত করতে হবে। এই দুইটা শর্ত মেনে কোন পশুকে হত্যা করা যাবে কিন্তু সেটা গোশত খাওয়ার উদ্দেশ্যে। তেমনি ক্ষতিকর কোন প্রাণীকেও ক্ষতির আশঙ্কায় হত্যা করা যাবে। কিন্তু বিনা প্রয়োজনে শুধু শুধু একটি পিঁপড়াও হত্যা করা হারাম। সুতরাং কোন কারন ছাড়া কোন কুকুর বা প্রাণী বেঁধে বা আটকে রাখা যাবে না।
প্রথমে এটা ঠিক করুন আপনি কি উদ্দেশ্যে প্রাণীটাকে পালন করতে চান ? সেটা যেন কোন পশুকে কষ্ট দেওয়ার উদ্দেশ্য না হয়। পশু পালনের ক্ষেত্রে তাকে পোষ মানানোর জন্য তাকে কয়েকদিন আটকে রাখতে হবে এটা স্বাভাবিক। এক্ষেত্রে তার প্রয়োজনীয় খাবার ও সকল প্রকারের প্রয়োজন আপনাকে মেটাতে হবে।
মদিনায় বাচ্চারা কুকুরকে শুধু শুধু বেঁধে রাখতো আর এভাবে কষ্ট দিতো। শহরেও দেখতে পাবেন অনেক দুষ্টু ছেলেরা কুকুরকে এভাবে বেঁধে বা ইট মেরে কষ্ট দিয়ে থাকে। এক্ষেত্রে রাসুল (সঃ) বলেছেন কুকুরকে বিনা প্রয়োজনে এভাবে বেঁধে রেখে কষ্ট দেওয়া যাবে না। এমনটা করা উচিৎ নয়। ''কুকুরকে বেঁধে রাখা নিষেধ'' এই কথাকে ''কুকুর পালন করা নিষেধ'' মনে করে নিয়েছে মানুষ।
মনে করুন আপনার ঘরে একজন মেহমান বেড়াতে আসলো। আর এটা খুবই স্বাভাবিক যে প্রত্যেকের নিজের কিছু পছন্দ অপছন্দের ব্যাপার থাকে। এভাবেই জিবরাঈল (আ) একদিন রাসুল (সঃ) এর কাছে এসেছিলেন আর ঐ অবস্থায় রসুলের (সঃ) খাটের নিচে একটি কুকুর ছিলো। তখন জিবরাঈল (আ) বললেন আপনার ঘরে কুকুর আছে তাই আমি প্রবেশ করবো না। যেই ঘরে কুকুর থাকে সেই ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না। ব্যস এইটুকুই ছিলো উনার বেক্তিগত একটি অপছন্দের বিষয়। স্বাভাবিকভাবেই রসুলের (সঃ) সাথে জিবরাঈল (আ) এর আসা যাওয়ার মত বিষয় তো আর আমাদের সাথে হবে না। ফেরেশদের ক্ষেত্রে তাদের অপছন্দের বিষয় এই হাদিসে প্রমানিত হয় এর বাইরে কিছুই না। এখানে আল্লাহ্‌ বা আল্লাহ্‌র রসূল (সঃ) কুকুরের ব্যাপারে এই নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছেন না।
রহমতের ফেরেশতা কিভাবে ঘরে আসে আর কিভাবে রহমত নাজিল করে সেটা তো আল্লাহ্‌ ভালো জানেন। যদি এক্ষেত্রে কুকুরের সাথে প্রাসঙ্গিক কোন বিষয় থাকতো তাহলে আল্লাহ্‌ কুরআন মাজিদেই বলে দিতেন বা রাসুল (সঃ) কুকুর পালন হারাম বলে দিতেন। কিন্তু এমন কিছুই কুরআন হাদিসে নেই নেই। বরং ফেরেশতা জিবরাঈল (আ) এই কথা বলেছেন সেটা হতে পারে উনার ব্যক্তিগত অপছন্দের বিষয়। ফেরেশতাদের নিজস্ব একটি সেনসিটিভ বিষয় থাকতেই পারে। শিকারি কুকুরও তো পালন করাই লাগে এর মানে তো এই না যে সেখানে রহমত প্রেরন করা বন্ধ হয়ে যায়। বরং আল্লাহ্‌ তাদের ব্যাপারে প্রশংসা করেছেন যেমনটা উপরে বললাম।
অপবিত্রতার ব্যাপারে দ্বীন কিছু বলা ছাড়াই স্বভাবগতভাবে আমরা সবাই জানি যে অপবিত্র কিছু আমাদের জামা কাপড়ে বা খাবারে লেগে গেলে সেটা পরিষ্কার করতে হয়। যেহেতু কুকুরের বিভিন্ন রোগ হয়ে থাকে আর সেটা মানুষের মধ্যে ছড়াতে পারে এবং বেওয়ারিশ কুকুর অপবিত্র জায়গায় হাটাচলা করে আর খায়, তাই রাসুল (সঃ) বলেছিলেন কুকুর কোন খাবারে মুখ দিলে সেটা ভালোভাবে ধুয়ে নিও। এই হাদিসটিও ভুলভাবে মানুষ গ্রহন করেছে। এখানে অপবিত্রতার কথাই বলা হয়েছে। কিন্তু মানুষ কুকুরকে অপবিত্র মনে করে আর বিড়ালকে পবিত্র মনে করে। অথচ বেওয়ারিশ বিড়ালগুলোও কিন্তু বিভিন্ন গলিতে, ড্রেনে, ময়লায় হেটে বেড়ায় আর তাতেও তদের পায়ে অপবিত্রতা লেগে যায়। সেই বিড়াল ঘরে প্রবেশ করলেও কিন্তু অপবিত্র হয়। তাই খেয়াল রাখতে হবে অপবিত্র আর নোংরা বিষয়গুলো থেকে যেন প্রানিকে পরিষ্কার পরিছন্ন রাখা হয়।
- উস্তাদ যাবেদ আহমেদ ঘামিদ (ইউটিউবে প্রশ্ন উত্তর দেখে পোস্টটি বাংলা অনুবাদ করা হয়েছে)

গ্রামীণ ব্যাংকের মালিক কে ? গ্রামীণ টেলিকমের মালিক কে ? কর মওকুফের টাকা কি ডঃ ইউনূসের পকেটে যাবে ? এই প্রশ্ন অনেকেই করেন...
04/06/2025

গ্রামীণ ব্যাংকের মালিক কে ? গ্রামীণ টেলিকমের মালিক কে ? কর মওকুফের টাকা কি ডঃ ইউনূসের পকেটে যাবে ?

এই প্রশ্ন অনেকেই করেন, কিন্তু উত্তরটা বেশিরভাগই জানেন না বা জানার চেষ্টা করেন না। তিনি এই ব্যাংকটা নিজের নামে রেখে যাননি। লিখে দিয়েছেন দেশের লাখ লাখ দরিদ্র মানুষের নামে।
এই মুহূর্তে গ্রামীণ ব্যাংকের ৯০ শতাংশ শেয়ারের মালিক তারাই, যারা একসময় এই ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছিলেন। আর আজ তারাই এই ব্যাংকের অংশীদার।
বাংলাদেশ সরকার সেখানে মাত্র ১০ শতাংশ শেয়ারের মালিক।

ড. ইউনূস কি এই ব্যাংক নিজের সন্তানের নামে লিখে দিতে পারবেন ? উত্তর হচ্ছে না ।
উনি লিখে দিয়েছেন গ্রামের সেই নারীর নামে, যিনি কোনো পুঁজি ছাড়াই একদিন হাতে তুলে নিয়েছিলেন একটা স্বপ্ন—একটা সেলাই মেশিন, একটা হাঁসের খামার, কিংবা একটা ছোট দোকান।

এই যে গ্রামীণ ব্যাংক, এখানে হাজার হাজার কর্মচারী কাজ করেন।
কখনও কি শুনেছেন, এই ব্যাংকের কোনো কর্মচারী বেতন পাননি?
বোনাস পাননি?
আমি শুনিনি।
এই ব্যাংকের চাকরি দিয়ে কত পরিবার চলে, কত সন্তান স্কুলে যায়, কত মানুষ চিকিৎসা পায়—তার হিসেব রাখেন ?

এবার আসি তথাকথিত “৬৬৬ কোটি টাকার কর মওকুফ” বিতর্কে।
ড. ইউনূস কোনো ব্যক্তিগত ব্যবসা নয়, “গ্রামীণ কল্যাণ” নামে একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের জন্য ট্যাক্স মওকুফ চেয়েছেন।
এই প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নের কাজ করে।
যদি এই কর মওকুফ হয়, সেই টাকা কি ড. ইউনূসের পকেটে যাবে?
না, যাবে প্রতিষ্ঠানের কল্যাণমূলক খাতে।
এই টাকা থেকে লাভ কার?
ড. ইউনূস? না কি দেশের দরিদ্র মানুষ?

আশ্চর্যের বিষয়, এদেশে অনেক বড় বড় শিল্পপতি হাজার হাজার কোটি টাকা কর ফাঁকি দিয়ে বিদেশে পাচার করেন।
তাদের নিয়ে কথা হয় না।
আর একজন মানুষ যিনি নিজের কিছু রাখেননি, সবকিছু গরিব মানুষের নামে লিখে দিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে যখন অপবাদ দেওয়া হয়—তখন সত্যিই প্রশ্ন জাগে, লজ্জা বলে কি কিছু এখনও বেঁচে আছে?
শেখ হাসিনা যদি ডঃ ইউনূসের এক টাকা পাচারের সন্ধান পেত , তাহলে ডঃ ইউনুসকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিত ।

ড. ইউনূস যদি তার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিদেশে শ্রমিক পাঠাতে চান, আপনার কি মনে হয় না—তিনি তা সৎভাবে করবেন?
কম খরচে, ভালো কাজের সুযোগ দিয়ে—বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবেন?

তিনি একটি বিশ্ববিদ্যালয় করতে চান। সরকারের অনুমতিও নিয়েছেন।
আপনারা কি মনে করেন না, এটি ভবিষ্যতে দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় হতে পারে?
যেখানে কম খরচে গরিব ঘরের মেধাবী ছেলেমেয়েরা মানসম্মত শিক্ষা পাবে?
দেশে তো অনেক বেসরকারি মেডিকেল কলেজ আছে, আছে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি। ব্র্যাকের নামেও তো একটি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। তাহলে ইউনূস সাহেব চাইলে কেন পারবে না?

সবশেষে একটা সহজ প্রশ্ন—আপনারা কি পারবেন, আপনাদের নামে থাকা ব্যাংক, বীমা বা কোম্পানির মালিকানা সাধারণ মানুষের নামে লিখে দিতে?
পারবেন?
না পারলেও অন্তত যিনি তা করেছেন, তাকে অপমান করবেন না।

তথ্যসূত্র:
• গ্রামীণ ব্যাংকের মালিকানা:
• ৯০% শেয়ার: ঋণগ্রহীতা সদস্যদের হাতে
• ১০% শেয়ার: সরকারের হাতে
• গ্রামীণ ফোনের মালিকানা:
• ৫৫.৮%: টেলিনর (নরওয়ে)
• ৩৪.২%: গ্রামীণ টেলিকম (অলাভজনক প্রতিষ্ঠান)
• ১০%: প্রাতিষ্ঠানিক ও সাধারণ বিনিয়োগকারী
• ৬৬৬ কোটি টাকা কর মওকুফ বিতর্ক:
• প্রতিষ্ঠান: গ্রামীণ কল্যাণ
• প্রকৃতি: অলাভজনক সংস্থা
• কর মওকুফ হলে অর্থ যাবে: স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নের কাজে
• গ্রামীণ ব্যাংকের সুদের হার:
• গড়: ২০% বার্ষিক
• কারণ: জামানত ছাড়া ক্ষুদ্রঋণ, গ্রামীণ স্তরে পরিচালনা ব্যয় বেশি
• তুলনামূলকভাবে ব্র্যাক, আশা বা অন্যান্য NGO-র সাথেই সমান
• বাণিজ্যিক ব্যাংকের তুলনায় বেশি, কিন্তু প্রান্তিক মানুষের জন্য এটি একমাত্র সুযোগ

সত্য কখনও কখনও অপ্রিয় হয়। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, আমরা মিথ্যার পাশেই দাঁড়িয়ে যাব।
একটু বিচার করুন, হৃদয়ে হাত দিয়ে। ডঃ ইউনুস কেন উপদেষ্টা হয়ে দেশের জন্য বড় কিছু করতে পারছেন না ? দেশের আর্মী পুলিশ প্রশাসন , বিভিন্ন দল কেউ কি উনাকে কোন কাজ করতে সহযোগীতা করছেন ?
কেউ করেন নি , এটা কেউ স্বীকার করবেন না ।
#বাংলাদেশ

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর কপি পেস্ট করতে অভ্যস্ত দেশের প্রায় সকল সংবাদমাধ্যম শেখ মুজিব সহ জাতীয় চার নেতার  #মুক্তিযোদ্...
04/06/2025

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর কপি পেস্ট করতে অভ্যস্ত দেশের প্রায় সকল সংবাদমাধ্যম শেখ মুজিব সহ জাতীয় চার নেতার #মুক্তিযোদ্ধা প্রসঙ্গে ভূয়া খবর প্রকাশ করেছে। অধ্যাদেশে জামায়াতে ইসলামী মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে, সংবাদমাধ্যমের দৃষ্টি এড়িয়ে গিয়েছে!
স্বৈরাচারের দোসরদের মালিকানাধীন এসব সংবাদমাধ্যম গণ অভ্যুত্থানের পর মুক্ত পরিবেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিরোধী অপপ্রচার চালাচ্ছে। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিত।

গুজব বন্ধ করুন।
04/06/2025

গুজব বন্ধ করুন।

  প্রধান উপদেষ্টার জাপান ভ্রমণ - দেশ কি পেল? বিশ্ব কি পেল? প্রবাসীরা কি পেল? প্রধান উপদেষ্টা হিসাবে দায়িত্ব নেবার পর প্র...
01/06/2025

প্রধান উপদেষ্টার জাপান ভ্রমণ - দেশ কি পেল? বিশ্ব কি পেল? প্রবাসীরা কি পেল?

প্রধান উপদেষ্টা হিসাবে দায়িত্ব নেবার পর প্রফেসর ইউনুস এই প্রথমবারের মত এসেছিলেন জাপানে। ৩ দিনের সফরে।

দেশ কি পেল?
(১) জাপানে এসেছিলেন নিক্কেই গ্রুপের আমন্ত্রণে। ব্যবহার করেছেন কমার্শিয়াল বিমান। দেশের একটি টাকাও খরচ করেন নি। ওনার যাতায়াত, থাকা খাওয়া -সমস্ত খরচ বহন করেছেন নিক্কেই। সফর সঙ্গীদের খরচ ছাড়া।

(২) দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হলো। প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার সাথে। অর্থনৈতিক সহযোগিতা, অবকাঠামো উন্নয়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক নিয়ে। সিদ্ধান্ত গুলো হলো -
আর্থিক সহায়তা দিবে মোট $১.০৬৩ বিলিয়ন। তাঁর মধ্যে $৪১৮ মিলিয়ন অর্থনৈতিক সংস্কার ও জলবায়ু সহনশীলতা উন্নয়নে; $৬৪১ মিলিয়ন জয়দেবপুর-ঈশ্বরদী রেলপথ উন্নয়নে আর $৪.২ মিলিয়ন শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপ সহায়তা। আশা করি আমরা নিয়মিত আপডেট পাবো।

আর ছিল ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (EPA)। এটা একটা গুরুত্বপূর্ন এগ্রিমেন্ট। ২০২৬ সালের নভেম্বর মাস থেকে বাংলাদেশ আর LDC-র কোটার বানিজ্যিক সুবিধা, অল্প সুদে লম্বা সময়ের সফট লোন পাচ্ছিনা। কিন্তু এই সুবিধা গুলোর কিয়দংশ যেন অব্যাহত থাকে, তাঁর জন্যই এই চুক্তি।

(৩) মানবসম্পদ উন্নয়ন- অতি অল্প সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে কমপক্ষে ১লক্ষ কর্মসংস্থানের একটি গোল সেট করেন। এই কাজটি করতে পারলে কমপক্ষে ১০ লক্ষ পরিবারের মোট ৫০ লক্ষ লোকের জীবনকে স্পর্শ করবে। একজন শ্রমিক মাসে ৫০ হাজার টাকা দেশে পাঠাতে পারলে মাসে ৫ বিলিয়ন টাকা ঢুকবে। সেমিনারে আনুষ্ঠানিক ভাবে ২টি সংগঠনের সমঝোতা যুক্তি হয়। তাঁর মানে এই না যে এই দুটি সংগঠনই ১ লক্ষ লোক আমদানি করার দায়িত্ব পেয়েছেন। কিছু কিছু সংবাদ মাধ্যম ভুল সংবাদ ছড়াচ্ছে। জাপানে আছে ৩০০০+ এবং বাংলাদেশে ১০০+ সংগঠন। এই কাজ সবাই মিলে করবেন। প্রতি শ্রমিক থেকে সর্বোচ্চ কতটাকা নিতে পারবেন, তা পুনঃনির্ধারিত হবে। কেউ যেন প্রতারিত না হন সে জন্য একটা মাত্র চ্যানেল থেকে তথ্য প্রদানের কথা বার্তা চলছে।

বিশ্ব কি পেল?
(৪) Nikkei Forum এ এসেছিলেন ASEAN দেশ গুলোর প্রধানমন্ত্রী/প্রেসিডেন্ট গন। সেখানে কীনোট স্পিচ দেন আমাদের দেশের প্রধান উপদেষ্টা। যদিও বাংলাদেশে এখনো non-ASEAN দেশ। বাংলাদেশ চেষ্টা করছে ASEAN এ ঢোকার। কয়েকটি টিভি চ্যানেল আলাদাভাবে ইন্টার্ভিউ নেন। ট্রাম্পের নীতি, এশিয়ার দেশগুলোর উপর অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে ওনার উপ্লদেশ চেয়েছেন। অনেক দেশেই Ministry of War (ডিফেন্স মিনিস্ট্রি) আছে কিন্তু Ministry of Peace নেই। এই কথাটি ফোরামের বাণী হয়ে গেছে।

প্রবাসীরা কি পেল ?
(৫) এমব্যাসি তে প্রবাসীদের সাথে মত বিনিময় হয়। প্রবাসীদের একটা অনুরোধ ছিল - নারিতা-ঢাকা বিমান রুটটা যেন চালু থাকে। উনি শুনেছেন কিন্তু এটা বাড়ির কাজ হিসাবে নিয়ে গেছেন। মন্ত্রণালয়ের সাথে কথা বলে জবাব দিবেন। এই দাবিটিতে প্রবাসীদের ইমোশন জড়িত। আশা করি, ওনার মন্ত্রণালয় বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবেন এবং একটা হ্যাঁ-বোধক উত্তর দিবেন -এটাই সবার প্রত্যাশা।

অল্প সময়ে অনেক অর্জন। কাছ থেকে সরকারের কাজ দেখার অল্প একটু সুযোগ হল। টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। অন্তর থেকে দুটো হাততালি দিয়ে কাল বিমানে করে টোকিও থেকে ফুকুওকা পৌঁছলাম।

১ লক্ষ মানবসসম্পদ উন্নয়নে অসাধারণ কিছু আইডিয়া নিয়ে এসেছেন জাপানি কিছু প্রতিষ্ঠান। তাঁদের উদ্দেশ্য প্রফিট ম্যাক্সিমাইযেশন নয়, সুখ ম্যাক্সিমাইযেশন। সেই কাহিনি গুলোও শেয়ার করবো। স্টে টিউন্ড।

Address

London

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Youth for Policy and Development posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share