Let’s do it for Allah and Akhirah

Let’s do it for Allah and Akhirah Life's an adventure so enjoy every bit! Smile and let go. Whatever is coming will be best planned by your Creator!

যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের আমল লিস্ট!যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিন অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ। এই দিনগুলোতে করা নেক আমল আল্লাহর কাছে সবচে...
18/05/2026

যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের আমল লিস্ট!

যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিন অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ। এই দিনগুলোতে করা নেক আমল আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয়। তাই আসুন, আমরা আগে থেকেই কিছু আমল ঠিক করে নেই, যেন এই দিনগুলো উদ্দেশ্যহীনভাবে চলে না যায়।

সুন্দরভাবে গুছিয়ে আমল লিস্ট শেয়ার করছি যেন রেডি হয়ে যেতে পারেন--

১. পাঁচ ওয়াক্ত সালাত যথাসময়ে আদায় করা:

সব আমলের ভিত্তি হলো ফরয ইবাদত। চেষ্টা করি সময়মতো, মনোযোগের সাথে সালাত আদায় করতে।

২. বেশি বেশি তাওবা ও ইস্তিগফার করা:
বারবার বলি:

*আস্তাগফিরুল্লাহ*
নিজের গুনাহের জন্য লজ্জিত হই, আল্লাহর কাছে ফিরে যাই

৩. তাকবীর, তাহমীদ, তাহলীল ও তাসবীহ বেশি পড়া:

এই দিনগুলোতে বেশি বেশি পড়ি:

--আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ।

৪. কুরআন তিলাওয়াত করা

প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ কুরআন পড়ার লক্ষ্য ঠিক করি। অল্প হলেও নিয়মিত পড়ি। এখন থেকেই পড়া শুরু করুন, যিলহজ্জের ১০ দিনের মধ্যে একটা কুরআন খতিমা কমপ্লিট করতে পারেন।
৫. ফরজ নামাজের যত্ন নেয়ার পরে নফল সালাতের প্রতি যত্নবান হওয়া:

বিশেষ করে:* তাহাজ্জুদ, সালাতুদ দুহা

৬. রোযা রাখা

সম্ভব হলে যিলহজ্জের প্রথম ৯ দিন রোযা রাখি।

বিশেষভাবে **আরাফার দিনের রোযা** অনেক ফযীলতপূর্ণ তাদের জন্য যারা হজে নেই। ঐ দিনের রোজার মাধ্যমে আগের এবং পরের ২ বছরের গুনাহ মাফ হয় সুবহানআল্লাহ!

৭. বেশি বেশি দোয়া করা:

নিজের জন্য, পরিবারের জন্য, উম্মাহর জন্য, দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া করি।

৮. যিকিরে জিহ্বা সজীব রাখা:

কাজ করতে করতে, হাঁটতে হাঁটতে, রান্না করতে করতে, ফাঁকে ফাঁকে যিকির করি। ছোট ছোট যিকিরও অনেক ভারী হয়ে যায় মীযানে।

৯. সদকা করা:

সামর্থ্য অনুযায়ী দান করি। অল্প হলেও আন্তরিকতা নিয়ে দিই!

১০. কুরবানির নিয়ত থাকলে চুল-নখ না কাটা:

যিনি কুরবানি দেওয়ার নিয়ত করেছেন, তিনি যিলহজ্জের চাঁদ ওঠার পর থেকে কুরবানি দেওয়া পর্যন্ত চুল ও নখ না কাটার চেষ্টা করবেন।

১১. ভালো কাজের পরিকল্পনা করে রাখা:

যেমন:
* একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে সাহায্য করা

* আত্মীয়তার সম্পর্ক ঠিক করা

* কাউকে ক্ষমা করে দেওয়া

* ইসলামি কিছু শেখা বা শেখানো

১২. অন্তরকে পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা কর

হিংসা, অহংকার, রাগ, শত্রুতা ইত্যাদি এসব থেকে হৃদয়কে পরিষ্কার করার চেষ্টা করি। শুধু বাহ্যিক আমল নয়, অন্তরের আমলও জরুরি।

কুরবানীর এই মহান দিনগুলোতে কেবল পশু কুরবানীতে সীমাবদ্ধ না থাকি। বরং নিজেদের গুনাহ, নফসের খেয়াল, অহংকার, রাগ, খারাপ ভাষা —এসবকেও কুরবানী করার চেষ্টা করি।

এ সময় self-purification বা আত্মশুদ্ধির আমলও খুব জরুরি। যেমন:

* নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করা

* মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করা

* অন্যের হক সম্পর্কে সচেতন হওয়া

* কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে সংশোধন করা

* অন্তরকে নরম করা

এই ১০ দিন যেন আমাদের ভেতরের মানুষটাকেও বদলে দেয়।

১৩. পরিবারের মাঝেও নিজ ঘরে ইবাদতের পরিবেশ তৈরি করা:

আমাদের মা-বাবা, সন্তান, ভাইবোনদের, স্বামী/স্ত্রীরা সবাই সবাইকে উৎসাহ দিই—যেন ঘরেও যিলহজ্জের সৌন্দর্য অনুভব করা যায়।

১৪. হজ্জের মৌসুমকে অন্তরে জীবন্ত রাখা:

যারা হজ্জ করতে যাচ্ছেন, তারা তো আল্লাহর ঘরের মেহমান হয়ে হজ্জ করবেন।

আর যারা হজ্জে যাচ্ছেন না, তারাও যেন এই দিনগুলোতে এমন মানসিকতা রাখি—আমরাও আল্লাহর জন্যই সাড়া দিচ্ছি, আমরাও ইবাদাতে, যিকিরে, তাওবায়, দোয়ায় নিজেদের হাজির করছি।

এই কথার সাথে মিলে আমরাও বলি:

**লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক**

অর্থাৎ, হে আল্লাহ, আমি উপস্থিত, আমি সাড়া দিচ্ছি।

হয়তো শারীরিকভাবে হজ্জে যাওয়া হয়নি, কিন্তু অন্তর যেন আল্লাহর দরবারে হাজির হয়।

১৫. আরাফার দিনটিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া:

এই দিনে বেশি বেশি দোয়া, যিকির, তাওবা, কুরআন তিলাওয়াত ও রোযার প্রতি গুরুত্ব দিই।

১৬. ঈদের দিন আল্লাহর শোকর আদায় করা:

ঈদের আনন্দের মাঝেও যেন আল্লাহকে ভুলে না যাই। কুরবানি, সালাত, যিকির— সবকিছুই ইবাদত।

এক নজরে আমল চেকলিস্ট:

☐ পাঁচ ওয়াক্ত সালাত

☐ কুরআন তিলাওয়াত

☐ ১০ দিনের বিশেষ যিকির

☐ ইস্তিগফার

☐ আরাফার দিনের জন্য বিশেষ দুয়া লিস্ট রেডি করা, দোয়া করা

☐ আরাফার দিনে রোজা রাখা

☐ সম্ভব হলে প্রথম ৯ দিন রোজা রাখা

☐ সদকা দেয়া

☐ নফল সালাত

☐ আত্মশুদ্ধির চেষ্টা করা, নিজের বদঅভ্যাস কুরবানী করা

☐ রাগ নিয়ন্ত্রণ করা

☐ ভালো ব্যবহার করা

☐ অন্যের হকের ব্যাপারে সচেতন হওয়া

☐ কুরবানী করা, কুরবানীর গোশত শেয়ার করা হকদারদের সাথে

নিজের জন্য এই নিয়তটি ঠিক করে ফেলুন আজকেই --

*“আমি এই ১০ দিনে আল্লাহর আরও প্রিয় বান্দা হওয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ, আমার আমলে, আমার অন্তরে, আমার চেষ্টা দিয়ে!"

আল্লাহ আমাদের যিলহজ্জের এই বরকতময় দিনগুলোকে সর্বোত্তমভাবে কাজে লাগানোর তাওফীক দিন।আমিন।

লেখা : শারিন সফি অদ্রিতা

আমি এখন নিয়ম করে সবকিছু আল্লাহকে বলার অভ্যাস করে নিয়েছি। আল্লাহ ছাড়া আর কাকে বলব? আমি যে একটা ছোট্ট ফিডার খুঁজতে গিয়েও ক...
08/01/2026

আমি এখন নিয়ম করে সবকিছু আল্লাহকে বলার অভ্যাস করে নিয়েছি।

আল্লাহ ছাড়া আর কাকে বলব? আমি যে একটা ছোট্ট ফিডার খুঁজতে গিয়েও কত পেরেশানিতে পড়ি এসব ছোটখাটো ব্যাপার এত মনোযোগ দিয়ে শুনার মত কে আছে? আর কে-ই বা তার মত করে সবচেয়ে সুন্দরভাবে সমাধান করার মত আছে?

~ কালেক্টেড 🌹

কষ্ট , মন খারাপ, ভেতর পুড়ে যাওয়া তার মতো করে কে বুঝবে ! অন্য কাওকে বলে লাভটাও কি !!
আল্লাহ শুধু তার প্রতি পূণ্য তাওয়াক্কুল করার ও শুধু তার কাছে নিজেকে প্রকাশ করার মতো শক্ত করে দিক !! ( যদিও মনের সবতো তিনিই জানেন না বললেও !)

একদা হযরত ঈসা (আ.) একটি কবরস্থানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি আল্লাহর হুকুমে কবরের এক মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করলেন। লোকটি কবর...
06/01/2026

একদা হযরত ঈসা (আ.) একটি কবরস্থানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি আল্লাহর হুকুমে কবরের এক মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করলেন। লোকটি কবরের মাটি ঝেড়ে উঠে দাঁড়াল। (উল্লেখ্য, হযরত ঈসা (আ.)-এর অন্যতম প্রধান মুজেযা (অলৌকিক ক্ষমতা) ছিল, তিনি মহান আল্লাহর হুকুমে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করতে পারতেন। )

হযরত ঈসা (আ.) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, "দুনিয়াতে তোমার কাজ কী ছিল?"

লোকটি উত্তর দিল, "হে আল্লাহর নবী! আমি একজন কুলি ছিলাম। মানুষের বোঝা মাথায় বহন করতাম এবং তা দিয়েই জীবিকা নির্বাহ করতাম। আমার জীবনটি খুব সাধারণ ছিল।"

হযরত ঈসা (আ.) জিজ্ঞেস করলেন, "তবে তোমার কবরের অবস্থা কী? তোমার হিসাব-নিকাশ কেমন চলছে?"

লোকটি কাঁদতে কাঁদতে বলল,

"একবার আমি এক ব্যক্তির এক বোঝা লাকড়ি (জ্বালানি কাঠ) মাথায় করে তার বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছিলাম। পথিমধ্যে আমার দাঁতের ফাঁকে কিছু একটা আটকে গিয়েছিল। আমি মালিকের অজান্তেই সেই লাকড়ির বোঝা থেকে একটি ছোট্ট কাঠি (খিলাল হিসেবে ব্যবহারের জন্য) ভেঙে নিলাম এবং তা দিয়ে দাঁত খিলাল করলাম।

এরপর যখন আমার মৃত্যু হলো, আল্লাহ তা’আলা আমাকে বললেন, 'হে আমার বান্দা! তুমি কি জানতে না যে আমি তোমাকে আজ এই হিসাবের কাঠগড়ায় দাঁড় করাব? অমুক ব্যক্তি তার টাকা দিয়ে কাঠ কিনেছিল এবং তোমাকে মজুরি দিয়েছিল তা বয়ে নেওয়ার জন্য। তুমি সেই মালিকের অনুমতি ছাড়া কেন একটি কাঠি ভেঙে নিলে?'

হে আল্লাহর নবী! আল্লাহর কসম, আমি আজ ৪০ বছর ধরে এই একটিমাত্র খড়কুটোর হিসাব দিয়ে যাচ্ছি কিন্তু আজও মুক্তি পাইনি! দয়া করে আপনি আমার জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ করুন।"

আমরা অনেক সময় অন্যের অতি ক্ষুদ্র জিনিস অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করি। আমরা একে খুব তুচ্ছ মনে করি। কিন্তু মনে রাখতে হবে, আল্লাহর কাছে ‘আমানত’ অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। অন্যের হক যদি একটি খড়কুটোর সমপরিমাণও হয়, তবুও পরকালে তার কড়ায়-গণ্ডায় হিসাব দিতে হবে।

সূত্র: আয যাহরুল ফাইহ (ইমাম ইবনুল জাওযি রহ.)
©

『 ভিশন এলোমেলো হয়ে আছি মালিক, একটু গুছিয়ে দিন আমায়। 』নিজের মনের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আজ আমি বড্ড ক্লান্ত। হাজারটা চিন্তা...
06/01/2026

『 ভিশন এলোমেলো হয়ে আছি মালিক, একটু গুছিয়ে দিন আমায়। 』

নিজের মনের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আজ আমি বড্ড ক্লান্ত। হাজারটা চিন্তার ভিড়ে আমি হারিয়ে যাচ্ছি, কোনো কূলকিনারা খুঁজে পাচ্ছি না। আমি জানি, আপনি ছাড়া এই বিশৃঙ্খলা আর কেউ ঠিক করতে পারবে না।

মালিক, আমার এই অগোছালো জীবনের সুতোগুলো আপনার রহমতের হাতে নিন। ঝাপসা হয়ে আসা চোখে স্পষ্ট হওয়ার আলো দিন। আমার ভেতরের এই ভাঙচুর থামিয়ে দিন আর আপনার একান্ত করুণায় আমার জীবনটাকে নতুন করে গুছিয়ে দিন। আমি আপনার আশ্রয়েই শান্তি খুঁজে পেতে চাই।

— —

মালিক, আমার এই শব্দহীন চিৎকার তো আপনার অজানা নয়। আমার দুশ্চিন্তার প্রতিটি প্রহরকে আপনি প্রশান্তিতে বদলে দিন। আমি ক্লান্ত হয়ে হাল ছেড়ে দিলেও, আপনি দয়া করে আমাকে ছেড়ে দেবেন না। আমার প্রতিটি অগোছালো পদক্ষেপকে আপনার রহমতের চাদরে মুড়িয়ে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে দিন। আপনিই তো আমার একমাত্র ভরসা। 🤲🏻
-সংগৃহীত

ইনশাআল্লাহ !
06/01/2026

ইনশাআল্লাহ !

Address

London

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Let’s do it for Allah and Akhirah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organisation

Send a message to Let’s do it for Allah and Akhirah:

Shortcuts

Share