Health-Care Solutions

Health-Care Solutions We are currently working on providing evidence-based information on healthy lifestyle, diabetes management and health care service delivery.

কখনো কি আপনার সোনামণির  #ব্লাডপ্রেশার পরীক্ষা করেছেন? জানি, অনেকেই বলবেন - না। আবার অনেকেই হেসে উড়িয়ে দিবেন - বাচ্চা শিশ...
09/02/2026

কখনো কি আপনার সোনামণির #ব্লাডপ্রেশার পরীক্ষা করেছেন?

জানি, অনেকেই বলবেন - না। আবার অনেকেই হেসে উড়িয়ে দিবেন - বাচ্চা শিশুদের আবার ব্লাড প্রেশার !

ব্লাড প্রেশার / হাইপ্রেশার বলতে আমরা কেবল - বয়স্ক আঙ্কেল-আন্টি বুঝি।

কিন্তু, চিকিৎসা সাময়িকী "দ্যা ল্যানসেট" এর সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে আতংকিত হওয়ার মত খবর - শিশুরাও এই উচ্চরক্তচাপে আক্রান্ত। 🇧🇩 বাংলাদেশে সেটার হার ৩.২%। আমাদের প্রতিবেশী দেশ 🇳🇵নেপালে ৯.৪%, 🇵🇰 পাকিস্তানে ৭.৬%,, 🇮🇳ভারতে ৫.৯% । এবং এই হার উদ্বেগজনক ভাবে বাড়ছে।

আরো খারাপ খবর হচ্ছে যে - গবেষকদের ধারণা, বাস্তব সখ্যাটা এর চাইতেও ঢের বেশী। কারন, বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই সোনামণির উচ্চরক্তচাপের সমস্যাটা Undiagnosed থেকে যায়। অর্থাৎ, তাদের উচ্চ রক্তচাপ কখনো মাপা হয় নি। কেন হয় না - তার উত্তরও অনেক লম্বা।

শিশুকাল থেকেই এই সমস্যাটা নীরবে বাড়তে থাকে। তার পর এক পর্যায়ে বিরাট আকার ধারণ করে। এবং তত দিনে অনেক দেরী হয়ে যায়।

এই লেখার মূল উদ্দেশ্য আপনাকে ভয় পাইয়ে দেয়া নয়। বরং আপনাকে সচেতন করা এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করা।


দ্যা ল্যানসেট এ প্রকাশিত চিকিৎসাবিজ্ঞানের গবেষণাপত্রটিকে সহজবোধ্য ভাবে লেখা আছে এখানে (লিংকের জন্য প্রথম কমেন্ট দেখুন 👇) । সমস্যাটার প্রকৃতি কিরুপ, কি কি বিপদ হতে পারে, কিভাবে সনাক্ত করবেন, পরবর্তী পদক্ষেপ কি হতে পারে, কিভাবে প্রতিরোধ করবেন - এইসব বিস্তারিত লিখা আছে।

Chanchlani, R., Brady, T., Kruger, R., & Sinha, M. D. (2025). 𝐔𝐧𝐝𝐞𝐫 𝐩𝐫𝐞𝐬𝐬𝐮𝐫𝐞: 𝐭𝐡𝐞 𝐥𝐢𝐟𝐞𝐥𝐨𝐧𝐠 𝐜𝐚𝐫𝐝𝐢𝐨𝐯𝐚𝐬𝐜𝐮𝐥𝐚𝐫 𝐡𝐞𝐚𝐥𝐭𝐡 𝐨𝐟 𝐜𝐡𝐢𝐥𝐝𝐫𝐞𝐧 𝐚𝐧𝐝 𝐲𝐨𝐮𝐭𝐡 𝐰𝐢𝐭𝐡 𝐩𝐫𝐢𝐦𝐚𝐫𝐲 𝐡𝐲𝐩𝐞𝐫𝐭𝐞𝐧𝐬𝐢𝐨𝐧. The Lancet Child & Adolescent Health.

#শিশু_স্বাস্থ্য #উচ্চরক্তচাপ #শিশু #জনস্বাস্থ্য

বাচ্চা দেরি করে কথা বলছে?সবাই উপদেশ দিচ্ছে ফিঙ্গার ফুড দিতে, এতে করে আপনার বাচ্চা কথা বলা শিখবে!চলুন দেখি বিজ্ঞানসম্মত গ...
19/01/2026

বাচ্চা দেরি করে কথা বলছে?
সবাই উপদেশ দিচ্ছে ফিঙ্গার ফুড দিতে, এতে করে আপনার বাচ্চা কথা বলা শিখবে!

চলুন দেখি বিজ্ঞানসম্মত গবেষণাপত্রগুলো এই বিষয়ে কি বলে।

👉 এই ব্লগে জানুন:

⏺️কথা বলা ও খাওয়ারের মধ্যকার অজানা বিজ্ঞান

⏺️কোন খাবার কখন দিবেন – সময় ও পদ্ধতি

⏺️কোন কথাগুলো "মিথ" এবং কোনটা "সত্য"

⏺️বাচ্চার ভাষা বিকাশে সহজ, প্রমাণিত কৌশল

লেখাটি পড়ে সঠিক তথ্যটা জেনে নিন, নিজের প্যারেন্টিং কনফিডেন্স বাড়িয়ে নিন। লিঙ্ক প্রথম কমেন্টে 👇

#শিশুর_বিকাশ #প্যারেন্টিং_টিপস #বাচ্চার_কথা_বলা #মায়েদের_গাইড #বৈজ্ঞানিক_প্যারেন্টিং #ফিঙ্গার_ফুড #শিশুর_খাবার

24/11/2025

#কিডনী রোগের নির্ণয়ের জন্য প্রস্রাবের পরীক্ষা সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা:

কিডনি রোগের নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রস্রাব পরীক্ষা অতি প্রয়োজনীয়। প্রস্রাব পরীক্ষার মাধমে এই বিষয়গুলো সম্পর্কে জানা যায়:

- প্রস্রাবের পুঁজের (Pus) উপস্থিতি, যা মূত্রনালিতে সংক্রমণের সংকেত দেয়।
- প্রস্রাবের প্রোটিন বা রক্তকণিকার উপস্থিতি, যা গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিস এর নিদর্শন।
- মাইক্রোঅ্যালবুমিনেবিয়া: প্রস্রাবের এই পরীক্ষাটি ডায়াবেটিসের কারণে কিডনি খারাপ হবার সম্ভাবনা থেকে সর্বপ্রথম এবং সবথেকে তাড়াতাড়ি নির্ণয়ের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

প্রস্রাবের অন্য পরীক্ষাগুলি হল:

- প্রস্রাবের টি.বি.র জীবাণুর (Bacteria) পরীক্ষা যা টি.বি. রোগ নির্ণয়ের জন্য আবশ্যক।
- ২৪ ঘণ্টার মূত্রে প্রোটিনের মাত্রা (কিডনির ফোলাভাব আর তার চিকিৎসার প্রভাব জানার জন্য)
- প্রস্রাব কালচার আর সেনসিটিভিটি পরীক্ষা (প্রস্রাব সংক্রমণের জন্য দায়ী ব্যাকটিরিয়া বিষয়ে জানতে আর তার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যাপারে জানতে সহায়ক)।

এখানে উল্লেখ্য যে, প্রস্রাবের পরীক্ষার মাধ্যমে কিডনির বিভিন্ন রোগের ব্যাপার জানা যায় কিন্তু প্রস্রাব পরীক্ষার রিপোর্ট স্বাভাবিক (Normal) হওয়া সত্ত্বেও কিডনিতে কোনও রোগ নেই সেটা বলা যায় না।

#কিডনি #কমকথায়_কিডনিকে_জানুন #জনস্বাস্থ্য #সচেতনতা #ডায়াবেটিস

কিডনির পরীক্ষা কাদের করানোর দরকার? কিডনির রোগের সম্ভাবনা অধিক কখন?🔘 যে ব্যক্তির কিডনির রোগের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।🔘 ডায়াবিট...
16/11/2025

কিডনির পরীক্ষা কাদের করানোর দরকার? কিডনির রোগের সম্ভাবনা অধিক কখন?

🔘 যে ব্যক্তির কিডনির রোগের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।
🔘 ডায়াবিটস (মধুমেহ) রোগগ্রস্ত ব্যক্তি।
🔘 উচ্চ-রক্তচাপযুক্ত ব্যক্তি (High Blood Pressure)
🔘 পরিবারে বংশানুগতিক কিডনি রোগের ইতিহাস।
🔘 অনেক দিন ধরে যন্ত্রণা নিবারক (Pain Killer Tablets) ঔষধের সেবন।
🔘 রেচনতন্ত্রে জন্মগত রোগ।
🔘 ২-৫ বৎসর অন্তর নিয়মিত পরীক্ষা সাধারণের জন্য দরকার।

#কিডনি_কথা #কিডনি #জনস্বাস্থ্য #কমকথায়_কিডনিকে_জানুন

-:: প্রস্রাবের রাস্তায় পূঁজ হয় কেন ? ::-প্রস্রাবের রাস্তা দিয়ে পুঁজ নির্গত হয় ৷ প্রস্রাবে জ্বালা-যন্ত্রণা হয়। টন-টন...
06/11/2025

-:: প্রস্রাবের রাস্তায় পূঁজ হয় কেন ? ::-
প্রস্রাবের রাস্তা দিয়ে পুঁজ নির্গত হয় ৷ প্রস্রাবে জ্বালা-যন্ত্রণা হয়। টন-টন করে ব্যথা করে । এমন অবস্থা হলে প্রাথমিকভাবে বুঝতে হবে, রোগটি গনোরিয়া (Gonorrhea) বা প্রমেহ রোগ ।

এটি একটি জটিল যৌন ব্যাধি । এর কারণ এক ধরণের ব্যাকটেরিয়া। নাম নাইসেরিয়া গনোরী (Neisseria Gonorrhoeae) ৷ সংক্ষেপে ডাকা হয় গনোকক্কাই নামে । এর চেহারা অনেকটা সীমের বীচির মতো । অসৎ যৌন মিলনের ফলে এই রোগের বিস্তার ঘটে ।

জীবাণুর আক্রমনের ফলে মুত্রনালীতে প্রদাহ হয় । সেখান থেকে জীবাণুর মূত্রথলী, মেয়েদের জরায়ু ও ডিম্বাশয়, পুরুষের শুক্রাশয়, প্রোষ্টেট গ্ল্যান্ড ও সেমিনার ভেসিকলকে আক্রমণ করে। গনোরিয়ার জটিলতা হিসাবে রক্তদূষণ, সন্ধিপ্রদাহ, মূত্রনালীতে সংকীর্ণতা ইত্যাদি জটিলতা দেখা দেয়।

সঠিক ভাবে রোগ নির্ণয়ের জন্য পুঁজ পরীক্ষা করতে হয়। পুঁজের কালচার টেষ্টের মাধ্যমে জীবাণুর আসল চেহারা জানা যায় । রোগটির চিকিৎসায় বিভিন্ন ধরনের এন্টিবায়োটিক ঔষধ দেয়া হয় ।

গনোরিয়া মূত্রতন্ত্রের বিভিন্ন অংশে প্রদাহ সৃষ্টি করে। এর দীর্ঘ মেয়াদী ক্ষতিকর প্রভাব হিসাবে কিডনীও ক্ষতিগ্রস্থ হয় । তাই অসৎ যৌন সঙ্গ ত্যাগের মাধ্যমে কিডনিকে এ জটিল রোগের আক্রমণ থেকে বাঁচানো সম্ভব৷

🔸 গুরুত্বপূর্ণ বার্তা:
এই তথ্যটি শুধুমাত্র সচেতনতা বৃদ্ধি ও ব্যক্তিগত জ্ঞানার্জনের উদ্দেশ্যে শেয়ার করা হয়েছে। এটি কোনোভাবেই চিকিৎসা পরামর্শ নয়। আপনার স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই অভিজ্ঞ ও নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

আমাদের সঙ্গে থাকুন “কিডনি কথা” সিরিজে — কারণ, সচেতনতা থেকেই শুরু হয় সুরক্ষার প্রথম পদক্ষেপ। 🌿

#কিডনি_কথা #সচেতনতা #কমকথায়_কিডনিকে_জানুন #কিডনি #জনস্বাস্থ্য

06/11/2025

মানুষের শরীরের অভ্যন্তরে কিডনীর অবস্থান কোথায়?

⦂⦂ প্রস্রাবে জ্বলা-পোড়া, ব্যথা-বেদনা কেন হয়? ⦂⦂গরমের দিনে প্রস্রাবে জ্বালা-পোড়া হয়। তার কারণ পানি কম খাওয়া। দেহে পান...
05/11/2025

⦂⦂ প্রস্রাবে জ্বলা-পোড়া, ব্যথা-বেদনা কেন হয়? ⦂⦂
গরমের দিনে প্রস্রাবে জ্বালা-পোড়া হয়। তার কারণ পানি কম খাওয়া। দেহে পানি-সল্পতা দেখা দিলে প্রস্রাব কিঞ্চিৎ হলুদাভ হয়। প্রস্রাবে জ্বালা-পোড়াও হয়৷ বেশী পরিমাণে পানি পান করলে সেটা আবার সেরে যায়৷

মূত্রতন্ত্রের কোথাও কোন আঘাত লাগলে প্রস্রাবে জ্বালা-পোড়া ও ব্যথা-বেদনা হয়। অনেক সময় ক্যাথেটার বা কোন যন্ত্র ঢুকানোর ফলেও প্রস্রাবে টনটন করে ব্যথা হয়। এর নাম “'ইনস্ট্রমেন্টাল পেইন ।'

প্রস্রাবে জ্বালা-পোড়ার অসুখের নাম ডাইসুরিয়া (Dysuria) । এর প্রধান কারণ প্রস্রাবের রাস্তায় (যোনিপথে বা মূত্রথলিতে) জীবাণু সংক্রমণ ৷ ভাল নাম U.T.I. বা ইউরিনারী ট্র্যাকট ইনফেকশন (Urinary Tract Infection) ৷ নানা ধরনের জীবাণু এর জন্য দায়ী। তাদের মধ্যে ই. কোলাই, প্রোটিয়াস, স্ট্রেপটোকক্কাস, স্টাফাইলোকক্কাস, ক্লেবসেলা, সিডোমোনাস ইত্যাদি প্রধান ৷ এদের সংক্রমনে প্রস্রাবে জ্বালা-পোড়া, ব্যথা-বেদনা ও ঘন-ঘন প্রস্রাব হয় । কিডনী বা মূত্রথলিতে পাথর অথবা প্রদাহ হলেও এই রোগ হয়।

সাধারণত গর্ভবতী মা, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে ডায়াবেটিস (Diabetes) রোগী এবং মূত্রথলির যেকোন রোগী এই সমস্যায় ভুগতে পারেন।

পুরুষের তুলনায় মেয়েদের প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া জনিত রোগ বেশী হয়। এর কারণ মেয়েদের মূত্রনালীর সংকীর্ণতা ৷ পুরুষের মুত্রনালী প্রায় ২০ সেন্টিমিটার লম্বা । আর মেয়েদের মূত্রনালী লম্বা মাত্র ৫-৬ সেন্টিমিটার ৷ সেজন্য জীবাণু সমূহ অতি সহজেই মূত্রনালী বেয়ে মূত্রথলীতে ঢুকে যেতে পারে । অন্যদিকে পুরুষের মূত্রনালী পায়ুপথ থেকে অনেক দূরে ৷ এর বিপরীতে মেয়েদের বহিঃমূত্র ছিদ্র ও বার্থ কেনেল পায়ুপথের সন্নিকটে বিধায় সহজেই জীবাণু সংক্রমণ ঘটতে পারে।

এছাড়াও 'পায়েলো নেফ্রাইটিস' (Pyelonephritis) নামক জটিল কিডনী রোগেও প্রস্রাবে জ্বালা-পোড়া হয়। প্রস্রাবে জ্বালা-পোড়া হলে বেশী পরিমাণে পানি পান করতে হয়। প্রস্রাব পরীক্ষা ও কালচার টেষ্টের (Urine Culture) মাধ্যমে সঠিক জীবাণুর উপস্থিতি জানা যায়। সে অনুযায়ী এন্টিবায়োটিক ঔষধ প্রয়োগ করে সুফল পাওয়া যায়। অতিরিক্ত জীবাণু সংক্রমণে কিডনী অকেজো হয়ে যেতে পারে।

---
🔸 গুরুত্বপূর্ণ বার্তা: এই তথ্যটি শুধুমাত্র সচেতনতা বৃদ্ধি ও ব্যক্তিগত জ্ঞানার্জনের উদ্দেশ্যে শেয়ার করা হয়েছে। এটি কোনোভাবেই চিকিৎসা পরামর্শ নয়। আপনার স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই অভিজ্ঞ ও নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

আমাদের সঙ্গে থাকুন “কিডনি কথা” সিরিজে — কারণ, সচেতনতা থেকেই শুরু হয় সুরক্ষার প্রথম পদক্ষেপ। 🌿

#কিডনি_কথা #সচেতনতা #কমকথায়_কিডনিকে_জানুন

#কিডনি #জনস্বাস্থ্য

05/11/2025

🐾 𝗜𝘀 𝗰𝗮𝘁 𝘆𝗼𝘂𝗿 𝗽𝗲𝘁? 🐱
We all have that one special furry (or feathery, or scaly!) friend who brightens our days. 💖

Tell us about your beloved companion!
✨ What kind of pet do you have?
✨ Why do you love them so much?
✨ Share a cute photo of your pet in the comments! 🐕🐈🐇🐦

Having a pet brings endless joy — from reducing stress to keeping us active and filling our homes with love. ❤️

Let’s celebrate our pets today! Drop your stories and pics below ⬇️

05/11/2025

কিডনীর ওজন কত?

:: প্রস্রাব কম হয় কেন?প্রস্রাব বেশী হওয়া যেমন ক্ষতিকর, তেমনি কম প্রস্রাব তার চেয়েও বেশী বিপদজনক ৷ কেননা এর সাথে জড়িত...
04/11/2025

:: প্রস্রাব কম হয় কেন?
প্রস্রাব বেশী হওয়া যেমন ক্ষতিকর, তেমনি কম প্রস্রাব তার চেয়েও বেশী বিপদজনক ৷ কেননা এর সাথে জড়িত আছে কিডনীর বহু রোগ। দীর্ঘ সময় ধরে পানি পান না করলেও প্রস্রাব কম হয়। গরমের দিনে প্রস্রাবের পরিমাণ একেবারেই কম থাকে । কেননা তখন ঘামের সাথে অতিরিক্ত পানি বেরিয়ে যায়।

রমজান মাসের বিকেল বেলায় রোজাদারের প্রস্রাব কম হয় বা একেবারেই হয়না। এটা দীর্ঘ সময় ধরে পানাহার বন্ধ রাখার ফল।

বমি, ডায়রিয়া, আমাশয়, রক্তক্ষরণ ইত্যাদি অবস্থায় দেহ হতে অতিরিক্ত পরিমানে পানি, লবণ ও পুষ্টি উপাদান বেরিয়ে যায়। রক্তের পরিমাণ কমে গেলে কিডনী ভোগে রক্তাল্পতায় । পরিণামে প্রস্রাব কমে যায়। একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির প্রতি ২৪ ঘন্টায় প্রস্রাব ৫০০ সিসির কম হলে তার নাম অলিগুরিয়া (Oliguria)। এমতাবস্থায় রোগীর হার্ট রেট বেড়ে যেতে পারে, পিঠের দিকে কোমড়ের উপরে ব্যথা হতে পারে, পা ফুলে যেতে পারে, ব্লাড প্রেসার কমে যেতে পারে, এবং পেট ব্যথা হতে পারে।

আর যদি ২৪ ঘন্টায় প্রস্রাবের পরিমাণ ১০০ সিসির ও নীচে নামে, তাকে বলে এনুরিয়া (Anuria)। সাধারণত কিডনী রোগ, প্রচণ্ড রকমের পানিসল্পতা (Dehydration), রক্তক্ষরণ, কিডনিতে পাথর, কিছু নির্দিষ্ট ঔষধ, অথবা মূত্রথলিতে সমস্যার (Benign Prostatic Hyperplasia) কারণে এমন হতে পারে।

বহু কিডনী রোগের কারণেও প্রস্রাব কমে যায়। তার নাম রেনাল ইউরেমিয়া (Renal uremia)। এর প্রধান কারণ নেফ্রাইটিস (Nephritis) নামক রোগ ৷ এতে অনেক সময় কিডনী অকেজো হয়ে পড়ে।

দুই পাশের বৃক্কনালীতে প্রতিবন্ধকতা (Blockage) সৃষ্টি হলে কিংবা মূত্রপ্রবাহে বিঘ্ন ঘটলেও প্রস্রাব কমে যায় বা একেবারেই বন্ধ হয়ে পড়ে । এর নাম পোষ্ট-রেনাল ইউরেমিয়া (Post-renal uremia)। এর রয়েছে বহু কারণ। তাদের মধ্যে প্রদাহ, পাথর, টিউমার, ক্যান্সার অন্যতম ।

শিশুদের বেলায় জ্বর, বমি বা পাতলা পায়খানার পর প্রস্রাব কমে যায়। সেজন্য খাওয়ার স্যালাইন খাওয়াতে হয়। ১২ ঘন্টার মধ্যে প্রস্রাব না হলে বা ২৪ ঘন্টার মধ্যে কমে গেলে জরুরী ডাক্তার দেখানো উচিত৷

🔸 গুরুত্বপূর্ণ বার্তা:

এই তথ্যটি শুধুমাত্র সচেতনতা বৃদ্ধি ও ব্যক্তিগত জ্ঞানার্জনের উদ্দেশ্যে শেয়ার করা হয়েছে। এটি কোনোভাবেই চিকিৎসা পরামর্শ নয়। আপনার স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই অভিজ্ঞ ও নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

আমাদের সঙ্গে থাকুন “কিডনি কথা” সিরিজে — কারণ, সচেতনতা থেকেই শুরু হয় সুরক্ষার প্রথম পদক্ষেপ। 🌿

#কিডনি_কথা #সচেতনতা #কমকথায়_কিডনিকে_জানুন

#কিডনি #জনস্বাস্থ্য

03/11/2025

প্রস্রাব কম হয় কেন?

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801304732147

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Health-Care Solutions posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share