Superwoman.com.bd

  • Home
  • Superwoman.com.bd

Superwoman.com.bd Superwoman বাংলাদেশের প্রথম অনলাইন লার্নিং ?

“সম্পাদকের পাতা থেকে-০৩” -তাওহীদ উর রশিদ রাইয়ানস্বামীর জন্য ওষুধ আনতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ, চাচার কাছে ধর্ষণের শিক...
29/10/2020

“সম্পাদকের পাতা থেকে-০৩”
-তাওহীদ উর রশিদ রাইয়ান

স্বামীর জন্য ওষুধ আনতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ, চাচার কাছে ধর্ষণের শিকার চার বছরের ভাইঝি, ভাইয়ের সামনে বোনকে গণধর্ষণ, বাবাকে বেঁধে রেখে তার সামনে মেয়েকে গণধর্ষণ, সন্তানের সামনে মাকে ধর্ষণ, বন্ধুদের সাথে ঘুরতে গিয়ে বন্ধুদের দ্বারা গণধর্ষণের শিকার তরুণী, প্রবাসীর স্ত্রীকে নির্যাতন ও ধর্ষণ…….
কি আর নিতে পারছেন না? কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বলেন বা প্রতিদিন খবরের কাগজ ঢু মারলেই চোখের সামনে ভাসে এসব ধর্ষণের খবর। এ নীরব নিষ্ঠুর যৌন অপরাধের ক্রমবর্ধমান প্রবণতা সমাজের মানুষের বিকৃত মানসিকতাকেই উপস্থাপন করছে। দুধের শিশু থেকে শুরু করে প্রৌঢ়া বৃদ্ধা, কোনো বয়সের নারীরাই রক্ষা পায়নি সমাজে দাপিয়ে বেড়া এসব উগ্র দানবের কবল থেকে।

বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে সংকলিত পরিসংখ্যান অনুসারে এ বছর এপ্রিল থেকে আগস্টের মধ্যে মোট ৬৩২ টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল যার অর্থ গত পাঁচ মাসে প্রতিদিন গড়ে চারজন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। তবে শিক্ষাবিদ এবং মানবাধিকার কর্মীরা দাবি করেছেন যে বাস্তব ঘটনাটি পরিসংখ্যানের চেয়েও খারাপ । যে দেশে আসামি ধর্ষণ করেনি এমন প্রমাণের ভিত্তিতেই ছাড়া পেয়ে যায় সেখানে নারীরা কিন্তু সমাজের চোখে ধর্ষিতা হয়েই বেঁচে আছেন। তবে যতগুলো ধর্ষণের ঘটনা ঘটে তার প্রায় ৭০ শতাংশ বিচারের দ্বার পর্যন্ত আসে নি। মূলত প্রকাশ্য কোনও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না থাকায় বেশিরভাগ পিতামাতা ও স্বজন লুকিয়ে ফেলেন ধর্ষণের ঘটনা।

তবে কি বাংলাদেশে ধর্ষণ অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠছে? আর কত নারী ধর্ষিত হলে আমাদের বিবেক জাগবে? আসুন আমরা একসাথে এই স্বাধীন উপত্যকায় এই ঘৃণ্য ব্যাধির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাই। আর দেরি নয়, আপন মানুষের মুখোশধারী এসব পশুদের মুখোশ উন্মোচনে একাত্ম হতে হবে এখনই, সুন্দর নিরাপদ আগামীর জন্যে সচেতন হওয়ার সময় এই মুহূর্ত থেকেই।

#প্রতিবাদ_হোক_কলমের_সাথে নিজেকে যুক্ত করে আমি প্রতিবাদ করছি আমার লেখনীর মাধ্যমে। আপনারাও এগিয়ে আসুন আপনাদের আঁকা বা লেখার মাধ্যমে ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে। আপনি চাইলে নিজের সাথে ঘটে যাওয়া কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা কিংবা আপনার আশেপাশে ঘটে যাওয়া নির্যাতন এবং সেই সম্পর্কে সচেতন করতে আমাদের কাছে লেখা পাঠাতে পারেন এই ই-মেইলেঃ ([email protected])। অথবা আমাদের মেসেজ পাঠাতে পারেন Superwoman এর ফেসবুক পেইজেঃ
https://www.facebook.com/superwomanbd/

লেখকের সর্বোচ্চ গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে চাইলে আপনি নিজের নাম গোপন রাখতে পারেন। হতে পারে আপনার একটি লেখা পড়ে অনেকের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি হবে যা আমাদের সকলের সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাই আপনার আঁকা ও লেখা দিয়ে “ Against Rape” ইভেন্টে অংশগ্রহণ করতে রেজিস্ট্রেশন করুন:
https://l.facebook.com/l.php...

ইভেন্ট লিংক: https://fb.me/e/i2JUna7YQ

চলুন একসাথে পথচলি, সুন্দর আগামী গড়ি।

#প্রতিবাদ_হোক_কলমের_সাথে


ছবি: ইন্টারনেট

"লেখকের খোলা খাতায়-০৩"-সৃজন চন্দ্র দাসদীর্ঘ ৭ মাস ঘরবন্দীর পর সেদিন বের হয়েছিলাম। অপেক্ষায় ছিলাম পাল্টে যাওয়া ঢাকার হালচ...
28/10/2020

"লেখকের খোলা খাতায়-০৩"
-সৃজন চন্দ্র দাস

দীর্ঘ ৭ মাস ঘরবন্দীর পর সেদিন বের হয়েছিলাম। অপেক্ষায় ছিলাম পাল্টে যাওয়া ঢাকার হালচাল দেখব বলে। তেমনটা হয়নি আসলে, সেই চিরচেনা ঢাকা-ই যেন ঘিরে রয়েছে আমাদের। তারপরও হঠাৎ যেন ঢাকার দিকে তাকিয়ে একটা চাপা কিন্তু তীব্র অভিমান অনুভব করছিলাম নিজের প্রতি, নিজের দেশের মানুষের প্রতি। সাম্প্রতিক সময়ে একনাগাড়ে ঘটতে থাকা কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাই যে এর মূল কারণ তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
বন্ধুর জন্য অপেক্ষা করছিলাম রাস্তায় দাঁড়িয়ে। চোখে পড়ল একটি মেয়ে হেঁটে যাচ্ছে পাশ দিয়ে। সাধারণ একটি ঘটনা। কিন্তু আমার নজর কাড়ল, চিন্তায় ফেলল ভিন্নভাবে। ভাবতে লাগলাম, “আচ্ছা! এই মেয়েটা হয়ত আমাকে ভয় পাচ্ছে, তাই না?” বর্তমান সময়ে ধর্ষণের উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি সকল শ্রেণির মানুষের নজর কেড়েছে বলা যায়। আমিও তার ব্যতিক্রম নই। প্রতিদিন এই খবরগুলো টিভির পর্দায় যখন দেখতাম তখন নিজেকে এই সমাজের একজন বলে ভাবতে দ্বিধা হত, কষ্ট হত। সেই দ্বিধা-শংকা-ভয়-ঘৃণার মিশ্র প্রতিফলনেই যেন এই ভাবনার উদয় হল। ভাবতে বসে খুব ক্ষুদ্র সময়ের ব্যবধানেই ভীষণ মন খারাপ এসে জেঁকে বসল।

আমি এখনো সেই দলের মানুষ, যারা ভাবে সমাজে অনেক কিছু করবে বলে, সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখবে বলে, কিন্তু দিনশেষে একজন শক্তিহীনের মত হার মেনে নেয়, মাথা পেতে নেয় পরাজয়। একজন ছেলের দিক থেকে এই বিষয়গুলো নিয়ে ভাবনা এবং এরূপ ঘটনার প্রাচুর্যে একটা ছেলেরও যে মানসিক অবস্থার পরিবর্তন হয় সেই বিষয়গুলো নিয়েই বলার চেষ্টা করছি।
প্রথমেই একটা অসহায়ত্বের হাতছানি খেলে যায় মাথার ভেতর। সমাজের প্রতিটা মানুষেরই তো দায়িত্ব থাকে তার সমাজ রক্ষণের। সেই অবস্থান থেকে তো বটেই, একই সাথে একজন ছেলে হয়ে তার আশেপাশের মেয়েদেরকে নির্যাতন ও বৈষম্যের হাত থেকে রক্ষা করতে না পারার যে ব্যর্থতা তাও মনে শূল বিঁধিয়ে দেয় যেন। নিজের প্রতি এক ধরণের ধিক্কার চলে আসে, জন্ম দেয় হীনম্মন্যতার। এই বিষয়টি যে মানসিকভাবে একটা ছেলের উপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না বলেই মনে হয়।

আমাদের সকলেরই জন্মের শুরুটা হয় একজন নারীর মাধ্যমে। প্রত্যেকের মায়ের গর্ভে ভীষণ যত্নে ১০ মাস অবস্থান করে তারপর ভূমিষ্ঠ হবার পরের দিনগুলোতেও জীবন জুড়ে মায়ের আধিপত্য ও প্রভাব তো অস্বীকার করার নয়। এরপর পরিবার থেকেই পরিচয় ঘটে বোন নামক একটি সম্পর্কের সাথে। হয়ত এটি নিজের পরিবার থেকেই পাওনা অথবা একইসাথে বেড়ে ওঠা প্রতিবেশির কল্যাণেও হয়। এরপর জীবনের নানা স্তরে বিভিন্নভাবে একটি ছেলে বন্ধু হিসেবে, সহপাঠী হিসেবে, চাকরিক্ষেত্রে সহকর্মী হিসেবে কিংবা জীবনসঙ্গী হিসেবে মেয়ে বা নারীদের সংস্পর্শে আসে। কিন্তু সমাজের এমন পরিস্থিতিতে এই ধরণের মানবিক সম্পর্কগুলোও পড়ে যায় দ্বিধায়, হয় প্রশ্নবিদ্ধে জর্জরিত, হারায় সাবলীলতা। সামাজিক সম্পর্কগুলোর এই অধঃপতন শুধু একটি ছেলে নয়, সমাজের প্রতিটি মানুষের মধ্যেই ফেলে বিরূপ প্রভাব। একটি ছেলেকে তার অধিকারবোধ সম্পর্কে নতুন করে ভাবতে হয়। এক ক্ষুদ্র সময়ের ব্যবধানেই হয়ত অধিকারগুলো অনধিকার চর্চায় পরিণত হয় কেবল সমাজের এহেন নেতিবাচক পরিস্থিতির কারণে। জড়তা ও সংকোচ ঘিরে ফেলে যেন চারপাশ থেকে। এই অবস্থাটিও মানসিক অবস্থার অবক্ষয় ঘটায়।

সর্বোপরি ধর্ষণ একটি সামাজিক সমস্যা এবং এর প্রভাব সমাজের সকল স্তরের উপরই পড়ছে। এর দ্রুত সমাধান এখন সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রাণের দাবি। এর থেকে তৈরী হচ্ছে আরো নানা ধরণের সামাজিক সমস্যা। যেমনঃ নিরাপত্তাহীনতা, নারী ও শিশু অধিকার ক্ষুণ্ণ হওয়া ইত্যাদি। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করতে না পারলে সমাজে নৈতিক অবক্ষয় প্রকট আকার ধারণ করবে এবং সামাজিক নৈতিকতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাই আশা করি সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা দ্রুত এই সমস্যার সমাধান খুঁজে পাব। একজন ছেলে হিসেবে নিজের মা, বোনকে সুরক্ষিত পরিবেশ, একজন জীবনসঙ্গী হিসেবে সহযোগিতা, একজন বাবা হিসেবে নিজের সন্তানের জন্য সুন্দর আগামী এবং পুরুষ হিসেবে অন্য সকল নারীর জন্য যথাযথ সম্মান ও অধিকারের লড়াইয়ের মাধ্যমে পুরুষজাতির প্রকৃত পৌরষত্বের প্রমাণ যে একজন নারীর প্রতি সংবেদনশীল ও সহনশীল আচরণ; সেই সচেতনতায় আজ থেকেই শুরু হোক প্রতিবাদ।

#প্রতিবাদ_হোক_কলমের_সাথে নিজেকে যুক্ত করে আমি প্রতিবাদ করছি আমার লেখনীর মাধ্যমে। আপনারাও এগিয়ে আসুন আপনাদের আঁকা বা লেখার মাধ্যমে ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে। আপনি চাইলে নিজের সাথে ঘটে যাওয়া কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা কিংবা আপনার আশেপাশে ঘটে যাওয়া নির্যাতন এবং সেই সম্পর্কে সচেতন করতে আমাদের কাছে লেখা পাঠাতে পারেন এই ই-মেইলেঃ ([email protected])। অথবা আমাদের মেসেজ পাঠাতে পারেন Superwoman এর ফেসবুক পেইজেঃ
https://www.facebook.com/superwomanbd/

লেখকের সর্বোচ্চ গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে চাইলে আপনি নিজের নাম গোপন রাখতে পারেন। হতে পারে আপনার একটি লেখা পড়ে অনেকের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি হবে যা আমাদের সকলের সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাই আপনার আঁকা ও লেখা দিয়ে “ Against Rape” ইভেন্টে অংশগ্রহণ করতে রেজিস্ট্রেশন করুন:
https://l.facebook.com/l.php...

ইভেন্ট লিংক: https://fb.me/e/i2JUna7YQ

চলুন একসাথে পথচলি, সুন্দর আগামী গড়ি।

#প্রতিবাদ_হোক_কলমের_সাথে


ছবি: ইন্টারনেট

“অন্তরাল থেকে-০২”-অগ্নি (ছদ্মনাম)"রামিসা, নওগাঁ নামক ছোট্ট একটি গ্রামের বাসিন্দা। পায়ের নিচের বাস্তবতা ক্ষুদ্র বটে, কি...
27/10/2020

“অন্তরাল থেকে-০২”
-অগ্নি (ছদ্মনাম)

"রামিসা, নওগাঁ নামক ছোট্ট একটি গ্রামের বাসিন্দা। পায়ের নিচের বাস্তবতা ক্ষুদ্র বটে, কিন্তু মাথার উপরের আকাশটা? তার থেকেও বিশাল। ছোটবেলা থেকেই রামিসার ইচ্ছা ডাক্তার হবে। তাই শত প্রতিকূলতার মাঝেও কখনো নিজেকে থেমে যেতে দেয়নি। শেষে মেয়ের ইচ্ছের কাছে হার মেনে উচ্চশিক্ষার জন্য মেয়েকে ঢাকায় আপন চাচার বাসায় পাঠিয়ে দেয় রামিসার মা-বাবা। চাচার বাসায় রামিসা পেয়ে যায় তার ছোটবেলার বন্ধু, চাচাতো ভাই আদনানকেও।
উচ্চশিক্ষার সুযোগ রামিসার ইচ্ছাকে আরো তীব্র করে তোলে। কিন্তু শেষে একদিন তার ছোটবেলার বন্ধু, চাচাতো ভাই আদনান-ই সবার বাইরে থাকার সুযোগে রামিসার সর্বনাশ করে। রামিসা কাঁদতে কাঁদতে চাচী শাহানা বানু কে সব খুলে বললে, শাহানা বানু নিজেই ছেলেকে আইনের হাতে তুলে দেয়। রামিসার পাশে দাঁড়ায়। তার স্বপ্ন পূরণের অঙ্গীকার নেয়।"

খুব অবাক হচ্ছেন, তাই না? অবাক হওয়ারই কথা কারণ এটা বাস্তব কোনো গল্প নয়। একটি কাল্পনিক গল্প মাত্র। বাস্তবতার গল্পগুলো তো সম্পূর্ণ বিপরীত। বাস্তবতা রামিসাদের পাশে দাঁড়ায় না, বাস্তবতা তাদের ভুল বোঝে, তাদের দোষারোপ করে। বাস্তবতা রামিসাদের সব স্বপ্ন ছিনিয়ে নিয়ে তার বদলে তাদের জীবিত লাশ হয়ে বেঁচে থাকার উপহার দেয় নতুবা শুধু লাশ হয়ে যতেতেই বাধ্য করে।

নিজের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে একটু কটূক্তিও আমরা মেনে নেই না। অন্ধ বিশ্বাসের কালো কাপড় চোখে বেঁধে মত্ত হই রামিসাদের মুখে কালো কাপড় বেঁধে তাদের বাকরুদ্ধ করার উৎসবে। এই অন্ধ বিশ্বাসের শিকল কি আমরা কখনো ভাঙতে পারবো? কখনো কি মমতার বাঁধন ছিন্ন করে সত্যকে খুঁজতে শিখবো? আর কত স্বপ্নের জলাঞ্জলি দিলে এই সমাজ মেয়েদেরকে তাদের স্বপ্নপূরণে পাশে থাকবে? আছে কারো কাছে কোনো উত্তর? পরিবারের আপন মানুষগুলোই যখন রক্ষকের থেকে ভক্ষক হয়ে যায় তবে এই সমাজের কার কাছে নিরাপদ আশ্রয় ও ন্যায়বিচারের আশা করা যায়?

#প্রতিবাদ_হোক_কলমের_সাথে নিজেকে যুক্ত করে অন্তরালেই আজ আমি জবাব খুঁজছি আমার প্রশ্নগুলোর। প্রতিবাদের স্লোগানে আমি প্রতিবাদ করছি আমার লেখনীর মাধ্যমে। আপনারাও এগিয়ে আসুন আপনাদের আঁকা বা লেখার মাধ্যমে ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে। আপনি চাইলে নিজের সাথে ঘটে যাওয়া কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা কিংবা আপনার আশেপাশে ঘটে যাওয়া নির্যাতন এবং সেই সম্পর্কে সচেতন করতে লেখা পাঠাতে পারেন এই ই-মেইলেঃ ([email protected])। অথবা মেসেজ পাঠাতে পারেন Superwoman এর ফেসবুক পেইজেঃ
https://www.facebook.com/superwomanbd/

লেখকের সর্বোচ্চ গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে চাইলে আপনি নিজের নাম গোপন রাখতে পারেন। হতে পারে আপনার একটি লেখা পড়ে অনেকের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি হবে যা আমাদের সকলের সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাই আপনার আঁকা ও লেখা দিয়ে “ Against Rape” ইভেন্টে অংশগ্রহণ করতে রেজিস্ট্রেশন করুন:
https://l.facebook.com/l.php...

ইভেন্ট লিংক: https://fb.me/e/i2JUna7YQ

চলুন একসাথে পথচলি, সুন্দর আগামী গড়ি।

#প্রতিবাদ_হোক_কলমের_সাথে


ছবি: ইন্টারনেট

“অন্তরাল থেকে-০১”-(একজন পাঠক-নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক)আমাদের প্রত্যেকের মাঝেই একটি সাধারণ বিষয়ে খুব মিল রয়েছে যেই বিষয়টির প্...
26/10/2020

“অন্তরাল থেকে-০১”
-(একজন পাঠক-নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক)

আমাদের প্রত্যেকের মাঝেই একটি সাধারণ বিষয়ে খুব মিল রয়েছে যেই বিষয়টির প্রতি আমরা সবাই খুব সংবেদনশীল। যেই বিষয়টিকে নিয়ে কোনো প্রকার অবহেলা বা কটূক্তি আমরা মোটেও বরদাস্ত করি না। একটু মুখ ফসকালেই গায়ে ফোসকা পড়ার মতো অবস্থা হয়। তবে আজকাল আসল শ্রদ্ধার চেয়ে লোকদেখানো হুজুগেই বেশিরভাগ একাকার। হ্যা ধর্ম নিয়ে বলছি যা আমাদের সৃষ্টিকর্তার প্রতি আনুগত্য জানানোর পন্থা, সঠিক ও সুন্দরভাবে জীবন পরিচালনার চাবিকাঠি। কষ্ট হলেও বর্তমান বাস্তবতা এই যে এখন বেশিরভাগের জন্য ধর্ম হয়ে গেছে ব্যবসা, ভন্ডামি আর ফতোয়াবাজি এবং উগ্রতার চরম বহিঃপ্রকাশ। আজ ধর্ম পালনকে কিছু অজ্ঞ শুধু লোকদেখানো পালা আর ভুল ধারণার ডালার মতো ব্যবহার করে। হ্যা, সাহস করেই বললাম তারা অজ্ঞ। তার মানে এই নয় সচেতন মানুষগুলো এই দলে হারিয়ে গেছেন।

বর্তমান সমাজে নারীর প্রতি সহিংসতা, ধর্ষণ বা নির্যাতনের ঘটনাগুলোকে যদি ধর্মীয় দৃষ্টিকোণে সমাধান করতে চান তবে কিছু অজ্ঞের দল দোষ চাপাবে মেয়েদের উপর। ইসলাম ধর্মের দোহাই দিয়ে বলবে মেয়েরা পর্দা করে না, শালীন নয়, দুশ্চরিত্রা, ঈমান নাই আরও কত কিছু!!!! আর ধর্মের নামে, জিহাদের নামে করবে অপশাসন, বিশৃঙ্খলা, নারী নির্যাতন, দাসী করে রাখাসহ নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী হাজারো কাজ। কিন্তু সেই অজ্ঞদের বলছি, যেই ধর্মের দোহাই দিয়ে এসব বিশৃঙ্খলা করছেন, ভুল ধারণা ছড়াচ্ছেন সেই ধর্মেই বলা আছে-“মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত”। সেই ধর্মের সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (স) এর জীবদ্দশায় একজন নারীর ওপর ধর্ষণের ঘটনার বিচারে মহানবী অভিযুক্ত ব্যক্তিকে যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা করেন এবং নির্যাতিত নারীকে সসম্মানে যেতে দেন। সেই বিচারে কেউ প্রশ্ন করেনি মহিলাটি কি পরিধান করেছিল, একা ছিলো নাকি কারো সাথে ছিল, একা থাকলে নিজের সুরক্ষার ব্যবস্থা কেন করেনি, পর্দা ঠিক ছিল কিনা, কোন ধর্মের…..এরকম হাজারো তথাকথিত বিচারের বেড়াজাল।

ইসলাম শান্তির ধর্ম, ভালোবাসার ধর্ম এবং ঐক্যের ধর্ম। এই ধর্মে মেয়েদের পর্দা করার কথা বলার আগে ছেলেদেরকে নিজেদের পর্দা ঠিক করার কথা বলা হয়েছে, নিজেদেরকে সংযত ও সংবেদনশীল আচরণের কথা বলা হয়েছে। বাহিরের পর্দা নিয়ে গলা ফাটিয়ে আওয়াজ করলেও কোনো লাভ হবে না যতক্ষণ না মনের পর্দাকে ঠিক করা হচ্ছে। আজকে মাদ্রাসায় হুজুরের কাছে ছাত্রী ধর্ষণ, নিপীড়নে হুজুরের বক্তব্য হয়, সে এই কাজটি করেনি বরং শয়তান তাকে দিয়ে করিয়েছে। হ্যা, যথার্থই বলেছেন তিনি। উনার ভেতরের পাশবিকতাকে উনি লোকদেখানো ধর্মের মধ্যে আটকে রাখতে পারেননি। এসব নিকৃষ্ট পশুগুলো যেমন এই সমাজে লুকিয়ে আছে আবার মা-বোনদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে হাজারো আলেম, ওলামা, মাওলানা ও হুজুরদের পথে নেমে ন্যায়বিচারে একাত্মতা ঘোষণাতে রয়েছে সচেতনতার মানবিক আওয়াজ। তাই যেকোনো ধর্মের মানুষ হয়ে আপনি যেমন নিজের ধর্মকে শ্রদ্ধা করেন, কোনোপ্রকার অসম্মানকে মেনে নেন না; ঠিক একইভাবে নিজের মা-বোনের পাশাপাশি অন্য সব নারীর প্রতি সম্মান করা শিখুন। হিন্দু ধর্মে মেয়েদেরকে দেবীর আসনে অধিষ্ঠিত করা হয়েছে। দুর্গাপুজোয় দেবী বন্দনায় উঠে আসে দেবী দুর্গার অসুরবোধনের কথন। তাই সময় এসেছে প্রত্যেক নারীর ভেতরকার দেবীশক্তিকে জাগ্রত করার। সমাজে লুকায়িত সেইসব অসুরদের চোখ রাঙানিকে আর ভয় নয় বরং তাদের বিনাশে একাত্ম হতে হবে।
পরিশেষে বলতে চাই, কোনো ধর্মই উগ্রতা বা নগ্নতাকে সমর্থন করে না। প্রত্যেকটি ধর্মেই ছেলে বা মেয়ে হিসেবে নয় বরং মানুষ হিসেবে প্রাপ্য সম্মান দেয়াকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। এটাই মনুষ্য ধর্ম, সৃষ্টিকর্তার অনুগ্রহ লাভের প্রকৃত পথ, ধর্মকে পরিপূর্ণতার উপায়।

#প্রতিবাদ_হোক_কলমের_সাথে নিজেকে যুক্ত করে অন্তরালে আমি প্রতিবাদ করছি আমার লেখনীর মাধ্যমে। আপনারাও এগিয়ে আসুন আপনাদের আঁকা বা লেখার মাধ্যমে ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে। আপনি চাইলে নিজের সাথে ঘটে যাওয়া কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা কিংবা আপনার আশেপাশে ঘটে যাওয়া নির্যাতন এবং সেই সম্পর্কে সচেতন করতে লেখা পাঠাতে পারেন এই ই-মেইলেঃ ([email protected])। অথবা মেসেজ পাঠাতে পারেন Superwoman এর ফেসবুক পেইজেঃ
https://www.facebook.com/superwomanbd/

লেখকের সর্বোচ্চ গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে চাইলে আপনি নিজের নাম গোপন রাখতে পারেন। হতে পারে আপনার একটি লেখা পড়ে অনেকের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি হবে যা আমাদের সকলের সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাই আপনার আঁকা ও লেখা দিয়ে “ Against Rape” ইভেন্টে অংশগ্রহণ করতে রেজিস্ট্রেশন করুন:
https://l.facebook.com/l.php...

ইভেন্ট লিংক: https://fb.me/e/i2JUna7YQ

চলুন একসাথে পথচলি, সুন্দর আগামী গড়ি।

#প্রতিবাদ_হোক_কলমের_সাথে


ছবি: ইন্টারনেট

"লেখকের খোলা খাতায়-০২"-জেবুন্নাহার জেবাঅপর্ণা সবেমাত্র কলেজ পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী। কঠিন এক সমাজের মধ্যেই সে একজন সচেতন ও দ...
25/10/2020

"লেখকের খোলা খাতায়-০২"
-জেবুন্নাহার জেবা

অপর্ণা সবেমাত্র কলেজ পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী। কঠিন এক সমাজের মধ্যেই সে একজন সচেতন ও দৃঢ় মনোবলের এক কিশোরী। তার ছোট ভাই সুবোধ, অষ্টম শ্রেণিতে উঠলো। বন্ধুদের সাথে আড্ডা আর পড়াশোনায় সময় কাটিয়ে স্বাভাবিকভাবেই জীবন চলছে। একদিন অর্পণা খেয়াল করলো, সুবোধ তার রুমে বসে চুপি চুপি কি যেন দেখছে, এবং যখন সে তার ভাই এর সম্মুখীন হলো, সুবোধ এক প্রকার হতভম্ব, গা-ঢাকা এবং অস্বীকারের মতো ব্যবহার করতে থাকে। তবে কিছুক্ষণ বুঝিয়ে অর্পণা সুবোধের থেকে জানতে পারলো সে কি দেখছে। জানার সাথে সাথেই অর্পণা বুঝতে পারলো যে সুবোধ পর্ণোগ্রাফি চিত্র দেখছিল। সুবোধকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তার মাঝে একরকম অপরাধবোধ এবং এড়িয়ে যাওয়ার মনোভাব দেখে, সাথে এক প্রকার ঘৃণ্য মানসিকতার বিদ্বেষী রূপ দেখে।

এই কাল্পনিক চরিত্রগুলোর ঘটনাটি কিন্তু আমাদের সমাজে অহরহ ঘটে আসছে। এক প্রকার "ওপেন সিক্রেট"-ই বললে চলে। “পর্ণোগ্রাফি” মূলত মানুষের যৌনতা ও সেক্সুয়াল রিলেশনশিপের এক প্রকার বিকৃত বিনোদনকেন্দ্রিক শিল্প যা মানুষের এবং আমাদের সমাজের প্রেক্ষাপটে পুরুষদের সেক্সুয়ালিটি ও যৌন সম্পর্ককে একটি কুরূচিপূর্ণ এবং অপরাধী মনোভাব সৃষ্টিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলে।

মূলত কেউই পর্ণোগ্রাফি সম্পর্কে আগে থেকেই জানে না। হয় আশেপাশের মানুষের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে, নাহলে বর্তমানের ইন্টারনেট জগত থেকে এই বিষয় সম্পর্কে পরিচিত হয়ে থাকে। আমাদের সমাজে এই বিষয়টি এক প্রকার ট্যাবু বা নিষিদ্ধ একটি বিষয় যা নিয়ে কেউ কখনও কথা বলে না। তাই এই বিকৃত ব্যাপারটির জন্যে সকল পুরুষদের এক প্রকার কৌতূহল ও আগ্রহের সৃষ্টি হয়। যার দরুন এই অজানা বিষয়ের প্রতি আকর্ষণের প্রভাবের পাশাপাশি উক্ত ট্যাবুর কারণে সঠিক জ্ঞানের অভাবে আমাদের পুরুষ সমাজের মাঝে একটি বিকৃত কাল্পনিক সেক্সুয়াল রিলেশনশিপকে বাস্তব হিসেবে বিশ্বাস করতে বাধ্য করতেই তুলে ধরা হয় এই পর্ণোগ্রাফি।
কিন্তু আসলেই পর্ণোগ্রাফিতে যা দেখানো হয়, যেভাবে মানুষের মধ্যকার যৌনসম্পর্ককে তুলে ধরা হয় তাই কি বাস্তব চিত্র? এক কথায় উত্তরটি হবে, “না!” সমগ্র বিশ্বের সকল মানসিক স্বাস্থ্যের বিশেষজ্ঞরা স্বীকার করবেন যে, “পর্ণোগ্রাফি মানুষের মধ্যে এবং আমাদের সমাজের ক্ষেত্রে পুরুষ সমাজের ভেতর একটি বিকৃত জগতের সৃষ্টি করেছে।“

পর্ণোগ্রাফিতে নারীদের উপর জবরদস্তির চিত্রায়ন, কনসেন্ট বিষয়কে সম্পুর্ণরূপে অগ্রাহ্য করা, এবং সবথেকে বড় বিষয়, ধর্ষণের মনোভাবকে গড়ে তুলতে উসকে দেয়া হয়। সকল পর্ণোগ্রাফিতেই নারীদের হেয় করে চিত্রায়িত করা হয় যেখানে তাদেরকে নিচু চোখে দেখানো হয়, টক্সিক ম্যাস্কুলিনিটিকে গ্লোরিফাই করে। এমনকি বিকৃত বিষয়টি সকল ধর্মেও নিষিদ্ধ কেননা এটি ধ্বংসাত্বক। এই বিকৃত বিষয়টিই মূলত সমাজের ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়ন অপরাধ বৃদ্ধির জন্যে অনেকাংশেই দায়ী।

হ্যা, পর্ণ দেখার ফলে প্রত্যেকের মাঝে এক অবাস্তব ও অনৈতিক সেক্সুয়াল রিলেশনশিপের মনোভাব গড়ে ওঠে। এর ফলে পুরুষদের মাঝে নারীদের প্রতি সম্মান এবং সংবেদনশীল বা কনসেনসুয়াল রিলেনশিপের গুরুত্ব লোপ পায়। তারা পর্ণের মাধ্যমে যৌন সম্পর্ককে একটি গর্বের বিষয় ও সহিংস কাজ হিসেবে মনে করে। দেখা যায়, ধর্ষণের মনোভাব সৃষ্টি হতে পারে শুধুমাত্র এই পর্ণোগ্রাফির ফলে প্রভাবিত বিকৃত মানসিকতা। সৃষ্টি করে সকল প্রকার সেক্সুয়াল ভায়োলেন্সের মনোভাব। এই সকল বিষয়ের মাঝে একটি মস্তিষ্ক থাকলে উক্ত ব্যক্তির মানসিকতা, নারীদের প্রতি মনোভাব বিকৃত, সহিংস, অনৈতিক ও অমানবিক হবে এটা অনুমানযোগ্য। যার প্রভাবে দেশে ধর্ষণের এবং নারী নির্যাতনের হার ক্রমশই বৃদ্ধি পেয়ে যাচ্ছে। পর্ণোগ্রাফি কখনোই "Healthy Sexual Realationship"- কে তুলে ধরে না। এটি কখনোই পুরুষদের সঠিক সেক্সুয়াল এডুকেশন প্রদান করে না। সর্বোপরি এটি কখনোই একজন মানুষের সুস্থ মানসিকতা তৈরি করতে দেয় না। বরং এটি পুরুষের নৈতিকতা ও মূল্যবোধের অবক্ষয়কে আরো তরান্বিত করে।

এখন মূল প্রশ্ন হলো এরকম কেন হয় এবং এটির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ কিভাবে গড়ে তোলা যায়?

১. প্রধানত যে কারণে পুরুষরা পর্ণোগ্রাফিতে আসক্ত হয়ে যায় সেটি হলো সঠিক সচেতনতার অভাব। আমাদের সমাজে সেক্স এডুকেশন এবং যৌনতা সম্পর্কে সঠিক শিক্ষা প্রদান করাটা সম্পূর্ণরূপে অবহেলা করা হয়। মূলত এক প্রকার নিষিদ্ধ বিষয় হিসেবে একে দেখা হয় এবং এই বিষয়টি সম্পর্কে কোনো পরিবারই তাদের সন্তানদের, বিশেষত ছেলে সন্তানদের কাথে কথা বলতে অপরাগ। এজন্য সমাজে সেক্স এডুকেশন, পর্ণোগ্রাফির কুফল এবং নারীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার শিক্ষাটি প্রদান করতে হবে ছোট বয়স থেকেই। সচেতনতাই হলো এই অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার সবচেয়ে বড় অস্ত্র।

২. আমরা যদি আমাদের শুরুর কাল্পনিক ঘটনাকে কেন্দ্র করেই উদাহরণ দেই, অর্পণা যখন সুবোধকে দেখলো, সে এইসকল পর্ণো চিত্র দেখছে এবং তার মানসিকতার কু-পরিবর্তন আসছে, সে তাকে পর্ণোগ্রাফির কুফল এবং বিকৃত মানসিকতা সম্পর্কে সচেতন করলো। এইসব বিষয় কতটা জঘন্য এবং খারাপ তা নিয়ে বুঝালো। এভাবে তার পরিবার তার পাশে থেকে সঠিক শিক্ষা এবং সঠিক সেক্স এডুকেশন দিতে পারলে সে এই দূষিত এবং অসৎ সঙ্গ হতে সরে আসতে পারবে। একই সাথে সে তার পরিচিত ছেলে বন্ধুদের এসকল বিষয় থেকে সরিয়ে আনতে পারবে সচেতনতা তৈরি করে।
এভাবে একজন আরো অনেককে সচেতন করলে এবং সঠিক পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে গাছের শেকড়ের মতো সকল পুরুষের মাঝে সুস্থ মানসিকতা এবং সুবোধের তৈরি করে একটি সুস্থ এবং সুন্দর সমাজের শক্ত ও জীবিত গাছের বেড়ে ওঠা দেখতে পারব।

৩. শুধু যে আমাদের সামাজিক ও ব্যক্তিগত উদ্যোগেই সব সম্ভবাপর তা কিন্তু নয়। রাষ্ট্রেরও দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে এ বিষয়কে প্রতিরোধ করতে। বর্তমানে “পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন” যা ২০১২ সালে গৃহীত হওয়ার মাধ্যমে প্রতিরোধের চেষ্টা চলে আসছে। উক্ত আইনানুযায়ী পর্নোগ্রাফি উৎপাদন, সংরক্ষণ, বাজারজাতকরণ, বহন, সরবরাহ, ক্রয়-বিক্রয় ও প্রদর্শন বেআইনি ও নিষিদ্ধ। এই নিষিদ্ধ কর্ম সম্পাদনের জন্য শাস্তির বিবিধ বিধান রাখা হয়েছে। এ আইনের অধীনে সংঘটিত অপরাধ আমলযোগ্য এবং অজামিনযোগ্য। এই আইনে বলা হয়েছে,”যে কোনো ব্যক্তি পর্নোগ্রাফি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে কোনো নারী, পুরুষ বা শিশুকে প্রলোভন দিয়ে জ্ঞাতে বা অজ্ঞাতে স্থির, ভিডিও বা চলচ্চিত্র ধারণ করলে বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড ও ২ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড আরোপ করা যাবে।“ যা অত্যন্ত কঠোর এবং যুক্তিসম্পন্ন আইনের প্রয়োগ বটেই।

৪. শুধু অপরাধের শাস্তি প্রদানের মাধ্যমেই এরকম সামাজিক অবক্ষয়কে প্রতিহত করা সম্ভব নয়। উক্ত আইনের পাশাপাশি রাষ্ট্রের দায়িত্ব রয়েছে নতুন প্রজন্ম এবং দেশের পুরুষ সমাজের জন্যে যথার্থ সেক্স এডুকেশন প্রোগ্রাম, পর্ণোগ্রাফির আসক্তির শিকার ব্যক্তিদের জন্য সঠিক রিহ্যাবিলিটেশন প্রোগ্রামের সৃষ্টি, নারী অধিকার বাস্তবায়ন এবং সকল প্রকার নারীদের প্রতি নিপীড়ন ও নির্যাতনের সুষ্ঠু বিচার ও প্রতিরোধ গড়ে তোলা। অর্থাৎ, রাষ্ট্র এবং আমাদের সচেতন নাগরিকদের সকলেরই একত্রে সমাজের এই হেন্য বিষয়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হলে হতে হবে সচেতন। ছেলেদেরকে পারিবারিক, সামাজিক এবং সাংগঠনিক পর্যায়ে সেক্স এডুকেশন, কনসেন্ট এবং নারীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার শিক্ষা এবং মূল্যবোধ গড়ে তুলতে হবে। তবেই আমরা একটি সুস্থ, সুন্দর এবং নিরাপদ দেশের অধিকারী হবো এবং দেশের সকলের মাঝে সমতার ঐক্য খুঁজে পাব এবং সহিংসতামুক্ত সুন্দর আগামী সুনিশ্চিত করতে পারবো।

#প্রতিবাদ_হোক_কলমের_সাথে নিজেকে যুক্ত করে আমি প্রতিবাদ করছি আমার লেখনীর মাধ্যমে। আপনারাও এগিয়ে আসুন আপনাদের আঁকা বা লেখার মাধ্যমে ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে। আপনি চাইলে নিজের সাথে ঘটে যাওয়া কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা কিংবা আপনার আশেপাশে ঘটে যাওয়া নির্যাতন এবং সেই সম্পর্কে সচেতন করতে আমাদের কাছে লেখা পাঠাতে পারেন এই ই-মেইলেঃ ([email protected])। অথবা আমাদের মেসেজ পাঠাতে পারেন Superwoman এর ফেসবুক পেইজেঃ
https://www.facebook.com/superwomanbd/

লেখকের সর্বোচ্চ গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে চাইলে আপনি নিজের নাম গোপন রাখতে পারেন। হতে পারে আপনার একটি লেখা পড়ে অনেকের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি হবে যা আমাদের সকলের সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাই আপনার আঁকা ও লেখা দিয়ে “ Against Rape” ইভেন্টে অংশগ্রহণ করতে রেজিস্ট্রেশন করুন:
https://l.facebook.com/l.php...

ইভেন্ট লিংক: https://fb.me/e/i2JUna7YQ

চলুন একসাথে পথচলি, সুন্দর আগামী গড়ি।

#প্রতিবাদ_হোক_কলমের_সাথে

"লেখকের খোলা খাতায়-০১"-সামিয়া আজাদ প্রীতিকিহ্! তুমি এত রাত পর্যন্ত বাইরে থাকবে? আর এইসব কাজ করবে?!!! মেয়ে মানুষ এসব করে...
24/10/2020

"লেখকের খোলা খাতায়-০১"
-সামিয়া আজাদ প্রীতি

কিহ্! তুমি এত রাত পর্যন্ত বাইরে থাকবে? আর এইসব কাজ করবে?!!! মেয়ে মানুষ এসব করে নাকি? ওসব তো ছেলেদের কাজ। আর এত রাত পর্যন্ত বাইরে থাকলে যদি কিছু ঘটে যায়, তাহলে তার দায়ভার কে নেবে?
হ্যাঁ আজকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি আমাদের এই বদ্ধ পৃথিবীতে, যেখানে একজন মেয়ে বলে আমাদের সীমাবদ্ধতা একটু বেশিই।!! মেয়ে বলেই আমাদের কিছু স্বপ্ন গুলো শুধু স্বপ্নই থেকে যায়।। হ্যাঁ একজন মেয়ে বলেই আমাদের শেখানো হয় এত রাতে বাইরে না থাকি। চুপচাপ যতটুকু স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে সেভাবে চলাফেরা করি এবং কিছু দেখলেও যেন প্রতিবাদ না করি! এক্ষেত্রে কাকে দোষী মানবেন?

নাহ্ দোষ আমাদের কারো নয় বরং দোষ হলো আমাদের ভেতরে তিল তিল করে গড়ে ওঠা ভুল ধারণাগুলোর, তিল কে তাল বানানো মানসিকতাগুলোর আর অন্যায়গুলোকে প্রতিহত করতে না পারার সেই অবচেতন সত্ত্বাগুলোর। সমাজের অলিখিত নিয়মগুলোর বেড়াজালে এমনভাবে সবাই আটকে গেছি যে আজ মানুষ পরিচয়ের পূর্বে সবাই দেখে তুমি ছেলে না মেয়ে? বেগম রোকেয়া মেয়েদের হাতে শিক্ষার মশাল ধরিয়ে দিলেও এই সমাজ আজও মেয়েদের প্রাপ্য সম্মানের দাম দিতে পারেনি। ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর, বঙ্কিম চন্দ্র প্রভৃতি গুণীজন সমাজ সংস্কারে নিজেদের বিলিয়ে দিয়েও কিছু বিকৃত মানসিকতার মানুষরুপী পশুদের নাশ করতে পারেননি। তাই যেই সমাজে সতীদাহ প্রথা, বিধবা বিবাহের মতো মহৎ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে সেই সমাজে আজ সতীত্ব হরণ ও নির্যাতনের মতো ঘটনাও ঘটছে অহরহ। পুরুষশাসিত এই সমাজে হতে পারে অন্যের কিছু হলে তা দেখে নিজে সাবধান হবো কিন্তু সেই একই ঘটনা যখন নিজের সাথে ঘটে তখন প্রতিবাদের ঝান্ডা দুলিয়ে, মুখ ফুলিয়ে আওয়াজ, শোরগোল উঠবে - ন্যায়বিচার দাও।

কিন্তু এটা কখনো বলা হয় না যা হচ্ছে তা অন্যায় এতে দোষটা আমাদের না বা যা হচ্ছে তার প্রতিবাদ করা উচিত এবং বুঝিয়ে দেয়া উচিত একটা মেয়ে কতটা শক্তিশালী হতে পারে!!! নাহ্ বাহুবল বা গায়ের জোর নয় বরং অধিকার ও সচেতনতার শক্তির কথা বলছি। কিন্তু আদতেই এসব বলা হয় না, তাই না?? কারণ যতই হোক তুমি একজন মেয়ে তোমাকে এসব সহ্য করে প্রমাণ দিতে হবে তুমি কতটা ধৈর্যশীল কিন্তু আর কত?? এর কি কোন উত্তর আছে??? আর নয় স্বপ্ন ভঙ্গের কথন বরং আজ থেকে শুরু হোক স্বপ্ন গড়ার সচেতন পৃথিবী।

#প্রতিবাদ_হোক_কলমের_সাথে নিজেকে যুক্ত করে আমি প্রতিবাদ করছি আমার লেখনীর মাধ্যমে। আপনারাও এগিয়ে আসুন আপনাদের আঁকা বা লেখার মাধ্যমে ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে। আপনি চাইলে নিজের সাথে ঘটে যাওয়া কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা কিংবা আপনার আশেপাশে ঘটে যাওয়া নির্যাতন এবং সেই সম্পর্কে সচেতন করতে আমাদের কাছে লেখা পাঠাতে পারেন এই ই-মেইলেঃ ([email protected])। অথবা আমাদের মেসেজ পাঠাতে পারেন Superwoman এর ফেসবুক পেইজেঃ
https://www.facebook.com/superwomanbd/

লেখকের সর্বোচ্চ গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে চাইলে আপনি নিজের নাম গোপন রাখতে পারেন। হতে পারে আপনার একটি লেখা পড়ে অনেকের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি হবে যা আমাদের সকলের সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাই আপনার আঁকা ও লেখা দিয়ে “ ” ইভেন্টে অংশগ্রহণ করতে রেজিস্ট্রেশন করুন:
https://forms.gle/gEXNPw89UR58s9Co8

ইভেন্ট লিংক: https://fb.me/e/i2JUna7YQ

চলুন একসাথে পথচলি, সুন্দর আগামী গড়ি।

#প্রতিবাদ_হোক_কলমের_সাথে


ছবি: ইন্টারনেট

“সম্পাদকের পাতা থেকে-০২” -মেহনাজ আফরীন মীমঘটনা-০১: আজ অফিসের কাজ শেষ করে বের হতে হতে রাত ১০টা। সময়টা দেখেই খানিকটা ঘাবড়ে...
23/10/2020

“সম্পাদকের পাতা থেকে-০২”
-মেহনাজ আফরীন মীম

ঘটনা-০১: আজ অফিসের কাজ শেষ করে বের হতে হতে রাত ১০টা। সময়টা দেখেই খানিকটা ঘাবড়ে গেল (ক) কারণ বাস ধরে তাকে বাসায় ফিরতে হবে। খুব অস্বস্তি নিয়েই বাসস্ট্যান্ডে আধা ঘন্টা একা দাঁড়িয়ে ছিল। প্রশ্ন জাগতেই পারে একা দাঁড়িয়ে থাকায় অস্বস্তি কোথায়? কারণ বাস স্ট্যান্ডের পাশে চায়ের দোকানে বসে থাকা কয়েকজন খুব বাজে ভাবেই তার দিকে তাকিয়ে ছিল এবং বিভিন্ন মন্তব্য করছিলো। বাস আসতেই চটপট উঠে পড়ল। ওঠার সময় হেলপারের হাত তার পিঠে স্পর্শ হতেই হেলপার বলল, “আফা না ধরলে তো পইড়া যাবেন, হে হে..” অসহ্য লাগছে (ক) এর। এমনি সময়ে ৯টা বাজলেই অর্ধেক রাস্তাতেই বাসে দুই একজন ছাড়া আর কেউ থাকে না। আজ উঠেই দেখল দুই- একজন। না পেরে পরের স্টপেজেই নেমে দ্বিগুণ ভাড়া দিয়ে রিকশায় বাসায় পৌঁছে একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল (ক) ।

ঘটনা-০২: আজকে অন্যদিনের তুলনায় খুব বেশি ভিড় বাসে। এদিকে রাস্তার জ্যামও আরেক প্যারা। কোচিং এ একটু লেট করলেই স্যার আর ঢুকতে দিবে না তাই বাধ্য হয়েই (চ) লেগুনাতে উঠল। তার পাশে তার বাবার বয়সী একজন চাকরিজীবী লোক বসলো। কিছুক্ষণ পর খেয়াল করলো লোকটি তার কনুই দিয়ে বারবার গুতো দিচ্ছে আর তার পাশে চেপে আসছে। সরে বসতে বললে লোকটি বললো-“দেখতেই পাচ্ছেন জায়গা ছোট, এখানে কোথায় চেপে বসবো আর হাত তো একটু লাগতেই পারে…” না পেরে লেগুনা থেকে নেমে বাকি পথটা হেঁটেই গেল (চ) ।

ঘটনা-০৩: ……

ঘটনা-০৪: ……

বলতে শুরু করলে আরও অসংখ্য ঘটনা বলা বা লেখা যাবে যা কোনো কল্পকাহিনি নয় বরং বাস্তবে প্রতিনিয়ত লড়াই করে যাওয়ার অন্তরালে থাকা কিছু অংশবিশেষমাত্র। মেয়ে হয়ে একটু রাত হলেই নির্জন কোনো রাস্তায় চলতে ভয় পাওয়া, বাসে বা লেগুনায় ভিড় ঠেলে ওঠা মানেই অস্বস্তিকর অচেনা স্পর্শে শিউরে ওঠা, লোকের কথা শোনানোর ভয়ে নিজেকে গুটিয়ে রাখা, ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো এড়িয়ে চলা, মুখ বুজে সহ্য করা আর কতদিন এসব আড়ল করে নিজের সাথে লড়াই করবেন?

বইয়ের পাতায় বা মলাটের পেছনে লেখা থাকে কিংবা পত্রিকার পাতায় অথবা টেলিভিশনের খবরে চর্চা হয় যৌতুক, বাল্যবিবাহ, মাদক, ইভটিজিং প্রভৃতি সামাজিক ব্যাধি। এর জন্য জনসচেতনতার পদক্ষেপও নেয়া হয়। কিন্তু এইসব সামাজিক ব্যাধির অন্তরালে ধর্ষণ, যৌন হয়রানির মতো ঘৃণ্যকাজগুলোর সচেতনতায় আলোচনা- সমালোচনা খুব কমই হয়। কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটার পর বিচার চাইতে গেলে তা খবরের শিরোনাম হয়, বিভিন্ন চ্যানেলের ব্রেকিং নিউজ বা পত্রিকার খবরে মাতামাতিতে পুলিশ তৎপর হয়, ধর্ষকের বিচার চাইতে করা হয় প্রতিবাদ। কিন্তু এভাবে আর কতদিন?
যেকোনোপ্রকার অস্বস্তিকর স্পর্শ বা জোরজবরদস্তি বা যৌন হেনস্তা ধর্ষণের শামিল। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর প্রতিবাদের ঝড় তোলার প্রতীক্ষায় না থেকে এইসব বাজে ঘটনাকে চিরতরে প্রতিহত করতে প্রতিবাদ হোক একসাথে। নীরবে নিজের সাথে আর লড়াই নয়, নয় লোকদেখানো কোনো বিক্ষোভ, মিছিল বা হরতাল-অবরোধ। প্রতিবাদ হবে সচেতনতায়, সুন্দর আগামীর জন্য।

#প্রতিবাদ_হোক_কলমের_সাথে নিজেকে যুক্ত করে আমি প্রতিবাদ করছি আমার লেখনীর মাধ্যমে। আপনারাও এগিয়ে আসুন আপনাদের আঁকা বা লেখার মাধ্যমে ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে। আপনি চাইলে নিজের সাথে ঘটে যাওয়া কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা কিংবা আপনার আশেপাশে ঘটে যাওয়া নির্যাতন এবং সেই সম্পর্কে সচেতন করতে আমাদের কাছে লেখা পাঠাতে পারেন এই ই-মেইলেঃ ([email protected])। অথবা আমাদের মেসেজ পাঠাতে পারেন Superwoman এর ফেসবুক পেইজেঃ
https://www.facebook.com/superwomanbd/

লেখকের সর্বোচ্চ গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে চাইলে আপনি নিজের নাম গোপন রাখতে পারেন। হতে পারে আপনার একটি লেখা পড়ে অনেকের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি হবে যা আমাদের সকলের সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাই আপনার আঁকা ও লেখা দিয়ে “ ” ইভেন্টে অংশগ্রহণ করতে রেজিস্ট্রেশন করুন:
https://forms.gle/gEXNPw89UR58s9Co8

ইভেন্ট লিংক: https://fb.me/e/i2JUna7YQ

চলুন একসাথে পথচলি, সুন্দর আগামী গড়ি।

#প্রতিবাদ_হোক_কলমের_সাথে


ছবি: ইন্টারনেট

“সম্পাদকের পাতা থেকে-০১”-শামসি নূরআপনি জানেন কি? বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরাম (বিএসএফ) থেকে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি হতে ৩০ জ...
22/10/2020

“সম্পাদকের পাতা থেকে-০১”
-শামসি নূর

আপনি জানেন কি?
বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরাম (বিএসএফ) থেকে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি হতে ৩০ জুন সময়সীমার মধ্যে মোট ১৩৮৭জন শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে? অথচ বিগত বছর যার সংখ্যা ছিল ৭৩৭জন শিশু। এই সমস্ত শিশুদের বয়সসীমা ০-১৫বছরের মধ্যে। এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী ১৩৭জন শিশু গণধর্ষণ, ৩২জন ধর্ষণের পর খুন, ৫জন ধর্ষণের পর আত্নহত্যা করে। অর্থাৎ দৈনিক গড়ে ২৭৭জন শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে শুধু মাত্র চলতি বছরের প্রথম অর্ধাংশে।

শুধু ধর্ষণ নয় বরং শিশুদের প্রতি হতে থাকা যৌন নির্যাতন বিষয়ে আজকের এই আলোচনা। ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতন শিশুদের প্রতি বাড়তে থাকার একটি মুখ্য কারণ হল, শিশুরা নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন না। বিশেষ করে ০-৫বছরের কোনো শিশুকে অধিকার শেখানো সম্ভবও নয়। সেক্ষেত্রে এর দায়ভার নিতে হবে পিতা-মাতাকে। একটি শিশু শুধুমাত্র স্কুল কিংবা বাহিরে নয় বরং নিজের বাড়িতেও পরিবাবের সদস্য দ্বারা যৌন নির্যাতনের শিকার হতে পারে।

এক্ষেত্রে অভিভাবক হিসেবে যা করণীয়ঃ

১. আপনার সন্তানের দিকে সবসময় নজর রাখুন। সন্তান ছেলে হোক কিংবা মেয়ে, তার প্রতি যদি পরিবারের কোনো সদস্যের আচরণে ভিন্নতা চোখে পড়ে বা আপনার কাছে স্বাভাবিক না মনে হয়, অনুগ্রহপূর্বক বিষয়টিকে এড়িয়ে যাবেন না। সরাসরি হোক কিংবা কৌশলে, পরিবারের সেই সদস্যদের থেকে আপনার সন্তানকে দূরে রাখুন।

২. আপনার সন্তানের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। হয়ত সে সরাসরি তার প্রতি হয়ে থাকা বা হতে থাকা যৌন নির্যাতনের কথা আপনাকে বলতে পারছে না। কিন্তু বিভিন্ন কথায় বা কর্মকান্ডে সে তার অস্বস্তিবোধটুকু অবশ্যই প্রকাশ করবে।

৩. সন্তানের ইঙ্গিতগুলো বুঝতে শিখুন। আড়াই থেকে তিন বছর বয়স হতেই একটি শিশুকে ‘কন্সেন্ট’ বা সম্মতি কি তা বোঝানো যায়। সন্তানের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলুন। পরিবারের সদস্যরা সকলেই শিশুদের আদর-স্নেহ করে। তবে কোনটি স্নেহপূর্ণ আচরণ এবং কোনটি যৌন নির্যাতনমূলক আচরণ সে পার্থক্যটি আপনার সন্তান কে সহজ ভাষায় শেখানোর চেষ্টা করুন।

৪. ছয় বছর হতে আপনার শিশুকে অল্প অল্প করে যৌন শিক্ষা বা ‘সেক্স এডুকেশন’ সম্পর্কে পরিচিত করে তুলুন। শিশুরা কৌতূহল বশে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রশ্ন করে থাকে, সেসব প্রশ্ন এড়িয়ে যাবেন না কিংবা শিশুকে শাসন করবেন না। বরং তাকে সহজ করে বুঝানোর চেষ্টা করুন।

৫. ছোটবেলা থেকে যেসব বিষয়ে আমি আপনি আমরা সবাই বড়দের জিজ্ঞেস করতে ভয় পেতাম ঠিক সেই বিষয়গুলোই বাহির থেকে আমরা শিখে আসি কেউ ভাল কেউবা খারাপ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে। কাজেই বাহির থেকে ভুল কিছু শেখার আগে আপনার সন্তানকে ঘরে বসেই সঠিক তথ্য দিয়ে শিশুর মানসিক বিকাশে সহায়তা করুন।

“ Against Rape” ইভেন্টটির মূল উদ্দেশ্য হল ধর্ষণ এবং যৌন নির্যাতন সম্পর্কে গণসচেতনতার বিস্তার ঘটানো। শুধু প্রতিবাদ নয় সচেতনতাও প্রয়োজন।“ #প্রতিবাদ হোক কলমের সাথে” নিজেকে যুক্ত করে শিশুদের জন্য সুন্দর আগামী গড়তে আমি পাশে রয়েছি। আপনি চাইলে নিজের সাথে ঘটে যাওয়া কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা কিংবা আপনার আশেপাশে ঘটে যাওয়া নির্যাতন এবং সেই সম্পর্কে সচেতন করতে আমাদের কাছে লেখা পাঠাতে পারেন এই ই-মেইলেঃ ([email protected])। অথবা আমাদের মেসেজ পাঠাতে পারেন Superwoman এর ফেসবুক পেইজেঃ https://www.facebook.com/superwomanbd/

লেখকের সর্বোচ্চ গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে চাইলে আপনি নিজের নাম গোপন রাখতে পারেন। হতে পারে আপনার একটি লেখা পড়ে অনেকের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টি হবে যা আমাদের সকলের সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আর আপনার আঁকা ও লেখা দিয়ে “ ” ইভেন্টে অংশগ্রহণ করতে রেজিস্ট্রেশন করুন( https://l.facebook.com/l.php?u=https%3A%2F%2Fforms.gle%2F5xV4oqH9Cm1nfdV5A%3Ffbclid%3DIwAR2VDwJPQ17VaFSSaeWlKUpr91ki2KNgwBH8Ozt_VVip5GEUmrYjI5eXqrg&h=AT298gTFQQR3jp2BlM9SNSdOVVZPwFedUYYAT7naOLxdDf7COlUr0JceYZSi6zS3TS4fDwUkUx7Y6Gr7ghrxqVFr2Buc00l-45g-FBBO0m0loXEeRnTKxGCTE5mtocO_vgah4g )।

ইভেন্ট লিংক: https://fb.me/e/i2JUna7YQ

চলুন একসাথে পথচলি, সুন্দর আগামী গড়ি।

#প্রতিবাদ_হোক_কলমের_সাথে


তথ্যসূত্রঃ ঢাকা ট্রিবিউন, বিএসএফ, অধিকার (ধর্ষণ পরিসংখ্যান ২০১৯)
ছবিঃ pinterest

Address


Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Superwoman.com.bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Superwoman.com.bd:

  • Want your organization to be the top-listed Non Profit Organization?

Share