Cancer CARE Bangladesh

Call Contact the organization

Cancer CARE Bangladesh Care beyond treatment.
(1)

Cancer CARE Bangladesh (CCB), formerly BHDCP, supports cancer patients with wigs, awareness, and emotional support while expanding its mission to holistic well-being and dignity.

28/07/2026

লিভার ক্যান্সার সব সময় হঠাৎ করে হয় না। অনেক ক্ষেত্রে এর শুরুটা হয় আরও আগে।

২৮ জুলাই বিশ্বজুড়ে পালন করা হয় World Hepatitis Day। এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, কিছু দীর্ঘমেয়াদি সংক্রমণ সময়মতো শনাক্ত ও চিকিৎসা না হলে ভবিষ্যতে গুরুতর জটিলতার কারণ হতে পারে।

এর মধ্যে অন্যতম হলো Hepatitis B এবং Hepatitis C ভাইরাস।

সব Hepatitis রোগীর লিভার ক্যান্সার হবে, এমন নয়। তবে দীর্ঘদিন ধরে Hepatitis B বা Hepatitis C সংক্রমণ থাকলে, বিশেষ করে চিকিৎসা বা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ছাড়া থাকলে, লিভারে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হতে পারে। কিছু মানুষের ক্ষেত্রে এই ক্ষতি থেকে Liver Cirrhosis এবং পরবর্তীতে Liver Cancer হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, অনেক মানুষ বছরের পর বছর Hepatitis B বা C নিয়ে বেঁচে থাকেন, কিন্তু কোনো লক্ষণই অনুভব করেন না। তাই শুধুমাত্র শরীর ভালো লাগছে বলেই সংক্রমণ নেই, এমনটি ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

আপনার চিকিৎসক প্রয়োজন মনে করলে সাধারণ রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে Hepatitis B বা C সংক্রমণ শনাক্ত করা সম্ভব। ঝুঁকি থাকলে বা চিকিৎসকের পরামর্শ থাকলে পরীক্ষা করানো গুরুত্বপূর্ণ।

আরেকটি আশার খবর হলো, Hepatitis B প্রতিরোধে কার্যকর ভ্যাকসিন রয়েছে। বাংলাদেশে শিশুদের জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির অংশ হিসেবেও Hepatitis B টিকা দেওয়া হয়। অন্যদিকে Hepatitis C-এর জন্য বর্তমানে ভ্যাকসিন নেই, তবে অনেক ক্ষেত্রেই কার্যকর ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা সম্ভব।

ক্যান্সার প্রতিরোধের একটি বড় অংশ শুরু হয় ক্যান্সার হওয়ার আগেই। সচেতনতা, টিকা, সময়মতো পরীক্ষা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ, এই চারটি বিষয় অনেক ক্ষেত্রে ভবিষ্যতের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

Cancer CARE Bangladesh (CCB) বিশ্বাস করে, সঠিক তথ্য শুধু রোগ সম্পর্কে জানায় না, ভবিষ্যতের জন্য আরও ভালো সিদ্ধান্ত নিতেও সাহায্য করে।

💬 আজকের আগে কি আপনি জানতেন, দীর্ঘদিনের Hepatitis B বা Hepatitis C সংক্রমণ কিছু মানুষের ক্ষেত্রে Liver Cancer-এর ঝুঁকি বাড়াতে পারে? চাইলে আপনার প্রশ্ন বা মতামত মন্তব্যে জানাতে পারেন।

25/07/2026

কোনো লক্ষণ না থাকলেও কি ক্যান্সার পরীক্ষা করা দরকার?

অনেকেই মনে করেন, শরীরে কোনো সমস্যা না থাকলে পরীক্ষা করারও দরকার নেই। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা আছে, সেটি হলো "Screening"।

"Screening" আর "Diagnosis" এক জিনিস নয়।

"Screening" করা হয় এমন মানুষের জন্য, যাদের কোনো লক্ষণ নেই। এর উদ্দেশ্য হলো, রোগটি শুরু হওয়ার আগেই বা একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো পরিবর্তন ধরা পড়ে কি না, তা খুঁজে দেখা।

অন্যদিকে "Diagnosis" করা হয় তখন, যখন কোনো লক্ষণ দেখা দেয় বা চিকিৎসকের সন্দেহ হয় যে কোনো রোগ থাকতে পারে। তখন প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া হয়।

সব মানুষের জন্য সব ধরনের ক্যান্সারের Screening প্রয়োজন হয় না। কোন Screening আপনার জন্য উপযুক্ত হবে, তা নির্ভর করে আপনার বয়স, লিঙ্গ, পারিবারিক ইতিহাস, ব্যক্তিগত ঝুঁকি এবং চিকিৎসকের পরামর্শের ওপর।

উদাহরণ হিসেবে,

• Cervical Cancer প্রতিরোধ ও প্রাথমিক শনাক্তে নির্দিষ্ট বয়সে HPV Test বা Pap Test গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

• Breast Cancer-এর ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট বয়স থেকে Mammography করার পরামর্শ দেওয়া হতে পারে।

• কিছু মানুষের ক্ষেত্রে Colorectal Cancer Screening-ও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, বিশেষ করে বয়স ও ঝুঁকির ভিত্তিতে।

একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি, Screening Test স্বাভাবিক এলেই ভবিষ্যতে কখনো ক্যান্সার হবে না, এমন নয়। আবার Screening-এ কোনো অস্বাভাবিকতা ধরা পড়লেই ক্যান্সার হয়েছে, এমনটিও নয়। প্রয়োজনে চিকিৎসক আরও পরীক্ষা করে নিশ্চিত হন।

Cancer CARE Bangladesh (CCB) বিশ্বাস করে, সচেতনতা মানে শুধু রোগ সম্পর্কে জানা নয়। কখন পরীক্ষা দরকার, আর কখন দরকার নেই, সেটাও জানা সমান গুরুত্বপূর্ণ।

💬 আপনি কি আগে Screening আর Diagnosis-এর পার্থক্য জানতেন? এমন কোনো স্বাস্থ্য পরীক্ষা আছে, যার উদ্দেশ্য নিয়ে আপনার মনে প্রশ্ন রয়েছে? মন্তব্যে জানাতে পারেন।

24/07/2026

পরিবারে একজনের ক্যান্সার হয়েছে। তাহলে কি আমারও হবেই?

এই প্রশ্নটি অনেক মানুষই করেন। আর এর সহজ উত্তর হলো, "না।"

সব ক্যান্সার বংশগত নয়।

বাস্তবে অধিকাংশ ক্যান্সার শুধুমাত্র বংশগত কারণে হয় না। চিকিৎসাবিজ্ঞানের তথ্য অনুযায়ী, মোট ক্যান্সারের প্রায় ৫% থেকে ১০% ক্ষেত্রে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জিনগত পরিবর্তন (Inherited Genetic Mutation) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাকি বেশিরভাগ ক্যান্সার জীবনের বিভিন্ন সময়ে কোষে তৈরি হওয়া পরিবর্তন, বয়স, পরিবেশ, জীবনযাপন এবং অন্যান্য ঝুঁকির কারণে হয়ে থাকে।

তবে কিছু পরিস্থিতিতে পারিবারিক ইতিহাসকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। যেমন, একই পরিবারের একাধিক সদস্যের অল্প বয়সে একই ধরনের ক্যান্সার হওয়া, অথবা Breast, Ovarian, Colon বা Prostate Cancer বারবার দেখা গেলে চিকিৎসক অতিরিক্ত মূল্যায়নের পরামর্শ দিতে পারেন। প্রয়োজনে Genetic Counseling বা বিশেষ পরীক্ষা করার প্রয়োজন হতে পারে।

এর মানে এই নয় যে পরিবারে একজনের ক্যান্সার হয়েছে, তাই অন্যদেরও হবেই। বরং এটি একটি "সতর্ক সংকেত", যাতে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সচেতনতা এবং চিকিৎসকের পরামর্শকে আরও গুরুত্ব দেওয়া যায়।

মনে রাখবেন, পারিবারিক ইতিহাস একটি ঝুঁকির কারণ হতে পারে, কিন্তু এটি আপনার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে না। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, তামাক পরিহার, প্রয়োজনীয় টিকা, নিয়মিত স্ক্রিনিং এবং সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ অনেক ক্ষেত্রেই ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Cancer CARE Bangladesh (CCB) বিশ্বাস করে, নিজের পরিবারের স্বাস্থ্য ইতিহাস জানা ভয়ের বিষয় নয়। বরং এটি ভবিষ্যতের জন্য আরও সচেতন হওয়ার একটি সুযোগ।

💬 আপনার পরিবারে কি কখনো ক্যান্সারের ইতিহাস ছিল? ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ না করলে শুধু লিখতে পারেন, "জানতাম না" বা "আজ নতুন কিছু শিখলাম।" আপনার একটি মন্তব্য আমাদের বুঝতে সাহায্য করবে, মানুষ কোন বিষয়গুলো নিয়ে আরও জানতে চান।

❤️ Meet Orpita Saha from Noakhali.She chose kindness. She chose courage. She chose to donate her hair for cancer patient...
23/07/2026

❤️ Meet Orpita Saha from Noakhali.
She chose kindness. She chose courage. She chose to donate her hair for cancer patients.

We are truly proud of you. Your simple act will help restore confidence and bring hope to someone fighting cancer.

⚠️ For safety: Always confirm with our official page before donating. Do not trust personal profiles claiming to be volunteers.

🔗 Start your donation journey here:
Hair Donation Application Form link : https://tally.so/r/vGpex8

📌 Minimum hair length: 12-15 inches
📦 We accept donations from all over Bangladesh
📞 01580919326 (Call/WhatsApp)
📧 [email protected]

Let’s build a more compassionate Bangladesh, together.

23/07/2026

"শক্ত থাকুন। কিছু হবে না।" এই কথাগুলো কি সব সময় একজন ক্যান্সার রোগীকে সাহায্য করে?

কোনো প্রিয় মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে আমরা স্বাভাবিকভাবেই তাকে সাহস দিতে চাই। কিন্তু অনেক সময় অজান্তেই এমন কিছু কথা বলে ফেলি, যা রোগীর জন্য আরও কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

যেমন,

"এত চিন্তা করবেন না।"

"Positive থাকলেই সব ঠিক হয়ে যাবে।"

"অমুকও ক্যান্সার হয়েছিল, এখন ভালো আছে।"

এই কথাগুলোর উদ্দেশ্য ভালো হলেও, একজন রোগীর মনে এমন অনুভূতি তৈরি হতে পারে যে তার ভয়, কষ্ট বা অনিশ্চয়তাকে কেউ গুরুত্ব দিচ্ছে না।

বাস্তবে ক্যান্সারের চিকিৎসার সময় একজন মানুষ শুধু শারীরিক নয়, মানসিকভাবেও বড় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যান। ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা, চিকিৎসার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, কাজ বা পড়াশোনা নিয়ে দুশ্চিন্তা, পরিবারের চিন্তা, নিজের পরিবর্তিত চেহারা, সবকিছু মিলিয়ে অনেক সময় একজন রোগীর সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয় একজন মনোযোগী শ্রোতা।

তাহলে কী বলা যেতে পারে?

• "তোমার কথা আমি শুনতে চাই।"

• "আজ তোমার কেমন লাগছে?"

• "আমি যদি কোনোভাবে সাহায্য করতে পারি, আমাকে জানিও।"

• "তুমি একা নও, আমি তোমার পাশে আছি।"

অনেক সময় এই কয়েকটি সাধারণ বাক্যই একজন মানুষের জন্য বড় মানসিক শক্তি হয়ে দাঁড়ায়। কারণ সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া আমাদের দায়িত্ব নয়, কিন্তু পাশে থাকার চেষ্টা করা আমাদের সবার পক্ষেই সম্ভব।

Cancer CARE Bangladesh (CCB) বিশ্বাস করে, চিকিৎসা শুধু হাসপাতালেই হয় না। একজন মানুষের পাশে আরেকজন মানুষের আন্তরিক উপস্থিতিও সুস্থ হয়ে ওঠার পথকে কিছুটা সহজ করে তুলতে পারে।

💬 যদি আপনার কোনো প্রিয় মানুষ কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যান, আপনি তাকে প্রথম কী বলতে চাইবেন? আপনার উত্তর হয়তো অন্য কাউকে আরও সুন্দরভাবে পাশে দাঁড়াতে সাহায্য করবে।

22/07/2026

মাথাব্যথা হলেই কি Brain Tumor-এর আশঙ্কা করা উচিত?

২২ জুলাই বিশ্বজুড়ে পালন করা হয় World Brain Day। এই উপলক্ষে আজ এমন একটি বিষয় নিয়ে কথা বলি, যা নিয়ে অনেক মানুষের অকারণ ভয় রয়েছে।

বাস্তবতা হলো, বেশিরভাগ মাথাব্যথার কারণ Brain Tumor নয়। মাথাব্যথা হতে পারে ঘুমের অভাব, মানসিক চাপ, মাইগ্রেন, সাইনাসের সমস্যা, চোখের পাওয়ার পরিবর্তন বা আরও অনেক সাধারণ কারণে।

তবে কিছু পরিস্থিতিতে মাথাব্যথাকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। যেমন:

• নতুন ধরনের বা ক্রমশ বাড়তে থাকা তীব্র মাথাব্যথা।
• সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মাথাব্যথা বেশি হওয়া এবং বমি হওয়া।
• মাথাব্যথার সঙ্গে খিঁচুনি (Seizure) শুরু হওয়া।
• শরীরের একপাশ দুর্বল হয়ে যাওয়া বা অবশ লাগা।
• কথা বলতে, হাঁটতে বা ভারসাম্য রাখতে হঠাৎ সমস্যা হওয়া।
• দৃষ্টিশক্তিতে নতুন পরিবর্তন, যেমন ঝাপসা দেখা বা ডাবল দেখা।

এই লক্ষণগুলোর মানেই Brain Tumor, এমন নয়। তবে এগুলো থাকলে দেরি না করে একজন Neurologist বা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রয়োজনে চিকিৎসক CT Scan বা MRI-এর মতো পরীক্ষা পরামর্শ দিতে পারেন। কোন পরীক্ষা দরকার হবে, তা সম্পূর্ণ রোগীর লক্ষণ ও শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে।

Brain Tumor দুই ধরনের হতে পারে, Benign (অক্যান্সারজনিত) এবং Malignant (ক্যান্সারজনিত)। তাই "Brain Tumor" আর "Brain Cancer" একই বিষয় নয়। সঠিক রোগ নির্ণয়ের আগে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়।

ইন্টারনেটে পড়া তথ্য দিয়ে নিজেই রোগ নির্ণয় করার চেষ্টা না করে, সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসকের কাছে যাওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

Cancer CARE Bangladesh (CCB) বিশ্বাস করে, সচেতনতা তখনই অর্থবহ, যখন তা ভয় নয়, সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।

💬 World Brain Day উপলক্ষে আজ আপনার জন্য একটি প্রশ্ন। আপনি কি আগে মনে করতেন, দীর্ঘদিন মাথাব্যথা মানেই Brain Tumor হতে পারে? আপনার মতামত বা প্রশ্ন মন্তব্যে জানাতে পারেন।

21/07/2026

কেমোথেরাপি শুরু হলেই কি সবার চুল পড়ে যায়?

ক্যান্সারের চিকিৎসা নিয়ে মানুষের সবচেয়ে পরিচিত দৃশ্যগুলোর একটি হলো চুল পড়ে যাওয়া। কিন্তু একটি বিষয় অনেকেই জানেন না, কেমোথেরাপি নিলেই সবার চুল পড়ে যায় না।

চুল পড়া নির্ভর করে মূলত কোন ধরনের কেমোথেরাপির ওষুধ ব্যবহার করা হচ্ছে, তার মাত্রা, চিকিৎসার পরিকল্পনা এবং রোগীর শরীর সেই ওষুধে কীভাবে সাড়া দিচ্ছে তার ওপর। কিছু ওষুধে চুল সম্পূর্ণ পড়ে যেতে পারে, কিছু ওষুধে আংশিক পড়ে, আবার কিছু চিকিৎসায় চুল একেবারেই পড়ে না।

কিন্তু কেন এমন হয়?

আমাদের চুলের গোড়ায় থাকা কোষগুলো খুব দ্রুত বিভাজিত হয়। কেমোথেরাপির অনেক ওষুধ দ্রুত বিভাজিত হওয়া কোষকে লক্ষ্য করে কাজ করে, কারণ ক্যান্সার কোষও দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এই প্রক্রিয়ায় চুলের গোড়ার সুস্থ কোষও সাময়িকভাবে প্রভাবিত হতে পারে। ফলে চিকিৎসা চলাকালীন চুল পড়া শুরু হয়।

একটি আশার বিষয় হলো, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি স্থায়ী নয়। চিকিৎসা শেষ হওয়ার কয়েক সপ্তাহ বা কয়েক মাসের মধ্যে অনেক রোগীর নতুন চুল গজাতে শুরু করে। নতুন চুলের রং বা গঠন আগের তুলনায় কিছুটা ভিন্নও হতে পারে, যা সাধারণ বিষয়।

এটাও মনে রাখা জরুরি, সব ক্যান্সারের চিকিৎসায় কেমোথেরাপি দেওয়া হয় না। অনেক রোগীর ক্ষেত্রে Surgery, Radiation Therapy, Targeted Therapy, Immunotherapy বা Hormone Therapy ব্যবহৃত হয়। তাই অন্য একজন রোগীর অভিজ্ঞতার সঙ্গে নিজের চিকিৎসার তুলনা করা ঠিক নয়।

চুল পড়া শুধু শারীরিক পরিবর্তন নয়, অনেক মানুষের জন্য এটি মানসিকভাবেও কঠিন একটি অভিজ্ঞতা। তাই একজন ক্যান্সার রোগীর পাশে দাঁড়ানোর সময় শুধু চিকিৎসার খবর নয়, তার অনুভূতির দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

Cancer CARE Bangladesh (CCB) বিশ্বাস করে, একটি উইগ শুধু চুলের বিকল্প নয়। অনেক মানুষের জন্য এটি আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার একটি ছোট কিন্তু অর্থবহ পদক্ষেপ।

💬 কেমোথেরাপি নিয়ে আপনার মনে এমন কোনো প্রশ্ন আছে, যার উত্তর জানতে চান? মন্তব্যে লিখে জানাতে পারেন। আমরা নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়গুলো সহজ ভাষায় তুলে ধরার চেষ্টা করব।

20/07/2026

"Stage 4" কথাটা শুনলেই আমরা এত ভয় পাই কেন? আসলে Cancer Stage বলতে কী বোঝায়?

ক্যান্সার ধরা পড়ার পর চিকিৎসকের কাছ থেকে অনেকেই প্রথম যে শব্দটি শোনেন, সেটি হলো "Stage"। কিন্তু Stage মানে কী, তা অনেকের কাছেই পরিষ্কার নয়।

সহজভাবে বললে, Cancer Stage বোঝায় ক্যান্সার শরীরে কতটা ছড়িয়েছে। এটি রোগীর চিকিৎসা পরিকল্পনা, সম্ভাব্য চিকিৎসার ধরন এবং পরবর্তী পর্যবেক্ষণ নির্ধারণে চিকিৎসকদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়।

সাধারণভাবে অনেক ক্যান্সারের ক্ষেত্রে Stage চারটি ধাপে বর্ণনা করা হয়:

Stage 1: ক্যান্সার সাধারণত ছোট থাকে এবং যে অঙ্গে শুরু হয়েছে, সেখানেই সীমাবদ্ধ থাকে।

Stage 2: ক্যান্সার আকারে কিছুটা বড় হতে পারে বা আশপাশের কিছু টিস্যু বা কাছাকাছি লিম্ফ নোডে ছড়ানোর লক্ষণ দেখা যেতে পারে।

Stage 3: ক্যান্সার আরও বিস্তৃতভাবে আশপাশের টিস্যু বা একাধিক লিম্ফ নোডে ছড়িয়ে যেতে পারে। এই পর্যায়েও অনেক ধরনের ক্যান্সারের চিকিৎসা সম্ভব এবং রোগভেদে চিকিৎসার লক্ষ্য ভিন্ন হতে পারে।

Stage 4: ক্যান্সার শরীরের দূরের কোনো অঙ্গে ছড়িয়ে পড়েছে। একে অনেক সময় "Metastatic Cancer" বলা হয়। তবে Stage 4 মানেই চিকিৎসা শেষ, এমন ধারণা সঠিক নয়। অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসার মাধ্যমে রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা, উপসর্গ কমানো এবং রোগীর জীবনমান উন্নত করা সম্ভব। কিছু ক্যান্সারে দীর্ঘ সময় ভালোভাবে জীবনযাপনও সম্ভব হয়।

একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা দরকার, সব ধরনের ক্যান্সারের staging system এক নয়। যেমন Blood Cancer, Brain Tumor বা কিছু বিশেষ ধরনের ক্যান্সারে আলাদা classification ব্যবহার করা হয়। তাই এক রোগীর Stage-এর সঙ্গে আরেক রোগীর Stage তুলনা করা ঠিক নয়।

ক্যান্সারের Stage সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ব্যাখ্যা দিতে পারেন আপনার চিকিৎসক, কারণ Stage নির্ধারণ করা হয় শারীরিক পরীক্ষা, ইমেজিং (যেমন CT Scan, MRI, PET-CT) এবং প্রয়োজনে বায়োপসির তথ্য একত্রে মূল্যায়ন করে।

ভয় কমানোর সবচেয়ে ভালো উপায় হলো, সঠিক তথ্য জানা। কারণ চিকিৎসা শুরু হয় শুধু রিপোর্ট দিয়ে নয়, পুরো মানুষটিকে বিবেচনা করেই।

💬 আপনি কি আগে মনে করতেন Stage 4 মানেই চিকিৎসার আর কোনো সুযোগ নেই? এই বিষয়ে আপনার কোনো প্রশ্ন থাকলে মন্তব্যে লিখতে পারেন। আমরা নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়গুলো সহজ ভাষায় তুলে ধরার চেষ্টা করব।

19/07/2026

সব গাঁট (Tumor) কি ক্যান্সার? উত্তরটা জানলে অনেক অপ্রয়োজনীয় ভয় কমে যাবে।

শরীরে কোথাও গাঁট বা ফোলা অনুভব করলেই অনেক মানুষ ভাবেন, "এটা কি ক্যান্সার?"

বাস্তবে, সব Tumor বা গাঁট ক্যান্সার নয়।

Tumor বলতে বোঝায় শরীরের কোনো অংশে অস্বাভাবিকভাবে কোষের বৃদ্ধি। কিন্তু এই Tumor দুই ধরনের হতে পারে।

Benign Tumor সাধারণত শরীরের অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে না। অনেক ক্ষেত্রে এগুলো ধীরে বাড়ে এবং জীবনহানির কারণও হয় না। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অনেক সময় শুধু পর্যবেক্ষণই যথেষ্ট হয়, আবার কিছু ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে।

অন্যদিকে Malignant Tumor হলো ক্যান্সার। এই কোষগুলো আশপাশের টিস্যুতে ছড়িয়ে যেতে পারে এবং রক্ত বা লসিকার মাধ্যমে শরীরের অন্য অঙ্গেও পৌঁছাতে পারে। তাই চিকিৎসকেরা দ্রুত পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে চান এটি Benign, নাকি Malignant।

শুধু হাত দিয়ে গাঁট স্পর্শ করে বা বাইরে থেকে দেখে কোনো চিকিৎসকও নিশ্চিতভাবে বলতে পারেন না এটি ক্যান্সার কি না। প্রয়োজনে আল্ট্রাসনোগ্রাম, ম্যামোগ্রাম, সিটি স্ক্যান, এমআরআই, FNAC বা বায়োপসির মতো পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে "বায়োপসি" অনেক ক্ষেত্রে নিশ্চিতভাবে ক্যান্সার নির্ণয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত হয়।

তাই শরীরে নতুন কোনো গাঁট অনুভব করলে আতঙ্কিত না হয়ে, আবার অবহেলাও না করে, যত দ্রুত সম্ভব একজন নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

Cancer CARE Bangladesh (CCB) বিশ্বাস করে, ভয় নয়, সঠিক তথ্যই আমাদের ভালো সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।

💬 আজকের আগে কি আপনি Benign আর Malignant Tumor-এর পার্থক্য জানতেন? চাইলে আপনার মতামত বা প্রশ্ন মন্তব্যে জানাতে পারেন।

14/07/2026

পরিবারে যখন কারো ক্যান্সার ধরা পড়ে, তখন সবার নজর থাকে রোগীর দিকে, কিন্তু একজন মানুষের কথা প্রায় সময়ই কেউ জিজ্ঞেস করে না।

সেই মানুষটা হলেন কেয়ারগিভার, যিনি রাতের পর রাত জেগে থাকেন, ওষুধের সময় মনে রাখেন, হাসপাতালে দৌড়ান, আর নিজের কষ্টটা লুকিয়ে রাখেন কারণ মনে হয় এখন কাঁদার সময় না।

কিন্তু সত্যি বলতে, কেয়ারগিভার হয়ে ক্লান্ত লাগা, ভেঙে পড়া, মাঝে মাঝে সব ছেড়ে দিতে ইচ্ছে করা, এগুলো স্বার্থপরতা না। এটা মানুষ হওয়ার লক্ষণ।

যিনি অন্যের যত্ন নেন, তার নিজেরও যত্ন দরকার, এই কথাটা আমরা যত তাড়াতাড়ি বুঝি, ততই ভালো।

আজ যদি আপনার আশেপাশে কেউ কারো যত্ন নিচ্ছেন, শুধু একবার জিজ্ঞেস করুন, আপনি কেমন আছেন।

💬 যিনি সবসময় অন্যের খবর নেন, আজ তার খবর নিন।

Address

Mirpur

Telephone

+8801580919326

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cancer CARE Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Cancer CARE Bangladesh:

Shortcuts

Share