03/09/2023
#মীর_কাশেম_আলীর আজ #৭ম শাহাদাৎবার্ষিকী।
এদেশের ছাত্র অংগনে ইসলামি আন্দোলনের অন্যতম কর্ণধার মীর কাশেম আলী।
স্বাধীন বাংলাদেশে তাঁর মতো আর দ্বিতীয় কোনো ব্যক্তি পাওয়া যাবেনা, যিনি রাজনীতি, অর্থনীতি, সাংস্কৃতিক, মিডিয়া, ব্যবসা-বাণিজ্যের
সাথে সাথে একজন দ্বীনের দায়ী হিসেবে দেশ বিদেশে সকল জায়গায় রেখে গেছেন পদচিহ্ন।
১৯৫২ সালে জন্ম গ্রহন করেন মানিকগঞ্জ জেলায়।
স্বাধীন বাংলাদেশের পর উদ্ভুত পরিস্থিতিতে নৈতিকতা সম্পূর্ণ নেতৃত্বের অভাব যখন
চরম আকার ধারন করে সেই সময়ে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন কালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের প্রথম কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
ইসলামের সুমহান আদর্শকে ছাত্র সমাজের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার নিরলসভাবে ভুমিকা রাখেন
এ মহান পুরুষ।
যার ফলে ছাত্র সংগঠনটি কয়েক বছরের মধ্যে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার সর্ব বৃহৎ ইসলামী
ছাত্র সংগঠনে পরিণত হয়।
২০০৮ সালে২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত করা হয় মীর কাশেম আলীকে।
২০১৪ সালে মৃত্যু দন্ড দেওয়া হয় এবং কার্যকর করা হয় ২০১৬ সালের ৩রা সেপ্টেম্বর। যা সকল দেশ বলেছে যে,এই ট্রাইবুনাল আন্তর্জাতিক মানের নিশ্চিত হয়নি, এই রায় সম্পূর্ণ বে আইনি।
যার মধ্যে দিয়ে ইতি ঘটে আধুনিক যুগে ইসলামকে সকল যায়গায় প্রতিষ্ঠা করা যায় এমন একজন মহীরুহ ব্যক্তির।
ইসলামি ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় যার অবদান অপরিসীম। সেই সাথে পর্যটন খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন শহীদ মীর কাশেম আলী।
বৃহত্তর ইসলামী আন্দোলন জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী বিভাগে ছিলেন, রাবেতা আল ইসালামে কাজ করতেন এই মহান ব্যক্তি।
মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ,আমেরিকায় একজন উদ্যোক্তা ও শিল্পপতি হিসেবে সমাদৃত ছিলেন।
তাঁর এই অন্যায় ফাঁসির কারণে হারাতে হয়েছে অমূল্য এক রত্ন।
(চলবে)
লেখক: এম মিজান,ঠাকুরগাঁও