Bdprotiva24

Bdprotiva24 একটি অনলাইন সাহিত্য ম্যগাজিন

14/09/2025

৬০ বছরে দাঁড়িয়ে হয়তো বলবো—
“একটা সময় ছিলো,
২২ বছর বয়সে আমি এক আকাশ ভালোবাসা দিয়ে গিয়েছিলাম
একজনকে… কিন্তু সেই ভালোবাসার অধিকার পাইনি কখনো।”scb

জেনে নিন! ১. ChatGPT – যেকোনো লেখা বা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।  ২. Canva AI – ডিজাইন তৈরি ও কনটেন্ট সাজাতে AI সহায়তা। ...
07/05/2025

জেনে নিন!
১. ChatGPT – যেকোনো লেখা বা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।
২. Canva AI – ডিজাইন তৈরি ও কনটেন্ট সাজাতে AI সহায়তা।
৩. Pictory – লেখা থেকে অটো ভিডিও তৈরি করে।
৪. Copy.ai – মার্কেটিং কপিরাইটিং বা ব্লগ লেখে।
৫. Jasper AI – ব্লগ, বিজ্ঞাপন, ইমেইল লেখায় সাহায্য করে।
৬. Grammarly – ইংরেজি লেখার ভুল ধরিয়ে সংশোধন করে।
৭. Quillbot – লেখাকে রি-রাইট বা প্যারাফ্রেজ করে।
৮. Synthesia – AI এভাটার দিয়ে ভিডিও বানায়।
৯. Looka – লোগো ও ব্র্যান্ড ডিজাইন করে।
১০. Remove.bg – ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করে এক ক্লিকে।
১১. Leonardo AI – কল্পনাশক্তির ইমেজ ডিজাইন করে।
১২. Durable – কয়েক সেকেন্ডে ওয়েবসাইট তৈরি করে।
১৩. SlidesAI – লেখা থেকে অটো স্লাইড প্রেজেন্টেশন বানায়।
১৪. Runway ML – ভিডিও এডিটিং ও AI ভিজ্যুয়াল এফেক্টে সাহায্য করে।
১৫. Tome – স্টোরি-বেইজড প্রেজেন্টেশন তৈরি করে।
১৬. Notion AI – নোট নেয়া, টাস্ক ম্যানেজমেন্ট ও লেখায় সাহায্য করে।
১৭. Krisp – কলের ব্যাকগ্রাউন্ড নোইজ রিমুভ করে।
১৮. Cleanup.pictures – ছবির অবাঞ্চিত জিনিস মুছে ফেলে।
১৯. Replika – AI ভার্চুয়াল বন্ধু বা চ্যাট সঙ্গী।
২০. Soundraw – AI দিয়ে অরিজিনাল মিউজিক তৈরি করে।
২১. Beatoven – ভিডিও/পডকাস্টের জন্য মিউজিক তৈরি করে।
২২. Voicemod – ভয়েস চেঞ্জ বা ভয়েস ইফেক্টে ইউজ হয়।
২৩. Lumen5 – ব্লগ থেকে ভিডিও কনভার্ট করে।
২৪. Descript – ভিডিও এডিট করে টেক্সট দিয়ে।
২৫. Kaiber – AI দিয়ে ভিডিও অ্যানিমেশন বানায়।
২৬. AutoDraw – হ্যান্ড-ড্রয়িংকে পারফেক্ট ডিজাইনে রূপ দেয়।
২৭. ElevenLabs – রিয়েলিস্টিক ভয়েস জেনারেশন করে।
২৮. Heygen – AI স্পোকেন ভিডিও বানায় ফেস ও ভয়েস দিয়ে।
২৯. Writesonic – কনটেন্ট রাইটিং ও কপি তৈরি করে।
৩০. Play.ht – ব্লগ বা লেখাকে ভয়েসে পরিণত করে।
৩১. Papercup – ভিডিওর ভয়েস অন্য ভাষায় ডাব করে।
৩২. AI Dungeon – ইন্টার‍্যাকটিভ গল্প বানায়।
৩৩. TTSMaker – লেখা থেকে স্পিচ জেনারেট করে।
৩৪. Magic Eraser – ছবির অবজেক্ট সরিয়ে ক্লিন ব্যাকগ্রাউন্ড দেয়।
৩৫. Designs.ai – লোগো, ভিডিও, অডিও সব তৈরি করতে পারে।
৩৬. Midjourney – কমান্ড থেকে ইমেজ তৈরি করে।
৩৭. TinyWow – ডকুমেন্ট, ভিডিও, পিডিএফ টুলস ফ্রি অফার করে।
৩৮. ChatPDF – যেকোনো PDF পড়ে আপনাকে সারাংশ দেয়।
৩৯. Scalenut – SEO কনটেন্ট ও ব্লগ প্ল্যান করে।
৪০. INK – SEO, রাইটিং, মার্কেটিং একসাথে করে।
৪১. DeepL – প্রোফেশনাল লেভেলের ট্রান্সলেশন দেয়।
৪২. OpenArt – AI আর্ট ও ইমেজ তৈরি করে।
৪৩. NameSnack – AI দিয়ে বিজনেস নাম সাজেস্ট করে।
৪৪. Tidio – AI চ্যাটবট তৈরি করে ওয়েবসাইটের জন্য।
৪৫. FormX.ai – স্ক্যান করা ডকুমেন্ট থেকে ডেটা এক্সট্রাক্ট করে।
৪৬. Murf.ai – প্রফেশনাল ভয়েসওভার তৈরি করে।
৪৭. Zyro AI Writer – ওয়েবসাইট বা কনটেন্ট লেখায় ব্যবহার হয়।
৪৮. Hugging Face – বিভিন্ন ধরনের NLP ও AI টুলস হোস্ট করে।
৪৯. Adobe Firefly – AI দিয়ে ইমেজ ও ডিজাইন তৈরি করে।
৫০. Illustroke – লেখা থেকে SVG ইলাস্ট্রেশন তৈরি করে।

এই টুলগুলো ব্যবহার করে আপনি আপনার কাজের গতি যেমন বাড়াতে পারবেন, তেমনি সময় এবং খরচও বাঁচাতে পারবেন। #বিডিপ্রতিভা২৪

📖 বই পড়ুয়াদের জন্য ৩০টি টিপস!🌼বই হোক সকলের নিত্য সঙ্গী!১) বইপড়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো পড়ার জন্য বসা! অধিকাংশ মান...
07/04/2025

📖 বই পড়ুয়াদের জন্য ৩০টি টিপস!🌼
বই হোক সকলের নিত্য সঙ্গী!
১) বইপড়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো পড়ার জন্য বসা! অধিকাংশ মানুষের এই সুযোগটাই হয় না।
২) পড়ার মজা বাড়ানোর একটি কার্যকর উপায় হলো, বোরিং টপিকের বইগুলো আগে না পড়া।
৩) একটি বই পড়লেই জীবন হয়ত পাল্টে যাবে না। কিন্তু প্রতিদিন বই পড়লে একদিন না একদিন জীবন পাল্টাবে ইনশাআল্লাহ।
৪) নতুন বইয়ের চেয়ে সেসব বই বেশি পড়ুন, যেগুলো যুগ যুগ ধরে মানুষ পড়ছে।
৫) জীবনে আপনি কয়টা বই পড়েছেন, সেটা দেখার বিষয় না। দেখুন কয়টা বই আপনার ভিতরে রেখাপাত করতে পেরেছে।
৬) পড়ার সময় মনোযোগ থাকে না? মোবাইল অন্য রুমে রেখে আসুন। মনোযোগ আসতে বাধ্য।
৭) একটি ভালো বই যদি একবার পড়তে হয়, তাহলে সেরা বইগুলো বার বার পড়তে হবে।
৮) বই পড়া শুরু করতে চাইলে 'পড়ুয়া' হওয়া জরুরী না। বরং বই পড়তে পড়তেই একদিন আপনি পড়ুয়া হয়ে উঠবেন।
৯) পড়ার অভ্যাস হারিয়ে ফেলার চেয়ে একটা খারাপ বই ছেড়ে দেওয়া ভালো।
১০) কোনো বই যদি আপনার জীবনে সামান্য পরিবর্তনও এনে থাকে, তাহলে বছরে সেটা একবার হলেও পুনরায় পড়ুন।
১১) যে বই আপনার ভালো লাগেনি, সেটা নিজের কাছে না রেখে অন্যকে গিফট করে দেওয়া ভালো।
১২) বই পড়ার মোক্ষম সময় হলো, যখন আপনি মোবাইল নিয়ে পড়ে থাকেন।
১৩) সব পাঠককেই এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়, যখন সে বুঝে উঠতে পারে না তার জন্য কোন বইটি ভালো হবে।
১৪) ওপরের সমস্যাটার সমাধান হলো, সঙ্কোচ না করে বড়দের সহায়তা নেওয়া। তাহলে অনেক সময়, শ্রম দুটোই বেঁচে যাবে।
১৫) একটি সেরা বইয়ের বৈশিষ্ট্য হলো, আপনি চাইলেও সেটা দ্রুত পড়ে ফেলতে পারবেন না। কারণ, সে আপনাকে বার বার থামিয়ে দেবে, ভাবাবে।
১৬) বই পড়ার মূল উদ্দেশ্য হলো কাজে পরিণত করা। মুখস্থ নয়। সুতরাং তথ্য-উপাত্ত মনে রাখার বদলে কাজেকর্মে বাস্তবায়নে বেশি মনোযোগ দিন।
১৭) বই পড়ার অভ্যাস গড়তে চান? তাহলে প্রতিদিন ২ মিনিট করে পড়ার টার্গেট নিন। জি এত ছোট টার্গেট, যাতে আপনার মন অজুহাত দেখানোর সুযোগই না পায়।
১৮) একটি ভালো বইয়ের সারাংশ যে পড়ে, তার চাইতে ১০ গুণ বেশি উপকার পায় সেই ব্যক্তি, যে সারাংশটা লিখে। কাজেই বই পড়া শেষে সারাংশ লিখতে ভুলবেন না।
১৯) কোনো বই পড়ার পর যদি আপনার আচার-ব্যবহারে, চিন্তাভাবনায় পরিবর্তন না আসে, তাহলে বুঝে নিবেন হয় বইটি ভালো নয় অথবা আপনি কিছুই শিখতে পারেন নি।
২০) প্রচুর বই কিনলেই পাঠক হওয়া যায় না। কথা সত্য। তবে অল্প বই নিয়ম করে প্রতিদিন পড়লে একদিন ঠিকই ভালো পাঠক হয়ে যাবেন।
২১) বই কেনা মানে বিনিয়োগ করা, খরচ নয়। হতে পারে একটি ভালো বই ভবিষ্যতে আপনাকে লক্ষকোটি টাকা আয়ের রাস্তা দেখিয়ে দিচ্ছে।
২২) পড়ার জন্য মোটিভেশন নয়, বেশি দরকার পড়ার পরিবেশ তৈরি করা। একটা সাধারণ বই আপনি লাইব্রেরীতে বসে যত সহজে পড়ে ফেলতে পারবেন, একটি অসাধারণ বই কোলাহল পরিবেশে পড়া ততটাই কঠিন হবে, যদিও বইটা অসাধারণ।
২৩) যেখানেই যান, একটি বই সঙ্গে রাখুন। কারণ, আপনি জানেন না, কখন আপনি বই পড়ার জন্য বাড়তি সময় পেতে যাচ্ছেন।
২৪) একটি বইকে সর্বোচ্চ ৩বার সুযোগ দিতে পারেন (৩টি অধ্যায় পড়ার মাধ্যমে)। এরপরও যদি বইটি ভালো না লাগে, তাহলে অন্য বই ধরুন।
২৫) একজন লেখকের জন্য সবচেয়ে বড় প্রশংসার বিষয় হলো, যখন সে দেখে পাঠক তার বইটি দাগিয়ে দাগিয়ে পড়েছে, হাইলাইট করেছে, নোট টুকে রেখেছে।
২৬) ছোট বইকে কখনো তুচ্ছজ্ঞান করবেন না। কখনো কখনো ছোট মরীচে ঝাল বেশি হয়।
২৭) আপনার সমস্যা যদি অসংখ্য হয়, তাহলে বইও অসংখ্য পড়ুন। প্রত্যেক নতুন সমস্যারই নতুন বই আছে।
২৮) বই হলো শিক্ষা নেবার সবচেয়ে শর্টকাট রাস্তা। মাত্র ১০০ টাকা খরচ করে আপনি ১০০ দিনের শিক্ষা পেয়ে যেতে পারেন, কিংবা কয়েক বছরের!
২৯) অতীতের ফেলে আসা সময়গুলো যদি বই জন্য পড়ার ভালো সময় হয়ে থাকে, তাহলে আজকে থেকেই পড়া শুরু করলে সেটা হবে সর্বোত্তম সময়।
৩০) একটি ভালো বইয়ের নাম ভুলে যেতে পারেন, বইয়ের আলোচনাও ভুলে যেতে পারেন। কিন্তু শিক্ষাটা আজীবন আপনার মনে গেঁথে থাকবে।

সংগ্রহে: স্বপ্নসারথি ওয়াল
#বিডিপ্রতিভা২৪,

.com

আগে জানুন  জমির পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ধারণাঃ ১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার১ কা...
27/02/2025

আগে জানুন
জমির পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ধারণাঃ

১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ
১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ কাঠা = ৩২০ বর্গহাত
২০ কাঠা = ১ বিঘা
৬০ কাঠা = ১ একর
১৪৮২০ কাঠা = ১ বর্গকিলোমিটার
১৪৮.২ কাঠা = ১ হেক্টর
কানি পরিমাপক
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট = ১৬১৯ বর্গমিটার = ৪০০০০ বর্গলিংক = ৮০ করা
১ কানি = ৭৬৮০ বর্গহাত = ১৯৩৬ বর্গগজ = ১২০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা=৪০০০০ বর্গলিংক
১ কানি = ২৪ কাঠা
বিঘা পরিমাপক
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ = ১ পাকি
১ বিঘা =২০ কাঠা
১ বিঘা = ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ৩৩০০০ বর্গলিংক
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ
১ বিঘা = ১৪৪০০ বর্গফুট = ১৩৩৮ বর্গ মিটার
১ বিঘা = ১৬ গন্ডা ২ করা ২ ক্রান্তি
৩ বিঘা = ১ একর (মোটামুটি) = ১৬০০ বর্গইয়ার্ড
৭৪১ বিঘা=১৪৮২০ কাঠা=১০৬৭০৪০০ বর্গফুট =৯৯১৬৭২ বর্গমিটার= ১বর্গকিলোমিটার=
২৪৭একর
৭.৪১বিঘা=১৪৮.২কাঠা=১০৬৭০৪ বর্গফুট =৯৯১৩ বর্গমিটার=১ হেক্টর=২.৪৭একর
জেনে নিন খতিয়ান, পর্চা, চিটা, দখলনামা, বয়নামা, জমাবন্দি, দাখিলা, হুকুমনামা, জমা খারিজ, মৌজা কি?
পাকি পরিমাপক
১ পাকি = ১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ
১ পাকি = ২০ কাঠা = ৩৩ শতাংশ
শতাংশ নির্ণয়ের সুত্র
১.৬৫ শতাংশ = ১ কাঠা = ১৬৫ অযুতাংশ =৭২০ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
৩৩ শতাংশ = ১ পাকি = ১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ শতাংশ =১৯৩.৬ বর্গহাত
২৪৭.১০৫ শতাংশ = ১ আয়ের
একর পরিমাপক
১ একর = ১০ বর্গচেইন = (৬৬*৬৬০) = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ৪৩৫৬৯ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ১০০০০০ বর্গলিংক
১ একর = ১৯৩৬০ বর্গহাত
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৭ বর্গ মিটার = ০.৬৮০ হেক্টর
৬৪০ একর = ১ বর্গমাইল
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ একর = ২ কানি ১০ গন্ডা ( ৪০ শতক কানি অনুসারে)
২৪৭ একর = ১ বর্গকিলোমিটার
হেক্টর পরিমাপক
১ হেক্টর=২.৪৭একর
১ হেক্টর = ৭.৪১বিঘা
১ হেক্টর = ১৪৮.২কাঠা
১ হেক্টর = ১০৬৭০৪ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার =৯৯১৩ বর্গমিটার
১ হেক্টর = ১১৯৬০ বর্গগজ
১ হেক্টর = ১.৪৭ একর
১ আয়ের = ২৮.৯ বিঘা
১ হেক্টর = ২৪৭.১০৫ শতক
১ হেক্টর = ৪৭৮৯.৫২৮ বর্গহাত
১ হেক্টর = ১০৭৬৩৯ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১১৯৫৯.৮৮২ বর্গগজ
১ হেক্টর = ৭.৪৭৪ বিঘা
১ হেক্টর = ১০০ আয়ের গন্ডা পরিমাপক ১ গন।

👍শেয়ার করুন👍

নতুন কিছু শেখার সহজ কৌশলগতিশীল পৃথিবীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে নতুন নতুন বিষয় শেখার বিকল্প নেই।কিন্তু যেকোনো বিষয় শ...
29/12/2024

নতুন কিছু শেখার সহজ কৌশল

গতিশীল পৃথিবীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে নতুন নতুন বিষয় শেখার বিকল্প নেই।কিন্তু যেকোনো বিষয় শেখা ও আয়ত্ত করা সহজ নয়। তবে কিছু জিনিস মাথায় রাখলে নতুন যেকোনো কিছু শেখা সহজ হয়। লিখেছেন এনাম-উজ-জামান

লক্ষ্য নির্ধারণ করুন
শেখার কোনো শেষ নেই। কিন্তু আমাদের জীবনের ব্যাপ্তি ও সামর্থ্য অফুরন্ত নয়। সে কারণে প্রথমেই আমাদের লক্ষ্য নির্ধারণ করে নিতে হবে, আমরা জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে কোথায় পৌঁছতে চাই। পেশাগত জীবনে কোথায় পৌঁছতে চাই সে অনুযায়ী ছাত্রজীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। আমার পারিবারিক জীবন, সামাজিক জীবন কেমন চাই তাও নির্ধারণ করতে হবে। এই লক্ষ্য নির্ধারণই ঠিক করে দেবে জীবনে চলার পথে আপনাকে কী কী বিষয়ে দক্ষ হতে হবে। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফলতা অর্জনের জন্য প্রয়োজন লক্ষ্য নির্ধারণ করা। লক্ষ্য নির্ধারিত থাকলে কাজে বেশি মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হয়।

দায়িত্বশীলদের দৈ নি কা

প্রয়োজনীয়তা অনুভব করুন যে বিষয়টি শিখতে চাচ্ছেন সেটি আপনার জন্য কতটুকু প্রয়োজনীয় তা ভাবুন। এটি কি নেহাত শখের বশে শিখছেন নাকি এই দক্ষতা অর্জন করলে আপনার লক্ষ্য অর্জনে তা কাজে লাগবে তা সময় নিয়ে ভাবুন। নাকি নেহাত ট্রেন্ডে গা ভাসিয়ে দিচ্ছেন? যদি আপনি চলমান ট্রেন্ড অনুসরণ করতে এটি শিখতে চান তাহলে নতুন শিখতে চাওয়ার বিষয়ে আপনার আগ্রহ স্থায়ী না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। যতদিন ট্রেন্ড থাকবে ততদিন আগ্রহ থাকবে। আর এটি শিখেও আপনি খুব বেশি লাভবান হতে পারবেন না। উপরন্তু ভেতর থেকে আগ্রহবোধ না করায় আপনার সেই বিষয়টি শিখতেও সময় লাগবে বেশি, শ্রম দিতে হবে বেশি। তাই কোনো বিষয় শিখতে চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই সে বিষয়টি আপনার কতটুকু প্রয়োজন তা পরিষ্কার হয়ে নিন। যখন বিষয়টির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করবেন তখন শেখার আগ্রহ বাড়বে, শেখা সহজ হবে।

সফলদের পরামর্শ গ্রহণ করুন
আপনি যে বিষয় শিখতে চাচ্ছেন সে বিষয়ে যারা সফলতা লাভ করেছেন তাদের পরামর্শ গ্রহণ করুন। আপনি কোথায় অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন তা তাদের সঙ্গে আলোচনা করুন। তারা তাদের অভিজ্ঞতার আলোকে আপনাকে সুপরামর্শ দিতে পারবেন। আপনি যে পথ পাড়ি দিতে শুরু করেছেন তারা

যেহেতু সেই পথ আগেই চলেছেন তাই কীভাবে চলতে হবে সে সম্পর্কে তারা আপনাকে সঠিক পরামর্শ দিতে পারবেন। ঠকে শেখার থেকে দেখে শেখা অর্থাৎ অন্যের কাছ থেকে দেখে, জেনে, শুনে শেখা সবসময়ই নিরাপদ। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন। তাদের অভিজ্ঞতা, সমস্যা সমাধানের কৌশল ইত্যাদি পথ চলতে আপনাকে সাহায্য করবে।

তত্ত্বীয় জ্ঞান ঝালাই করুন
কোনো বিষয়ে শিখতে হলে সে সম্পর্কে পড়া খুব গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস। তবে পড়ার পাশাপাশি পাঠ থেকে লাভ করা জ্ঞান বাস্তবে প্রয়োগ করাও গুরুত্বপূর্ণ। তবেই কোনো জিনিস পুরোপুরি আয়ত্ত হয়। এটি সবসময়ের ক্ষেত্রেই সত্য। শিক্ষাজীবন শেষ হলেও শেখার কোনো শেষ নেই। পেশাজীবনেও তত্ত্বীয় জ্ঞান আপনার বিশ্বস্ত বন্ধুর ন্যায় কাজ করবে।

সোর্স দেশ রুপান্তর

মানুষের চরিত্র মহামূল্যবান বিষয়!!  । ,  #বিডিপ্রতিভা২৪,    #বিডিপ্রতিভা২৪  ,
04/10/2024

মানুষের চরিত্র মহামূল্যবান বিষয়!!

। , #বিডিপ্রতিভা২৪, #বিডিপ্রতিভা২৪ ,

 #একটা কাক  #ভালোবেসেছিল এক ময়ূরকে। সে প্রায়ই ময়ূরের পিছে পিছে ঘুরে বেড়াত। ময়ূর এটা বুঝতে পারলেও না বোঝার ভান করে কাককে ...
29/09/2024

#একটা কাক #ভালোবেসেছিল এক ময়ূরকে। সে প্রায়ই ময়ূরের পিছে পিছে ঘুরে বেড়াত। ময়ূর এটা বুঝতে পারলেও না বোঝার ভান করে কাককে এড়িয়ে চলতো। এভাবে দীর্ঘদিন কেটে যায়।
একদিন ময়ূর তার বাসার সামনে একটা হলুদ খাম দেখতে পেল। সেই খামের ভিতরে একটা ছোট্ট কালো রঙের ফুল। ময়ূর বুঝতে পারল কাকই খামের ভিতরে ফুল পাঠিয়েছে।
কয়েকদিন পর কাকের সাথে ময়ূরের দেখা হলো। ময়ূর বলল, "তোমার শরীর যেমন কালো রঙের, তেমনি তোমার রুচিও কালো। তাই তো এত ভালো ভালো রঙের ফুল থাকতে #কালো ফুল পাঠিয়েছো!"
কাক ময়ূরের কথা শুনে দু:খ পেয়ে চলে গেল।
বেশ কিছুদিন ময়ূর আর কাকের দেখা পেল না। এভাবে সপ্তাহ গেল, মাস গেল, বছর পেরিয়ে গেল। কাকের সন্ধান আর ময়ূর পেল না। অবশ্য ময়ূর কাকের খোঁজ নেওয়ার চেষ্টাও কখনো করে নি।
কয়েক বছর পর হঠাৎ করে কাকের সাথে ময়ূরের দেখা হয়ে গেল। ময়ূর কাককে দেখে বলল, "আমার রূপ দেখে সবাই আমাকে ভালোবাসতে চায়। তুমিও তো ভালোবাসতে চেয়েছিলে। তবে আমাকে জয় করার চেষ্টা আর করলে না কেন?"
কাক জবাব দিল, "তোমার সাথে জীবনে একদিনই আমার কথা হয়েছিল। তুমি যতদিন আমার সাথে কথা বলো নি; ততদিন মনে হয়েছিল, সুন্দর রূপের আড়ালে একটা সুন্দর মনও লুকিয়ে আছে। কিন্তু যখন দেখলাম, ফুলের মতো জিনিসকেও তুমি রঙ দেখে বিচার করো; তখনই বুঝেছিলাম মরীচিকার পিছে ছুটে চলেছি। তাইতো নিজেকে সরিয়ে নিলাম।"
ময়ূর বলল, "এখন যদি তোমাকে পেতে চাই, তবে কি তুমি আমাকে ভালোবাসবে?"
কাক বলল, "চোখের নেশা কেটে গেছে। চোখের নেশা কেটে গেলে ময়ূরের সৌন্দর্যও আর চোখে ধরা পড়ে না। তখন ময়ূরকেও কাকের মতো লাবণ্যহীন মনে হয়। জীবনের আসল বাস্তবতা তখন চোখের সামনে দীপ্তিমান হয়ে ফুটে ওঠে। এই বাস্তবতা-ই সঠিক পথের দিশা দেয়। বাস্তবতাকে ভুলে আবেগে আবার গা ভাসালে দিশাহীন নাবিকের মতো অথই সাগরে ঘুরপাক খাব।"
কাক ও ময়ূর বিপরীত দিকে হাঁটা শুরু করল। ধীরে ধীরে দু'জনার দূরত্ব বাড়তে লাগল। এ দূরত্ব যত বাড়বে "জীবন" নামক সমুদ্র থেকে তারা তত বেশি মুক্তা সংগ্রহ করতে পারবে।

, #বিডিপ্রতিভা২৪,

এটা একটা অদ্ভুত ক্যালেন্ডার। জন্ম সালটা দেখলেই নিজের বয়স পাশে দেখা যাবে।   #বিডিপ্রতিভা২৪
23/03/2024

এটা একটা অদ্ভুত ক্যালেন্ডার। জন্ম সালটা দেখলেই নিজের বয়স পাশে দেখা যাবে।
#বিডিপ্রতিভা২৪

♥চ্যালেন্জ করলাম ডায়বেটিস নিরাময়ের কোন ওষধ নেই! দেহেই ডায়বেটিস নিরাময় হয়!🔴ডায়বেটিস কোন রোগ নয় এটি দেহের চলমান খাদ্যত্রুট...
19/01/2024

♥চ্যালেন্জ করলাম ডায়বেটিস নিরাময়ের কোন ওষধ নেই! দেহেই ডায়বেটিস নিরাময় হয়!

🔴ডায়বেটিস কোন রোগ নয় এটি দেহের চলমান খাদ্যত্রুটি। দীর্ঘদিনের চলমান খাদ্যত্রুটির কারনে দেহে নানা রোগ হয়। আর এ নিয়ে চলছে রমরমা ব্যবসা। শুধু ডাক্তারী ড্রাগ বিজনেস ২০ বিলিয়ন ডলারের। অন্যান্য চিকিৎসায় যে যে ভাবে খুশি ডায়বেটিস নিয়ে ব্যবসা করে যাচ্ছে। সমাধানতো হচ্ছেই না বরং দিনে দিনে ডায়বেটিস রোগী বাড়ছে। ড্রাগ ব্যবসায়ীরা ইতিমধ্যে ২০৩০ সালের ডায়বেটিস ড্রাগ বিজনেস লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করেছে ৩৬ বিলিয়ন ডলার।

⚫অথচ মাত্র ৩ টি বিষয় নিয়মিত পালন করলে ডায়বেটিস শতভাগ নির্মূল ও নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়।
১🟢পরিমিত সঠিক খাবার
২🟢প্রয়োজনীয় পুষ্টি
৩🟢 ব্যায়াম

🟠কেন পরিমিত খাবার খাবেন?
➡️দেহের প্রধান খাবার ৩টি।
১) কার্বহাইড্রট ২) প্রোটিন ৩) চর্বি।
সব প্রকৃতির খাবারে এ ৩টি বিভিন্ন অনুপাতে থাকে। সবচেয়ে বেশী উদ্ভিজজাত খাবারে। কম থাকে মাছমাংস ডিম ও চর্বি ও তৈলযুক্ত খাবারে। উদ্ভিজজাত খাবারের ২ ঘন্টার মধ্যে গ্লুকোজ রক্তে মিশে। মাছ মাংস ও চর্বি থেকে খাবারের ৪ ঘন্টা পরে গ্লুকোজ রক্তে মিশে। একজন সাধারন পরিশ্রমী দেহে ২৪ ঘন্টায় ১৮০ গ্রাম গ্লুকোজ প্রয়োজন যা ৩০০ গ্রাম কার্ব থেকেই আসে। ➡️ইন্সুলিন ছাড়া দেহরক্তের গ্লুকোজ ব্যবহার হতে পারেনা। দেহরক্তে যতবেশী গ্লুকোজ মিশবে ততবেশী ইন্সুলিন প্রয়োজন হবে। একটা সময়ে ইন্স্যুলিন ভান্ডার নিঃশেষ হয়ে যায়। তখন বাইরের ইন্স্যুলিন (ড্রাগ) নির্ভরশীল হয়ে বাঁচতে হয়। অব্যবহৃত অতিরিক্ত গ্লুকোজ চর্বিতে পরিনত হয়ে পেটে এবং হিপে জমা হয়। মনে রাখবেন দেহরক্তে গ্লুকোজ মিশার ৫ ঘন্টা পর ইন্স্যুলিন এর সাহায্যে চর্বিতে রূপান্তর শুরু হয়।

🔴কেন সরাসরি পুষ্টি খাবেন?
➡️কারন খাবার থেকে প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টির পরিমানমত সরবরাহ সম্ভব হয়না। তাই খাবারের পরিপূরক হিসাবে যথাযত কতৃপক্ষ অনুমোদিত নির্দিষ্ট কিছু ফুড সাপ্লিমেন্ট খাওয়া উচিত।

🔴কেন নিয়মিত ব্যায়াম করবেন?
➡️প্রতিদিনের প্রধান খাবারের আধা ঘন্টা পর আধা ঘন্টা ব্যায়াম করা উচিত। কারন গ্লুকোজ শুধুমাত্র দেহ কোষে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। দেহ কোষে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে কার্বনডাইঅক্সাইড, পানি ও রাসায়নিক শক্তিতে পরিনত হয়ে বিলীন হয়ে যায়। মনে রাখবেন গ্লুকোজ ধ্বংসের অন্য কোন পদ্ধতি নেই। গ্লুকোজ ধ্বংসের একমাত্র পথ মানবদেহ কোষ। উচ্চতাপেও গ্লুকোজ ধ্বংস হয়না। অথচ বিভিন্ন চিকিৎসায় বিভিন্ন ডাক্তারী ড্রাগ ও হার্বাল ওষধ তৈরি করে ডায়বেটিস নির্মূলের দাবি করা হয় যা সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক। এতে ধীরে ধীরে দেহে নানা জটিল রোগ বাসা বাঁধে।

🟢অক্সিজেনের উপস্থিতিতে দেহকোষে গ্লুকোজ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে কার্বনডাইঅক্সাইড, পানি ও রাসায়নিক শক্তিতে (এটিপি) রূপান্তর হয়ে বিলীন হয়ে যায়। উদ্ভিজজাত খাবারের(খাবার ভেদে) ১৫/২০ মিনিট থেকে ২ ঘন্টায় রক্তে গ্লুকোজ আসে। দুপুর ও রাতের খাবারের আধাঘন্টা পর আধা ঘন্টার হালকা এরোবিক ব্যয়াম রক্তের কিছু গ্লুকোজ নিঃশেষ করে দেয়। মনে রাখবেন রক্তে গ্লুকোজ আসার ৫ ঘন্টা পর থেকে অব্যবহৃত গ্লুকোজ চর্বিতে পরিনত হতে শুরু করে।
পরামর্শ পেতে:
Dr. Shebendra Karmakar
01712393053
https://bdprotiva24.blogspot.com

.com

#বিডিপ্রতিভা২৪

02/05/2023

কবিতা

মৌমাছি, মৌমাছি
কোথা যাও নাচি নাচি
দাঁড়াও না একবার ভাই।

ওই ফুল ফোটে বনে
যাই মধু আহরণে
দাঁড়াবার সময় তো নাই।

ছোট পাখি, ছোট পাখি
কিচিমিচি ডাকি ডাকি
কোথা যাও বলে যাও শুনি।

এখন না কব কথা
আনিয়াছি তৃণলতা
আপনার বাসা আগে বুনি।

পিপীলিকা, পিপীলিকা
দলবল ছাড়ি একা
কোথা যাও, যাও ভাই বলি।

শীতের সঞ্চয় চাই
খাদ্য খুঁজিতেছি তাই
ছয় পায়ে পিলপিল চলি।

কাজের লোক
✍️- নবকৃষ্ণ ভট্রাচার্য।🎈

নবকৃষ্ণ ভট্টাচার্য জন্মগ্রহণ করেন হাওড়া জেলার নারিটে ২৯শে এপ্রিল ১৮৬০ সালে। পিতা রাজনারায়ণ তর্কবাচস্পতি ছিলেন বিশিষ্ট সংস্কৃত পন্ডিত। তিনি কলকাতার সংস্কৃত স্কুল থেকে এন্ট্রান্স পাশ করেন। তাঁর প্রথম লেখাটি প্রকাশিত হয় “ভারতী” পত্রিকায় ১৮৭৯ সালে। তিনি “সাথী ” নামের একটি শিশুপত্রিকা সম্পাদনা করতেন (১৮৯৩- ১৮৯৯)।
তাঁর রচনার মধ্যে রয়েছে “শিশুরঞ্জন রামায়ণ” (১৮৯১), “ছেলেখেলা” (১৮৯৮), “টুকটুকে রামায়ণ” (১৯১০), “পুষ্পাঞ্জলী” (১৯৩৪), “ছবির ছড়া” (১৯৩৬) প্রভৃতি।
তাঁর কবিতা “গোকুলে মধু ফুরায়ে গেল আঁধার আজি কুঞ্জবন” ও ” কাজের লোক ” আজও জনপ্রিয়।
৪ঠা সেপ্টেম্বর ১৯৪১ সালে তাঁর জীবনাবসান হয়।
আজ তার জন্মবার্ষিকী। আজকের এইদিনে তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।

(গুগল সহায়তায় সম্পাদিত)

"ক" ব্যবহার করে এতো দীর্ঘ লেখা আমি প্রথম পড়লাম। লেখক বা লেখিকার নাম উল্লেখ ছাড়াই লেখাটা পেলাম। অসাধারণ দক্ষতা।  🙏🏻পুরোটা...
30/04/2023

"ক" ব্যবহার করে এতো দীর্ঘ লেখা আমি প্রথম পড়লাম। লেখক বা লেখিকার নাম উল্লেখ ছাড়াই লেখাটা পেলাম। অসাধারণ দক্ষতা। 🙏🏻

পুরোটা পড়ে দেখুন খুব ভালো লাগবে আপনাদের।

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী কলেজের কনিষ্ঠ কেরাণী কার্তিক কুমার কর্মকারের কোকিল কন্ঠী কন্যা কপিলা কর্মকার কাশিতে কাশিতে করুণ কন্ঠে কমল কাকাকে কহিল, "কাকা, কড়ি কাঠের কেদারা কিংবা কারখানার কাপড় কেনাকাটায় কৃষাণীরা কিছুটা কৃচ্ছতা করিলেও কলকাতার কিশোরী কন্যাদের কাছে কুষ্টিয়ার কুচকুচে কালো কাতান কাপড়ের কদর কল্পনাতীত।
কীর্তিমান কতিপয় কলাকুশলী কিংবা কিশোর কবিরাও কালি-কলমের কল্যাণে- কদরের কিছু কার্যকর কথা কৌশলে, কখনো কবিতার কিতাবে, কখনো 'কালের কন্ঠ' কাগজের কলামে কহিয়াছেন।
কিন্তু কাকা, কষ্মীনকালে কেউ কী কখনো কহিয়াছেন? কী কারণে, কিসের কারসাজিতে, কেমন করিয়া কোথাকার কোন কাশ্মিরী কম্বল কিংবা কর্ণাটকের কমলা কাতানের কাছে কালক্রমে কুলীন কূলের কায়িক কৃষাণীদের কাঙ্খিত কালজয়ী কারুকার্যময় কাতান কাপড়ের কদর কমিল"?

কাজে-কর্মে কুশীলব কিন্তু কেবলই কৌতুহলী কপিলা কর্মকারের কঠিন কথায় কিঞ্চিত কর্ণপাত করিয়া ক্লান্ত কাকা কুষ্টিয়ার কিংবদন্তি কালো কাতানের ক্রমেই কদর কমার কয়েকটি কারণ কোমল কন্ঠে কপিলার কানে কানে কহিলেন।

কৃষ্ণকায় কাকাকে কাপড়ের কষ্টের কিচ্ছা কাহিনী কহিয়া কপিলা কর্দমাক্ত কলস কাঙ্খে করিয়া কালোকেশী কাকিকে কহিল, _"কাবেরী কোলের কেয়া-কুঞ্জে কোয়েলের কলকাকলি কিংবা কেতকী কদম কুসুম কাননে কোকিলের কন্ঠে কুহু কুহু কুজনের কতই কারিশমা! কিন্তু কাকী, কদর্য কাক কী কারণে কর্কশ কন্ঠে কানের কাছে কেবল কা-কা করে"?_

কাঁচের কংকন করিয়া কিংকর্তব্যবিমূঢ় কাকী কিলানো কাঁঠালের কদলি কচলাইতে কচলাইতে কহিলেন, _"কুৎসিত কেতাদুরস্ত কাকের কাজই কা-কা কলরবে কোলাহল করিয়া কেরামতির কৃতিত্ব কুড়ানো"।_

সংগৃহীত

Address

Sylhet
3100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bdprotiva24 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Bdprotiva24:

Share