05/06/2026
দশম হিজরির ১৮জিলহজ্জ এবং ২৫ বছর পর পয়ত্রিশ হিজরির ১৮ জিলহজ্জ:
যেদিন নবী ﷺ বিদায় হজ থেকে ফেরার পথে মক্কা ও মদিনার মধ্যবর্তী “গাদীরে খুম” নামক স্থানে সাহাবায়ে কেরামের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন।
তিনি বলেনঃ
«مَنْ كُنْتُ مَوْلَاهُ فَعَلِيٌّ مَوْلَاهُ»
“আমি যার অভিভাবক ও প্রিয়জন, আলীও তার অভিভাবক ও প্রিয়জন।”
এ ঘটনা সংঘটিত হয় ১০ হিজরির ১৮ জিলহজে।
আহলে সুন্নাতের নিকট এ হাদিস দ্বারা হযরত আলী رضي الله عنه-এর মর্যাদা, ভালোবাসা ও সহায়তার বিষয়টি উদ্দেশ্য।
আর শিয়াদের নিকট হযরত মাওলা আলী শেরে খোদা رضي الله عنه এঁর ইমামত উদ্দ্যেশ্য।
এ দিনেই ইসলামের তৃতীয় খলিফা হযরত উসমান ইবনে আফফান رضي الله عنه শাহাদাত বরণ করেন।
তিনি অবরুদ্ধ অবস্থায় নিজ ঘরে কুরআন তিলাওয়াতরত ছিলেন। তখন বিদ্রোহীরা তাঁকে শহীদ করে।
তাঁর ফজিলত সম্পর্কে নবী ﷺ বলেছেনঃ
«ألا أستحي من رجل تستحي منه الملائكة»
“আমি কি এমন ব্যক্তির ব্যাপারে লজ্জাবোধ করব না, যাকে ফেরেশতারাও লজ্জা করে?”
তিনি ৩৫ হিজরির ১৮ জিলহজে শাহাদাত বরণ করেন বলে প্রসিদ্ধ।
তাঁকে জান্নাতুল বাকি কবরস্থানে দাফন করা হয়।
হযরত উসমান رضي الله عنه-কে “ذو النورين” (দুই নূরের অধিকারী) বলা হয়; কারণ তিনি নবী ﷺ-এর দুই কন্যা—হযরত রুকাইয়া ও হযরত উম্মে কুলসুম رضي الله عنهما-এর সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন।
~ শায়েখ সাইফুল ইসলাম আল আযহারী।