MITHU SR MITHU

MITHU SR MITHU সাহসীরাই বিজয়ী
I HAVE A DREAM
(6)

১৩ বছরের অপ্রতীম কি জানত মাকে না জানিয়ে সখের আইফোন নিয়ে বাড়ির বাহিরে গেলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের মত নিরাপদ জায়গাটা...
19/09/2026

১৩ বছরের অপ্রতীম কি জানত মাকে না জানিয়ে সখের আইফোন নিয়ে বাড়ির বাহিরে গেলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের মত নিরাপদ জায়গাটা তার জন্য নরক হয়ে যাবে।?

রাষ্ট্রের একটা অপরিহার্য বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে সব কাজ এক পাশে রেখে, সন্ত্রাস, অপহরণকারী চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী ধর্ষক,এদের মুল সিন্ডিকেটে হাত দিয়ে সমূল উৎপাটন করার জন্য সম্মিলিত অভিযান পরিচালনা করা।

রাস্তায় পথচারীর মৃত্যু, ছিনতাইকারীর টানে ছুরিকাঘাতে সাধারন মানুষের মৃত্যু, আর কত তুলে নিয়ে ধর্ষণ পরবর্তী মুৃত্য?আরকত গলা কেটে হত্যা?আর কত গৃহ কর্তা কর্তৃক বর্বরোচিত অত্যাচার? আর কত গুম খুন?

আইনের দুর্বলতা কোথায়? জননিরাপত্তায় আইন প্রয়োগের ব্যর্থতার নেপথ্যে কি বাধা? জড়িত কারা? সন্ত্রাস বিরোধী আইন কতটা কার্যকর ভুমিকা রাখছে? জনকল্যানে আইন কাজ না করলে এই আইনের সার্বজনীন গ্রহনযোগ্যতা কী।

আর কত জীবনের বিনিময়ে, আর কত মায়ের বুক খালি হলে আর কত সন্তান বাবার বুক খালি হলে আর কত সন্তান বাবা মা হারা হলে আইনের বাস্তবিক প্রয়োগ আইনের সুফল ভোগ করবে জনগন?

জানি প্রশ্নগুলো আপেক্ষিক!
কোন উত্তর নেই।

17/09/2026

"মানুষ না বাঁচলে জরায়ু দিয়ে কি করুম স্যার?"—কাঁদতে কাঁদতে এমনটাই বলছিলেন রোগীর স্বামী।

মহিলা ২৭ সপ্তাহের গর্ভবতী। কিন্তু হঠাৎ মাসিকের রাস্তা দিয়ে রক্তপাত হচ্ছিলো।

প্রথমে একটা প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলো। কিন্তু অবস্থা খারাপ দেখে রোগীকে মুগদা মেডিকেল কলেজে রেফার করা হয়।

তখন বাজে প্রায় দুপুর ২:৩০। সিনিয়র ম্যাডামরা বের হয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

রোগী আসার সাথে সাথেই আমাদের গাইনীর ট্রেইনী আপুরা দেখে রোগীর অবস্থা খারাপ। Central placenta previa. অর্থাৎ গর্ভফুল একেবারে জরায়ুর মুখে অবস্থিত। বাচ্চা নরমাল ডেলিভারি হওয়ার রাস্তা বন্ধ হয়ে আছে গর্ভফুল দিয়ে।

সাথে সাথেই সিনিয়র ম্যাডামদের জানানো হয়। সিজারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। ইমিডিয়েটলি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়। সিনিয়র ৪ জন ম্যাডাম বাড়ি যাওয়া বাদ দিয়ে অপারেশন রুমে চলে গেলেন।

এই ধরনের অপারেশনের জটিলতা অনেক। একদিকে বাচ্চা মাত্র ২৭+ সপ্তাহ। এতো ছোট বাচ্চাকে বাঁচানো টাফ, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বাঁচানো যায় ই না। তার উপর গর্ভফুল এসে জরায়ুর মুখে ঢেকে ফেলেছে। সুতরাং গর্ভফুল ছাড়ানোর সময় অনেক বেশি পরিমাণ রক্তপাত হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে রোগী মারাও যেতে পারে‌।

সবকিছু রোগীর স্বামীকে বুঝিয়ে বলা হলো, পারমিশন নেওয়া হলো। আমরা আগে থেকেই ICU কল লিখে রাখলাম, ৬-৭ ব্যাগ রক্ত রেডি করে রাখতে বললাম।

অবস্থা খারাপ দেখে আমি ২ বার ICU তে গেছি খোঁজ নিতে যে বেড খালি আছে কিনা। ৬ তলার ICU তে খালি নাই, ৩ তালার ICU তে খালি নাই, ইমারজেন্সির OESC ICU তেও খালি নাই। সব জায়গায় খোঁজ নিয়েছি নিজে সরাসরি গিয়ে।

রোগীর লোকজন ব্লাড ব্যাংকে গিয়ে কিভাবে কি করবে বুঝতেছে না। পরে ম্যাডাম আমাকে বললো তুমি ৩ তালায় ব্লাড ব্যাংকে গিয়ে কথা বলে আসো দ্রুত যেন রক্তের ব্যবস্থা করে দেয়, গেলাম ব্লাড ব্যাংকে। ব্লাড ব্যাংকের স্টাফ দের সবকিছু বলে আসলাম যে ইমারজেন্সি ব্লাড যেনো টেনে দেওয়া হয়। তারাও সর্বোচ্চ চেষ্টা করতেছে দ্রুত রক্ত টেনে দেয়ার জন্য।

এরপর আমি উপরে আসলাম। ম্যাডামরা প্লাজমাসল দিয়ে অপারেশন শুরু করলেন আল্লাহ্‌'র নাম নিয়ে। ৪ জন সিনিয়র ম্যাডাম, ২ জন রেজিস্ট্রার ম্যাডাম—টোটাল ৬ জন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাথে একজন অভিজ্ঞ এ্যানেসথেসিয়া বা অজ্ঞানের ডাক্তার।

আর বাইরে রোগীর লোকের সাথে যোগাযোগ, রক্ত ম্যানেজ, ICU এসব ম্যানেজের জন্য অপারেশন রুমের বাইরে আমরা ২ জন ডাক্তার।

দৌড়াদৌড়ি করতে করতে শেষ। তার উপর দুপুরে খাওয়ার সময়ও হয়নি, তখন বাজে বিকাল ৪ টা, সকালে ১ টা সিঙ্গারা খেয়েছিলাম কেবলমাত্র।

রোগীর স্বামীকে কল দিয়ে বারবার খোজ নিচ্ছি রক্ত জোগাড় হইছে কিনা।

এরপর হঠাৎ নার্স কোলে করে কাপড় প্যাঁচানো বাচ্চা কে নিয়ে বের হলো। দেখতে সুন্দর, তাকাচ্ছে কতো সুন্দর। কান্না ও করছে, শ্বাস নিচ্ছে। কিন্তু বাচ্চার ওজন অনেক কম। সাধারণত ২৮ সপ্তাহের আগে বাচ্চা শ্বাস নিতে না পারার কারণে মারা যায়। কিন্তু আল্লাহর অশেষ রহমতে এই বাচ্চার বয়স প্রায়ই ২৮ সপ্তাহ এবং শ্বাস ও নিচ্ছে।

নানীকে বাচ্চা দিয়ে শিশু বিভাগে পাঠায়ে দেওয়া হলো। জানি না আল্লাহ্‌ বাচ্চাটার কপালে কি লিখছে। আমরা যে পরিমাণ কষ্ট করেছি, দোয়া করেছি, সেই কষ্টের ওসিলায় আল্লাহ্‌ বাচ্চাটাকে বাঁচিয়ে দিও।

এরপর আবার অপারেশন রুমের কাছে ফিরে এলাম, মায়ের রক্তক্ষরণ বেশি হচ্ছে। ম্যাডামরা রোগীর জীবন বাচাতে শেষ পর্যন্ত জরায়ু কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নিলেন।

এতোক্ষণ স্বামী ব্লাড ম্যানেজ করতে ব্যস্ত ছিলো। কল করলাম। স্বামী ব্লাড ব্যাংক থেকে অপারেশন রুমের সামনে আসলো। বললাম "ভাই, আপনার বাচ্চা কে শিশু বিভাগে পাঠিয়েছি। কিন্তু আপনার স্ত্রীর রক্তপাত হচ্ছে। স্ত্রীর জীবন বাচাতে জরায়ু কেটে ফেলতে হচ্ছে।"
"স্যার, মানুষ না বাঁচলে জরায়ু দিয়ে কি করবো স্যার?"
কাঁদতে কাঁদতে স্বামী এটাই উত্তর দিলো আমাকে। কথাটা শুনে নিজেও শান্ত থাকতে পারলাম না। উনাকে স্বান্তনা দিয়ে চলে আসলাম আবার অপারেশন রুমে।

বিকাল ৫ ট বেজে গেছে। ৩ ব্যাগ রক্ত অলরেডি রোগীকে দেওয়া হয়ে গেছে অপারেশন টেবিলে।

অনেক কষ্টের পর ম্যামরা জরায়ু কেটে ফেলতে এবং রক্তপাত বন্ধ করতে সক্ষম হয়। কিন্তু প্রেশার বারবার কমে যাচ্ছিল এ্যানেসথেশিয়ার স্যারও আপ্রাণ চেষ্টা করেন। সবশেষে অপারেশন শেষ হয়।

রোগীকে পোস্ট-অপারেটিভ রুমে শিফট করা হয়। রোগীকে ফলোআপ দিয়ে আসলাম রাত ৮ টায়। আলহামদুলিল্লাহ্‌ ভালো আছে রোগী এখন। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণ থেকে আল্লাহ্‌ উনাকে ফিরিয়ে দিয়েছেন। আল্লাহ্‌ হয়তো চাননি বাচ্চা টা মা হারা হয়ে যাক, স্বামী টা স্ত্রী হারা হয়ে যাক।

পরে বাচ্চার খোজ নিলাম। বাচ্চা ও ভালো আছে। এটা আসলে আমাদের কাছেও অবিশ্বাস্য লাগছে। ২৭+ সপ্তাহের বাচ্চা বাঁচে কম। তবে আল্লাহর ইচ্ছায় মিরাকেল ঘটেছে হয়তো। সবই আল্লাহর ইচ্ছা।

আমরা আমাদের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি এবং করে থাকি। অপারেশন শেষ করে সেই ম্যাডামরা ৬ টার দিকে বাড়িতে গেছেন। অথচ তাদের ডিউটি টাইম ছিলো ২:৩০ পর্যন্ত। সকালে ১০ মিনিট লেটে আসলে মিডিয়ায় চলে যায়, অথচ ডিউটি টাইমের বাইরে ৪/৫ ঘন্টা ডিউটি করে, এটা মিডিয়ায় যাবে না।

অনেকে বলে সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসা ভালো হয় না। অথচ আমি দেখেছি আমাদের মেডিকেলে আমরা কতো ভালো ভাবে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করি।

ICU এর জন্য আমরা নিজেরা ডাক্তাররা দৌড়াচ্ছি,ব্লাড ম্যানেজ করতে ব্লাড ব্যাংকে দৌড়াচ্ছি। আর্জেন্ট রোগী হলে নিজে সাথে গিয়ে দাঁড়িয়ে থেকে আল্ট্রা করায়ে আনতেছি। এরপরও ফেসবুকে লোকজন বলে আমরা কসাই।😀

~ডাঃ মেহেদী হাসান সাগর

14/09/2026

The Battery in my phone runs out very quickly

06/09/2026
সবার জীবনেই কোনো না কোনো সমস্যা আছে। কারও দায়িত্ব ঘর চালানো, কারও স্বপ্নের ঘর তৈরি করা। কেউ একটু ভালো থাকার জন্য প্রতিদি...
03/09/2026

সবার জীবনেই কোনো না কোনো সমস্যা আছে। কারও দায়িত্ব ঘর চালানো, কারও স্বপ্নের ঘর তৈরি করা। কেউ একটু ভালো থাকার জন্য প্রতিদিন লড়াই করে, আবার কেউ নিজের কষ্ট লুকিয়েও হাসিমুখে বাঁচতে শেখে।

কারও হাতে সময় থাকে না, আবার কারও জীবনে সময় কাটানোর মতো আপন মানুষ থাকে না। বাইরে থেকে সবার জীবনকে সহজ মনে হলেও, ভেতরে ভেতরে প্রত্যেকেই নিজের মতো করে একটা যুদ্ধ করে যাচ্ছে।

সত্যি হলো, জীবন কাউকেই ছাড় দেয় না-সবার কাছেই তার নিজস্ব পরীক্ষা আছে। পার্থক্য শুধু এতটুকুই, কেউ সেই পরীক্ষায় ভেঙে পড়ে, আর কেউ কষ্টকে শক্তিতে পরিণত করে নিজেকে আরও শক্ত করে গড়ে তোলে.

“আপনার জীবনের সবচেয়ে কঠিন দিনটিও আপনাকে এমন কিছু শেখাতে পারে, যা কোনো বই শেখাতে পারে না।”জীবনের কঠিন সময়গুলো কখনও আমাদ...
01/09/2026

“আপনার জীবনের সবচেয়ে কঠিন দিনটিও আপনাকে এমন কিছু শেখাতে পারে, যা কোনো বই শেখাতে পারে না।”

জীবনের কঠিন সময়গুলো কখনও আমাদের পছন্দের হয় না, কিন্তু বাস্তবতা হলো—এই কঠিন সময়গুলিই অনেক সময় আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষক হয়ে ওঠে।

ভালো সময়ে আমাদের পাশে অনেক মানুষ থাকে, আমরা নিজের ক্ষমতা নিয়ে আত্মবিশ্বাসী থাকি এবং জীবনকে সহজ মনে হয়।

কিন্তু যখন হঠাৎ কোনো ব্যর্থতা আসে, প্রিয় মানুষের কাছ থেকে কষ্ট পাই, অর্থনৈতিক সমস্যা দেখা দেয়, দীর্ঘদিনের কোনো স্বপ্ন ভেঙে যায়, কিংবা অনেক চেষ্টা করেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাই না—তখন আমরা নিজের ভিতরের এমন কিছু শক্তির সঙ্গে পরিচিত হই, যার অস্তিত্ব সম্পর্কে আগে হয়তো জানতামই না।

একটি বই আমাদের বলতে পারে কীভাবে ধৈর্য ধরতে হয়, কিন্তু বাস্তব জীবনের অপেক্ষা আমাদের ধৈর্যের প্রকৃত অর্থ শেখায়।

একটি বই আমাদের সাহসের সংজ্ঞা দিতে পারে, কিন্তু ভয় এবং অনিশ্চয়তার মধ্যেও যখন আমরা পরের দিন সকালে উঠে আবার চেষ্টা করি, তখনই আমরা সত্যিকারের সাহস কী তা বুঝতে পারি।

ব্যর্থতা আমাদের শেখায় যে সব পরিকল্পনা অনুযায়ী জীবন চলে না; প্রত্যাখ্যান শেখায় যে অন্যের স্বীকৃতি ছাড়াও নিজের মূল্য ধরে রাখতে হয়; একাকীত্ব শেখায় নিজের সঙ্গকে উপভোগ করতে; আর কঠিন পরিস্থিতি শেখায় কে সত্যিই আমাদের পাশে থাকে এবং কে শুধু ভালো সময়ের সঙ্গী।

অনেক সময় আমরা যে ঘটনাকে জীবনের সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্য মনে করি, কয়েক বছর পরে ফিরে তাকিয়ে দেখি—সেই ঘটনাটিই আমাদের আরও পরিণত, শক্তিশালী এবং বাস্তববাদী মানুষ হতে সাহায্য করেছে।

তাই জীবনে কঠিন সময় এলে নিজেকে ব্যর্থ বা দুর্বল মনে করবেন না।

মনে রাখবেন, ঝড় গাছকে শুধু নাড়িয়ে দেয় না, তার শিকড় কতটা গভীরে রয়েছে সেটাও প্রকাশ করে।

আজ যে কষ্ট আপনাকে কাঁদাচ্ছে, আগামী দিনে সেই অভিজ্ঞতাই হয়তো আপনাকে অন্য কাউকে সাহস দেওয়ার মতো একজন মানুষ করে তুলবে।

তাই অন্ধকার সময়ে তাড়াহুড়ো করে নিজের জীবন সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন না।

একটু সময় দিন, নিজেকে সামলান, ভুল থেকে শিক্ষা নিন এবং আবার ছোট একটি পদক্ষেপ দিয়ে শুরু করুন।

কারণ জীবনের কঠিন অধ্যায় মানেই গল্পের সমাপ্তি নয়—অনেক সময় সেটিই হয় আপনার জীবনের সবচেয়ে শক্তিশালী অধ্যায়ের শুরু।

বুড়ির লেখাতুমি আমার নাম না জানা কবিতুমিই আমার রোজ বিকেলের রবি। তুমিই তো সেই আধো বলার ভাষা। তুমিই আমার ফুরিয়ে যাওয়া আশা।ত...
01/09/2026

বুড়ির লেখা
তুমি আমার নাম না জানা কবি
তুমিই আমার রোজ বিকেলের রবি।
তুমিই তো সেই আধো বলার ভাষা।
তুমিই আমার ফুরিয়ে যাওয়া আশা।
তুমি তো সেই খুব পুরনো কাব্য।
তুমিই হলে অসময়ে নিরসময় কোনো গল্প।
তুমি আমার ছোট্ট শহর পথ,
তুমিই আমার নিত্য দিনের রথ।
তুমি তো সেই পুরনো দেওয়াল ঘড়ি
তুমিই আমার ভেঙে যাওয়া সখের চুড়ি।
তুমি যদি হও সুনীল গগন
আমি তার নিচে ছোট্ট বালি।
তুমি আছো তাই আমি আছি
তোমাকে আঁকড়েই যেন আমি
বাঁচি
লেখনীতে: DB

তুমিহীনা একা মন,  একা পথ ভালো লাগেনা।
28/08/2026

তুমিহীনা একা মন, একা পথ ভালো লাগেনা।

Song : Tumi Hina Singer : Mahtim Shaki...

No caption Only take action
22/08/2026

No caption
Only take action

Address

Ashulia
Savar
NO

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MITHU SR MITHU posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share