প্রচেষ্টা

প্রচেষ্টা "প্রচেষ্টা" সংগঠন একটি সমাজ উন্নয়নমূল?

02/11/2020

22/08/2020

এভাবেই পরিবার থেকে হারিয়ে যাচ্ছে হাজার শিশু।
দু'বেলা দুমুঠো খাবার এর জন্য ছুটছে মানুষের ধারে।টাকা উপার্জন শুধু নিজের জন্য নয়,নিজে সুখে থাকার জন্য নয়।তাদের মতো পরিবার হারা কিছু মানুষের জন্য করা উচিত। যাদের একটা হাসি আপনার জীবন কে করে দিবে রঙিন 😔❤।

ঈদ মোবারক ❤❤
31/07/2020

ঈদ মোবারক ❤❤

প্রথম ছবিতে, শিক্ষা সফরের গাড়ি থেকে বিরিয়ানি খেয়ে বিরিয়ানির প্যাকেট ও পানির বোতলগুলো বাসের জানালা দিয়ে মহাসড়কে ছুঁড়ে ...
23/07/2020

প্রথম ছবিতে, শিক্ষা সফরের গাড়ি থেকে বিরিয়ানি খেয়ে বিরিয়ানির প্যাকেট ও পানির বোতলগুলো বাসের জানালা দিয়ে মহাসড়কে ছুঁড়ে ফেলে রাখার চিত্র।

আর দ্বিতীয় ছবিতে ঢাকার চিরাচরিত জলাবদ্ধতার চিত্র। এভাবেই আমাদের কর্মগুণে আমরা ভোগান্তির শিকার হই।

আসলে সব দোষ এককভাবে শুধু সরকারকে দিয়ে লাভ নেই। আমরা নিজেরা কতটুকু সচেতন?

চিপসের প্যাকেট, ড্রিংকসের বোতল, ঝালমুড়ির ঠোঙ্গা, আবর্জনা ভর্তি প্লাস্টিকের পলিথিনগুলো প্রতিনিয়ত আমরা কোথায় ফেলছি?

আমাদের এই যত্রতত্র ছুঁড়ে ফেলা গারবেজ গুলোই জমাটবদ্ধ হয়ে, বন্ধ করে রাখে পয়ঃনিষ্কাশনের স্বাভাবিক গতি। তাই সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে আমাদের রাস্তাঘাট গুলো ডুবে যায়।

জলাবদ্ধতার ছবি তুলে বা ভিডিও করে ফেইসবুকে আপলোড দিয়ে সরকারকে গালাগাল দেয়া খুব সহজ। কিন্তু নিজেদের বদঅভ্যাসগুলো পরিবর্তন করা খুব কঠিন।

আর কবে সচেতন হব আমরা? এভাবে আর কতকাল...?

চলুননা একটু সচেতন হই...

"প্রচেষ্টার "  পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা।"ঈদ মোবারক"করোনার এই মহামারিতে সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে সামা...
24/05/2020

"প্রচেষ্টার " পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা।

"ঈদ মোবারক"

করোনার এই মহামারিতে সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে ঈদ উৎসব পালন করি।

আলহামদুলিল্লাহ্❤❤আল্লাহর পক্ষ থেকে  #প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই রিজিক মানুষের হাতে পৌঁছে দিতে পেরেছি।।❤❤ #প্রচেষ্টার সকল সদস্...
19/05/2020

আলহামদুলিল্লাহ্❤❤
আল্লাহর পক্ষ থেকে #প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই রিজিক মানুষের হাতে পৌঁছে দিতে পেরেছি।।❤❤
#প্রচেষ্টার সকল সদস্যবৃ্ন্দ এবং যারা সংঘঠনের সদস্য না হয়েও আমাদেরকে অর্থ দিয়ে সাহায্য ও সহযোগিতা করেছেন আপনাদের সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।।😍😍

Photo and Blog : BeingUzzal 🍁“শ্রম-বিণাঙ্ক-কঠিন যাদের নির্দয় মুঠি-তলেত্রস্তা ধরণী নজ্রানা দেয় ডালি ভরে ফুলে ফলে।”তোমাদের...
02/05/2020

Photo and Blog : BeingUzzal 🍁

“শ্রম-বিণাঙ্ক-কঠিন যাদের নির্দয় মুঠি-তলে
ত্রস্তা ধরণী নজ্রানা দেয় ডালি ভরে ফুলে ফলে।”

তোমাদের ঘামে ভেজা কঠোর পরিশ্রমে গড়ে নগরী থেকে বিশ্ব সভ্যতা, মানুষের উন্নতির চাবিকাঠি হলো শ্রম। যে জাতি যত বেশি পরিশ্রমী, সে জাতি তত বেশি উন্নত। সব ধরনের শ্রমিককেই মর্যাদা দিতে হবে। উন্নত দেশগুলোতে যেভাবে শ্রমের মর্যাদা দেয়া হয়, আমাদের দেশে সেভাবে শ্রমের মর্যাদা দেয়া হয় না। শ্রমের মর্যাদা সমাজের অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করে। শ্রমের ব্যাপারে আল্লাহ পবিত্র কুরআনে নির্দেশ দিয়েছেন, “অতঃপর যখন নামায শেষ হবে, তখন তোমরা জমিনের বুকে ছড়িয়ে পড় এবং রিযিক অন্বেষণ কর।” (সূরা: আল- জুমুআহ, আয়াত-১০)

মাসের পর মাস চলে যায় শ্রমিকরা বেতন পায় না। বেতনের দাবিতে শ্রমিককে মালিকের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে হয়। শ্রমিকের বেতন-ভাতার ব্যাপারে বিশ্বনবী (সা.) বলেছেন, “শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগেই তাদের প্রাপ্য মজুরি পরিশোধ কর।” শ্রমজীবী মানুষ বা কোনো শ্রমিক অবসর নেয়ার পর তার বাকি জীবন চলার জন্য অর্থনৈতিক সুবিধা বা পেনশনের ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। এ ব্যাপারেও ইসলাম নীরব নয়। হযরত ওমর (রাঃ) বলেছেন, “যৌবনকালে যে ব্যক্তি শ্রম দিয়ে রাষ্ট্র ও জনগণের খেদমত করেছেন বৃদ্ধকালে সরকার তার হাতে ভিক্ষার ঝুলি তুলে দিতে পারে না।👍🏻

সে বাহিরে যখন থাকে,আর সবার মতোই থাকে। যেই রুমে আসে আসল-রুপে ফিরে আসে। তার মরে যেতে ইচ্ছে করে।ঘুমের ওষুধ, মাথার উপরে ফ্যা...
30/04/2020

সে বাহিরে যখন থাকে,আর সবার মতোই থাকে। যেই রুমে আসে আসল-রুপে ফিরে আসে।
তার মরে যেতে ইচ্ছে করে।ঘুমের ওষুধ, মাথার উপরে ফ্যানের সাথে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলে পড়া,চলন্ত ট্রেনের সামনে সুইসাইড করা,একটা শেষ বিদায়ী স্ট্যাটাস লিখে বিষ পান করে সুইসাইড করা-এসবের মাঝে কোনটা ভালো হয়??

এরকম কত ভয়ংকর চিন্তা সে করে।মৃত্যু চিন্তা তার কাছে ভয়ংকর লাগে না।ভয়ংকর লাগে তার এ জীবন।তার এতোটাই যন্ত্রণা যে মৃত্যু যন্ত্রণা তার কাছে কম মনে হয়।

সে মানুষটা যে কেউ হতে পারে।যেকোন বয়সের হতে পারে।সত্যি বলতে কেউ বলতে পারবে না কারো মুখ দেখে যে তার ভিতরে কি চলছে। সে মানুষটা যদি তুমি হও,কাছের কাউকে খুলে বলো।কেউ নেই তোমার?

খোলা আকাশ আছে তোমার জন্য,চিৎকার করে ছড়িয়ে দাও পুরো আকাশে।তোমার সৃষ্টিকর্তা আছে তাকে জানাও।তোমার প্রিয় গাছটা,তাকে পানি দিতে দিতে জানাও।
তোমার পোষা পাখিটা,বিড়াল ছানা,তোমায় দেখলে খুশী হয় যে কুকুর ছানাটা তাকেও জানাও।তোমার অনেক কিছুই আছে,অনেক মানুষই আছে।
আসলে এখন কাউকেই খুঁজে পাবে না।কারণ তোমার মন এখন সব কিছু থেকে বিশ্বাস হারিয়েছে।জীবন এরকম অনেক বাধা তোমার সামনে এনে দাড় করাবে।তুমি ভীতু হবে,এতোটা ভীতু যে ভয়ে তোমার সেন্স কাজ করবে না।তোমাকে তা মোকাবেলা করতে হবে।

তোমার শক্তি তুমি নিজে।তুমি মৃত্যু ডিজার্ব করো না।তুমি ডিজার্ব করো একটা সুন্দর জীবনের যেটা তুমি একটা সময় নিজেই খুজে নিবে।
বিশ্বাস করো,তখন হয়তো এই ঘটনার কথা মনে পড়লে একটু কষ্ট পাবে,আবার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে-ইশশ কি দিনগুলোই না পার করে এসেছি তা একমাত্র উপরওয়ালা জানেন!!

সমগ্র বিশ্ব আজ মুখোমুখি একটি বৈশ্বিক মহামারীর। এই মহামারীর প্রভাবে সমগ্র বিশ্বে আসছে দ্রুত পরিবর্তন, পৃথিবী হারাচ্ছে তার...
24/04/2020

সমগ্র বিশ্ব আজ মুখোমুখি একটি বৈশ্বিক মহামারীর। এই মহামারীর প্রভাবে সমগ্র বিশ্বে আসছে দ্রুত পরিবর্তন, পৃথিবী হারাচ্ছে তার স্বাভাবিক ভারসাম্য। পবিত্র মাহে রমজানের আশীর্বাদে বিশ্ব মুক্ত হোক করোনা ভাইরাসের প্রকোপ থেকে, পৃথিবীতে ফিরে আসুক তার স্বাভাবিক ভারসাম্য, এটিই আমাদের কামনা।

ছবি টা অনেকক্ষণ ধরে দেখলাম নিজের অজান্তেই যেন চোখ ভিজে গেল😥কিভাবে তোমরা এদের হক চুরি করো??
23/04/2020

ছবি টা অনেকক্ষণ ধরে দেখলাম
নিজের অজান্তেই যেন চোখ ভিজে গেল😥

কিভাবে তোমরা এদের হক চুরি করো??

21/04/2020

জেলা: কুমিল্লা
কুমিল্লা জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।
কুমিল্লা ঢাকা থেকে ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণ পূর্বে অবস্থিত ।

কুমিল্লা জেলা ২৭ ওয়ার্ড বিশিষ্ট ১টি সিটি কর্পোরেশন, ১৭টি উপজেলা, ১৮টি থানা, ৮টি পৌরসভা, ১৯২টি ইউনিয়ন, ৩,৬৮৭টি গ্রাম ও ১১টি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত।

ঢাকা ও চট্টগ্রামের পর কুমিল্লা বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম শহর। এটি খাদি কাপড় ও রসমালাইয়ের জন্য বিখ্যাত।
১৯৬০ সালে এই জেলা প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৪ সালে কুমিল্লার দু'টি মহকুমা চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে পৃথক জেলা হিসেবে পুনর্গঠন করা হয়।
××শিক্ষা বোর্ড ××
বাংলাদেশের ৯টি শিক্ষা বোর্ড এর একটি হচ্ছে কুমিল্লা।
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লা ১৯৬২ সালে স্থাপিত হয়।

××আয়তন ও জনসংখ্যা ××

কুমিল্লা জেলার মোট আয়তন ৩০৮৫.১৭ বর্গ কিলোমিটার। এর জনসংখ্যা ৫৬,০২৬২৫ (২০১১)
মোট জনসংখ্যার ৯৪.৬২% মুসলিম, ৫.২৬% হিন্দু এবং ০.১২% বৌদ্ধ ও অন্যান্য ধর্মের অনুসারী।

×× শিক্ষা ××

কুমিল্লা জেলার সাক্ষরতার হার ৬০.০২%।
এ জেলায় রয়েছে:

বিশ্ববিদ্যালয় (সরকারি) - ১টি
বিশ্ববিদ্যালয় (বেসরকারি) - ২টি
বিশ্ববিদ্যালয় (আর্মি নিয়ন্ত্রিত) - ১টি
মেডিকেল কলেজ (সরকারি) - ১টি
মেডিকেল কলেজ (বেসরকারি) - ৩টি
মেডিকেল কলেজ (আর্মি নিয়ন্ত্রিত) - ১টি
কামিল মাদ্রাসা - ১০টি
ক্যাডেট কলেজ - ১টি
সরকারি পলিটেকনিক - ১টি
কলেজ (সরকারি) - ১০টি
বাণিজ্যিক কলেজ (সরকারি) - ২টি
কলেজ (বেসরকারি) - ৩১টি
ফাজিল মাদ্রাসা - ৬৩টি
শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ - ১টি
পিটিআই - ১টি
এইচএসটিটিআই - ১টি
মেডিকেল এসিসটেন্ট প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সরকারি) - ১টি
মেডিকেল এসিসটেন্ট প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বেসরকারি) - ১টি
স্কুল এন্ড কলেজ - ৯০টি
আলিম মাদ্রাসা - ৭৫টি
মাধ্যমিক বিদ্যালয় (সরকারি) - ৯টি
মাধ্যমিক বিদ্যালয় (অন্যান্য) - ৫৮০টি
দাখিল মাদ্রাসা - ২৩৩টি
নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় - ৫৫টি
প্রাথমিক বিদ্যালয় - ১৩৩০টি
ইবতেদায়ী মাদ্রাসা - ৭১টি

×× যোগাযোগ ××

কুমিল্লা জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেক উন্নত।
দেশের প্রধান জাতীয় সড়ক ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক কুমিল্লা শহরের উপর দিয়ে গেছে।
এছাড়া এ জেলার সাথে সংযুক্ত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর মধ্যে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়ক, কুমিল্লা-বিবিরবাজার স্থল বন্দর সংযোগ সড়ক, কুমিল্লা-লালমাই-চাঁদপুর-লক্ষ্মীপুর-বেগমগঞ্জ সড়ক, লালমাই-লাকসাম-সোনাইমুড়ি সড়ক উল্লেখযোগ্য।

ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট সহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে রেলযোগেও কুমিল্লা জেলায় যাতায়াত করা যায়। কুমিল্লা জেলায় রয়েছে ৯টি রেলওয়ে স্টেশন।

এ জেলার একমাত্র নদীবন্দর দাউদকান্দি বাউশিয়া নদীবন্দর এবং এ জেলায় মোট ৩৪টি ফেরীঘাট রয়েছে।
××× অর্থনীতি ×××

কুমিল্লা জেলার অর্থনীতি মূলত কৃষিভিত্তিক। এ অঞ্চলের দারিদ্রতার হার ৫৬.৬%। এই জেলার অর্থনীতি ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছে কৃষির মাধ্যমে। এ জেলার প্রায় ১১.৬% মানুষ ব্যবসার সাথে জড়িত। এখানে ২টি শিল্প নগরী রয়েছে। কুমিল্লায় রয়েছে বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেমস লিমিটেড এর মূল স্থাপনা এবং গ্যাস ফিল্ড।

××স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা××

কুমিল্লা জেলায় স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবার জন্য রয়েছে:
মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল - ১টি
জেনারেল হাসপাতাল - ১টি
পুলিশ হাসপাতাল - ১টি
কেন্দ্রীয় কারা হাসপাতাল - ১টি
সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল - ১টি
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র - ২১টি
ডায়াবেটিক হাসপাতাল - ২টি
চক্ষু হাসপাতাল - ২টি
পল্লী স্বাস্থ্য কেন্দ্র - ১৩টি
টিবি ক্লিনিক - ১টি
স্কুল হেলথ ক্লিনিক - ১টি
উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র - ৪৮টি
ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র - ১২৩টি

×××কৃতি ব্যক্তিত্ব×××

আ হ ম মোস্তফা কামাল –– রাজনীতিবিদ এবং বাংলাদেশের বর্তমান অর্থমন্ত্রী।
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত--- ভাষা সৈনিক
খালেক ভূঁইয়া-- বাংলাদেশের প্রথম পুলিশ প্রদান।
আখতার হামিদ খান –– প্রতিষ্ঠাতা, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী।
আতিকুল ইসলাম –– মেয়র, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন।
আপেল মাহমুদ –– বীর মুক্তিযোদ্ধা, বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রাক্তন মহাপরিচালক।

আব্দুল গণি –– বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা।

আলম আরা মিনু –– সঙ্গীতশিল্পী।

আসিফ আকবর –– সঙ্গীতশিল্পী।

ইকবাল করিম ভূঁইয়া –– প্রাক্তন সেনা প্রধান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

এ কে এম সামসুল হক খান –– বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।

কাজী জাফর আহমেদ –– রাজনীতিবিদ এবং বাংলাদেশের ৮ম প্রধানমন্ত্রী।

কামাল উদ্দিন আহাম্মদ –– উপাচার্য, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

গাজী মাজহারুল আনোয়ার –– চলচ্চিত্র পরিচালক, গীতিকার এবং সুরকার।

তাফাজ্জাল ইসলাম –– বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি।

নঈম নিজাম –– সাংবাদিক এবং দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক।

নার্গিস আসার খানম –– বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী এবং তার কয়েকটি রচনার কেন্দ্রীয় চরিত্র।

প্রাণগোপাল দত্ত –– প্রাক্তন উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।

ফজলুল হালিম চৌধুরী –– প্রাক্তন উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

ফরিদ উদ্দিন আহমেদ –– উপাচার্য, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

ফেরদৌস আহমেদ –– চলচ্চিত্র অভিনেতা।

মঈনুল হোসেন –– বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা।

মনসুর আলী –– বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।।

রঙ্গু মিয়া –– বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা।

শিবনারায়ণ দাস –– বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার প্রথম রূপকার।

সুফিয়া কামাল –– কবি এবং নারী নেত্রী।।

সৈয়দ মাহমুদ হোসেন –– বাংলাদেশের ২২তম প্রধান বিচারপতি।

আন্তর্জাতিক সীমান্ত দৈর্ঘ্যঃ ১০৬ কিলোমিটার ভারতের সঙ্গে। ।।।

××দর্শনীয় স্থান××

শালবন বৌদ্ধ বিহার

ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি

বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড)

শাহ সুজা মসজিদ

বীরচন্দ্র গণপাঠাগার ও নগর মিলনায়তন

উটখাড়া মাজার

বায়তুল আজগর জামে মসজিদ

নূর মানিকচর জামে মসজিদ

কবি তীর্থ দৌলতপুর (জাতীয় কবি কাজী নজরুলের স্মৃতি বিজড়িত স্থান)

গোমতী নদী
আরও অনেক কিছু ।।।।।।।।

সর্বোপরি কুমিল্লা জেলা একটি অত্যন্ত সুন্দর ও উন্নত জেলা। এ জেলার মানুষ কঠোর পরিশ্রমী।

20/04/2020

RAMADAN PLAN
রমাদান পরিকল্পনা ॥
এ বছর রমাদানের শুরুতেই, আপনার যাকাত আদায়ের পরিকল্পনা করে ফেলুন। আপনার যাকাতবর্ষ পূর্ণ হতে কয়েক মাস বাকী থাকলেও, সম্ভব হলে এ রমাদানেই যাকাত আদায় করে দিন। যাকাত অগ্রিম আদায় করা যায়। তাই, করোনা পরিস্থিতিতে অভুক্ত ও অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াতে, আপনার যাকাতের অর্থ পৌঁছে দিন তাদের হাতে। কাজকর্ম সব বন্ধ থাকায়, খাদ্যাভাবে কঠিন সময় পার করছে শ্রমজীবি স্বল্প আয়ের এই মানুষগুলো। এমন সংকটাপন্ন মূহুর্তে এর চেয়ে ভালো কোন সৎকর্ম আর হতে পারে না। পাশাপাশি, বিগত বছরের অপরিশোধিত যাকাত থাকলে সেটাও এই রমাদানে আদায়ের পরিকল্পনা করুন। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করছেন- “এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায়, পবিত্র অন্তরে যে যাকাত তোমরা দিয়ে থাকো, তা বহুগুণে বৃদ্ধি পায়”। (আল-রুম: ৩৯)
কুরআনুল কারীম কেন্দ্রীক রমাদানে বিশেষ প্ল্যান করুন। খতম উঠানোর জন্য উঠেপড়ে না লেগে, বিশুদ্ধ তিলাওয়াত নিশ্চিত করুন এবং তাদাব্বুর তথা বুঝে বুঝে এবং অনুধাবন করে, কুরানিক ম্যাসেজ গুলো হৃদয়ঙ্গম করার চেষ্টা করুন। তাড়াহুড়ো করে অনেকগুলো খতমের চেয়ে বুঝে পড়া ও তিলাওয়াতের গুণগত মান নিশ্চিত করা বেশী জরুরী। রমাদান আসার আগেই কুরআনের বিশেষ কিছু অংশ বা কয়েকটি সুরা মুখস্ত করার পরিকল্পনা করুন। পরিবারের সবাই মিলে মুখস্তকৃত অংশগুলো একে অপরকে শুনাতে পারেন। কোয়ারেনটাইনকে কুরআন টাইম বানান। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করছেন- “এরপরও কি ওরা কোরআন নিয়ে গভীর ধ্যানে নিমগ্ন হয়ে তা অন্তরে ধারণ করবে না? নাকি ওদের মনের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে?” (মুহাম্মাদ: ২৪)
যেহেতু লকডাউন চলছে, সবাইকে বাসায় থাকতে হচ্ছে, হাতে এখন প্রচুর সময়। সময়গুলো প্রোডাক্টিভ কাজে বিনিয়োগ করুন। বাসায় ইসলামি হালাক্বার আয়োজন করতে পারেন, যেখানে পরিবারের সদস্যরা সবাই মিলে কুরআনের সরল বংঙ্গানুবাদ, মর্মার্থ ও সংক্ষিপ্ত তাফসির কিংবা রিয়াদুস সলিহিন এর মত যে কোন হাদীস গন্থের উপর বিষয় ভিত্তিক সামস্টিক পাঠের ব্যবস্থা থাকবে। বিভিন্ন ইসলামিক স্কলারদের লেকচারগুলো ইউটিউব থেকে শুনুন, তাদের লাইভ প্রোগ্রামগুলোতে জয়েন করুন এবং এগুলো স্যোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন। নলেজ শেয়ারিং অনেক বড় সাদাকাহ। রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেছেন- “আমার পক্ষ হতে একটি বাণীও যদি তোমার জানা থাকে, তবে তা অন্যের কাছে পৌঁছে দাও”। (বুখারী)
তারাবির সালাতের ক্ষেত্রে, রাকাত বিতর্ক এড়িয়ে চলুন। ধীরেসুস্থে, একাগ্রচিত্তে এবং তা’দিলুল আরকান মেনটেইন করে সালাত আদায় করুন। বিশ রাকাত পড়তে পারাটাই উত্তম। আবার, রাসূল (সা:) এর আট রাকাতের হাদিসের বর্ননাও স্বত:সিদ্ধ। তাই, কোয়ান্টিটি নিয়ে বিতর্ক না করে, কোয়ালিটি সালাতের দিকে মনযোগী হোন। ইসলামি শারি’য়ায় যে ব্যাপারগুলোতে প্রশস্ততা রয়েছে সেগুলো নিয়ে বাড়াবাড়ি করা উচিত নয়। তাছাড়া, কুরআনে সুন্দর আমলের কথা বলা হয়েছে, বেশী আমলের কথা নয়। তাই, সত:স্ফূর্ত ও প্রানবন্তভাবে রাতের সালাত দুই রাকাত দুই রাকাত করে যত বেশী আদায় করা যায় ততোই সাওয়াব। নিষ্প্রাণ সালাত আল্লাহ তায়ালার কাছে মূল্যহীন, যদিও তা সংখ্যায় বেশী। রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেছেন- “তোমাদের সাধ্যে যতটুকু কুলায় ততটুকুই ইবাদত কর। আল্লাহর শপথ, নিশ্চই আল্লাহ কখনো ক্লান্ত হবেন না বরং তোমরাই ক্লান্ত হয়ে পড়বে”। (মুসলিম)
সারা বছর হয়তো অনেকেরই তাহাজ্জুদ পড়ার সুযোগ হয়ে উঠেনা। এ মাসে এই বিশেষ সুযোগটি কাজে লাগানো যেতে পারে। সাহুর খাওয়ার জন্য তো আমাদেরকে উঠতেই হবে। তাই, প্রতিরাতে সাহুর খাওয়ার আগে অথবা পরে, দু্ চার রাকাত তাহাজ্জুদ আদায় করার পরিকল্পনা করুন। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন- “আর রাত্রির কিছু অংশ তাহাজ্জুদে কুরআন পাঠ সহ জাগ্রত থাকুন। এটা আপনার জন্যে অতিরিক্ত। অচিরেই আপনার পালনকর্তা আপনাকে এক প্রশংসনীয় মাকামে অধিষ্ঠিত করবেন”। (বনি ইসরাইল: ৭৯)
পরিমিত ইফতার ও সাহুর গ্রহনের পরিকল্পনা করুন। মাত্রাতিরিক্ত ইফতার ও সাহুর গ্রহনের ফলে অলসতা তৈরি হবে এবং সারাদিন কুরআন তিলাওয়াতে ও রাতে কিয়ামুল্লাইলে আপনি মজা পাবেন না। তাই, রমাদানে হেলথি ডায়েট মেনটেইন করার চেষ্টা করুন। এতে আপনার প্রোডাক্টিভিটি অনেক গুণে বেড়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেছেন- “ পাকস্থলীর এক তৃতীয়াংশ খাবারের জন্য, এক তৃতীয়াংশ পানির জন্য এবং এক তৃতীয়াংশ থাকবে শ্বাস প্রশ্বাসের জন্য” (তিরমিযি)
ক্বদর বা ভাগ্যরজনী তালাশের জন্য, রমাদানের শুরু থেকেই সিরিয়াসলি পরিকল্পনা নিয়ে রাখুন। প্রয়োজনে ক্যালেন্ডারে তারিখগুলো মার্ক করে রাখুন যাতে করে, কোন ভাবেই এ রাতের বারাকাহ মিস না হয়ে যায়। রমাদানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোর যে কোন একটি রাত হল- সেই বহু প্রতিক্ষীত ক্বদরের রাত। যে রাতে পবিত্র কুরআনুল কারীম নাযিল হয়েছে, যে রাত হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ, যে বরকতময় রাতে আরশের মালিকের রাজকীয় ব্যবস্থাপনায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিজ্ঞোচিত ফায়সালা দেয়া হয়, আর সে রাতে ফজর উদিত হওয়া অবদি গোটা দুনিয়ায় শান্তির সমীরণ বহে। সকল ব্যস্ততাকে ছুটি দিয়ে, ইবাদতে মশগুল থাকুন এ মহিমান্বিত রজনীতে। রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেছেন- “যে ব্যক্তি ক্বদরের রাতের মাহাত্ম অর্জন থেকে বঞ্চিত হল, সে আসলেই দুর্ভাগা”। (নাসাঈ)

 াফর  #আল্লাহর_মহান_এক_নামমহান আল্লাহর সুমহান যেসব নাম রয়েছে, তন্মধ্যে আল-গাফুর, আল-গাফফার ও আল-আফূ অন্যতম। তিনি বান্দার...
10/04/2020

াফর #আল্লাহর_মহান_এক_নাম
মহান আল্লাহর সুমহান যেসব নাম রয়েছে, তন্মধ্যে আল-গাফুর, আল-গাফফার ও আল-আফূ অন্যতম। তিনি বান্দার কৃত গুনাহকে ক্ষমা করেন, মাফ করেন। ক্ষমা করা তার মহান গুণাবলীর একটি।
আজ আমাদের মাঝে আপতিত অসুস্থতা, দুশ্চিন্তা কিংবা কষ্ট-যাতনা, এসব কিছু আমাদের গুণাহ কিংবা কৃত আমলের ত্রুটির কারণে।
আমরা যদি আমাদের জীবন্ত হৃদয় দিয়ে, অন্তরকে তাওবার চাদরে আবৃত করে, কায়মনোবাক্যে তার কাছে ক্ষমা চাই, অবশ্যই তিনি আমাদের ক্ষমা করে দিবেন। নিজের হৃদয়, অন্তর ও জবানকে এক করে বান্দাহ যখন ক্ষমা চায়, নিঃসন্দেহে তিনি বান্দাকে মাফ করে দেন।
দেখুন না! তিনি কতোভাবে, কতো উপায়ে তার বান্দাহকে ক্ষমা করেন। ইস্তেগফার, তওবা এবং নেক আমলের মাধ্যমে তিনি তার বান্দাহর গুণাহ মার্জনা করেন। তিনি আল্লাহ! তিনি গফুর! তিনি ক্ষমা করেন। ক্ষমা তার মহৎ গুণ।
দুই ফরজ নামাজের মধ্যবর্তী সময়ে, দুই ওমরার মাঝের সময়টুকু, এক রমজান হতে অন্য রমজান পর্যন্ত সময় এবং এক হজ শেষে আগত অন্য হজের মধ্যকার পুরো সময়ের গুণাহকে তিনি মুছে দেন। যতক্ষণ পর্যন্ত সে কবীরা গুনাহ হতে বেঁচে থাকে। আর এভাবেই বান্দার জীবন ক্ষমা থেকে ক্ষমা এবং মার্জনা হতে মার্জনার শীতল আবহে কাটতে থাকে।
আমরা যতো বড় গুনাহ-ই করি না কেন, যত অন্যায়-ই হোক না কেন, হোক না পাহাড়সম। এসব টপকে যদি আসমান পর্যন্ত ভরে যায়, নিঃসন্দেহে তিনি আমাদের ক্ষমা করে দিবেন।
আল্লাহ ইরশাদ করেন, এবং (হে নবী) আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল ও দয়ালু। (সুরা নিসা-১০৬)
অন্যত্র আল্লাহ বলেন, যে গুণাহ করে কিংবা নিজের অনিষ্ট করে, অতঃপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, সে আল্লাহকে ক্ষমাশীল, করুণাময় পায়। (সুরা নিসা-১১০)

দয়াময় আল্লাহ তায়ালা বড় হতে বড় এবং সবচেয়ে অবাধ্য ও নাফরমান বান্দাকেও ক্ষমার সাগরে ডুবিয়ে রাখেন। তিনি আল্লাহ! এক আল্লাহ! বড়-ছোট যে কোন বিষয়ে তিনি একাই সিদ্ধান্ত নেন। ক্ষমা করতে তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন।
হাদিসে কুদসীতে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, হে আদম সন্তান! যদি তুমি আমাকে ডাক এবং আমরা প্রতি আশা রাখো; তাহলে আমি তোমার যাবতীয় গুনাহ ক্ষমা করে দিব, আর এতে আমি কারো পরোয়া করি না।
হে আদম সন্তান! যদি তোমার গুনাহ উর্ধ্বাকাশ পরিমাণ হয়, তারপর তুমি আমার কাছে ক্ষমা চাও, তাহলে কারো পরোয়া ছাড়াই আমি তোমাকে ক্ষমা করে দিব।
হে আদম সন্তান! যদি তুমি আমার কাছে ভূপৃষ্ঠ পরিমাণ গুনাহ নিয়ে হাজির হও, আর আমার সঙ্গে এইরূপে সাক্ষাত করো যে, তুমি আমার সাথে কাওকে শরীক করো নি, তাহলে আমি তোমার প্রতি সে পরিমাণ ক্ষমার আচরণ করবো। (তিরমীযি-৩৫৪০ নং হাদিস)❤❤

09/04/2020

ক'দিন আগে বলতেন ইতালি ফেরত। এখন বলে নারায়নগঞ্জ ফেরত। কাল বলবে রংপুর, সিলেট...বরিশাল......................
ভাই এসব বন্ধ করেন। আজ যে করোনা রোগিকে ভয় পাচ্ছেন, তাদের পরিবারকে অসম্মান করছেন, কাল সেই করোনা যে আপনার বাসায় আসবে না আপনি জানেন?

যে দিয়াবাড়ির লোক কোয়ারেন্টিন সেন্টার করতে বাঁধা দিলো। কদিন পর যখন বসুন্ধরা আবাসিকে করোনা হাসপাতাল হবে। সেখানে যদি উত্তরার সেই বাসিন্দাদের ঢুকতে না দেয়া হয়! আপনাদের হাসপাতাল লাগবে না?

যে কবরস্থানে বাধা দিলেন, কাল যদি আপনার কাউকে কবর দিতে হয় করোনায়?

ঢাকায় কোথায় হাসপাতাল হবে? কোথায় কবরস্থান হবে রে ভাই?

আজ ডাক্তার বলে একজন চিকিৎসককে নাকি বাড়ি ছাড়তে বলা হয়েছে। কি ভয়ংকর! কাল আপনার সন্তান যখন করোনায় কাতরাবে আপনার ডাক্তার লাগবে না? সেই তো আপনার কাছে তখন স্রষ্টার প্রতিনিধি! কিন্তু সেই ডাক্তারো কারো না কারো বাসায় ভাড়া থাকেন! কোন না কোন বাসায় থাকেন।

তাই বলি আমরা কেউ এই করোনার বাইরে না। আপনার কেউ না কেউ অ্যাফেক্টেড হবে। এটা ভয় পাওয়ার রোগ না। এটা HIV না। করোনা রোগি ধর্ষনকারী না। এটা একটা রোগ। আমার আপনার মা বাবা, ভাই বোন, সন্তান ই আক্রান্ত হচ্ছে রে ভাই....

আপনার বাসায় যদি ডাক্তার,নার্স কেউ থাকেন তার সুবিধার জন্য বাড়তি কিছু করুন। যে ৩/৪ মানুষ কবরস্থ করছেন তার জন্য দোয়া করুন। দুর থেকে ডাক্তারদের স্যালুট দিন।

যিনি করোনা আক্রান্ত তার সাহস হোন...তাকে বিশ্বাস দিন, আমরা আপনার পরিবারের সাথে আছি। তার সন্তানকে নিজের সন্তান ভাবুন। করোনা রোগি কোন অভিশাপ,পাপ বা কোন লজ্জা না। একজন রোগি যেন যাওয়ার সময় আপনার হাত নাড়ানো দেখে বুকে সাহস নিয়ে হাসপাতালে যায়।

বাংলাদেশ যে অবস্থায় আছে তাতে এমন সহমর্মিতা,ভালোবাসা,দায়িত্ব বোধই পারে কেবল এই যুদ্ধে জয়ী করতে।।

09/04/2020

#কুমিল্লার বুডিচংয়ের জিয়াপুরের যে মহিলা (৬৫) ঢাকায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন তাঁর দুই নাতি (৭ বছর ও ৪ বছর) করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।
মহিলা মারা যাওয়ার পর তাঁর ছেলে ও পরিবারের ৭ সদস্য কুমিল্লার বুড়িচংএর জিয়াপুরে চলে আসেন।
সেদিনই প্রশাসন, পুলিশ ও স্বাস্থ্য বিভাগ তাদের বাড়িটি লকডাউন করে ফেলে। ঐ বাড়ির ৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়।
আজ বৃহস্পতিবার ফোনে তাদের দুই শিশুর করোনা পজিটিভ ফল আসে। বাড়িটির কাজের মহিলা ও আরেকজনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আজ ঐ বাড়িতে খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্য দেয়া হয়েছে।
যে দুই শিশু আক্রান্ত হয়েছেন তারা ঢাকা থেকে করোনা বহন করেছেন। স্থানীয়ভাবে নয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. শাহাদাত হোসেন।

যাদের হাসিতে জগত হাসে 😍  তাদের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য আমাদের এই '' প্রচেষ্টা "দোয়া করবেন যাতে অনেক দূর এগোতে পারি।।।❤❤  ...
04/04/2020

যাদের হাসিতে জগত হাসে 😍
তাদের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য আমাদের এই '' প্রচেষ্টা "
দোয়া করবেন যাতে অনেক দূর এগোতে পারি।।।❤❤

#মানবতার_সেবায়_প্রচেষ্টা ""কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী ""
#প্রচেষ্টা _❤❤❤❤

Address

Comilla Sadar
Sadar

Telephone

+8801790144850

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when প্রচেষ্টা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share