19/05/2026
ঈদ উল আযহার ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য আমরা ক'জন প্যারেন্ট হাউজ সদস্য ঈদের সাজে একসাথে দলবদ্ধ হয়ে ময়দানে যাচ্ছি। এদিন আমাদের মনে আনন্দ ছিল জীবনের শ্রেষ্ঠ আনন্দ গুলোর একটা। আমি ব্যক্তিগত ভাবে অন্যদের জিজ্ঞেস করছিলাম তোমাদের কেমন লাগছে তারা নির্দ্বিধায় ভালো লাগার বিষয়টি তাৎক্ষণিক ভাবে উত্তর দিচ্ছিল। তখন আমার মনে হচ্ছিল উত্তরটা তাদের আগে থেকেই জানা ছিল। মনে ভিতর তাদের আনন্দ উছলানোর মতো ছিল সেদিন। এরকম আনন্দ খুব কমই দেখেছি আমার জীবনে। একটি নতুন টাকা বাচ্চাদের দিলে যেভাবে বাচ্চারা যেভাবে আনন্দ উল্লাস করে তারও চেয়ে অনেক বেশি আনন্দ উল্লাস তারা সেদিন করছিল৷। একই কালারের পোশাকে যেমন তাদের মানিয়েছিল তেমনি একই রকম আনন্দ সবার মাঝে আমি দেখতে পেয়েছিলাম৷ আমি খুব আশাবাদী ছিলাম সবাই ভালো একটা সময় কাটাবে আনন্দ উপভোগ করবে, সেটা বাস্তবে রূপদান করা আমার জন্য অনেক চ্যালেঞ্জ ছিল কিন্তু সব বাধা কাটিয়ে আমি সেটা সম্ভব করে তুলছিলাম এ যেন অসাধ্যকে সাধন করবার মতন। প্যারেন্ট হাউজ একটি মানবিক প্রতিষ্ঠান যেখানে আমার জীবন উৎসর্গ করা আছে।। আমি আমার সবকিছু দিয়ে এটিকে রক্ষার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছি। ভালো লাগার সময় হয়তো কমই আসে আমার জীবনে কিছু যে সময়টুকু আসে সেটিকে আমি খোদার রহমত মেনে নেই। প্যারেন্ট হাউজ মানে এতিম-অসহায়ের কল্যাণ, এক্ষেত্রে অবহেলার সামান্য সুযোগ আমার একেবারে নেই। তাদের মুখের হাসি আমার দায়িত্ব।।
আমাদের এই সমাজ আজ দেখেছে আমরা (এতিমেরা) ভালো থাকার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি এখন তারাও আমাদের চেষ্টার প্রতি সম্মান জানায় ঠিক ঠাক। সেদিন আমরা যেদিক দিয়ে ঈদের নামাজ আদায় করতে গিয়েছি যারাই আমাদের দেখেছি সবাই আমাদের প্রশংসা দিয়েছে। আমরা এই সমাজের উন্নয়নে কাজ করছি, সমাজকে শান্তির সমাজ প্রতিষ্ঠায় আমরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছি।
আমরা আমাদের কাজটাকে পূর্ণ মনে করি।