Parent House

Call Website Contact the organization

Parent House the main function of this Organization is to Provide Orphan Services & Establish "Orphan Rights" in the World.

16/07/2026

জামিয়ার সুমন.....
ইটের বাড়ি তৈরির ভিত্তি প্রস্তর.... ...
ছোটবেলায় বাবা হারা সন্তান। শৈশব কেটেছে কাতার ভিত্তিক এতিমখানায়৷ বড় সৎ মা ছিল তার সৎ বড় ভাই রয়েছে। পারিবারিক ভাবে যুদ্ধ করে টিকে থাকতে হয়। অন্যায় অত্যাচার জুলুম বঞ্চনা অবহেলা পারিবারিক ভাবে পাওয়া। মা আছে। মায়ের কাছে যতটুকু ভালোবাসা পাওয়া যায় তাই জীবনের সম্পদ। লেখাপড়া তেমন শেখা হয়ে ওঠেনি। তবে শিক্ষিত হয়েছে যতটুকু জীবন চালাতে প্রয়োজন।
জীবনে অনেক কষ্ট করেছে অনেক ধৈর্য্য ধারণ করেছে। যুদ্ধ করে জীবন চালাতে হচ্ছে।।
বাড়ি তৈরির এ যাত্রায় মহান আল্লাহর সরাসরি সাহায্য হয়েছে, মহান আল্লাহ তার উপর সহায় হয়েছেন। শুকরিয়া মহান রবের প্রতি। হয়তো কিছু দিনের মধ্যেই তার মাকে নিয়ে দালান বাড়িতে ওঠতে পারবেন এজন্য আমি আমার অন্তরের অন্তস্তল থেকে দোয়া করছি।
এরকম সব এতিমেরা সমাজে সুন্দরভাবে প্রতিষ্ঠিত হোক এবং সমাজকে আলোকিত করুক একটা কল্যাণমূলক সমাজ গঠনে। আমরা প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে সব ধরনের সহযোগিতা করছি তাদের জন্য যেনো তারা সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয় শৃঙ্খল শান্তিময় সমাজ গঠনে।
সুমন আজ পেরেছে এরকম সব এতিমেরা পারবে এবং জীবন গঠন করবে এটা আমাদের প্রত্যয়। যারা আছেন এতিম যাদের বাবা /মা, বাবা-মা নেই তাদের প্রতি আমাদের অকুণ্ঠ সহোযোগিতায় থাকবে, সাথে ভালোবাসা স্নেহ মমতা থাকবে।
এতিমদের সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করবার সব রকম প্রচেষ্টা আমরা করছি আমাদের সবটুকু দিয়ে। তোমরা যারা পেছনে পড়ে আছো তাদের প্রতি আমাদের উদাত্ত আহ্বান একত্রিত হও সহযোগিতা করো একে অন্যকে অনুপ্রানিত হও অন্যের দেখে চেষ্টা চালাও নিজের সবটুকু দিয়ে। অলস হইও না, মুখ ফিরায়ে নিও না।
কর্মঠ হও জীবনের জন্য অসহায়ত্ব নিবারণে।
নিজের প্রতি নিজে অবিচার করিও না।
যদি কেহ হতাশ হও নিরাশাজনক অবস্থায় দিনাতিপাত করো, নিজের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলো, বিদ্রুপ করো নিজেকে ; তোমাদের জন্য আমি আছি এই প্রতিষ্ঠান আছে। আসো আমরা একটি ছায়াতল বানাই যাতে নিজেদের কষ্ট গুলো অভাব গুলো নিরাশা গুলো আপত্তি গুলো না পাওয়ার বেদনা গুলো অত্যাচার গুলো জুলুম গুলো বঞ্চনা গুলো অবহেলা গুলোকে চিরতরে কবর দিয়ে সুখ শান্তি আর স্বস্তি নিয়ে আসি।
আসো আমাদের শান্তির যাত্রায়.....

দেবকী রানী রায়'র বিয়ে...  ছোটবেলায় মা হারানো সন্তানটি আজ বড় হয়ে গেছে এবং বিয়ে হয়ে গেল। মা ছিল না বাবাও দেখতে পেত না, বড় ...
15/07/2026

দেবকী রানী রায়'র বিয়ে...
ছোটবেলায় মা হারানো সন্তানটি আজ বড় হয়ে গেছে এবং বিয়ে হয়ে গেল। মা ছিল না বাবাও দেখতে পেত না, বড় আম্মার কাছেই বেড়ে ওঠা। সৎ মা তার জীবনটা তছনছ করে দিয়েছে। মেধাবী এই সন্তানটি এবারে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিল। হয়তো খুব শীঘ্রই পরীক্ষার রেজাল্ট বের হবে। বিয়ে জীবনের একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, একদিন না একদিন হবে। বাসায় খাবার নেই পড়নে কাপড় নেই লেখাপড়ার কাগজ কলম নেই। টিউশনি নেই ভালো শিক্ষকের কাছে লেখাপড়া নেই। ইচ্ছা নেই আশা নেই ভালোবাসা নেই আদর নেই স্নেহ নেই। সম্পুর্ন অনাদর আর অবহেলিত জীবন।
আজ তার একটা নতুন জীবন শুরু হলো........
তাকে আমরা সাহস জুগিয়েছি, অনুপ্রেরণা দিয়েছি বেচে থাকার স্বপ্ন দেখিয়েছি। নতুন জীবনের জয়গান হোক তার মুখ থেকে এটাই আমাদের আশাবাদ। যুদ্ধ জীবনকে প্রতিষ্ঠিত করে দেয় সফলতা। প্রত্যেকটা এতিম অসহায় জীবন ছিন্নমূল না থেকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হোক সেটার জন্য আমাদের চেষ্টা থাকবে আমরা সেজন্য যুদ্ধ করে যাবো।
তোমার যারা এতিম আছ... জীবনে হতাশ হওয়া যাবে না। যুদ্ধই জীবন। জীবনে পিছপা হওয়া যাবে না। জীবনে ভয় পাওয়া যাবেনা। দুনিয়া সবার জন্য, যুদ্ধ তুমি করবা তুমি ভালো কিছু করবা। যুদ্ধ করতে শেখ।
দেবকীর বাড়িতে আমরা সবাই যাব,
আমরা একটা সম্প্রতি তৈরি করবো।
দেবকী আমাদের আশার আলো...
দেবকী ভবিষ্যতে সবার আশ্রয়স্থল।
দেবকী তার সমাজকে আলোকিত করবে সেজন্য আমরা সবাই তাকে সহযোগিতা করবো। এমনি ভাবে যে যেখানে আছে সেখানেই সেই সমাজকে নিয়ে সবাইকে কাজ করে আলোকিত করতে হবে। আমাদের দেখাতে হবে আমরা সমাজের জন্য নিবেদিত আমরা এই সমাজেরই। আমরা এই সমাজের কাছে দায়বদ্ধ, সমাজও আমাদের জন্য দায়বদ্ধ।
আমরা দেখাবো অবহেলা পরিবার ও সমাজের উন্নতির মানদণ্ড হতে পারে না, ভালোবাসাই সামাজিক কল্যাণের মানদণ্ড।।
দেবকীর বিবাহিত জীবন সুখের হোক
শান্তিময় হোক তার পরিবার
মানবিক হোক তার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।

09/07/2026

জীবনের কিছু চাওয়া থাকে...
সেই চাওয়াটা অনেক ক্ষেত্রেই পূরণ হয় না।
যারা জীবনে বাবা/ মা হারায় তাদের ক্ষেত্রে এটি খুব স্বাভাবিক। জীবনের সেই চাওয়া গুলো পূরণ করতে অনেক কষ্ট করতে হয় এবং অনেক ধৈর্য্য ধারণ করতে হয়। প্যারেন্ট হাউজ এতিমের সেই চাওয়া গুলোকে সম্মান করে। তাদের চাওয়া গুলোকে পাওয়ায় পরিণত করতে আমরা তাদের স্বপ্ন দেখাই। সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপদান করার জন্য নিজেকে গঠন করার প্রতি নজর দিতে দেই।
প্যারেন্ট হাউজ এর লক্ষ্য উদ্দেশ্য হলো এতিম কল্যাণে। সবধরনের চেষ্টা ও পদক্ষেপ এতিম কল্যাণ। নিবেদিত ভাবে আমরা এতিম কল্যাণের জন্য কাজ করি। একটি সুন্দর সমাজ গঠনে এবং শান্তিময় সমাজ গঠনের জন্য আমাদের এই কাজ অব্যাহত রয়েছে এবং থাকেব।

09/07/2026

প্যারেন্ট হাউজ
এতিম কল্যাণ সংস্থা।
যাদের বাবা/মা/ বাবা-মা মারা গেছে তাদের কথা চিন্তা করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে৷ এখানে কোনো প্রকার জাত ভেদ বা বর্ণ ভেদ বা ধর্মভেদ করা হয় না৷ অর্থাৎ ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে এতিম বিবেচনা বা কল্যাণ করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি এতিম কল্যাণে নিবেদিত। এতিমেরা যেহেতু অমানবিক অবস্থায় জীবন অতিবাহিত করে তাদের এই অমানবিক জীবনকে সহায়তা দিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আনবার চেষ্টা করা হয়। এতিমের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো মানসিক যন্ত্রণা, অসম্মান। সেটার প্রতি অনেক যত্নবান থেকে তাদের সম্মানিত করবার যথেষ্ট চেষ্টা আমরা করছি এবং মানসিক যন্ত্রণা গুলোকে নিবারণে তাদের মানসিক ভাবে শক্তিশালী করা হয়।। প্যারেন্ট হাউজ এতিমের জন্য নৈতিক মানবিক ভাবে কাজ করে যাচ্ছে তবে এতিম জন্য কল্যাণকর কাজ করা সবার দায়িত্ব এবং কর্তব্য। এই দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সমাজকে উদ্ভুদ্ধ করণে সব ধরনের চেষ্টা প্যারেন্ট হাউজ করে যাচ্ছে।
আজ আমাদের কাজগুলো হয়তো তেমন সম্মানের মনে করছে না সমসাময়িক সমাজের ও দেশের মানুষ গুলো। কিন্তু আমরা এই সমাজের কল্যাণেই কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের সব রকম পদক্ষেপ এতিমের কল্যাণে নিবেদিত এবং সমাজের উন্নতির জন্য।
সুন্দর একটা সমাজ গঠনে আমরা বদ্ধপরিকর।

09/07/2026

চায়না তিতির...
আমরা প্যারেন্ট হাউজ কে একটা পাখি অভয়ারণ্য বানানোর চেষ্টা সবসময়ই রয়েছে। এই পাখিগুলো সেজন্য লাগানো হয়েছিল। কিন্তু সামাজিক বাধার কারণে পাখিগুলো বিপন্ন হয়েছে। সমাজের মানুষ পাখি গুলোকে বিভিন্নভাবে ভাবে নষ্ট করেছে এবং মেরে ফেলেছে। তখন আমি একা ছিলাম এবং প্যারেন্ট হাউজ কে বিভিন্ন ভাবে একা করে ফেলানো হয়েছে। বিভিন্ন ষড়যন্ত্র সবসময় প্যারেন্ট হাউজ তথা আমাদের উপর করানো হয়েছে।
তিতির ছাড়াও বিভিন্ন পাখি যারা বন্য তাদের লাগানোর চেষ্টা করা হচ্ছে যাতে পরিবেশটা একটু আলাদা হয়।
ভবিষ্যতে আর চেষ্টা চালানো হবে বিভিন্ন বিলুপ্ত প্রায় উদ্ভিদ ও পশু প্রাণী পালনে। আমার চেষ্টা থাকবে প্যারেন্ট হাউজ একটা ব্যতিক্রমী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেশ ও জনগণের সামগ্রিক উন্নতিতে অবদান রাখবে।

09/07/2026

তনুশ্রী রায়....
যখন আমি ছোট ছিলাম তখন আমার মা মারা যায়। আমার ছোট একটি বোন আছে তার বয়স তখন এই শিশুটির মতো ছিল। কিন্তু এই শিশুটি তার জন্মের সময় তার মাকে হারায়। মায়ের অভাব কি জিনিস এখনো সে বুঝতে পারবে না। তার মায়ের যায়গাটায় তার পিশি পরম যতন করে লালন পালন করার চেষ্টা করছে। জন্মের পর থেকেই আমরা তার খোঁজ খবর রেখেছি। পরিবার ও সমাজকে তার অনুকূলে রাখার চেষ্টা আমরা করছি... আমাদের প্রধান দায়িত্ব হলো যাদের মা - বাবা মারা যায় তাদেরকে পারিবারিক ও সামাজিক ভাবে ভালো রাখার জন্য আন্তক্রিয়া করা। এতিম সন্তানটিকে বেড়ে ওঠার জন্য বিভিন্ন সৎ পরামর্শ দেওয়া; জীবন যাতে সুন্দর হয় সেজন্য তাকে সুপরামর্শ দান করা। জীবনের প্রতি পরতে যে অনেক কষ্ট ও বেদনা রয়েছে সেটার উপলব্ধি সেখানো। কষ্টের মাঝে জীবনকে উপভোগ করতে শেখানো, দুখের মাঝে জীবন গড়তে শেখানো। জীবনকে সহজ করবার যতরকম চেষ্টা রয়েছে সেটার জন্য জীবনকে স্ট্রাগল করার প্রস্তুতি শেখানো। মা না থাকলে জীবন অনেক অসহায় হয় সেটা বুঝতে শেখানো আর অসহায় মানুষকে এই সমাজের মানুষ গুলো মূল্যায়ন করে না। নিজের মূল্য নিজেই তৈরি করতে হয় নিজের কর্ম আর আচরণ দিয়ে সেটা আমরা সেখাই। একজন অসহায় মানুষের অসহায়ত্ব বুঝবার এবং অসহায়ত্ব থেকে জীবনকে পরিত্রাণের পথটাও আমরা সেখাই৷ দুনিয়া অতোটা সহজ না একজন মা হারা সন্তানের, যত সহজ ভাবে জীবনে বাঁচে অন্যেরা৷ আর একটা মেয়ে মানুষের জন্য মা না থাকা যে কতটা অনিরাপদ ও বেদনার সেটা শুধু তারাই বোঝে যাদের মা নেই। মা হারা সন্তানের অনিরাপদ ও জঞ্জাল জীবনের উন্নতির জন্য এবং অসহায়ত্ব নিবারণে আমরা সবসময় সচেষ্ট থাকি।
জীবনে একটু স্বস্তি আসুক জীবন ভালো কাটুক..
সুন্দর স্বচ্ছন্দ জীবনের অধিকারী হোক মা হারারা।

29/06/2026

একটি কল্যাণকামী প্রতিষ্ঠান
সমাজ ও দেশের কল্যাণ করে থাকে।
প্যারেন্ট হাউজ এর প্রতিটি পদক্ষেপ সমাজের বিভিন্নভাবে উন্নয়ন সাধন করে যাচ্ছে। সমাজকে একটা কল্যাণমূলক সমাজে রূপান্তরের জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দেশের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে দেশের সব ক্ষেত্রেই প্যারেন্ট হাউজ কল্যাণমূলক কাজের সাথে জড়িত রয়েছে। বাহির থেকে প্যারেন্ট হাউজ দেখলে যে কাহারো ভালো লাগে দিনের চিত্র এক রকম আবার রাতের চিত্র আর এক রকম। এটি একটি সামাজিক কল্যাণ।। আবার প্যারেন্ট হাউজ এর ফুলের বিচিত্রিতা সমাজকে বিমোহিত করে যাচ্ছে আবার এখানকার ফুলের ঘ্রাণ বা সৌরভ মানুষকে আনন্দ দিচ্ছে এটি একটি সামাজিক কল্যাণ।। ফুলের সৌন্দর্য সমাজের মানুষকে বিনোদন দিচ্ছে। এতে কোনো প্রকার মূল্য দিতে হয় না সমাজ বা সমাজের মানুষকে। প্যারেন্ট হাউজ এ যারাই ঘুরতে এসেছে তাদের সবাইকে প্যারেন্ট হাউজ ভালো লেগেছে এটি একটি সামাজিক কল্যাণ।। আবার যারাই এখান থেকে গিয়ে অন্য কোথাও প্যারেন্ট হাউজ সম্পর্কে বিশেষ কিছু বলেছে আবার তাদেরও ভালো লেগেছে এটিও সামাজিক কল্যাণ। আবার অনেকেই এখানে বিভিন্ন অনুষ্ঠান করতে এসেছে, আবার যারাই প্যারেন্ট হাউজ এ এসেছে তারাই বিভিন্নভাবে আপ্যায়িত হয়েছে এটি সামাজিক কল্যাণ।। প্যারেন্ট হাউজ বিনা স্বার্থে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস গুলোকে পালন করে সেটিও একটা সামাজিক কল্যাণ।। আবার এলাকার ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের প্যারেন্ট হাউজ নিজ দায়িত্বে শিক্ষা ও দিক্ষা দিয়ে আসছে এটি সামাজিক কল্যাণ। প্যারেন্ট হাউজ এর মূল দায়িত্ব হলো সামাজিক কল্যাণ। সামাজিক কল্যাণ গুলো একটি প্রধান দায়িত্ব হলো এতিম প্রতিপালন। আমরা এই এতিম নিয়ে কাজটাকে বেশি প্রাধান্য দেই বলে আমাদের উপর চাপ বেশি। এতিম নিয়ে আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো সমাজে এতিমের অবহেলা আমরা রাখবো না। একটি কল্যাণকামী সমাজে কেহই অবহেলিত থাকতে পারে না। সবাই শান্তিতে এবং শান্তিপূর্ণ ভাবে সমাজে বসবাস করলেই কেবল সামাজিক শান্তি।। কোনো বিশেষ ব্যক্তির জন্য সমাজে শান্তি হয় না। সমাজে সবাই চায় শান্তিতে থাকতে কিন্তু কেহই চায়না অন্যজন শান্তিতে থাকুক। সমস্যা আসলে এখানেই। আমরা যদি নিজের সুখটা অন্যের জন্য রেখে দিতাম তাহলে সমাজে শান্তি আনয়ন করাটা খুব সহজ হতো। সবাই চাই অন্যের ক্ষতি করে নিজের শান্তি। এটি একেবারেই অসম্ভব। পরকালে শুধু না ইহকালেও এই রকম মনোভাবের করুন পরিনতি রয়েছে৷। দেখুন আমরা প্যারেন্ট হাউজ থেকে এসব কথা বলছি..... আমরা মানুষের কল্যাণ ও শান্তি নিয়ে কাজ করছি। আমরা নানাভাবে আক্তান্ত হচ্ছি নানাভাবে অপমানিত হচ্ছি নানাভাবে অসম্মানিত হচ্ছি। তারপরও আমরা আমাদের কাজে নিমগ্ন রয়েছি। আমাদের কাজের জন্য আমরা যে পেরেশানি করছি এজন্য সমাজের লোকজন আপসোস করছেন এটি ভবিষ্যৎ সমাজের শান্তির দ্বার খুলে যাবার একটি বড় ধাপ। আমাদের সব চিন্তা- চেতনা, ভাব- ভালোবাসা আকার-ইংগিত, পদক্ষেপ, দিয়েই আমরা সমাজের কল্যাণ খুঁজি। এখনো যারা আমাদের বিরোধিতা বা নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবার চেষ্টা করছেন, আপনাদের নিয়ে আমাদের করুণা হয়। বিরোধিতা করবার জন্য যদি বিরোধিতা করেন তাহলে নিজেদের ক্ষতি করবেন। প্যারেন্ট হাউজ কে আপনারা নিশ্চিহ্ন করতে পারবেন না। চেষ্টা করতেই পারেন,সেটা আপনাদের ব্যাপার। তবে জেনে রাখা ভালো প্যারেন্ট হাউজ কাহারও ক্ষতি চায় না। কারণ প্যারেন্ট হাউজ এর উদ্দেশ্য হলো সামজিক কল্যাণ। কল্যাণ কেবল সমাজের একটি শ্রেণি বা পেশা বা ধর্ম গোষ্ঠীকে নিয়ে হয় না। কেহ কাহারো বিরোধিতা করলে সামাজিক কল্যাণ হবে না।
আমরা হয়তো আজ এ কথা গুলো বলছি এর জন্য যুদ্ধ করছি। ঘাম ঝরাচ্ছি, রক্ত দিচ্ছি। অবহেলিত থাকছি, অসম্মানিত হচ্ছি একদিন ঠিকই আসবে যখন এই সমাজ কল্যাণমূলক হবে। মানুষে মানুষে ভেদাভেদ থাকবেনা। একে অপরের কল্যাণে এগিয়ে আসবে। সমাজের সবাই সহযোগিতায় প্রতিযোগিতা করবে। কাহারও বিরুদ্ধে কেবই লাগাবেনা। পরনিন্দা পরচর্চা করবেনা৷ চুরি থাকবেনা। কেহ অনাহারে অধ্যাহারে দিন কাটাবেনা। কেহ অসহায় থাকবেনা। কেহ অবহেলিত হবে না। জুলুম বঞ্চনা সমাজে থাকবেনা৷ অনাধিকারের জন্য কেহ কাদবেনা। সমাজে সবাই শান্তিতে থাকবে৷

দুজনেরই বাবা নেই... প্রকৃত অর্থ তারা এতিম। ছোটবেলায় বাবা হারা অনাথ শিশু বেনজির ও সিয়াম। অভাবী দরিদ্র পরিবারের হওয়ায় কাতা...
24/06/2026

দুজনেরই বাবা নেই...
প্রকৃত অর্থ তারা এতিম।
ছোটবেলায় বাবা হারা অনাথ শিশু বেনজির ও সিয়াম।
অভাবী দরিদ্র পরিবারের হওয়ায় কাতার ভিত্তিক এতিমখানায় তাদের বেড়ে ওঠা। প্যারেন্ট হাউজ এতিম কল্যাণে কাজ করছে সেজন্য তাদেরকে সামাজিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত করবার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সিয়াম ২০২৬ সালে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেছে৷। বেনজির পড়ালেখা থেকে বিচ্যুত হয়েছে।।
জীবনের সমস্যা গুলো মোকাবিলা করে সমাজে সুন্দর ভাবে বসবাস করবে এবং প্রতিষ্ঠিত হবে এটাই কামনা। আমরা সব প্রকার পরামর্শ দিয়ে তাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা শেখাতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তাদের জীবন সুরক্ষিত হোক তারা সমাজকে সুরক্ষিত করুক।

প্যারেন্ট হাউজ যাত্রা শুরু করে ২০১৬ সালে...  আমরা এতিম নিয়ে কাজ করছি, এতিমের সমস্যা আমাদের কাজ৷ এতিমের ভালো রাখা আমাদের ...
24/06/2026

প্যারেন্ট হাউজ যাত্রা শুরু করে ২০১৬ সালে...
আমরা এতিম নিয়ে কাজ করছি, এতিমের সমস্যা আমাদের কাজ৷ এতিমের ভালো রাখা আমাদের দায়িত্ব। এটি একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে, এতিমের সুরক্ষার জন্য এতিমের সহযোগিতা প্রয়োজন উপলব্ধি করে পারস্পরিক সহযোগিতার উপর জোর দিয়ে যাচ্ছে। একের সহযোগিতা অন্যে এগিয়ে আসলে জীবনে আর কোনো সমস্যা থাকবে না একটা এতিম জীবনে৷ সমস্যাসঙ্কুল এতিম জীবনে সহযোগিতা একমাত্র মাধ্যম নিজেদের সুরক্ষার।
প্যারেন্ট হাউজ এর দরজা সবসময়ই খোলা এতিমের জন্য, এতিমকে ভালো রাখবার প্রচেষ্টা আমাদের।

23/06/2026

সবুজের ছোয়া...
আমরা সবুজকে ধারণ করি। প্রাকৃতিক সবুজ আমাদের ভালোবাসা। মানবতা ও প্রকৃতি একই সূত্রে গাথা। আমরা সব সময় মানবতার সাথে রয়েছি, এতিমের সাথে রয়েছি। এতিম অসহায়ত্ব মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। অসহায়ত্ব নিবারণ আমাদের দায়িত্ব।

Address

Parent House
Rangpur
5320

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Parent House posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Parent House:

Shortcuts

Share