ISK Foundation

ISK Foundation Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ISK Foundation, Non-Governmental Organization (NGO), Rangpur.

Islamic Support & Kallyan Foundation একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক ও মানবকল্যাণমূলক ইসলামিক প্রতিষ্ঠান। শিক্ষা, চিকিৎসা, দাওয়াহ, এতিম- বিধবা সহায়তা, খাদ্য ও ত্রাণ কার্যক্রমের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনে কাজ করে। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনই আমাদের মূল লক্ষ্য।

 #রমাদান  #তাকওয়া  #ইসলামিক
21/02/2026

#রমাদান #তাকওয়া #ইসলামিক

১️🌙 সুবহানআল্লাহسبحان الله২️ 🌙আলহামদুলিল্লাহالحمد لله৩️ 🌙 লা ইলাহা ইল্লাল্লাহلا إله إلا الله৪️ 🌙 আল্লাহু আকবারالله أكبر৫...
20/02/2026

১️🌙 সুবহানআল্লাহ
سبحان الله

২️ 🌙আলহামদুলিল্লাহ
الحمد لله

৩️ 🌙 লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ
لا إله إلا الله

৪️ 🌙 আল্লাহু আকবার
الله أكبر

৫️ 🌙 আস্তাগফিরুল্লাহ
استغفر الله

৬️ 🌙 আল্লাহুম্মাগফিরলি
اللهم اغفر لي

৭️ 🌙 ইয়া রব্বিগফিরলি
يا رب اغفر لي

৮️ 🌙 আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান-নার
اللهم أجرني من النار

৯️ 🌙 সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
صلى الله عليه وسلم

10🌙 লা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
لا حول ولا قوة إلا بالله

১️১️ 🌙 লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ্‌-জালিমীন
لا إله إلا أنت سبحانك إني كنت من الظالمين

১️২ 🌙 লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ ﷺ
لا إله إلا الله محمد رسول الله صلى الله عليه وسلم

✨ শেষে বলুন — আলহামদুলিল্লাহ।
ধীরে পড়ুন, মন দিয়ে পড়ুন, অর্থ বুঝে পড়ুন।
অল্প হলেও নিয়মিত জিকির—এটাই সফলতার চাবিকাঠি।

17/02/2026

#রমাদান Everybody Loves Raymond IskFoundation Officials ISK Foundation

ISK Foundation     #সমস্ত  #বাংলাদেশ  #৬৪জেলা   #রমাদান  #নামাজ   #সাহরী  #ইফতার  #সময়
17/02/2026

ISK Foundation #সমস্ত #বাংলাদেশ #৬৪জেলা #রমাদান #নামাজ #সাহরী #ইফতার #সময়

✅ রমজানের আগেই ১১টি আমলের প্রস্তুতি খুবই জরুরি। মুসলিম উম্মাহর দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র রমজান মাস। আর মাত্র কয়েকদিন পে...
17/02/2026

✅ রমজানের আগেই ১১টি আমলের প্রস্তুতি খুবই জরুরি।

মুসলিম উম্মাহর দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র রমজান মাস। আর মাত্র কয়েকদিন পেরুলেই শুরু হবে রমজান।
মুমিন মুসলমানকে মনে রাখতে হবে, রমজান ভোগ, পণ্য মজুত বা বাড়তি মুনাফায় ব্যবসা-বাণিজ্যের মাস নয়, বরং রমজান হলো কোরআন নাজিলের মাস, সংযমের মাস এবং ত্যাগের মাস। এ মাস ইবাদত-বন্দেগির মাস। আল্লাহর রহমত বরকত মাগফেরাত নাজাত ও যাবতীয় কল্যাণ লাভের মাস। তাই এ মাসের আগমনের আগে মুমিন মুসলমানের বিশেষ কিছু করণীয় রয়েছে। সেজন্য এখন থেকে প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। তাহলে রমজান শুরুর আগে মুমিন মুসলমানের সেই প্রস্তুতি ও করণীয়গুলো কী?

➡️ ১. তাওবাহ-ইসতেগফার করা

রমজানের আগের সব গোনাহ থেকে তাওবাহ ইসতেগফার করতে হবে। কোনো অন্যায়কারী যদি ভাবে যে, রমজান চলে এসেছে, আর আমার সব গোনাহ এমনিতেই ক্ষমা হয়ে যাবে। বাস্তবে বিষয়টি এমন নয় বরং আগে থেকে তাওবাহ-ইসতেগফার করে রমজানের যাবতীয় কল্যাণ লাভে নিজেকে প্রস্তুত করা খুবই জরুরি। আর তাতে আল্লাহ তাআলা ওই বান্দার আগের সব গোনাহ মাফ করে দিয়ে রমজানের যাবতীয় কল্যাণ দিয়ে জীবন সুন্দর করে দেবেন। এ জন্য বান্দা বেশি বেশি পড়বে-

> اَللَّهُمَّ اغْفِرْلِىْ : আল্লাহুম্মাগফিরলি,

হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করে দিন।

➡️ ২. রমজানের সব উপকারিতা স্মরণ করা

বরকতময় মাস রমজান সম্পর্কে কোরআন-সুন্নায় যেসব ফজিলত মর্যাদা ও উপকারিতার বর্ণনা রয়েছে, রমজান শুরু হওয়ার আগেই সেসব সম্পর্কে জেনে নেওয়া। সেসব উপকার পেতে কোরআন-সুন্নাহর দিকনির্দেশনাগুলো মেনে চলার প্রস্তুতি নেওয়া। মাস রমজান আসছে, মানসিকভাবে বারবার এ কথার স্মরণ ও নেক আমলের প্রস্তুতি গ্রহণ করতে এ দোয়াটি বেশি বেশি করা-

> اَللَّهُمَّ بَلِّغْنَا رَمَضَانَ : আল্লাহুম্মা বাল্লিগনা রামাদান।

হে আল্লাহ! আপনি আমাদের রমজান পর্যন্ত পৌঁছে দিন। অর্থাৎ রমজান পর্যন্ত হায়াত দান করুন।’

➡️ ৩. রমজানের রোজার মানসিক প্রতিজ্ঞা নেওয়া

রমজান মাসে পরিপূর্ণ সাওয়াব ও ক্ষমা পেতে মানসিকভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করা। জীবনভর যত গোনাহ করেছি এ রমজানে সেসব গোনাহ বা অন্যায় থেকে পরিপূর্ণ ক্ষমা পেতে হবে। সবচেয়ে বেশি সাওয়াব পেতে হবে। রমজান শুরু হওয়ার আগে এ প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করা জরুরি।

আফসোসের বিষয়! অনেক সময় পূর্ব প্রস্তুতি না থাকার কারণে রমজান পেয়েও মুমিন মুসলমান পরিপূর্ণ সাওয়াব ও ক্ষমা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়।

প্রতিজ্ঞা এমনভাবে করা যে, চাকরি-বাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য বা নিজের কাজ যেমনই হোক, আমি আমার বিগত জীবনের সবে গোনাহ থেকে নিজেকে মাফ করিয়ে নেবো। আমার প্রতি আল্লাহকে রাজি-খুশি করিয়েই ছাড়বো ইনশাআল্লাহ।

➡️ ৪. রমজান শুরু আগেই আগের কাজা রোজা আদায় করা

রমজান শুরু হওয়ার আগে বিগত জীবনে অসুস্থ হওয়ার কারণে বা সফরের কারণে রমজানের ফরজ রোজা কাজা হয়ে থাকলে তা যথাযথভাবে আদায় করে নেওয়া। বিশেষ করে মা-বোনদের ভাঙতি রোজা থাকতে পারে। তাই রমজানের আগে শাবান মাসের এ সময়ে কাজ রোজা আদায় করে নেওয়া। এতে দুইটি ভালো আমল বাস্তবায়িত হবে-

প্রথমটি : রমজানের ফরজ আমলের প্রতি আগ্রহ বাড়বে

বিগত জীবনের কাজা রোজা আদায় হবে। রমজানের রোজা পালনের প্রতি আগ্রহ বাড়বে।

দ্বিতীয়টি : সুন্নাতের অনুসরণ হবে।

রমজানের আগের মাস শাবানে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বেশি বেশি নফল রোজা রাখতেন। রমজানের প্রস্তুতি গ্রহণ করতে। কাজা রোজা আদায় করার মাধ্যমে সুন্নাতের অনুসরণও হয়ে যাবে।

➡️ ৫. যাবতীয় গুনাহ থেকে সাধারণ ক্ষমা পাওয়ার চেষ্টা করা

আল্লাহ তাআলা রমজান মাসে অনেক মানুষকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দিয়ে থাকেন। তবে এ সাধারণ ক্ষমা সবার ভাগ্যে জোটে না। কেননা এ ক্ষমা পেতে হলে দুইটি কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। ক্ষমা প্রার্থনা করে তা থেকে ফিরে আসতে হবে। তাহলো-

> শিরক থেকে মুক্ত থাকা।

আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শিরক না করা। কেউ ইচ্ছা কিংবা অনিচ্ছায়, ছোট বা বড় শিরক করে থাকলে রমজান আসার আগেই তা থেকে তাওবাহ-ইসতেগফারের মাধ্যমে ফিরে আসা।

> হিংসা থেকে মুক্ত থাকা।

কারো প্রতি কোনো বিষয়ে হিংসা না করা। কারণ হিংসা মানুসের সব নেক আমলকে সেভাবে জালিয়ে দেয়; যেভাবে আগুন কাঠকে জালিয়ে দেয়। তাই হিংসা পরিহার করে মনকে ক্ষমা লাভে স্বচ্ছ রাখা।

➡️ ৬. রমজানের ফরজ রোজার নিয়ম-কানুন জেনে নেয়া

রমজান মাস আসার আগে রোজা পালনের মাসআলা-মাসায়েল তথা নিয়ম-কানুনগুলো ভালোভাবে জেনে নেওয়া জরুরি। আর তাতে রমজানের রোজা নষ্ট হওয়া থেকে বা মাকরূহ হওয়া থাকে বা অন্যান্য বিষয়গুলো জেনে নেওয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা করা।

➡️ ৭. বিগত রমজানের অসমাপ্ত কাজ চিহ্নিত করা

রমজান মাস আসার আগে বিগত রমজানের নেক আমলগুলো করতে না পারার কারণগুলো খুঁজে বের করার চেষ্টা করা। যেমন-

> কেন নিয়মিত কোরআন অধ্যয়ন করা হয়নি?

> কেন তারাবিহ পড়া হয়নি?

> কেন দান-সহযোগিতা করা হয়নি?

> কেন ইতেকাফ করা হয়নি?

> কেন রোজাদারকে ইফতার করানো হয়নি?

> কেন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা সম্ভব হয়নি?

> কেন কোরআন-সুন্নার আলোচনায় বসা হয়নি?

> কেন রমজানের পরিবারের লোকদের হক আদায় করা হয়নি?

> কেন রমজানের পাড়া-প্রতিবেশি বা আত্মীয়দের হক আদায় করা হয়নি?

এ বিষয়গুলো চিহ্নিত করে নেওয়া। এ বছর রমজান আসার আগে আগে চিহ্নিত কারণগুলো থেকে নিজেকে বিরত রেখে কিংবা প্রস্তুতি গ্রহণ করে কল্যাণকর সব নেক আমল করার প্রস্তুতি গ্রহণ করা।

➡️ ৮. চলতি শাবান মাসজুড়ে রমজানের মহড়া চালু রাখা

রমজান মাসের বেশি বেশি ইবাদত করতে এবং রোজা রাখার জন্য শাবান মাসে বেশি বেশি নফল রোজা রাখা। বেশি বেশি কোরআন অধ্যয়ন করা। নফল নামাজ পড়া। তাওবাহ-ইসতেগফার করা। ত্যাগের মানসিকতা তৈরি করা। দান-সাদকাহ শুরু করা। যাতে এ মহড়ার বাস্তবায়ন পুরো রমজানজুড়ে সুন্দরভাবে চালানো যায়।

➡️ ৯. রমজান মাসজুড়ে ২৪ ঘণ্টার রুটিন করা

রমজান মাসজুড়ে যে যেই কাজেই থাকুক না কেন, পুরো সময়টি কোন কোন কাজে কীভাবে ব্যয় হবে তার একটি সম্ভাব্য রুটিন তৈরি করে নেওয়া। আগাম রুটিন থাকলে রমজানে চরম ব্যস্ততার মাঝেও নেক আমলসহ অন্যান্য কাজগুলোও ইবাদতের মধ্যেই কেটে যাবে। এককথায় সব কাজের তালিকা করে নেওয়া।

➡️ ১০. শাবান মাসের শেষ দিকে রমজানের চাঁদের অনুসন্ধান করা

শাবান মাসের ২৯ তারিখ সন্ধ্যায় চাঁদের অনুসন্ধান করা সুন্নাত। মুছে যাওয়ার পথে থাকা এ সুন্নাতটিকে আবারও জীবিত করার পূর্ব পরিকল্পনা গ্রহণ করা।

বর্তমান সময়ে চাঁদ দেখা (হেলাল) কমিটির দিকে তাকিয়ে থাকা রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। আবার অনেকে মোবাইল বা রেডিও টিভির সংবাদের অপেক্ষা করেন। এতে চাঁদ দেখা এবং দোয়া পড়ার সুন্নাতটি থেকে বঞ্চিত হয় মুমিন মুসলমান। তা থেকে বেরিয়ে এসে চাঁদ অনুসন্ধান করার সুন্নাতটি জীবিত করার সর্বাত্মক পূর্ব প্রস্তুতি রাখা।

> রমজানের চাঁদ দখে নবিজীর দোয়া

যারা রহমতের মাস রমজানের নতুন চাঁদ দেখবে তারা বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পড়া সেই দোয়াটিও পড়বে। যেখানে শান্তি ও নিরাপত্তার প্রার্থনা রয়েছে। হাদিসে এসেছে-

হজরত তালহা ইবনু ওবায়দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন নতুন চাঁদ দেখতেন তখন বলতেন-

اَللهُ اَكْبَرُ اَللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَ الْاِيْمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَ الْاِسْلَامِ وَ التَّوْفِيْقِ لِمَا تُحِبُّ وَ تَرْضَى رَبُّنَا وَ رَبُّكَ الله

উচ্চারণ : আল্লাহু আকবার, আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ঈমানি ওয়াস্সালামাতি ওয়াল ইসলামি ওয়াত্তাওফিকি লিমা তুহিব্বু ওয়া তারদা রাব্বুনা ওয়া রাব্বুকাল্লাহ।

অর্থ : আল্লাহ মহান, হে আল্লাহ! এ নতুন চাঁদকে আমাদের নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের সঙ্গে উদয় কর। আর তুমি যা ভালোবাস এবং যাতে তুমি সন্তুষ্ট হও, সেটাই আমাদের তাওফিক দাও। আল্লাহ তোমাদের এবং আমাদের প্রতিপালক।’ (তিরমিজি, মিশকাত)

> রমজানের চাঁদ দেখলে কিংবা দেখার খবর শুনলেই হৃদয়ের গভীর থেকে আল্লাহর কাছে মুমিনের আকুতিভরা প্রার্থনা হবে এমন-

اللَّهُمَّ سَلِّمْنِي لرمضان، وسلم رمضان لي، وتسلمه مني مُتَقَبَّلاً

উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা সাল্লিমনি লিরমাদান, ওয়া সাল্লিম রামাদানা লি, ওয়া তাসলিমাহু মিন্নি মুতাক্বাব্বিলা।’ (তাবারানি)

অর্থ : হে আল্লাহ! আমাকে শান্তিময় রমজান দান করুন। রমজানকে আমার জন্য শান্তিময় করুন। জন্য রমজানকে শান্তিময় করে দিন। রমজানের শান্তিও আমার জন্য কবুল করুন।

➡️ ১১. রমজানের আগে থেকেই বেশি বেশি দোয়া

রমজানের আগে আল্লাহর কাছে এ প্রার্থনা করা। হে আল্লাহ! আমি যতই চেষ্টা করি, তোমার তাওফিক বা ইচ্ছা না থাকলে আমি যেমন রমজান পাবো না। আবার রমজান পেলেও রবকত লাভে সক্ষম হবো না। সুতরাং রমজান ও রমজানের নেক আমল করার তোমার কাছে চাই।

হে আল্লাহ! রমজানে যত মানুষ সৌভাগ্যবানদের কাতারে নাম লেখাবে, তাদের কাতারে আমাকেও শামিল করো; হে রাব্বুল আলামিন।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে রমজানের আগে উল্লেখিত ১১টি প্রস্তুতি যথাযথভাবে আগাম নিজেদের জীবনে বেশি বেশি করার তাওফিক দান করুন।

☞ ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে ইসলামিক অনুপ্রেরণা কে ফলো দিয়ে রাখুন!

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—“যখন রমজান আসে, তখন জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়...
16/02/2026

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
“যখন রমজান আসে, তখন জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানদের শৃঙ্খলিত করা হয়।”
📖 সূত্র: সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম

11/02/2026

🌿 সূরা নাসর (سورة النصر)

সূরা নম্বর: ১১০
আয়াত সংখ্যা: ৩
নাজিলের স্থান: মাদানী সূরা

---

📖 শানে নুযূল (নাজিল হওয়ার প্রেক্ষাপট)

সূরা নাসর নাজিল হয় মক্কা বিজয়ের পর।
এই সূরায় আল্লাহ তা‘আলা রাসূল ﷺ-কে সুসংবাদ দেন যে—

আল্লাহর সাহায্য এসে গেছে

মানুষ দলে দলে ইসলামে প্রবেশ করবে

এটি ছিল ইসলামের বিজয়ের ঘোষণা।

🔹 সাহাবি হযরত ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন,
এই সূরা নাজিলের মাধ্যমে রাসূল ﷺ-এর দুনিয়ার জীবন সমাপ্তির ইঙ্গিত দেওয়া হয়।
(সহীহ বুখারী)

হযরত উমর (রাঃ) একবার সাহাবিদের জিজ্ঞেস করেছিলেন এই সূরার অর্থ কী?
অনেকে বললেন—এটি আল্লাহর সাহায্য ও বিজয়ের কথা।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) বললেন—এটি রাসূল ﷺ-এর মৃত্যুর সংবাদ।
উমর (রাঃ) বললেন—আমি যা বুঝেছি, তুমিও তাই বুঝেছ।
(সহীহ বুখারী)

অর্থাৎ, বিজয়ের পর নবী ﷺ-কে বেশি বেশি তাসবীহ ও ইস্তিগফার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—এটি ছিল বিদায়ের প্রস্তুতি।

---

🌸 সূরা নাসরের ফজিলত

১️⃣ আল্লাহর সাহায্যের ঘোষণা
এই সূরা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সফলতা ও বিজয় শুধু আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে।

২️⃣ তাওবা ও ইস্তিগফারের শিক্ষা
বিজয়ের সময়েও অহংকার নয়, বরং বেশি বেশি “সুবহানাল্লাহ” ও “আস্তাগফিরুল্লাহ” পড়তে হবে।

৩️⃣ রাসূল ﷺ বেশি বেশি পড়তেন
এই সূরা নাজিলের পর রাসূল ﷺ রুকু ও সিজদায় বেশি করে পড়তেন:

> سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ، اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي
(সহীহ বুখারী, মুসলিম)

৪️⃣ ছোট কিন্তু গভীর অর্থপূর্ণ সূরা
মাত্র ৩ আয়াত হলেও এতে ইসলামের বিজয়, নবুওয়াতের সমাপ্তি ও ইবাদতের শিক্ষা একসাথে রয়েছে।

---

🌿 আমাদের জন্য শিক্ষা

✔️ সফল হলে অহংকার নয়
✔️ আল্লাহর প্রশংসা করতে হবে
✔️ বেশি বেশি তাওবা ও ইস্তিগফার করতে হবে
✔️ দুনিয়ার সাফল্য ক্ষণস্থায়ী—আখিরাতই চিরস্থায়ী

---

আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে কুরআন বুঝে আমল করার তৌফিক দান করুন। আমীন 🤲

10/02/2026

📖 হাদিস (সহীহ বুখারী)

১) নামাজ নষ্টকারীর দুনিয়া–আখিরাতের শাস্তির ইঙ্গিত

সমুরা ইবনে জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্ণিত—
নবী ﷺ এক স্বপ্নের বর্ণনায় বলেন—

> তিনি এমন এক ব্যক্তিকে দেখলেন, যাকে শুয়িয়ে রেখে পাথর দিয়ে মাথা চূর্ণ করা হচ্ছে। মাথা আবার ঠিক হলে পুনরায় চূর্ণ করা হচ্ছে।
ফেরেশতারা বললেন—
“এই লোকটি কুরআন শিখেছিল কিন্তু তা অনুযায়ী আমল করত না এবং ফরজ নামাজে অলসতা করত।”

📚 সহীহ বুখারী, হাদিস নং: ৭০৪৭

➡️ আলেমরা বলেন, ফরজ নামাজে গাফিলতি ও ছেড়ে দেওয়ার পরিণতি কত ভয়াবহ—এ হাদিস তার স্পষ্ট সতর্কতা।

---

২) আল্লাহর বিশেষ হেফাজত ও বরকত হারানো

আবু হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত—
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—

> “ফেরেশতারা ফজর ও আসরের নামাজে একত্রিত হয় এবং যারা নামাজ আদায় করে, তাদের ব্যাপারে আল্লাহর কাছে সাক্ষ্য দেয়।”

📚 সহীহ বুখারী, হাদিস নং: ৫৫৫

➡️ যারা নামাজ ছেড়ে দেয়, তারা এই সাক্ষ্য ও বিশেষ রহমত থেকে বঞ্চিত হয়—এটাই দুনিয়ার বড় ক্ষতি।

---

⚠️ দুনিয়াতে কী কী আযাব/ক্ষতি হতে পারে

আলেমদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী—

জীবনে বরকত উঠে যাওয়া (রিজিক কমে যাওয়া, অশান্তি)

মানসিক অস্থিরতা ও দুশ্চিন্তা বেড়ে যাওয়া

গুনাহের দিকে ঝোঁক বাড়া

দোয়া কবুল না হওয়ার আশঙ্কা

পরিবার ও সমাজে সম্মান ও শান্তি নষ্ট হওয়া

---

🌙 নসিহত

ভাই/বোন, নামাজ শুধু ইবাদত নয়—এটা জীবনের নিরাপত্তা বর্ম।
যে নামাজ কায়েম রাখে, আল্লাহ তার দুনিয়া সহজ করে দেন;
আর যে নামাজ নষ্ট করে, সে নিজের ক্ষতিই ডেকে আনে।

আজ থেকেই ছোট করে শুরু করুন—

সময়মতো এক ওয়াক্ত হলেও জামাতে পড়ার চেষ্টা

আজান শুনলেই কাজ থামিয়ে নামাজ

আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া: “ইয়া আল্লাহ, আমাকে নামাজ কায়েমকারী বানাও”

আল্লাহ তায়ালা যেন আমাদের সবাইকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কায়েম করার তৌফিক দেন এবং দুনিয়া–আখিরাতের আযাব থেকে হেফাজত করেন। আমিন 🤲

10/02/2026

📖 হাদিস (জামে তিরমিজি)

হজরত বুরাইদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত—
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—

> “যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ পরিত্যাগ করে, তার ব্যাপারে আল্লাহর যিম্মাদারি (হেফাজত ও নিরাপত্তা) উঠে যায়।”

📚 জামে তিরমিজি, হাদিস নং: ২২২
(হাদিসটি হাসান বলে গণ্য)

⚠️ এর অর্থ ও আযাবের ইঙ্গিত

এই হাদিস থেকে আলেমরা বলেছেন—

ফজরের নামাজ না পড়লে মানুষ আল্লাহর বিশেষ হেফাজত থেকে বঞ্চিত হয়

দুনিয়াতে বিপদ, অশান্তি ও গুনাহের পথে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়

আর আখিরাতে কঠিন জবাবদিহি ও শাস্তির কারণ হতে পারে

আরেকটি কথা মনে রাখা দরকার—
ফজরের নামাজ ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দেওয়া মুনাফিকির আলামত হিসেবেও হাদিসে উল্লেখ এসেছে (অন্য হাদিসে)।

🌙 নসিহত

ফজরের নামাজ শুধু ফরজই নয়, এটা ঈমানের শক্তির পরিচয়।
ঘুম, অলসতা বা দুনিয়ার কাজ যেন আমাদের আখিরাত ধ্বংসের কারণ না হয়।

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে সময়মতো ফজরের নামাজ আদায় করার তৌফিক দান করুন। আমিন 🤲

10/02/2026
09/02/2026

প্রচন্ড ক্লান্তি আর একরাশ হতাশা নিয়ে যখন আকাশের দিকে তাকাই; তখন মনে হয়, সৃষ্টিকর্তা উপর থেকে সব দেখছেন, আর বলছেন...

আরেকটু ধৈর্য ধরো নিরাশ হয়ো না, 'একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে!'
IskFoundation Officials page name ISK Foundation

Address

Rangpur

Website

https://youtube.com/@iskfoundation26?si=8VmTbdQPsRx4G_Rn

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ISK Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share