Newmuslim Aid Foundation

Newmuslim Aid Foundation বিজ্ঞ ওলামায়ে কেরাম ও নওমুসলিমদের উদ্যোগে অসহায় নওমুসলিমদের কল্যাণে নিবেদিত দ্বীনি সেবামূলক কার্যক্রম
(1)

14/06/2026
নওমুসলিম আবদুল্লাহ (প্রণব) কে গুম করে রেখেছে হি ন্দু রা ==============================আদালতের নিজ জিম্মায় যাওয়ার আদেশ থা...
13/06/2026

নওমুসলিম আবদুল্লাহ (প্রণব) কে গুম করে রেখেছে হি ন্দু রা
==============================

আদালতের নিজ জিম্মায় যাওয়ার আদেশ থাকা সত্ত্বেও অপহ’রণ, জুলুম-নির্যাতন, অত্যা’চারের শিকার ও প্রা’ণনা’শের আশংকায় নওমুসলিম আব্দুল্লাহ ইবনে আবির (প্রণব কুমার মন্ডল)

নওমুসলিম আব্দুল্লাহ ইবনে আবির (প্রণব কুমার মন্ডল) রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট- এ ‘ইলেক্ট্রো মেডিকেল টেকনোলজি’ বিষয়ে ষষ্ঠ সেমিস্টার- এ অধ্যয়নরত ছিল (যাহার রেজি নং ১৫০২১৭৮৮৩৩; বোর্ড রোল ৬২১৪৭২)। এরপরেও একজন সুস্থ মানুষকে মানসিক রোগী হিসেবে উল্লেখ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তার পড়াশোনা বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে তার মা পূর্নিমা রানী মন্ডল।
প্রণব কুমার মন্ডল হিন্দু পরিবারে জন্মগ্রহণ করলেও হি’ন্দু ধর্মের অসারতায় হতাশা-অনাগ্রহ ও ই’সলাম ধর্মের ধর্মীয় নীতির প্রতি গভীর অনুরাগ ছিল। এর-ই প্রেক্ষিতে গত ১১/০৮/২৫ ইং তারিখে রেজি নংঃ ০০০০৪৬২৪ মূলে কারো প্ররোচনা ব্যতীত স্বেচ্ছায় সজ্ঞানে প্রকাশ্যে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নিজের নাম ‘আব্দুল্লাহ ইবনে আবির’ হিসেবে ঘোষণা দেন।

গত ২৬/০৮/২৫ইং তারিখে নিজ জিম্মায় যাওয়ার বিজ্ঞ আদালত আদেশ প্রদান করলেও তা অমান্য করে জোরপূর্বক আটক রাখিয়া শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে যাচ্ছে। নামাজ, মুসলিমদের সাথে সাক্ষাত, কথা-বার্তা, লেখাপড়া বা ক্যাম্পাসে যাতায়াত সহ সব বন্ধ করে দিয়েছে পরিবার।

একজন প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ বিবেকসম্পন্ন শিক্ষিত মানুষকে ইসলাম পালন করার জন্য গত ১৩/০৫/২০২৫ইং হতে সুদীর্ঘ ৮৫ (পঁচাশি) দিন নির্মম দমন নিপীড়ন সহ্য করার পরে গত ০৮/০৮/২৫ইং তারিখে ‘বাপ-মায়ের কথা মতো পরাধীন হয়ে চলাফেরা করবে’- এই শর্ত দিয়ে ভিক্টিমকে অত্যাচার-দমন-পীড়ন থেকে নিবৃত করে বাসায় রাখে। অত্যাচার দমন নিপীড়ন বন্ধ না হলে ভিকটিম প্রণব কুমার গত ১১/০৮/২৫ ইং তারিখে ০০০০৪৬২৪ কারো প্ররোচনা ব্যতীত স্বেচ্ছায় সজ্ঞানে প্রকাশ্যে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নিজের নাম ‘আব্দুল্লাহ ইবনে আবির’ হিসেবে ঘোষণা দেন। পাশাপাশি, সুদীর্ঘকাল যাবত বাবা-মা কর্তৃক জুলুম-নির্যাতনের বর্ণনা ও তাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্নকরণের বিষয়টি উল্লেখ করতঃ স্বেচ্ছায় তার সিদ্ধান্তের বিষয়টি বাবা-মাকে মুখে ও পত্রে জানান।

বোয়ালিয়া থানার জিডি নং-১৪৬৫ ; তারিখঃ ২০/০৮/২০২৫ইং মূলে ‘ধর্ম পরিবর্তন করায় তার পিতা-মাতা ও আত্মীয় নির্যাতন করেন বলে ভিক্টিম নিজে থানায় আসিয়া জানান’- এটি কোর্ট আদেশে উল্লেখ আছে। পরবর্তীতে ষড়যন্ত্রকারীরা অতি গোপণে ভিক্টিমকে গত ২৬/০৮/২০২৫ইং তারিখে কোর্টে তোলে। ভুক্তোভোগী নওমুসলিম নিজেকে সুস্থ ও স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণের বিষয়টি বলে; নিজ জিম্মায় যেতে চায়। কোর্ট তা অনুমোদন দেয়। ভিক্টিমের বিরূদ্ধে আরোপিত সকল অসুস্থতা/মানসিক ভারসাম্যহীনতা, জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণের মত ঘৃণ্য অসত্য অপবাদসমূহ অপনোদন ও ধ্বংস হওয়ার মাধ্যমে ভিক্টিমের সুস্থতা ও স্বেচ্ছায় সজ্ঞানে মুসলিম হবার বিষয়টি দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রমাণিত হয়। কিন্তু, সেখানে মুসলিমদের পক্ষে কোন প্রতিনিধি ছিল না। নিরাপত্তার স্বার্থে বাপ-মায়ের সাথে চলে যায়।

এতদসত্ত্বেও, শিক্ষক-বন্ধুদের দ্বারা বহু অনুনয়-বিনয়ের পরেও চলমান সেমিস্টারের শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখতে বাপ-মা তাকে পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ দেয় নি। পুনঃপরীক্ষার সুযোগ আসা সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত তাকে পরীক্ষায় বসার কোন ধরনের সুযোগ দেয়া হচ্ছে না। এতে তার শিক্ষা কার্যক্রম ও উজ্জ্বল ভবিষ্যত ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

আদালতের আদেশ ‘নিজ জিম্মায় স্বাধীনভাবে জীবন যাপন করা’র বিন্দু মাত্র সুযোগ না পাওয়া প্রণব আব্দুল্লাহ গত ২৬/০৮/২৫ইং তারিখ অপরাহ্ণে আদালত প্রাঙ্গন হতে অদ্যাবধি প্রায় ০১ (এক) মাস যাবত বন্ধু-বান্ধব-শুভাকাঙ্ক্ষী কারো সাথেই যোগাযোগ করতে পারেন নি। তার মোবাইল বন্ধ রেখে তাকে দিনের পর দিন আটক রেখে ধর্মীয় ও শিক্ষার স্বাধীনতা হরণ করে ভিক্টিমের ওপর নির্মম জুলুম-অপরাধ করা হয়েছে। বন্ধু-বান্ধব-সজ্জন-প্রতিবেশী তার জীবন নাশের আশংকায় বারংবার ভিক্টিম ও বিবাদীগণের ফোনকলে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে আসছিলেন। কিন্তু এতদসত্ত্বেও, সর্ব শক্তি ব্যবহার করে ভিক্টিমের সাথে সকলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রেখে আসছেন। ভিক্টিমের ব্যক্তিগত নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। ফোন দেয়া হলে অধিকাংশ সময় ফোন ধরেন না; কদাচিৎ ফোন ধরলেও ও বারংবার পরিচয় দিয়ে যোগাযোগ করা হলেও কস্মিনকালেও যোগাযোগ করিয়ে দেন নাই। ভিক্টিম কি জীবিত আছে কিনা এ নিয়ে তার বন্ধু-শিক্ষক-শুভাকাঙ্ক্ষী মহল অশেষ উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।
আদালতের আদেশ অনুযায়ী ভিক্টিম প্রণব কুমার (আব্দুল্লাহ ইবনে আবির) কে নিজ জিম্মায় স্বাধীন ভাবে চলাচলে বাধা দিয়ে আদালতের আদেশ অমান্য ও অবমাননা করে অপরাধীগণ বিরাট শাস্তির উপযুক্ত হয়েছে। পাশপাশি, আদালতের আদেশ অমান্যকারী ও অবমাননাকারী অপরাধীগণ দ্বারা ভিক্টিম প্রণব কুমার মন্ডল ওরফে আব্দুল্লাহ ইবনে আবির অশেষ অন্যায় ও জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং বর্তমানে উনার প্রা’ণনা’শের আশংকা করা হচ্ছে।

উ'কিল মামলা করতে আর পু'লিশ আইনি পদক্ষেপ নিতে অনাগ্রহ প্রকাশ করছেন। দৌড়াচ্ছেন হাতে গোণা কিছু স্থানীয় ওলামায়ে কেরাম আর বন্ধুমহল।

আমাদের কি উচিত ছিল না এই নওমুসলিম ভাইয়ের পাশে দাঁড়ানোর?
কোন ডকুমেন্ট বা কোর্ট আদেশের অভাব এই নওমুসলিম ভাইয়ের?

এভাবেই অভিভাবকহীন হয়ে আছে একজন নওমুসলিম- যে কিনা ইসলামের স্বাদ পেয়ে সব কিছু ছেড়ে ইসলামে এসেছে; অন্য কোন উদ্দ্যেশ্যে না।

মুসলিম-দের এরূপ অনাকাংক্ষিত অসহযোগিতামূলক বিরূপ আচরণে সামনের দিনগুলিতে নওমুসলিমরা কীভাবে ইসলামের ওপর টিকে থাকবে?

সব ডকুমেন্ট-কোর্ট আদেশ থাকার পরেও ১ মাস ধরে আমার ভাই কেন তার নিরাপত্তার স্বার্থে মুসলিম হয়েও জালেমদের ঘরের মধ্যে নির্যাতিত হতে আগ্রহী হয়েছিলেন?

কারণ, আমরা তার পাশে ছিলাম না; এখনো পাশে নেই।
সে যে আমার ভাই- তা কেউ বলিনি। এটা কেমন মুসলিম দেশ যে দেশের ১৬ কোটি+ মুসলিম- রা তার একজন অসহায় সাহায্যপ্রত্যাশী নওমুসলিমের নিরাপত্তা নিয়ে ভাবিনি !
বরং, নিজেদের Safe Zone নিশ্চিত করার জন্য আমোদ প্রমোদে মগ্ন আছি !

কেন একজন নওমুসলিম সকল আইনি আদেশ ও ডকুমেন্ট হাতে নিয়ে অমু’সলি’মদের হাতে মার খাচ্ছে প্রা’ণনা’শের আশংকায় ?

13/06/2026

ই"স্ক"ন মন্দিরে তিন মাস গুমে থাকা Newmuslim (নওমুসলিমা) আয়েশা সিদ্দিকা জারাকে উদ্ধারের ভিডিও।

যারা নওমুসলিমা বোনকে দ্বীনের পথে চলতে উদ্ধারে সাহায্য করেছেন, উনাদের আল্লাহ তায়ালা উত্তম প্রতিদান দিন।

অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিন। আমিন।
====================
২ মাস আগে হিন্দুদের দ্বারা অপহৃত মহসিন কলেজের শিক্ষার্থী নওমুসলিম আয়েশা সিদ্দিকাকে রাঙামাটির এই আশ্রমে গুম করে রাখা হয়েছিল, যাকে গতকাল প্রশাসন উদ্ধার করে।

উদ্ধার হওয়া নও মুসলিম কলেজছাত্রী আয়েশা সিদ্দিকা জারা (২২), যার পূর্ব নাম তন্নী দে রিপন্না। তিনি চট্টগ্রাম হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজের দর্শন বিভাগের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) চন্দ্রঘোনা থানা পুলিশ ভিকটিমকে তার মাকে সহ উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয়। পরে ঘটনাস্থল ও মামলাধীন থানা এলাকা ঈদগাঁও থানা পুলিশকে চন্দ্রঘোনা থানা পুলিশ বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে বিষয়টি অবগত করলে থানার এসআই মোঃ আজিমুল হকের নেতৃত্বে একটি পুলিশ দল রাঙামাটির উদ্দেশ্যে রওনা দেন বলে নিশ্চিত করেছেন ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ এটিএম সিফাতুলউল্লেখ্য, ভিকটিম তন্নী দে রিপন্না (২২) ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর নাম নেন আয়েশা সিদ্দিকা জারা।

তিনি কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের হিন্দুপাড়ার বাসিন্দা সনজীত কুমার দে ও তাপসী দে দম্পতির মেয়ে। তার পিতা ঈদগাঁও বাজারের মিয়াজী ফার্মেসির সামনে একটি মোবাইল শপের স্বত্বাধিকারী। তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী ঠিকানা পার্বত্য আলীকদম উপজেলা সদরের ২৮৮ নম্বর মৌজার হিন্দুপাড়া। সনাতনী হিন্দু ধর্মাবলম্বী তন্নী দে রিপন্না কলেজে পড়ার সময় মুসলিম সহপাঠীদের চালচলন ও ইসলামী বিধিবিধানে আকৃষ্ট হয়ে প্রায় এক বছর আগে পরিবারের অজান্তে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এরপর তিনি আয়েশা সিদ্দিকা জারা নাম ধারণ করে চট্টগ্রাম নগরীতে থেকে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। নও মুসলিম হওয়ায় তার দেখাশোনা করতেন একই বিভাগের সিনিয়র শিক্ষার্থী শহিদুল ইসলাম। পরবর্তীতে তার আচরণে সন্দেহ হলে বিষয়টি টের পান পিতা-মাতা।

এরই মধ্যে গত ১ মার্চ চট্টগ্রামের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে এফিডেভিটের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন তিনি। যার নম্বর ৯৬/২০২৬। ধর্মান্তরের বিষয়টি জানাজানি হলে পিতা-মাতা ও স্বজনরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং তাকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা চালান।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ২৮ মার্চ আয়েশা সিদ্দিকা জারা চট্টগ্রাম থেকে ঈদগাঁওয়ে এসে বান্ধবীদের সঙ্গে ৩ থেকে ৪ দিন অবস্থান করেন। এ খবর পেয়ে তার পিতা-মাতা ও স্বজনরা ওত পেতে থাকেন। পরে তিনি চট্টগ্রামে ফিরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হলে তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

বন্দি অবস্থায় তিনি ধর্মান্তরের জেরে মা-বাবা ও স্বজনদের দ্বারা তুলে নিয়ে নির্যাতনের কথা জানিয়ে বাদীর কাছে বার্তা পাঠান এবং উদ্ধারের অনুরোধ করেন। এরপর তার সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

স্থানীয় নাঈম ইসলাম অভিযোগ করেন বিশ্ব সনাতন ধর্ম সংঘ নামে যে কেন্দ্রীয় কার্যালয় রয়েছে রাজস্থলীর বাঙ্গালহালিয়ায় সেখানে দেশের বিভিন্ন স্থানের নও মুসলিমদের এনে গোপনে রাখা হয় ও পরবর্তীতে ভারতে পাচার করা হয় বলে তারা বিভিন্ন ভাবে জানতে পারে। তাই এখানে প্রশাসনের নজরদারি রাখা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন বিগত দুই-তিন বছর ধরে এই স্থানটি সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা হলেও কেউ আমলে নেয় নি। বরংচো আরো নানা ধরনের কটু কথা শুনাতো, কেউ গুজব বলতো, কিন্তু আজকের ঘটনায় দিনের আলোর মতো সকল অভিযোগ গুলো সত্য হয়ে গেলো।

#ইসকন
#রাঙামাটি

#নওমুসলিম

Address

Rajshahi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Newmuslim Aid Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share