দাগলাগঞ্জ আলো ফাউন্ডেশন -DAF

দাগলাগঞ্জ আলো ফাউন্ডেশন -DAF একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান

02/03/2026
একদিন এক ইঁদুর খাবার খুঁজতে খুঁজতে রাজার ঘরে প্রবেশ করল। সেখানে কোনো খাওয়ার জিনিস না পেয়ে সে একটি হীরার টুকরো গিলে ফেলল...
27/02/2026

একদিন এক ইঁদুর খাবার খুঁজতে খুঁজতে রাজার ঘরে প্রবেশ করল। সেখানে কোনো খাওয়ার জিনিস না পেয়ে সে একটি হীরার টুকরো গিলে ফেলল। এদিকে হীরা চুরি হওয়ার কারণে রাজপ্রাসাদে হুলুস্থুল কাণ্ড বেধে গেল!

রাজামশাই জ্যোতিষীকে ডাকলেন। গণনা করে জ্যোতিষী বলল, হীরার টুকরোটি একটি ইঁদুর খেয়ে ফেলছে।

সেনাপতি হীরা উদ্ধারের জন্য ঢেঁড়া পিটিয়ে পুরস্কার ঘোষণা করল। এরপর এক শিকারী রাজসভায় এসে বলল, সে ইঁদুর মেরে হীরা উদ্ধার করবে।

শিকারী যখন ইঁদুরটির খোঁজে বের হলো তখন দেখতে পেল, হাজার হাজার ইঁদুর একে অন্যের সাথে দল বেঁধে রয়েছে। আর একটা মাত্র ইঁদুর সবার থেকে আলাদা এক জায়গায় একটি ইটের ওপর বসা যেন সে সিংহাসনে বসে আছে।

শিকারী তখন ওই ইঁদুরটিকে হত্যা করে তার পেট চিরে হীরার টুকরো বের করে রাজার হাতে তুলে দিল।

রাজামশাই অনেক খুশি হয়ে শিকারীকে তার প্রাপ্য পুরস্কার বুঝিয়ে দিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, হাজার হাজার ইঁদুরের মধ্যে তুমি কিভাবে বুঝলে যে ওই ইঁদুরটাই হীরা চুরি করেছে?

শিকারী মৃদু হেসে জবাব দিল, এটা খুবই সহজ মহারাজ! মূর্খ যখন হঠাৎ বিত্তবান হয়ে যায়, তখন নিজেকে অন্যের থেকে আলাদা মনে করে, নিজের জাতির সঙ্গে চলাফেরা এবং মেলামেশা বন্ধ করে দেয়। এই মূর্খ ইঁদুরটাও তাই করেছিল। হীরা চুরি করে নিজেকে সবচেয়ে ধনী এবং ইঁদুরদের রাজা ঘোষণা করে আলাদা ভাবে বসে ছিল।

নীতিকথা: হঠাৎ অর্থাগমে স্বজন বা বন্ধু-বান্ধব ভুলে গেলে ধ্বংস সন্নিকটে।

এই ছবির চারজন ব্যক্তি আপন ভাই-বোন। তাঁরা চারজন প্রেসিডেন্ট জিয়া, প্রেসিডেন্ট এরশাদ, বেগম খালেদা জিয়া এবং শেখ হাসিনার ম...
25/02/2026

এই ছবির চারজন ব্যক্তি আপন ভাই-বোন। তাঁরা চারজন প্রেসিডেন্ট জিয়া, প্রেসিডেন্ট এরশাদ, বেগম খালেদা জিয়া এবং শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী ছিলেন! ভাবা যায়?

আরো ঘটনা আছে, তাঁদের বাবা ছিলেন গোটা পাকিস্তানের স্পিকার! আরো আছে, চলেন বিস্তারিত বলি-

ছবির চারজন হলেন-

১. সাবেক মন্ত্রী প্রখ্যাত সাংবাদিক এনায়েতুল্লাহ খান। তিনি প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সাথে মন্ত্রী ছিলেন।

২. সাবেক মন্ত্রী, সচিব ও রাষ্ট্রদূত কিংবদন্তীর কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ। তিনি প্রেসিডেন্ট এরশাদের সাথে মন্ত্রী ছিলেন।

৩. সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান। তিনি বেগম খালেদা জিয়ার সাথে মন্ত্রী ছিলেন।

৪. রাশেদ খান মেনন, সভাপতি ওয়ার্কার্স পার্টি। তিনি শেখ হাসিনার সাথে মন্ত্রী ছিলেন।

তাঁদের পিতা ছিলেন মরহুম স্পীকার বিচারপতি আব্দুল জব্বার খান। তিনি ছিলেন পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম লীগের সভাপতি। পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার ছিলেন ১৯৬৫ সাল থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত।

চার ভাই-বোন চারটি সরকারের মন্ত্রী ছিলেন। তাঁরা মোট নয় ভাই-বোন ছিলেন। অন্য ভাই-বোনেরাও বেশ স্বনামধন্য ছিলেন। তাঁরা হলেন-

৫. প্রখ্যাত সাংবাদিক, কলামিস্ট সাদেক খান

৬. মুক্তিযোদ্ধা সংগঠক শহীদুল্লাহ খান

৭. প্রবাসী স্থপতি সুলতান মাহমুদ খান (আমেরিকা);

৮. প্রসিদ্ধ ফটোগ্রাফার এলেন খান (অস্ট্রেলিয়া)

৯. ইসলামি চিন্তাবিদ আমানুল্লাহ খান (অস্ট্রেলিয়া)।

এক পরিবারের সব দল-সব মতের মানুষ আছে। তাঁদের ছেলেমেয়েরাও বেশ বড় বড় জায়গায় আছে।

বগুড়াতে পাকিস্থানের প্রধানমন্ত্রীর কবর জানেইনা লোকজনছবিতে যে কবর দুটি দেখতে পারছেন এর মধ্যে একটা তৎকালীন পাকিস্থানের প্র...
22/02/2026

বগুড়াতে পাকিস্থানের প্রধানমন্ত্রীর কবর জানেইনা লোকজন

ছবিতে যে কবর দুটি দেখতে পারছেন এর মধ্যে একটা তৎকালীন পাকিস্থানের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মাদ আলীর কবর। বগুড়া শরীফ উদ্দিন সুপার মার্কেট(সাবেক আলতাফ আলী মার্কেট) এর মধ্যে রয়েছে এই কবর। এই মার্কেট সহ আশেপাশে শত শত বিঘা জমির মালিক ছিলেন এই মোহাম্মাদ আলী। তার বসবাস করার জন্য ছিল বিশাল বড় প্যালেস। তিনি ছিলেন অবিভক্ত পাকিস্থানের প্রধানমন্ত্রী। মৃত্যুর পর তাকে প্যালেসের পাশে এই জায়গায় সমাহিত করা হয়। কালে কালে তার সকল সম্পদ দখল, বিক্রি হয়ে গেছে। তার বসবাস করা প্যালেস মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়া হয়েছে, একটা অংশ নিয়ে তৈরি হয়েছে সুউচ্চ রানার প্লাজা। তার কবরের জায়গাটুকু আগে পুরোটা ঘেরা ছিল। মানুষ ঢুকতে পারতোনা, এখন সেটাও ভেঙ্গে ভিতর দিয়ে রাস্তা করা হয়েছে । হয়তো কিছুদিন পর এই কবরও ভেঙ্গে দোকান তৈরি হবে। কবরের উপর কিছু কিছু জায়গায় ফুলের গাছ লাগানোর জন্য খোপ খোপ করা ছিল। সেখানে এখন ফুলের গাছ নেই, আছে শুধু আগাছা। এই কবরের ভিতর দিয়ে হাজার হাজার লোক প্রতিদিন কেনাকাটা করতে যায়৷ বেশিরভাগ লোক জানেইনা যে এটা একসময়কার পাকিস্থানের প্রধানমন্ত্রীর কবর।

একজন প্রধানমন্ত্রীরই কবর মানুষ চিনতেছেনা, আপনি আমি কোন ক্ষেতের মুলা যে মানুষ মনে রাখবে। মৃত্যুর একবছরের মাথায় দুনিয়ার লোকজন আমাদের ভুলে যাবে। তাহলে কিসের আশায় জমাজমি নিয়ে এত ক্যাচাল ঝগড়া ফ্যাসাদ করেন যেখানে আপনার কবরের সাড়ে তিনহাত জমিও মানুষ দখল করে একদিন বাড়িঘর বানায়ে ফেলবে। আপনার কবরের মাটিটুকুও আপনার থাকবেনা।

প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে বর্ণিতভাবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের দায়িত্ব বণ্টনের গেজেট প্রকাশ।
18/02/2026

প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে বর্ণিতভাবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের দায়িত্ব বণ্টনের গেজেট প্রকাশ।

জাতীয় সংসদ সীমানা স্বাধীনতা পূর্ববর্তী পার্বতীপুর থানার একাংশ ও চিরিরবন্দর থানার একাংশ নিয়ে গঠিত দিনাজপুর-৮ আসন। এই আসনে...
14/02/2026

জাতীয় সংসদ সীমানা

স্বাধীনতা পূর্ববর্তী পার্বতীপুর থানার একাংশ ও চিরিরবন্দর থানার একাংশ নিয়ে গঠিত দিনাজপুর-৮ আসন। এই আসনে খতিবুর রহমান (আওয়ামী লীগ) ৬৩,১৯৫ ভোট এবং পার্বতীপুর থানার বাকী অংশ ও ফুলবাড়ী থানা নিয়ে গঠিত দিনাজপুর-৯ আসনে সরদার মোশারফ হোসেন (আওয়ামী লীগ) ৩৭,৮৮১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন ১৯৭০ সালে।
"সুত্র: আইন সভা ও নির্বাচন অবিভক্ত বাংলা থেকে বাংলাদেশ (১৮৬২-১৯৭২), দিদারুল আলম ভুঁইয়া।"

স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৩ সালে দিনাজপুর-৯ (পার্বতীপুর থানার একাংশ ও ফুলবাড়ী) আসনে প্রথম সংসদে এমপি নির্বাচিত হন সরদার মোশারফ হোসেন এবং দিনাজপুর-৮ (পার্বতীপুর থানার একাংশ ও চিরিরবন্দর থানার একাংশ) আসনে এমপি নির্বাচিত হন শাহ মাহতাব আহমেদ।
১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সীমানা পুনর্নির্ধারন হয়ে পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী নিয়ে দিনাজপুর-১০ আসন গঠিত হয় এবং হাজী মনসুর আলী সরকার (বিএনপি) এমপি নির্বাচিত হন। ১৯৮৪ সালে সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারন করা হলে পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী নিয়ে জাতীয় সংসদ আসন নং-১০ দিনাজপুর-৫ (পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী) আসন হয়।

প্রথম জাতীয় সংসদ থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ পর্যন্ত নির্বাচিত সংসদ সদস্যগন হলেন-
১৯৭৩ সালে প্রথম সংসদে সরদার মোশারফ হোসেন (আওয়ামী লীগ),
১৯৭৯ সালে দ্বিতীয় সংসদে হাজী মনসুর আলী সরকার (বিএনপি),
১৯৮৬ সালে তৃতীয় সংসদে মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার (আওয়ামীলীগ),
১৯৮৮ সালে চতুর্থ সংসদে মোহাম্মাদ সোয়াইব (জাতীয় পাটি),
১৯৯১ সালে পঞ্চম সংসদে পুনরায় মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার (আওয়ামীলীগ),
১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারীতে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ সংসদে এ জেড এম রেজওয়ানুল হক (বিএনপি),
১৯৯৬ সালের জুনে অনুষ্ঠিত সপ্তম সংসদে,
২০০১ সালে অষ্টম সংসদে,
২০০৮ সালে নবম সংসদে,
২০১৪ সালে দশম সংসদে,
২০১৮ সালে একাদশ সংসদে ও
২০২৪ সালে দ্বাদশ সংসদে মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার (আওয়ামীলীগ) লাগাতার এমপি নির্বাচিত হন।
সর্বশেষ সদ্য (২০২৬) অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদে এ জেড এম রেজওয়ানুল হক (স্বতন্ত্র) সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

হোটেল কর্মচারী গরিব পিতা নিজের মেয়েকে কাজে দেন বিরাট আমলার ঘরে। আমলাটি বিমান বাংলাদেশের এমডি। সরকারের সবচে' দূর্নীতিগ্রস...
03/02/2026

হোটেল কর্মচারী গরিব পিতা নিজের মেয়েকে কাজে দেন বিরাট আমলার ঘরে। আমলাটি বিমান বাংলাদেশের এমডি। সরকারের সবচে' দূর্নীতিগ্রস্থ প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি।

কথা ছিল নিজের মেয়ের মত দেখে রাখবে, ভাত-ভাত-কাপড়ের বন্দোবস্ত করবে, পড়াশোনাও করাবে। বড়ো হলে বিয়েসহ যাবতীয় খরচই তারা বহন করবে।

অসহায় পিতা তাতে রাজি হয়ে গত বছরের জুন মাসে তিনি তার ১১ বছর বয়সী মেয়েটাকে এই বাসায় দেন।

গত পাঁচ ছয় মাস ধরে তিনি সন্তানের সঙ্গে দেখা করতে গেলেও নানা অজুহাতে দেখা করতে দেয়নি তাঁরা। নানা প্রবোধ, ভালো থাকার গল্প শুনিয়েছে।

এরপর গত জানুয়ারির শেষ দিনে দুপুরবেলা জানান, তার মেয়েটি অসুস্থ। তিনি পাগলপ্রায় হয়ে মেয়েকে আনতে যান।

তাকে ঘরের ভেতরে ঢুকতে পর্যন্ত দেওয়া হয় নি। বিকেল পেরিয়ে সন্ধ্যা গড়ালে ৭টার দিকে বাড়ির বাইরে এই আহত, আর্ত, ক্ষত বিক্ষত হয়ে যাওয়া মেয়েকে বুঝিয়ে দেন।

সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠানে প্রধান দায়িত্বে থাকা একজন কর্তার পরিবারে এই মেয়েটি প্রতিদিন নির্যাতনের শিকার হয়েছে।

অথচ এই শিশুটিকে নেওয়া হয়েছিল আরেকটা শিশুর খেয়াল রাখতে। মারধর, খুন্তি গরম করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছেঁকা দিয়ে গুরুতর জখম করে।

একটা বাচ্চা মেয়েকে পৈশাচিক নির্যাতনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে দিনের পর দিন!

ছবিতে মেয়েটি এবং বিমান বাংলাদেশের সভ্য এমডি।

তাকে ও তার স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই গ্রেফতার নিশ্চয় কদিন পর মুক্তিতে পরিণত হবে। বিচার কি হবে?

উইনস্টন চার্চিল একবার যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থার একটি গল্প বলেছিলেন।একদিন তিনি একটি সাক্ষাৎকারের জন্য BBC (...
02/02/2026

উইনস্টন চার্চিল একবার যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থার একটি গল্প বলেছিলেন।

একদিন তিনি একটি সাক্ষাৎকারের জন্য BBC (ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন) অফিসে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ট্যাক্সি নেন। সেখানে পৌঁছে তিনি চালককে অনুরোধ করেন, তিনি ফিরে আসা পর্যন্ত যেন প্রায় চল্লিশ মিনিট অপেক্ষা করেন। চালক ভদ্রভাবে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, তিনি অপেক্ষা করতে পারবেন না, কারণ তাকে বাড়ি গিয়ে উইনস্টন চার্চিলের ভাষণ শুনতে হবে।

চালকের এই আগ্রহ ও নিষ্ঠা দেখে চার্চিল বিস্মিত ও আনন্দিত হন। নিজের পরিচয় না দিয়ে তিনি পকেট থেকে দশ পাউন্ড বের করে চালককে দেন এবং গাড়ি থেকে নামেন।

টাকা হাতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই চালকের মনোভাব বদলে যায়। তিনি বলেন, “স্যার, আপনি যতক্ষণ চান আমি অপেক্ষা করব। চার্চিল জাহান্নামে যাক!”

এই ঘটনাই অনেক কিছু বুঝিয়ে দেয়।

টাকার শক্তি অদ্ভুত। টাকার জন্য নীতি বদলে যায়। টাকার জন্য দেশ বিক্রি হয়ে যায়। টাকার জন্য সম্মান বিসর্জন দেওয়া হয়। টাকার জন্য পরিবার ভেঙে যায়, বন্ধুত্ব নষ্ট হয়, মানুষ খু*ন হয়, আর মানুষ টাকার দাসেও পরিণত হয়।

এটাই সেই শিক্ষা।

18/01/2026

দাগলাগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ আকতার হোসেন দুলাল স্যারের বাবা আজ দুপুর ২ টা ৩০ মিনিটে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন...

❤️❤️পার্বতীপুরের নামকরণের ইতিহাস। ❤️❤️ইংরেজ ইতিহাসবিদ মিস্টার মাটিনের বিবরণ ও বেল সাহেবের মৌজা ম্যাপের পরিসংখ্যানে এই পা...
16/01/2026

❤️❤️পার্বতীপুরের নামকরণের ইতিহাস। ❤️❤️ইংরেজ ইতিহাসবিদ মিস্টার মাটিনের বিবরণ ও বেল সাহেবের মৌজা ম্যাপের পরিসংখ্যানে এই পার্বতীপুর অঞ্চলে প্রাচীন অনেক চিহ্ন উল্লেখ করা হয়েছে ।

❤️এই অঞ্চলটি মূলত খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দ থেকে বারোশো খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত হিন্দু এবং বৌদ্ধদের বিচরণ অর্ধেক অর্ধেক ছিল এরপরে মুসলমানদের আগমন এবং বিস্তার শুরু হয়।। খ্রিস্টপূর্ব ৫৬৩ সালে নেপালের লুভিং কি এলাকায় বুদ্ধদেব জন্মগ্রহণ করার কারণে দিনাজপুরের পার্বতীপুর অঞ্চলটা খুব দূরে ছিল না। ফলে এ অঞ্চলে খুব দ্রুত বৌদ্ধ ধর্মের বিকাশ ঘটে ও বিভিন্ন ধরনের বৌদ্ধ বিহার ধর্মশালা ও সাধন কেন্দ্র স্থাপিত হয়।সম্রাট অশোকের কলিঙ্গ যুদ্ধ সমাপ্তির পর তিনি বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেন অহিংস চিন্তার মধ্য দিয়ে। বিশেষত বৌদ্ধ ধর্মের চর্চা ব্যাপকভাবে এই প্রাচীন পার্বতীপুর অঞ্চলে শুরু হয়।

❤️প্রথম শতকের দিকে এই অঞ্চলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সমৃদ্ধশালী হিন্দু রাজারা বসবাস করত। তেমনি বর্তমানে করতোয়া নদীর পার্বতীপুরের ফকিরা বাজার সংলগ্ন এলাকার কিচক রাজার একটি স্বাধীন রাজ্য ছিল। এই কিচক রাজার ধন সম্পদে ভরপুর রাজ্যটি ছিল। এখনও পর্যন্ত নদীর পশ্চিম তীরে যে গড়টি টিকে আছে তা দর্শনীয় স্থান হিসেবে বিবেচিত আছে। কিন্তু স্থানীয় লোকজন তা নিশ্চিহ্ন করে ফেলেছে। আয়তন অর্ধ কিলোমিটার সমতল ভূমি থেকে উচ্চতা ৩০ ফুট এবং পার্শ্ব ৫০০ ফুট পরীখা পরিবেশিত ছিল।জায়গায় জায়গায় ধ্বংসের স্তুপ হয়ে গেলেও গড়ের স্বরূপ এখনো অখ্যাত ।এখান থেকে ১০০ গজ দূরে দুটি প্রাচীন আমলের পুকুর রয়েছে নাম উসাহার ও কাশাহার এর এক মাইল উত্তরে একটি স্থান ছিল যা হীরা জিরার ভিটা নামে পরিচিত ।

❤️স্থানীয় জনশ্রুতি প্রচলিত গাথা পুথি অনুযায়ী কথিত জায়গাটিতে কিচক নামের রাজার যাতায়াত ছিল। হিরা জিরার ভিটায় দুই বোন বসবাস করত এই দুই বোনের মধ্যে হীরা কে কিচক রাজা বিয়ে করেন । এবং তাদের ঘরে একটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করে। রাজা অনেক আদর করে কন্যাটির নাম রাখেন পায়রাবতী। পায়রাবতী অপরূপ সুন্দর হওয়ার কারণে রাজা খুব দুশ্চিন্তায় পড়ে যায়। রাজা ঢোল দেয় তার কন্যা পায়রাবতীকে বিয়ে দিবে।

❤️বিভিন্ন জায়গায় থেকে রাজপুত্ররা এসে পায়রাবতীকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। কথিত আছে চন্দ্রনাথ নামে এক রাজপুত্র পায়রাবতীকে বিয়ে করে। এর কিছুদিন পর ডাকাত হানা দেয় ধনসম্পদ লুটের আশায় এবং পায়রাবতীর স্বামীকে ডাকাত দল হত্যা করে। পায়রাবতীকে ডাকার দল অপহরণ করে কথিত পৌরাণিক অবকাশে পায়রাবতীকে দিমালিকা দীঘিকা( বর্তমান বাসুপাড়া অঞ্চলে এই পুকুরটি অবস্থিত)। এবং ডাকাত দুর্বৃত্ত কতৃক অপহিত পায়রাবতী লাঞ্ছিত হয়। এই অপমান সহ্য করতে না পেরে পায়রাবতী এই দিমালিকা দীঘিকা তে আত্মহত্যা করেন।

❤️এই নিষ্ঠুর এবং বেদনাক্ত ঘটনা কিচক রাজা সহ্য করতে না পেরে স্ত্রী তার রাজবাড়ী এবং তার রাজ্য ছেড়ে চলে যান ।তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায় না কোনদিন।এই ঘটনার পর এলাকার মানুষের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে শতাব্দীর পর শতাব্দি মানুষ এই ঘটনাটিকে কষ্ট ভরে স্মরণ করতো। কিচক রাজার কন্যা পায়রাবতীর নাম অনুসারে ধীরে ধীরে এই অঞ্চলটি পার্বতীপুর নামে আবির্ভাব হয় বলে অনুমান করা হয়।।

❤️কথিত আছে এই করতোয়া নদীকে কেন্দ্র করে যে হিন্দু এবং বৌদ্ধ ধর্মের বিকাশ ঘটেছিল তার মধ্যে খোলাহাট নামক স্থানে বর্তমান যেখানে বার্নি হয় সেই স্থানে হিন্দু ধর্মাবলীর লোকেরা হিন্দু দেবী পার্বতীর নামে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান করত এই অনুষ্ঠান টার নাম ছিল পূজা দিগন্ত। এবং এই অনুষ্ঠান টি অত্যন্ত ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছিল। হিন্দু দেবী পার্বতীর নামে এই অঞ্চলের হিন্দু জনগোষ্ঠীর ভক্তি ও শ্রদ্ধার নির্দেশনস্বরূপ দূর-দূরান্ত থেকে এই অঞ্চলে পূজা পার্বণ করতে আসত। সেই পার্বতী দেবীর নামেই ধীরে ধীরে এই অঞ্চলটি ইতিহাসের পরিক্রমায় এবং বিবর্তনে আজকের এই পার্বতীপুর।।

❤️তবে এই ইতিহাস কিছু পুথি প্রবাদ বাক্য কিংবদন্তি পৌরাণিক কাহিনীর জনশ্রুতি সমর্থিত।

ইমরান খান ও জেমিমা খানের বিবাহ বিচ্ছেদের সময় বিচারক ঘোষণা করলেন, জেমিমার সম্পত্তির অর্ধেক (১২ হাজার কোটি পাউন্ড) পাবেন ...
12/01/2026

ইমরান খান ও জেমিমা খানের বিবাহ বিচ্ছেদের সময় বিচারক ঘোষণা করলেন, জেমিমার সম্পত্তির অর্ধেক (১২ হাজার কোটি পাউন্ড) পাবেন ইমরান খান!

ইমরান খান উত্তর দিলেন, তার কোনো দরকার নেই মহামান্য আদালত।

বিচারক আশ্চর্য হয়ে গেলেন। জেমিমাকে জিজ্ঞেস করলেন, তিনি কেন এরকম নির্লোভ এবং মহান একজন স্বামীর সাথে বিচ্ছেদ চাচ্ছেন?

জেমিমার জবাব ছিল, ইমরান খান যদি লন্ডনে তার সাথে বসবাস করেন তাহলে তিনি এই বিচ্ছেদ চাইবেন না। বিচারক জিজ্ঞেস করলেন, জেমিমা, আপনি কেন পাকিস্তানে থাকতে চান না?

জেমিমার জবাব ছিল, পাকিস্তানের কলুষিত রাজনীতির নোংরা শিকারে পরিণত হচ্ছেন তিনি। তাকে মিথ্যা স্মাগলিং মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।

বিচারক ইমরান খানকে জিজ্ঞেস করলেন, তিনি কেন লন্ডনে থাকতে চাচ্ছেন না?

ইমরান খানের উত্তর ছিল, পাকিস্তান অনেক গরিব দেশ। এই দেশ অশিক্ষা, দারিদ্র্য, কুসংস্কার আর অবিচারে পরিপূর্ণ। তিনি কিছু একটা করতে চান দেশের জন্য। তাই লন্ডনে থাকা তার জন্য সম্ভব নয়।

বিচারক বললেন, সেক্ষেত্রে বাচ্চা দুজন তাদের মায়ের সাথে থাকবে। ইমরান সানন্দে রাজি হলেন এবং বললেন, জেমিমা অত্যন্ত চমৎকার একজন স্ত্রী এবং তার চেয়েও চমৎকার একজন মা, সুতরাং বাচ্চাদের তার কাছেই থাকা উচিত।

বিচারক আশ্চর্য হয়ে তাকিয়ে রইলেন ইমরান খানের দিকে। ইমরান খানের সাথে হাত মেলালেন এবং তার পরপরই বিবাহ বিচ্ছেদ ঘোষণা করলেন।

জেমিমা এবং ইমরান খান পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকলেন।

Address

Saidpur Road, Daglagonj Bazar
Parbatipur
5250

Telephone

+8801729804319

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দাগলাগঞ্জ আলো ফাউন্ডেশন -DAF posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to দাগলাগঞ্জ আলো ফাউন্ডেশন -DAF:

Share