SHF family BD

Call Contact the organization

SHF family BD Assalamu alykum.We are SHF Family BD just simply a family of four members. Parents, daughter & son.

আলহামদুলিল্লাহ। মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর বৃক্ষরোপন কর্মসূচির সাথে, একাত্মতা ঘোষনা করে, ফারুকী ফাউন্ডেশন স্কুলের কোমলমতি ছা...
04/08/2026

আলহামদুলিল্লাহ।
মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর বৃক্ষরোপন কর্মসূচির সাথে, একাত্মতা ঘোষনা করে, ফারুকী ফাউন্ডেশন স্কুলের কোমলমতি ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে বৃক্ষ বিতরণের আয়োজন করে।সার্বিক সহযেগীতায় আছে PSDO

পাবনা জেলাস্থ ভাংগুরা উপজেলার চরপাড়া, ভেড়ামারা এবং পাটুলীপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণের অংশ হিসেবে গতকাল ০৩.০৮.২০২৬ ইং ভেড়ামারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের মাঝে চারা বিতরণ ও স্কুল প্রংগনে চারা রোপণ করা হয়।

Personal deer collection
18/07/2026

Personal deer collection

থাইল্যান্ডের একদম দক্ষিণে, মালয়েশিয়া সীমান্তের কাছাকাছি আন্দামান সাগরে লুকিয়ে থাকা এক টুকরো স্বর্গের নাম কোহ লিপে (Koh L...
10/07/2026

থাইল্যান্ডের একদম দক্ষিণে, মালয়েশিয়া সীমান্তের কাছাকাছি আন্দামান সাগরে লুকিয়ে থাকা এক টুকরো স্বর্গের নাম কোহ লিপে (Koh Lipe)।
থাই ভাষায় একে ভালোবেসে মালদ্বীপের সাথে তুলনা করে বলা হয় "থাইল্যান্ডের মালদ্বীপ"। আপনি যদি ফুকেটের কোলাহল বা পাতং চড়া মিউজিক থেকে দূরে গিয়ে কাঁচের মতো স্বচ্ছ নীল পানি আর ধবধবে সাদা বালুর সৈকতে হারিয়ে যেতে চান, তবে কোহ লিপে আপনার জন্য পারফেক্ট জায়গা।

একদম সহজ ভাষায় এই চমৎকার দ্বীপটির একটি বাস্তব গাইডলাইন নিচে দেওয়া হলো:

🏝️ কোহ লিপের প্রধান ৩টি সৈকত (কোনটি কেমন ভাইব?)
এই পুরো দ্বীপটি এতই ছোট যে আপনি চাইলে হেঁটে হেঁটেই পুরোটা ঘুরে শেষ করতে পারবেন। এখানে মূলত ৩টি প্রধান সৈকত আছে:
পাতায়া বিচ (Pattaya Beach): দ্বীপের সবচেয়ে বড় ও প্রাণবন্ত সৈকত। আপনি যখন মেইনল্যান্ড থেকে স্পিডবোটে করে দ্বীপে নামবেন, এই সৈকতটাই আপনাকে প্রথম স্বাগত জানাবে। এখানে নরম বালু, চমৎকার সব রিসোর্ট আর রাতে বিচ-বারগুলোতে ফায়ার শো (Fire Show) দেখার দারুণ ব্যবস্থা আছে।
সানরাইজ বিচ (Sunrise Beach): শান্ত স্বভাবের মানুষদের জন্য এটি সেরা। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে সমুদ্রের বুক চিরে সূর্য ওঠার দৃশ্য দেখার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। এখানকার পানি কাঁচের চেয়েও স্বচ্ছ, আর একদম শান্ত।
সানসেট বিচ (Sunset Beach): এটি বেশ ছোট আর নিরিবিলি। বিকেলবেলা এখানে বসে ঠান্ডা কোনো ড্রিংকস হাতে নিয়ে দিগন্তে সূর্য ডুবে যাওয়া দেখার চেয়ে আরামদায়ক আর কিছু হতে পারে না।
🚶 ওয়াকিং স্ট্রিট: দ্বীপের প্রাণকেন্দ্র
বিকেলের পর যখন রোদ কমে আসে, দ্বীপের সব পর্যটক এসে জড়ো হয় 'ওয়াকিং স্ট্রিট' (Walking Street)-এ। পাতায়া বিচ আর সানরাইজ বিচকে জোড়া দেওয়া এই সরু গলিটি চমৎকার সব লোকাল সি-ফুড রেস্তোরাঁ, ক্যাফে, ম্যাসাজ শপ আর স্যুভেনির দোকানে জমজমাট থাকে। এখানকার তাজা মাছ বারবিকিউ করে খাওয়ার স্বাদ মুখে লেগে থাকার মতো।

🐠 পানির নিচের এক অন্য জগৎ (স্নরকেলিং)
কোহ লিপের আসল সৌন্দর্য কিন্তু মাটির ওপরে নয়, পানির নিচে। এটি তারুতাও ন্যাশনাল মেরিন পার্ক-এর অংশ হওয়ায় এখানকার প্রবাল প্রাচীর (Coral Reefs) থাইল্যান্ডের মধ্যে অন্যতম সেরা ও সুরক্ষিত। একটা ডে-ট্রিপের বোট ভাড়া করে চলে যেতে পারেন আশেপাশের ছোট দ্বীপে। স্নরকেলিং করার সময় মনে হবে আপনি কোনো রঙিন অ্যাকোডিয়ামের ভেতরে সাঁতার কাটছেন—চোখের সামনে ঘুরে বেড়াবে নিমো ফিশ, কচ্ছপ আর নানা রঙের অদ্ভুত সব সামুদ্রিক জীব।

⛴️ কীভাবে যাবেন? (একটু দুর্গম, কিন্তু মূল্যবান)
কোহ লিপে পৌঁছানো ফুকেটের মতো সহজ নয়, আর ঠিক এই কারণেই দ্বীপটির সৌন্দর্য এখনও এত আদিম রয়ে গেছে।
সেরা উপায়: ব্যাংকক থেকে ফ্লাইটে প্রথমে হ্যাট ইয়াই (Hat Yai) এয়ারপোর্টে নামতে হয়। সেখান থেকে গাড়িতে প্রায় ২ ঘণ্টা গিয়ে পৌঁছাতে হয় পাকবারা পিয়ার (Pakbara Pier)। এই পিয়ার থেকে স্পিডবোটে করে আরও ১.৫ থেকে ২ ঘণ্টা সমুদ্র পাড়ি দিলেই দেখা মিলবে কোহ লিপের পান্না সবুজ পানির।
বিকল্প উপায়: লংকাউই (মালয়েশিয়া) থেকেও সরাসরি ফেরিতে করে এখানে আসা যায় (খুবই কাছাকাছি)। তবে বাংলাদেশীরা আসতে পারে কিনা আমি শিউর না। যদি কারো অভিজ্ঞতা থাকে মন্তব্যে জানাবেন।
💡 কিছু প্র্যাক্টিক্যাল টিপস (যা আগে জানা দরকার)
জুতা ছাড়া ঘোরার আনন্দ: এই দ্বীপে কোনো বড় গাড়ি নেই, শুধু কিছু মোটরবাইক ট্যাক্সি আছে। পুরো দ্বীপে আপনি খালি পায়ে বা শুধু একটা স্যান্ডেল পরেই পুরো ছুটি কাটিয়ে দিতে পারবেন।
প্লাস্টিক নিয়ে সতর্কতা: পরিবেশ রক্ষায় দ্বীপে প্লাস্টিক ব্যাগ বা বোতল ব্যবহারের ওপর কড়া নজরদারি থাকে।

সংগৃহীত

ভাইরে ভাই, চাটুকারিতার দিন যে শেষ, সেটা আজকে একদম হাড়ে  হাড়ে বুঝিয়ে দিলেন তারেক রহমান! এক বিজ্ঞান মেলায় এক স্টুডেন্ট যেই...
30/06/2026

ভাইরে ভাই, চাটুকারিতার দিন যে শেষ, সেটা আজকে একদম হাড়ে হাড়ে বুঝিয়ে দিলেন তারেক রহমান!
এক বিজ্ঞান মেলায় এক স্টুডেন্ট যেই না একটু 'তেল' মারতে চাইল, অমনি খেলেন বড়সড় এক ঝাড়ি।
ছেলেটা বলেছিল, "তারেক রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ.কিন্তু কথা শেষ করার আগেই তাকে মাঝপথে থামিয়ে দেওয়া হলো।মুখে চওড়া হাসি নিয়ে তারেক রহমান যা বললেন, সেটা শুনে চাটুকারদের কলিজা কাঁপতে বাধ্য।তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, "না না, আমি কোনো সোনার বাংলাদেশ বানাতে চাচ্ছি না।

এই এক কথাতেই যেন দেশের সব মিথ্যে আশার বেলুন আর ভন্ডামি ফুটো করে দিলেন তিনি।তিনি চাইলেন এক 'নরমাল বাংলাদেশ'—যেখানে নিয়ম থাকবে, ইনসাফ থাকবে, কিন্তু কোনো নেতার প্রতি অন্ধ স্তুতি থাকবে না। বড্ড গায়ে লাগার মতো সত্য কথা, তথাকথিত তেলবাজদের গালে যেন সপাটে এক চড় বসিয়ে দিলেন!

স্বপ্নটা আকাশছোঁয়া অলীক সোনার বাংলার নয়, বরং সাধারণ মানুষের বাসযোগ্য একটা সাধারণ মাটির বাংলার।অন দ্য স্পট বুঝিয়ে দিলেন যে, চাটুকারিতা আর তৈলাক্ত কথা দিয়ে তাকে ভোলানো সম্ভব নয়।স্যালুট এই মানসিকতাকে, এই তো আসল লিডারের পরিচয়—যিনি চাটুকারিতা ঘৃণা করেন!এমন এক 'নরমাল বাংলাদেশ' গড়তেই এখন আমাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন।

বন্ধুদের সাথে সুখী সময়
27/06/2026

বন্ধুদের সাথে সুখী সময়

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্রি এন্ড ফেয়ার ইলেকশনের মাধ্যমে জনগণের ম্যানডেট নিয়ে ক্ষমতায় বসেছেন।তিনি প্রথম বিদেশ স...
26/06/2026

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্রি এন্ড ফেয়ার ইলেকশনের মাধ্যমে জনগণের ম্যানডেট নিয়ে ক্ষমতায় বসেছেন।

তিনি প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে মালয়েশিয়ার পরে চীনকে বেছে নিলেন।

চীন যেভাবে তাকে ট্রিটমেন্ট দিচ্ছে, তা আত্বমর্যাদার। এই ধরনের রিসিপশন দেখে আমি খুবই উচ্ছ্বসিত। লাল কার্পেট বিছিয়ে শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী এবং প্রেসিডেন্টের আন্তরিক রিসিপশান।

বাংলাদেশে যেসব এজেন্ডা নিয়ে চীনে গেছে তার ৮০-৯০% এজেন্ডায় বাস্তব প্রতিফলনের পজিটিভ দিকে রয়েছে।

চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে তেরটি সমঝোতায় সই, ২টি চুক্তি ও ১টি অ্যাকশন প্ল্যানে সই শেষ হলো। যেখানে বাংলাদেশের মানুষের দীর্ঘ প্রতিক্ষিত তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কারিগরি সহয়তা থেকে মোংলা বন্দরের অর্থনৈতিক অঞ্চলে অর্থায়নও রয়েছে। দেশের সামরিক খাতে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান কেনার সমঝোতাও আছে।

চীনের প্রধানমন্ত্রী ‘ঐতিহাসিক গ্রেট হলে’ যেভাবে আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লালগালিচায় সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার দিলেন, এটি আমাদের জন্য গর্বের।

প্রেসিডেন্ট শি জিংপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠক হয়েছে।

আত্মমর্যাদাবোধ ও পারস্পরিক সহযোগিতার মানসিকতা এই সফরে বিশেষ ভাবে প্রকাশিত হয়েছে।এখন দেখার বিষয় প্রতিবেশী দেশ ভারত এবং অন্যান্য পরাশক্তির সাথে সম্পর্ক কিভাবে এগিয়ে নেয়।

সাধারণত একটি দেশের প্রধানমন্ত্রী কিংবা রাষ্ট্রপতি শাসিত দেশে রাষ্ট্রপতি যখন অন্যদেশ সফর করেন, তখন দেশটির চাওয়া-পাওয়া নিয়...
23/06/2026

সাধারণত একটি দেশের প্রধানমন্ত্রী কিংবা রাষ্ট্রপতি শাসিত দেশে রাষ্ট্রপতি যখন অন্যদেশ সফর করেন, তখন দেশটির চাওয়া-পাওয়া নিয়েই যান, সেখানে ডেসটিনেশন দেশের এক্সপেক্টেশন থাকে কম; কিন্তু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর এ সফর ঘিরে মালেশিয়া যেভাবে ট্রিট করেছে, তা প্রত্যাশার চেয়েও অনেক বেশি।

তারেক রহমানের মাত্র ১দিনের সফর। বেসিকলি একদিনও না, প্রায় ১৫-১৬ ঘন্টা। এই সময়ের ভেতরে ওয়ান-টু-ওয়ান বৈঠক, সীমিত ডেলিগেট নিয়ে বৈঠক এরপর বৃহৎ পরিসরে বৈঠকে ১০-১২টি বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো প্লাস ১টি চুক্তি ১টি অ্যাকশন প্ল্যান স্বাক্ষর সম্পন্ন করা, বিশাল এচিভমেন্ট।

গতকাল দেশের একজন মন্ত্রী জানিয়েছেন, বঙ্গোপসাগরে তেলের খনি চিহ্নিত করা গেছে, আমরা শীঘ্রই উত্তোলনে কাজ শুরু করব। তারেক রহমান গতকাল ওয়ান-টু-ওয়ান বৈঠকে আনোয়ার ইব্রাহিমকে প্রপোজ করেছেন সমুদ্রে বাংলাদেশ জ্বালানির সন্ধানে কাজ শুরু করলে মালেশিয়া যেন সেখানে ইনভেস্ট করে। আনোয়ার ইব্রাহিমও পজিটিভ রেসস্পন্স করেছেন। গ্রেইট। আগে থেকেই কাজ আগায় রাখা হচ্ছে ইনভেস্টর পেতে যাবে প্রবলেমে না পড়তে হয়।

আসিয়ানের সদস্য হতে বাংলাদেশকে মালেশিয়াকে সমর্থন দেবে বলেও কমিটমেন্ট দিছে। হালাল অর্থনীতিতে দু-দেশ, একে-অপরের সহযোগী হয়ে সমন্বয় করবার মাধ্যমে কাজ করবে।

দু-দেশের যৌথ বিবৃতির ভাষা থেকে এই ধারণা পরিষ্কার, রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে আন্তর্জাতিক প্লাটফর্মে যদি কিন্তু ছাড়া মালেশিয়া সব রকমের সাপোর্ট দেবে বাংলাদেশকে।

সামনে শুরু হবে জাতিসংঘের ৮১তম জেনারেল এসেম্বলি। সেখানে সর্বোচ্চ চেয়ার প্রেসিডেন্টের আসনে বসে ডিবেট পরিচালনা করবেন আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

অল্প সময়ের সফরে আনোয়ার ইব্রাহিম যেভাবে আনাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধিদের ট্রিটমেন্ট দিয়েছেন, জাতি হিসেবে আমাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত। এই সম্মান শুধু তারেক রহমান একা পেলেন না, এটা পুরো দেশের সম্মান।

আনোয়ার ইব্রাহিম তার দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে ও লেখার মাধ্যমে এশিয়াকে ঘিরে চিন্তার প্রকাশ ঘটিয়েছেন একটি রেঁনেসা তৈরি করা। যেখানে বহুসংস্কৃতির মেলবন্ধনে জাতি গড়ে ওঠবে, মানুষে মানুষ সম্পর্ক গড়ে ওঠবে পারস্পরিক সহযোগিতা ও মূল্যাবোধেরভিত্তিতে। ব্যক্তির কাছে সমষ্টি হারিয়ে যাবে না, আবার সমষ্টির কাছেও ব্যক্তি বিলিন হয়ে যাবে না।

তারেক রহমানকে যেভাবে আপ্যায়ন করেছেন, মনে হচ্ছে তিনি অনুধাবন করতেছেন- সাউথ এশিয়ায় মুসলিম এক রাইজিং স্টারের উত্থান ঘটতেছে। সাউথ এশিয়াকে ঘিরে তার যে চিন্তাদর্শন, প্রতিফলন ঘটতে পারে একে-অপরের বন্ধুপ্রতিম হয়ে এগিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে।

সোশ্যাল মিডিয়াতে দেখেন, একের পর এক পোস্ট তারেক রহমানকে নিয়ে। পুরো সফর রিক্যাব করে সিনেমাটোগ্রাফি করেছে বাংলাদেশের মিউজিক দিয়ে। অসাধারণ।

Farid Uddin Rony

জোয়ার-ভাটার জন্য আর অপেক্ষা নয়! চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা ৩ গুণ বাড়াতে ১৩ হাজার কোটি টাকায় তৈরি হচ্ছে মেগা বে-টার্মিনাল!...
22/06/2026

জোয়ার-ভাটার জন্য আর অপেক্ষা নয়! চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা ৩ গুণ বাড়াতে ১৩ হাজার কোটি টাকায় তৈরি হচ্ছে মেগা বে-টার্মিনাল! 🚢💰🇧🇩

আমাদের দেশের আমদানি-রপ্তানির ৯০% হয় চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে। কিন্তু এই বন্দরের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো—এখানে বড় জাহাজ (মাদার ভেসেল) ভিড়তে পারে না এবং জাহাজকে জোয়ারের জন্য সাগরে অপেক্ষা করতে হয়। এই জ্যাম আর অপেক্ষার কারণে প্রতিদিন দেশের গচ্চা যায় লাখ লাখ ডলার!

এই সমস্যার জাদুকরী সমাধান নিয়ে আসছে বে-টার্মিনাল!
✅ মাদার ভেসেল: ১২ মিটার গভীরতা এবং ২৮০ মিটার দীর্ঘ বিশাল প্যানাম্যাক্স জাহাজ এখন সরাসরি জেটিতে ভিড়তে পারবে।
✅ ২৪ ঘণ্টা সচল: জোয়ার-ভাটার ওপর নির্ভর করতে হবে না। দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই জাহাজ ওঠানামা করবে।
✅ সক্ষমতা তিনগুণ: বর্তমানে বন্দরের সক্ষমতা ৩১ লাখ কন্টেইনার (TEUs), বে-টার্মিনাল চালু হলে তা বেড়ে হবে ৫০-৬০ লাখ!

অর্থায়ন ও মেগা বিনিয়োগ:
এই প্রকল্পের সামুদ্রিক অবকাঠামো উন্নয়নে একনেক ১৩,৫২৫ কোটি টাকা অনুমোদন দিয়েছে, যার মধ্যে বিশ্বব্যাংক দিচ্ছে প্রায় ৯,৩৩৩ কোটি টাকা! এছাড়া টার্মিনাল পরিচালনার জন্য সিঙ্গাপুরের PSA এবং দুবাইয়ের DP World প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে।

২০৩০ সালের মধ্যে এই টার্মিনাল চালু হলে দেশের জিডিপি বাড়বে ২-৩% এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কাজ পাবে অন্তত ১ লাখ মানুষ।

মাদার ভেসেল সরাসরি দেশে এলে আমদানি খরচ কমবে। আপনার কি মনে হয়, এর ফলে দেশের বাজারে জিনিসপত্রের দামও কমে আসবে?

Summary:
Bangladesh is building a mega Bay Terminal in Chattogram with a 13,525 Crore BDT investment to triple the port's container handling capacity! Backed by a 9,333 Crore BDT loan from the World Bank and a $3 Billion PPP investment from PSA Singapore and DP World, this 24/7 operational port will allow massive Mother Vessels to dock directly, eliminating tide dependency. Expected to be operational by 2030, it will create 1 lakh jobs and boost Bangladesh's GDP by 2-3%.

#নিউজ

Address

Pabna

Telephone

+8801730335260

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SHF family BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to SHF family BD:

Shortcuts

Share