ত্রিরত্ন শরণ বিহার - কৌশল্যার বাগ,সোনাইমুড়ী,নোয়াখালী

  • Home
  • Bangladesh
  • Noakhali
  • ত্রিরত্ন শরণ বিহার - কৌশল্যার বাগ,সোনাইমুড়ী,নোয়াখালী

ত্রিরত্ন শরণ বিহার - কৌশল্যার বাগ,সোনাইমুড়ী,নোয়াখালী Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ত্রিরত্ন শরণ বিহার - কৌশল্যার বাগ,সোনাইমুড়ী,নোয়াখালী, Vill: koushalyer bag, P. o: Sonaimuri-3827, P. s: Sonaimuri, Dist: Noakhali, Noakhali.

"ত্রিরত্ন শরণ বিহার" ১৫ই আশ্বিন- ১৩৩৬ সন, (৩০ই সেপ্টেম্বর ১৯২৯ খ্রি:) শ্রী নন্দ কুমার চৌধুরী ও শ্রী শ্যামাচরণ চৌধুরী দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। বিহারটি প্রতিষ্ঠার পরে শ্রী নন্দ কুমার চৌধুরীর সুযোগ্য পুত্র এডভোকেট ক্ষিতীশ চন্দ্র চৌধুরী বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকু "ত্রিরত্ন শরণ বিহার" ১৫ই আশ্বিন- ১৩৩৬ সন, (৩০ই সেপ্টেম্বর ১৯২৯ খ্রি:) শ্রী নন্দ কুমার চৌধুরী ও শ্রী শ্যামাচরণ চৌধুরী দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। বিহার

টি প্রতিষ্ঠার পরে শ্রী নন্দ কুমার চৌধুরীর সুযোগ্য পুত্র এডভোকেট ক্ষিতীশ চন্দ্র চৌধুরী বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে একখানা পত্র লিখে উক্ত বিহারটি নামকরণ করার জন্য অনুরোধ করেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সেই চিঠির উত্তরে এই বিহারটির নামকরণ করেন "ত্রিরত্ন শরণ বিহার"।
শ্রী নন্দ কুমার চৌধুরী ও শ্রী শ্যামাচরণ চৌধুরীর পিতা স্বর্গীয় প্রতাপ নারায়ন রাজবংশী ১৮৯৬ ইংরেজিতে তাহার সকল সম্পত্তি একটি উইল করে দিয়ে যান। ত্রিরত্ন শরণ বিহারটি উইল ভুক্ত সম্পত্তিতে অবস্থিত। যাহার সম্পত্তির পরিমাণ আনুমানিক ৪০ শতক।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় রাজাকারদের সহায়তায় পাক বাহিনীরা উক্ত বিহারের রক্ষিত মূল্যবান ধাতব এবং পাথরের মূর্তি গুলো ভাঙচুর ও লুটপাট করে নিয়ে যায়। গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতে পাক বাহিনী এবং তাদের দোসররা অগ্নিসংযোগ এবং লুটপাট করে। কৌশল্যারবাগ বৌদ্ধপল্লীর ৪ জন গ্রামবাসী পাক বাহিনীর হাতে নির্মম ভাবে নিহত হন। তারা যথাক্রমে শ্রী শশী মোহন বড়ুয়া, পুলিশের চাকরি রত অবস্থায় বগুড়াতে এবং দ্বিতীয় জন শ্রী বীরেন্দ্র কুমার বড়ুয়া ঢাকা রাজারবাগ পুলিশ লাইনে চাকরিরত অবস্থায় পাক বাহিনীর গুলিতে শহীদ হন। এছাড়াও আরও ২ জন নিরীহ গ্রামবাসী তাদের নিজ গ্রামে পাক বাহিনীর গুলিতে শহীদ হন। তারা যথাক্রমে শ্রী, জীবনকৃষ্ণ বড়ুয়া এবং শ্রী নীরেন্দ্র কুমার বড়ুয়া (টুনু) উভয়ে রেলে চাকরিরত অবস্থায় ছিলেন।
১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে পাক বাহিনীর হাত থেকে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর চট্টগ্রাম বিভাগে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (ডি.আই.জি অব পুলিশ) পদে নিয়োগ প্রাপ্ত হন শ্রী শৈলেন্দ্র কিশোর চৌধুরী। তিনি চট্টগ্রামে কর্মরত অবস্থায় থাকাকালীন ১৯৭২ সালে কক্সবাজারে পরিদর্শনে গেলে বিহারে পূজা এবং প্রার্থনা করতে যান, প্রার্থনা পর্ব শেষে তিনি বিহার অধ্যক্ষ উ কুশুল্যা মহাথেরোর নিকট নিজ গ্রামের (ত্রিরত্ন শরণ বিহার) বিহারের জন্য একটি বুদ্ধ মূর্তি দান করার প্রার্থনা করেন। তিনি বিহার অধ্যক্ষকে আরো বলেন যে, যুদ্ধের সময় আমাদের গ্রামের বিহারের সকল মূর্তি পাক বাহিনী লুটপাট ও ধ্বংস করে দেয়। বর্তমানে আমাদের বিহারে কোন বুদ্ধ মূর্তি নেই। উনার কথায় সন্তুষ্ট হয়ে বিহার অধ্যক্ষ একটি অতি মূল্যবান শ্বেত পাথরের বুদ্ধ মূর্তি দান করেন। এবং বিহার অধ্যক্ষ শ্রী শৈলেন্দ্র কিশোর চৌধুরীকে ১০ টাকা দান করে বলেন যে, এই ১০ টাকা দিয়ে তুমি মূর্তিটিকে একটি চীবর পরিধান করে দিও। বুদ্ধ মূর্তিটি নিয়ে চট্টগ্রামের দিকে ফিরে আসার পথে অতি বর্ষণ ও বন্যা জনিত কারণে ব্রিজ ভেঙ্গে তিনি মহাসংকটে পড়েন, তারপর স্থানীয় গ্রামবাসীর সহযোগিতায় ব্রিজ পার হয়ে সেখান থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তারপর তিনি মূর্তিটি নিজ গ্রামে পাঠিয়ে দেন। মূর্তিটি আক্কেল আলির দোকানে পৌঁছালে সেখান থেকে নৌকা যোগে ডাক্তার অনন্ত কুমার চৌধুরী, শ্রী দক্ষিণা রঞ্জন বড়ুয়া (শিক্ষক), শ্রী জগবন্ধু বড়ুয়ার সহায়তা এবং উপস্থিত অন্যান্য গ্রামবাসীর সাহায্যে মূর্তিটি বিহারে স্থাপন করা হয়।

07/06/2026
06/06/2026

অতীত নিয়ে বিভ্রান্ত হয়োনা, ভবিষ্যতের স্বপ্নে হারিয়ে যেওনা, বর্তমানের দিকে মনোযোগ দেও। এটাই সুখী হওয়ার একমাত্র উপায়।

- গৌতম বুদ্ধ🌸🙏

06/06/2026

"বৌদ্ধ ভিক্ষুরা বিনয় সম্মত ভাবে বিহার করতে পারেনা। তখনকার সময়ে বড়ো বড়ো ভান্তেরা বিহার করেনাই বিদায়। সুদীর্ঘ বছর বিহারে অবস্থান করতে পেরেছে। এখন যতো দৃষ্টি নান্দনিক সুরম্য বিহার হচ্ছে। বিহার সম্পূর্ণ হওয়ার পর ভিক্ষুদের থেকে বিহার ত্যাগ করতে হচ্ছে। অন্যদিকে বিহার না করলেও দায়করা সমালোচনা করে। বিহার উন্নয়ন না করলে বিহার ত্যাগ করার জন্য বিহার অধ্যক্ষ কে বলে। এখন বিহার করলেও দোষ না করলেও দোষ।
সমাজের বাস্তব সত্য।

05/06/2026

বুদ্ধ বলেছেন—কর্মেই মূর্খের লক্ষণ, কর্মেই পণ্ডিতের লক্ষণ প্রতিভাত হয়। স্বীয় কৃত কর্মের দ্বারা জানা যায় যে, কে মূর্খ আর কে পণ্ডিত! বুঝতে পারছ তো? কাউকে মূর্খ নাকি পণ্ডিত জানতে হলে তার কৃত কর্মসমূহ পর্যালোচনা করতে হবে, ভালোভাবে দেখে নিতে হবে। যদি দেখা যায় যে, তার কৃত কর্মসমূহ নির্দোষ, উত্তম তাহলে জানতে হবে সে পণ্ডিত। আর যদি দেখা যায় যে, তার কৃত কর্মসমূহ দোষযুক্ত, হীন তাহলে জানতে হবে সে মূর্খ। কি, মনে থাকবে তো? মূর্খ অনর্থকারী, অহিতকারী, দুঃখ সৃষ্টিকারী ও বিপদ সৃষ্টিকারী ও বিপদ আনয়নকারী। মূর্খেরা সর্ব দোষের আকর। সামান্য গুণও এদের কাছে পাওয়া যায় না। বিষ্ঠাকে সারাদিন মন্তন করলেও তাতে যেমন কোনো সার পদার্থ পাওয়া যায় না, এরাও ঠিক বিষ্ঠার মতো ঘৃণ্য। মূর্খ সর্বদা পরিত্যাজ্য। কারণ মূর্খ লোকেরা শুধু যে নিজেই পাপকর্ম সম্পাদন করে তা নয়, সে অন্যজনকেও পাপকর্ম সম্পাদনে উৎসাহিত করে, টেনে ধরে। এভাবে তারা নিজের, পরের সবার জন্য সর্বনাশ ডেকে আনে। সমাজকে অবনতির দিকে নিয়ে যায়। আমি বলছি, তোমরা কখনো মূর্খের সংসর্গ করবে না। মূর্খের সংসর্গ কিছুতেই কল্যাণকর হয় না। বুদ্ধ বলেছেন—হে ভিক্ষুগণ! মূর্খ সংসর্গের মত মহা অমঙ্গলজনক, মহাঅনিষ্টকারী ও মহাদুঃখদায়ক আমি অন্য কোনো বিষয় দেখতে পাচ্ছি না। মূর্খের সংসর্গে মহাপুণ্যাবানদেরও সর্বনাশ হয়, অনন্ত দুঃখে পতিত হতে হয় তাদেরকে। তদ্ধেতু মূর্খের সংসর্গ সর্বপ্রকার বর্জনীয়।

উচ্চশিক্ষিত হওয়া সহজ, কিন্তু মানবিক মানুষ হওয়াই আসল শিক্ষা। যে সন্তান মায়ের খোঁজ রাখে না, তার সাফল্যও একদিন প্রশ্নের মুখ...
04/06/2026

উচ্চশিক্ষিত হওয়া সহজ, কিন্তু মানবিক মানুষ হওয়াই আসল শিক্ষা। যে সন্তান মায়ের খোঁজ রাখে না, তার সাফল্যও একদিন প্রশ্নের মুখে পড়ে।

03/06/2026

বর্ষাবাস চীবর দান করার ৭টি মহান সুফল-

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বর্ষাবাসব্রত (ওয়া) পালনের সময় অত্যন্ত ঘনিয়ে এসেছে। তাই বর্ষাবাস চীবর উৎস্বর্গ ও দান করলে যেসকল অসাধারণ সুফল বা পুণ্যফল লাভ করা যায়, তা বিস্তারিত বর্ণনা করে সকল সদ্ধর্মপ্রাণ দায়ক-দায়িকাদের উদ্দেশ্যে এই জ্ঞানটুকু শেয়ার করলাম।

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা বর্ষাবাসের এই পবিত্র ক্ষণে তাঁদের নিকটবর্তী সংঘের ভিক্ষুগণ যেখানে অবস্থান করেন, সেইসব বিহার গুলোতে দলগত ভাবে, পারিবারিক ভাবে অথবা ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হয়ে মহাসংঘের উদ্দেশ্যে বর্ষাবাস চীবর অত্যন্ত শ্রদ্ধা ভরে দান করে থাকেন।

এভাবে ভিক্ষুসংঘের উদ্দেশ্যে নিজের অত্যন্ত কষ্টার্জিত অর্থ ও পরিশ্রমে কেনা বর্ষাবাস চীবর যখন দান করা হয়, তখন এই মহৎ দানকে কেন্দ্র করে ঠিক কতটা সুফল লাভ করা যায, তা যদি আমরা বিস্তারিত জানতে পারি, তবে আমাদের নিজেদের দানের প্রতি মনের আনন্দ, আত্মতৃপ্তি ও শ্রদ্ধা আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। এর ফলে দানের পুণ্যফল ও চেতনার শক্তিও আরও বেশি প্রগাঢ় ও তীব্র হয়। এই কারণেই বর্ষাবাস চীবর দান করার মাধ্যমে আমরা যেসকল সুফল লাভ করতে পারি, তার প্রতিটি একটি একটি করে আমাদের সবারই জেনে রাখা উচিত।

ভিক্ষুসংঘকে এই পবিত্র বর্ষাবাস চীবর দানকারী ব্যক্তিগণ পরম নির্বাণ লাভ করার পূর্ব পর্যন্ত এই দীর্ঘ সংসার চক্রে যতবারই জন্মগ্রহণ করবেন, ততবারই মানুষ ও দেবকুলে পরম সুখের অধিকারী হন। নিচের এই ৭টি বিশেষ ও মহৎ সুফল লাভের বিষয়গুলি আলোচনা করা হল-

চীবর দানের ৭টি অলৌকিক ও জাগতিক-লোকোত্তর সুফল:
════════════════════ ••••
১. বস্ত্রের চিন্তা থেকে মুক্তি:

পোশাক-পরিচ্ছদ বা বস্ত্রের অভাবের জন্য জীবনে কোনো প্রকার দুশ্চিন্তা, অভাব-অনটন ও মানসিক উদ্বেগ থেকে চিরতরে মুক্ত থাকার সুফল লাভ করবেন।

২. সুবর্ণ কান্তি ও নিখুঁত গড়ন:

শারীরিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সম্পূর্ণ নিখুঁত, সুষম ও সুগঠিত হবে এবং দেহের বর্ণ সুবর্ণ বা খাঁটি স্বর্ণের ন্যায় পরম উজ্জ্বল ও অপরূপ সৌন্দর্য মণ্ডিত হওয়ার সুফল লাভ করবেন।

৩. দেহ হতে জ্যোতি বিচ্ছুরণ:

সপ্ততল বিশিষ্ট ঘুটঘুটে অন্ধকার প্রকোষ্ঠেও (প্রাসাদে) কোনো প্রদীপ বা আলো না জ্বেলে যার দেহজ্যোতি চারপাশ অলৌকিকভাবে আলোকিত করে রাখত~ সেই বিখ্যাত ‘পাপাওয়াদি’ (পপবতী) রাজকুমারীর মতো, নিজের শরীর থেকে সর্বদা এক দিব্য আলো বিচ্ছুরিত হওয়ার সুফল লাভ করবেন।

৪. কোমল ও লাবণ্যময় ত্বক:

গায়ের চামড়া বা ত্বক অত্যন্ত কোমল, মসৃণ এবং জগতের অন্য যেকোনো মানুষের চেয়ে অনন্য সাধারণ ভাবে সুন্দর, লাবণ্যময় ও অত্যন্ত আকর্ষণীয় হওয়ার সুফল লাভ করবেন।

৫.প্রাকৃতিক ভাবেই চির-লাবণ্যময় রূপ:

মুখমণ্ডলসহ শরীরের কোনো অঙ্গপ্রত্যঙ্গে কখনো কোনো তিল, মেছতা, ব্রণের মতো কোনো প্রকার দাগ বা খুঁত থাকবে না। আধুনিক যুগের কোনো কসমেটিকস বা কৃত্রিম রূপচর্চার সামগ্রী মোটেও ব্যবহার না করেই, জন্মগতভাবে ও সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবেই এক শাশ্বত ও অনিন্দ্য সৌন্দর্যের অধিকারী হওয়ার সুফল লাভ করবেন।

৬. মনে মনে ভাবলেই বস্ত্র লাভ:

যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে বাজারে আসা নিত্যনতুন সুন্দর সুন্দর পোশাক দেখে যদি কখনো মনের কোণে কেবল ইচ্ছাও জাগে যে~ “এই নতুন পোশাকটি যদি আমি পরতে পারতাম!”, তবে কেবল মনে মনে এইটুকু আকাঙ্ক্ষা বা চিন্তা করার সাথে সাথেই কেউ একজন তা উপহার হিসেবে দিক, অথবা কেউ নিজে থেকে কিনে দিক, কোনো না কোনো উপায়ে বা মাধ্যমে সেই বস্ত্রটি অলৌকিকভাবে নিজের হাতে এসে পৌঁছাবে~ এমন অভাবনীয় সুফল লাভ করবেন।

একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: উপরে উল্লেখিত ১ থেকে ৬ নম্বর পর্যন্ত সুফলসমূহ কেবল জাগতিক বা লৌকিক (লোকিয়) সুখ-সমৃদ্ধির অন্তর্ভুক্ত। এগুলো কিন্তু লোকোত্তর (লোকোত্তরা - ধর্মীয় পরমার্থিক) মুক্তির অংশ নয়। তবে ৭ নম্বর সুফলটিই হলো আসল লোকোত্তর পরম সুখ:

৭.‘এহি ভিক্ষু’ আহ্বানে সরাসরি অর্হত্ব ও নির্বাণ লাভ:

বর্ষাবাস চীবর দানকারী পরম পুণ্যবান দাতা যদি তাঁর সংসার চক্রের কোনো এক জন্মে কর্মের সুফল অনুসারে কোনো এক সম্যক সম্বুদ্ধের সাক্ষাৎ লাভ করার পরম সৌভাগ্য পান, তবে সেই বুদ্ধ ভগবান এই চীবর দানকারী পুণ্যবান ব্যক্তিকে কেবল “এহি ভিক্ষু” (এসো ভিক্ষু) বলে আহ্বান করার সাথে সাথেই তাঁর শরীরের সাধারণ পোশাক নিজে থেকেই অদৃশ্য হয়ে যাবে এবং তিনি অলৌকিকভাবে স্বয়ংক্রিয় চীবর পরিহিত হয়ে পরম পবিত্র ভিক্ষুবেশ ধারণ করবেন। এভাবে ‘এহি ভিক্ষু’ অর্হৎ রূপে লোকোত্তর পরম মুক্তি
ও নির্বাণ সুখ লাভ করার সুফল পাবেন।
____________

যেহেতু বর্ষাবাস চীবর দান করার এই কুশল কর্মের মাধ্যমে উপরে বর্ণিত লৌকিক ও লোকোত্তর উভয় প্রকার বহুমুখী কল্যাণ ও সুখ লাভ করা যায়, তাই সকল বৌদ্ধ ধর্মপ্রাণ ভাই-বোনদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি—এই বর্ষাবাসের সময়ে আমরা যেন আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী নিকটবর্তী ভিক্ষুসংঘের উদ্দেশ্যে এককভাবে, পারিবারিকভাবে কিংবা দলগতভাবে বর্ষাবাস চীবর দান করি। এই পুণ্যময় আহ্বান রেখেই সকলকে জানাই আন্তরিক সাধুবাদ ও মৈত্রীময় শুভেচ্ছা।

মূলভাব
═════════ ••••
◻️ চিন্তা-উদ্বেগহীন বস্ত্রলাভ
◻️সুবর্ণ দেহের কান্তি
◻️শরীর হতে ছড়ায় আলো
◻️ত্বক যেন কোমল-নমনীয়
◻️মলিনতা ও দাগহীন কায়া
◻️মনে ভাবলেই বস্ত্র জোটে
◻️এহি ভিক্ষু’ আহ্বানে পাবে প্রব্রজ্যা (ভিক্ষুত্ব/দীক্ষা), সংসার চক্র থেকে মুক্তি মিলবে জীবন শেষে।

চীবর দানের এই সাতটি সুফল, মনে রেখো পরম ভক্তিতে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য
═══════════ ••••
তৎকালীন সময়, ঋতু ও রীতির প্রেক্ষিতে এই লেখায় একে ‘বর্ষাবাস চীবর দান’ (ওয়া) হিসেবে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হলেও, বছরের যেকোনো সময়ে, যেকোনো তিথিতে বা যেকোনো ঋতুতেই ভিক্ষুসংঘকে শ্রদ্ধাভরে চীবর দান করলেই উপরে উল্লেখিত ৭টি সুফলই সুনিশ্চিতভাবে লাভ করা যায়। হে পরম ধর্মপ্রাণ বন্ধুগন, আমরা সবাই যেন এটি এভাবেই হৃদয়ে ও স্মরণে ধারণ করি।

জগতের সকল প্রাণী সমস্ত ভয়, ব্যাধি ও শত্রুতা থেকে মুক্ত থাকুক।
সকলের কায়িক ও মানসিক পরম শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল বজায় থাকুক।

Address

Vill: Koushalyer Bag, P. O: Sonaimuri-3827, P. S: Sonaimuri, Dist: Noakhali
Noakhali

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ত্রিরত্ন শরণ বিহার - কৌশল্যার বাগ,সোনাইমুড়ী,নোয়াখালী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to ত্রিরত্ন শরণ বিহার - কৌশল্যার বাগ,সোনাইমুড়ী,নোয়াখালী:

Share