04/04/2022
স্বেচ্ছাসেবা কী?সেচ্ছাসেবার নীতিমালা ।
=========================================
ব্যক্তিস্বার্থ বা আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার বিষয়টি বিবেচনা না করে স্বেচ্ছায় সমাজের কল্যানের জন্য কিছু করাকে স্বেচ্ছাসেবা বলে(Volunteerism)। স্বেচ্ছাসেবা সামাজিক কল্যানের শক্তির উৎস।যিনি ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হওয়ার আশা না করে সমাজের স্বার্থে স্বেচ্ছায় শ্রম দেন তিনিই স্বেচ্ছাসেবক।
স্বেচ্ছাসেবার নীতিমালা:
====================================
মানবিকতা, নিরপেক্ষতা,ও পক্ষপাতহীনতা।
সমাজ ও স্বেচ্ছাসেবক উভয়ের কল্যান সাধন।
বিনা পারিশ্রমিকে ও শুধুমাত্র আত্মতৃপ্তির উদ্দেশ্যে সময় ও শ্রম দেওয়া।
বাধ্যতামূলক বা জোর পূর্বক নয়, স্বেচ্ছাসেবা পছন্দের স্বাধীনতা।
বৈধভাবে সামাজিক কাজে অংশগ্রহণ ।
অন্যদের অধিকার , মর্যাদা এবং সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় স্বেচ্ছাসেবার অনুশীলন:
=====================================
বর্তমান বাংলাদেশে এমন অনেক স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান আছে যেসব প্রতিষ্ঠানের স্বেচ্ছাসেবকগণ দুর্যোগে পরিস্থিতিতে সক্রিয়ভাবে সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে থাকে। এসব স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বাংলাদেশ রেড় ক্রিসেন্ট সোসাইটি, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি ( সিপিপি), বাংলাদেশে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বাংলাদেশে স্কাউটস এবং আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী অন্যতম। এছাড়া দেশব্যাপী কর্মরত অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের স্বেচ্ছাসেবকগণ মানবিক কাজে অংশগ্রহণ করে । দূর্যোগ পরিস্থিতিতে প্রাতিষ্ঠানিক স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্থদের প্রতিবেশীসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের বিপুল সংখ্যক মানুষ মানব সেবায় উদ্বুদ্ধ হয়ে তাৎক্ষণিক স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সক্রিয়ভাবে দুর্যোগ সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে থাকে।
স্বেচ্ছাসেবকের প্রয়োগ ও ব্যবহার:
==================================
স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো নিজ নিজ সংগঠনের আদর্শ, লক্ষ্য,উদ্দেশ্য এবং নীতিমালা অনুযায়ী স্বেচ্ছাসেবকদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। কিন্তু দুর্যোগ জরুরি সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহ ও তাদের স্বেচ্ছাসেবকদের কার্যক্রম স্থানীয় ( জেলা/উপজেলা/ইউনিয়ন) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত ব্যক্তি বা ব্যক্তিসমূহের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচালিত হবে।