বাংলাদেশ মাস্টার রোল কর্মী অধিকার পরিষদ

  • Home
  • Bangladesh
  • Narayanganj
  • বাংলাদেশ মাস্টার রোল কর্মী অধিকার পরিষদ
Website

বাংলাদেশ মাস্টার রোল কর্মী অধিকার পরিষদ মাস্টার রোল কর্মীদের ন্যায্য অধিকার, সমান মর্যাদা ও চাকরির নিরাপত্তার দাবিতে ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম।

মাননীয় সরকারের নিকট আকুল আবেদনমাস্টার রোলে কর্মরত কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ীকরণ ও সরকারি করণের দাবিমাননীয় প্রধানমন্ত্রী/মা...
31/08/2026

মাননীয় সরকারের নিকট আকুল আবেদন

মাস্টার রোলে কর্মরত কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ীকরণ ও সরকারি করণের দাবি

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী/মাননীয় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা/মন্ত্রী মহোদয়ের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

আমরা দেশের বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, অধিদপ্তর, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, স্বাস্থ্য বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে মাস্টার রোলে কর্মরত কর্মচারী। বছরের পর বছর আমরা অত্যন্ত নিষ্ঠা, সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সরকারি প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন কার্যক্রমে কাজ করে যাচ্ছি।

আমাদের অনেকেই আজ ৫ বছর, ১০ বছর, এমনকি তারও বেশি সময় ধরে একই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। আমরা নিয়মিত অফিসে উপস্থিত হই, নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করি এবং প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম পরিচালনায় ভূমিকা রাখি। আমাদের শ্রম ও সময়ের ওপর নির্ভর করে অনেক সরকারি সেবা প্রতিদিন জনগণের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে।

কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়—এত বছর কাজ করার পরও আমাদের চাকরির কোনো স্থায়ী নিশ্চয়তা নেই।

আমরা জানি না—
আগামী মাসে আমাদের চাকরি থাকবে কি না।
আমাদের সন্তানদের পড়াশোনার খরচ কীভাবে চলবে।
বৃদ্ধ বাবা-মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থা কীভাবে করব।
সংসারের নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় কীভাবে বহন করব।

প্রতিদিন অফিসে দায়িত্ব পালন করার সময় আমাদের মনে একটি প্রশ্নই ঘুরপাক খায়—

“আমরা কি কোনোদিন স্থায়ী কর্মচারী হিসেবে স্বীকৃতি পাব?”

আমরা বিলাসবহুল জীবন চাই না।
আমরা বিশেষ কোনো সুযোগ-সুবিধাও চাই না।
আমরা শুধু চাই আমাদের দীর্ঘদিনের শ্রম, অভিজ্ঞতা ও কর্মনিষ্ঠার যথাযথ মূল্যায়ন।

মাননীয় সরকার,

একজন মাস্টার রোল কর্মচারীও একজন মানুষ। তারও পরিবার আছে, সন্তান আছে, ভবিষ্যতের স্বপ্ন আছে। দিনের পর দিন সরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেও যখন চাকরির নিশ্চয়তা থাকে না, তখন সেই অনিশ্চয়তা শুধু একজন কর্মচারীকে নয়—তার পুরো পরিবারকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে।

আমাদের অনেকেই বয়সের কারণে এখন নতুন চাকরির পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ হারিয়েছেন। দীর্ঘদিন একই প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে গিয়ে অন্য কোনো কর্মসংস্থানের পথও বন্ধ হয়ে গেছে।

তাই আমাদের প্রশ্ন—

যে কর্মচারী বছরের পর বছর সরকারের একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করে আসছেন, তাঁর শ্রম ও অভিজ্ঞতার মূল্য কি একেবারেই নেই?

আমরা বিশ্বাস করি, একটি মানবিক সরকার কখনো তার দীর্ঘদিনের কর্মীদের অসহায় অবস্থায় ফেলে রাখবে না।

আমাদের বিনীত দাবিসমূহ

১. বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরে মাস্টার রোলে কর্মরত কর্মচারীদের চাকরি পর্যায়ক্রমে স্থায়ী/রাজস্বখাতে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

২. দীর্ঘদিনের কর্মঅভিজ্ঞতা ও চাকরির মেয়াদকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়মিতকরণের ব্যবস্থা করতে হবে।

৩. যেসব পদ দীর্ঘদিন ধরে মাস্টার রোল কর্মচারীদের দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে, সেসব পদ প্রয়োজন অনুযায়ী রাজস্বখাতে সৃষ্টি/অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

৪. চাকরি স্থায়ীকরণের পূর্ব পর্যন্ত মাস্টার রোলে কর্মরত কর্মচারীদের ন্যায্য বেতন, উৎসব ভাতা, চিকিৎসা সুবিধা ও অন্যান্য মানবিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।

৫. দীর্ঘদিনের কর্মচারীদের চাকরির বয়স ও অভিজ্ঞতাকে বিবেচনায় নিয়ে বিশেষ বিধান প্রণয়ন করতে হবে।

মাননীয় সরকার,

আমরা সরকারের প্রতিপক্ষ নই।
আমরা সরকারেরই কর্মী।
আমরা জনগণের সেবায় নিয়োজিত।
সরকারি প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের পেছনে আমাদের শ্রম, ঘাম ও সময় জড়িয়ে আছে।

আমরা দিনের পর দিন দায়িত্ব পালন করেছি। অনেক সময় ছুটির দিনেও কাজ করেছি। ব্যক্তিগত প্রয়োজন ও পারিবারিক সময় বিসর্জন দিয়ে প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে দায়িত্ব পালন করেছি।

আজ আমাদের একটাই প্রত্যাশা—

আমাদের দীর্ঘদিনের শ্রমকে স্বীকৃতি দেওয়া হোক।
আমাদের চাকরির অনিশ্চয়তার অবসান ঘটানো হোক।
আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিরাপদ করা হোক।
মাস্টার রোলে কর্মরত দীর্ঘদিনের কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ীকরণ ও সরকারি/রাজস্বখাতে অন্তর্ভুক্তির ব্যবস্থা করা হোক।

মাননীয় সরকার,
আমরা কোনো অন্যায় সুবিধা চাই না। আমরা চাই ন্যায্য অধিকার ও কর্মের স্বীকৃতি।

আমাদের চোখে আজও আশার আলো আছে। আমরা বিশ্বাস করি, আপনার মানবিক সিদ্ধান্ত হাজার হাজার কর্মচারী ও তাদের পরিবারের জীবনে নতুন আশার আলো জ্বালাতে পারে।

একটি সরকারি আদেশ—
একটি পরিবারের ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে।
একটি স্থায়ী চাকরি—
একটি সন্তানের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে।
একটি মানবিক সিদ্ধান্ত—
হাজারো পরিবারের মুখে হাসি ফিরিয়ে দিতে পারে।

অতএব, মাননীয় সরকারের কাছে আমাদের বিনীত আকুল আবেদন—

দীর্ঘদিন ধরে মাস্টার রোলে কর্মরত কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ীকরণ এবং যোগ্যতা ও কর্মঅভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে সরকারি/রাজস্বখাতে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।

আমরা বিশ্বাস করি,
“কর্মের মূল্যায়নই একজন কর্মীর সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।”

মাননীয় সরকারের সদয় বিবেচনা ও মানবিক সিদ্ধান্তের প্রত্যাশায় রইলাম।

বিনীত আবেদনকারী
মাস্টার রোলে কর্মরত সকল কর্মচারীর পক্ষে
[নাম]
[পদবি]
[প্রতিষ্ঠানের নাম]
[মোবাইল নম্বর]
তারিখ: [তারিখ]

🖤 দুঃখকে আলিঙ্গন করেই চলে গেলেন ‘দুখু মিয়া’কাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় ছেলে বুলবুল মাত্র চার বছর বয়সে গুটি বসন্তে মারা যা...
31/08/2026

🖤 দুঃখকে আলিঙ্গন করেই চলে গেলেন ‘দুখু মিয়া’

কাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় ছেলে বুলবুল মাত্র চার বছর বয়সে গুটি বসন্তে মারা যায়। ছেলেটিকে ভীষণ ভালোবাসতেন নজরুল।

আদরের ছোট ছেলেকে হারিয়ে লাশের পাশে বসেই অঝোরে কাঁদছিলেন তিনি। শোকের ভারে সময় যেন থমকে গিয়েছিল। কিন্তু অন্যদিকে দ্রুত ঘনিয়ে আসছিল দাফনের সময়। বসন্ত রোগে আক্রান্ত মৃতদেহ বেশিক্ষণ রাখা যেত না—পচন ধরে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা ছিল।

বুকভরা অসহ্য কষ্ট নিয়ে ছেলের দাফনের ব্যবস্থা করতে ছুটলেন নজরুল। অথচ মাথাভর্তি অজস্র কবিতা থাকলেও পকেটে তখন একটি টাকাও ছিল না।

লাশ বহনের গাড়ি, কাফনের কাপড় এবং গোরস্থানে জায়গার জন্য প্রয়োজন ছিল প্রায় ১৫০ টাকা। সেই সময়ের ১৫০ টাকা ছিল অনেক বড় অঙ্ক।

অসহায় নজরুল টাকার জন্য এক লাইব্রেরি থেকে আরেক লাইব্রেরিতে ছুটতে লাগলেন। কিন্তু দরিদ্র এই কবিকে কে-ই বা টাকা ধার দেবে? অনেকেই হয়তো ভাবত—এই গরিব লেখক টাকা ফেরত দেবেন কীভাবে?

শেষ পর্যন্ত ডি. এম. লাইব্রেরির মালিক মায়া করে ৩৫ টাকা দিলেন। কিন্তু তাতেও প্রয়োজনীয় টাকা জোগাড় হলো না।

ঘরে তখন আদরের সন্তানের লাশ।

নজরুল ছুটলেন এক প্রকাশকের কাছে। প্রকাশক শর্ত দিলেন—এই মুহূর্তে একটি কবিতা লিখে দিতে পারলে তবেই টাকা দেওয়া হবে।

একদিকে সন্তানের লাশ পড়ে আছে ঘরে, অন্যদিকে দাফনের জন্য টাকা প্রয়োজন। অসহায় পিতা নজরুল তাই কাঁপা হাতে, বিষণ্ণ হৃদয়ে কবিতা লিখতে বসে গেলেন।

সেই বেদনার মুহূর্তে জন্ম নিল—

«“ঘুমিয়ে গেছে শান্ত হয়ে
আমার গানের বুলবুলি,
করুণ চোখে চেয়ে আছে
সাঁঝের ঝরা ফুলগুলি...”»

কবিতা লিখে টাকা নিয়ে ছুটে গেলেন বাড়িতে। ছেলের মুখের দিকে শেষবারের মতো তাকালেন। তারপর সেই টাকা দিয়ে পরম যত্নে আদরের সন্তানকে দাফন করলেন।

কী নির্মম নিয়তি!

যার মাথায় ছিল অসংখ্য কবিতা, যার কলমে জন্ম নিয়েছিল বিদ্রোহের ভাষা, প্রেমের গান, সাম্যের স্বপ্ন—সেই কবির পকেটেই কখনো কখনো ছিল না একটি রুটির দামও।

শৈশবে ক্ষুধার যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে রুটির দোকানে কাজ করেছেন। কারণ সেখানে কাজ করলে অন্তত একটি রুটি পাওয়া যেত—সেই রুটিই ছিল ক্ষুধার্ত শিশুটির বেঁচে থাকার অবলম্বন।

জীবনের শেষ প্রান্তেও দুঃখ ও অভাব তাঁকে ছাড়েনি। অসুস্থ স্ত্রীকে যথাযথ চিকিৎসা করানোর সামর্থ্যও সবসময় ছিল না। সীমাহীন অভাব-অনটনের মধ্যেই কেটেছে জীবনের বহু সময়।

অনাহার, অর্ধাহার, দারিদ্র্য, শোক আর অসহায়তার সঙ্গে লড়াই করতে করতেই ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনিও।

মানুষটির জীবনের দিকে তাকালে মনে হয়—তিনি যেন সারাজীবন দুঃখকেই বুকে জড়িয়ে বেঁচেছিলেন।

তাই তো মানুষ তাঁকে ভালোবেসে ডাকত—‘দুখু মিয়া’।

কিন্তু এই ‘দুখু মিয়া’ই একদিন হয়ে উঠলেন বাংলার বিদ্রোহী কবি, কোটি মানুষের কণ্ঠের কবি, সাম্য ও মানবতার কবি।

আজ তাঁর নামে অসংখ্য প্রতিষ্ঠান, একাডেমি, গবেষণাকেন্দ্র। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে হয় অসংখ্য আয়োজন। বক্তৃতার মঞ্চে উচ্চারিত হয়—
“আমরা নজরুলকে ভালোবাসি।”

আজ তাঁর লেখা বই বিক্রি করে বহু প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ব্যবসা করে, তাঁর গান-কবিতা থেকে অসংখ্য মানুষ অনুপ্রেরণা নেয়।

কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়—

নজরুল যখন বেঁচে ছিলেন, তখন তাঁর পাশে কয়জন দাঁড়িয়েছিল?

যে মানুষটি একদিন নিজের সন্তানের দাফনের জন্য টাকা জোগাড় করতে দ্বারে দ্বারে ঘুরেছিলেন, তাঁর জীবদ্দশায় সমাজ কি তাঁকে যথেষ্ট মূল্য দিতে পেরেছিল?

আমরা আজ তাঁর কবিতা খুঁজি, তাঁর গান খুঁজি, তাঁর দর্শন খুঁজি, তাঁর বিদ্রোহ খুঁজি—

কিন্তু এক বুক দুঃখ নিয়ে বেঁচে থাকা মানুষ নজরুলের খোঁজ কি আমরা নিয়েছিলাম?

হয়তো এটাই ইতিহাসের সবচেয়ে নির্মম সত্য—

মানুষ বেঁচে থাকতে আমরা অনেক সময় তার মূল্য বুঝি না।
সে চলে যাওয়ার পর তার নামকে ভালোবাসি, তার স্মৃতিকে ভালোবাসি, তার সৃষ্টিকে ভালোবাসি।

কিন্তু মানুষটিকে?

হয়তো খুব দেরিতে।

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করি বাংলা সাহিত্যের অমর কবি
কাজী নজরুল ইসলাম—আমাদের প্রিয় দুখু মিয়া। 🖤

কথা সংগৃহীত: এইচ এম আলী হোসেন

#কাজী_নজরুল_ইসলাম #নজরুল #দুখু_মিয়া #বিদ্রোহী_কবি #নজরুল_জয়ন্তী #নজরুল_স্মরণ #বাংলাসাহিত্য #বাংলার_কবি #বিদ্রোহী_কবিতা #মানবতা #সাহিত্য #কবিতা #নজরুলপ্রেমী #বাংলাদেশ

বিশ্বাসের জায়গায় যখন প্রতারণা—ইন্না লিল্লাহ! 😔কোন দেশে বসবাস করছি, একবার ভাবুন! ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।ভ...
22/08/2026

বিশ্বাসের জায়গায় যখন প্রতারণা—ইন্না লিল্লাহ! 😔

কোন দেশে বসবাস করছি, একবার ভাবুন! ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

ভিডিওটি দেখে সত্যিই চোখকে বিশ্বাস করাতে পারছি না! একজন মুরব্বি মুরগি কিনতে গেছেন। দোকানদার মুরগির ওজন করার সময় আড়াল থেকে মিটারে আঙুল দিয়ে রাখছেন—যেন ওজনটা একটু বেশি দেখায়, আর ক্রেতার কাছ থেকে বেশি টাকা নেওয়া যায়!

ভিডিওটি মাছরাঙাসহ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমেও প্রচার হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ঘটনাটি কেউ গোপনে ভিডিও করেছিলেন।

সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো—আমরা প্রতিদিন বাজারে যাই, ওজন মাপার সময় অনেকেই মিটারের দিকে তাকাই না। বিক্রেতা যে ওজন বলে দেন, বিশ্বাস করে সেই অনুযায়ী টাকা দিয়ে চলে আসি। কিন্তু আমাদের অজান্তেই যদি এভাবে ওজনে কারচুপি করা হয়, তাহলে আমরা বুঝব কীভাবে?

একজন মানুষের কয়েক টাকা বেশি নেওয়া হয়তো তার কাছে সামান্য মনে হতে পারে; কিন্তু প্রতিদিন হাজারো মানুষের সঙ্গে এমন প্রতারণা হলে সেটি আর সামান্য থাকে না—এটি মানুষের বিশ্বাসের ওপর আঘাত।

তবে সবাইকে একসঙ্গে খারাপ বলা ঠিক নয়। এখনও অনেক সৎ ব্যবসায়ী আছেন, যারা সততার সঙ্গে ব্যবসা করেন। কিন্তু যারা মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে প্রতারণা করেন, তাদের কারণে পুরো সমাজের প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট হয়।

তাই বাজারে কেনাকাটার সময় নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হোন।
⚖️ ওজন করার সময় মিটারের দিকে তাকান।
🔄 সন্দেহ হলে পুনরায় ওজন করুন।
📏 সম্ভব হলে সঠিক মাপের যন্ত্রে যাচাই করুন।
🗣️ কারচুপি ধরা পড়লে প্রতিবাদ করুন এবং প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানান।

কারণ, অসততার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সচেতনতা।

আমরা এমন একটি দেশ চাই, যেখানে একজন ক্রেতাকে ঠকানোর জন্য কৌশল নয়—সততাই হবে ব্যবসার পরিচয়। ❤️🇧🇩

আলী হোসেন

#ইন্নালিল্লাহ #সচেতনহোন #ভোক্তাঅধিকার #ওজনেকারচুপি #বাজারদর #প্রতারণা #সততারব্যবসা #সচেতনতাইশক্তি #ভোক্তাসচেতনতা #বাংলাদেশ

একজন ডাক্তার একদিনে তৈরি হন না—এক আঘাতে যেন সব শেষ না হয়১৫ হাজার ডলার!এক ডলার ১২২ টাকা হিসেবে যার মূল্য প্রায় ১৮ লাখ ৩০ ...
20/08/2026

একজন ডাক্তার একদিনে তৈরি হন না—এক আঘাতে যেন সব শেষ না হয়

১৫ হাজার ডলার!
এক ডলার ১২২ টাকা হিসেবে যার মূল্য প্রায় ১৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এত বিপুল টাকা দাবি, কথা না শুনলে জীবননাশের চেষ্টা—এ কেমন সমাজে আমরা বাস করছি?

চাঁদাবাজদের যেন একটাই নীতিকথা—“এত টাকা কামাও, কিছু দিলে সমস্যা কী?”
কিন্তু প্রশ্ন হলো, একজন মানুষ এতদূর পৌঁছান কীভাবে?

ইনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক, কান ও গলা (ENT) বিভাগের প্রধান। অসংখ্য রোগী তাঁর চিকিৎসা, আন্তরিকতা ও দক্ষতার প্রশংসা করেছেন। একজন চিকিৎসক হিসেবে তিনি শুধু একটি পদ বা পরিচয়ের নাম নন—তিনি একজন মানুষের দীর্ঘ জীবনের সাধনা, পরিশ্রম ও আত্মত্যাগের প্রতিচ্ছবি।

একজন ডাক্তার একদিনে তৈরি হন না।

শৈশব থেকে বছরের পর বছর পড়াশোনা।
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় হাজারো শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে জায়গা করে নেওয়া।
এরপর দীর্ঘ ও কঠিন MBBS জীবন।
তারপর উচ্চতর ডিগ্রি—MD, FCPS, FRCS কিংবা আরও নানা প্রশিক্ষণ ও বিশেষায়ন।
শুধু ডিগ্রি অর্জন করলেই শেষ নয়; একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নতুন জ্ঞান অর্জন, গবেষণা ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেকে আপডেট রাখতে হয়।

একজন চিকিৎসকের পেছনে থাকে তাঁর নিজের অগণিত রাতজাগা, বাবা-মায়ের ত্যাগ, পরিবারের অপেক্ষা এবং মানুষের জীবন বাঁচানোর অঙ্গীকার।

অথচ সেই দীর্ঘ সাধনার জীবন যদি একটি হাতুড়ির আঘাতে থেমে যাওয়ার আশঙ্কায় থাকে—তাহলে প্রশ্ন জাগে:

পরিশ্রম করে নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের চেষ্টা করে লাভ কী?
কষ্ট করে বৈধভাবে অর্থ উপার্জন করে লাভ কী?
সমাজে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন দেখারই বা কী প্রয়োজন?

যদি একজন সৎ ও পরিশ্রমী মানুষকে নিজের উপার্জনের জন্যই চাঁদাবাজের কাছে জবাবদিহি করতে হয়, তাহলে এটি শুধু একজন ব্যক্তির ওপর হামলা নয়—এটি আমাদের সমাজের নিরাপত্তা, ন্যায়বোধ ও সভ্যতার ওপর আঘাত।

আমরা এমন বাংলাদেশ চাই না, যেখানে সততা ও পরিশ্রমের পুরস্কার হবে ভয়, আর অপরাধীর দাবি না মানলে জীবন হয়ে উঠবে অনিরাপদ।

চাঁদাবাজি কোনো ‘দাবি’ নয়—এটি অপরাধ।
সন্ত্রাস কোনো ‘ক্ষমতা’ নয়—এটি সমাজের জন্য হুমকি।

আজ একজন চিকিৎসক, কাল হয়তো একজন শিক্ষক, ব্যবসায়ী, প্রকৌশলী কিংবা সাধারণ কোনো পরিশ্রমী মানুষ।

অপরাধীর হাত থামানো না গেলে নিরাপদ থাকবে না কারও অর্জন, কারও স্বপ্ন, কারও জীবন।

আসুন, আমরা চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সোচ্চার হই।
পরিশ্রমী মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করি।
কারণ একটি সভ্য সমাজে মানুষের সাফল্য অপরাধীর চাঁদার কারণ হতে পারে না।

— Sonar Bangla TV

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৪৫৯ অস্থায়ী কর্মচারীকে স্থায়ী করলেন মেয়র | খবর | বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)
09/08/2026

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৪৫৯ অস্থায়ী কর্মচারীকে স্থায়ী করলেন মেয়র | খবর | বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)

চট্টগ্রাম, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) আরও ৪৫৯ জন অস্থায়ী কর্মচারীকে স্থায়ী করা ...

05/08/2026

জুলাই ডকুমেন্টারি ঘিরে নতুন বিতর্ক! জুলাই যোদ্ধাদের ওয়াকআউটের কারণ কী?

জুলাই ডকুমেন্টারিকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা ও বিতর্ক। এক পর্যায়ে জুলাই যোদ্ধাদের ওয়াকআউটের ঘটনাও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। কী ঘটেছিল? কেন তারা ওয়াকআউট করলেন? সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য এবং পুরো ঘটনার প্রেক্ষাপট জানতে দেখুন এই ভিডিও।

ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করুন। সর্বশেষ খবর ও আপডেট পেতে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।

#জুলাইডকুমেন্টারি #জুলাইযোদ্ধা #ওয়াকআউট #বাংলাদেশ #রাজনীতি

03/08/2026

বিষয়: মাস্টার রোলভিত্তিক চাকরিজীবীদের দুঃখ-দুর্দশা ও ন্যায্য দাবিসমূহ নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রচারের জন্য আবেদন।

বরাবর,
সাংবাদিক
আলী আসগর ইমন
এটিএন বাংলা

জনাব,

সবিনয় নিবেদন এই যে, আমরা দেশের বিভিন্ন সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মাস্টার রোলভিত্তিক চাকরিজীবীরা দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত অনিশ্চিত ও মানবেতর পরিস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করে আসছি। নিয়মিতভাবে সরকারি দায়িত্ব পালন করলেও আমরা চাকরির স্থায়িত্ব, ন্যায্য বেতন-ভাতা, সামাজিক নিরাপত্তা, চিকিৎসা সুবিধা, উৎসব ভাতা, পেনশনসহ মৌলিক অনেক সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

দীর্ঘদিন ধরে একই প্রতিষ্ঠানে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেও আমাদের অনেকের চাকরি এখনও অস্থায়ী। অল্প বেতনে পরিবার চালানো, সন্তানের শিক্ষা, চিকিৎসা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। অথচ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেবাখাতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

এমতাবস্থায়, আমাদের এই বাস্তব চিত্র, দুঃখ-দুর্দশা, দীর্ঘদিনের বঞ্চনা এবং ন্যায্য দাবিগুলো জাতির সামনে তুলে ধরার লক্ষ্যে এটিএন বাংলায় একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও বিশেষ সংবাদ প্রচারের জন্য আপনার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি। আমরা বিশ্বাস করি, আপনার নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে এবং আমাদের সমস্যার একটি কার্যকর সমাধানের পথ সুগম হবে।

অতএব, বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে আমাদের জীবনসংগ্রাম ও ন্যায্য দাবিগুলো গণমাধ্যমে যথাযথভাবে তুলে ধরার জন্য আপনার সদয় হস্তক্ষেপ ও সহযোগিতা একান্তভাবে প্রার্থনা করছি।

বিনীত নিবেদক
মাস্টার রোলভিত্তিক চাকরিজীবীদের পক্ষে
নাম: ..........এইচ এম আলী হোসেন ...
পদবি: ...পরিসংখ্যানবিদ........
প্রতিষ্ঠান: ..........এনসিসি
মোবাইল: ............01834914808..
তারিখ: .....3/8/26.........................

দাবিনামাবিষয়: মাস্টার রোলভিত্তিক কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ীকরণ এবং কল্যাণ ট্রাস্ট গঠনের দাবিতে।বরাবরমাননীয় ...............
01/08/2026

দাবিনামা

বিষয়: মাস্টার রোলভিত্তিক কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ীকরণ এবং কল্যাণ ট্রাস্ট গঠনের দাবিতে।

বরাবর
মাননীয় ....................প্রধানমন্ত্রী ......................................................................

মহোদয়,

যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমরা দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠা, সততা ও দক্ষতার সঙ্গে মাস্টার রোলভিত্তিক কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সচল রাখতে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকা সত্ত্বেও আমরা এখনও চাকরির স্থায়িত্ব, সামাজিক নিরাপত্তা এবং অন্যান্য ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

এমতাবস্থায়, আমাদের ন্যায্য দাবিসমূহ নিম্নরূপ—

১. দীর্ঘদিন কর্মরত সকল যোগ্য মাস্টার রোল কর্মচারীর চাকরি দ্রুত স্থায়ীকরণ করতে হবে।
২. মাস্টার রোল কর্মচারীদের জন্য সুস্পষ্ট চাকরি নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
৩. মাস্টার রোল কর্মচারীদের জন্য একটি কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করতে হবে, যাতে চিকিৎসা সহায়তা, দুর্ঘটনাজনিত আর্থিক সহায়তা, মৃত্যুজনিত অনুদান, শিক্ষা সহায়তা এবং অবসরকালীন কল্যাণ সুবিধা নিশ্চিত করা যায়।
৪. নিয়মিত কর্মচারীদের ন্যায় বেতন-ভাতা ও অন্যান্য প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা পর্যায়ক্রমে প্রদান করতে হবে।
৫. দীর্ঘদিনের চাকরির অভিজ্ঞতা ও কর্মদক্ষতাকে মূল্যায়ন করে পদোন্নতি ও অন্যান্য সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
৬. চাকরির ধারাবাহিকতা ও কর্মস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
৭. কর্মচারীদের জন্য ভবিষ্যনিধি (Provident Fund), গ্র্যাচুইটি এবং অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা চালু করতে হবে।

অতএব, আমাদের ন্যায্য ও যৌক্তিক দাবিসমূহ দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য আপনার সদয় ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

বিনীত নিবেদক

মাস্টার রোল কর্মচারীবৃন্দ............................................
তারিখ: ............................
স্থান: ............................

দাবিনামাবিষয়: মাস্টার রোলভিত্তিক কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ীকরণ এবং কল্যাণ ট্রাস্ট গঠনের দাবিতে।বরাবরমাননীয় ...............
01/08/2026

দাবিনামা

বিষয়: মাস্টার রোলভিত্তিক কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ীকরণ এবং কল্যাণ ট্রাস্ট গঠনের দাবিতে।

বরাবর
মাননীয় ....................প্রধানমন্ত্রী ......................................................................

মহোদয়,

যথাযথ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমরা দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠা, সততা ও দক্ষতার সঙ্গে মাস্টার রোলভিত্তিক কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সচল রাখতে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকা সত্ত্বেও আমরা এখনও চাকরির স্থায়িত্ব, সামাজিক নিরাপত্তা এবং অন্যান্য ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

এমতাবস্থায়, আমাদের ন্যায্য দাবিসমূহ নিম্নরূপ—

১. দীর্ঘদিন কর্মরত সকল যোগ্য মাস্টার রোল কর্মচারীর চাকরি দ্রুত স্থায়ীকরণ করতে হবে।
২. মাস্টার রোল কর্মচারীদের জন্য সুস্পষ্ট চাকরি নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
৩. মাস্টার রোল কর্মচারীদের জন্য একটি কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করতে হবে, যাতে চিকিৎসা সহায়তা, দুর্ঘটনাজনিত আর্থিক সহায়তা, মৃত্যুজনিত অনুদান, শিক্ষা সহায়তা এবং অবসরকালীন কল্যাণ সুবিধা নিশ্চিত করা যায়।
৪. নিয়মিত কর্মচারীদের ন্যায় বেতন-ভাতা ও অন্যান্য প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা পর্যায়ক্রমে প্রদান করতে হবে।
৫. দীর্ঘদিনের চাকরির অভিজ্ঞতা ও কর্মদক্ষতাকে মূল্যায়ন করে পদোন্নতি ও অন্যান্য সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
৬. চাকরির ধারাবাহিকতা ও কর্মস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
৭. কর্মচারীদের জন্য ভবিষ্যনিধি (Provident Fund), গ্র্যাচুইটি এবং অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা চালু করতে হবে।

অতএব, আমাদের ন্যায্য ও যৌক্তিক দাবিসমূহ দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য আপনার সদয় ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

বিনীত নিবেদক

মাস্টার রোল কর্মচারীবৃন্দ............................................
তারিখ: ............................
স্থান: ............................
বেশি বেশি শেয়ার করুন......

বছরের পর বছর সেবা, তবুও কেন অনিশ্চিত জীবন?মাস্টার রোলে কর্মরত হাজারো কর্মচারী দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠা, সততা ও দায়িত্বের সঙ্...
21/07/2026

বছরের পর বছর সেবা, তবুও কেন অনিশ্চিত জীবন?

মাস্টার রোলে কর্মরত হাজারো কর্মচারী দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠা, সততা ও দায়িত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। অফিসের প্রয়োজন পূরণে তারা সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করলেও, আজও তাদের অনেকের ভাগ্যে জোটেনি স্থায়ী চাকরির নিশ্চয়তা।

একই কাজ, একই দায়িত্ব, একই প্রতিষ্ঠানের জন্য বছরের পর বছর শ্রম—তবুও নেই চাকরির নিরাপত্তা, নেই ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা। এই অনিশ্চয়তা শুধু একজন কর্মচারীর নয়, তার পুরো পরিবারের স্বপ্ন ও জীবনের ওপর প্রভাব ফেলে।

আমাদের একটাই দাবি—দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত মাস্টার রোল কর্মচারীদের দ্রুত আত্তীকরণ বা স্থায়ীকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। তাদের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও অবদানের যথাযথ মূল্যায়ন করে ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। যারা বছরের পর বছর প্রতিষ্ঠানের জন্য নিজেদের শ্রম, মেধা ও সময় উৎসর্গ করেছেন, তাদের প্রাপ্য সম্মান ও চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নৈতিক দায়িত্ব।

আসুন, ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। শ্রমের মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হোক, মাস্টার রোল কর্মচারীদের জীবন থেকে অনিশ্চয়তার অবসান ঘটুক।

"দীর্ঘদিনের সেবার স্বীকৃতি চাই, মাস্টার রোল কর্মচারীদের স্থায়ী চাকরি চাই।"

#মাস্টার_রোল #চাকরি_স্থায়ীকরণ #আত্তীকরণ_চাই #ন্যায্য_অধিকার #শ্রমের_মর্যাদা #কর্মচারীর_অধিকার #দাবি_আমাদের_অধিকার #বাংলাদেশ

Address

Mizmizi, Hirajil, Shidhirganj
Narayanganj
1430

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশ মাস্টার রোল কর্মী অধিকার পরিষদ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share