08/07/2026
গাজায় কি সত্যিই শুধু যুদ্ধই চলছে?
আমরা টিভিতে যা দেখি, খবর যা পড়ি, তা হলো বোমা, ধ্বংস আর মৃত্যুর সংখ্যা। কিন্তু এই সংখ্যাগুলোর আড়ালে আরেকটা গল্প চাপা পড়ে থাকে, যেটা কেউ খব একটা বলে না। ঘরবাড়ি গুঁডয়ে গেছে, লাখো মানুষ খোলা আকাশর নিচে। খাবার নেই, বিশুদ্ধ পানি নেই, ওষুধ ফুরিয়ে গেছে, হাসপাতালগুলো একটা পর একটা অচল হয়ে পড়ছে। যেটুকু টিকে আছে, সেখানেও বিদ্যুৎ নেই, যন্ত্রপাতি নেই, ডাক্তারের হাতে দেওয়ার মতো কিছুই নেই। একটা গোটা জনপদ বেঁচে থাকার সবচেয়ে সাধারণ জিনিসগুলো থেকেও আজ বঞ্চিত।
আর এই সবকছুর মধ্যে সবচেয়ে নীরব যে ক্ষতিটা হচ্ছে, তা হলো অনাগত শিশুদের প্রাণ। TRT World-এর তথ্য বলছে, যুদ্ধ, অপুষ্টি, মাথা গোঁজার জায়গার অভাব আর ভেঙে পড়া চিকিৎসাববস্থার কারণে গাজায় গর্ভপাতের হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে। ভাবুন একবার, একজন অন্তঃসত্ত্বা মা জানেন না তিনি তার সন্তানকে আদৌ সুস্থভাবে জন্ম দিতে পারবেন কিনা। যে শিশুটা এখনো পৃথিবীর মুখ দেখেনি, তার বেঁচে থাকাও আজ অনিশ্চিত। এর চেয়ে ভারী কষ্ট আর কী হতে পারে।
নীরবে হারিয়ে যাচ্ছে আরও অসংখ্য অনাগত প্রাণ। TRT World-এর তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ, অপুষ্টি, নিরাপদ আশ্রয়ের অভাব এবং ভেঙে পড়া স্বাস্থ্যব্যবস্থার কারণে গাজায় গর্ভপাতের হার উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। একজন মা আজ জানেন না, তিনি আদৌ তাঁর সন্তানকে সুস্থভাবে পৃথিবীর আলো দেখাতে পারবেন কিনা।
রাসূল ﷺ বলেছেন, “যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের একটি কষ্ট দূর করে দেয়, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার কষ্টগুলোর একটি কষ্ট দূর করে দেবেন।” সহিহ মুসলিম। হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল আগামী ২৮ তারিখে তুরস্ক ও মিশর হয়ে গাজার মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে অংশ নেবে, ইনশাআল্লাহ। আপনার সহযোগিতায় খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে অসহায় পরিবারগুলোর কাছে। আজই আপনার সাধ্য অনুযায়ী অংশ নিন আপনার একটি দান হতে পারে একটি মায়ের আশা, একটি পরিবারের স্বস্তি।
📌 সহযোগিতা পাঠাতে ও বিস্তারিত জানতে প্রথম কমেন্ট (First Comment) চেক করুন।