শাপলা স্মৃতি সংসদ- Shapla Smriti Sangsad

শাপলা স্মৃতি সংসদ- Shapla Smriti Sangsad This is the official page of Shapla Smriti Sangsad.

07/06/2026

শাপলা স্মৃতি সংসদ- কর্তৃক আয়োজিত প্রতিযোগিতায় বিজয়ীর মুখে বিজয়ের অনুভূতি।

শাপলা গণহত্যার ঘটনায় আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এএসপি ইফতেখার আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন...
04/06/2026

শাপলা গণহত্যার ঘটনায় আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এএসপি ইফতেখার আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন শাপলা স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ কামাল উদ্দীন।

সাক্ষাৎকালে শাপলা স্মৃতি সংসদের পক্ষ থেকে প্রকাশিত ‘শহীদনামা’ গ্রন্থের নতুন সংস্করণের কপি তাঁর হাতে তুলে দেন।

এ সময় তিনি শাপলা গণহত্যা মামলার তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রমের অগ্রগতির বিষয়ে খোঁজ খবর নেন। পাশাপাশি মামলার স্বার্থে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত ও অন্যান্য বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

২০২১ সালে মোদী বিরোধী আন্দোলনে শাহাদাত বরণকারী শহীদ বাদল মিয়ার কবর জিয়ারত ও পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করেন শাপলা স্মৃতি সং...
01/06/2026

২০২১ সালে মোদী বিরোধী আন্দোলনে শাহাদাত বরণকারী শহীদ বাদল মিয়ার কবর জিয়ারত ও পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করেন শাপলা স্মৃতি সংসদের সিলেট বিভাগের কমিটির সম্মানিত সদস্যবৃন্দ।

মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ এর হাতে ‘শহীদনামা’ হাদিয়া প্রদানআজ ৩১ মে ২০২৬ শাপলা স্মৃতি সংসদ প্রকাশিত হেফাজতে ইসলামের শহীদদ...
31/05/2026

মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ এর হাতে ‘শহীদনামা’ হাদিয়া প্রদান

আজ ৩১ মে ২০২৬ শাপলা স্মৃতি সংসদ প্রকাশিত হেফাজতে ইসলামের শহীদদের জীবনীভিত্তিক স্মারকগ্রন্থ ‘শহীদনামা’ বিশিষ্ট আলেমেদ্বীন ও লক্ষীপুরের কমলনগর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ-এর হাতে হাদিয়া হিসেবে তুলে দেওয়া হয়েছে।

এ সময় শাপলা স্মৃতি সংসদের সহ-সভাপতি মাওলানা ইলিয়াস হামিদী উপস্থিত থেকে তাঁর হাতে গ্রন্থটি প্রদান করেন। গ্রন্থটি গ্রহণ করে মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ শাপলা স্মৃতি সংসদের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং শহীদদের আত্মত্যাগের ইতিহাস সংরক্ষণ ও প্রচারে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

**আলহামদুলিল্লাহ।**আপনাদের আন্তরিক সহযোগিতা, ভালোবাসা ও আস্থার মাধ্যমে শাপলা স্মৃতি সংসদ এ বছর কুরবানীর ঈদের আনন্দ পৌঁছে...
30/05/2026

**আলহামদুলিল্লাহ।**

আপনাদের আন্তরিক সহযোগিতা, ভালোবাসা ও আস্থার মাধ্যমে শাপলা স্মৃতি সংসদ এ বছর কুরবানীর ঈদের আনন্দ পৌঁছে দিতে পেরেছে শহীদ ও আহত পরিবারের ঘরে ঘরে।

যখন আমরা কুরবানীর জন্য সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছিলাম, তখন লক্ষ্য ছিল একটাই—যারা জাতির জন্য, দ্বীনের জন্য এবং সত্যের পক্ষে দাঁড়িয়ে সবচেয়ে বড় ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাদের পরিবার যেন ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয়।

আলহামদুলিল্লাহ, আপনাদের সহযোগিতায় এ বছর কুরবানীর মাংস ও ঈদের আনন্দ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে মোট **৪৬টি পরিবারের** কাছে।

🔹 শহীদ পরিবার – **৩৩টি**
🔹 আহত ব্যক্তি ও তাদের পরিবার – **১৩টি**

কুরবানী বাস্তবায়ন করা হয়েছে—

এই কার্যক্রমের আওতায় সহায়তা পৌঁছেছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে—ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সিরাজগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বরিশাল, পটুয়াখালী, খুলনা, কুমিল্লা ও খাগড়াছড়িসহ আরও বিভিন্ন স্থানে।

প্রত্যেক দাতার প্রতি আমাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আপনারা শুধু কুরবানীর মাংস দেননি; দিয়েছেন ভালোবাসা, সম্মান এবং এই বার্তা—“আমরা শহীদ ও আহত পরিবারগুলোকে ভুলে যাইনি।”

আল্লাহ তাআলা সকল দাতার দান কবুল করুন, শহীদদের শাহাদাত কবুল করুন, আহতদের উত্তম প্রতিদান দান করুন এবং আমাদের সবাইকে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর তাওফিক দান করুন।শাপলা স্মৃতি সংসদ- Shapla Smriti Sangsad সংসদ-**
মানুষের পাশে, স্মৃতির দায়বদ্ধতায়।

#শাপলা_স্মৃতি_সংসদ
#শহীদ_পরিবারের_পাশে
#কুরবানী_২০২৬

🌙ঈদ মোবারকتَقَبَّلَ اللَّهُ مِنَّا وَمِنْكُمْ، وَعِيدٌ مُبَارَكٌ عَلَيْنَا وَعَلَيْكُمْ.‎ত্যাগ আর ইবাদতের এই পবিত্র দিনে...
27/05/2026

🌙ঈদ মোবারক
تَقَبَّلَ اللَّهُ مِنَّا وَمِنْكُمْ، وَعِيدٌ مُبَارَكٌ عَلَيْنَا وَعَلَيْكُمْ.

ত্যাগ আর ইবাদতের এই পবিত্র দিনে আল্লাহ আমাদের সবার কুরবানী,হজ্ব ও নেক আমল গুলো কবুল করুন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঢাকা, ২৫ মে ২০২৬শাপলা গণহত্যা নিয়ে অস্বীকারমূলক বক্তব্যের তীব্র নিন্দা।।সম্প্রতি একটি পডকাস্টে মাওলানা খ...
25/05/2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
ঢাকা, ২৫ মে ২০২৬

শাপলা গণহত্যা নিয়ে অস্বীকারমূলক বক্তব্যের তীব্র নিন্দা।।

সম্প্রতি একটি পডকাস্টে মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ সাহেব কর্তৃক শাপলা গণহত্যা বিষয়ে অস্বীকারমূলক বক্তব্য প্রদান করায় গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে শাপলা স্মৃতি সংসদ।

আজ ২৫ মে সোমবার এক বিবৃতিতে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ কামাল উদ্দীন বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে সংঘটিত ঘটনা বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম বেদনাবিধুর অধ্যায়। নিরস্ত্র আলেম-ওলামা, তৌহিদী জনতা ও সাধারণ মানুষের ওপর পরিচালিত অভিযানে বহু হতাহতের অভিযোগ, প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য, মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদন এবং দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। বহু পরিবার আজও স্বজন হারানোর বেদনা বহন করছে এবং ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় রয়েছে।
তিনি বলেন, এমন একটি রক্তাক্ত ঘটনাকে অস্বীকার করা বা এর গুরুত্ব খাটো করে দেখানো শুধু শহীদদের স্মৃতির প্রতিই অবমাননা নয়; বরং আহত ও স্বজনহারা পরিবারগুলোর দীর্ঘদিনের বেদনাকেও অস্বীকার করার শামিল। যে ঘটনার বিচার ও সত্য উদ্ঘাটনের দাবি এখনও অব্যাহত, তাকে অস্বীকার করার যেকোনো প্রচেষ্টা ইতিহাস বিকৃতির অপচেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ম্যাস কিলিং (Mass Killing) বা গণহত্যা আন্তর্জাতিক গবেষণা ও মানবাধিকার আলোচনায় সুপ্রতিষ্ঠিত একটি ধারণা। শাপলা ট্র্যাজেডিকে ঘিরে দীর্ঘদিনের অনুসন্ধান, তথ্য-উপাত্ত, সাক্ষ্য এবং বিচারিক প্রক্রিয়া বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও একে অস্বীকার করার প্রচেষ্টা বিষয়টির মৌলিক সংজ্ঞা ও ঐতিহাসিক বাস্তবতা সম্পর্কে গুরুতর অজ্ঞতারই বহিঃপ্রকাশ।

বিবৃতিতে প্রশ্ন তোলা হয়—ঘটনার এত দীর্ঘ আলোচনা, সাক্ষ্য-প্রমাণ, ভুক্তভোগীদের বক্তব্য, মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদন এবং বিচারিক কার্যক্রম চলমান থাকার পরও কীভাবে একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি এমন স্পর্শকাতর বিষয়ে অস্বীকারমূলক মন্তব্য করতে পারেন?

শাপলা স্মৃতি সংসদ উল্লেখ করে যে, প্রশাসনিক তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী ৫–৬ মে সময়ে শুধুমাত্র ঢাকায় ৩২ জনের শাহাদাতের তথ্য নিশ্চিত হয়েছে। পাশাপাশি সংগঠনের নিজস্ব অনুসন্ধান ও তথ্যসংগ্রহের ভিত্তিতে এ পর্যন্ত ৬৭ জন শহীদের বিস্তারিত পরিচয় সংরক্ষণ করে ‘শহীদনামা’ প্রকাশ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শাপলা চত্বরের ঘটনা এবং পরবর্তী সময়ে মাদানীনগর, হাটহাজারীসহ বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত সহিংসতা বাংলাদেশের ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়। মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’সহ বিভিন্ন সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম হতাহতের ঘটনা, নিখোঁজ হওয়া ও লাশ গুমের অভিযোগ নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তৎকালীন সময়ে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরার কারণে গণমাধ্যম ও মানবাধিকারকর্মীদের ওপর চাপ ও হয়রানির অভিযোগও দেশ-বিদেশে আলোচিত হয়েছিল।

বিবৃতিতে বলা হয়, শাপলা গণহত্যাকে অস্বীকার করা মানে কেবল একটি ঐতিহাসিক ঘটনাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা নয়; বরং শহীদ পরিবারগুলোর সাক্ষ্য, মানবাধিকার সংস্থার অনুসন্ধান এবং এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান বিচারিক কার্যক্রমকেও পরোক্ষভাবে অগ্রাহ্য করা। এ ধরনের বক্তব্য সত্য উদ্ঘাটন ও ন্যায়বিচারের প্রচেষ্টাকে দুর্বল করে এবং বিচারপ্রত্যাশী পরিবারগুলোর ক্ষতকে নতুন করে রক্তাক্ত করে।

বিবৃতিতে বলা হয়, একজন বয়োজ্যেষ্ঠ ও শ্রদ্ধেয় আলেমের মুখ থেকে এমন বক্তব্য জাতিকে বিস্মিত ও মর্মাহত করেছে। ব্যক্তি হিসেবে তাঁর প্রতি সম্মান অটুট থাকলেও ইতিহাস, শহীদদের রক্ত ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নে কোনো ব্যক্তি সমালোচনার ঊর্ধ্বে নন। শাপলা গণহত্যার সত্যকে আড়াল, অস্বীকার কিংবা বিকৃত করার যেকোনো প্রচেষ্টা ইতিহাসের আদালতে ব্যর্থ হতে বাধ্য।

শাপলা স্মৃতি সংসদ শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ, আহতদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ এবং শাপলা গণহত্যার প্রকৃত ইতিহাস জাতির সামনে তুলে ধরার সংগ্রাম অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেয় এবং সকল বিবেকবান নাগরিক, গবেষক, আলেম-উলামা, মানবাধিকারকর্মী ও গণমাধ্যমকর্মীদের সত্যের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণের আহ্বান জানায়।

ওয়াসসালাম
মুহাম্মাদ কামাল উদ্দীন
সাধারণ সম্পাদক
শাপলা স্মৃতি সংসদ

22/05/2026

যখন চারদিকে ঈদের প্রস্তুতি, তখন কিছু ঘরে আজও নীরবতা। কিছু শিশু আজও অপেক্ষা করে এমন একজন মানুষের জন্য, যিনি আর কখনো ফিরবেন না।

শাপলা গণ-হত্যা ও মো-দীবি-রোধী আন্দোলনে শহীদ ও আহত হওয়া বহু পরিবার আজও বহন করছে হারানোর বেদনা। তাদের ঘরেও ঈদের আনন্দ পৌঁছে দিতে।

আসুন, এবারের কুরবানীতে
ত্যাগের পাশাপাশি ভালোবাসাও পৌঁছে দিই
শহীদ ও আহত পরিবারের দোরগোড়ায়।

#শাপলা_স্মৃতি_সংসদ
#শহীদ_পরিবারের_পাশে
#কুরবানী_২০২৬

21/05/2026

আপনার ঘরে তো ঈদের আনন্দ শুরু হয়ে গেছে, তাই না?
কিন্তু একবার ভাবুন তো—সেই সন্তানটির কথা, যে এবার আর বাবার হাত ধরে ঈদের নামাজে যেতে পারবে না। কিংবা সেই মায়ের কথা, যার সন্তান আর কোনোদিন ফিরে আসবে না।
বিগত স্বৈরাচারী শাসনামলে শাপলা গণহত্যা ও মোদীবিরোধী আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের শূন্য ভিটেয় এবার ঈদ কাটবে নিরব বেদনায়।
শহীদ ও আহত পরিবারের ঈদ যেন বিষাদে না কাটে—সেই দায়িত্ব আমাদের সবার।
তাদের এই দীর্ঘশ্বাসে একটু স্বস্তির ছোঁয়া দিতে কাজ করছে “শাপলা স্মৃতি সংসদ”।
আমাদের লক্ষ্য ১২০টি পরিবারের জন্য কুরবানীর ব্যবস্থা করা।
আপনি কীভাবে যুক্ত হতে পারেন?
- এককভাবে একটি গরুর দায়িত্ব নিয়ে (৯৮,০০০ টাকা)
- অথবা, একটি শরিক নিয়ে (১৪,০০০ টাকা)
- কিংবা আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী যেকোনো পরিমাণ দান করে।
আসুন, আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের পাশে দাঁড়াই।

অনুদান পাঠাতে নিচের তথ্যগুলো ব্যবহার করুন অথাবা কমেন্টে দেওয়া লিংক থেকে সরাসরি দান করুন।
ব্যাংক একাউন্ট:
Bank Name: Al-Arfah Islami Bank
Branch: Ati Bazar
Routing Number: 015270346
Account Name: Tagleeb-E-Din Foundation
Account No: 0831120123092
বিকাশ মার্চেন্ট (পেমেন্ট)
01341579598

ঈদের আনন্দ হোক সবার জন্য। ❤️

আসুন,কুরবানীর আনন্দ ভাগ করে নেইশহীদ ও আহত পরিবারের সাথে। 🤍চারদিকে ঈদের আনন্দ। ঘরে ঘরে কুরবানীর প্রস্তুতি।প্রিয়জনদের নিয...
19/05/2026

আসুন,
কুরবানীর আনন্দ ভাগ করে নেই
শহীদ ও আহত পরিবারের সাথে। 🤍
চারদিকে ঈদের আনন্দ। ঘরে ঘরে কুরবানীর প্রস্তুতি।
প্রিয়জনদের নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন সবাই। কিন্তু সেই পরিবারগুলোর কথা কি আমরা ভেবেছি—
যারা হারিয়েছেন তাদের সবচেয়ে প্রিয় মানুষটিকে?
কেউ আর কখনো ফিরবেন না। কেউ বেঁচে আছেন আজীবনের ক্ষত বুকে নিয়ে। কেউ হারিয়েছেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে।
বিগত স্বৈ,রা,চারী শাসনামলে শাপলা গ-ণহ-ত্যা ও মো-দীবিরো-ধী আ-ন্দোহীদ ও আহত হওয়া অসংখ্য পরিবারের ঈদ আজও নীরব বেদনার।
তাদের ঘরেও কুরবানীর আনন্দ পৌঁছে দিতে
উদ্যোগ নিয়েছে তাগলীবে দ্বীন ফাউন্ডেশন।
🎯 আমাদের লক্ষ্য:
১২০টি শহীদ ও আহত পরিবারের জন্য
১২০টি কুরবানী।
🔹 একটি গরু — ৯৮,০০০ টাকা
🔹 একটি শরিক — মাত্র ১৪,০০০ টাকা
আপনার অংশগ্রহণ হতে পারে—
একটি পরিবারের ঈদের হাসি, একজন শহীদের সন্তানের মুখের আনন্দ, একটি আহত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর নীরব ভালোবাসা।

Address

Chandmiya Housing
Mohammadpur
1207

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শাপলা স্মৃতি সংসদ- Shapla Smriti Sangsad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share