19/07/2026
স্কুল জীবনের গন্ডি পেরিয়ে কলেজ জীবনে প্রবেশের পর অন্যরকম এক পরিবেশ উপলব্ধি করা। প্রত্যেক মাসেই ছিলো পরীক্ষা। পড়াশোনায় ব্যস্ততার যেন কমতি নেই, স্কুল জীবনের সহপাঠী-বন্ধুদের ভুলেই বসেছিলাম। ব্যস্ততার মাঝেই হঠাৎ স্কুল জীবনের এক বন্ধুর দেখা। কথার মাঝে তার ছোট ভাইয়ের প্রসঙ্গ উঠতেই তার চেহারায় কালো মেঘের উঁকি দেখতে পেলাম। উত্তরের সারমর্মটা অনেকটা এমন “আর বলিস না খুব খারাপ হয়ে গেছে। নেশা-টেশাও করে মনে হয়।" উত্তর শুনে অবাক হয়ে কারণ জানতে চাইলে জবাবে বলে, "মনিপুর এখন বস্তি হয়ে গেছে।" এসব উত্তর শুনে মনে চিন্তার ঝড় বইতে লাগলো। পড়াশোনার ব্যস্ততার অতল গহ্বরে সেই ঝড় হারিয়ে গেলো। টেস্ট পরীক্ষা শেষের দিকে, মনের মধ্যে পুষে রাখা সেই ঝড় ব্যস্ততার বুহ্য ভেদ করে ভয়ঙ্কর রূপ নিলো 'কিছু একটা করার জন্য'। দিক ভ্রান্ত এই শিশু-কিশোরেরা অকালে ঝড়ে যাচ্ছে, যে ফুল সবে মাত্র কলি ভেদ করে ফোটার কথা। সেই ফুল কিনা ফোটার আগেই দলিত হবে!?
চিত্রটা সব জায়গার। আসলে আমরা চামড়ায় বাদামি হলেও মস্তকখানা সাদা চামড়া ব্রিটিশদের মতো। তাদের রেখে যাওয়া সিস্টেম অনুযায়ী ইসলাম পালন মানেই মাদ্রাসা। স্কুল-কলেজের ছেলেরা কি ইসলাম পালনের স্থান? এখানে দাঁড়ি-টুপিওয়ালা ছেলেরা থাকে? এখানে থাকতে হলে তো তোমাকে বেদ্বীন হতে হয়, তাই না?
যার ফলে আমাদের মাইন্ডসেট সাব-কন্সিয়াসলি ইসলাম-ফোবিক। স্কুল কলেজের ছেলেরা দাঁড়ি, টুপি রাখলে কিংবা স্কুল-কলেজের মেয়েরা নিকাব পড়লে অস্বাভাবিক মনে হয়।
ঝড়ে যাওয়া ফুলগুলো ছাড়াও এমন অনেক ফুল আছে যারা এখনও ঝরে যায়নি। যারা গা ভাসায়নি স্রোতের অনুকূলে। যারা রবের সামনে দন্ডায়মান হওয়ার ভয় করে। তাদেরকে একই ছাদের নিচে আনার প্রত্যয়ে এই ক্ষুদ্র প্রয়াস যেখানে সাবেক-বর্তমান সকল ছাত্ররাই থাকবেন।
MUBC Social Zone এর উদ্দেশ্য হলোঃ
–সামাজিক অবক্ষয় রোধে কাজ করা
–এদেশে সিস্টেমেটিক ইসলাম-ফোবিয়ার বিরুদ্ধে অবস্থান জারি রাখা
–ইসলামি সভ্যতার প্রচার-প্রসার