10/05/2026
২০১৭ সালের মা দিবসে আমাদের অনন্য এক আয়োজন।
এতো আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হবে ভাবিনি।
এতো চোখ জল ছলছল হবে চিন্তাই করিনি।
এতো নিংড়ানো কথা, মায়া বেরিয়ে আসবে কল্পনায় ছিলনা।
এতোটা ছুঁয়ে যাচ্ছিলো যে প্রতিটি মুহুর্ত মেরুদন্ড বেয়ে যেন শিরশির করে শীতল কিছু বয়ে যাচ্ছিল।
সকল মা কে দেওয়া হয়েছিল ভিআইপি গেস্টের মর্যাদা। এসেছিলো বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষিকা রুপি মায়েরা। তাদের নামে যাওয়া চিঠিটি পড়েই তারা আপ্লুত হয়ে পড়ে। চলে আসে টানে। তারপর নিবন্ধন, ভিডিও, স্লাইড, কথা সন্তান দের নিজ হাতে তৈরি শরবত, নাস্তা আর চা খাওয়া এবং একে একে প্রতিটি মা ও সন্তানের সামনে এসে মনের কথা অভাব অভিযোগ অভিমান ভালবাসা প্রকাশ সহ গিফট কান্না হাসি গান সবই হয়েছে। এমন একটি আয়োজনে আর কখনো কেউ অংশ নেয়নি। রেড ক্রিসেন্ট পরিবার যেন বসেছিল এক আবেগঘন পারিবারিক মিটিংএ। একজনের কথা কান্না হাসি অভিব্যাক্তিতে অনুপ্রাণিত, উপকৃত হয়েছে অন্যজন। সন্তানের যে আচয়ার আচরনের জন্য মা এর চিন্তা দুশ্চিন্তা তা এখানে সবার সামনে হয়েছে খোলাসা। সন্তান ও বুঝতে পেরেছে তার অবস্থান তাঁর কর্তব্য। করেছে প্রতিজ্ঞা।
সন্তানেরা অবেগভরা ভাষায় লিখেছিলো চিঠি। সে চিঠি গুলো যখন পাঠ করা হচ্ছিলো উপস্থিত সকলেই প্রায় আপ্লুত হয়ে পড়ে।
একটি অসাধারণ অনন্যসাধারণ জাদুকরি স্বপ্নীল কাব্যময় একটা বিকেল গিয়েছিল কাল। অনেক মা এসেছিলেন যাদের সন্তানেরা নোয়াখালির বাইরে বলে উপস্থিত ছিলনা। তাদের চোখের জল বেরিয়েছিল ঠিকই কিন্তু এত সন্তান উপস্থিত থাকতে তা মাটিতে পড়বে কি করে। দেয়নি তাদের মন খারাপ করতে। সন্তানের বন্ধুরা সব অভাব গুচিয়ে দেয়।
আবার অন্যদিকে অসুস্থতা সহ বিভিন্ন কারনে যাদের মায়েরা আসতে
পারেনি তাদেরও মন খারাপ হতে দেয়নি উপস্থিত মায়েরা।
স্বরন করা হয় মরহুম সাবেক যুব প্রধান ফররুখ আহমেদ মিঠু ও নোয়াখালী যুব রেড ক্রিসেন্টের অতি পুরোনো একজন মা বন্ধু মরহুম আন্টিকে যিনি রাবিতা সাবাহ রিখি ও রেহনুমা সারাহ রাইয়ানের মা।
শেষে কেক কেটে মা সম্মেলন উদযাপন করা হয়।