13/04/2026
নববর্ষ উদযাপন করার বিধান ইসলামে নেই। নওরোজ এবং মেহেরজান নামক উৎসব পালন করতে নিষেধ করে গেছেন স্বয়ং আল্লাহর রাসূল ﷺ
মুসলিমদের জন্য সামষ্টিক আনন্দ উৎসবের দিন হিসেবে আল্লাহ তা'আলা নির্ধারণ করে দিয়েছেন দুইটি ঈদ। আর পহেলা বৈশাখের মতো উৎসব, যার উৎস রয়েছে পৌত্তলিকতায়, কোনো মুসলিম কিছুতেই তা পালন করতে পারে না।
কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকার একটি রিপোর্টের অংশবিশেষ পড়ে দেখি -
"ঢাকার পয়লা যেন অষ্টমীর একডালিয়া
কার সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে! কখনও মনে হচ্ছিল কলকাতার কলেজ স্কোয়ার বা একডালিয়ার পুজো মণ্ডপ। কখনও বা শান্তিনিকেতনের বসন্ত উৎসবের চেহারা। তা সে রমনার বটমূলের বৃন্দগানই হোক কিংবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের রাজপথে মঙ্গল শোভাযাত্রা।"
১৫ এপ্রিল, ২০১৮
আনন্দবাজার পত্রিকা।
ত্রিশ-পঁয়ত্রিশ বছরের পুরনো 'আনন্দ শোভাযাত্রা' মার্কেটিং করা হয়েছে হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী 'মঙ্গল শোভাযাত্রা' হিসেবে। আপামর মুসলিম জনতার উপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে হিন্দুয়ানী কালচার ও রীতিনীতি। এই শোভাযাত্রায় ব্যবহৃত অশোভন আকৃতির প্যাঁচা, বাঘ বা বিভিন্ন মূর্তিকে 'মঙ্গলের প্রতীক' মনে করা স্পষ্ট শিরক। কল্যাণ বা অকল্যাণের মালিক একমাত্র আল্লাহ।
"যদি আল্লাহ তোমাকে কোন কষ্টে ফেলেন, তবে তিনি ছাড়া তা দূর করার কেউ নেই। আর যদি তিনি তোমার মঙ্গল চান, তবে তাঁর অনুগ্রহ রদ করার কেউ নেই।" (সূরা ইউনুস, আয়াত: ১০৭)
আবার এই বর্ষবরণ উৎসবকে যদি নাম পাল্টে দিয়ে, কিছুটা মুসলমানি ফ্লেভার লাগিয়ে নতুন রূপে নিয়ে আসা হয় তাতেও এটি ইসলামসম্মত হয়ে যাবে না। যে বিষয়ের গোড়াতেই গলদ তার বাহ্যিক কিছু আবরণ পরিবর্তন করার দ্বারা মূল চরিত্র পাল্টায় না। ইদানীং এধরণের বিভিন্ন অপতৎপরতা চোখে পড়ছে কিছু মহলের পক্ষ থেকে। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে, যেন তাদের ধোঁকায় না পড়ি।
আল্লাহ তা'আলা এই অভিশপ্ত উৎসবের ধূলোকালি থেকে আমাদেরকে ও আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে হিফাজত করুন।
Revival Front-IRF