Kishore Barta

Kishore Barta আসছে...
কিশোর বার্তা: তরুণদের সাংবাদিকতা প্ল্যাটফর্ম | Youth Journalism Platform.

Bangla: “কিশোর বার্তা বাংলাদেশের প্রথম শিশু-কিশোর সাংবাদিকতা প্ল্যাটফর্ম। আমরা তরুণদের গল্প তুলে ধরি, স্থানীয় সংবাদ প্রকাশ করি, এবং বাংলার ভবিষ্যৎ গড়ি।”

English: “Kishore Barta, Bangladesh’s first youth journalism platform, amplifies young voices, shares local stories, and shapes Bangladesh’s future.”

Services: “Youth Journalism Workshops,” “News Publishing,” “Community Engagement” (in both la

nguages). Keywords: Include “youth journalism,” “Kushtia,” “Bangladesh,” “শিশু সাংবাদিকতা,” “কুষ্টিয়া,” “তরুণ কণ্ঠ” to match search terms.

তোমাদের শিক্ষাগুরু পেলেন 'গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড'!🏆🏅 কুষ্টিয়ায় Tech-শিক্ষায় বিপ্লব আনছেন যে অধ্যক্ষ!শেরে বাংলা গোল্ডেন অ...
05/11/2025

তোমাদের শিক্ষাগুরু পেলেন 'গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড'!🏆🏅 কুষ্টিয়ায় Tech-শিক্ষায় বিপ্লব আনছেন যে অধ্যক্ষ!
শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ২০২৫: Tech-শিক্ষা বিস্তারে রুহুল আমিন স্যারের অবিশ্বাস্য ভূমিকা!

লিড: শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক স্মৃতি পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ লাভ করেছেন কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এর অধ্যক্ষ (অ. দা.) মোহা. রুহুল আমিন স্যার। তার এই অর্জন কুষ্টিয়ার কারিগরি শিক্ষা অঙ্গনকে গৌরবান্বিত করেছে। তার এই সাফল্য, আমাদের মতো তরুণ Tech শিক্ষার্থীদের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা।

কেন এই অ্যাওয়ার্ড আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ?
অধ্যক্ষ মোহা. রুহুল আমিন স্যারের এই অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তি শুধুমাত্র একটি ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি কুষ্টিয়া এবং বাংলাদেশের কারিগরী শিক্ষাব্যবস্থা (Technical Education System)-এর জন্য একটি সম্মান। এই অ্যাওয়ার্ড প্রমাণ করে যে, টেকনিক্যাল শিক্ষা এখন জাতীয়ভাবে স্বীকৃত এবং গুরুত্ব পাচ্ছে। স্যার দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে কাজ করে চলেছেন। তার সঠিক দিকনির্দেশনা (Guidance) আমাদের মতো তরুণদের উচ্চমানের ইঞ্জিনিয়ারিং ও প্রযুক্তি জ্ঞান লাভে সাহায্য করে, যা ভবিষ্যতে আমাদের Tech-Career-এর পথ খুলে দেবে।

স্যার অ্যাওয়ার্ড পাওয়ায় কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট-এর লালন শাহ্ ছাত্রাবাসের পক্ষ থেকে তাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়। শুভেচ্ছা জানাতে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রাবাসের তত্ত্বাবধায়ক ইঞ্জিনিয়ার হাসানুর রহমান রনি স্যার, সরকারি তত্ত্বাবধায়ক ইঞ্জিনিয়ার সৈকত আহমেদ স্যার, এবং ছাত্রাবাসের সকল শিক্ষার্থীবৃন্দ। এই আয়োজন শিক্ষা ও ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কের গুরুত্বকে তুলে ধরে।

Tech-শিক্ষা ও অধ্যক্ষ স্যারের অবদান
আমরা কুষ্টিয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্ররা মনে করি, একজন অধ্যক্ষ যখন শিক্ষাকে শুধু দাপ্তরিক কাজ হিসেবে না দেখে, বরং উদ্ভাবন (Innovation) ও মানোন্নয়নের (Quality Improvement) মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিয়ে যান, তখনই এমন বিশেষ সম্মান আসে। মোহা. রুহুল আমিন স্যারের মতো নেতৃত্ব কুষ্টিয়া অঞ্চলের কারিগরি শিক্ষাকে আরও আধুনিক এবং সময়োপযোগী (Up-to-Date) করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এটি আমাদের মতো Coding ও Electronics এ আগ্রহী ছাত্রদের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা।

এই সংবাদের revenue-এর ৮% পথশিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে ব্যবহৃত হবে।

বিবৃতি:

কুষ্টিয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের আইটি সাপোর্ট বিভাগের ইন্সট্রাক্টর, মোঃ কামরুল হাসান, বলেন, "রুহুল আমিন স্যারের এই স্বীকৃতি অত্যন্ত আনন্দের। পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ হিসেবে তাঁর কর্মতৎপরতা Tech-Skill Development এবং ছাত্র-বান্ধব পরিবেশ তৈরিতে বড় ভূমিকা রেখেছে। এই অ্যাওয়ার্ড দেশের কারিগরি শিক্ষায় যুক্ত শিক্ষকদের আরও বেশি অনুপ্রাণিত করবে।"

রেফারেন্স:

শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক স্মৃতি পরিষদ, অ্যাওয়ার্ড প্রদান।

কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, লালন শাহ্ ছাত্রাবাস কর্তৃপক্ষ।

আবেগঘন বিদায়! এক শিক্ষকের ভালোবাসায় কুষ্টিয়ার ছাত্রদের স্কুল জীবনের শেষ দিন হলো অবিস্মরণীয়! 🥹💖‘স্যার না থাকলে Rag Day ...
04/11/2025

আবেগঘন বিদায়! এক শিক্ষকের ভালোবাসায় কুষ্টিয়ার ছাত্রদের স্কুল জীবনের শেষ দিন হলো অবিস্মরণীয়! 🥹💖
‘স্যার না থাকলে Rag Day হতো না!’—কুষ্টিয়ার কিশোরদের শেষ দিনের উৎসবে আবেগ, গান আর কৃতজ্ঞতার গল্প!

লিড: স্কুল জীবনের শেষ দিন—এই দিনটি প্রতিটি কিশোরের জন্য এক মিশ্র অনুভূতির দিন। ৪ঠা নভেম্বর, কুষ্টিয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্ররা তাদের জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ দিনটি এমনভাবে উদযাপন করলো, যা হয়তো সারা জীবন মনে থাকবে। রসায়ন ইন্সট্রাক্টর সাদ্দাম হোসেন স্যারের ব্যক্তিগত উদ্যোগে, সহযোগিতা ও ভালোবাসায় ৪টি ট্রেডের শিক্ষার্থীরা এই দিনটিকে কেক কাটা ও আনন্দ-উৎসবের মাধ্যমে স্মরণীয় করে রাখল।

শিক্ষকের মানবিক উদ্যোগে রচিত হলো ‘শেষ দিনের গল্প’
সাধারণত, স্কুলগুলোর বাইরে বা রাস্তার মোড়ে কিশোরদের নিজেদের খরচে এই ধরনের ‘শেষ দিন’ বা ‘Rag Day’ উদযাপন করতে দেখা যায়। কিন্তু কুষ্টিয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুলের এই দিনের গল্পটা ছিল অন্যরকম। শিক্ষার্থীরা জানায়, রসায়ন ইন্সট্রাক্টর সাদ্দাম হোসেন স্যারের দায়িত্বশীল ভূমিকা ও আর্থিক সহযোগিতা ছাড়া এভাবে স্কুলের ভেতরে এই অনুষ্ঠান করা সম্ভব হতো না। ৪০৩ নম্বর কক্ষে কেক কাটা এবং হাসি-আনন্দের মাধ্যমে দিনটি পালিত হয়।

এই সময়ে ছাত্ররা তাদের Tech-শিক্ষার যাত্রায় সবসময় পাশে থাকার জন্য ইন্সট্রাক্টর সাদ্দাম হোসেন স্যারকে বিশেষভাবে সম্মাননা জানান। একই সঙ্গে পদার্থবিজ্ঞানের ইন্সট্রাক্টর ইখতিয়ার আলম স্যারকেও সম্মাননা প্রদান করা হয়। দুই শিক্ষক ছাত্রদের সাথে মিলে কেক কেটে দিনটিকে আরও বেশি ঐতিহাসিক করে তোলেন।

“স্যারের ঋণ কোনো দিন পরিশোধ হবে না!”
ছাত্রদের মুখে ছিল কেবলই সাদ্দাম স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা। তাদের মতে, সাদ্দাম স্যারের মতো আন্তরিক শিক্ষক খুব কমই পাওয়া যায়। ছাত্ররা জানায়:

সহযোগিতা: "আমাদের মা-বাবা অনেকেই টাকা দিতে পারেননি, কিন্তু সাদ্দাম স্যার টাকা-পয়সার বিষয়টাও দেখেছেন এবং আয়োজনও করেছেন। স্যারের এই ঋণ আমরা কোনো দিন পরিশোধ করতে পারবো না।"

শিক্ষাদান পদ্ধতি: "রসায়ন সাবজেক্টটা সবার কাছে খুব কঠিন লাগে, কিন্তু স্যার প্রত্যেকটা বিষয় এত সুন্দর করে ভেঙ্গে ভেঙ্গে বোঝান যে আমাদের কাছে তা খুব সহজ মনে হয়। তাঁর বোঝানোর পদ্ধতি সত্যিই অসাধারণ।"

প্রয়োজনে পাশে থাকা: "যখনই কোনো সাহায্যের জন্য গিয়েছি, অনলাইন বা অফলাইনে, স্যার সেই সাহায্য করেছেন। কখনো আমাদের ফিরিয়ে দেননি।"

এই ভালোবাসা প্রমাণ করে যে, একজন শিক্ষক শুধুমাত্র সিলেবাস (Syllabus) শেষ করার জন্যই নয়, বরং মেন্টর (Mentor) হিসেবেও কতটা গুরুত্বপূর্ণ। স্যারের এই মানবিকতা কিশোরদের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ (Moral Values) এবং শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ আরও বাড়িয়ে তুলবে।

বিবৃতি:

কুষ্টিয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের আইটি সাপোর্ট বিভাগের ছাত্র হিসেবে আমরা মনে করি, সাদ্দাম স্যারের এই উদ্যোগ আমাদের টেকনিক্যাল শিক্ষায় নিয়োজিত শিক্ষকদের ছাত্রদের প্রতি দায়িত্ববোধকে তুলে ধরে। ছাত্ররা একজন ভালো শিক্ষকের কাছ থেকে শুধু জ্ঞান নয়, জীবনের পথে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণাও খুঁজে পায়।

রেফারেন্স:

কুষ্টিয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্র ও শিক্ষকবৃন্দ।

৪ঠা নভেম্বর, ২০২৫ এর ঘটনা।

এই content-এর revenue-এর ৮% পথশিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে ব্যবহৃত হবে।

Saddam Hossain .ekhtiar

গণিত কি শুধু সংখ্যা? সানআপের কিশোররা প্রমাণ করলো, এটা আমাদের জীবনের AI! 💡লজিক আর চিন্তার শক্তি বাড়াতে চাইছো? তোমার স্কু...
16/10/2025

গণিত কি শুধু সংখ্যা? সানআপের কিশোররা প্রমাণ করলো, এটা আমাদের জীবনের AI! 💡
লজিক আর চিন্তার শক্তি বাড়াতে চাইছো? তোমার স্কুল বা কলেজেই শুরু হোক এই নতুন গণিত বিপ্লব!

লিড: সানআপ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হলো এক বর্ণাঢ্য গণিত উৎসব ২০২৫। ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলা মাধ্যম এবং ইংরেজি ভার্সনের শিক্ষার্থীরা সংখ্যা, যুক্তি ও চিন্তার এই প্রাণবন্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। এই উৎসব আবারও প্রমাণ করেছে যে গণিত শুধু একটি বিষয় নয়, এটি সমস্যার সমাধান (Problem Solving) করার এক অসাধারণ Superpower।

কৌতূহল ও লজিকের জয়: কেন গণিত উৎসব এত জরুরি?
২০২৫ সালের এই গণিত উৎসব ছিল শিক্ষার্থীদের জন্য এক আনন্দময় অভিজ্ঞতা। প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা তাদের যুক্তি (Logic) ও সৃজনশীলতার পরিচয় দিয়েছে। আমাদের মতো কিশোর-কিশোরীদের জন্য গণিত খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আজকের দিনে Coding, AI এবং Data Science-এর মতো Tech Field-এ ক্যারিয়ার গড়তে হলে গাণিতিক ভিত্তি মজবুত হওয়া অপরিহার্য। এই উৎসব ঠিক সেই ভিত্তিটাই গড়ে দিতে সাহায্য করে।

প্রতিযোগিতা শেষে আয়োজিত হয় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান, যেখানে বিজয়ী প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন সম্মানিত অধ্যক্ষ ম্যাম এবং অ্যাসোসিয়েট প্রিন্সিপাল স্যার। তাদের অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করে নতুন সাফল্যের পথে এগিয়ে যেতে। ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষকদের তত্ত্বাবধান ও যত্ন বিশেষ প্রশংসিত হয়েছে, যাদের গাইডেন্সে শিক্ষার্থীরা সাফল্যের শিখরে পৌঁছেছে।

গণিতের মতো বিষয়গুলো আমাদের Analytic Thinking বাড়ায়, যা ভবিষ্যতে যেকোনো Tech-Innovation এর জন্য আবশ্যক।

গণিত: Tech-এর দুনিয়ায় সাফল্যের চাবিকাঠি
গণিত উৎসবের মতো ইভেন্টগুলো শিক্ষার্থীদের শেখায়—গণিত শুধু সংখ্যা মুখস্থ করা নয়, এটি যুক্তি, কৌতূহল ও সৃষ্টিশীলতার এক সুন্দর যাত্রা। এই যাত্রা একজন শিক্ষার্থীকে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করে। যখন তুমি একটি জটিল গণিত সমস্যার সমাধান করো, তখন তোমার মস্তিষ্ক আসলে একটি Algorithm তৈরি করে। এই Algorithm Building Skill ই আমাদের IT এবং Engineering এর দুনিয়ায় সফল হতে সাহায্য করে।

এই সফল আয়োজনের জন্য আয়োজক কমিটিকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই, যাদের সুশৃঙ্খল পরিকল্পনায় এটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই ধারাবাহিকতা আমাদের মতো তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি আরও আগ্রহী করে তুলবে।

এই content-এর revenue-এর ৮% পথশিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে ব্যবহৃত হবে।

বিবৃতি:

কুষ্টিয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ আইটি সাপোর্ট বিভাগের ইন্সট্রাক্টর, মোঃ কামরুল হাসান, বলেন, "গণিত হলো Computer Science-এর ভাষা। সানআপের এই উদ্যোগ খুবই প্রশংসনীয়, কারণ এটি শিক্ষার্থীদের কেবল অঙ্ক শেখাচ্ছে না, বরং তাদের মস্তিষ্কের লজিক্যাল প্রসেসিং ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তুলছে। এটাই আমাদের Tech-savvy প্রজন্ম গড়ে তোলার প্রথম ধাপ।"

রেফারেন্স:

সানআপ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ, কুষ্টিয়া।

Hashtag:

SunUp International School and College, Kushtia, Bangladesh

কুপোকাত প্রতিপক্ষ! দাবা চ্যাম্পিয়নশিপে কুষ্টিয়ার সানআপের ডাবল ধামাকা! 🏆👑সঠিক কৌশল আর একাগ্রতায় আমাদের কিশোররা জেলা জয়...
12/10/2025

কুপোকাত প্রতিপক্ষ! দাবা চ্যাম্পিয়নশিপে কুষ্টিয়ার সানআপের ডাবল ধামাকা! 🏆👑
সঠিক কৌশল আর একাগ্রতায় আমাদের কিশোররা জেলা জয় করলো! সাফল্যের রহস্য কী?
বিস্তারিত কমেন্টে
SunUp International School and College, Kushtia, Bangladesh

তোমার নাম যাচ্ছে চাঁদে! নাসার ঐতিহাসিক মিশনে তুমিও হও অংশীদার! 🚀✨চাঁদের কাছে পৌঁছে যাবে তোমার নাম! NASA-এর Artemis II মি...
15/09/2025

তোমার নাম যাচ্ছে চাঁদে! নাসার ঐতিহাসিক মিশনে তুমিও হও অংশীদার! 🚀✨
চাঁদের কাছে পৌঁছে যাবে তোমার নাম! NASA-এর Artemis II মিশনে যোগ দিয়ে পূরণ করো তোমার স্বপ্ন!

লিড: মহাকাশ নিয়ে তোমার কৌতূহল কি কম? তাহলে তোমার জন্য রয়েছে দারুণ এক খবর! NASA তাদের ঐতিহাসিক আর্টেমিস II পরীক্ষামূলক ফ্লাইটে মানুষের নাম পাঠানোর জন্য একটি বিশেষ সুযোগ দিচ্ছে। এই মিশনে তোমার নামও চাঁদের চারপাশে ঘুরে আসতে পারবে! এটি কেবল একটি উদ্যোগ নয়, বরং আমাদের মতো তরুণ প্রজন্মের জন্য মহাকাশ গবেষণার অংশ হওয়ার এক বিশাল সুযোগ।

কীভাবে তোমার নাম চাঁদে যাবে?
নাসার “Send Your Name with Artemis II” উদ্যোগের অংশ হিসেবে, যে কেউ ২১শে জানুয়ারির মধ্যে সাইন আপ করে তাদের নাম পাঠাতে পারবে। সংগ্রহ করা নামগুলো একটি বিশেষ এসডি কার্ডে লোড করা হবে এবং তা ওরিয়ন মহাকাশযানের ভেতরে স্থাপন করা হবে। এই মহাকাশযানটি চারজন মহাকাশচারীর সাথে চাঁদের চারপাশে ঘুরে আসবে।

এই মিশনের মহাকাশচারীরা হলেন রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কোচ এবং কানাডিয়ান মহাকাশচারী জেরেমি হ্যানসেন। তাদের সাথে তোমার নামও যাবে গভীর মহাকাশের পথে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে, তুমি তোমার নামের জন্য একটি সংগ্রহযোগ্য বোর্ডিং পাসও ডাউনলোড করতে পারবে, যা তোমার এই ঐতিহাসিক যাত্রার সাক্ষী হয়ে থাকবে।

লরি গ্লেজ, যিনি নাসার একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বলেন, "আর্টেমিস II হল চাঁদে মানুষকে ফিরিয়ে আনা এবং মঙ্গল গ্রহে ভবিষ্যতের অভিযানের দিকে এগিয়ে যাওয়ার আমাদের প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষামূলক ফ্লাইট।" তিনি আরও বলেন, এই উদ্যোগটি বিশ্বজুড়ে মানুষকে মহাকাশ অনুসন্ধানে আগ্রহী করে তুলবে।

ভবিষ্যতের দিকে এক বড় পদক্ষেপ!
আর্টেমিস II মিশনটি ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসের মধ্যে শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই ১০ দিনের পরীক্ষামূলক ফ্লাইটটি আর্টেমিস প্রচারণার অধীনে প্রথম মানব মহাকাশচারী মিশন। এটি চাঁদের পৃষ্ঠে মানুষের নতুন মিশন পাঠানোর পথে এক বড় পদক্ষেপ। এর চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানো, যা মানব ইতিহাসের অন্যতম বড় অর্জন হবে।

আমরা, কুষ্টিয়া সরকারি কারিগরি স্কুলের ছাত্ররা, সবসময় প্রযুক্তি এবং বিজ্ঞানের নতুন আবিষ্কার নিয়ে উৎসাহিত হই। নাসার এই উদ্যোগ প্রমাণ করে যে, বিজ্ঞান শুধু পরীক্ষাগারে সীমাবদ্ধ নয়, এটি আমাদের প্রত্যেকের জীবনে নতুন কৌতূহল আর স্বপ্ন নিয়ে আসে।

এই সংবাদের revenue-এর ৮% পথশিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে ব্যবহৃত হবে।

বিবৃতি:

আমাদের কুষ্টিয়া সরকারি কারিগরি স্কুলের আইটি সাপোর্ট বিভাগের ইন্সট্রাক্টর, মোঃ কামরুল হাসান, বলেন, "নাসার এই ধরনের উদ্যোগ সত্যিই দারুণ! এটি তরুণদের মধ্যে বিজ্ঞান ও মহাকাশ প্রযুক্তি নিয়ে আগ্রহ বাড়াবে। আমাদের শিক্ষার্থীরাও এই মিশনে অংশ নিয়ে নিজেদের নাম পাঠাতে পারবে, যা তাদের ভবিষ্যতের বিজ্ঞানমনস্ক হতে উৎসাহিত করবে।"

রেফারেন্স:

নাসা (NASA) এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, "Send Your Name with Artemis II"।

Hashtag:

মেহেরপুরের তরুণ শাহী আল সাদাত পেলেন আন্তর্জাতিক সম্মান! 🎖️মানবাধিকার রক্ষায় আমাদের এক তরুণের অসামান্য অবদান, যা পুরো দে...
14/09/2025

মেহেরপুরের তরুণ শাহী আল সাদাত পেলেন আন্তর্জাতিক সম্মান! 🎖️
মানবাধিকার রক্ষায় আমাদের এক তরুণের অসামান্য অবদান, যা পুরো দেশকে গর্বিত করেছে!

লিড: মেহেরপুরের তরুণ শাহী আল সাদাত তার অসাধারণ কাজের জন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। সাউথ এশিয়ান সোশ্যাল কালচারাল ফোরাম কর্তৃক আয়োজিত 'সাউথ এশিয়ান এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৫' অনুষ্ঠানে তাকে মানবাধিকার রক্ষায় অসামান্য অবদানের জন্য পুরস্কৃত করা হয়েছে। এই অর্জন আমাদের মতো তরুণ প্রজন্মের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা।

আন্তর্জাতিক সম্মান আর বাবার প্রতি উৎসর্গ
শাহী আল সাদাত এই সম্মান অর্জন করেছেন তার কলেজ জীবন শুরুর মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যেই। এই বিশেষ মুহূর্তটি তার হৃদয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। পুরস্কার গ্রহণের পর তিনি বলেন, তিনি তার এই কৃতিত্ব তার বাবা শফিকুল ইসলামকে উৎসর্গ করতে চান। তার বাবার নির্দেশনা এবং অনুপ্রেরণা তাকে সবসময় সঠিক পথে চলতে সাহায্য করেছে। এই পুরস্কারটি শুধু শাহীর নয়, বরং তার পরিবার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সেন্ট জোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জন্যেও এক বড় সম্মান।

সাউথ এশিয়ান এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ছাড়াও আরও সাতটি দেশের পুরষ্কারপ্রাপ্তরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, শনিবার ঢাকার কেন্দ্রীয় কচি-কাচার মেলা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এই ধরনের আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে একজন বাংলাদেশি কিশোরের স্বীকৃতি পাওয়া আমাদের সবার জন্য গর্বের বিষয়।

আমাদের জন্য এক প্রেরণার গল্প
শাহী আল সাদাতের এই অর্জন আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, বয়স কোনো বাধা নয়। আমাদের মতো তরুণরাও সমাজ এবং দেশের জন্য অনেক বড় অবদান রাখতে পারে। মানবাধিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কাজ করে শাহী প্রমাণ করেছেন যে, মানবিক মূল্যবোধ এবং সততা দিয়ে বড় কিছু করা সম্ভব। তার এই সাফল্য আমাদের কুষ্টিয়া সরকারি কারিগরি স্কুলের ছাত্রছাত্রীদেরও উৎসাহিত করবে।

এই সংবাদের revenue-এর ৮% পথশিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে ব্যবহৃত হবে।

বিবৃতি:

আমাদের কুষ্টিয়া সরকারি কারিগরি স্কুলের আইটি সাপোর্ট বিভাগের ইন্সট্রাক্টর, মোঃ কামরুল হাসান, বলেন, “শাহী আল সাদাতের এই অর্জন সত্যিই অসাধারণ। এটি আমাদের তরুণ প্রজন্মকে মানবিক কাজে আগ্রহী হতে এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে উৎসাহিত করবে। প্রযুক্তির পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ আমাদের একটি উন্নত সমাজ গঠনে সাহায্য করে।”

রেফারেন্স:

সাউথ এশিয়ান সোশ্যাল কালচারাল ফোরাম।

শাহী আল সাদাতের ব্যক্তিগত বিবৃতি।

Hashtag:
Shahi Al Sadat

সাপ নয়, অবহেলাই কি কেড়ে নিল কিশোরের প্রাণ? হাসপাতালে অ্যান্টিভেনাম নেই, কেন এমন হয়?একটি জীবন, একটি স্বপ্ন! আর কত প্রাণ...
30/08/2025

সাপ নয়, অবহেলাই কি কেড়ে নিল কিশোরের প্রাণ? হাসপাতালে অ্যান্টিভেনাম নেই, কেন এমন হয়?
একটি জীবন, একটি স্বপ্ন! আর কত প্রাণ এভাবে হারিয়ে যাবে?

লিড: কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে সাপে কামড়ানো এক কিশোরের করুণ মৃত্যু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, সময় মতো অ্যান্টিভেনাম না পাওয়ার কারণেই তার এই পরিণতি হয়েছে। এই ঘটনাটি আবারও প্রমাণ করে দিয়েছে যে, আমাদের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় কতটা দুর্বলতা রয়েছে এবং কীভাবে সামান্য অবহেলা একটি তরুণ জীবনকে শেষ করে দিতে পারে।

কেন ঘটলো এমন মর্মান্তিক ঘটনা?
সম্প্রতি কুষ্টিয়ার এক কিশোরকে সাপে কামড়ানোর পর দ্রুত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। কিন্তু জরুরি মুহূর্তে জানা যায়, হাসপাতালে সাপের বিষের প্রতিষেধক বা অ্যান্টিভেনাম নেই। পরিবারের সদস্যরা যখন এই খবর শোনেন, তখন তাদের পৃথিবী যেন ভেঙে পড়ে। নানা চেষ্টা করেও কোনো লাভ হয়নি, কারণ সময় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছিল। অবশেষে, চিকিৎসার অভাবে শিশুটির মৃত্যু হয়। এই দুঃখজনক ঘটনাটি কেবল একটি পরিবারের ক্ষতি নয়, বরং আমাদের সমাজের স্বাস্থ্য খাতের এক বড় ব্যর্থতা।

এই ঘটনা আমাদের মনে এক কঠিন প্রশ্ন জাগিয়ে তোলে: কেন একটি জরুরি প্রতিষেধক একটি সরকারি হাসপাতালে থাকবে না? বিশেষ করে যে অঞ্চলে সাপে কামড়ানোর ঘটনা প্রায়ই ঘটে, সেখানে এমন জরুরি ওষুধ না থাকা কতটা যুক্তিযুক্ত? এই ধরনের অবহেলা অগণিত মানুষের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলছে। আমাদের কুষ্টিয়া সরকারি কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্র হিসেবে আমরা মনে করি, শুধু প্রযুক্তি নয়, বরং স্বাস্থ্য খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সুব্যবস্থাপনাও এখন জরুরি।

প্রযুক্তির সাহায্যে কি আমরা বাঁচাতে পারি জীবন?
আমরা দেখেছি, কীভাবে একটি ছোট অ্যাপ বা একটি সঠিক পরিকল্পনা একটি বড় সমস্যা সমাধান করতে পারে। আমাদের শহরের স্বাস্থ্য বিভাগ চাইলে সহজেই একটি অনলাইন ডাটাবেস তৈরি করতে পারে, যেখানে প্রতিটি হাসপাতালে কী কী জরুরি ওষুধ মজুত আছে, তার তালিকা থাকবে। এতে রোগীরা বা তাদের স্বজনরা দূরে বসেও জানতে পারবে কোন হাসপাতালে গেলে তারা সঠিক চিকিৎসা পাবে।

ডাক্তার এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ জরুরি, যাতে তারা জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। একটি জীবনের মূল্য কোনো কিছুর বিনিময়েই মাপা যায় না। আমাদের সবার দায়িত্ব হলো এই ধরনের ঘটনা যেন আর না ঘটে, সেদিকে খেয়াল রাখা।

এই সংবাদের revenue-এর ৮% পথশিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে ব্যবহৃত হবে।

বিবৃতি:

আমাদের কুষ্টিয়া সরকারি কারিগরি স্কুলের আইটি সাপোর্ট বিভাগের ইন্সট্রাক্টর, মোঃ কামরুল হাসান, বলেন, “এই ধরনের ঘটনা আমাদের দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার দুর্বলতা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমরা হাসপাতালগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে পারি এবং জরুরি ওষুধের মজুত সম্পর্কে সঠিক তথ্য পেতে পারি। প্রতিটি জীবনই মূল্যবান, এবং কোনো অবহেলার কারণে একটি জীবন নষ্ট হওয়া উচিত নয়।”

রেফারেন্স:

স্থানীয় সংবাদদাতা ও পরিবারের সাক্ষাৎকার।

কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তথ্য।

Hashtag:

মাঠে লড়াকু তানজিমা: ১১ মাসের সন্তানকে নিয়েও যিনি চ্যাম্পিয়ন! 🏆আমাদের নারী খেলোয়াড়দের অদম্য লড়াইয়ের গল্প, যা তোমার...
18/08/2025

মাঠে লড়াকু তানজিমা: ১১ মাসের সন্তানকে নিয়েও যিনি চ্যাম্পিয়ন! 🏆
আমাদের নারী খেলোয়াড়দের অদম্য লড়াইয়ের গল্প, যা তোমার চোখে আনবে জল!

লিড: সন্তানকে সামলানো, পুলিশে চাকরি করা, আর সেই সঙ্গে হ্যান্ডবল মাঠে দাপিয়ে বেড়ানো—এমন অদম্য এক নারীর গল্প আমাদের অনেকের কাছেই অজানা। তিনি হলেন বাংলাদেশ পুলিশ দলের হ্যান্ডবল খেলোয়াড় তানজিমা আক্তার। তার লড়াইয়ের গল্প আমাদের দেখায়, কীভাবে একজন মা সব বাধা অতিক্রম করে তার স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে যান।

একাধারে মা, পুলিশ ও খেলোয়াড়: অদম্য তানজিমার জীবন
পল্টনের শহীদ (ক্যাপ্টেন) এম. মনসুর আলী স্টেডিয়ামে আয়োজিত ৩৬তম জাতীয় নারী হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতায় তানজিমা খেলছেন বাংলাদেশ পুলিশ দলের হয়ে। কিন্তু তার লড়াই শুধু মাঠের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ম্যাচ শেষ হলেই তিনি দৌড়ে যান মাঠের পাশে, যেখানে তার ১১ মাস বয়সী ছেলে তাওহিদুল কবির অপেক্ষা করে। খেলা এবং সন্তানের দায়িত্ব—একসঙ্গে দুটি সামলানো তানজিমার জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ।

তানজিমার গল্প বাংলাদেশের নারী ক্রীড়াঙ্গনের এক চিরন্তন চিত্র তুলে ধরে। তার মতো অনেক নারী খেলোয়াড়কে আমরা দেখি, যারা তাদের সন্তানের দায়িত্ব এবং খেলার প্রতি ভালোবাসা একসঙ্গে সামলে চলেন। পুলিশের চাকরিতে যোগ দিয়েছেন ২০১৭ সালে এবং ২০২০ সাল থেকে হ্যান্ডবল খেলছেন। তার স্বামী তানভীর আহমেদও একজন পুলিশ কর্মকর্তা। স্বামী এবং আত্মীয়-স্বজনের সমর্থন তার এই কঠিন পথকে কিছুটা সহজ করে দিয়েছে।

তানজিমা বলেন, “মাঝে মাঝে বাবুকে রেখে খেলতে কষ্ট হয়। তারপরও সব কিছু মিলিয়ে মানিয়ে নিচ্ছি।” তার এই কথা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, কঠিন পরিস্থিতিতেও কীভাবে একজন মানুষ তার দায়িত্ব এবং প্যাশনের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে পারে। এটি আমাদের মতো তরুণদের জন্য এক দারুণ অনুপ্রেরণা, যারা বড় কিছু করার স্বপ্ন দেখে।

শত বাধা পেরিয়ে স্বপ্নের পথে
সন্তান হওয়ার পর তানজিমা অস্ত্রোপচারের কারণে কিছুদিনের জন্য খেলা থেকে দূরে ছিলেন। কিন্তু খেলার প্রতি তার টান তাকে আবার মাঠে ফিরিয়ে এনেছে। অনেক সময় অনুশীলনের সময় ছেলে যখন কান্নাকাটি করে, তখন তার কষ্ট হয়, কিন্তু চাকরির প্রয়োজনে তাকে সব মানিয়ে নিতে হয়। তিনি বলেন, “অনুশীলন করতে কোনও কষ্ট হয় না। কিন্তু ছেলে কান্নাকাটি করলে খারাপ লাগে।”

একজন অলরাউন্ডার হিসেবে তানজিমা ঘরে বাইরে দুটোই সামলাচ্ছেন। তিনি পুলিশে ডিউটি করার পাশাপাশি, রাজনৈতিক মিছিল-মিটিংয়েও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি শুধু একজন দুর্দান্ত হ্যান্ডবল খেলোয়াড়ই নন, বরং একজন লড়াকু মা এবং কর্মজীবী নারী হিসেবেও উদাহরণ তৈরি করছেন।

এই সংবাদের revenue-এর ৮% পথশিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে ব্যবহৃত হবে।

বিবৃতি:

কুষ্টিয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুলের আইটি সাপোর্ট বিভাগের ইন্সট্রাক্টর, মোঃ কামরুল হাসান, বলেন, "তানজিমার গল্প শুধু একজন খেলোয়াড়ের গল্প নয়, এটি আমাদের সমাজের হাজারো নারীর লড়াই এবং সাফল্যের গল্প। তার অদম্য মনোবল আমাদের তরুণ সমাজকে আরও বেশি অনুপ্রাণিত করবে, বিশেষ করে নারীদের, যারা নিজেদের স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে যেতে চায়।"

রেফারেন্স:

৩৬তম জাতীয় নারী হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতা, শহীদ (ক্যাপ্টেন) এম. মনসুর আলী স্টেডিয়াম, ঢাকা।

তানজিমা আক্তারের ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকার।

Hashtag:

প্লাস্টিকের বন্যায় ডুবছে আমাদের শহর! জলবায়ু বাঁচাতে তোমার ভূমিকা কী?আমাদের নিজেদেরকেই বাঁচাতে হবে নিজেদের পৃথিবীকে! প্ল...
18/08/2025

প্লাস্টিকের বন্যায় ডুবছে আমাদের শহর! জলবায়ু বাঁচাতে তোমার ভূমিকা কী?
আমাদের নিজেদেরকেই বাঁচাতে হবে নিজেদের পৃথিবীকে! প্লাস্টিক দূষণ রোধে একাই একশো হতে পারো তুমিও!

লিড: আমাদের চারপাশে প্লাস্টিক বর্জ্যের পরিমাণ দিন দিন বেড়েই চলেছে, যা পরিবেশ, জলবায়ু এবং আমাদের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। বিশেষ করে ঢাকা শহরের মতো জনবহুল এলাকায় এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি। এই ভয়ংকর দূষণ থেকে বাঁচতে হলে আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে এবং বিকল্প পথ খুঁজে বের করতে হবে।

প্লাস্টিক কেন আমাদের জন্য এত ক্ষতিকর?
প্লাস্টিক এমন একটি পদার্থ যা সহজে পচে না। তাই যখন আমরা যেখানে সেখানে প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলি, তখন তা মাটির উর্বরতা নষ্ট করে এবং পানি চলাচলে বাধা দিয়ে জলাবদ্ধতা তৈরি করে। ঢাকা শহরে প্রতিদিন প্রায় ৮ হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য উৎপন্ন হয়, যার ১০ থেকে ১৫ শতাংশই প্লাস্টিক। এই বর্জ্যগুলো ড্রেন, নদী, লেক এবং পুকুরে জমা হয়ে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে।

বিশেষ করে, সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক, যেমন ওয়ান টাইম গ্লাস, প্লেট এবং পলিথিন, সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব বর্জ্য বাতাস ও পানি উভয়কেই দূষিত করে। আমাদের কুষ্টিয়া সরকারি কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্র হিসেবে আমরা প্রযুক্তি এবং বিজ্ঞানের মাধ্যমে এই সমস্যা সমাধানের কথা ভাবছি। কিন্তু তার আগে আমাদের নিজেদের আচরণ পরিবর্তন করা জরুরি।

সমাধান কি শুধু সরকারের হাতে?
এই সমস্যা সমাধানের জন্য শুধু সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকলে চলবে না। সরকারের পক্ষ থেকে প্লাস্টিক উৎপাদন নিষিদ্ধ করা হলেও এখনও অনেক জায়গায়, বিশেষ করে পুরান ঢাকায়, গোপনে এর উৎপাদন চলছে। তবে, এই যুদ্ধে সবচেয়ে বড় অস্ত্র আমরা নিজেরাই।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. মনিরুজ্জামান বলেন, "পরিবেশ বাঁচাতে এখন আমাদের যত দ্রুত সম্ভব সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক ব্যবহার এড়িয়ে বিকল্প পণ্য ব্যবহারে নতুন উদ্ভাবনের দিকে ঝুঁকতে হবে।" তিনি আরও বলেন, আমরা যদি কাপড়ের, কাগজের, পাটের বা পাতার তৈরি ব্যাগ ব্যবহার করি, তাহলে প্লাস্টিকের ব্যবহার অনেক কমানো সম্ভব।

অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীও পাটের ব্যাগ ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, "সবাই যদি পলিথিন বন্ধ করে পাটের ব্যাগ ব্যবহার করে, তবে কৃষক লাভবান হবে এবং পরিবেশ সুরক্ষিত থাকবে।" আমাদের মতো তরুণরা যদি পাটের ব্যাগ ব্যবহার শুরু করি, তাহলে এটি একটি বড় আন্দোলন হয়ে উঠতে পারে।

এই সংবাদের revenue-এর ৮% পথশিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে ব্যবহৃত হবে।

বিবৃতি:

আমাদের কুষ্টিয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ আইটি সাপোর্ট বিভাগের ইন্সট্রাক্টর, মোঃ কামরুল হাসান, বলেন, "প্লাস্টিক দূষণ রোধে প্রযুক্তিগত সমাধান যেমন জরুরি, তেমনি মানুষের সচেতনতা আরও বেশি জরুরি। আমরা আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে এই বিষয়ে হাতে-কলমে শিক্ষা দিচ্ছি, যাতে তারা ভবিষ্যতে আরও পরিবেশবান্ধব পণ্য ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে পারে।"

রেফারেন্স:

"প্লাস্টিক বর্জ্য ও জলবায়ু পরিবর্তন,"

অধ্যাপক ড. মনিরুজ্জামান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, এবং লে. জে. (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর সাক্ষাৎকার।

Hashtag:

রোবট-যোদ্ধারা কি তোমরা প্রস্তুত? আইআরও বাংলাদেশ ওপেন-এর রেজিস্ট্রেশন চলছে!রোবোটিকসের বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরতে আমা...
18/08/2025

রোবট-যোদ্ধারা কি তোমরা প্রস্তুত? আইআরও বাংলাদেশ ওপেন-এর রেজিস্ট্রেশন চলছে!
রোবোটিকসের বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরতে আমাদের নতুন চ্যালেঞ্জ শুরু!

লিড: বাংলাদেশের রোবট-যোদ্ধারা, তোমাদের জন্য এক দারুণ সুযোগ এসেছে! রোবট নিয়ে কাজ করতে যারা ভালোবাসো, তাদের জন্য চলছে আইআরও (IRO) বাংলাদেশ ওপেন ২০২৫-এর রেজিস্ট্রেশন। গত ৭ বছরে আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে ১৪টি স্বর্ণসহ মোট ৮৩টি পদক জিতে বাংলাদেশ বিশ্বকে চমকে দিয়েছে। তুমি যদি সেই সাফল্যের অংশ হতে চাও, তাহলে এখনই রেজিস্ট্রেশন করে নাও!

স্বপ্নের পথে প্রথম ধাপ: আইআরও বাংলাদেশ ওপেন
আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের সাফল্য আমাদের মতো কিশোরদের জন্য এক দারুণ অনুপ্রেরণা। আমাদের দলের শিক্ষার্থীরা গত ৭ বছরে মোট ৮৩টি পদক জিতেছে, যা আমাদের প্রযুক্তিগত মেধা ও কঠোর পরিশ্রমের ফল। এইবার তোমারও সুযোগ আছে এই দলে যোগ দেওয়ার।

বাংলাদেশ ওপেন ২০২৫ প্রতিযোগিতায় ১ম থেকে ১২শ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে। এখানে মোট ৪টি ক্যাটাগরি আছে:

ক্রিয়েটিভ ক্যাটাগরি: যেখানে তুমি তোমার নিজস্ব রোবট তৈরি করে দেখাবে।

ক্রিয়েটিভ মুভি: রোবট নিয়ে তোমার সৃজনশীল ভাবনাকে একটি মুভির মাধ্যমে প্রকাশ করবে।

ফিজিক্যাল কম্পিউটিং: বাস্তব সমস্যা সমাধানে রোবট ব্যবহার করবে।

রোবটিকস কুইজ: নতুন শিক্ষার্থীদের রোবটিকসে আগ্রহী করার জন্য এই মজার কুইজ প্রতিযোগিতা।

প্রতিযোগিতার প্রথম ধাপ হলো অনলাইন প্রাথমিক বাছাই পর্ব, যা অনুষ্ঠিত হবে ২৯-৩০ আগস্ট। যারা এই ধাপে নির্বাচিত হবে, তারা সরাসরি ১২-১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশ পর্বে অংশ নেবে। বাংলাদেশ পর্বে বিজয়ীরাই কেবল আন্তর্জাতিক দলের জন্য নির্বাচিত হবে।

অস্ট্রেলিয়ার পথে যাত্রা
বাংলাদেশ পর্বে যারা ক্রিয়েটিভ ক্যাটাগরি, ক্রিয়েটিভ মুভি এবং ফিজিক্যাল কম্পিউটিংয়ে বিজয়ী হবে, তাদের নিয়ে একটি বিশেষ আন্তর্জাতিক দল নির্বাচনী ক্যাম্প করা হবে। এই ক্যাম্প থেকে নির্বাচিত সেরা শিক্ষার্থীরাই আমাদের দেশের প্রতিনিধি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার গোল্ড কোস্টে অনুষ্ঠিতব্য ২৭তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে অংশ নেবে। এটি শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, বরং রোবট নিয়ে কাজ করা বিশ্বের সেরা তরুণদের সাথে পরিচিত হওয়ার এক অসাধারণ সুযোগ।

কুষ্টিয়া সরকারি কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের আইটি সাপোর্ট বিভাগের ছাত্র হিসেবে আমরাও রোবটিকস নিয়ে কাজ করি। আমাদের স্বপ্ন, একদিন আমরাও বাংলাদেশের হয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে লড়ব। এই প্রতিযোগিতা আমাদের মতো তরুণদের সেই স্বপ্ন পূরণের সুযোগ করে দিচ্ছে।

বিবৃতি:

আমাদের প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষক, মোঃ কামরুল হাসান, যিনি ইন্সট্রাক্টর (টেক/কম্পিউটার), বলেন, "রোবট অলিম্পিয়াডে অংশ নেওয়াটা শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, বরং নতুন কিছু শেখার এবং নিজেদের উদ্ভাবনী ক্ষমতাকে বাড়ানোর এক দারুণ উপায়। আমি সব তরুণদের এই সুযোগটা কাজে লাগানোর আহ্বান জানাই।"

রেফারেন্স:

বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন) প্রেস বিজ্ঞপ্তি, ১০ আগস্ট, ২০২৫।

বাংলাদেশ রোবট অলিম্পিয়াড (বিডিআরও) ওয়েবসাইট, ১০ আগস্ট, ২০২৫।

Hashtag:

Address

Kishore Barta Media
Kushtia
7000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kishore Barta posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Kishore Barta:

Share