Pathakbondhu, Islamic University Unit

Pathakbondhu, Islamic University Unit Pathakbondhu is a wing of Ajker Patrika. A platform for reading, writing, drawing, photography and other social works.

Website of IU Unit: sites.google.com/view/pathakbondhu-iu-unit

শুরু হয়েছে পাঠকবন্ধুর সদস্য সংগ্রহ সপ্তাহ ২০২৬আগামী ০৮-১০ আগস্ট ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সদস্য হওয়ার সু...
07/08/2026

শুরু হয়েছে পাঠকবন্ধুর সদস্য সংগ্রহ সপ্তাহ ২০২৬

আগামী ০৮-১০ আগস্ট ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সদস্য হওয়ার সুযোগ থাকছে। সদস্য হিসেবে যুক্ত হতে পারবেন পাঠকবন্ধুর বিভিন্ন কার্যক্রমে-

▪️ পাঠচক্র
▪️ সমসাময়িক বিষয়ে গণমাধ্যমে লেখালেখি
▪️ লিডারশিপ
▪️ স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেমিনার
▪️ ক্যারিয়ার ও বিদেশে উচ্চশিক্ষা গাইডলাইন
▪️ বিতর্কসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে।

ফরমের মূল্য: ৫০ টাকা

আগ্রহী শিক্ষার্থীদের পোস্টারে দেওয়া QR Code স্ক্যান করে অথবা Google Form (https://forms.gle/wPkRvTP9BWxBfHre7)-এর মাধ্যমে সদস্য হওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

#পাঠকবন্ধু #ইসলামীবিশ্ববিদ্যালয় #সদস্যসংগ্রহসপ্তাহ

07/08/2026

আমরা আসছি আপনাদের অনুষদে, বিভাগে ও ক্লাসে-ক্লাসে।
অফলাইনের পাশাপাশি থাকছে অনলাইনে সদস্য সংগ্রহ।

বিস্তারিত জানতে চোখ রাখুন পাঠকবন্ধু, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ফেইসবুক পেইজে...

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ: নীরব সংকট এবং আমাদের করণীয়বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী, তাদের ছুটি মিলে, কিন্তু...
22/07/2026

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ: নীরব সংকট এবং আমাদের করণীয়

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী, তাদের ছুটি মিলে, কিন্তু স্বস্তি মিলে না। পরীক্ষা হয়, কিন্তু শিক্ষা হয় না। ক্লাস হয়, কিন্তু পড়া হয় না। পড়া যদিও বা হয়, কিন্তু মনে থাকে না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবন, তীব্রভাবে বেঁচে থাকার সময়। কিন্তু কেন জানি না, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা মরে মরে বেঁচে আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন সময়েই জীবন সম্পর্কে তারা তীব্র হতাশ। এমনটা নয় যে তারা পারিপার্শ্বিকতা জানে না, বোঝে না, যার কারণে এমন হচ্ছে; বরং তারা জেনে-বুঝেও এই হতাশাটা অনুভব করে। তারা জানে যে, হতাশ হয়ে বসে না থেকে কাজ করলে তাদের জীবনটা সফল হবে, কিন্তু তারপরও তারা কাজটা করতে পারে না। আরও স্পষ্টভাবে বললে বলা যায়, সে কাজ করার স্পৃহা পায় না।

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনও ছাত্রজীবন, এবং আমাদের স্কুল-কলেজের জীবনটাও ছাত্রজীবনই ছিল। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রজীবনে যে হতাশা, সেই জিনিসটা স্কুল বা কলেজ পর্যায়ে ছিল না। স্কুল-কলেজে যে শিক্ষাটা আমরা গ্রহণ করতে পেরেছি, বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে শিক্ষার্থীরা এই শিক্ষাটা নিতে পারে না। দায়ভার নিয়ে শিক্ষা দেওয়ার যে প্রচেষ্টা, সেটা করাই হয় না বলতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বিভিন্ন মন-মানসিকতার মানুষ আসে। এসব মানুষদের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়াটা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের অনেক বড় একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। আপাতদৃষ্টিতে জিনিসটা আমাদের কাছে অনেক ছোট মনে হচ্ছে, কিন্তু চার বছরের মধ্যে শিক্ষার্থীদের অনেক বড় একটা সময় যায় এই ব্যাপারটা মেনে নিয়ে বা ব্যাপারটার সঙ্গে মানিয়ে চলতে।

পরিবার-পরিজন এবং নিজের এলাকা ছেড়ে আসা শিক্ষার্থীরা “জীবন থেকে শিক্ষা” নেবে, নাকি “জীবনের জন্য শিক্ষা” নেবে, সেই জিনিসটাই বুঝতে পারে না।

দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা যে বন্ধুবান্ধব বা সঙ্গ নির্বাচন করে, পরবর্তী সময়ে এসে তারা আফসোস করে, এবং এই নিয়ে আরেকটা হতাশার সৃষ্টি হয়। প্রতিদিনকার চলার মতো এই সাথী নির্বাচনও তাদের জন্য একটা মানসিক চাপের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়।

ছোটখাটো মানসিক চাপের ব্যাপারগুলো, যেহেতু তারা ‘বড় হয়ে গিয়েছে’, তাই পরিবারের সঙ্গেও শেয়ার করতে পারে না। আবার তাদের মনে হয়, পরিবার-পরিজন, মা-বাবা হয়তো চিন্তা করবে; এজন্য এই কথাগুলো তাদের সঙ্গে বলতে পারে না। মানসিক চাপে নত হয়ে গেলেও তাদেরকে দেখাতে হয় যে, জীবন আনন্দময়। তারা তাদের তারুণ্য উপভোগ করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ জীবনে এসে শিক্ষার্থীরা আরও বড় ধরনের একটা টানাপোড়েনে পড়ে। চাকরিক্ষেত্রে প্রবেশ করতে হবে, এই চিন্তায় "তারুণ্য" যেন অকালবার্ধক্যে রূপান্তরিত হয়।

আর্থিক সংকট এবং আর্থিক সাহায্য নেওয়ার সংকোচ তাদের কুড়ে কুড়ে খায়। তবুও বলার কিছু থাকে না, কারণ বয়সটা এখন তাদের উপার্জন করার।

এতসব মানসিক চাপের মধ্যে থাকার পরও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ দ্বারা কনসালটেশনের ব্যাপারটাকে আমাদের দেশে এখনো সহজভাবে দেখা হয় না। হঠাৎ করে বাবা-মা যখন আবিষ্কার করেন, তাদের ছেলেমেয়েগুলো এরকম সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তখন তারা খেই হারিয়ে ফেলেন। তাদের কাছে মনে হয়, এমন জীবন তো তারাও পার করে এসেছেন, কিন্তু তাদের তো এরকম অবস্থার মধ্য দিয়ে যেতে হয়নি।

রবীন্দ্রনাথ বলে গিয়েছেন, "মনেরে আজ কহ যে, ভালো-মন্দ যাহাই আসুক, সত্যেরে লও সহজে।"

জীবনকে আসলে সহজভাবে নিতে হবে। জীবনে উত্থান-পতন, সাফল্য আসবে, ব্যর্থতা আসবে। এবং জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রকে খুব ভালোভাবে অনুভব করে যেতে হবে। শুধু ভালো জিনিসগুলো প্রত্যাশা করে, খারাপ জিনিসগুলোকে পাশ কাটিয়ে এরকম চাওয়া থাকলে তো আর পুরো জীবনটা পাওয়া হবে না।

নেতিবাচকতা বা হতাশা জীবনে আসবেই, কিন্তু তাই বলে সেগুলোতে নিজেকে আটকে না রেখে যদি সামনের দিনের দিকে যাত্রা করা যায়, তবেই জীবনটা সুন্দর হবে, সহজ হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এরকমভাবে তাদের চিন্তাধারা বদলাতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সময়টুকু একজন শিক্ষার্থী অন্যের জন্য ব্যয় করে, সেই সময়টা যদি সে নিজের দক্ষতা উন্নয়ন থেকে শুরু করে নিজের শখ পূরণের দিকে ব্যয় করে, তবে জীবনের দুঃখ বা চাপ অনেকটাই কমে আসবে।

সমাজ-সামাজিকতার পর্যবেক্ষণ দিয়ে নিজের জীবনকে দুর্বিষহ না করে যদি কেউ নিজের মন-মানসিকতা দিয়ে নিজের জীবন অতিবাহিত করে, তবে তাকে মানসিক চাপের এই নীরব সংকটের মধ্যে পড়তে হবে না।

শিক্ষার্থীদের চিন্তাধারাকে সঠিক পরিক্রমায় নিয়ে আসার চেষ্টা করতে হবে। তারুণ্য সুন্দর, তাদেরকে বোঝানোর চেষ্টা করতে হবে, অনুভব করতে দিতে হবে। নিজের জীবনের শ্রেষ্ঠ এই সময়টা যেন তারা মাদকের করাল গ্রাসে না পড়ে কিংবা অসৎ সঙ্গের কারণে তাদের স্বপ্ন যেন মুখ থুবড়ে না পড়ে, সেই জিনিসটা নিশ্চিত করতে হবে।

রুফাইদা রহমান
সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক
পাঠকবন্ধু
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা

বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ
২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ: নীরব সংকট এবং আমাদের করণীয়বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার দিনটি একজন শিক্ষার্থী...
21/07/2026

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ: নীরব সংকট এবং আমাদের করণীয়

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার দিনটি একজন শিক্ষার্থীর জীবনের অন্যতম আনন্দের মুহূর্ত। নতুন ক্যাম্পাস, নতুন মানুষ, নতুন স্বপ্ন, সবকিছু মিলিয়ে শুরু হয় জীবনের এক নতুন অধ্যায়। কিন্তু এই স্বপ্নের পথচলা সবার জন্য সমান সহজ হয় না। ক্লাস, পরীক্ষা, সিজিপিএ, পরিবার, অর্থনৈতিক বাস্তবতা, ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা এবং নিজের সঙ্গে নিজের প্রতিনিয়ত লড়াই, এসবের মাঝেই অনেক শিক্ষার্থী নীরবে মানসিক চাপের শিকার হয়। বাইরে থেকে হাসিখুশি মনে হলেও ভেতরে ভেতরে তারা ক্লান্ত, উদ্বিগ্ন এবং কখনো কখনো দিশেহারা হয়ে পড়ে। তাই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য আজ শুধু ব্যক্তিগত নয়, সামাজিক গুরুত্বেরও একটি বিষয়।

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের মানসিক চাপের অন্যতম কারণ হলো ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা। একজন শিক্ষার্থী জানে, শুধু একটি ডিগ্রি অর্জন করলেই সফলতা নিশ্চিত নয়। ভালো ফলাফল, দক্ষতা অর্জন, গবেষণা, সহশিক্ষা কার্যক্রম, ভাষা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা, সবকিছুতেই নিজেকে এগিয়ে রাখতে হয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয় চাকরির বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতা। অনেকেই মনে করে, "আমি কি সত্যিই পারব?" এই প্রশ্নই ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাসকে দুর্বল করে দেয়।

অর্থনৈতিক চাপও একটি বড় বাস্তবতা। দেশের অনেক শিক্ষার্থী সীমিত আয়ের পরিবার থেকে আসে। টিউশন, আবাসন, যাতায়াত, বই এবং দৈনন্দিন খরচ সামলাতে গিয়ে অনেককে টিউশনি বা খণ্ডকালীন কাজ করতে হয়। পড়াশোনা এবং জীবিকার এই দ্বৈত দায়িত্ব অনেক সময় শারীরিক ক্লান্তির পাশাপাশি মানসিক অবসাদও তৈরি করে। অন্যদিকে, পরিবারের প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারার ভয়ও তাদের নীরবে কষ্ট দেয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে নতুন পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াও সহজ নয়। পরিবার থেকে দূরে থাকা, নতুন বন্ধু তৈরি করা, সম্পর্কের টানাপোড়েন, একাকীত্ব কিংবা নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে না পারা, এসব বিষয় একজন শিক্ষার্থীর মানসিক অবস্থাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যদের সাফল্য দেখে অনেকেই নিজের জীবনকে ব্যর্থ মনে করতে শুরু করে। অথচ সেখানে সবার বাস্তব জীবন প্রতিফলিত হয় না।

মানসিক চাপের প্রভাব শুধু মনেই সীমাবদ্ধ থাকে না; এটি শিক্ষাজীবন, আচরণ এবং শারীরিক সুস্থতার ওপরও প্রভাব ফেলে। মনোযোগ কমে যায়, পড়াশোনায় আগ্রহ হারিয়ে যায়, ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়, আত্মবিশ্বাস কমে যায় এবং অনেক সময় শিক্ষার্থী নিজেকে সবার থেকে আলাদা করে ফেলে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, আমাদের সমাজে এখনো মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করার সংস্কৃতি খুব সীমিত। ফলে অনেকেই সাহায্যের প্রয়োজন হলেও তা চাইতে সংকোচবোধ করে।

এই সংকট মোকাবিলায় ব্যক্তি, পরিবার, বিশ্ববিদ্যালয় এবং সমাজ, সবার সম্মিলিত ভূমিকা প্রয়োজন। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সহজলভ্য ও গোপনীয় মানসিক স্বাস্থ্যসেবা এবং কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা থাকা উচিত। নতুন শিক্ষার্থীদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক ওরিয়েন্টেশন, নিয়মিত সচেতনতামূলক সেমিনার এবং সহায়ক শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদেরও নিয়মিত শরীরচর্চা, পর্যাপ্ত ঘুম, সময় ব্যবস্থাপনা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং ইতিবাচক সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে নিজের মানসিক সুস্থতার যত্ন নিতে হবে।

পরিবারের ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সন্তানের ওপর অতিরিক্ত প্রত্যাশার চাপ সৃষ্টি না করে তার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা, ব্যর্থতার সময় পাশে থাকা এবং প্রয়োজনে পেশাদার সহায়তা নিতে উৎসাহিত করা উচিত। বন্ধুরাও একে অপরের প্রতি সহানুভূতিশীল হলে অনেক বড় সংকট প্রতিরোধ করা সম্ভব। একজন মানুষের জীবনে কখন একটি আন্তরিক কথোপকথন বা একটি সহানুভূতির হাত নতুন আশার আলো হয়ে উঠবে, তা আগে থেকে বলা যায় না।

সবশেষে বলা যায়, মানসিক চাপ জীবনের একটি বাস্তব অংশ, কিন্তু তা যেন কোনো শিক্ষার্থীর স্বপ্নকে থামিয়ে না দেয়। বিশ্ববিদ্যালয় শুধু ডিগ্রি অর্জনের জায়গা নয়; এটি একজন মানুষকে জ্ঞান, মূল্যবোধ এবং মানসিক দৃঢ়তায় গড়ে তোলার স্থান। তাই এমন একটি শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে সাহায্য চাওয়াকে দুর্বলতা নয়, সচেতনতার পরিচয় হিসেবে দেখা হবে। কারণ সুস্থ মন ছাড়া সুস্থ শিক্ষা সম্ভব নয়, আর সুস্থ শিক্ষার্থী ছাড়া একটি সমৃদ্ধ জাতি গঠনও সম্ভব নয়।

আহনাফ আল রাফি
আইটি সম্পাদক
পাঠকবন্ধু
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা

বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ
২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

পাঠকবন্ধু, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ২য় কার্যনির্বাহী সভা অনুষ্ঠিত
21/07/2026

পাঠকবন্ধু, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ২য় কার্যনির্বাহী সভা অনুষ্ঠিত

নবগঠিত কমিটির পক্ষ থেকে আমাদের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রহমান হাবিব স্যারের (বাংলা বিভাগ) সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। ...
20/07/2026

নবগঠিত কমিটির পক্ষ থেকে আমাদের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রহমান হাবিব স্যারের (বাংলা বিভাগ) সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।

সংবাদমাধ্যমগুলোতে পাঠকবন্ধু, ইবি শাখার নবগঠিত কমিটির প্রকাশিত সংবাদসমূহ।
07/07/2026

সংবাদমাধ্যমগুলোতে পাঠকবন্ধু, ইবি শাখার নবগঠিত কমিটির প্রকাশিত সংবাদসমূহ।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় পাঠকবন্ধু শাখার ২০২৬-২৭ মেয়াদের এক বছর মেয়াদি কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন।
03/07/2026

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় পাঠকবন্ধু শাখার ২০২৬-২৭ মেয়াদের এক বছর মেয়াদি কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন।

29/06/2026
ইবি নিয়ে কুইজের সপ্তম (শেষ) দিনউত্তর দেয়ার শেষ সময় আজ (০২ মার্চ), রাত ১১টা ৫৯উত্তর দেয়ার নিয়ম:✔ সবগুলো প্রশ্নের উত্তর এক...
02/03/2026

ইবি নিয়ে কুইজের সপ্তম (শেষ) দিন
উত্তর দেয়ার শেষ সময় আজ (০২ মার্চ), রাত ১১টা ৫৯

উত্তর দেয়ার নিয়ম:
✔ সবগুলো প্রশ্নের উত্তর একই কমেন্টে দিতে হবে।
✔ উত্তর দেয়ার পর উত্তরের নিচে সর্বনিম্ন ২ জন থেকে সর্বোচ্চ যেকোনো সংখ্যক বন্ধুকে মেনশন করতে হবে।
✔ উত্তর এডিট করলে সেই উত্তর বাতিল হবে।
✔ ফেক আইডি দিয়ে প্রশ্নের উত্তর করা বা ফেক আইডি মেনশন করা গ্রহণযোগ্য হবে না।

গতকালকের (০১ মার্চ) প্রশ্নের উত্তর:
প্রথম প্রশ্ন: শিক্ষাবর্ষ
দ্বিতীয় প্রশ্ন: ২০২৩-২৪
তৃতীয় প্রশ্ন: ৩৪০৩

বি. দ্র: শীঘ্রই চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

Address

Islamic University
Kushtia
7003

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pathakbondhu, Islamic University Unit posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share