Emon Kushtia

Emon Kushtia If you support me, I will support you alltime❤️❤️
(1)

07/09/2026

ঝুম বৃষ্টিতে ভিজে কাঁপতে কাঁপতে রিকশা টেনে নিয়ে চলছিলেন সত্তোরোর্ধ্ব রইস মিয়া। বয়স আর অভাবের ভারে পিঠটা আগেই ধনুকের মতো বেঁকে গেছে। সারাটা দিন খেটে যা উপার্জন হয়, তার একটা বড় অংশ চলে যায় স্ত্রীর প্রেসারের ওষুধে, আর বাকিটা দিয়ে কোনোরকমে জোড়াতালি দিয়ে সংসার চলে। তার নিজের ছেলেও যদি বেঁচে থাকত, তবে এতদিনে হয়তো এই বয়সেরই হতো।

সন্ধ্যার দিকে শহরের অভিজাত এলাকার এক শপিংমলের সামনে একটি ছেলে ও মেয়ে রইস মিয়ার রিকশা ডাকল। দুইজনেরই বয়স আঠারো-উনিশের বেশি হবে না, দামী পোশাক গায়ে।

"এই বুড়ো! গুলশান ২-এ যাবি? কত নিবি?"— ছেলেটি বেশ রুক্ষ সুরে বলল।

রইস মিয়া নরম গলায় বললেন, "বাবা, এই বৃষ্টিতে রাস্তা ডুবে গেছে, জল জমেছে। আর আমার শরীরটাও আজ ভালো ঠেকছে না... তাও চলো, আশি টাকা দিয়ে দিও।"

"আশি টাকা? মাথা খারাপ নাকি তোর?"— মেয়েটি ঝাজালো গলায় বলে উঠল। "নিজের বয়স দেখছিস? এই ভাঙা রিকশা টেনে আশি টাকা দাবি করছিস? ঠিকমতো চালাতে পারবি তো, নাকি মাঝরাস্তায় ফেলে দিবি?"

কথাগুলো রইস মিয়ার বুকে তীরের মতো বিঁধল। নিজের নাতনিদের বয়সী দুটো ছেলেমেয়ে তাকে এভাবে 'তুই' করে আর 'বুড়ো' বলে অপমান করছে। কিন্তু পকেটে স্ত্রীর ওষুধের জন্য জমানো টাকার ঘাটতি মনে পড়ে যেতেই তিনি কষ্টটা গিলে ফেললেন। মাথা নিচু করে বললেন, "চলে আসো বাবা, পৌছে দিচ্ছি।"

রাস্তায় হাঁটু পানি। পেছনের দুইজনের আড্ডা আর হাসাহাসির শব্দ আসছে, আর রইস মিয়া শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে প্যাডেল চেপে যাচ্ছেন। পায়ের রগগুলো যেন একবারে ছিঁড়ে আসছে, বুকের ভেতর হাঁপানির দম আটকে আসছে।

হঠাৎ এক গভীর গর্তে রিকশার চাকা আটকে গেল। শত চেষ্টা করেও রইস মিয়া আর রিকশাটি সামনের দিকে টানতে পারলেন না। বৃষ্টি আর চোখের পানি মিলেমিশে এক হয়ে যাচ্ছিল তার ফাটল ধরা গাল দুটোতে।

পেছন থেকে ছেলেটি চেঁচিয়ে উঠল, "আরে ধুর! তোদের মতো অপদার্থ বুড়োদের দিয়ে কিচ্ছু হবে না! এতক্ষণ ধরে সময় নষ্ট করলি!"

মেয়েটি রিকশা থেকে নেমে রইস মিয়ার দিকে কাদা ছিটিয়ে একপ্রকার ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিল। "একটা কাজের কাজ পারিস না, আবার আশি টাকা হাঁকানো হচ্ছিল!"— এই বলে ছেলেটি তার পকেট থেকে একশো টাকার একটা দুমড়ানো নোট রইস মিয়ার মুখের ওপর ছুড়ে মারল। নোটটা কাদা আর জমা পানির মধ্যে গিয়ে পড়ল।

তারা একটা নতুন ট্যাক্সি ডেকে চলে গেল। যাওয়ার সময় রইস মিয়া শুধু এক নজর তাদের দিকে তাকালেন। কোনো রাগ নেই, কোনো গালি নেই— শুধু একবুক নীরব কান্না।

হাঁটু পানিতে হাঁটু গেড়ে বসে কাদা থেকে সেই একশো টাকার ভিজে যাওয়া নোটটা তুলে নিলেন রইস মিয়া। চোখের সামনে ভেসে উঠল তার একমাত্র মৃত সন্তানের মুখটি। যদি আজ তার ছেলেও বেঁচে থাকত, হয়তো সেও এমন রিকশা চালকের সাথে সম্মান দিয়ে কথা বলত। কিন্তু এই শহরের আলো আর জাঁকজমকের নিচে কিছু মানুষের বিবেক যে এতটা ছোট হয়ে গেছে, তা ভাবতে ভাবতেই বৃদ্ধ রিকশাওয়ালা কাদায় বসা রিকশাটি একাই একা ঠেলতে লাগলেন। শহরের ঝকঝকে রাস্তায় তখন বৃষ্টি থামলেও রইস মিয়ার চোখের শ্রাবণ থামেনি।

07/09/2026

বৃষ্টির রিমঝিম শব্দে শহরের রাতটা যেন একটু বেশিই নিঝুম হয়ে এসেছে। এই শহরের অভিজাত এলাকা গুলশানের এক বিলাসবহুল ভিলার দোতলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছে সেঁজুতি। বয়স তেইশ-চব্বিশ, রূপ আর প্রাচুর্যের কোনো অভাব নেই তার। তার বাবা শহরের নামকরা শিল্পপতি, আর যার সাথে তার বাগদান হয়েছে, সেই অনিকও একটি দেশের শীর্ষস্থানীয় মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির সিইও। বাইরের মানুষের চোখে সেঁজুতি যেন এক নিখুঁত রাজকন্যা, যার জীবনটা সাজানো রঙিন কোনো স্বপ্নের মতো।

কিন্তু এই জাঁকজমকপূর্ণ প্রাসাদের রেশমি পর্দার আড়ালে দমবন্ধ করা এক শূন্যতা রাজত্ব করত। অনিক তাকে ভালোবাসে, তবে সে ভালোবাসা কেবল সোশ্যাল মিডিয়ায় পারফেক্ট কাপল হিসেবে ছবি তোলার আর দামী গিফট দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ। সেঁজুতির মনের নীরব হাহাকার শোনার সময় বা মানসিক গভীরতা অনিকের ছিল না।

ঠিক তিন মাস আগে সেঁজুতির জীবনে নিঃশব্দে আগমন ঘটে হৃদয়ের। শহরের একটা ছোট ক্যাফেতে চিত্রশিল্পী হৃদয়ের সাথে প্রথম দেখা তার। হৃদয়ের কাছে কোনো অঢেল টাকা বা দামি গাড়ি ছিল না, কিন্তু ছিল এক জোড়া মায়াবী চোখ আর মানুষের মন পড়ার অসাধারণ ক্ষমতা। যেখানে পুরো পৃথিবী সেঁজুতির বাহ্যিক রূপ আর টাকা দেখেছে, সেখানে হৃদয় প্রথম দেখাতেই তার চোখের পেছনের জমাট বাঁধা কান্নাটা পড়ে ফেলেছিল।

দিন কেটে যায়। সমাজের চোখে যা 'অনৈতিক' আর পারিবারিক অনুশাসনের চোখে যা 'অপরাধ', সেই নিষিদ্ধ আকর্ষণে জড়িয়ে পড়ে সেঁজুতি। সে জানে অনিকের সাথে সম্পর্কের বন্ধনে আবদ্ধ থেকেও অন্য একজন পুরুষকে মনে স্থান দেওয়া, গোপনে তার কাছে যাওয়া এক গভীর ভুল। কিন্তু সেঁজুতির তৃষ্ণার্ত মন আর কোনো যুক্তি মানতে চাইছিল না।

সবার চোখের আড়ালে, লোকচক্ষুর অন্তরালে শহরের এক প্রান্তের এক ছোট্ট নোংরা ঘরে গড়ে ওঠে তাদের গোপন জগত। দিনে সে অভিজাত ঘরের নিখুঁত বাগদত্তা, আর রাতের কোনো এক ফাঁকে গোপনে সব সামলে সে রূপ নেয় হৃদয়ের একনিষ্ঠ প্রেমিকার। হৃদয়ের ওই তুলির আঁচড় আর অনুভূতির ছোঁয়ায় সেঁজুতি খুঁজে পেত আসল নিজেকে। হৃদয় যখন তাকে জড়িয়ে ধরে ক্যানভাসে ছবি আঁকত, সেঁজুতি তখন সব পাপবোধ ভুলে এক অজানা স্বর্গে হারিয়ে যেত।

প্রতিটা গোপনে দেখা করার পর যখন সেঁজুতি নিজের দামি গাড়িতে উঠে নিজের রাজপ্রাসাদে ফিরত, তার বুকের ভেতরটা এক অপরাধবোধের তীব্র যন্ত্রণায় মুচড়ে উঠত। সে নিজের সাথে প্রতিদিন লড়াই করত—এই সম্পর্ক বন্ধ করার চেষ্টা করত। কিন্তু হৃদয়ের কাছে না গেলে যে তার দম আটকে আসত। এই দ্বৈত জীবন, এই নামহীন গোপন প্রেম তাকে একদিকে যেমন বাঁচার আনন্দ দিচ্ছিল, অন্যদিকে ভেতরে ভেতরে তিলে তিলে শেষ করে দিচ্ছিল।

আজ রাতেও যখন বাইরে অঝোরে বৃষ্টি ঝরছে, সেঁজুতি জানালার কাচে হাত রেখে ভাবছে এই ভালোবাসার ভবিষ্যৎ নিয়ে। সে জানে এই রূপকথার মতো গোপন অধ্যায়ের পরিণতি হবে ভীষণ ভয়ংকর। একদিন সব জানাজানি হবে, তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে তার সাজানো জীবন, সমাজ তাকে কালিমালিপ্ত করবে। তবুও, নিজের এই ধ্বংস নিশ্চিত জেনেও, সে আবার ক্যালেন্ডারের তারিখ গুনছে—কখন আবার সব ছক ভেঙে গোপনে ছুতে পারবে সেই নিষিদ্ধ ভালোবাসার হাত।

02/06/2026

# # শেষ সূর্যোদয়

২০৫০ সাল। পৃথিবীর আকাশ আর নীল নেই। তা তামাশা আর বারুদের কালো ধোঁয়ায় ঢাকা পড়েছে। একে একে সব কূটনীতি ব্যর্থ হয়েছে। অহংকার, ক্ষমতার লোভ আর জিঘাংসা গ্রাস করেছে মানবজাতিকে। বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে এমন এক যুদ্ধ, যা মানব ইতিহাসের সমস্ত নির্মমতাকে ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিটি রাষ্ট্র তাদের গোপন ভাণ্ডার থেকে বের করে এনেছে কল্পনাতীত সব ধ্বংসাত্মক অস্ত্র। মানুষ নিজেই নিজের কবর খুঁড়ছে, অস্তিত্ব বিলীন হওয়ার পথে।

কিন্তু এই নরককুণ্ডের চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে একজনের হাতে—বাংলাদেশি তরুণ বিজ্ঞানী ইমন।

ইমন কোনো ঘাতক ছিল না। সে ছিল একজন স্বপ্নদ্রষ্টা। সে তৈরি করেছিল **‘অ্যানিমি এ টু জেড’ (Anime A-Z)** নামের একটি পারমাণবিক ও সাইবারনেটিক হাইব্রিড অস্ত্র। তবে সে এটি বানিয়েছিল দেশকে রক্ষা করতে, বিশ্বকে ধ্বংস করতে নয়। এই অস্ত্রের মূল শক্তি ছিল এর ভেতরে থাকা এক অবিশ্বাস্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন সফটওয়্যার।

অভিযান শুরুর আগে এই সফটওয়্যারটি এক লহমায় আকাশ ও স্থলপথের হাজার হাজার কিলোমিটার এলাকা স্ক্যান করে ফেলে। বাতাস, তাপমাত্রা, ভূখণ্ড—কোনো কিছুই এর নজর এড়াতে পারে না। একবার লক্ষ্যবস্তু স্থির হলে, এর নিখুঁত আঘাত থেকে বাঁচার কোনো উপায় নেই। ‘অ্যানিমি এ টু জেড’ থেকে ছিটকে আসা প্রতিটি আঘাত যেন সাক্ষাৎ যমদূত।

আজ সেই ইমন তার ভূগর্ভস্থ ল্যাবরেটরির মনিটরের সামনে বসে আছে। তার চোখের নিচে কালসিটে, ঠোঁট দুটো শুকিয়ে কাঠ। স্ক্রিনে ভেসে উঠছে একের পর এক দেশের মানচিত্র, যা লাল বিন্দুতে ভরে গেছে। পরাশক্তিগুলো ইমনের আবিষ্কৃত এই প্রযুক্তি চুরি করে, প্রতিলিপি তৈরি করে আজ একে অপরের ওপর ব্যবহার করছে।

হঠাৎ ল্যাবের ভারী স্টিলের দরজা খুলে ভেতরে ঢুকল জীম—ইমনের সহকর্মী এবং জীবনসঙ্গী। জীমের হাত কাঁপছিল, তার চোখে জল।

> "ইমন... আর কতক্ষণ?" জীমের কণ্ঠস্বর বুজে এল। "ইউরোপ শেষ। এশিয়ায় আমাদের সীমান্তের দিকে ধেয়ে আসছে শত্রু পক্ষ। ওরা আমাদের এই প্রযুক্তির শেষ কোডটা চায়। ওটা পেলে ওরা পুরো মহাদেশটাকে ছাই করে দেবে।"

ইমন চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়াল। তার নিজের তৈরি সফটওয়্যারের স্ক্রিনের দিকে তাকাল। সেখানে দেখা যাচ্ছে, একটু পরেই শত্রুর একঝাঁক বিমান বাংলাদেশের আকাশসীমায় প্রবেশ করবে। আর ঠিক তখনই ইমনের সফটওয়্যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে সক্রিয় হয়ে উঠবে। ‘অ্যানিমি এ টু জেড’ তার নিখুঁত স্ক্যানিং শুরু করবে এবং কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে লাখ লাখ মানুষের প্রাণ কেড়ে নেবে। শত্রু হোক বা মিত্র, এই অস্ত্রের হাত থেকে রেহাই পাওয়ার কোনো পথ নেই।

"আমি এই ধ্বংসযজ্ঞ থামাব, জীম," ইমন ফিসফিস করে বলল।

"কীভাবে? ওরা তো কোড হ্যাক করার চেষ্টা করছে। আমাদের অস্ত্রই এখন আমাদের দিকে তাক করা!" জীম চিৎকার করে কেঁদে উঠল।

ইমন জীমের হাত দুটো শক্ত করে ধরল। তার চোখে কোনো ভয় ছিল না, ছিল এক অদ্ভুত শান্ত গভীরতা। "আমি যখন এই সফটওয়্যারটা বানিয়েছিলাম, তখন এর ভেতর একটা গোপন কমান্ড লুকিয়ে রেখেছিলাম। আমি ভেবেছিলাম এই দিনটা কোনোদিন আসবে না। মানুষ এতটা অন্ধ হতে পারে না। কিন্তু আমি ভুল ছিলাম।"

মনিটরে কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে। স্ক্যানারটি আকাশ ও স্থলপথের ম্যাপ তৈরি করে ফেলেছে। আর মাত্র ৬০ সেকেন্ড। তারপরই শুরু হবে পৃথিবীর ইতিহাসের শেষ মহাধ্বংস।

* **৩০ সেকেন্ড...** সফটওয়্যারটি লক্ষ্যবস্তু লক করছে।
* **২০ সেকেন্ড...** ইমনের আঙুলগুলো কিবোর্ডের ওপর ঝড় তুলল। সে তার জীবনের শ্রেষ্ঠ ও শেষ কোডটি টাইপ করছে।
* **১০ সেকেন্ড...**

"তুমি কী করছ, ইমন?" জীম কাঁপতে কাঁপতে জিজ্ঞেস করল।

"আমি ‘অ্যানিমি এ টু জেড’-এর লক্ষ্যবস্তু বদলে দিচ্ছি। ও আকাশ বা মাটিতে আঘাত করবে না।" ইমনের চোখে তখন জল টলমল করছে, কিন্তু ঠোঁটে এক চিলতে বিষণ্ণ হাসি। "এর নিখুঁত আঘাতের শেষ লক্ষ্যবস্তু হবে... এই ল্যাবরেটরি। এবং বিশ্বের বুকে থাকা এই অস্ত্রের বাকি সবকটি গোপন সার্ভার।"

"তার মানে? আমরাও তো..." জীম স্তব্ধ হয়ে গেল।

"হ্যাঁ। আমাদের সৃষ্টি করা এই পাপ আমাদের সাথেই শেষ হয়ে যাক। মানুষকে যদি বাঁচতে হয়, তবে এই দানবকে মরতে হবে।"

ইমন জীমকে বুকের গভীরে জড়িয়ে ধরল। বাইরে তখন সাইরেনের কানফাটানো আওয়াজ। সফটওয়্যারটি তার শেষ স্ক্যান সম্পন্ন করল—লক্ষ্যবস্তু এখন স্বয়ং এই ল্যাব।

মনিটরে ভেসে উঠল শেষ বার্তা: **Target Locked. Zero Escape Possible.**

ইমন জীমের কপালে আলতো করে চুমু খেল। "ক্ষমা করে দিও, পৃথিবী। আমরা তোমাকে বাঁচাতে পারলাম না, কিন্তু আর ধ্বংস হতে দেব না।"

কিবোর্ডের এন্টার বাটনে শেষ চাপ পড়ল। ল্যাবের চারপাশ এক তীব্র, blinding সাদা আলোয় ভরে গেল। কোনো চিৎকার হলো না, কোনো হাহাকার রইল না। এক পরম নিখুঁত ও ভয়াবহ বিস্ফোরণে স্তব্ধ হয়ে গেল ইমনের ল্যাব, আর তার সাথে সাথে বিশ্বজুড়ে নিষ্ক্রিয় হয়ে গেল ‘অ্যানিমি এ টু জেড’-এর সমস্ত নেটওয়ার্ক।

পরদিন সকালে, বহু বছর পর পৃথিবীর আকাশ থেকে কালো ধোঁয়া একটুখানি সরল। এক ফালি সোনালী রোদ এসে পড়ল ধ্বংসস্তূপের ওপর। যুদ্ধ থেমে গেছে, কারণ যুদ্ধের সবচেয়ে বড় দানবটা নিজেকে নিজেই বলি দিয়েছে। বিজ্ঞানী ইমন তার সৃষ্টির নিখুঁত মরণকামড় দিয়ে পৃথিবীকে ধ্বংসের হাত থেকে চিরতরে রক্ষা করে গেল, নিজের জীবন দিয়ে।

Address

Kushtia

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Emon Kushtia posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share